
আমার প্রতিবাদের শাড়িসামিয়ানা জানেন? আমরা বলি সাইমানা, পুরানো শাড়ি দিয়ে যেমন ক্যাথা হয়, গ্রামের মেয়েরা সুচ সুতো দিয়ে নকশা তোলে তেমন সামিয়ানাও হয়। খড়ের, টিনের বা এসবেস্টাসের চালের নিচে ধুলো বালি আটকাতে বা নগ্ন চালা কে সভ্য বানাতে সাইমানা টানানো আমাদের গ্রাম দেশে রীতি। আমার মা এ ব্যাপারে এক্সপার্ট। পুরানো, রঙ ওঠা, ছেঁড়া দু একটা শাড়ি এদিক ওদিক কেটে হাতে সেলাই করে তিনি এমন সাইমানা বানিয়ে দেবেন যা দেখে আচ্ছা আচ্ছা দর্জি চমকে যাবে। আমি তখন গাজিপুরে আলুর গুদাম তৈরির কাজে জোগাড়ে ... ...

আজ ১৯শে নভেম্বর, সলিল চৌধুরী র জন্মদিন। ইন্দিরা গান্ধীরও জন্মদিন। ২০১৩ সাল অবধি দেশে এটি পালিত হয়েছে “রাষ্ট্রীয় একতা দিবস” বলে। আন্তর্জাতিক স্তরে গুগুল করলে দেখা যাচ্ছে এটি আবার নাকি International Men’s Day বলে পালিত হয়। এই বছরই সরকারী প্রচারে জানা গেল এটি নাকি World Toilet Day বা বিশ্ব শৌচালয় দিবস। এ একই জিনিস করা হয়েছে ২ রা অক্টোবর কে স্বচ্ছ ভারত দিবস বানিয়ে। খেয়াল করলে দেখা যায় সেই স্বচ্ছ ভারত দিবসের প্রথম দিনের পোস্টারে গান্ধীজী স্পষ্ট। পরের দিকে শুধু সেই লোগোর চশমাট ... ...

বেড়াল অনেকের আদরের পুষ্যি। বেড়ালও অনেককে বেশ ভালোবাসে। তবে কুকুরের প্রভুভক্তি বা বিশ্বাসযোগ্যতা বেড়ালের কাছে আশা করলে দুঃখ লাভের সম্ভাবনা আছে। প্রবাদ আছে কুকুর নাকি খেতে খেতে দিলে প্রার্থনা করে, আমার প্রভু ধনেজনে বাড়ুক, পাতেপাতে ভাত পড়বে আমিও পেটপুরে খাবো। বেড়ালকে খেতে দিলে বেড়াল নাকি প্রার্থনা করে গেরস্ত কাণা হোক আমি চুরি করে প্রাণ ভরে খাবো। হতে পারে এটা বিড়াল-বিদ্বেষীদের অপপ্রচার। তবে বেড়ালের চৌর্যবৃত্তি সুবিদিত। তবুও এই সেদিনও দেখেছি ডাকসাইটে গৃহকর্তা খেতে বসেছেন, তাঁর দাপটে নাতি পুতিরা সিঁটি ... ...

বিল্টু তোতা বুবাই সবাই আজ খুব উত্তেজিত। ওরা দেখেছে ছাদে যে কাপড় শুকোতে দেয়ার একটা বাঁশ আছে সেখানে একটা ছোট্ট সবুজ পাখি বাসা বেঁধেছে। কে যেন বললো এই ছোট্ট পাখিটার নাম বসন্তবৌরী। বসন্তবৌরী পাখিটি আবার ভারী ব্যস্তসমস্ত। সকাল বেলা বেরিয়ে যায়, সারাদিন কোথায় কোথায় যেন ঘোরে। বিকেল বেলা বাড়ী ফিরেই ঢুকে পড়ে বাঁশের খোদলে। এতো তার কি কাজ কে জানে।বিল্টু তোতা বুবাই এদিকে পাখির জন্যে ছোট বাটিতে করে কেউ ছোলা কেউ চাল কেউ টুকরো করে কাটা ফল কি পাউরুটির টুকরো এনে জড়ো করে রাখে ছাদের কোণে। বসন্তপাখি ওসব খায়না। ... ...

সামান্থা ফক্সচুপচাপ উপুড় হয়ে শুয়ে ছবিটার দিকে তাকিয়েছিলাম। মাথায় কয়েকশো চিন্তা।হস্টেলে মেস বিল বাকি প্রায় তিন মাস। অভাবে নয়,স্বভাবে। বাড়ি থেকে পয়সা পাঠালেই নেশাগুলো চাগাড় দিয়ে ওঠে। গভীর রাতের ভিডিও হলের চাম্পি সিনেমা,আপসু রাম আর ফার্স্ট ইয়ার কোন এক শক্তপোক্ত ছানার হাতে ফাইন করে বেটে দেওয়া গাঁজা। মাসের সাত দিনের মাথায় বাড়িতে পোস্ট কার্ড, " পড়াশোনার চাপ বেড়েছে, একটু দুধ ডিমান্ড করিতেছে মগজ, ক্যাম্পাস এর মধ্যেই ভজুয়ার গরুর চাষ আছে। ওর তিনটি গরু এবং একটি পাতকুয়া সমগ্র ক্যাম্পাস এ মাসে মাসে ... ...

বাংলা মাধ্যম নাকি ইংরাজী মাধ্যম ? সুবিধা কি, অসুবিধাই বা কি? অনেক বিনিদ্র রজনী কাটাতে হয়েছে এই সিদ্ধান্ত নিতে! তারপরেও সংশয় যেতে চায় না। ঠিক করলাম, না কি ভুলই করলাম? উত্তর একদিন খানিক পরিস্কার হল। যেদিন একটি এগার বছরের আজন্ম ইংরাজী মাধ্যমে পড়া ছেলে এই লেখাটা ধরিয়ে দিল ... কিছু বানান ভুল সংশোধন করে দিতে হয়েছে অবশ্য। বাকীটা পাঠকই বলুন। ...লক নেসের দানব- শ্রুতকল্যাণ দে আমার নাম শ্রুত। আমার পেশাটি একটু অদ্ভুত।আমি একজন ক্রিপ্টোজুলজিস্ট। আমি আর আমার বন্ধু রবার্টো দুজনে একসঙ্গে ... ...

রুশ বিপ্লবের ইতিহাসরাশিয়ায় শ্রমিকশ্রেণির নেতৃত্বে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের বিষয়টিকেই বলা হয় রুশ বিপ্লব। ১৯১৭ সালের ৭ নভেম্বর থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ‘দুনিয়া কাঁপানো দশদিন’ সময়পর্বের মধ্যে এই বিপ্লবের চূড়ান্ত পর্বটি সংগঠিত হয়েছিল।অবশ্য দুনিয়া কাঁপানো এই দশ দিনের পরেও বিপ্লবীদের সাথে নানা ধরনের বিরোধী শক্তির গৃহযুদ্ধ বজায় ছিল বেশ কয়েক বছর। অন্যদিকে এই বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি চলেছিল বেশ কয়েক দশক ধরে। ফলে রুশ বিপ্লব বা নভেম্বর বিপ্লব (পুরনো ক্যালেন্ডার অনুসারে একে একসময় অক্টোবর বিপ্লব বলা হত) ... ...

শীত আসছে....মানে কোলকাতার শীত আর কি। কোলকাতার বাইরে সব্বাই শুনে যাকে খিল্লি করে সেই শীত। অবশ্য কোলকাতার সব কিছু নিয়েই তো তামাশা চলে আজকাল, গরীব আত্মীয় বড়লোকের ড্রয়িংরুমে যেমন। তাও কাঁথার আরামের মতোই কোলকাতার মায়া জড়িয়ে রাখে, বড় মায়া হে এ শহর ছাড়িয়ে মাঠ রাস্তা সব খানেই ছড়িয়ে থাকে টুক করে তুলে আনিলেই হয়। অন্য বড় শহরে রাজ্যে প্রদেশেও এরকমই মায়া ছড়িয়ে থাকে হয়ত আমি জানি না আসলে। ঘুরতে গিয়ে না, কোনো জায়গায় না থাকলে তো তার সঙ্গে বোঝাপড়া তৈরী হয়না, যে সম্পর্কে খালি মন রাখা থাকে, ঝগড়াঝাঁটি রাগারাগি চলে ন ... ...

ষাট বা সত্তর সম্পর্কে প্রত্যক্ষজ্ঞান নেই, তবে আশির দশক মোটামুটিভাবে ছিল শ্রেণীসংগ্রামের যুগ। মানে ভারতের বামঘরানার লোকজনের চিন্তনে। ফ্রান্সে ১৯৬৮ সালের বিপ্লব প্রচেষ্টা তখন অতীত। সেসব উত্তাল সময়ে অদ্ভুত তত্ত্বের জন্ম হয়েছে জানা ছিল। কিন্তু সেগুলো খায় না মাথায় দেয় তা নিয়ে কারো বিশেষ মাথাব্যথা ছিলনা। সত্তরের দশকে সোভিয়েতকে সাম্রাজ্যবাদী বলা হয়েছিল, তাও কারো অজানা ছিলনা, কিন্তু সেসব খুব জোরেসোরে বলার লোকটোক ছিলনা। তখন বিশ্বশান্তির চ্যাম্পিয়ন ব্রেজনেভের যুগ। 'সোভিয়েত দেশ' আর 'সোভিয়েত নারী' দেখ উচ্ছ্ ... ...

কালী ঠাকুরে আমার খুব ভয়। গলায় মুন্ডমালা,হাতে একটা কাটা মুন্ডু থেকে রক্ত ঝরে পড়ছে, একটা হাড় জিরজিরে শেয়াল তা চেটে চেটে খাচ্ছে, হাতে খাঁড়া, কালো কুস্টি, এলো চুল,উলঙ্গ দেহ, সেই ছোট বেলায় মন্ডপে দেখে এমন ভয় পেয়েছিলাম সেই ভয় আমার আজও যায়নি। আর আমার এই কালী ভীতির কথা আমার পরিবারের সবাই জানতো। ছোটবেলায় খুব জলে তেলাতাম- আপনাদের ভাষায় সাঁতার কাটতাম।আমি সুন্দরবনের মেয়ে,পেটের থেকে সাঁতার শিখে আমাদের জন্ম হয় তার ওপর বাড়ির লাগোয়া বড় খাল- পারলে সারাদিন সেখানেই থাকি। এদিকে বাড়ির বড় মেয়ে,মা জনমজুর খ ... ...

বাংলাদেশে ফেসবুক বন্ধের জন্য আকুল আবেদন জানাচ্ছি। আমরা আসলে তৈরি না এই ধরনের মাধ্যমের জন্য। বিশাল জনগোষ্ঠী শিক্ষার নামে আল্লাই জানে কি শিখে শিক্ষিত হচ্ছে। তথাকথিত শিক্ষিতদের বাহিরে আরও আছে আরও বিশাল আরেক অশিক্ষিত সমাজ। যাদের কাছে সব চেয়ে বড় জ্ঞানী হচ্ছে এলাকার লম্বা দাড়ি আর টাকনুর উপরে পায়জামা পড়া মসজিদের ইমাম সাহেব। এদের সবার হাতেই ফেসবুক। এইটা আসলে কি, খায় না মাথায় দেয় তার সম্পর্কে বিন্দু মাত্র ধারনা না থাকা সত্যেও এই বিশাল জনগোষ্ঠী এই মাধ্যম ব্যবহার করে চলছে। আর তাদের খেসারত দিতে হচ্ছে সমাজের ... ...

কিছুদিন আগে "cal comm" এর এক দৈনন্দিন থ্রেড এ বিশাল আলোচনা চলছিলো মোবাইল নিয়ে। কম মোবাইল ভালো, কোনটা ভালোনা, iPhone ছাড়া কেন জীবন বৃথা।ওয়ান প্লাস এর চেয়ে ভালো কোনো ফোন পৃথিবীতে হতেই পারেনা, মাই( ছি ছিঃ ) ফোন কত ভালো ইত্যাদি।এসবের মধ্যে অবধারিত ভাবে ক্যামেরা এর ছবি comparison এর কথা চলেই এলো. এবং যথারীতি আমি ঘরের খেয়ে বোনের মোষ তাড়ানোর জন্যে সেখানে হাজির হয়ে বলতে গেলাম গুগল এর pixel এদের মধ্যে সেরা।এবং যা হয়ে থাকে। হৈ হৈ রৈ রৈ করে সবাই তেড়ে এলো যে কেন ওয়ান প্লাস ভালো নয়.(পুরো থ্রেড টা ... ...

তারপর বুড়ো রিকশওয়ালা হারাণ সাঁপুই বিড়িতে টান দিয়ে বলল "তো, লালনের গায়ে ছিল বাঘের মত বল। এমনিতে বেঁটেখাটো। আমাদের রিকশ-স্ট্যান্ডেই বসে থাকত সারাদিন, টাক মাথা, মাঝে মাঝেই সর্দি কাশি জ্বরে ভুগত খুব। কিন্তু যখন রাগ করত, বা মদ খেয়ে মাতলামি, মাইরি বলছি বাবু, ওকে দেখে আমার ভয় হত। এই বুঝি কাউকে খুন করে ফেলবে, অথবা রাগের চোটে মাথার শিরা ছিঁড়েই মরবে বুঝি বা। তখন ওকে থামায় সাধ্য কার। যেন একটা সুন্দরবনের কেঁদো বাঘ সটান দাঁড়িয়ে লেজ আছড়াচ্ছে, পৃথিবী দুভাগ হল বলে!" ছেলেটার শুনতে ইচ্ছে করছিল না এসব। ... ...

অবশেষে সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে হা রে রে করিয়া আসিয়া পড়িল সেই শুভদিন – সিকির বইএর উদ্বোধন। ইচ্ছেডানায়, সর্ষেদানায়। যেমন নামের ছিরি, তেমনি প্রচ্ছদের, তেমনি বিষয়বস্তুর, তেমনি তার চলনের – শা – (ইয়ে থুড়ি, গালি দেওয়া নিষেধ আছে) মানে ভালোর তো একটা লিমিট থাকে নাকি? সেই যে একজন লোক ছিল না – যে সবেতেই খুঁত ধরতে ওস্তাদ ছিল – যত ভালই হোক, কিছু না কিছু খুঁত ঠিক বার করতই – তা একবার ঈশ্বর (মানে হ্যাঁ – তিনিই আর কি) একটি মানুষকে একদম সর্বাঙ্গসুন্দর, মানে যাকে আমরা সাদা বাংলায় পারফেক্ট বলে থাকি আর কি, সেরকম এ ... ...

ভালোমানুষির ফাঁদ------------------------------------------------------------প্রায় মাসখানেক আগে থেকেই পরিকল্পনাটা চলছিলো মেজোর মাথায়। আর মা এবং টাকলুও ব্যাপারটায় মদত দিচ্ছিলো। প্রায় সারাবছরই বাড়ির আশেপাশে আহত পশুপাখির আনাগোনা থাকেই। তাদের ধরে সুস্থ করা না পর্যন্ত মেজোর নিস্তার নেই। শালিখটা রোজ আসতো আমাদের উঠোনের পেয়ারা গাছটার নিচে। পাখিদের জন্য মুড়ি, খুদ ইত্যাদি ছড়ানোই থাকে। অন্য পাখিদের মতোই সেও খুঁটে খেতো। কিন্তু আর পাঁচটা পাখির থেকে এই শালিখটা আলাদা। কোনো দুর্ঘটনাজনিত কারণে ... ...

একটা স্বপ্ন দেখি প্রায়। বহুদিন ধরে। বারবার। ঘুরে ফিরে। ঘুমিয়ে থাকা প্যাশনের মত, গৃহপালিত আলতুসি অভ্যেসের মত। সোহাগজন্মা। বালিশটা-খাটটার ঝুললাগা বয়সকাল থেকে সে প্রেমের উৎস। ধুলোবালি-বালিধুলো।এক চিলতে ঘাসজমিতে মেহজাবিন ভালবাসা আঙুলে জড়িয়ে নিয়েছে, জন্মান্ধপ্রেমিক কিছু জংলাগাছ। ওদের পাতার ফাঁকে, ডালের ফোঁকরে গন্ধরাজ-নয়নতারার আলগোছে কেটে কেটে এসে পড়ে হলদে-গোলাপি রোদ। আকাশ চিরে যতটুকু আরাম আয়েশ করে, তারা কিৎকিতের খোপ আঁকবে বলে তুলি টানে কয়েক পোঁচ আলো-অন্ধকারে। সেই যে ঘোর-ঘোর নেশা, সাদা-কালো ... ...

#পুঁটিকাহিনী ১১- পুঁটির কী হইল অন্তরে ব্যথা!#--------------------------------সেই শনিবার পুঁটি কলেজ, থুড়ি ইউনিভার্সিটি, যায় নি, নাই যেতে পারে- রোজ যেতে যাবেই বা কেন? সোমবার গিয়েও শনিবারের পড়া জিগ্যেস করে নি কাউকে। ধুর!! পুঁটি কোনকালে ভালো পড়ুয়া নয়। ক্লাসের ছেলেরা তো বটেই, মেয়েরা, এমনকি পুঁটির প্রাণের বন্ধু ক্ষেন্তি অবধি সোমবার বাড়তি কিচ্ছুটি বলল না। কী বিস্ফোরণ যে ঘটে গেছে ক্লাসে ইতিমধ্যে, সেটা পুঁটি বুঝল পরের শনিবার। একটু আগে আগেই পৌঁছে গেছিল ক্লাসে, আরো অনেক বন্ধুদের মত ... ...

একআরমান সাহেব তার কাজের ছেলে মজনুকে জিজ্ঞেস করলেন, “এতে কি হবে বলছিস?”মজনু মাথা নেড়ে বলল, “জি স্যার। এই বেপারে নিশ্চিন্ত থাকেন। বইন্যার সময় দেখেন না পিঁপড়া নাই হইয়া যায়। বলেন তো তারা কই যায়?”আরমান সাহেব আসলেই বুঝতে পারলেন না বন্যার সময় পিঁপড়াগুলো কোথায় যায়। এ নিয়ে তিনি আগে কখনো চিন্তা করেন নি। মজনুকে জিজ্ঞেস করলেন, “কোথায় যায়?”মজনু হাসিমুখে বলল, “মাটির নিচে যায়। গিয়া সেইখানে বইসা থাকে। আর যারা সাহসী আছে তা ... ...

অঙ্কে প্রাচীন 'ভারতের' কাজকর্ম আর তার আলোচনার সূত্র ধরে একটা আলোচনা হচ্ছিল ফেবু গুরুতে। সেই প্রসঙ্গে একটা রিডিং লিস্ট ও সোর্স মেটেরিয়াল। অথেনটিক ট্রান্সলেশন শুধু, সেকেন্ডারি লেখা নয় ... ...

দাঁতের মাজন শেষ হয়ে গেছে। বাজারে কিনতে গেলে পাশ দিয়ে স্বাস্থ্যবতী ঝিটি চলে যায়। তার পাছাপেড়ে কাপড়ের রেশ থাকতে থাকতেই পকেট হাতড়ে দেখা গেলো পাঁচ টাকা সম্বল। আকাশ জুড়ে অসম্ভব এক অন্ধকার। দেশে থাকতে মাদার গাছের তলায় এমন অন্ধকার নামতো সেই যুবতীর কেশে। চারপাশে পিঁপড়ের মতো সব মানুষের মুখে কর্কশ সব চিৎকার। সেই শব্দ নারীদের অকরুণ করে তোলে। পানের দোকানের পাশে যে শিশুটি খোস পাঁচড়া হাতে পায়ে মেখে খেলছে, তার বৃথা জন্ম। সেই বৃথা জন্ম তীক্ষ্ণ এক ক্ষোভের জন্ম দেয়। এই ক্ষোভ বৃজির গণিকালয় ঘুরে জেতবনে পরিপুষ্ট হয় ... ...