


কুষ্টিয়া হাউজিংয়ের দূরত্ব বেড়ে গিয়েছে, এখন। যে কোনও সময়ে ডায়াল করার মতই আজও অবশ্য মনে রয়ে গেছে দেখছি ৪৩৮৩৭৪। তার পর এর আগে ২ লাগবে, তার আগে আবার কী যেন! ... ...




বড় শহরগুলোর আর সমুদ্রের অনেক মিল আছে। দু'টোই বোধহয় আস্তে-আস্তে গ্রাস করছে আমাদের। ... ...



তারপর তো বুড়ো খোকারা ভারত ভেঙে ভাগ করল। ১৪ই আগস্ট পাক-ই-স্তান আর ১৫ই ভারতবর্ষের হাতে তুলে দেওয়া হলো আনন্দনাড়ু -- স্বাধীনতা ! নদীর জল, যজ্ঞডুমুরের পাতা আর বৌকথা কও পাখির ডাকের সঙ্গে সঙ্গে ভাগাভাগি হলো বিদ্যাভান্ডার। কলকাতার ইম্পেরিয়াল লাইব্রেরিতে শুরু হল বই বিভাজন পর্ব। দুঃসহ মর্মন্তুদ সেই প্রক্রিয়া। 'আমরা-ওরার' সেই বোধহয় শুরু। ... ...

মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপিতে যোগদান করলেন। মিঠুন-ভক্ত হওয়ায় বেশ দুঃখই হলো। আমার কাছে মিঠুন ডিস্কো ড্যান্সারের মিঠুন, “মৃগয়া”র নয়। ভেবেছিলাম মিঠুন চক্রবর্তীর "ফিল্ড নোটস" লাগে না। ভুল ভেবেছিলাম। ... ...

হিন্দু এবং মুসলিম দুই মৌলবাদই সমান ভয়ানক, কেউ কারও থেকে কম ভয়ানক নয়। একদিকে যেমন ১৯০০ শতকের প্রথম দুই দশকে যেমন ভারতে দুই মৌলবাদী শক্তি প্রায় এক সাথেই জন্ম নেয়, এক সাথেই শক্তিশালী হয়, তেমনি ২০১২ সালের পর থেকে সর্ব ভারতীয় ক্ষেত্রে একই সাথে বিজেপি এবং এম.আই.এম এক শক্তিশালী হয়। বিগত ৫-৬ বছরে ভারতের মাটিতে হিন্দু মৌলবাদের হামলাতে গৌরি লঙ্কেশ, পানসারে, ধাবলকর, কাল্বুর্গিরা মারা গেছে, কিন্তু কোনো মুসলিম মৌলবাদী নেতাকে মারা যেতে দেখবেন না। তেমনি বাংলাদেশে মুসলিম মৌলবাদের আক্রমণে হিন্দু-মুসলিম দুই ধর্মেরই চিন্তাশীল সহিষ্ণু ব্লগাররা মারা যেতে পারে কিন্তু কখনো দেখবেন না কোনো হিন্দু মৌলবাদী মারা যাচ্ছেন। দুই মৌলবাদের মধ্যে তাৎক্ষনিক ভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মৌলবাদ বেশী ভয়ানক কারণ এদের শক্তিবেশী, এদের কামড়ে জোর বেশী। কিন্তু দীর্ঘ কালীন ভাবে দুজনেই সমান শক্তিশালী। কারণ আসলে দুই বিপরীত ধর্মী মৌলবাদ পরস্পরের পৃষ্ঠপোষক। ... ...

ফোনটা হঠাৎ জলে পড়ল। তারপর কীসব কাণ্ড হল! ... ...



১৯৮৬ সালে এক অসামান্য কাজ বেরিয়েছিল বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কবিতার ওপর। "আগুনের ফুল"। ... ...

এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত স্কুলের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তৈরি হয় শ্যামবাজারে লিভারপুল স্কুল, এন্টালিতে সালেম স্কুল, চিৎপুরে বার্মিংহাম স্কুল ( ১৮২২ জানুয়ারি ), কাশীপুরের গ্লাসগো স্কুল ( ১৮২২ ডিসেম্বর), মেজ পন্ড স্কুল ( ১৮২৩ জানুয়ারি), ব্রডমীড স্কুল( ১৮২৩ অক্টোবর) ইত্যাদি। স্কুলের নাম পৃষ্ঠপোষকদের বাসস্থান অনুসারে। ১৮২৩ সালের রিপোর্টে পাওয়া যায়, সাতটি স্কুল আর সব মিলিয়ে ১৬০ জন ছাত্রীর দায়িত্বে ছিল সোসাইটি। পড়তে শেখা, লিখতে শেখার পাশাপাশি অভিভাবকদের অনুরোধে সেলাই শেখানোও শুরু হয়। প্রথম থেকেই রাজা রাধাকান্ত দেব প্রমুখেরা এই প্রয়াসের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাজার অনুপ্রেরণায় গৌরমোহন বিদ্যালঙ্কার লিখলেন স্ত্রীশিক্ষাবিধায়ক, নারী শিক্ষার গুণ গেয়ে। ১৮২২ সালে সকলের সামনে দেশি ছাত্র ছাত্রীদের পরীক্ষা নেওয়া হল। মেয়েদের বই পড়ে শোনানো আর বানানজ্ঞান দেখে রাজা রাধাকান্ত দেব এবং আরও উপস্থিত মান্যগণ্যরা খুব খুশিও হলেন। ... ...

হিন্দি গদ্যরচনার একটি শ্রেষ্ঠ সাহিত্য কর্ম। ব্যঙ্গাত্মক শৈলীতে লেখা। আজও গোবলয়ের সামাজিক রাজনৈতিক মূল্যবোধে কতটু্কু পরিবর্তন হয়েছে সে বিচারের ভার পাঠকের উপরে। ... ...

আব্বাস সিদ্দিকি কে নিয়ে ভাবনা চিন্তা। ... ...

বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে গভীর মননশীল ও সমাজতাত্বিক বিশ্লেষণ। পুরো EPW লেভেল। ... ...