
আমাদের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল আমাদের দর্শক। নানা কারণে আমাদের সেই শক্তি এখন বড় শত্রু হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের বাহিরেও আমাদের সমর্থকরা এখন সবচেয়ে অশিক্ষিত খারাপ সমর্থক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। আমরা আমাদের নিজেদের খেলোয়াড়দেরও ছাড় দেই না। ট্রল করতে করতে, মজা নিতে নিতে ক্রিকেটাররা যে মানুষ তা ভুলে যাই। ক্রিকেটারদের তো আছেই তাদের পরিবারকেও ছাড় দেই না। আমরা আশা করি আমরা যা ইচ্ছা বলব করব তারা খুব পেশাদার ভঙ্গিতে সব মেনে নিয়ে খেলে যাবে। না, আমরা এখন ওই পর্যায়ে যেতে পারি নাই। আমাদের ক্রিকেটের ইতিহাস খুব বেশিদিনের না। আমাদের বর্তমান প্রজন্মের আগের প্রজন্মই তো এদেরকে শিখিয়েছে? ... ...


অতি-বৈষম্যই কি ধ্বংস ডেকে আনবে? ... ...

জর্জ সোরেল গত শতাব্দীর একজন বর্ণময় সমাজতত্ত্ববিদ। তাঁর লেখা থেকে একদিকে যেমন ফ্যাসিস্ট বুদ্ধিজীবীরা প্রেরণার উৎস খুঁজেছেন, অন্যদিকে আন্তোনিও গ্রামশ্চির মত মার্কসবাদী বিপ্লবী ও চিন্তানায়ক বিপ্লবের প্রাণশক্তির উৎসসন্ধানে সোরেলের চিন্তার গুরুত্বের কথা জোর দিয়ে বলেছেন। বিশিষ্ট রাজনৈতিক তত্ত্ববিদ ইশাইয়া বার্লিনের সোরেল সম্পর্কিত একটি দীর্ঘ নিবন্ধকে সামনে রেখে আমরা এই লেখায় সমসাময়িক পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতে বামপন্থার রক্তশূণ্যতার কারণ নিয়ে আলোচনা করবো। ... ...




বাহাদুর বেড়াল ও Korky the cat. ... ...

রবীন্দ্রনাথের নিজের গলায় রেকর্ডিং হওয়া 'তবু মনে রেখো' গানটির ইতিহাস। যেখানে পাওয়া যায় আবেগস্পৃষ্ট এক কবির উচ্চারণ। ... ...

জেনোফোবিয়া এবং জেনোসাইডের আঁচে উত্তর-পূর্ব ভারতের দুই রাজ্য। ... ...

প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা, এসো, কোভিড অতিমারীকে হারিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার জন্য আমরা দ্বাদশ অঙ্গীকার করি। ... ...


পিওর মালবেরী সিল্ক ছাড়াও আজকালকার গরদ শাড়ির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হল ভেলভেট পাড় - সামনের দিকে জেল্লাদার, উল্টোদিকে সামান্য ম্যাট ফিনিশ। এইরকম পাড় বুনতে গেলে ব্যবহার করতে হয় ৪*১ ট্যুইল টেকনিক। মজার কথা হল কোভিড পূর্ব সময়ে যা আমার এবং আরও অনেক মেয়ের প্রায় জাতীয় পোশাক ছিল অর্থাৎ ডেনিম জিন্স- তা বোনা হয় এই ট্যুইল পদ্ধতিতে; আবার পুজোর সময় যখন হাজার আলসেমি অনায়াসে কাটিয়ে আলমারিতে মা-জেঠিমার গরদের দিকে চোখ যায়- সেখানেও এই একই বয়নপদ্ধতির ছোঁয়া! ... ...


তখন আমাদের খুব পিকনিক করার ঝোঁক ছিল। সেদিনের ত্রিপুরায় বেশ কিছু হালকা বনবিতান ছিল অনতিউচ্চ টিলা ছিল, লেক ছিল। দিনের বেলা বুনো হাতি বা হিংস্র প্রাণীর ভয় নেই এমন জায়গা ছিল। আর ছিলেন আমাদের প্রসন্নহৃদয় অধ্যাপকরা। যাঁরা আমাদের অর্থহীন উপদ্রবকে সস্নেহ প্রশ্রয় দিতেন, সময় দিতেন আমাদের চাহিদা মত,যাঁরা সঙ্গে থাকলে অভিভাবকদের ও দুশ্চিন্তা হতোনা। ... ...

মনে করা হয় যে শরৎকালের পূর্ণিমায় চাঁদ ষোলো কলায় পূর্ণ হলে অমৃত বর্ষণ করে। অনেক বাড়িতে পায়েস দেওয়া হয় চাঁদকে। তাছাড়া শাশুড়ি বলতেন লক্ষ্মীঠাকুর সারা রাত ঘুরবেন, চাঁদ যদি মেঘের আড়ালে লুকিয়ে গিয়ে আলো না দেন, তবে তো খুব মুশকিল হয়ে যাবে। চাঁদকে নৈবেদ্য দেওয়ার সময়ে তুলসী গাছকেও পুজো করা হয়। তুলসী নারায়ণের প্রতীক হিসেবে পুজো পান। ... ...

অভিজ্ঞান রায়চৌধুরীর লেখা ডিজাইন বায়াস গল্পের আলোচনা। ... ...

এই কন্যাটি অনর্গল ইংরাজী আর ফ্রেঞ্চ বলতে পারে, আর ফ্রেঞ্চ নিয়ে পড়ে সে পেল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগের সর্বোচ্চ নম্বর। নিয়মগত কারণে প্রেস্টিজিয়াস ঈশান স্কলারশিপ পেল না বটে, কিন্তু তাতে তো তার কৃতিত্ব খাটো হয় না। কন্যাটির নাম লিলিয়ান পালিত, বন্ধুরা ডাকে লিল বলে। ... ...

দক্ষিণপন্থী ও ধর্মান্ধ ফ্যানাটিকদের মগজধোলাই মেশিনের প্যাটার্ণ। হিন্দু, মুসলমান, বা খৃষ্টান। দেশে দেশে তার চেহারা একই। ... ...
