
এই যুদ্ধ ইসরায়েল ও মার্কিনের বিশ্ব আধিপত্যের প্রায় অকার্যকারিতা যেমন প্রকাশ্য করেছে, তেমনি আগামী দিনের ভৌগোলিক রাজনীতি, অর্থনৈতিক জোট আর সামরিক মিত্রতায়ও বদল আনার আভাস দিচ্ছে।... ... ...

আমাদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা এখন এক বড়ো সন্ধিক্ষণে এসে পৌঁছেছে। প্রযুক্তি প্রতিদিন আমাদের এতো দিনের চেনা অভ্যস্ত শিক্ষা যাপনের ধারণাকে ভেঙেচুরে ফেলছে এই পরিবর্তন আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে কোন্ পরিণতির পথে নিয়ে যাবে, তাই নিয়েই এই নিবন্ধ। ... ...

কালিগঞ্জে একটা উপনির্বাচন হল। তাতে খুব বেশি বদল হল তা নয়। কিন্তু কিছু জিনিস পরিষ্কার করে বোঝা গেল। টিভিতে দেখবেন, এই একটা উপনির্বাচন নিয়েই হইচই চলছে, সবাই ফেঁড়ে চেঁচাচ্ছেন, তথাকথিত বিশেষজ্ঞরা গাদা গাদা কথা বলছেন। এইসব সঞ্চালক এবং বিশেষজ্ঞদের কোথা থেকে ধরে আনা হয় জানিনা, তবে এঁরাই কদিন আগে লাহোর করাচিতে জয়পতাকা উড়িয়ে দিয়ে জগৎসভায় ভারতের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। এছাড়াও একটা বড় কৃতিত্ব হল, আজ পর্যন্ত একটা নির্বাচনেও বিশ্লেষণ, এক্সিট পোল দিয়ে কিছুই মেলাতে পারেননি। তাই এইসবে কান দেবার কোনো কারণ নেই। শুধু ফ্যাক্ট দেখা যাক। ফ্যাক্ট হল বিজেপি গোহারান হেরেছে। ৫০ হাজারের বেশি ভোটে। শুধু তাই নয়, উপনির্বাচনেও, যেখানে ভোট একটু কম পড়ে, তাতেও মার্জিন বেড়েছে। মার্জিন এরকম... ... ...

নতুন পুঁজিবাদ আসলে প্রাচীন পৃথিবীর অরোবরোস, সেই সাপ যা অনবরত ল্যাজ থেকে নিজেকেই খেয়ে চলেছে ... ...

ওই সীমান্তে সন্ত্রাসী এসে ঢুকে মানুষ মেরে যায় আর আমাদের এই সীমান্তে ১৪ বছরের স্বর্ণা দাস গুলি খেয়ে মারা যায়। ভারতের সীমান্ত রক্ষীদের যোগ্যতা নিয়েও তো সন্দেহ করতে পারে কেউ। কেউ তো প্রশ্ন করতে পারে যে অমিয় ঘোষদের সব বীরত্ব শুধু ফেলানি আর স্বর্ণা দাসের মত কিশোরীদের সাথেই, অন্য দিকে মানুষ মরে ২৬ জন! ... ...

ভূপর্যটক রামনাথ বিশ্বাসের আফগানিস্তান যাত্রা ... ...



সেকালে ইন্টারনেট নেই, বাংলা কাগজে বিদেশ বলতে বিলেত আমেরিকার খবর ছাপা হয়, সি এন এন অনেক দূরে, ক্রিকেটের হাল হকিকত জানতে বি বি সি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসে স্পোর্টস রাউনড আপ শুনি। তবু এরই মধ্যে দিন দুয়েক আগে আনন্দবাজার পত্রিকার পেছনের পাতায় সোমালিয়ার মোগাদিশুতে ছিনতাইকারিদের কবল থেকে লুফতহানসার একটি বিমান উদ্ধার করা গেছে বলে পড়েছি। আমার জানার কোন কথাই নয় যে ঠিক সেই দিনই প্রায় এক মাস আগে অপহৃত জার্মান এমপ্লয়ারস অ্যাসোসিয়েশনের মাথা (বুন্দেসফেরবান্দ ডের ডয়েচেন ইন্দুস্ত্রি ) হানস মারটিন শ্লায়ারের মৃতদেহ একটি আউডি গাড়ির ভেতরে পাওয়া গেছে, মুলহাউসের পথে, ফ্রান্স/জার্মান সীমান্তে। তার মাত্র কয়েকমাস আগে, জুলাই মাসে, ফ্রাঙ্কফুর্টের কাছে ওবারউরসেলে ড্রেসনার ব্যাঙ্কের সি ই ও ইউরগেন পনটো নিহত হয়েছেন তাঁর বসার ঘরে। স্টামহাইম জেলখানায় আত্মহত্যা করেছেন তিনজন সন্ত্রাসবাদী বন্দি। এই সময়টাকে বলা হবে জার্মানির হেমন্ত। ভিসা পাওয়া গেল। ২০শে অক্টোবর, ১৯৭৭। পু: আমার কথা সেই হেমন্তের দিনগুলিতে যা দেখেছি, শুনেছি এ শুধু তারই বয়ান। আমি এক নিরীহ পথচারী, সামান্য নিরপেক্ষ দর্শক মাত্র। দূত এবং কথক অবধ্য। ... ...




সিনেমা শুরু হয়েছে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ড দিয়ে। সেই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের কথা আমরা সবাই জানি। ঘটনাটা পাঞ্জাবে। সিনেমায় এর সঙ্গে আছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পাঞ্জাবি সৈন্যদের বিপুল কৃতিত্ব এবং বিশ্বাসঘাতকতা। অর্থাৎ ভারতকে স্বাধীনতা না দেওয়া এবং দমনপীড়ন অক্ষত রাখা। বললে কেউ বিশ্বাস করবেন না, এ পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই। এমনকি অক্ষয়কুমারের হিন্দি সিনেমা হলেও নেই। কিন্তু তারপরই যা পাচ্ছি, যে, শুরু হয়েছে কেলোর কীর্তি, যা বলিউডের কাছে প্রত্যাশিত। একটু গৌরচন্দ্রিকার পরেই মঞ্চে এসে গেছেন জনৈক কৃপাল সিং। তিনি একজন শিক্ষক, এই সিনেমার অন্যতম মুখ্যচরিত্র, এবং তাঁর ছাত্রদের বিপ্লবে উদ্বুদ্ধ করার মতো মহান কাজ করে থাকেন। সঙ্গে এসেছেন উকিল অক্ষয়কুমার। বৃটিশ এই মহান দেশপ্রেমিককে শাস্তি দেবেই, জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ডকে ধামাচাপা দেবেই, আর অক্ষয়কুমার বৃটিশের প্যান্টুল খুলে দেবেনই, এই হল ব্যাপার। ... ...

তিনি ব্রিটিশ রাজের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা পুরস্কার পেয়েছেন, সেই পুরস্কার নিতে তিনি যাবেন ইংল্যান্ড। এই ছোট্ট সুন্দর একটা কাজকে তিনি ঘাপলা লাগায় দিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কিছু না বলা হলেও ডক্টর সাহেবের প্রেস সচিব এবং পরে তিনি নিজেও জানালেন এইটা রাষ্ট্রীয় সফর! এখন রাষ্ট্রীয় সফর বলতে আমরা কী বুঝি? যাই বুঝি তার কিছু দেখা গেল না এই সফরে। কেউ বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাতে আসল না, কোন দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হল না, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী দেখাও দিল না! দেখা না পাওয়ার ব্যাখ্যা দেওয়া হল তিনি সম্ভবত দেশে নাই, কানাডায় গেছেন! না, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী দেশেই ছিলেন, তিনি দেখা দেন নাই। এইটা যে অসম্মানের, এইটাও এই দলের কারো মাথায় ঢুকে নাই, স্বয়ং ডক্টর সাহেবেরও না। তারা নানা জায়গায় সাক্ষাৎকার দিয়েছে এবং নানা আবোলতাবোল বলে বেড়িয়েছেন। ... ...

এক সময় খুব সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের চারপাশে সম্পূর্ণ একক উদ্যোগে বা কয়েকজন শিক্ষাপ্রেমী মানুষের সমবেত প্রয়াসে ভালো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা হয়েছিলো আমাদের চারপাশে। এগুলোর অধিকাংশই ছিল প্রাক প্রাথমিক থেকে প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত পঠনপাঠনের প্রতিষ্ঠান। এদের মধ্যে অনেকের কপালেই সুবর্ণ জয়ন্তীর তিলক আঁটা।আজ এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনে অস্তিত্বের সংকট। এই নিবন্ধে তারই উত্তর খোঁজার চেষ্টা হয়েছে। ... ...


ক্রিমিনাল গণহত্যার দায়ে যাদের বিচার হওয়া উচিৎ, জেল হওয়া উচিৎ, সেই টাটাদের প্রশংসায় একদল ভারতীয় ও বাঙালি পঞ্চমুখ। কেন? ... ...

‘তুফান মেল, তুফান মেল যায়। তেপান্তরের মাঠ পেরিয়ে, ময়নামতীর হাট এড়িয়ে, কাশের বনে ঢেউ খেলিয়ে বংশীবটের ছায়, যায় যায় যায় তুফান মেল…’ ... ...

জাগতিক নিয়মে সব শোক সন্তাপই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে থিতিয়ে আসে। তাৎক্ষণিক আর্দ্র আবেগ ও মেঘমেদুর সহানুভূতি, বাস্তবের রৌদ্রে শুকিয়ে আসে যত দিন যায়। ... ...
