
চারদিকে এমন অশান্ত অস্থির সময়ে মধুর বাতাস বয়ে আনুক সকলের চিত্তে... ... ...


কৃবু (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) বাংলায় যে এভাবে উত্তর দিতে পারে, মানে যতটা বাংলায় সম্ভব, সেটা দেখে খুবই ইয়ে বোধ করছি। ( হয়ত অনেকদিন ধরেই পারে, জানতাম না) এরকম তথ্য হয়ত বিভিন্ন অফিসকাছারিতে আছে, এবং কখনও কোনো প্রাথমিক ভবিষ্যৎ প্রক্ষেপণের ( future projection ) দরকার হলে সেটাও সহজে করা সম্ভব। ... ...

Microsoft Copilot বলল - এই কবিতাটি এক গভীর আবেগ ও বাস্তবতার ছবি আঁকে, যেখানে একজন পিতার জীবনসংগ্রাম ও আত্মত্যাগের প্রতি সন্তানের উপলব্ধি ফুটে ওঠে। প্রথমেই, কবিতাটি সংক্ষেপে কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী ভাষায় বাবা চরিত্রের জীবনকে তুলে ধরে ... ...


ছত্রিশ বছর বয়েসে আঙ্গেলা মেরকেল দ্বিতীয় বার পশ্চিম বার্লিনে গেলেন ৯ নভেম্বর ১৯৮৯। এবার পাসপোর্ট, ভিসা ছাড়াই। আজ আমরা বার্লিন দেওয়ালের পতনকে যুগান্তকারী ঘটনা বলে মনে করি কিন্তু সেই দিন, ৯ই নভেম্বরের সন্ধ্যেয় আঙ্গেলা মেরকেল অভিভূত হন নি; বৃহস্পতিবারে সনায় সময় কাটানোর রুটিন ভাঙ্গাটা তিনি প্রয়োজনীয় মনে করেন নি। বরং সেদিনের ব্রানডেনবুরগ থেকে ঊনটার ডেন লিনডেনে ধেয়ে যাওয়া বাঁধভাঙ্গা জনতার স্রোতের মাঝে নিজেকে নিরাপদ বোধ করেন নি। যে সমাজ ব্যবস্থায় তিনি বড়ো হয়েছেন সেখানে সবার কাজ ছিল, পেনশন ছিল এবং নিরাপত্তা ছিল, সে কি শুধুই সুশাসনের, রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশি উপস্থিতি ও তৎপরতার কারণে ? না। সব নাগরিক যে রাষ্ট্রের নজরে বন্দি! এই দফতরের নাম মিনিসটিরিউম ফুয়ের স্টাটসজিখারহাইট, লোকমুখে স্তাসি। শুধু পাড়ার পুলিশ নয়, কালো কোট, কালো চশমা পরে চুরুট মুখে কিরীটী দত্ত স্টাইলের কোন নির্দিষ্ট গোয়েন্দা নয় ; এখানে সবাই লক্ষ রাখে সবার ওপরে। বিগ ব্রাদার ইজ নট ওয়াচিং ইউ, এভরি ওয়ান ইজ ওয়াচিং এভরি ওয়ান! যখন সব্বাই সবার ওপরে নজর রাখে সেখানে অপরাধ করার দুঃসাহস কার হতে পারে ? কার ঘাড়ে কটা মাথা ? এতদ্বারা দেশের ও দশের সুরক্ষা এবং মঙ্গল সুনিশ্চিত। ... ...


আজ বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস - পৃথিবীর আশ্চর্য প্রাণ প্রবাহকে রক্ষা করার শপথ গ্রহণের দিন। পৃথিবী শুধু মানুষের নয়, পৃথিবী সকলের বাসভূমি। আমরা মানুষেরাও এই পরিবারেরই সদস্য। একথা অস্বীকার করার ফলেই আজ দিকে দিকে শূন্যতার হাহাকার। আজ বিশ্ব জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আমাদের নতুন করে ভাবার সময় এসেছে। একথা অস্বীকার ... ...


পহেলগাম হামলার পরে যেভাবে ধর্ম বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়েছিল আমারই চারপাশের লোকজনের মধ্যে তা দেখে সত্যি ভয় লাগছিল। তারই প্রতিক্রিয়ায় একটি প্রবন্ধ লিখি যা প্রকাশিত হয় এই সময় কাগজে, কয়েকদিন আগে। সেই লেখাটিই, কাগজের লিঙ্ক সহ, রাখলাম আমার গুরুর পাঠকদের জন্য। ... ...

এই বিভ্রান্তিমূলক তথ্যপ্রবাহের কিছু অংশ মূলধারার গণমাধ্যমেও প্রবেশ করে। এটা এমন একটা পরিবর্তন, যা বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে, কারণ ভারতের এমন কিছু সংবাদমাধ্যমের মধ্যে এই বিবর্তন দেখা যাচ্ছে, যারা আগে নিরপেক্ষতার জন্য পরিচিত ছিল। খবর প্রকাশে প্রতিযোগিতা এবং অতিরঞ্জিত জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে রিপোর্টিং, এই চার দিনের সংঘাতকালীন সময়ে চরমে পৌঁছে যায়, যেখানে সংবাদ উপস্থাপক ও বিশ্লেষকরা পরমাণু অস্ত্রে সজ্জিত দুটি দেশের যুদ্ধের চিয়ার-লিডার হয়ে ওঠেন। কিছু পরিচিত টিভি চ্যানেল যাচাই না করা তথ্য প্রচার করে বা এমনকি সম্পূর্ণ ভুয়া গল্পও প্রকাশ করে, জাতীয়তাবাদী উন্মাদনার এই প্রাবল্যে। সংবাদমাধ্যমগুলো একটি তথাকথিত পাকিস্তানি পারমাণবিক ঘাঁটিতে ভারতীয় হামলার খবর প্রচার করেছিল, যা নাকি তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ার কারণ হয়েছে বলে গুজব ছড়িয়েছিল। তারা হামলার স্থান চিহ্নিত করে বিস্তারিত মানচিত্রও শেয়ার করেছিল। কিন্তু এই দাবিগুলো সমর্থন করার মতো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভারতীয় নৌবাহিনী করাচিতে হামলা চালিয়েছে—এই গল্পও ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়, কিন্তু পরে তা অস্বীকৃত হয়েছে। ... ...



ফিরে আসা / নাটক মূল নাটকঃ জনাব মহম্মদ জাফর ইকবাল সাহেব। পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত নাট্যরূপঃ রানা সরকার চরিত্রঃ ইরাবান সামন্ত (বিলু)- বয়স ৪২ অরুন্ধতী বৃন্দা – বয়স ৩২ রুবেন – বয়স ৪১ ইপ্সিতা – বয়স ৩০ মি. বোস – বয়স ৫০ কোম্পানীর মালিক – বয়স ৪৫ এবং অন্যান্যরা বিলু তার বাড়ি ও সমাজের থেকে পাওয়া প্রতারণা, নোংরামি, অপমান, হুমকি, মন্দবাসা, এবং বিশ্বাসঘাতকতার থেকে সিদ্ধান্ত নেবে যে সেও আত্মহত্যা করবে। আর এই আত্মহত্যা করতে গিয়ে তার সঙ্গে আচমকাই দেখা হয়ে যাবে অরুন্ধতীর সঙ্গে। সে বিলুকে বাঁচাবে। বোঝাতে চাইবে আত্মহত্যা হল মহাপাপ। কিন্তু বিলু একদম নাছোড়বান্দা; আত্মহত্যা সে করবেই। এদিকে অরুন্ধতীর বস মিঃ বোস তার কোম্পানির সেলস তথা টি.আর.পি. বাড়ানোর জন্য বিলুর এই আত্মহত্যার প্রোজেক্টকে নেবে কিনে। অরুন্ধতীর নানাভাবে বোঝানো সত্ত্বেও বিলু বিক্রি হবে সেই কোম্পানির কাছে। তার যুক্তি, বেঁচে থাকতে তো দারিদ্রতার জন্য সে মানুষের সেবা করতে পারেনি, কিন্তু তার আত্মহত্যার প্রোজেক্ট থেকে প্রাপ্ত টাকা দিয়ে সে অনাথ ও দরিদ্র বাচ্চাদের দিয়ে যেতে চায় শিক্ষার সংস্থান, যাতে সেইসব বাচ্চারা শিক্ষার আলো পেয়ে সমাজ তথা দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে; আরও অন্যদের আনতে পারে শিক্ষার আলোকে। বিলুর বন্ধু রুবেন এবং তার স্ত্রী ইপ্সিতাও অনেক করে বোঝাবে। তারপর? কী হবে? বিলু কি আত্মহত্যা করবে? নাকি করবে না? জানতে গেলে পড়তে হবে নাটকঃ ‘ফিরে আসা’। ... ...

ফিরে আসা / নাটক মূল নাটকঃ জনাব মহম্মদ জাফর ইকবাল সাহেব। পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত নাট্যরূপঃ রানা সরকার চরিত্রঃ ইরাবান সামন্ত (বিলু)- বয়স ৪২ অরুন্ধতী বৃন্দা – বয়স ৩২ রুবেন – বয়স ৪১ ইপ্সিতা – বয়স ৩০ মি. বোস – বয়স ৫০ কোম্পানীর মালিক – বয়স ৪৫ এবং অন্যান্যরা বিলু তার বাড়ি ও সমাজের থেকে পাওয়া প্রতারণা, নোংরামি, অপমান, হুমকি, মন্দবাসা, এবং বিশ্বাসঘাতকতার থেকে সিদ্ধান্ত নেবে যে সেও আত্মহত্যা করবে। আর এই আত্মহত্যা করতে গিয়ে তার সঙ্গে আচমকাই দেখা হয়ে যাবে অরুন্ধতীর সঙ্গে। সে বিলুকে বাঁচাবে। বোঝাতে চাইবে আত্মহত্যা হল মহাপাপ। কিন্তু বিলু একদম নাছোড়বান্দা; আত্মহত্যা সে করবেই। এদিকে অরুন্ধতীর বস মিঃ বোস তার কোম্পানির সেলস তথা টি.আর.পি. বাড়ানোর জন্য বিলুর এই আত্মহত্যার প্রোজেক্টকে নেবে কিনে। অরুন্ধতীর নানাভাবে বোঝানো সত্ত্বেও বিলু বিক্রি হবে সেই কোম্পানির কাছে। তার যুক্তি, বেঁচে থাকতে তো দারিদ্রতার জন্য সে মানুষের সেবা করতে পারেনি, কিন্তু তার আত্মহত্যার প্রোজেক্ট থেকে প্রাপ্ত টাকা দিয়ে সে অনাথ ও দরিদ্র বাচ্চাদের দিয়ে যেতে চায় শিক্ষার সংস্থান, যাতে সেইসব বাচ্চারা শিক্ষার আলো পেয়ে সমাজ তথা দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে; আরও অন্যদের আনতে পারে শিক্ষার আলোকে। বিলুর বন্ধু রুবেন এবং তার স্ত্রী ইপ্সিতাও অনেক করে বোঝাবে। তারপর? কী হবে? বিলু কি আত্মহত্যা করবে? নাকি করবে না? জানতে গেলে পড়তে হবে নাটকঃ ‘ফিরে আসা’। ... ...

২২শে এপ্রিল ২৫ এর পহেলগামে পাকিস্তান সমর্থিত জঙ্গীদের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধে নিখুঁত এবং নিশ্চিত আঘাত হানার জন্যে ভারত মাত্র চোদ্দদিন সময় নিয়েছে প্রস্তুতির জন্যে। সরাসরি রণাঙ্গনে নামার আগে এই যুদ্ধ প্রস্তুতির কথাই চিন্তা করেছিলেন যুধিষ্ঠিরও। বনবাস এবং অজ্ঞাতবাসের তের বছরে ধৈর্য ধরে নিখুঁত পরিকল্পনা করেছিলেন - কী ভাবে যুদ্ধ জয় নিশ্চিত করা যায়। সেই আলোচনাই করেছি - মহাভারতের বন পর্ব থেকে। ... ...

এ এক আশ্চর্য উড়ান কথা। এই লেখাটা কলেজ জীবনের স্মৃতি মিলেমিশে একাকার হয়েছে এক অবিস্মরণীয় ছন্দোময় উড়ান ভঙ্গিমার - murmuration. ... ...

তিথি যে ঠিক কার সঙ্গে ছক করছে বুঝতে পারিনা। সেবার ভ্যালেন্টাইন্স ডেতে চকলেট এনেছিলাম, বলল মাথাব্যথা, এখন কিছু হবেনা। কে জানে ভাই, এ কী ধরণের মাথা। আমার তো শরীরেই মাথাব্যথা সারে। অষ্টমীর দিন নিয়ে এসেছিলাম একটা বোতল, বলে পিরিয়ড চলছে। মাসে একদিন ওসব হয়, সব্বাই জানে, কিন্তু বেছে বেছে আমি থাকলেই হতে হবে? এবার এই চব্বিশে বৈশাখটাও শুকনো যাবে কারণ, তিথি আজকে নাকি খেলা দেখছে। ঠিক এক হাত দূরত্ব রেখে বসে, থরথর করে কাঁপতে কাঁপতে বলল, এই প্রথম উইকেটটা পড়ল। খুব উত্তেজনা, কিন্তু সেটা আমায় দেখে না। খেলায় এত আগ্রহ তো জানতাম না। ওদিকে আবার নাকি রবীন্দ্রভক্ত। সব ফালতু কথা। রবীন্দ্রসঙ্গীত চালালে মুড এলেও আসতে পারত। কিন্তু টিভি চললে ওসব অসম্ভব। উত্তেজনা সবই টিভি খেয়ে নেবে। ... ...

কোন দেশ কাকে কত অস্ত্র বিক্রী করছে সেই তথ্য জানা যায় সুইডেনের সিপ্রির ( SIPRI - স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট [1] ) তথ্যভান্ডার থেকে। ১৯৬৬ সালে তৈরী এই স্বাধীন সংস্থাটি ১৯৫০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক স্তরে যাবতীয় অস্ত্র কেনাবেচার হিসেব রাখতে চেষ্টা করে এবং প্রতিবছর প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ... ...
