..
ডাক্তার বিষাণ বসু লিখলেন: যেসব চিকিৎসকরা এরপরও শাসকদলের চাটুকারিতা করে চলবেন, তাঁদের মনে করিয়ে দিই : তেল মেরে ডাক্তারদের দীর্ঘমেয়াদী সুবিধে হওয়া মুশকিল, কেননা ডাক্তার, তিনি যে পদেই থাকুন না কেন, তাঁদের ছেঁটে ফেলা সম্ভব। সহজেই সম্ভব। সরকার-বাহাদুর একেবারে অনায়াসে তাঁদের ছেঁটে ফেলতে পারে। রাজনৈতিক সমীকরণ ও পাব্লিক হ্যান্ডলিং-এর মুহূর্তে ডাক্তারদের উপস্থিতি কাম্য হলেও হতে পারে, কিন্তু সেই উপস্থিতি র সমীকরণ ... ...
সরকার যে মিনিটস বানাবে সেটা ছাড়া আর কিছুর আইনী বৈধতা আছে কি? শেষ পর্যন্ত দেখা গেল সরকারের একজন আর জুনিয়র ডাক্তারদের চল্লিশ জন সই করেছে। এটারই বা মানে কি? ওদের ফেডারেশনের তরফে প্রতিনিধি কেউ নেই? মাঝ থেকে পুলিস চল্লিশ জনের নামের তালিকা পেয়ে গেল। চমৎকার। তারপর দেখলাম ফিরে এসে এ একরকম, ও একরকম বলছে। আমাদের পাপী কান শুনলেই বোঝে এরা নানা গ্রুপে বিভক্ত। ভাগ্যিস লাইভ টেলিকাস্ট ... ...
ডাক্তাররা মেধাবী, এতে তো কোনো সন্দেহ নেই। পূর্বে মেডিক্যাল জয়েন্ট দিয়ে ডাক্তার হতো মাত্র ১০০০ জন, অত্যন্ত টাফ কম্পিটিশন ছিল। এখন ডাক্তারি সিট বাড়ায় ডাক্তার হওয়া তাও কিছুটা সহজ হয়েছে৷ টাকা থাকলে বড় কোচিং এ পড়ে অনেকেই ডাক্তারি পাচ্ছে সহজে। তাও মেডিক্যাল নীট দিয়ে ডাক্তারি পাওয়া খুবই উচ্চ মেধারই কাজ। চিকিৎসার পেশা অত্যন্ত দায়িত্বের পেশা। মানুষের জীবন ডাক্তারদের উপর নির্ভর করে। সেই জন্যই সরকারও একটা ডাক্তার তৈরি করতে ৩০ লাখ মতো টাকা খরচ করে। সেটা সাধারণ মানুষের ... ...
ভোকাট্টাআআআ,ভো….কাট্টাআআ, ভোম মারাআআ। সকাল থেকেই চারিদিক কাঁপিয়ে একেবারে গগনবিদারী উল্লাস। সঙ্গে কাঁসর, ঘন্টা, ভেঁপুর ঐকতান। সেপ্টেম্বর মাস,আগমণীর পদধ্বনি, বিশ্বকর্মার আরাধনা আর আকাশ জুড়ে ঘুড়ির মেলা। দিনকয়েক থেকেই পাড়ার বাড়ির ছাদে ছাদে কালো কালো মাথার ভিড়। চলছে মহারণের প্রস্তুতি পর্ব। শেষমেষ ঘুড়ির পালে লাগিয়ে হাওয়া, আজ মন ভাসিয়ে স্বপ্ন উড়ানের দিন। পাড়ায় পাড়ায় এ ক’দিনের ... ...
কী বলবো? আমাদের শত্রু এখন ফ্যাসিবাদ নয়, অগণতান্ত্রিক শাসন নিয়ে সবাই চিন্তিত। আর মুসলমানদের অনেকেই আজকাল মানুষ ভাবছেন না।। পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক আন্দোলনে বেদনার কথা হলেও সত্য, তিন 'মুসলিম' নাম ও এক 'হিন্দু' নাম হোয়াটসঅ্যাপে ছয়লাপ করা হচ্ছে। তাঁরাও জুনিয়র ডাক্তার। লোকে বলছেন, তিনজন কবে ধরা পড়বে? চারজনের মধ্যে তিনজন মুসলিম! সিবিআই তাঁদের মুখ খুলতে বারণ করেছে। ফলে তাঁরাও চুপ। অথচ ওই নাম নিয়ে কেউ সিবিআইয়ের কাছে ... ...
তৃণমূল একটা আজব দল। মমতার সমর্থনে ফেসবুকে কেউ মুখ খোলে না। কিন্তু দলের নাম ভাঙিয়ে খেতে ভোলে না। পাঁচিলাইটিস। অপেক্ষায় আছে। সিপিআই ( এম) আরেকটি দল। যারা মমতার বিরুদ্ধে জান প্রাণ দিয়ে লড়ে। সমর্থকরা ভোট দেওয়ার সময় ৯৬ ভাগ ভোট বিজেপিকে দিয়ে আসে। বিজেপি আরেক দল। নানা গোষ্ঠী। একদল আন্দোলনে গেলে আরেকদল উস্কিয়ে দিয়ে দুয়ো দেয়। কিন্তু আমি তো এমনি এমনি খাই -- কারণে লোকে ঢেলে ভোট ... ...
বেসরকারি হাসপাতালের প্রত্যেক পদক্ষেপে দুর্নীতি। সরকারি হাসপাতালে কয়েকটি জায়গায়। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতাল নিয়ে বলবেন না বলছেন অনেকে। তাঁরা অনেকেই আমার শ্রদ্ধার মানুষ। যুক্তি? কেন? ওগুলো জনগণের করের টাকায় চলে না, তাই। ১. জনগণের করের টাকায় ডাক্তার হন ৯০% চিকিৎসক। বেসরকারি কলেজে পড়তে এক কোটি টাকা থেকে দেড় কোটি টাকা দিতে হয়। লেখা থাকে একটু কম। প্রমোটারকে যেমন সব টাকা চেকে দেওয়া যায় না, নগদ দিতে ... ...
True আমি সহজ মানুষ, যা বিশ্বাস করি বলে ফেলি, লিখে ফেলি। আর ঝামেলি যায় কোথা? সবাই তো দলভুক্ত ভাবতে চায়। আমি কোনও দল করি না। কারণ দল করলে মানসিকভাবে চাকর হয়ে যেতে হয়। এতে তো সবাই রেগে যাবেন! নিজের দলের বিরুদ্ধে কিছুই বলতে পারবেন না। শুধু অন্যদলের দোষ দেখতে হবে। একপাক্ষিক একমাত্রিক বয়ান বলতে হবে। সবাই বলে, ক্রীড়াপ্রেমী। ইস্ট বেঙ্গল গ্যালারিতে বসে মোহনবাগানের ভালো গোলের প্রশংসা করে দেখবেন বা ... ...
এমন একটা ঝর ওঠাও গাছগুলো আরো জীবিত লাগে, হাওয়াতে নড়লে। আর হাওয়া না থাকলেও, যখন ট্রেন যায় তার হাওয়াতে বস্তির গাছগুলোকে বিদ্রোহীর মতো চঞ্চল মনে হয়। আর এখন এই মফস্বল-শহরকে'ও বিদ্রোহীর মতো চঞ্চল মনে হচ্ছে। বেকারত্বের প্রতি আর শোষণের প্রতি এতটা বিতৃষ্ণা; যে আর ভালোই লাগছে না..! এই জীবনের বাসস্থান। বাস্তবে কিছুই ভালো নেই..! কিন্তু Big boss এর নেটওয়ার্কে, টিভিতে ; সব ঠিক। তখন আমার গণতন্ত্রকে, হাওয়াহীন স্তব্ধ ... ...
পশ্চিমবঙ্গের মেডিক্যাল কাউন্সিলে রেজিস্ট্রেশন করা ডাক্তারের সংখ্যা কত? লোকসভায় পেশ করা কেন্দ্র সরকারের হিসেবে ৭৪০৫৪। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য ২০% মৃত বা নেই। আছেন ৫৯২৪৩ জন। রোগী ও চিকিৎসকের অনুপাত ১: ১৬৬৫এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে কত আর বেসরকারি হাসপাতালে কত?. সরকারি হাসপাতালে সব মিলিয়ে ১৭ হাজারের কাছাকাছি। এর মধ্যে ৭৫০০ জন জুনিয়র ডাক্তার। হাসপাতাল কেমন চলতে পারে?
পয়সা দিয়ে পড়াশোনা করার প্রবণতা বাড়ছে। ক্যাম্পাসের এবং পড়া শেষে ১৫ হাজার টাকা মাইনের চাকরির জন্য ( সে চাকরিও স্থায়ী হয় না, হায়ার অ্যান্ড ফায়ার নীতিতে চলে) মাসে ১৫ হাজার টাকা টিউশন ফি দিয়েও অনেকে পড়াচ্ছেন। ঝাঁ চকচকে ক্যাম্পাস, ইউনিফর্ম, এবং তথাকথিত ডিসিপ্লিন অভিভাবক অভিভাবিকাদের অভিভূত করে ফেলছে।আবার এটাও সত্য, পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষকদের একটা বড় অংশ আন্তরিক ভাবে পড়ান না। নিজেরা পড়াশোনাও করেন না। বই ... ...
বিধিবদ্ধ সতর্কতা : খুন হওয়া চিকিৎসকের ন্যায্য বিচার চাই। স্বাস্থ্য দপ্তরে সবরকম ও সব রঙের দুর্নীতির অবসান ও দোষীদের শাস্তি চাই। বেসরকারি হাসপাতালেও কমিশন রাজ ও দুর্নীতির অবসান চাই। বেশি বিল করা বন্ধ হোক। ) সব ঠিক আছে। গণেশ পূজা, বিশ্বকর্মা, সিনেমার প্রচার। শুধু দুর্গাপূজা চলবে না। কেন নানা খরচের মধ্যে গরিবের হাতে দু পয়সা আসে বলে?তাঁরা বাঙ্গালোর চেন্নাই মুম্বাইয়ে ছেলে মেয়েদের কাছে বেড়াতে যেতে পারেন না, পূজার ছুটিতে ... ...
(বিধিবদ্ধ সতর্কতা : খুন হওয়া চিকিৎসকের ন্যায্য বিচার চাই। স্বাস্থ্য দপ্তরে সবরকম ও সব রঙের দুর্নীতির অবসান ও দোষীদের শাস্তি চাই। বেসরকারি হাসপাতালেও কমিশন রাজ ও দুর্নীতির অবসান চাই। বেশি বিল করা বন্ধ হোক। ) কলকাতা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের আন্দোলন ছিল ফার্স্ট ইয়ারের সঙ্গে সিনিয়রদের থাকতে দিতে হবে। সেই নিয়ে শুরু। পরে নানা বিষয় যোগ করে। স্বাস্থ্য সচিব অনিল ভার্মাকে সরিয়ে দেওয়া হল। অনিল ভার্মা বলেছিলেন, জেলা বা কোনও ... ...
মাঘ মাসের শীতের রাত – কুয়াশা আর কাঁপুনিতে, ভোর যেন হতেই চায় না। এর মধ্যে পাঁচটা তন্বী মেয়ে, এ বাড়ী ও বাড়ী থেকে ডাকাডাকি করে, একসঙ্গে হয়ে নদীর ধারে এলো। মৃদু আলোর আভাস আকাশে। নদীর জল কালো, ঠাণ্ডা, স্থির। অবিবাহিতা, বিবাহ উন্মুখ মেয়েগুলি একসঙ্গে হয়েছে – মাঘ মণ্ডল ব্রত করবে বলে। ঠাণ্ডায় গায়ে কাঁটা দিচ্ছে। এক ছিটে তেল হাতে, গলায় মুখে আলতো করে মেখে নিলো – ব্রতের স্নানে তো সাবান চলবে না। ঠাণ্ডা কালো জলে, সব কটি মেয়ে এক সাথে ... ...
ধরণা মঞ্চে এসে হাজির। যাদবপুরে যেমন এসে অভিজিৎ কে বরখাস্ত করেছিল।
ফুল ফল লতা পাতা - লতা পাতা ফুল, জলপাই রং রাজপথে ফেলে, বিপ্লব ধুয়ে তোল; অন্তর্জাল গুটিয়ে নিয়ে - মাছ গুলো দিলে ছেড়ে, খানিকক্ষণ তরপিয়ে তাঁরা পদ্য ধরলো তেড়ে; ঢাল যদিও নেইকো