( ৩৩ ) অশোক পালের ব্যবসা মোটেই ভাল চলছে না। এসব কাজ শহরে না চলারই কথা। সাগরের দোকানে বসে সেদিন বলল, ' গৌহাটিতে চইল্যা যাব ভাবত্যাসি। এহানে কিসু হবার নয় এসব ... ' সাগর বলল, ' না না... চলে যাবে কেন ? ওটা থাক। তার সঙ্গে অন্য কিছু কর ... ' --- ' কি করব বল তো ... ' --- ' আচ্ছা ... আমাকে দু একদিন ভাবতে দাও। দেখছি আমি ... ' --- ' দ্যাহ দেহি ... কি করন যায় ... ' --- ' আমার কিন্তু মনে হয় তোমার ওই রেইকির ব্যাপারটা ভাল চলবে। লোকে একটু জেনে গেলে মনে হয় পসার হবে তোমার ... ' --- ' কি জানি ... আমার কপালের উপর আমার কোন ভরসা নাই। সাগর, তোমার কাছে একশ'টা টাকা হইব ? ' --- ' অ্যাঁ ... কি বললে ... একশ টাকা ? ' --- ' হ্যাঁ, হাতে একটা পয়সা নেই। ক'টা ওষুধ কিনতে হবে ... দিয়ে দেব ... ...
সম্প্রতি আফগান সরকার এক যুগন্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছে- কোন সরকারী চাকুরিজীবি যদি আফগানিস্তানের বাইরে তার কোন সন্তানকে পড়াশোনা করতে পাঠায় তবে তাকে চাকুরি ছাড়তে হবে। এর কারণ হিসাবে আফগান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানি টোলো নিউজকে জানান যে বিগত ঘানি সরকারের আমলে, সরকারি আমলারা - প্রথমে তাদের সন্তানদের বিদেশে পাঠাত উচ্চ শিক্ষার জন্য।এরপর তারা তাদের সম্পদ সেখানে পাঠাত।এরপর সেখানে বাড়ি, ঘর কিনত। সন্তানরা সেখানে নাগরিকত্ব নিত।এরপর সুবিধামত সময়ে তারা আফগানিস্তান ছেড়ে দুবাই, আমেরিকা, কানাডা, সুইডেনে পাড়ি জমাত। এভাবে দেশের সম্পদ পাচার হত। কিন্ত এখন থেকে কারোর যদি পরিবারের সদস্যদের বাইরে পাঠানোর ইচ্ছা থাকে তবে যেন সে আগে আফগান জনগণের চাকুরি ছেড়ে দেয়। এটা ইসলামিক আমিরাত, ... ...
( ৩২ ) কলেজ স্ট্রিট চত্বরে ছাত্র পরিষদ আর এস এফ আই-এর মধ্যে হঠাৎ বিরাট ধস্তাধস্তি লেগে গেল। সে এক ধুন্ধুমার কান্ড। ওর মধ্যেই ইউনিভার্সিটির গেটের একপাশে একটা টুলের ওপর দাঁড়িয়ে প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সী বক্তব্য রাখতে লাগল। ওদিকে এস এফ আই- এর ওরা প্রেসিডেন্সি কলেজের ওদিকে টুল পেতেছে। লক্ষী সেন বলে একজন ছাত্রনেতা টুলের ওপর দাঁড়িয়ে তারস্বরে গরম গরম কথা বলতে লাগল। প্রেসিডেন্সির ওখানে জমাট ভিড় ছাত্রছাত্রীদের। বক্তৃতার মাঝে মাঝে তুমুল আওয়াজ তুলছে বক্তার সমর্থনে। তুলনায় প্রিয়রঞ্জনের জমায়েতে মনে হচ্ছে ভাঁটার টান। বিক্ষিপ্ত সমর্থন ধ্বনি উঠে তারপর ঝিমিয়ে যাচ্ছে। এইসময়ে রাস্তার ওপারে কলেজ স্কোয়্যারের গেটের মুখে মহীনের ঘোড়াগুলি বলে ... ...
ইঞ্চি জি নাকি সব করেছেন। এই মর্মে একটা হোয়াটসঅ্যাপ খুব ঘুরছে। তার জবাব:নেহরু থেকে মনমোহন সিং সরকারের আমলের উন্নয়ন দিয়েই তো চলছে। একটা কিছু করেছেন? একটাও? যেটার পরিকল্পনা তাঁর আমলে রূপায়ণ তাঁর আমলে? শুধু বেচা বেচা আর বেচা। শিক্ষা ভোগে। স্বাস্থ্য ভোগে। পরিকাঠামো ভোগে। কর্মসংস্থান ভোগে। পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই থামিয়ে দিতে আমেরিকার দরকার পড়ে। চীন ভারতের ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার দখল করে বসে আছে। ভুটান গেলে দিন প্রতি ১৬০০ টাকা দিতে হচ্ছে ভারতীয়দের। নেপাল বাংলাদেশ কেউ এখন পাত্তা দেয় না।ভারতীয়দের হাত পায়ে শিকল বেঁধে ট্রাম্প ফেরৎ পাঠাচ্ছেন। কখনও হয়েছে এসব? আন্তর্জাতিক প্র চার মাধ্যম ভারত পাকিস্তান যুদ্ধে কাদের ক্ষয়ক্ষতি বেশি বলছে? কারা যুদ্ধবিরতি করতে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছেন? ১০০% শুল্ক ছাড় দেবো যুদ্ধ থামান কাদের কথা? ভালো করে ... ...
A few days ago, in the afternoon, a whirlwind had arisen, turning everything black. A dust storm had risen. A twisted drunkenness of blackness around. In the southwest corner, an unlucky sign, a tangle of black clouds. A bright vermilion-red ring along the horizon in the western sky. The gap in the clouds melted and sparkled like a black veil, and immediately the sound of lightning struck my heart. I had moved away from the window at that moment. It had started raining in big drops, accompanied by a strong wind. The smell of wet, fresh soil filled my nose. ... ...
কাবারিওয়ালা এসেছে। পুরোনো কাগজ, বোতল সব বার করে আনলাম।ভবানন্দ বাবু তাঁর বিশাল বাড়ীর ব্যালকনি থেকে কমেন্ট করলেন, গুনছিলাম। পাঁচ পাঁচটা খালি বোতল বার করলেন। একা মানুষ, বেশ আছেন মশাই।কি জবাব দিই? তবুও হেসে বললাম, আপনিও তো রয়েছেন চার চারটি বেডরুম নিয়ে।ধুর মশাই, একা লোক চার চারটি বেডরুম নিয়ে ঘুমায় নাকি? ওই কখনো গেস্ট ফেস্ট এলো। আমারও তেমনি। কখনো বন্ধু বান্ধবরা এলো টেলো.. !মালের সঙ্গে বেডরুমের তুলনা করবেন? অবাক কাণ্ড। বললেন ভবানন্দ বাবু।আমিও নাছোড়বান্দা। আপনিই বলুন, একা একটা লোক চার চারটে বেডরুম নিয়ে ঘর বানাবে কেন?এটা কিরকম কথা হলো? চারশো গজের প্লট নিয়ে একটা বেড রুম .. শুনেছে কেউ? তা ছাড়া একটা ... ...
( ৩১ ) প্রায় পনের দিন পরে সাগর একবার দেখা করতে এল অলোকেন্দু মিত্রের সঙ্গে। অলোকেন্দুবাবু তার নিজের ঘরে সেই পুরনো আর্মচেয়ারটায় বসে বসেছিলেন হাতে দৈনিক স্টেটসম্যান কাগজটা ধরে। তার চোখ রয়েছে খবরের কাগজের পাতায়। কিন্তু কতটুকু পড়ছেন কিছু বোঝা যাচ্ছে না। সাগর ঘরে ঢুকে মৃদুস্বরে বলল, ' স্যার ... ' অলোকেন্দু চোখ তুলে তাকালেন। ----- ' আরে এস এস ... তোমার কথাই ... ...
অধ্যাপক রজতকান্ত রায় তাঁর বিখ্যাত ফেল্ট কমিউনিটি বা গ্রাহ্য সম্প্রদায় (The Felt Community: Commonality and Mentality Before the Emergence of Indian Nationalism ) বইতে প্রাক জাতীয়তাবাদী পর্যায় কোন মিলমিশের প্রক্রিয়ায় জাতীয়তাবাদে পৌঁছলো তার বর্ণনা আছে। দেশপ্রেম আর জাতীয়তাবাদের তফাৎ আর ঐতিহাসিক লগ্নতার বিষয়েও আলোচনা করেছেন উনি। ভিয়েতনামের লোকেদের পূর্বপুরুষের প্রতি আনুগত্যই ছিল ধর্ম, সেটাই ক্রমে সুনির্দিষ্ট জাতি সত্তার ঐক্যে রূপান্তরিত হলো। বিপরীতে ভারতীয় সভ্যতার মিলনের ঐতিহ্য বহু বহু জাতি সত্তার সহাবস্থানকে মেনে নিয়েছিল। এটা অধ্যাপক রায় মৌচাকের গঠনের সঙ্গে তুলনা করছেন যার আলাদা আলাদা খোপ -হনিকম্ব আছে। এতে যে সামাজিক আর রাজনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি হল তাতে ভাষা, এলাকা, ধর্ম আর বর্ণ ভিত্তিক ... ...
প্রার্থনার সুর আজ ভোররাতে বহু দূর থেকে ভেসে আসা এক প্রার্থনার সুর মনকে কেমন আচ্ছন্ন করে ফেললো। অন্ধকার ঘরে কান উঁচিয়ে উৎকীর্ণ হয়ে রইলাম, যদি সেই ভেসে আসা সুরের নিহিত বাণী মর্মে এসে বাজে। খানিকক্ষণ পরে মৃদঙ্গ ও খঞ্জনির বোলচাল স্পষ্ট হতেই বুঝতে পারি এ আমাদের বাংলার আদি ও অকৃত্রিম কীর্তনের প্রভাতী সুর। আর কয়েকদিন বাদেই ঘোষ পাড়ার হরিমণ্ডপে বসবে বার্ষিক কীর্তনের আসর। হয়তো এখন তারই জাগরণের পর্ব চলছে। এই সুর বেলা হলে এমন সুরেলা প্রাণস্পর্শী মনে হতো কিনা জানিনা কিন্তু ভোরের আলোআঁধারির ঐ মায়াঘন মুহূর্তে তা আমার মনকে ছুঁয়ে গেল, মন ভরে উঠলো পরম শান্তিতে। প্রত্যেক প্রার্থনার সুরের মধ্যে ... ...
আজ চারিদিকে যেখানে চোখ যায় প্রায় সবাই বিকারগ্রস্ত, পাগল, মাতাল, খ্যাপা। তার মাঝে একজন আমাকে ডেকে গেল, "ওই খ্যাপা।" আমি চারিদিকে তাকিয়ে দেখি, কেউ কোথাও নেই; আমি আর লোকটা ছাড়া, আমারও কদিন সন্দেহ হচ্ছিল নিজের অবস্থা নিয়ে, এই যে স্রোতে গা ভাসাতে পারছি না আগের মতো, যুক্তি খুঁজছি, এসব তো আগে হতো না! মাস গেল, একটা গোটা বছরও, রোগ বেড়ে গেল, ডাক্তার বলল, "এ ব্যাধি দুরারোগ্য।" আমি আর ভাবিনি চিকিৎসা নিয়ে, নিজেকে সুস্থ প্রমাণ করতে লাগলাম প্রানপণে, দল গড়লাম, নাম দিলাম 'অমুক', দলে দলে লোক যোগ দিল ... ...
( ৩০ ) আর দুদিন পরে অলোকেন্দু মিত্র শেষ পর্যন্ত সত্যিই একা হয়ে গেলেন। অর্ধ শতাব্দী ধরে তাকে আগলে রাখার মানুষটি তাকে ফেলে রেখে না ফেরার দেশে চলে গেলেন। রবিবারের দুপুরবেলা। অনুরোধের আসর চলছে। বাসন্তীদেবীর প্রাণের ট্রানজিস্টর নিস্তব্ধ নিস্তরঙ্গ, খাটের ওপর একলাই পড়ে আছে। এ বাড়িতে সে বাড়িতে দুঃখী কন্ঠে সতীনাথের গান বেজে চলেছে ... জানি একদিন আমার জীবনী লেখা হবে ... আকাশে মেঘ আর রোদ্দুরের খেলা চলছে সকাল থেকে। বাসন্তীদেবীর শরীর নামান হল বাড়ির ... ...
স্কুলছুট্ বন্ধ করে শিশু ও কিশোর বয়সের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ায় আগ্রহী করে তুলতে বেশ কিছু আকর্ষণীয় পরিকল্পনা সরকারি স্তরে গ্রহণ করা হয়েছে অনেকদিন আগেই৷ বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার্থী-সহায়ক পরিষেবাগুলির পরিসরও ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে৷ এসব সত্ত্বেও দেখা যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চোখে পড়ার মতো একটা অংশ মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত পৌঁছাতে পারছে না৷ এর জন্য আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি কিছুটা দায়ী, তবে লেখাপড়া শেখার ব্যাপারে ছেলেমেয়েরা যে আগ্রহ হারাচ্ছে সেকথা বোধহয় অস্বীকার করা যাবে না ... ...
মৃন্ময়ী একুশ বছরে বিয়ে হয়ে চৌধুরীবাড়ির মেজছেলের বৌ হিসেবে এল সংসারে। চৌধুরীবাড়ির গিন্নি সুধাময়ীর তিন ছেলে আর চার মেয়ে নিয়ে ভরা সংসার। মৃন্ময়ী যখন এ বাড়িতে এল ততদিনে বাড়ির বড় ছেলে অমলের বিয়ে হয়ে গেছে আর অমলের তিন বোনেরও বিয়ে হয়ে গেছে। মেজ ছেলে কমলের পরে আছে ছোট মেয়ে সীমু আর ছোট ছেলে বিমল যারা তখন কলেজ আর স্কুলে পড়ে। চৌধুরী বাড়ির কর্তা দেবশঙ্করের প্রেসের ব্যবসা আছে। বিরাট তিনতলা বাড়ি করেছেন তিনি। বড় ছেলে অমল সেই ব্যবসাই দেখে। মেজছেলে কমল একটা প্রাইভেট ফার্মে চাকরি করে। অমলের পরে তিন বোন– রুমু, ঝুমু আর কুমুর ভাল বিয়ে দিয়েছেন বড়কর্তা। জামাইরা সবাই প্রতিষ্ঠিত। অমলের ... ...
১৯৫০, আমেরিকার ইস্ট কোস্টের কোনো একটি ইম্মিগ্রেশন দপ্তর একটা বড় গোল টেবিল ঘিরে চারদিক থেকে বসে আছেন কয়েকজন। দেখে তাদের সাধারণ সরকারী অফিসার বলেই মনে হচ্ছে। তবে সবার নজরই ডানদিকে এককোনে বসে থাকা এক মধ্যবয়স্ক চীনা ভদ্রলোকের উপরে। নানারকম প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন প্রশ্নকর্তাদের। প্রশ্নগুলোর সবগুলোই মোটামুটি একরকম। চীনা ভদ্রলোকের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে। চীনা ভদ্রলোকটি ঠান্ডা মাথায় একের পর এক প্রশ্নের উত্তর দিয়েই যাচ্ছেন। আস্তে আস্তে একটু একটু ঘাম আসছে তার কপালে। তবে প্রশ্নকর্তারা এসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না খুব একটা। তারা জানেন তাদের কি প্রমান করতে হবে। তাদের খুব একটা তাড়াহুড়ো নেই। প্রশ্নের ফাঁকে দুজন কর্তা জল খেতে বাইরে গেলেন একটু। তখন তাদের মধ্যে দুয়েকটা ... ...
জায়নবাদ ও বর্ণবাদী সাম্রাজ্যবাদ: একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ১. ভূমিকাইতিহাসে জাতীয়তাবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ—এই দুই রাজনৈতিক মতবাদ বহু জাতি, রাষ্ট্র এবং জনগণের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। জায়নবাদ একটি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, যার উদ্দেশ্য ছিল ইহুদি জনগণের জন্য একটি রাষ্ট্র গঠন। অন্যদিকে বর্ণবাদী সাম্রাজ্যবাদ ছিল উপনিবেশবাদী শক্তিগুলোর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার একটি মতাদর্শ, যেখানে শ্বেতাঙ্গ জাতিসমূহ নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে অন্য জাতিগুলোর উপর দখল ও শোষণ চালায়। যদিও এই দুটি মতাদর্শ আলাদা ঐতিহাসিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে গড়ে উঠেছে, তবে উভয়ের মধ্যে সাদৃশ্য, সংঘাত এবং নৈতিক প্রশ্নে অনেক জায়গায় মিল খুঁজে পাওয়া যায়।---২. তাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক ভিত্তি২.১ জায়নবাদের জন্ম ও বিকাশজায়নবাদের সূচনা ঘটে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষে, ইউরোপে ব্যাপক ... ...
২০৪২ সাল। পৃথিবীর রাজনীতি এখন চাঁদ থেকে পরিচালিত হয়। জাতিসংঘের সদর দপ্তর এখন লুনা সিটি-৩ তে। কিন্তু এক অবিশ্বাস্য সংবাদে পৃথিবী জুড়ে হইচই পড়ে গেল: ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভ্লাদিমির পুতিন—দু’জনেই আবার রাজনীতিতে ফিরে এসেছেন, তবে এবার একসাথে!তারা ঘোষণা করলেন একটি নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ: "মার্স অ্যালায়েন্স ফর গ্লোবাল গ্রেটনেস", সংক্ষেপে MAGG। লক্ষ্য: মঙ্গলগ্রহে একটি সুপারপাওয়ার সভ্যতা গড়ে তোলা, যেখানে ট্রাম্প হবে প্রেসিডেন্ট আর পুতিন হবে সিকিউরিটি জেনারেল।অদ্ভুত শুরুতাদের বন্ধুত্বের শুরু হয়েছিল একটি ভুলবশত পাঠানো TikTok ভিডিও দিয়ে। ট্রাম্প একটি নাচের ভিডিও বানাচ্ছিলেন AI সহকারে, সেটি ভুল করে পুতিনকে পাঠিয়ে দেন। পুতিন এতটাই মুগ্ধ হন, যে সঙ্গে সঙ্গে রিপ্লাই দেন:"Your moves are ... ...
( ২৯ ) মোনা মজুমদার সাগরের দোকানে এসে বসল। অশোক পাল মশায়ও সেই সময়ে দোকানে বসে ছিলেন। সাগর বলল, ' এস এস ... ক'দিন ছিলে কোথায় ? ইলেকশানের প্রিপারেশান নিচ্ছ নাকি ? এখনও তো প্রায় একবছর দেরি আছে ... ' --- ' আরে না না ... ইলেকশন নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নেই। আমি কোন নেতা নই। যাদের মাথা ঘামাবার তারা ঘামাক। আমি ক'দিনের জন্য হাসনাবাদে গিয়েছিলাম একটু জমিজমার ... ...
প্রারম্ভিকাএকটি জাতির ইতিহাস শুধু তার সমরক্ষেত্রের গৌরবগাথা দিয়ে নির্মিত হয় না, বরং অনেক সময় একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তে, নিভৃত যন্ত্রণায়, নিঃশব্দ আত্মত্যাগে গড়ে ওঠে নাগরিক চেতনার প্রকৃত বোধ। বাইধৰ মহান্তি সেইসব মানুষদেরই একজন, যাঁর এক আপাততুচ্ছ কিন্তু অভূতপূর্ব মুহূর্ত ইতিহাসের অনুলিপিতে নতুন মাত্রা এনে দিয়েছে। ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁও অঞ্চলে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার মধ্যে ঘটে যাওয়া এক অভূতপূর্ব ঘটনা তাঁকে ইতিহাসের পরিসরে ... ...
সারাংশ: এই প্রতিবেদনে আলোচিত হয়েছে একটি রহস্যময় প্রাণী "নীহারিকাস্পন্দ" (Niharikaspanda) — যার উপস্থিতির উল্লেখ পাওয়া যায় বৈদিক সাহিত্যে, পৌরাণিক কাহিনিতে, এবং এমনকি চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদমূলক লেখাতেও। প্রাণীটির সাম্প্রতিক উপস্থিতি চীনের একটি বরফাবৃত প্রদেশে শনাক্ত হলেও তার অস্তিত্ব আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির মারপ্যাঁচে চাপা পড়ে গেছে। প্রতিবেদনে প্রাণীটির শারীরিক গঠন, প্রজনন প্রক্রিয়া, সামাজিক আচরণ ও চেতনার রূপ, সেইসাথে ষড়যন্ত্রমূলক নীরবতার পেছনের শক্তিগুলোর কার্যপ্রণালী বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ১. ভূমিকাপৃথিবী বিভিন্ন প্রাণীতে পূর্ণ। তথাপি, সময়ে সময়ে কিছু জীব এমনভাবে আবির্ভূত হয় যাদের অস্তিত্ব বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণে অসম্ভব ... ...
.