তুই তো আমার মনখারাপের কারণতুই চলে যাযা চলে যা দূরেতুই না ছিলিস কোনও দিনও আমারনা আজ আছিসনা তুই ভবিষ্যতের
আমরা যখন ছিলাম না, তখনও সময় ছিল। আমরা যখন আছি, তখনও সময় আছে। আমরা যখন থাকব না, সময় তখনও থাকবে। আমরা কি সময়ের সঙ্গে আলাপ করেছি? সময়ের সঙ্গে যদি আলাপ না করি, তবে তো সময়ের বন্ধু হয়ে উঠতে পারব না। তুমি কি করেছ সময়ের সঙ্গে আলাপ?
['আমার সেপ্টেম্বরের দিনগুলি'-তে রয়েছে। লেখার সময় কামু-কাফকা-লাকাঁ ইত্যাদি কিছুই মাথায় ছিল না। ফ্যান্টাসি বা অন্য কোনও একটা জঁর-এ ফেলতে পারব না। উইয়ার্ড ফিকশন বলা যায়। সেটাও পরে বুঝেছি। যখন এখনকার মতো সামান্য কিছুও লিখতে জানতাম না, তখনকার লেখা এই বিরক্তিকর গল্পটি। ব্যক্তিগতভাবে ভীষণ পছন্দের। কিছু সময়ের জন্য থাকুক।]|| একজন ডাইনোসর ||আমি, আমার হবু-স্ত্রী'কে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত এক আসামী। তার বাড়ির লোকজন আমাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে খুন করতে, পুলিশও আমাকে খুঁজছে শাস্তি দিতে। যদিও আমার শাস্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল মূল অপরাধ করার অনেক আগেই, সেই ভোরবেলায়, যখন আমি হাতের তালুতে আমার ভাগ্য রেখা দেখতে পাইনি। আমার ক্ষেত্রে, জীবনের সমাপ্তি আকস্মিকভাবে ... ...
সময়ের প্রয়োজনে।লতিফুর রহমান প্রামাণিক।শুনলাম আগামী রবিবার স্কুল খুলবে। সেখানে পোড়া বাতাসের গন্ধ ফিকে হচ্ছে রোজ রোজ। স্কুলের পিয়ন আর সুইপার রা এর আগে এতোটা কাজে মনোযোগী হওয়ার ইতিহাস কম। বিষন্ন হৃদয়, বুকের ভিতর চাপা দুঃখ। তবুও ময়লা পরিস্কার করতে হচ্ছে। আগুনে পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া ডেক্স কিংবা বেঞ্চের দাগ সহজে তুলে ফেলা যায় না। পুড়ে যাওয়া শিশুদের চামড়া এখনো পোড়া ছাইয়ের সাথে মিশে আছে। সবকিছু মুছে ফেলতে কমতি নেই। জীবন হয়তো এটাই। দু দিন যে শিক্ষক রা স্কুলের আয়া, পিয়ন আর দারোয়ান রা হো হো করে কান্না জুড়ে দিত, তারাও দিনে দিনে শক্ত হয়ে উঠছে। এমন ঘটনা হয়তো জগতে বিরলতম। ... ...
বাবা... বাবা, তুমি থাকলে ভালো হ'তোঅমঙ্গলের এতো দুঃখ-বিষাদ কুড়ে কুড়ে খায় রোজ।আমার ভেতরের শরীরটা কাঁদতে থাকে,আর বাইরের শরীরটা-অন্ধকার আচ্ছন্ন মাঠে গিয়ে চাঁদ দ্যাখে,চাঁদ দেখার কী খিদা আমার!আর শ্মশান থেকে যাবার সময়তোমার পুড়ে যাওয়া বেদিতে, আগুন দেখলেমনে হয় বুকের স্পন্দনে, আগুনের শিখার ওঠা-নামা।এবং একটা মানুষ পুড়ে যেতে যতক্ষণ সময় লাগে, একটা জীবনও পুড়ে যেতে সময় লাগে ততক্ষণ।আমিও পুড়তে থাকি...এই পৃথিবীতে সবারই বাবা থাকলে ভালো হ'তো, আমার বলতে ইচ্ছা করে না; আমার বাবা নেই।কিম্বা যখন কোথাও তোমার নামের আগে লিখতে হয়, মৃত! ~। শুভঙ্কর বৃক্ষ ... ...
জাত গোখরো চতুর্দিকে। জনৈক অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী গতকাল বললেন শুনলাম, বাঙালির উপর কোথাও কোনো আক্রমণ হচ্ছেনা। রাগ করে লাভ নেই, বলিউডি নায়করা মূলত অশিক্ষিত, এঁদেরকে আক্রমণের লিস্টি, এনআরসির ইতিহাস বলে লাভ নেই। তার আগের দিন শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, ভিন-রাজ্যের বাঙালি আতঙ্কিত নাকি মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে। জিজ্ঞাসা করতে ইচ্ছে হচ্ছিল, যে, আগে বাঙালি তাড়ানো শুরু হয়েছে, না আগে ভাষণ? কিন্তু সেটা করেও লাভ নেই, কার্যকারণ সম্পর্ক গুলিয়ে না ফেললে হিন্দু বীর হওয়া যায়না। তাছাড়া ওই অর্ধেক-হিন্দি, সবদিক-বাঁচিয়ে-খেলা ভাষণের কারণে যদি কেউ বিপদে পড়েন, তাহলে মানতে হয়, যে রাজ্যে বিপদে পড়ছেন, সে রাজ্যের সরকারই বর্বর। ওটাতে কারো উপর কোনো থ্রেট একেবারেই ছিলনা। সত্যিকারের আপত্তিকর ভাষণ দিয়েছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তাঁর উগ্র এবং চরম আপত্তিকর ভাষণে বাংলার অসমীয়ারা আতঙ্কে? এঁদের তবু একটা ... ...
এক হাত বাই দুইহাত মাটি তো মানুষের অন্তিমে দরকার। তবু কারা যেনো গোটা পৃথিবীটাকে বেড়া দিতে চায় ! কাজটা তো ভয়াবহ ! তাহলে কেন এই বীভৎস প্রয়াস ! ফুল পাখি দের মত সঙ্গীতময় কন্ঠ কে স্তব্ধ করে দেয় কিন্তু এই ভয়ঙ্কর বেড়া তো বেড়ে বেড়ে সবাইকে একদিন গ্ৰাস করবে। তবে? তবে এই ঘন নীল অন্ধকারের শেষে সমস্ত চূড়ার থেকে ঝলকে ঝলকে ঠিকরে বেরিয়ে আসবে বহু প্রতীক্ষিত সেই আলো। ... ...
রোশনের দুনিয়া সেদিন পুরো উল্টে গিয়েছিল,যেদিন তার মা,তার নিজের মা,তাকে তুলে জলের হাঁড়িতে ফেলে দিল।তাহলে শুরু থেকেই শুরু করা যাক।রোশন একজন মোটামুটি কাজ করে খাওয়া ছেলে। ও বিভিন্ন জিনিসপত্র ডেলিভারি দেয়।প্রধানত নিজের এলাকায় দিলেও,মাঝে মাঝে ওকে জিন আর পরীদের মহল্লায় দিতে হয়। তা অবশ্য সবসময় নয়।যখন ওর মায়ের ওষুধের খরচ বেড়ে যায়, আর কিছু উপায় থাকে না,শুধু তখনই।ওর এখানে কাজ করতে যে কোনো সমস্যা আছে তা নয়,তবে ওদের অনেক ঝামেলা।হিন্দু জিন -পরীরা হালাল ট্যাগ দেখলেই ওকে মারতে ছুটে আসে,মুসলমানদের দেখলেই ওর কেমন ভয় ভয় লাগে।ওদের চোখে সুরমা,গায়ে আতরের গন্ধ, হাতে তসবিহ।বাপরে সে কী ভয়ঙ্কর!আর ওদের কসাইগুলো,বাপরে!এখনই খুন করে ফেলবে যেন।তবে ... ...
একুশ থেকে পঁচিশ বছরের মধ্যে কোনও ছেলে অথবা মেয়ে এখানে আছ, যারা কবিতা লেখার চেষ্টা করছ? যদি থেকে থাকো, তবে আমাকে কমেণ্ট বক্সে জানাও!
( ৪১ )আজ সরস্বতী পুজো। কিশোরী বালিকারা বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে উজ্জ্বল গাঁদা ফুলের গুচ্ছের মতো রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে।হেদুয়ার ওপর দিয়ে সারা দিনমান বসন্তের বাতাস বয়ে যাচ্ছে থেকে থেকে। অলস নিষ্কর্মা গুচ্চের লোক হেদোর বেঞ্চে বসে বসে হাওয়া খাচ্ছে আর ঠ্যাং দোলাচ্ছে। দুর্বারদের ঘর বন্ধ। ওরা কেউ নেই। মাঝখানে একটা সি এল নিলে শনি রবি নিয়ে চার দিন ছুটি হয়ে যাচ্ছে একটানা।রাত্রি সকাল আটটায় বেরিয়ে গেল। স্কুলে পুজো আছে। সাগর বাড়িতে রইল। ছেলে স্কুলে গেল সকাল নটা নাগাদ। স্কুলে পুজো হচ্ছে। সাগর ওকে এখন একাই যেতে দেয়। তাকে একটু পরে গিয়ে দোকান খুলতে হবে।সরস্বতী পুজোর দিনে উন্মন হাওয়া দোলে ... ...
"কত যে নাম না জানা মনি মাণিক্য ছড়িয়ে আছে ভারতে, তার তুলনা অন্য কোথাও পাওয়া যাবে কিনা জানি না!" এই কথাটি যথার্থই প্রমাণ করে শিবদাস মিত্রের জীবনকাহিনি। ২০২৫ সালের ২০শে জুলাই ছিল এই রেল শ্রমিক নেতার ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। তাঁর সংগ্রামী জীবন ও অবদান ভারতের রেল শ্রমিক আন্দোলনের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায়। শিবদাস মিত্রের জন্ম ১৯৩১ সালের ২৫ জানুয়ারি, তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের খুলনা জেলার (বর্তমান বাংলাদেশ) বৈঠাঘাঠা থানার আমিরপুর গ্রামে। তবে তাঁদের আদি নিবাস ছিল যশোর জেলার নড়াইলের শুভনারা গ্রামে। তাঁর পিতা রতিকান্ত মিত্র কলকাতার ট্রাম কোম্পানির চাকরি ছেড়ে দিয়ে গ্রামবাসীদের অনুরোধে আমিরপুরে একটি অবৈতনিক পাঠশালা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ছোটবেলা থেকেই পিতার এই ... ...
চারিদিকে নোনা শতরঞ্চি পাতা আছে;দু-দন্ড পা ছড়িয়ে যে কাঁদরো তার জো-নেই সেই ভোর থেকে বেজেই চলেছে বিসমিল্লা, - আছে তো গৌরী সেন!আরও আছে অজস্র মাস্তুলের আগ্ৰাসী মাস্তানি।সোনার কাঠি তে হচ্ছে জঞ্জাল সাফ। অমায়িক জলসার আয়োজন আর ঘন ঘন ঘোষণায় - সোজা উল্টে যাচ্ছে, উল্টো হচ্ছে সোজা। অপার মহিমা তোমার ভগবান : পেটের ক্ষিধে ভুলিয়ে দিয়ে বাড়িয়ে দিয়েছো নীচের ক্ষিধে!আমাদের কোনো হাত নেই -সবই তোমার অদৃশ্য হাতের খেলা।আইনের হাতে মরছে আইন ... ...
চীন তিব্বতে মূলত জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়েকটি বিশাল বাঁধ নির্মাণ করছে। এই প্রকল্পগুলো বিশেষ করে ইয়ারলুং সাংপো (ভারতে যা ব্রহ্মপুত্র নদ নামে পরিচিত) নদীর ওপর কেন্দ্রীভূত।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চীন তিব্বতের নিয়াংচি শহরে ইয়ারলুং সাংপো নদীর নিম্নপ্রবাহে একটি মেগা-ড্যাম প্রকল্প শুরু করেছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে পাঁচটি ক্যাসকেডে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থাকবে এবং এতে প্রায় $167 বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করা হবে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে এটি বছরে ৩০০ বিলিয়ন কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে, যা চীনের বৃহত্তম থ্রি গর্জেস ড্যামের চেয়ে তিন গুণ বেশি।এই বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হল:* বিশাল পরিমাণে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন: ... ...
------ আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ----- সূর্য কর তপ্ত করেভাবনা আমার উদাসী রোদ্দুরের একটা কবিতা লিখতে, রোদ্দুরেতে আসি, @ দৈন্য বিরস উধাও হলো আজকৃষ্ণচূড়ায় আগুন আবির, ফাগুন মাতন সাজ। শাল পিয়ালের পাতায় পাতায় প্রজাপতির পাখায় পাখায় চলে অনেক দূর আমার রোদ্দুর।@ হঠাৎ মেঘের ছায়া, গুরুম গুরুম ডাক, রোদ্দুর হয়না উধাও, নিবিড়, প্রাণের শ্বাস। প্রাণঝরনার তাপে করি স্নান, মাখি আলো, তপ্ত উচ্ছ্বাস, রোদ্দুর আরো নিবিড় দেখি কবিতা গেছে লেখি। ... ...
"তিনটি মন্ত্র নিয়ে যাদের জীবন। সত্যম শিবম সুন্দরম। দুঃখের পৃথিবীটা তাদের কাছে এক আনন্দ আশ্রম। সেই মানুষই আসল মানুষ, যার জীবন পরের তরে।" উত্তমকুমার অভিনীত, শক্তি সামন্ত পরিচালিত সুপারহিট ছবি আনন্দ আশ্রমের গানের লাইন। যে সময়ে গানটি লেখা হয়েছিল, সেই সময়ে এরকম মানুষ খুঁজলে পাড়ায় বেপাড়ায় দু একজনের সন্ধান মিলতো। দিন বদলের সাথে সাথে অমন মানুষ একেবারেই দুর্লভ দুষ্প্রাপ্য হয়ে গেল। যারা নিজের জন্য নয়, অপরের জন্য বাঁচতে ভালোবাসতো। যাদের নিজের জন্য পার্থিব ভোগ্য বস্তুর চাহিদা থাকতো সবচেয়ে কম। দিন বদলের সাথে যৌথ পরিবারগুলো ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে। মানুষের মন মহৎ থেকে সংকীর্ণ থেকে আরো সংকীর্ণ হয়েছে। আধুনিক জীবনযাপনে নিজেরটুকু ... ...
কাউকে তো জোর করে কিছু করানো যায় না। করানোটা অন্যায়। বেশ অনেকদিন হয়ে গেল— আমার খেরোর খাতায় কয়েকটা কবিতা প্রকাশ করেছিলাম। যে কবিতাগুলো আসলে লেখার চেষ্টা করেছিলাম আমি। হাতেগোনা কয়েকজন পাঠক পড়েছেন দেখলাম। আবার এও সত্যি যে, সকলে পাঠক নন। তাই আমাকে ধরে নিতেই হবে যে, যাঁরা যাঁরা পড়েছিলেন আমার কবিতাগুলো— তাঁদের সকলে পাঠক নন। ছোট্ট থেকে শুনে আসছি, কবিতার পাঠক বরাবরই কম। ভাবতে অবাক লাগে যে, কবিতাকে আমরা নিজের নিজের জীবনের থেকে আলাদা করে সরিয়ে রেখেছি। আমরা ভেবেই নিয়েছি, কবিতা বোঝার মতো পরিশ্রম আমরা করতে পারব না। ব্যাপারটা হাস্যকর হলেও আমাকে দুঃখের সঙ্গে জানাতে হচ্ছেই যে, আমরা নিজেদের জীবনকেই ... ...
নবম পর্ব: কালীমন্দিরের সামনে আসতেই "দাদু?" বলে হাঁক দিল গণশা। কিছুক্ষণ পরে মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে এলেন বছর ষাটের এক প্রৌঢ়। গায়ে গেরুয়া বসন, চুল দাড়ি পেকে সাদা হয়ে গিয়েছে। ভদ্রলোক বেশ লম্বা, গায়ের রং উজ্জ্বল। বিরূপাক্ষ তান্ত্রিকের মতোই দাড়ি আর চুল লম্বায় বেড়ে গিয়ে মিলেমিশে একাকার, তবে বিরূপাক্ষ তান্ত্রিকের সাথে বাহ্যিক রূপার তফাৎ অনেকটাই। ওনাকে দেখে একটা অদ্ভুত রকমের ভক্তি আসে মনে, যা বিরূপাক্ষ বাবা কে দেখে মোটেই আসে নি। হাতে, গলায় বেশ কয়েকটা করে হরীতকীর মালা ঝুলছে ইয়া লম্বা লম্বা। কপালে লাল তিলক যেন নীচ থেকে ওপরের দিকে ক্রমশ সরু হয়ে উঠে গেছে। এই ঘন জনমানবহীন জঙ্গলে সূর্য ডোবার ... ...
যৌনতা- যৌনতা এবং যৌনতা ’One fine morning, I awoke to discover that, during the night, I had learned to understand the language of birds. I have listened to them ever since. They say: 'Look at me!' or: 'Get out of here!' or: 'Let's fuck!' or: 'Help!' or: 'Hurrah!' or: 'I found a worm!' and that's all they say. And that, when you boil it down, is about all we say. (Which of those things am I saying now?)" - Hollis Framptonপর্নোগ্রাফির ব্যবহার, বিশেষ করে যখন ঘন ঘন বা বাধ্যতামূলক frequent or compulsive, প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স এবং ফ্রন্টাল লোবগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে, ... ...
জান যায়, লেকিন ক্যরিয়ার না যায়! আমরা যে কালে একটু একটু করে বেড়ে উঠছি সে কালে ক্যারিয়ার শব্দটা আমাদের শরীর ও মনের ওপর সেভাবে কখনোই জেঁকে বসেনি। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। ফলে বাবা - মায়ের লড়াইয়ের আমরা ছিলাম সহযোদ্ধা। ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁরা খুব বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন তেমন হয়তো নয়, ফলে ক্যারিয়ারের বিষয়ে আমরাও সেই বিষয়ে একরকম উদাসীন ছিলাম। এ কালের অভিভাবকদের হ্যাপা অনেক। সন্তান হামাগুড়ি দিচ্ছে দেখলেই একালের বাবা – মায়েরা দাবার বোর্ডে গুঁটি সাজানোর মতো করে সন্তানের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য ছক কষতে শুরু করেন – কোন্ স্কুলে ভর্তি করা হবে থেকে শুরু করে ভবিষ্যতের কর্মজীবনের ছবিটি পর্যন্ত আঁকা হয়ে যায় ... ...
( ৪০ ) সময়ের চাকা ঘুরে চলেছে বনবন করে। কখন যে দুর্গা পুজো পেরিয়ে শীতকাল এল এবং স্কুলগুলোর অ্যানুয়াল পরীক্ষা টরীক্ষা চুকিয়ে দিয়ে ছিয়াত্তর বিদায় নিল। সাতাত্তর এসে গ্যাঁট হয়ে বসল আমীর থেকে ভিক্ষুক সবার জীবনে। ইন্দ্রাণীর ঐকান্তিক চেষ্টা ফলপ্রসূ হতে চলেছে মনে হচ্ছে। বছরের মাঝামাঝি খবর হবে মনে হচ্ছে। ইন্দ্রানীর মনে খুশির হিল্লোল বয়ে যাচ্ছে। বেশ হাসি খুশি মেজাজ। চাপা স্বভাবের মাণিকলালবাবুর মনের কথা ঠিক ধরা যাচ্ছে না বটে, তবে তার হাবভাবে একটা স্বস্তির চিহ্ন স্পষ্ট। ভাবখানা হল, আমিও পারি তালে। কাবেরী পাল্টে গেছে অনেকটাই। ডাক্তার সন্দীপ চ্যাটার্জির দেওয়া প্রেসক্রিপশান যে ... ...