তবুও কলম লিখতে থাকে বেশ লেখনীতেই বাস্তব - সম্মতি দশে দিক আর পঞ্চবাণের তোড়ে মরীচিকাময় গোপন অগ্রগতি . একটা প্রাচীর ভাঙতে হবে, ঠিক আবেগতাড়িত প্রবল শক্তি, চাপে মহাশূন্যে মহাজাগতিক আলো ভাঙাগড়ার প্রমাদ - প্রহর মাপে . উড়িয়ে দেবে ফুরিয়ে যাওয়া গল্প সের 'মই বোঝে ব্যক্তিগত মন ব্যতিক্রম টা পূর্বগামী সূর্য রূপকথাদের রিক্ত সাতকাহন . ভালো - বাঁচার সংজ্ঞা আছে, জানি ঘুণ ধরা এক বইয়ের ভাঁজে ছাপা অক্ষর নিয়ে লড়ছি প্রতি রাতে প্রতিশব্দে এটাই বেঁচে থাকা . ... ...
স্যান্ডেল সাহেব মেধাতন্ত্রকে ঝেড়ে নিন্দে করলেন। তা অবশ্যই শুধু হাতে নয়। যথেষ্ট পরিমাণ প্রমাণ সহকারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেতে হলে একটি যথেষ্ট কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। যেটি হলো Scholastic Admission Test (SAT) আর সেই স্যাটে কেউ স্যাটাস্যাট পাশ করে না। কারণ এখানে মেধা ও অ্যাকাডেমিক শিক্ষার মান কেবল নয় আরো অনেক দক্ষতা যাচাই করে নেওয়া হয়। সেখানে সন্তানরা যদি উত্তীর্ণ না হয়, সেই আশঙ্কায় বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে বিখ্যাত ব্যক্তিরা ঘুষদানের বিনিময়ে সন্তানদের আসন নিশ্চিত করতৃ চেয়েছেন। সক্রিয় হয়েছিলো একটি জালিয়াতি দল। এবিষয়ে যদি SAT scandal বা Blue varsity scandal বলে সার্চ করা হয় তবে বিষয়টি ... ...
আমেরিকান লেখক ফ্র্যাঙ্ক হার্বার্টের লেখা ডুন (Dune) সিরিজটি সাইফাই জগতের এক অনন্য ও অসাধারণ সৃষ্টি। এই সিরিজটি কেবল একটি মহাজাগতিক অ্যাডভেঞ্চার নয়, বরং এর গভীরে প্রোথিত আছে রাজনীতি, ধর্ম, পরিবেশবাদ, দর্শন এবং মানব সভ্যতার বিবর্তন নিয়ে গভীর ভাবনা। ছয়টি মূল উপন্যাস নিয়ে গঠিত এই সিরিজটি হার্বার্টের চিন্তাশক্তির এক অসাধারণ প্রতিফলন।পটভূমি ও মহাবিশ্বের গঠন:ডুন সিরিজের মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে সুদূর ভবিষ্যতে, যখন মানবজাতি মহাবিশ্বের বিভিন্ন গ্রহে ছড়িয়ে পড়েছে। এই মহাবিশ্বে কম্পিউটার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিষিদ্ধ, তাই মানব মস্তিষ্ক ও তার ক্ষমতাকে কাজে লাগানো হয়। এই সিরিজের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মরুভূমি গ্রহ আরাকিস (Arrakis), যা "ডুন" নামেই বেশি পরিচিত। এই গ্রহটিই মহাবিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ... ...
হা মেঘালয়! জো মেঘালয়! এ যেন কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন! ঘটা করে নাম রাখা হয়েছিল মেঘের দেশ – মেঘালয়। সুদূর দক্ষিণ দেশের সাগর থেকে ভেজা বাতাস ভিস্তিওয়ালার মশকের মতো জল ভরে নিয়ে এসে ঢেলে দিত খাসি পাহাড়ের ঢালে। এরই বদান্যতায় নামতো বৃষ্টি – অঝোর ধারায়। সারা পৃথিবীর মানুষজন জানতো এই রাজ্যে বৃষ্টি ঝরানো মেঘেরা দল বেঁধে খাসি পাহাড়ের সবুজ গালিচা বিছানো ঢালে গাভীর মতো চড়ে বেড়ায়। জলের এমন অফুরান জোগান দেখে এক কবি তো বলেই বসলেন – একখানি মেঘ ধার দিতে পার গোবি- সাহারার বুকে? অথচ বিধির কি নির্মম পরিহাস ! মেঘের খাজানা শূন্য যে আজ, মেঘালয়ের বুকে। ওদিকে মরুরাজ্য রাজস্থানে ... ...
কথায় কথায় শোনা যায়, "ওদের বাড়ির বাচ্চাটার মাথা নেই!"না না, চমকে উঠবেন না। ওই মানবসন্তানের ঘাড়ের উপর চাঁদপানা বদনটি ঠিকই বর্তমান রয়েছে, কিন্তু কথা হচ্ছে তার 'মেধা' নেই। এখন 'মেধা' বলতে ঠিক কী বোঝায় তা নিয়ে স্পষ্ট ধারণা গঠিত হওয়া যথেষ্ট জটিল ব্যাপার। অনেকক্ষেত্রে মেধা বলতে গতানুগতিক নম্বর তোলার প্রতিযোগিতা ও উচ্চাশাপূরণকেই বোঝানো হয়। কিছু জায়গায় আবার উপস্থিত বুদ্ধি ও তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধানের ক্ষমতাকে মেধার তকমা দেওয়া হয়। এপ্রসঙ্গে শিক্ষামনোবিজ্ঞানী থর্নডাইকের বুদ্ধির বহু উপাদান ও স্পিয়ারম্যানের দ্বি-উপাদান তত্ত্ব স্মরণীয়। যেখানে জেনারেল এবং স্পেশাল বোধশক্তির পার্থক্যগত ধারণা, সহগতির সহগাঙ্ক (r) নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ রয়েছে। তবে সাধারণ দক্ষতা ও মেধা বা প্রতিভা ... ...
ছোটবেলায় কী প্রাণোচ্ছল ছেলে ছিল সৌরভ! ওর সাথে দৌড়ে কেও পারত না। স্কুলে স্পোর্টসে প্রতিবছর তিনটে প্রাইজ ওর বাঁধা থাকত! হান্ড্রেড মিটার রেস, লং জাম্প আর হাই জাম্প। এরপর অবশ্য অন্য কোন ইভেন্টে নাম দিলে সেই প্রাইজটাও ওর হাত থেকে ছিনিয়ে নেয় এমন সাধ্য আর কারোর ছিলনা। টিচাররা বলতেন,"সৌরভ তুই এই তিনটের বেশি ইভেন্টে নাম দিলে সব প্রাইজগুলো তো তুইই নিয়ে যাবি! বাকিরা কেও কিচ্ছু পাবে না!" পড়াশোনায় যে সৌরভ খুব খারাপ ছিল, তেমনটা নয়। এক থেকে পাঁচের মধ্যে থাকতই সে। একটু চঞ্চল হয়ত ছিল, তবে একেবারেই যে খারাপ তা বলা যাবেনা! তাছাড়া খেলাধুলোয় বরাবরই স্কুলের নাম উজ্জ্বল করায় পড়াশোনা নিয়ে ... ...
তাহলে বিষয়টা ঠিক কি দাঁড়ালো? বাংলাদেশের ভাষা আর বাংলা নয়। বাংলাদেশী ভাষা। অর্থাৎ বাংলাদেশের ভাষায় কথা বললেই সে’ও বাংলাদেশী। একেবারে জলের মতো সহজ হিসাব। এখন দেখে নিন একবার, আপনিও কি আজ সকাল থেকে ঘরে বাইরে কোথাও ভুল করে বাংলাদেশের ভাষায় কথা বলে ফেলেছেন? মানে সেই যে ভাষায় আমাদের বিদ্যাসাগর বর্ণপরিচয় প্রথম ভাগ আর দ্বিতীয় ভাগ তুলে দিয়ে ছিলেন আমাদের হাতে। সেই যে ভাষায় আমাদের রবীন্দ্রনাথ সহজ পাঠে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন আমাদের শৈশবকাল। যে ভাষায় সাহিত্য কীর্তির জন্য বিশ্বকবির নোবেল পুরস্কার জুটে ছিল কোন একদিন। যে ভাষার জন্য বাহান্নোর ভাষা আন্দোলনের ভিতর দিয়ে এক সময়ে মুক্তিযুদ্ধের পথে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল একটি ... ...
( ৫ ) দিন তো আর বসে থাকে না। মানুষের জীবনের ঘটনাগুলো চাকায় বেঁধে সে অবিরাম গড়িয়ে চলে। কৌশিক দত্ত আর মনোময় মৈত্র একদিন দুপুরবেলার দিকে শংকরকে আই এফ এ অফিসে নিয়ে গিয়ে সইসাবুদ করিয়ে আনল।নিয়মকানুন না মেনে উপায় নেই। মেঘলা দিন, বাদুলে হাওয়া বইছে থেকে থেকে। সারা ময়দান জুড়ে পড়েছে মেঘের ছায়া। ধর্মতলা আর ময়দানের আশেপাশে এলেই নানা সুরভিত স্মৃতির হাওয়ায় দোল খায় শংকরের মন। নীল রঙা কাঠের পাঁচিলে ঘেরা তিনটে মাঠের মায়া..... লম্বা অ্যাঁকাব্যাঁকা টিকিট ... ...
সম্পাদিত পর্ব দেখার আমন্ত্রণ রইলো। সর্বশেষ পর্বে ঢু দিয়ে দেখুন।
আ মরি বাংলা সিরিয়াল। স্থান কলকাতা। কুশীলব দুই একজন বাদে সকলেই বাঙালি। ভাষা বাংলা। ব্যাস এইটুকুই বাঙালিত্ব। এরপর সবটাই প্রায় হিন্দুস্তানি সংস্কৃতির কপিপেস্ট। আ মরি বাংলা সিরিয়ালে প্রতিটি গল্পই প্রায় একটি পরিবারকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে। যে পরিবার আবার অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বড়ো বড়ো শিল্প বাণিজ্যের সাথে যুক্ত থাকবে। এবং তাদের গৃহে গৃহে দেব দেবীরা প্রায় সকলেই হিন্দুস্তানি দেবদেবীদের ন্যায় দেখতে হবে। যার ভিতরে আবার শ্রীগণেশ এবং শ্রীহনুমান রামসীতার থেকে ভারে এবং বহরে মোটেই কম যাবেন না। এবং অধিকাংশ পুরানো হিন্দি সিরিয়ালের মতোই বাড়ির একটি বৌ যত রকমের নির্যাতনের শিকার হতে থাকবে। আর একটি বৌ হবে যত নষ্টের গোড়া। এবং বাড়ির ... ...
অতঃপর পাঁচু পাঁচুকে অমানুষিক টর্চার করেও পুলিশ কোনও তথ্য পায়নি। বোকাটা কেবলই গুম মেরে থাকে। আর বলে "ভাত দে!" তাকে দিয়ে যদিও বা মিথ্যে স্বীকারোক্তিতে টিপ সই দেওয়ানো হয়ে গিয়েছে। পাঁচুকে কোর্টে তোলা হলো...যদিও ওর উকিল নেই! পয়সাই নেই-আবার উকিল? খাটা পায়খানার জেট স্প্রে! প্রথমেই কাঠগড়ায় তোলা হলো তাকে। গীতা ধরে শপথ নেবার সময় সে গুম মেরে রইলো। মুখ খোলে না। বার তিনেক জোর করতে সে সজোরে টান মেরে লালসালুতে মোড়ানো গীতাটা ছুঁড়ে ফেলে দিলো মেঝেতে। সালু খুলে যেতে দেখা গেলো ওটা আদৌ 'গীতা' নয়। চটি বটতলা সিরিজের একটা রদ্দি পানুগল্প গোছের। নেহাত ঝটপট মুহুরীটা আড়াল করে দাঁড়ালো, তাই সব্বার নজর এড়িয়ে গেছে। ... ...
[ টি.ভির অধিকাংশ চ্যানেলেই জ্যোতিষ ও ভাগ্যগণনা বেশ জাঁকিয়ে বসেছে। এমনকী খবরের চ্যানেলে সারাদিন মানবতার শ্রাদ্ধ দ্যাখানোর পর শুরু হয় - 'শৃন্বন্ত্ বিশ্বে অমৃতস্য পুত্রঃ!" যাইহোক, কিন্তু এই ঠিকুজী-কুষ্ঠি বিচার আর রাশিফলের সঙ্গে সেইসব রাশির জাতকদের কোনো মিল পাই না। সবদিক দেখেশুনে ঠিকুজীর নিকুচি করাটাই কি ঠিক নয়?] কর্কট রাশি মর্কটে ভরা, কন্যায় করে অন্যায়মেষের জাতক মেসে বাস করে জীবন কাটালো কান্নায়।বৃষরা দেখতে বড় কৃশ আর ধনু ভাবে নিজেরে বড় 'হনু',মীনের জাতক চীনে যাক তবে, হোক চাইনিজ মেনু! সিংহ যদিও হিংস্র তাও হঠাৎ সেদিন দেখিনু হায়,গলির মোড়ে সিংহ জাতক সারমেয় দ্বারা তাড়া খায়! মিথুন নিজেকে 'মিঠুন' ভেবেছে, ভাবখানা খুব বেয়াড়া তুলাযন্ত্রে এ ডিজিটাল যুগে ... ...
বিমল সরকার চাকরি করেন কর্পোরেশনে, ক্লার্ক। একটা ছোট দু’কামরার বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকে্ন বেলেঘাটায়। সংসারে আছেন বৌ প্রতিমা আর ছেলে অর্কপ্রভ, ডাকনাম অর্ক। প্রতিমা সংসারের হাজার কাজে ব্যস্ত থাকেন সারাদিন। সকাল ছ’টায় ঘুম থেকে উঠে উনুন ধরাতে হয় প্রতিমাকে, না হলে অফিস আর স্কুলের ভাত হবে না সময়মত। অর্ক পড়ে ক্লাস টেনে কাছের একটা স্কুলে। নিম্নবিত্ততা আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে আছে সংসারে। ‘আমার টিফিনটা হল?’ বিমল হাঁকেন, সকাল ন’টা তখন। ‘নাও তোমার রুটি আলুভাজা’, ব্যস্ত হয়ে বলেন প্রতিমা।সকাল দশটার মধ্যে বিমল আর অর্ক বেরিয়ে যায় বাড়ি থেকে। প্রতিমা তখন হয়ত কাপড় কাচতে বসেন কলতলায় না হয় কয়লার গুঁড়ো মেখে গুল দিতে বসেন উঠোনে। সেই সময় ... ...
( ৪ ) সৌভাগ্যক্রমে এম আর আই রিপোর্টে তেমন গন্ডগোলের কিছু পাওয়া গেল না। ডান হাঁটুর পাশের দিকে লিগামেন্টে কিছুটা স্ফীতি আছে। ডক্টর মিত্র তিন চার রকম ওষুধ দিয়েছেন। অন্তত তিনমাস খেতে হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল হাঁটুর ব্যায়াম। সেটা নিয়মিত করে যেতে হবে। সিজন শুরুর আগে অন্তত একমাস বল পায়ে মাঠে না নামাই ভাল।সেটা অবশ্য কার্যত অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছে। অপারেশনের কোন প্রয়োজন নেই এই মুহুর্তে। পরে সুবিধেমতো লিগামেন্টের একটা ছোট সার্জারি করে নিতে পারলে ভাল হয়। কিছুটা ফ্লুইড জমে আছে হাঁটুর সামনের দিকে। যদিও ওষুধ খেয়ে সেটা ... ...
( ৩ )সবুজের সঙ্গে বাড়ি ফিরে শংকর দেখল কৌশিক দত্ত এবং আর এক ভদ্রলোক বসে আছে। দ্বিতীয় ভদ্রলোককে শংকর চেনে না।কৌশিকবাবু বললেন, ‘ আরে ....এই তো এসে গেছে। এই দেখ কেমন ঘাঁটি গেড়ে বসে আছি। মাঠ থেকে সোজা এখানে আসছি। গরজ বড় বালাই ....’শংকর বলল, ‘ হ্যাঁ ... ভাল করেছেন। মাঠে দেখেছি আপনাদের।’— ‘ হ্যাঁ ওখানে আর ডিস্টার্ব করিনি তোমায়। ‘কৌশিক দত্ত আপনি থেকে তুমিতে চলে গেলেন।তার সঙ্গের ভদ্রলোকের দিকে শংকর তাকিয়ে আছে দেখে কৌশিকবাবু বললেন, ‘ ইনি হলেন ডক্টর দেবাশিস মিত্র। অর্থোপেডিক সার্জেন। আমার মাসতুতো ভাই। ফেরবার সময় একেবারে জোর জবরদস্তি চেম্বার থেকে তুলে নিয়ে এলাম। গরজ বড় বালাই ... ...
ধরা যাক, আমি একটি কবিতা পড়েছি . কবিতা টি শেষ করে আমার মনে হলো কবি এবং আমি পরস্পর কে বুঝতে পারছি . এই উপলব্ধি কেই আমার মনে হলো সকলের সামনে মেলে ধরবো . আমার উদ্দেশ্য : যাঁরা আমাকে শুনছেন সকলের যেনো মনে হয় এই মানুষ টি তো আমার কথা বলছে ; আমার মনে হবে আমি এবং শ্রোতা পরস্পর পরস্পর কে বুঝতে এবং বোঝাতে পারছি . এই ভাবেই কান্ডারী হয়ে কবির সত্বা কে আমি পৌঁছিয়ে দিতে পারবো মানুষের কাছে। .আমি মনে করি এই কান্ডারী হওয়ার মূল মন্ত্র একটাই, শম্ভু মিত্র যেমন টা বলেছেন - " আপনার করে বলো " যতো ... ...
আমার পূর্বপ্রকাশিত ' দণ্ড ' ছোটগল্পটি ইংরেজিতে অনুবাদ করে প্রকাশ করছি।এটা যতটা না প্রকাশের উদ্দেশে,তার থেকেও বেশি এটা জানার জন্য,যে অনুবাদ ঠিকঠাক হয়েছে কিনা। যদি কোনো ভুল চোখে পড়ে,নিশ্চয় বলবেন।সবার জন্য অবারিত দ্বার রইল। ভয় আরও এইজন্য লাগছে এর আগে কোনো অনুবাদ করিনি।নিজের লেখা বলে সাহস হল। Roshan’s world turned completely upside down the day his mother—his own mother—picked him up and dropped him into the pot of water.So let’s start from the beginning.Roshan was an average boy who earned his living doing delivery work. Most of the time, he delivered things around his own neighborhood, but sometimes he had to go ... ...
ভারতবর্ষের বাঙালি, সেই রামমোহনের যুগ থেকে আজকের দিনেও নিজের ধর্মে অবিচল। ভারতবর্ষে বাঙালির উপরে যাই ঘটে যাক না কেন। বাঙালি সবসময়ের জন্যেই ভারতীয়। অবশ্য বাংলাদেশী বাঙালিদের কথা বাদ দিলে। তাঁরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। তাঁদের কথাই আলাদা। আলদা বলেই আমাদের চোখে তাঁরা আজকে বাংলাদেশী। ঠিক আমাদের মতো বাঙালি নন। আর নন বলেই ভারতবর্ষের গোবলয়ে মুখে বাংলা বললেই বাংলাদেশী বলে দেগে দিলে আমাদের বুকে ততটাও ব্যথা লাগে না। আর লাগলেই বা কি? তারও মলম রয়েছে। আমাদের খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বদের কেউ কেউ যখন বলে দিচ্ছেন গোবলয়ে বাঙালি ডাক্তার বাঙালি ইঞ্জিনিয়র বাঙালি শিক্ষক বাঙালি ছাত্র বাঙালি চাকুরিজীবীদেরকে তো আর বাংলাদেশী বলে দেগে দেওয়া হচ্ছে না। দাগানো হচ্ছে ... ...
মাইলস্টোন ট্রাজেডি এ বছরের জুলাই বিদায় নিয়েছে। এখন ঘড়িতে ১টা বেজে ২১ মিনিট। লিখতে বসেছি। মানে আগষ্টের প্রথম প্রহর চলছে। জুলাই কি বাংলাদেশের বুকে এক 'অভিশপ্ত' মাস? প্রতি বছর জুলাই আসে তার লকলকে লাল জিভ বের করে, কিছু না কিছু মর্মান্তিক ঘটনা ঘটাবার জন্যই হয়তো আসে। গত বছরের জুলাইতে বাংলাদেশের জনজীবনে এবং রাজনৈতিক মহলে বিরাট পরিবর্তন হয়েছিল। গত বছরের জুলাই, মানে ২০২৪ সালে, 'কোটা সংস্কার আন্দোলন' এর মুখোশে 'সরকার পতনের' আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে এবং ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণকারীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে অসংখ্য সাধারণ মানুষ মারা গিয়েছিল। জাতিসংঘের হিসেবে প্রায় ১৪০০ জন। যাক, এখন আমি সেই আলাপ নিয়ে এগোতে চাই না। অন্য ... ...