১) দুটো চরিত্র কথা বলছে, কিছুক্ষন পর বোমা ফাটলো, ১০ সেকেন্ডের সারপ্রাইজ। দুটো চরিত্র কথা বলছে, দর্শক জানে টেবিলের নীচে বোমা আছে, চরিত্রদ্বয় জানে না, ১৫ মিনিটের সাস্পেন্স।২) ডায়লগ সাউন্ডের অংশ, কিছু নিরীহ কথোপকথন এর মধ্যেই কোন চরিত্রর চোখ বলে দেবে যে আপাতনিরীহতার মাঝেই রয়েছে বিস্তর গোলমাল।৩) দর্শক কিন্তু চোরের সাথেও একাত্মতা বোধ করতে পারে, সে চুরি করে উঠতে পারল কিনা তাই হয়ে উঠতে পারে সাস্পেন্সের জনক।৪) ক্যামেরা কখনই চরিত্রর অবস্থান অ্যান্টিসিপেট করবে না, বরং চরিত্রকে ফলো করবে। ক্লোজ শটে দুজন কথা বলছে, একজন উঠে দাঁড়িয়ে অন্যদিকে যাবে, এটা দেখাতে গেলে গড়পড়তা পরিচালক লং শটে কাট করলেও, হিচকক ক্লোজ শট ... ...
তুরস্কের ইস্তাম্বুলের রাস্তায় একসময় একটি ধূসর রঙের বিড়াল বাস করত, যার নাম ছিল টমবিলি। আরামপ্রিয় এই বিড়ালটি তার বিশেষ ধরনের বসার ভঙ্গির জন্য দ্রুত সারা বিশ্বে জনপ্রিয়তা লাভ করে। টমবিলিকে প্রায়শই ইস্তাম্বুলের কাদিরকয় জেলার একটি ফুটপাতে হেলান দিয়ে বসে থাকতে দেখা যেত। তার সেই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মানুষের মনে গভীর ছাপ ফেলে। টমবিলি নামটি তুর্কি শব্দ টম্বিল থেকে এসেছে, যার অর্থ গোলাকার বা গোলগাল। এই নামটি তার ব্যক্তিত্ব এবং শারীরিক গঠনের সাথে পুরোপুরি মানিয়ে গিয়েছিল। বিড়ালটি তার সহজ-সরল জীবনযাপন এবং শান্ত স্বভাবের জন্য পরিচিত ছিল। স্থানীয়রা তাকে খুব ভালোবাসত এবং তার আরামদায়ক উপস্থিতি এলাকার মানুষের জীবনের একটি অংশ ... ...
শ্রীমান গোপাল ও ফুটো হয়ে যাওয়া আকাশ। গোপাল সত্যিই অতি সুবোধ বালক। আমাদের একেবারে গায়ে গা লাগানো বাড়িতে থাকে। আমাদের প্রতিবেশী বালক গোপাল। সেদিন সকাল থেকেই ঝিরঝিরিয়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে দেখে দরজা খুলে বাইরে বেরোতেই চোখাচোখি দেখা হয়ে গেল গোপালের সঙ্গে। বর্ষার মরশুমের শুরুর দিকে বৃষ্টি দেখতে এখনও বেশ লাগে। গোপাল আমায় দাদু বলে ডাকে। সুতরাং দুজনের বয়সের বিপুল ফারাক। অথচ কি আশ্চর্য! ওর মতো আমার প্রবীণ মনের বয়সটা এখনও এক ঠাঁয়ে দাঁড়িয়ে আছে দেখে ভালো লাগে। সাধে কি আর বলে -- মনের বয়স বাড়তে দিওনা।দোতলার বারান্দায় দাঁড়িয়ে গোপাল হাত বাড়িয়ে বৃষ্টির জল ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখছিল। মজাও পাচ্ছিল দেদার। দেখতে পেয়ে ... ...
“অভয়া” কান্ডের এক বছর হয়ে গেল। বিচার ও তদন্ত বিখ্যাত হিন্দি সিনেমার সংলাপের মতো “তারিখ পে তারিখ”ই হয়ে যাচ্ছে। অভয়া তাঁর কর্মস্থলে নির্যাতিতা ও খুন হয়ে ছিলেন। একটি জঘন্য ও ঘৃণ্য ব্যাপার। বর্তমান সময়ে বাঙালি মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা এবং চাকুরীররতা মেয়েদের অবস্থা কি অভয়ার থেকে আলাদা কিছু? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমি “বিন্দু তে সিন্ধু দর্শন” বলে যে প্রাচীন বাংলা প্রবাদ আছে, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। যদি কোনও একজন এই রকমের মেয়ের জীবন হুবহু উন্মোচিত করা যায়, তবে সমস্ত এই ধরনের মেয়েদের প্রকৃত অবস্থা আমাদের সামনে ফুটে উঠবে। তাহলেই আমরা বুঝতে পারবো আদতে বাঙালি মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা চাকুরীররতা মেয়েদের অবস্থা সত্যি সত্যি ... ...
একবার হলো কি, এক সমুদ্রের ধারে একটা ছোট্ট গ্রামে এক জেলে থাকতো। তার অন্যান্য জেলে বন্ধুদের মতোই সে অগভীর সমুদ্রে মাছ ধরে জীবন চালাতো। তো, একদিন, সে তার ছোট্ট ডিঙি নিয়ে মাছ ধরছে। জালে বেশ কিছু মাছ ধরা পরেছে। সে ততটুকুতেই খুশি। এবার সে প্রতি দিনের মতোই একটু আরাম করবে। ট্রানজিস্টর-এ তার পছন্দের গান চালিয়ে অল্প কিছু খেতে খেতে সে এই রৌদ্রোজ্জ্বল দিনটা উপভোগ করতে লাগলো। এমন সময়, এক বিত্তবান লোকের দেখা মিলল যে তার কেতাদুরস্ত বোট চেপে হন্তদন্ত হয়ে কোথাও যাচ্ছিল। লোকটি জেলে কে অমন ডিঙি তে বসে বসে আরাম ... ...
"We are witnessing a war on women and girls, amidst a terrible wave of violence for the whole country" --- Abdirahman Ali (CARE Sudan Country) সুদান প্রজাতন্ত্র আফ্রিকার একটি যুদ্ধপীড়িত দেশ। বর্তমানে সুদানের যুদ্ধের সর্বাধিক প্রভাব পড়েছে তাদের নারী ও যুবতীদের উপর। এটি সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের একটি উদ্বেগের কারণ। যুদ্ধ-পূর্বের অবস্থার তুলনায় যুদ্ধোত্তর কালে লিঙ্গভিত্তিক হিংসা (Gender Based Violence ) অধিক হয়েছে। এরমধ্যে প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতি, নিরাপত্তাজনিত গাফিলতি, চিকিৎসা-ব্যবস্থার অবনমন পরিস্থিতিকে করে তুলেছে বীভৎস। ২০২৩ সালে এইদেশের প্রজনন স্বাস্থ্যের অবনতি চরমরূপ ধারণ করে। খাদ্যহীনতা ও তীব্র স্বাস্থ্য-সংকটের ফলে সামাজিক সুরক্ষামূলক প্রকল্পগুলির চাহিদা বাড়ছে। পূর্বকালীন পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রকল্পগুলির চাহিদা ৩ পয়েন্ট প্রতি বিলিয়ন ... ...
বাংলাদেশের বুকের গভীর থেকে যেন এখন কেবলি দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসছে। 'অভিশপ্ত' সময়ের কথা যদিও বা বলি, এই অভিসম্পাত কে কিংবা কারা দিয়েছে, কে জানে? হয়তো মুক্তিযুদ্ধে সর্বস্ব হারানো সেই তরুণ শহীদ; যাঁর বুক জুড়ে এক সোনার বাংলার স্বপ্ন টগবগে রক্তস্নাত হয়ে আকুলিবিকুলি করতো, এরকম সেই সব আত্মদানকারী মহাত্মাদের দীর্ঘশ্বাস এখন এই দেশের ইতিহাস জুড়ে। শিরোনামে পরে আসছি গত ২৫ আগস্টের পত্র-পত্রিকা থেকে আমরা দেখলাম, পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরে এসে বলেছেন, একাত্তরের অমীমাংসিত বিষয় আগেই সমাধান হয়ে গেছে। কিন্তু সমাধানের সেইসব নথিপত্র কোথায়? বাংলাদেশের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তান যাতে ১টি রাষ্ট্র হিসেবে এবং জাতি হিসেবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি ... ...
১৯৪৫ সালের ৪ আগস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে, সোভিয়েত স্কুলছাত্রদের একটি দল মস্কোতে তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত অ্যাভরেল হ্যারিম্যানের (W. Averell Harriman) কাছে একটি উপহার হিসেবে দারুণ হাতে খোদাই করা 'গ্রেট সীল' (Great Seal) উপহার দেয়। এটিকে 'বন্ধুত্বের নিদর্শন' হিসেবে ধরা হয়েছিল। রাষ্ট্রদূত এই সুন্দর উপহারটি তার বাসভবন স্পাসো হাউসের কার্যালয়ে ঝুলিয়ে রাখেন।কিন্তু এই নিরীহ-দর্শন উপহারের ভেতরে একটি গোপন স্পাই ডিভাইস লুকানো ছিল। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা তৎকালীন সময়ে প্রায় অকল্পনীয় ছিল। এই যন্ত্রটির কোনো ব্যাটারি বা তার ছিল না। সোভিয়েত বিজ্ঞানী ও বিখ্যাত থেরেমিন (Theremin) বাদ্যযন্ত্রের উদ্ভাবক লিওন থেরেমিন (Léon Theremin) এটি ডিজাইন করেছিলেন। এই যন্ত্রটি শুধুমাত্র তখনই কাজ করত ... ...
এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই স্বৈরাচারের বিপরীতে শুনি মুক্তির ডাক এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই রাজপথে দেখি দলে দলে শ্রমিকের ভীড় এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই শুনি কাস্তে তে শান দেয় কেউ এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই গাই "সাম্যের গান"
ফ্রাঙ্ক ক্যাপ্রিও একজন ইতালীয় আমেরিকান বিচারক। তিনি রোড আইল্যান্ডের প্রভিডেন্সের একজন পৌর আদালতের প্রধান বিচারক। তিনি তার মানবিক ও সহানুভূতিশীল বিচার প্রক্রিয়ার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছেন। ফ্রাঙ্ক ক্যাপ্রিও ১৯৩৬ সালে ইতালীয় অভিবাসী দম্পতির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় আইন পেশায় ব্যয় করেছেন। তবে, বিশ্বজুড়ে তার পরিচিতি এসেছে মূলত প্রভিডেন্স পৌর আদালতে তার বিচার কার্যক্রমের ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার পর। বিচারক ক্যাপ্রিও তার আদালতে আসা সাধারণ মানুষের প্রতি যে ধরনের empathy এবং compassion দেখান, তা সত্যিই বিরল। ট্র্যাফিক আইন লঙ্ঘনের মতো ছোটখাটো অপরাধের জন্য তার কাছে আসা মানুষের আর্থিক অবস্থা, পারিবারিক সমস্যা এবং তাদের ব্যক্তিগত জীবনের গল্প তিনি মনোযোগ দিয়ে ... ...
শিক্ষিতই হোক আর অশিক্ষিত। মোটামুটি ভাবে বলা যায় বাঙালি মাত্রেই মনে করে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনই শিক্ষার প্রধান মাপকাঠি। এবং শিক্ষিতের সবচেয়ে বড়ো পরিচয়। এই মনে করার বিষয়ে আবার হিন্দু মুসলিমে অগাধ মিল। সেই অগাধের থেকে ‘অ’ টুকু বাদ দিয়ে ‘গাধ’ -র শেষে একটি আকার জুড়ে দিলেই বাঙালির দৃষ্টিতে ইংরেজি না জানা বাঙালির আসল পরিচয়। দেশ ভাগ হয়ে গেলে কি হবে। এই বিষয়ে দুই দেশের বাঙালিরই এক রা। ফলে কে আর বাঙালির সমাজে গাধা পরিচয়ে পরিচিত হতে চায়? ফলে কেউই যে ‘গাধা’ নয়। অন্তত পক্ষে সেইটুকু প্রমাণ করতেই বাঙালি শৈশবের একেবারে গোড়া থেকেই নিজের সন্তানকে ইংরেজি শেখানোর জন্য আদাজল খেয়ে ... ...
এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই মাঝরাতে পথে পথে খুঁজি ক্ষুদিরাম কে এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই সারারাত পড়ে নিই সূর্যসেনের ফাঁসির ইতিহাস এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই শীর্ণকায়ার হাতে দেখি কুঠার এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই নাটকের মঞ্চে দেখি রক্তের দাগ এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই খুঁজে ফিরি একাত্তরের কলকাতা কে এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই দেখি জানালায় আগুন এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই এতো রাত দখল এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই এতো মিছিল, এতো হরতাল এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই দেখি মৃত্যুর মুখ এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই খোঁজ নিই স্বাধীন বাংলাদেশের হাল - হকিকত এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই শুনি জোট বাঁধার গান এতো ব্যর্থ প্রেম বলেই এতো বব ডিলান : " How many roads must a man walk down Before you call him a man ?How many seas must a white dove ... ...
স্বদেশীকতা বা প্যাট্রিয়টিজম এক অতি প্রাচীন ধারণা। সিরাজদ্দৌলা যখন ব্রিটিশদের সঙ্গে লড়তে গেলেন তখনও তাঁর মানসিকতায় এক মোঘল সাম্রাজ্যীয় স্বদেশীকতার কথা বললেন ঐতিহাসিক রজতকান্ত রায়। আর এক ইতিহাসকার সি এ বেইলি সিরাজ বা মহাবিদ্রোহের সময় হিন্দু মুসলিম সব কৌওমের লোকেদের একজোট হয়ে লড়াইকে টুপিওলা ফিরিঙ্গীদের বিরুদ্ধে পাগড়িওলাদের ঐক্যের কথা বলেছেন। নেশনের ধারণা এসেছে সুরেন্দ্রনাথ বাড়ুজ্জের হাত ধরে কংগ্রেস হয়ে। রামমোহনেও নেশনের ধারণা ছিল না। তিনি বিলেতে মোঘল বাদশাহের হয়ে দরবার করতে গিয়ে ১৮৩১ সালের জুন মাসে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বড় কত্তাদের কাছে লেখা চিঠিতে নেশনস অফ হিন্দুস্থানের কথা বলেছেন। পঞ্চাশ বছর পর, যিনি কিনা রাষ্ট্রগুরু সেই সুরেন্দ্রনাথ গড়ে উঠার ... ...
রুশ বিপ্লব, অনেকের কাছে পরিচিতি পায় অক্টোবর বিপ্লব নামে। এই বিপ্লবের পুরোধা তিন ব্যক্তিত্ব কমরেড ভ্লাদিমির লেনিন, লিয়ন ট্রটস্কি এবং জোসেফ স্ট্যালিন।বিপ্লবে জয়ী হওয়ার পর লেনিনের নেতৃত্বে দেশে গড়ে তোলা হয় সমাজতান্ত্রিক এক শাসন ব্যবস্থা। লেনিনের খুব কাছের এবং নির্ভরযোগ্য মানুষ ছিলেন লিয়ন ট্রটস্কি। তাকেই লেলিনের যোগ্য উত্তরসুরী ভাবা হতো। লেনিনের মৃত্যুর পর স্বাভাবিকভাবেই ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার কথা ছিল লিয়ন ট্রটস্কির। কিন্তু রাজনৈতিক পাশা খেলায় দক্ষ এবং ক্ষুরধার বুদ্ধিসম্পন্ন জোসেফ স্ট্যালিনের কাছে রাজনীতির লড়াইয়ে হেরে যান এবং সেই সাথে ক্ষমতার বলয় থেকেও ছিটকে পড়েন ট্রটস্কি।বিপ্লবের পর দেশের মধ্যে যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়, ট্রটস্কির নেতৃত্বে তার অবসান ঘটে ১৯২০ সালের অক্টোবর ... ...
বাংলার সীমান্তবর্তী একটা গ্রামে বিএসএফ এর অত্যাচারের ব্যাপারে শুনানি হল পরশু দিন অমৃতা সিনহার এজলাসে। অভিযোগ ছিল অত্যাচারের, সে তো বোঝাই যাচ্ছে। কিন্তু শুনানিতে যা হল শুনে আমি হতবাক। ভারতীয় আদালত খুব বড় ইংরাজ। সবই ইংরিজিতে হয়। সওয়ালে কথাবার্তা যা হল, তা মোটামুটি বাংলা অনুবাদে এরকমঃ উকিলঃ ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের একটা গ্রাম। বিএসএফ এর লোকজন সমানে গ্রামের লোকজনকে অত্যাচার করছে।বিচারপতি অমৃতা সিনহাঃ কেন?উকিলঃ গ্রামটা সীমান্তবর্তী।বিচারপতিঃ না না, কেন অত্যাচার করছে?উকিলঃ কোনো কারণ ছাড়া।বিচারপতিঃ কোনো কারণ ছাড়া একজন গিয়ে অত্যাচার করবে?উকিলঃ আমার কাছে যা বার্তা আছে, সেই অনুযায়ী, ডাক্তারি পরিষেবা একদম বন্ধ হয়ে গেছে। অবস্থা খুব খারাপ। দয়া করে...বিচারপতিঃ ওখানে কারা থাকে?উকিলঃ ভারতের লোকজন।বিচারপতিঃ ঠিক জানেন?উকিলঃ ... ...
অনেকদিন আগে যাদবপুর ৮বি বাস ট্যার্মিনাস এর সামনে থেকে অটো ধরে সেলিমপুরের প্রায় কাছে এসেই প্রায় চলন্ত অটো থেকেই ঝাঁপ মেরেছিলাম! অটোওলা বলেছিল, আমি পাগল। অটোয় বসে থাকা মেয়েটার সে কী হাসি! আর রাস্তার লোক চমকে গিয়ে আমাকে খানিকটা ধমকে দিয়েছিল... সেই প্রথমবারই একা একা ট্রেনে ক'রে কলকাতায় যাওয়া। আমার তখনও পর্যন্ত ধারণা ছিল, কলকাতায় অটো চলে চিতার দৌড়ের মতোই। আগের অভিজ্ঞতা ছিল চলন্ত অটোয় ওঠার কলকাতায়। তাই ভেবেছিলাম, অটো তো দাঁড়াবে না। আমাকে নামতে হলে প্রায় চলন্ত অটো থেকেই নামতে হবে! বোকার মতো ভাবনা। তখন ছোট ছিলাম। এখন ভাবি, সেদিন যদি মারা পড়তাম কলকাতায়— মৃত্যুর পরে অচিরেই বিখ্যাত হয়ে যেতাম এই দুঃসাহসিক মনোবলের জন্য... ... ...
বর্ষা পড়েছে নুপুর আজ সারাটা দুপুর প্রেমের কবিতা আর কাব্যিক বাণীজীর্ণ পুঁটুলি হাতে পথবাসী প্রেমিক হাঁটে পথের সংসারে প্রেমিকা শোনে শিশুর গোঙানি