( ১ ) পৌনে দশটা নাগাদ ফোনটা এল। অজানা নম্বর। আজকাল অজানা নম্বরের ফোন ধরাটা খুব ঝুঁকির ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে, যদিও সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে কোন তথ্য না দিলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সাফ করা যায় না। কলতানেরও সেটাই যুক্তিযুক্ত মনে হয়। কিছু ইনপুট না পেলে জালিয়াতরা ঢোকার রাস্তা পাবে কি করে। তবে এসব ভাবলে তো কলতানের চলবে না। অজানা নম্বর থেকে তো তার কাছে ফোন আসবেই। সেগুলো এড়িয়ে গেলে ... ...
আমার একপাটি দাঁত দরকার,নিখুঁত,নিটোল,সুন্দর ঝকঝকে মুক্তোর মতো দাঁত।একেবারে ঠিক টুথপেস্টের বিজ্ঞাপণে যেমন দেখায় না,ঠিক ওরকম সুন্দর।আমার নিজের দাঁত এতটা ফাঁকা ফাঁকা,মাংস খেলে মাংসের ছিবড়ে আটকে যায়,হাসতে লজ্জা লাগে।তাই খুব ধীরে ধীরে আমার একটা ফেটিশ গড়ে উঠেছে,সুন্দর দাঁতের উপর।আমি টের পাইনি,কিন্তু যখন পেলাম,ছাড়লাম না,ঝাড়লাম না।আমি প্রাকৃতিক উপায়ে খুব বিশ্বাস করি,আমি কোনোদিন মুখে কোনো ক্রিম,ফেসওয়াশ,এমনকি গ্রীষ্মকালে পাউডার পর্যন্ত মাখি না।নেহাত না দরকার হলে ওষুধ খাই না।কিন্তু আমি অনেকবার ভেবেছি,দাঁতটা ঠিক করাব।এক হারামজাদা আবার,ডুবসাঁতার দিয়ে ঠিক আমার সামনে ভেসে উঠেছিল।তার মাথা সজোরে ঠুঁকে গিয়েছিল আমার থুতনিতে।ব্যাস,একটা দাঁতের চোকলা উঠে গেল,আর বাকি কৃন্তক দাঁতগুলো গেল নড়ে।আমি দাঁত নিয়ে আরো লজ্জিত হয়ে পড়লাম।কদিন বাদে নড়া ... ...
আমি এইজন্যই এরকম লেখা লিখি না।আনন্দের,খুশির লেখা লিখলেই কেমন খেলো হয়ে যায়।যাদের পড়িয়েছি আমার লেখা,তাদের বেশিরভাগ বলে,তুই খুশির,আনন্দের কিছু লিখতে পারিস না? তাদের কী করে বোঝাই,এরকম অখাদ্য,ন্যাকামার্কা লেখা পড়লে ওদের বমি পাবে। তাহলে আজকে কেন পোস্ট করছি? আজকে খুব পোস্ট করতে মন চাইছিল কিছু।কিন্তু নতুন কিছু লেখার চেষ্টা করেও সারাদিন কিচ্ছু লিখতে পারিনি।লেখার মতো ব্যাপার ঘটেনি এমন নয়,কিন্তু সেগুলো থেকে কিছু সৃষ্টি করতে কিছুতেই পারছিলাম না।এই আমার দোষ,যখন আসবে ধারাস্রোতের মতো আসতেই থাকবে,যখন আসবে না, শত চেষ্টাতেও আসবে না। তাই শেষে হতোদ্যম হয়ে এটাই পোস্ট করে দিচ্ছি। একদিন খুব সকালে উঠে আকাশে একখানা পর্দা টাঙিয়ে বলব,"সূর্য আজ তুমি যতখুশি আলো দাও,একটুও রাগ করব না।"সেদিন ... ...
ভারতীয় দ্বৈতাক্ষরী হাইকো লেখার ১৪টি নতুন নিয়ম নতুন নিয়মের সৃষ্টিকারী : শংকর হালদার শৈলবালা ◆ একটি নতুন যাত্রা : একটি নতুন কাব্যিক ধারার জন্ম দেওয়া সাহিত্যের ইতিহাসে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ভারতীয় দ্বৈতাক্ষরী হাইকো'র মতো একটি নতুন পদ্ধতি তৈরি করার এই প্রয়াস কেবল একটি নতুন লেখার শৈলী নয়, বরং আমাদের ভাষার নিজস্ব ছন্দ এবং সংস্কৃতির গভীরতাকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার এক অসামান্য সুযোগ। এই নতুন ধারাটি তৈরি ও এর নিয়মগুলো চালু করেছি, কিন্তু আমি বিশ্বাস করি যে সাহিত্য কোনো নির্দিষ্ট সীমানায় আবদ্ধ নয়, বরং এটি প্রতিনিয়ত বিকশিত ও নতুন রূপে নিজেকে প্রকাশ করে। ◆ "আমি বিশ্বাস করি, কবিতা মানুষের ভেতরের কথা। “ভারতীয় দ্বৈতাক্ষরী হাইকো” ... ...
(চলুন ঘুরে আসা যাক জাদুকরদের অজানা দুনিয়ায়)আদি যুগ থেকেই ভারতীয়রা চিরকাল জাদুবিদ্যার ভক্ত। তারফলেই ভৌতিক আধাভৌতিক তন্ত্র মন্ত্র কালাজাদু ইত্যাদির এদেশে বোলবালা। প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সন্ন্যাসী এবং সাধুসন্তরা অলৌকিকতা প্রক্ষেপণ কে জাদুবল দেখিয়ে আসছেন। অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত ভারতবাসীর কাছে সেই জন্যেই সন্ন্যাসী ও সাধুসন্তদের চিরকাল প্রাধান্য। যাঁরা বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে সেই জাদুকে মানুষের মনোরঞ্জনে ব্যবহার করেছেন তাঁরাই জাদুকর নামে পরিচিত হয়েছেন। জাদুবিদ্যা বলে আপাতদৃষ্টিতে কিছু হয়না। মানুষের অজানা বিজ্ঞান আর দৃষ্টি বিভ্রমকেই জাদুকররা সুনিপুণভাবে কাজে লাগিয়ে এক আশ্চর্য্য চমকের সৃষ্টির মধ্যে দিয়ে দর্শকের মনোরঞ্জন করে থাকেন। জাদুকরদের ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞান বা প্রায় অশিক্ষিত বাঙালিদের জীবনে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং বিশ্ববিখ্যাত জাদুকর ... ...
মেঘপিওন যেসব কথা জানাতে চেয়েছিলবৃষ্টি যেসব কথা বলেনি উত্তীর্ণ কৈশোরেআকাশের রঙ তখনও নীল না ধূসর কেউ দেখেনিশুধু বৃষ্টির আওয়াজ শুনতে পেত শনিবাররোদ তখন নরমঘাসের গায়ে লেবুর গন্ধআজ এক আশ্চর্য ভালো মেয়ের জন্মদিনআজ মেঘ এবং পাহাড়ের চূড়ায় নৈশব্দের চড়ুইভাতিসব হাতে কাজ আসুকসব পাতে ভাত কিংবা রুটিবেঁচে থাক তোমাদের আনন্দিত জুটিকিয়াএকটি নতুন হিয়াহয়ে উঠুক মানুষের অর্ণব স্রোতভালো থেকোসারাজীবন থেকে যাওঅষ্টাদশী উমাকিশোরী ... ...
কেউ হয়তো বিশ্বাস করবে না,ভাববে বানিয়ে বলছি।কিন্তু আমি এই কবিতাটা,অন্তত আমার লেখা নিরানব্বই শতাংশ কবিতা আমি কোনোদিন আগে থেকে ভেবে লিখিনি।এই কবিতাটা যেন শূন্য থেকে উদয় হল। ব্যাপারটা হচ্ছে,আমি বসে বসে পর্ণ সার্চ করছিলাম।তখন প্রথম লাইনটা মাথায় এল। ডাউনলোডে বসিয়ে লিখতে আরম্ভ করলাম।পরপর আসতেই থাকল,লিখতেই থাকলাম।লেখা শেষ হওয়ার পরে দেখি,মোটামুটি একটা দাঁড়িয়ে গেছে। চ্যাট জিপিটি আর গ্রককে দিয়ে একটা রিভিউ করিয়ে নিলাম। ততক্ষণে একটা ফাইল ডাউনলোড হয়ে গেছে।আমার লেখাও রেডি। কতক্ষণ ওর বাসায় কোনো আলো নেই!কিচ্ছু না,ভবিষ্যতের আলোও না।ওর মা শুধু গতবছর বৈশাখ মাসের তেত্রিশ তারিখে নিজের শাড়িখানার উপর আতস কাঁচ ধরেছিল,তা রাত পর্যন্ত চলে না বলে,ওর সমস্ত ডিগ্রির কাগজ,জমির দলিল সব ... ...
জীবনের যা কিছু সমস্যা তা আরও বাড়িয়ে দেয় তুলনা। নিজের অবস্থার কোনো পরিবর্তন না হলেও, অন্যের সঙ্গে তুলনা করাটা আমাদের অবস্থাকে আরো করুণ করে তোলে। নিজেদের বোনা তুলনার জালে নিজেরাই আরো জড়িয়ে পড়ি।কথায় বলে মানুষ নিজের ভবিষ্যত নিজেই গড়ে। কথাটা কে যদি আর একটু ব্যাখ্যা করি, তাহলে দাঁড়ায়; মানুষ নিজের অভ্যাস কে গড়ে। সেই অভ্যাসই তার ভবিষ্যত কে গড়ে। কিন্তু এই গড়াপেটার মাঝে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এই তুলনা। প্রত্যেকের জীবনের লড়াই তার নিজের। প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের জীবনের লড়াই এর কোনো তুলনা করা যায়না। দাঁড়িপাল্লায় মাপা যায়না এই সদা পরিবর্তিত আপেক্ষিক পরিস্থিতি। একজনের কাছে যেটা খুব গুরত্বপূর্ণ অন্যজনের কাছে সেটা অতটা নাও ... ...
|| ৩||[সত্যকাম একটি মেয়ের সঙ্গে কথা বলছে চাপাগলায়। আধো-অন্ধকার রাস্তা। একটি বাড়ির পাশে ওরা দাঁড়িয়ে। বাড়িটি গৌতমবাবুর। মেয়েটি চুমকি। তার পরিচয় তথাকথিত সমাজে 'বাজে মেয়ে'। গৌতমের বাড়ির আলো পড়েছে দুজনের উপর।] সত্যকাম: (চাপা গর্জন) : কেন এসেছিস? কতোবার বলতে হবে তোকে? চুমকি : এবার দাও না দাদা, আর এসবোনি। (কান্না) সত্যকাম : আবার ! কেন যাচ্ছিস না বল্ তো? বলেছি না আমাকে ডাকবি না ওই নামে? চুমকি : বেস্! চলে যাচ্চি। ঠিক বলেছিলো মাইরি সবনম, চুমকি, ভদ্দরলোক বনে গেচে তোর মায়ের পেটের ভাই ---যাসনে ওদের কাছে। আমিই বোকা মাইরি--- [প্রস্থান উদ্যত] সত্যকাম ... ...
কান্নার সুরমুহাম্মদ ফজলুল হকগোধূলির রাঙা আলোয় আলোকিত আকাশ। আলো চুঁইয়ে পড়ছে চারদিকে। শরতের নীরব বাতাসে বিশাল বটবৃক্ষের পাতা না নড়লেও গরম কিছুটা কমে এসেছে। বটবৃক্ষের নিচে বসে অপেক্ষা করছে কাশেম আলী। শান্ত ঝিরঝিরে হাওয়াতেও ঘেমে উঠছে সে। মাঝে মাঝে গামছা দিয়ে কপালের ঘাম মুছে নিচ্ছে। অস্থিরতা যেন ক্রমেই বাড়ছে। অপেক্ষা ফুরায় না। অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে বটবৃক্ষের ছায়ার বাইরে পাটখড়ির বেড়া দেওয়া ছনের চালের ঘরটার দিকে। অনেকক্ষণ কেটে গেলেও ভেতর থেকে কেউ বেরোয় না। অবশেষে বুকে বল নিয়ে ঘরের দিকে এগিয়ে যায় সে। ঘরের কাছে পৌঁছাতেই কানে আসে কান্নার শব্দ। কান্না কি আনন্দের পরিপূরক। হয়ত!আনন্দে ভরে ওঠে তার বুক। সদ্যজাত ... ...
আমরা সকলেই প্রায় নিশ্চিত। পশ্চিমবঙ্গে ছেলেমেয়েদের আর চাকরি নেই। শুধুই যে রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক বিরোধীতার পরিসরেই এই বিষয়টি বারংবার উঠে আসছে, তাই নয়। মিডিয়া জুড়ে সকলেই এই একটি বিষয়ে একমত। কারণ পশ্চিমবঙ্গ থেকে শিল্প তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কলকারখানায় তালাচাবি পড়ে গিয়েছে। বাঙালির ছেলেমেয়েদের তাই চাকরি পেতে দিল্লী বোম্বে মাদ্রাজ ব্যাঙ্গালোরে ছুটতে হচ্ছে। আমাদের নিজেদের ঘরে ঘরেই তো এই ছবি। ফলে এই বিষয়ে আর যাই হোক বিতর্ক নেই যে, পশ্চিমবঙ্গে ছেলেমেয়েদের চাকরি নেই। আর থাকবেই বা কি করে? শুধুই তো শিল্প বাণিজ্যে পশ্চিমবঙ্গ পিছিয়ে রয়েছে, তাই নয়। রাজ্যসরকারের, কেন্দ্র সরকারের দপ্তরগুলিতেও যে নিয়মিত ভাবে যথেষ্ট সংখ্যক চাকরির দরজা খুলে যাচ্ছে, তাও ... ...
দিল্লীর বৈশিষ্ট্য হলো যে সে কোন একটা নির্দিষ্ট এলাকা ভিত্তিক শহুরে বসতি নয়। তবে সে কী? অনেক দিন ধরে, অনেক রাজবংশের আমলে তৈরি নানা শহরের যোগফল হলো শহর এ দিল্লী বা দিল্লী মহানগরী। দিল্লীর ইতিহাসকে হাজার তিনেক বছর পেছনে সিন্ধু সভ্যতার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা যায়। লোককথা সূত্রে এ হলো পাণ্ডবদের রাজধানী ইন্দ্রপ্রস্থ নগরী। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ হয়েছিল এই ইন্দ্রপথ সহ আরো চার পথ বা জায়গায় যারা পানিপথ, সোনপথ, তিলপথ আর বাগপথ বলে পরিচিত। দিল্লীর পুরোনো কেল্লার আসপাশে ইন্দ্রপথ বলে একটা গ্রামের অস্তিত্বের জন্য অনেকে এই লোককথার কল্পনার ইতিহাসকে সত্যি বলেও মানে। একসময় নানা যুগের সাত শহর নিয়ে গড়া দিল্লীর ধারণা সবাই ... ...
এটা একটি অশ্লীল কবিতা।তাই যারা তথাকথিত নোংরা শব্দ এবং গালাগালি শুনলে নাক সিটকান,তাদের না পড়ার নিদান দেব।তবে এটা যত অশ্লীল হোক না কেন,আমাদের সমাজের থেকে অশ্লীল নয় মোটেই।বাইরে ঘোমটা দিয়ে থাকে,ভেতরে .......তুমি জানো। তুমি কেন রাত জাগিতেছ,তুমি একটা বিড়ি ধরালে,তুমি জানো তুমি মরছ খুব ধীরে,খুব তাড়াতাড়ি তুমি আমন্ত্রণ পাবে তার,যারা আকাশের আলো মুছে দিয়ে এমন আঁধার এনেছে পৃথিবীতে,তাদের ঘর কোথায়,তুমি আজকেও জানতে পারোনি।তুমি আকাশের এক ধারের কালো ফিল্মখানি একটু করে তোলার চেষ্টা করছ প্রতিদিন,তারা নাছোড়বান্দা,একটু করে আঠা লাগায় হারামজাদারা আবার,বারবার। ওটা আর উঠবে না। মুরগির খাঁচার দিকে নিশ্চিন্ত পায়ে এগোয় কসাইয়ের বাচ্চা,ওরা কী করবে?ওরা কি মানুষ খুন করতে পারে?ধার কেমন ছুরিতে?দুটো মুরগি কাটার ... ...
গুরুচন্ডালীতে আমার প্রিয় লেখক হিরেনদার প্রথম যে লেখাটি পড়েছি সেটি ইহুদী রসিকতা। সেখানে হিরেনদা বলেছেন, যে ইউরোপের চরম হতাশা ও দুর্দশার মধ্যে দুঃখের সঙ্গে লড়বার জন্যই ইহুদী রসিকতার জন্ম, নিজেকে নিয়ে হাসি ঠাট্টা রং তামাশা রসিকতা করে ইহুদী বাঁচার রসদ খুঁজে পেতে চেয়েছে, জীবনের রোজকার কষ্টের বোঝা কিছুটা হালকা করতে চেয়েছে। ফ্রয়েড বলেছেন যে রসিকতা হচ্ছে mature defense mechanism অর্থাৎ পরিণত মনের চরম হতাশা উদ্বেগ ও দুঃখের সঙ্গে লড়াই করবার একটা উপায় নিজেকে নিয়ে রঙ্গ রসিকতা। তা হিরেনদার এই লেখাটা পড়ে আমার কিছুদিন আগে মনে হয় যে আচ্ছা বর্তমানে প্যালেস্টাইনের মানুষের অবস্থাও ... ...
আমরা যখন ছোট ছিলাম (রীতিমতই ছোট ছিলাম; বলা যায় যে রীতি মেনেই ছোট ছিলাম; মনুষ্য শাবকরা একটা পর্যায়ে ছোটই থাকে, তারপর বেড়ে উঠে বড়ো হয়ে যায় এবং অনেকে বেড়ে হয়, যাকে বলে খাসা হয় আরকি! চতুষ্পদ থেকে দ্বিপদ হয়ে গেছি, লিকলিকে গলার উপর গজানো মুন্ডুর ভিতরে, ডর-ভয়, আদর-আহ্লাদ বোঝার, মানুষের চেহারা মনে রাখার ক্ষমতা গজিয়ে গেছে), তখন দেখতাম সেই সব মহামানবদের। ধুতি-পাঞ্জাবী পরিহিত, শীত-গ্রীষ্ম নির্বিশেষে হাতে লম্বা কালো ছাতা, রাতে এক হাতে টর্চ, গম্ভীর মুখে ছাত্রের বাড়ি গিয়ে ঢুকছেন। কেউ আবার শীতের রাতেও হাতে ছাতা ... ...
তুমি আর নেই সে তুমি….শিরোনামের বক্তব্যের অনুরণনে বলি – হায় ! তুমি আর নেই সে তুমি…। পরিবর্তন বা সহজ কথায় যাকে আমরা বলি বদলে যাওয়া, তা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। এই সত্যকে মেনে নিতে কারোর আপত্তি নেই। “ছিল রুমাল, হয়ে গেল বিড়াল!” ব্যাপারটা অনেকটাই হয়তো এই রকম। আর হেঁয়ালি নয়। বিষয়টি না হয় একটু খুলে বলি।মনে করুন আপনি দাঁড়িয়ে আছেন ভারতের মানচিত্রের সামনে। আপনাকে বলা হয়েছে ভারতের কোথায় মরুভূমি আছে? মনে মনে আপনি মরুভূমির নামটা একান্তে আওড়াতে আওড়াতে হাজির হলেন পশ্চিম দিকে অনেকটা এলাকা জুড়ে থাকা রাজস্থানে। পৌঁছে গেছেন মরুভূমির হৃদয় জুড়ে থাকা জয়সলমীর–সোনার কেল্লার দেশ। কি! খটকা লাগছে? মরুভূমির বুকে ... ...
বাংলাদেশ এখন ধর্মের লেবাসে আচ্ছন্ন। যে সেক্যুলার রাষ্ট্রের স্বপ্ন দু চোখে মেখে মুক্তিযোদ্ধারা এদেশকে স্বাধীন করেছিল, সেই স্বপ্নের গুড়ে বালি! বিগত ৫৪ বছরে যা ঘটেনি, তাই ঘটেছে এই ২৪'র জুলাই আন্দোলন'র পরে। স্বাধীনতাবিরোধী অতি ডানপন্থীরা সর্বগ্রাসী বিশ্বাসের ব্যবসায়ীরা তরুণ প্রজন্মের মননে বিশ্বাসের ভাইরাস ঢুকিয়ে দিতে এখন অধিকতর তৎপর। চলেন মূল ঘটনা নিয়ে কথা বলি। ডাকসু নির্বাচন গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে পটপরিবর্তনের পর এটিই প্রথম কোনো আনুষ্ঠানিক নির্বাচন। যদিও এই নির্বাচনের সাথে জাতীয় রাজনীতিতে সরাসরি কোনো যোগসূত্র হঠাৎ ঠাউর করা যায় না, তবে এই কথাও মনে রাখা জরুরি যে, যুগে যুগে বাংলাদেশের ... ...
" খাঁচার পাখি টা ছটপট করে রোজ খাঁচায় বন্দী পালাতে পারেনা তাই দানাপানি তাকে যতই দাওনা তুমি পাখির কিন্তু ছুটির আকাশ চাই, চাই, চাই ! " আমার হাফ - ইয়ারলী পরীক্ষা চলছে . লম্বা ম্যারাথন রেসের মতো। ....চলছে তো চলছেই। ...শেষ হবে সেই একেবারে দূর্গাপুজোর দোরগোড়ায়। ....ধুলো মাখা গায়ে প্যাচ পেচে ঘাম। ....মনের অবস্থা টা সেরম ' ই। ...কোনো কিছুই ঠিক করে পড়তে পারছি না। ...কারণ আমি পড়ছি। ....রঙ পেন্সিল গুলো কেমন মন মরা হয়ে থম মেরে আছে। ...বারান্দার মেঝেতে আলো গুলো ভোঁতা.. এদিকে আকাশের আকাশি রঙ তার রঙ পাল্টেছে। ....পুজো আসছে ..পুজো আসছে এমন আকাশি রঙ। ...মেঘেরাও তাদের গড়ন পাল্টেছে। ...."পুজো আসছে " ... ...
আমি কতগুলি তথ্য দেব, যে গুলির সোর্স হচ্ছে National Family Health Survey Round 6। ১. প্রতিদিন ভারতে ১০০ এর উপর নাবালিকা ধর্ষনের অভিযোগ দায়ের হচ্ছে। এর বাইরে রয়েছে বিনা দায়ের করা ধর্ষন বা চাপ দিয়ে মিটিয়ে নেওয়া ঘটনা। ২. সারা দেশে ডিভোর্সের ঘটনা মাত্র ১%। ৩. মহিলারা বাড়িতে যে কাজ করেন যেমন রান্না করা, ঘর মোছা, বাসন মাজা ও সারা সংসারের সাধারণ দেখভাল এই কাজগুলি টাকায় কনভার্ট করলে কয়েক লক্ষ হাজার কোটি টাকা হবে। ৪. এই সার্ভে অনুযায়ী ৪৫% মহিলা ও ৪৪.২% পুরুষ মনে করেন বিবাহিত জীবনে মহিলাদের মার খাওয়া স্বাভাবিক। আশ্চর্যের যে এ ব্যাপারে মহিলারা পুরুষদের থেকে এগিয়ে। ৩২% ... ...