হাশাশিন ছিল মধ্যযুগের ইতিহাসের সবচেয়ে রহস্যময় এবং ভয়ংকর গুপ্তঘাতক গোষ্ঠীগুলির মধ্যে অন্যতম। মূলত তারা ছিল শিয়া ইসলামের নিজারি ইসমাইলি মতবাদের একটি শাখা, যারা একাদশ শতকে পারস্য (ইরান) এবং সিরিয়া অঞ্চলে তাদের কার্যক্রম চালাত। এই গোষ্ঠীটি ইতিহাসে তাদের চরম গুপ্ত হত্যার কৌশল এবং অন্ধ আনুগত্যের জন্য সুপরিচিত। ইংরেজি শব্দ অ্যাসাসিন (Assassin) এই আরবি শব্দ 'হাশাশিন' থেকেই এসেছে। উৎপত্তি ও নেতৃত্ব :হাশাশিন গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হাসান আল সাবাহ। ১০৯০ খ্রিস্টাব্দে তিনি উত্তর পারস্যের আলবুরজ পর্বতমালায় অবস্থিত দুর্ভেদ্য আলমুত দুর্গ দখল করেন এবং সেটিকে তাদের সদর দপ্তর হিসেবে গড়ে তোলেন। হাসান সাবাহ তাঁর অনুসারীদের মধ্যে চরম ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক আদর্শের বীজ বপন করেন। তাঁর অনুগত গুপ্তঘাতকদের ... ...
তোর বেঁচে থাকা জরুরীকি লাভ রাজনৈতিক ঝামেলায় জড়িয়েতোর সংসারে বৃদ্ধ বাবা মাবৌ ছেলে মেয়েআজও তুই ছেলের মুখে বাবা ডাক শুনতে পাসনিতোর বেঁচে থাকা জরুরীছোট বোনটার এখনও বিয়ে হয়নিছোট ভাইটা এখনও ইন্টার পাশ করেনিবাবার চোঁখ এর ছানিটা কাটানো দরকারতোর বেঁচে থাকা জরুরীতুই রাজনীতি করে গদি পালটে দিবি?তোর মত মানুষের দুই একটা জীবন দিয়ে গদি পাল্টানো যায়নাগদি পাল্টাতে ২৪ এর মত জুলাই আন্দোলন দরকারমোট কথা তোর বেঁচে থাকা জরুরীবেঁচে থাক, বড় কোন আন্দোলন এর অপেক্ষায় থাকদেশটা একবার স্বাধীন করলে হবে না, বারবার করতে হবেমানুষরুপী হায়েনারা দেশটা গিলে খাবার তালে আছেতাদের কাছ থেকে দেশটা বাঁচাতে হবেএকদিন এই কাজ তোকেই করতে হবেতোর বেঁচে থাকা ... ...
আমি অনেকের মধ্যে তোমাকে দেখতে পাই।কিন্তু তারা কেউ তুমি নয়।তারা কেউ চেনা,কেউ একেবারে অচেনা -কাউকে আমি চিনি,কিন্তু সে আমায় চেনে না।প্রতিদিন সকাল,সন্ধ্যা,দুপুর, রাত -যতক্ষণ জেগে থাকি,ঘুমিয়েও কখনো -তোমার মূর্তিধারী, স্বভাবধারীদের দেখতে পাই।তুমি আবার মনে পড়ো।কেমন আছো তুমি?মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় জিজ্ঞেস করি,কিন্তু এতদিন কেটে গেছে মাঝে,সময়ের গাদ জমে গেছে অনেক,এখন মস্ত প্রাচীরে অনেক পাখি বাসা বেঁধেছে।তোমাকে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে খুব;কিন্তু তাদের বাসা ভেঙে দিতে পারি না,পাঁচিল ভাঙ্গতে পারি না।জানি,একদিন দেখা হবে।সব রাগ,অভিমান,দম্ভ সব ফিকে হয়ে যাবে অনেক।আমরা অনেক বড়ো হয়ে যাব।সেদিন আজকের এসব;তুচ্ছ মনে হবে।অন্তত কথা বলতে পারব,জিজ্ঞেস করতে পারব,"কেমন আছো।"একথার কোনো উত্তর হয় না,তবুও - বলার আর কিচ্ছু ... ...
সময় নেই। । অমলেন্দু বিশ্বাস। । আমার আর সময় নেইচায়ের কেটলিটা হুইসিল দিচ্ছেসময় করে যে আগুনটা নেভাবতার সময়ও নেই। যে কবিতাটা শুরু করেছিলামশুধু দুটো লাইন লেখা হয়েছে যারতার জন্য যে সময় দেবতেমন সময়ও নেই। আমার মধ্যে বাস করে দীর্ঘকায়শক্তিমান আরো এক মানুষ।অন্ধকারে সে দেখতে পায়অধ্বনিত বাণী তার কানে এসে বাজেসময়কে কঠোর নিয়মে সে বাঁধে। সে-ও আজ শিথিল। ফুলদানিতে ফুলগুলো বড় বিবর্ণ।ফুলগুলো যে পাল্টে দেবসে সময়ও নেই। ইচ্ছা নিয়ে মালা গাঁথাসময় নিয়ে পুতুল খেলাকত খেলাই তো শুরু হলোশেষ হলো না কোনটাই ---আজ আমার আর সময় নেইঅসমাপ্ত কিছু আর শেষ করারমতো ইচ্ছাও নেইবাকি সময়টা জমা রেখেছিশুধু তোমারই জন্য। দোহাই তোমারআবার যেন টেলিফোন ... ...
তিন্পেগ্লাগ্বেই। নেশাটা না হলে খিস্তি আসে না। চতুর্দিকেবখাটেআনাগোনা... কাল সালাকে নুন মাখিয়েছাল ছাড়িয়ে দুপুর বারোটার রোদে— পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেব! বাণ্টুর পুরুষাঙ্গ জন্ম থেকেই বাঁকা... কী আর করা যাবে..! রাত্যাকটাভোর্তিনটে সকালাট্টা আবার দুপুর্বারোটা... ছাল। নুন। মৃতদেহ। মারার আগে জ্যান্ত, মারার পরে আতঙ্ক। (ক্রমশ)
ওহ্ ঠাণ্ডা! ওহ্ ঠাণ্ডা! ওহ্ ঠাণ্ডা! শিরোনাম দিয়ে শুঁয়োপোকা হেঁটে বেড়াচ্ছে। জল্মাটিবাতাস— ক্ষত্নিরাময় চুমু... ঘনদোলন, স্তব্ধগ্রাম, জান্লাসবুজবেশ... এইঅঙ্ক ছাইনৌকো এক্লাইন চার্লাইন দশ্লাইন এ হচ্ছে চোখসুন্দর। একে এঁকে নিলে, মাঝে সাদাফাঁদ। তবু রক্তমিলন... যাওহাঁস, যাও... পুকুর শুকোও... যাঃ! হওয়ার নেই, সামান্যথাক... (ক্রমশ) ... ...
( ১৬ ) শ্যামলকান্তি চৌধুরী আর শুদ্ধসত্ত্ব হালদার দুজনই নীলাদ্রি অ্যাপার্টমেন্টটের বাসিন্দা। আজ শনিবার। চৌধুরীবাবুর ছুটির দিন। কলতান ঠিক করল আগে ওনার সঙ্গে কাজটা সেরে নেওয়া যাক। কতক্ষন আর লাগবে, বড়জোর আধঘন্টা। বেল টেপার প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই দরজা খুলে গেল। শ্যামলকান্তিবাবু বললেন, ' আসুন স্যার, আসুন... আপনার জন্যই অপেক্ষা করছিলাম ... ' কলতান ভিতরে ঢুকল। শ্যামলকান্তি বললেন, ' বসুন বসুন... এখানে বসুন। আসলে আমরা কোনদিন কোন গোয়েন্দাকে স্বচক্ষে দেখিনি, শুধু গল্পে পড়েছি ... তাই, বুঝতেই পারছেন... খুব থ্রিলড ফিল করছি। আমরা আপনার এই ইনভেস্টিগেশনের অ্যাট লিস্ট একটা মাইনর পার্ট হতে পারলেও ... ...
ভালোবাসো? দূর ছাই।ভালো না বাসলে ফাঁকা চেক দিবি,টাকার অংক টা বসাবো অভিমান মেপে।যদি ভীষণ দুঃখ দিস,অথবা হালকা,বা কম।যে ভালোবাসা টাকা দিয়ে উসুল হয়,টাকায় ঘুচে যায় অভিযোগ অভিমান।তুমি এটাকেও ভালোবাসা বলো?আমি তো বানিজ্য বলি।বেচাকেনা, লেনদেন, নিলামের বাজার এসব আর কি।যে চোখের কান্না, টাকা দিয়ে ঘোঁচে,জমানো অভিযোগ হয় প্রতাহার।তুমি ভালোবাসা বলো?দূর। যত্তসব নাটক।ভালোবাসা দূর ছাই,এর অজ্ঞাতে জমে আছে,বড় একটা বানিজ্য তাই। ... ...
তারেক রহমান যখন আলোচনার কেন্দ্রে।তারেক রহমান দীর্ঘদিন পরে বিবিসি কে যে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তা নিয়ে সারাদেশে পোস্টমর্টেম চলছে। সংবাদমাধ্যমে সব রাজনীতিবিদ তাল, ছন্দ, গতি ঠিক রেখে কথা বলতে না পারার জন্য বেশুমার নেতা ছিটকে পড়েন। তার উদাহরণ কম নয়। আওয়ামী লীগ, জামায়াতের মাইক্রোস্কোপ চোখ বিবিসি তে পড়ে ছিলো সেদিন। কি বলবেন তিনি? কি হবে বাংলাদেশের নতুন সরকারের এজেন্ডা? এন সি পির এক নেয়া আবদুল কাদেরের বক্তব্য দেখলাম, তারেক জিয়ার বক্তব্য থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। এডভোকেট শিশির মনিরের গলায় ও তারেক বন্দনা কম নয়। সর্বোপরি তারেক জিয়ার হাতে আগামীর সহনশীল, উন্নয়ন, উদার, মানবিক, রাজনৈতিক শ্রদ্ধাবোধের বাংলাদেশ দেখতে চায় সবাই। যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড ... ...
কোয়ালপাড়ায় একটি অল্পবয়সী ছেলে, নাম পীতাম্বর নাথ। তাকে মা দীক্ষা দিয়েছিলেন। সে একদিন মাকে বাড়ির উঠান থেকে প্রণাম করছে। সেকালে পল্লী সমাজে তাদের স্থান প্রায় অস্পৃশ্যতার পর্য্যায় পড়ত। মা তাকে দেখে বললেন, 'বাবা, তুমি কেন সঙ্কোচ করছো? তুমি এস আমার কাছে, এসে পা ছুঁয়ে প্রণাম কর। তুমি যে ঠাকুরের গণ-ঠাকুর আর আমার সন্তান তুমি। ঘরের ছেলে ঘরে এসেছ, কিসের সঙ্কোচ তোমার। তোমায় যখন দীক্ষা দিয়েছি, তখন কি তোমার জাতের বিচার করেছি?' মা তাঁর সব সন্তানকে এইভাবে 'ঠাকুরের গণ' অর্থাৎ ঠাকুরের পরিবারের অন্তর্ভুক্ত করে নিতেন। অবহেলিত মানুষকে এমন মানবতার মহিমা কজন দিয়েছেন? মানুষকে মানুষের এমন মর্যাদা কজন দেয়?ঘাটাল, থেকে একদল মানুষ ... ...
না আবোল না তাবোল। এই যে টোটোদের পাখনা গজাচ্ছে, আর দ্যাখো, মেয়েরা... মেয়েরা আমাকে ভালবাসতে চাইছে কিন্তু আমারই সময় হয়ে উঠছে না। আলো... আলো... না থাক অন্ধকারই থাকুক। সিঁড়ির নীচে বিড়ির দোকান দেওয়ার কথা হয়েছিল, হচ্ছিলও কিন্তু হল কী— মনোযোগ আর আগ্রহের অভাব। জঞ্জালদের গায়ে যদি বেজন্মা লেখা থাকে, তাহলে কি তোমাকে... তোমাকে... কোনওভাবেই মা বানাতে পারব না?! বাবা হওয়া সহজ নয় মোটেই, তারও আগে মা। দেখা যাচ্ছে, নন্দিনীর ফোন নম্বর পাওয়া যেতেই পারে, তবে আমাকেও রঞ্জন হতেই হবে যেভাবেই হোক... যাওয়ার সময়ে ওয়টস্যাপে জানিয়ে যাব: আমাকে যেতে দাও, দুধের শিশু কোরে রেখো না আর। উপায় নেই... পাড়ায় আমার বদনাম ছিল না। বাড়িতে আছে। আত্মীয়দের ইচ্ছে ছিল, জামাই হিসেবেই আমাকে ... ...
লম্বা লম্বা চায়ের কাপ। গরম জলে সাঁতার শিখে সে এক কাণ্ড! এদিকে মন্দিরের বাইরে যাচ্ছেতাই লাইন। যেমন ভেবেছিলাম, তেমন করিনি। যেমন ভাবিনি, তেমনই করেছিলাম। এই অধিকার, এই ভরসা— সমস্তটাই বাড়তি। প্রয়োজন ছিল না তো, একেবারেই ছিল না। নাক দিয়ে কেমন এক রক্ত ঝরত মাঝরাতে। এখনও আবার ইলিশ মাছের ডিম খেতে বেশ সাহস লাগে। টেবিল ছিল। ছাদ ছিল। আর ছিল বিশ্বাস। উঠে গিয়েছে, উঠে যেতেই এত তাড়াতাড়ি জড়ো হয়েছিল ছুট্টে এসে। জলস্তর কোনদিকে বাঁক নেবে সেকথা প্রকৃতি ছাড়া আর কেউ বলতে পারে কি? থালায় থালায় পনিরের ছড়াছড়ি। পালং শাক দেখলে কোন এক দূর দিদির কথা মনে পড়ে, পড়বেই। সে আজ চাষের ... ...
তুমি আমাকে ভালবাসলেইএখন আর আমি ঘর ছাড়তে পারি নাগৃহকোণে থাকা সুখটুকু বিসর্জন দিতে পারি না।আমি এখন আর তোমার অপেক্ষায় থাকিনাঅপেক্ষায় থাকি টিসিবির ট্রাক এর জন্যটিসিবির ট্রাক থেকে সস্তায় চাল,ডাল,তেল কিনি।আমি এখন আর কবিতা পড়ি নাবাসায় রান্নার গ্যাস না থাকলেকবিতার বইগুলি পুড়িয়ে ভাত রান্না করি।আমি এখন আর গান শুনি নারবি ঠাকুর, নজরুল কাউকে মনে পরে নাআজকাল বিকেলে রাস্তায় রাস্তায় হাটি।আমি এখন আর স্বপ্ন দেখি নাঘুমের বড়ি খেয়েও আজকাল ঘুম হয় নাঘুমহীন চোঁখে স্বপ্নরা আজ পলাতক।আজকাল আমি আর চাঁদ দেখি নাযে চাঁদের আলো,ফকফকা জোৎস্না আমাকে ডাকতোসেই চাঁদের আলো আজকাল বিবর্ণ মনে হয়।আজকাল ওদের কথা খুব বেশী মনে পরেযারা অসময়ে চলে গেছে পরপারেযারা ... ...
(১৫) দেবপ্রভ বলতে লাগল, ' অমৃতাংশুকে হারিয়ে আমি যে কি মনোকষ্টে আছি তা চিন্তাও করতে করতে পারবেন না। ওর সঙ্গে যেরকম এক্সচেঞ্জ অফ থটস হত তা আর কারও সঙ্গে হত না আমার। আমার সত্যিকারের বন্ধুবান্ধবের সংখ্যা একেবারেই হাতে গোনা। লাইক মাইন্ডেড ফ্রেন্ড পাওয়া তো সহজ ব্যাপার নয়। আপনাকে রিলাই করি বলেই বলছি। সব কথা তো সবাইকে বলা যায় না। ইলিনার সঙ্গে ওর রিলেশানটা আমার মতে ওয়াজ নট অ্যাট অল সুটেবল। ইন ফ্যাক্ট উই আর ইন কমপ্লিট ডার্ক অ্যাবাউট ... ...
গভীর থেকে এক ঢেউ উঠল। যার অতীত বলতে আলোকসজ্জা। আর ভবিষ্যৎ কেবলই পাখিদের বন্ধুত্ব পেয়ে আত্মীয়দের বিছানায় স্বপ্নকোমল। এরপর ধরো সন্দেহ আছে। আর এই সন্দেহের ওপরে ওপরে কী আক্রান্ত মেঘ নিয়ে ছেলেবেলার গোরু হারানোর শোক। তারপরে দেখা যায়, একটা হাত— যে ঘুরে চলেছে বাঘের গর্ভে বিসর্জনের গন্ধ নিতে। এদিকে জোনাকিরা অপরাধ করেছে, সেদিকে লোকজনের মন নেই বললেই চলে। আর কুকুরের বমি দেখে গির্জার সামনে নিজেদের মধ্যে তৈরি গুজব, সেও ভোলা যায় সহজে! কিংবা সোজা লাথি চ’লে যায়— পূর্বজন্মের বেফাঁস মন্তব্যের গলায় নাক ঢাকা দিতে৷ ঠোঁট কাঁপে। বিপ্লব তো সহজে আসে না। ভালবাসা ছিঁড়তে গিয়ে হাতে আগুন লেগে যায়। সমসাময়িক কুচক্রের ... ...
যা চলছে চলুক। যা হচ্ছে হোক। আমার কী এসে যায়..! ঠিক বেঠিক ভাবুক অন্য কেউ। আমার তো দিব্য চলে যাচ্ছে। শিব্রামিয় ভাষায় যাকে বলে,"ফার্স্ট ক্লাস"। আমরা যে যার বৃত্তে মগ্ন। ভূত কিংবা ভবিষ্যত দেখার সংজ্ঞা পাল্টে গেছে। চারিদিকে অরাজকতা দেখলে বাপ জ্যাঠাদের দিবারাত্র বলতে শুনেছি, যা খুশি তাই করবে ভেবেছে? বাপের জমিদারি পেয়েছে... ইত্যাদি। ইত্যাদি। এখন সে সব অতীত। ঐ জাতীয় চিন্তা ভাবনার মানুষগুলো আজকের দিনে দুর্লভ। কারণ ওঁদের পরবর্তী প্রজন্ম তো আমরা। আমরা সব মুখবুজে সহ্য করতে শিখে গেছি। কোনটা ভাল জানলেও মন্দের প্রতি প্রতিবাদ করিনা। জীবনে অশান্তি কে-ই বা ভালোবাসে! ওঁরা অন্যায় অবিচার সহ্য করতেন না বলেই সমাজ ... ...
[২৫.১২.২০২৪ -এর রচনা। আজ এখানে তাকে উপস্থাপিত করলাম] এখন মেঘেঢাকা পথে ছুটে চলেছে হরিণে টানা শ্লেজগাড়িটা। উপহারের থলি খুঁজতে খু ঁজতে প্রত্নপ্রাচীন চোখ তুলে বৃদ্ধটি ভাবেন --"আজকাল আর তেমন শিশুসুলভ উপহারের চাহিদা নেই।শিশুরা সব পৃথিবী থেকে কোথায় গেল?"আরো কয়েকটা তারাঢাকা রাস্তা অতিক্রম করলো হরিণগুলো।অ্যান্ড্রোমেডা নক্ষত্রপুঞ্জকে পার্কস্ট্রীট ভেবে কিছুটা বোকাই বনে গেলেন তিনি! স্বাধীন কলকাতার উপর দিয়ে মুক্ত বিহঙ্গের মতো উড়তে উড়তে বৃদ্ধটির চোখে বাষ্প ঘনিয়ে আসে।স্বাধীনতার চিঠি, বিষাদ মুক্তির চিঠি "দারুণ একটা দিন দিও সান্তা!" লিখতে লিখতে বড্ড পরিচিত হয়ে উঠেছে এই শহর।.. প্যাগানদের বৃহৎ পাঠাগারের মতো কলেজস্ট্রীটশীতের কুয়াশায় আড়মোড়া ভাঙছে।জন্মক্ষণ থেকে আঁধার বয়ে নিয়ে চলা মানুষগুলোউষ্ণতা খোঁজে ফুটপাতের বালি-ধূলোতে।হরিণের গতিবেগে কি হঠাৎ জাগতিক পরিবর্তন এসেছে? অবাক হলেন বৃদ্ধটি।ক্রিসমাসের ... ...
দ্বিতীয় পর্ব। নাজওয়ান দারবিশপ্রথম পর্বে দিয়েছিলাম মাহমুদ দারবিশ এর ‘কিততা’ কয়েকটি। কাজটা শুরু করেছিলাম গত জুন থেকে, আমার অক্ষম অনুবাদে ধরতে চাইছিলাম মাটি আর রক্তের ঘ্রাণ। আজ নাজওয়ান দারবিশ। জন্ম যাঁর ১৯৭৮ এ, মাহমুদ দারবিশ এর ঠিক ৩৭ বছর পর। মাহমুদ দারবিশের সাথে আপনার কোনো সম্পর্ক আছে ? এই প্রশ্নের উত্তরে নাজওয়ান বলেছিলেন, অবশ্যই আছে, মাটি আর রক্তের। ফিলিস্তিনের মাটি আর ফিলিস্তিনী দের রক্তের উত্তরাধিকার। কুড়িটি ভাষায় নাজওয়ান অনুদিত হয়েছেন, সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হল নাজওয়ান, ফিলিস্তিনের মাটি আঁকড়ে আছেন। সবকটি কবিতাই আরবী হতে ইংরাজিতে রূপান্তর ... ...
l আমরা ত্রাণে চাল ডাল আলু তেল পেঁয়াজ নুন হলুদ লঙ্কা চিঁড়ে চিনি ছাড়াও যা দিই/ দিয়েছি। একটু বিজ্ঞাপন শোনালেও লিখছি: পশ্চিমবঙ্গের ত্রাণে ভাষা ও চেতনা সমিতি কয়েকটি নতুন বিষয় সংযোজন করে যা আগে কেউ করেন নি। ভাবেনও নি। ২০০৯ এ শুরু এই নতুন বিষয়গুলো: ১. মেয়েদের স্যানিটারি ন্যাপকিন দেওয়া২. টর্চ দেওয়া৩. মশারি দেওয়া৪. ত্রাণে আঁকার খাতা রং পেন্সিল দেওয়া৫. শিশু কিশোরদের মানসিক চাপ কমাতে দেশ বিদেশের গল্পের বই দেওয়া। বইঘর বা গ্রন্থাগার গড়ে তোলা। ২০০৯ থেকে আজও চলছে বাগবাগানে। অশঙ্ক পাঠাগার৬. স্যালাইন দেওয়া। যেটা তৎকালীন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলি শ্রীকুমার মুখোপাধ্যায়ের অনুরোধে সাড়া দিয়ে দেওয়া৭. টানা ২৩ দিন রান্নাঘর চালানো ৩২০০ মানুষকে নিয়ে ... ...
( ১৪ ) তমাল ঘোষ সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ এল। কলতান তাকে রক্ত, চুল এবং ঘরে কুড়িয়ে পাওয়া ইঞ্জেকশানের ছূঁচ হস্তান্তর করল। বলল, ' তুমি সময় নিতে পার, কিন্তু ডিটেকশানটা যেন অ্যাবসোলিউটলি ফুলপ্রুফ হয়। এটা বললাম বলে কিছু মনে ক'র না... ' --- ' আরে না না ... আপনার কথায় আমি কিছু মনে করব, ভাবলেন কি করে ? নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন আমি আমার টু হানড্রেড পারসেন্ট দেব... শুধু ডি এন এ ম্যাচিং তো ? ' --- ' হ্যাঁ। তাছাড়া একটা ছবি আছে ... এটাও দেখতে ... ...