লোকটার নাম অতীন্দ্র বর্মন।গরীব লোক,ফড়িং খায়।ওর বাড়ি রাস্তার ধারে,এখান থেকে দূরের প্রাইমারি স্কুলটা আবছা দেখা যায়।কোনো কোনো গ্রীষ্মের দুপুরে,বাতাসে জলীয় বাষ্প কম থাকলে বেশ স্পষ্ট দেখা যায়।ওখানে ওর মেয়েটা পড়ে।পড়াশোনায় ভালো নয় তেমন,কিন্তু খেলতে খুব ভালবাসে। অতীন্দ্রও বাসত,কিন্তু এখন আর পেরে উঠে না।পঁচিশ বছর একটা সিমেন্ট কারখানায় কাজ করার পর ফুসফুস সিমেন্টিভূত হয়ে গেছে।ডাক্তার বলেছে স্থিতিস্থাপকতা হারিয়ে ফেলেছে।তিনি একটা রাবারের গার্টার নিয়ে দেখিয়েছিলেন স্থিতিস্থাপকতা কী জিনিস।অতীন্দ্র আগেও দেখেছে,পাত্তা দেয়নি।কিন্তু এই সামান্য ব্যাপারটা যে ওর জীবনে এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে, তা আগে ভাবেনি কখনও।ওর গার্টারটাকে হিংসে হয়,মনে হয় কী অন্যায়!ওর দরকার,কিন্তু ওর ফুসফুসের স্থিতিস্থাপকতা নেই,আর এদিকে ওই গার্টারটর না হলেও চলে,কিন্তু.....একটা ... ...
সুনামি।তূমি আকাশ বলে ডাকতে চেয়েছিলে কিন্তু আকাশ কে তো আর হাত বাড়িয়ে ছোঁয়া যায়না তাই পিছিয়ে এসেছিলে,নিজেকে নিজের মত করে গল্প বলেতারপরে মন হন্যে হয়ে পাড়ি দিলো সেই সাত সাগরের পাড়ে -হয়তো বা আকাশের প্রতিবিম্ব কেও সাগরের বুকে ধরে রাখবে বলেহয়তো বা সাগরে ভূমিকম্প'র কথা মোটেই ছিল না মাথায়যাইহোক তবু কাটছিলো দিন ফেলে ছড়িয়ে,সেই নীলের কোলে উন্মুক্ত অবগাহনে সে বড় আনন্দের দিন :সে ছিল অনন্য তৃপ্তির আতিশয্যে ভেসে যাওয়ার দিন।তবু কোন ছায়াপথে যে ম্লান হলো সেইদিন গুলো !হঠকারি এক লম্পট বাতাসের বিষাক্ত ছোবলেনীল নোনা পর্দা ছিন্নভিন্ন হয়ে খসে পড়লো-একে একে দেখা দিলো প্রাগৈতিহাসিক যত শ্বাপদের দলএই অভাবনীয় ধ্বংসের প্রত্যক্ষ দর্শন তোমার স্নায়ুতন্ত্রকে বৈকল্য ... ...
[সকালের ঝলমলে রোদে জানালার পাশের নিমগাছটা যেন নবজীবন পেয়েছে। কাঠবেড়ালির খেলা দেখতে দেখতে আলোর মুখে ফুটে ওঠে এক অপার্থিব সুন্দর হাসি। তমিস্রা একটি পুজোসংখ্যা পড়া অর্ধসমাপ্ত রেখে উঠে দাঁড়ালো।] তমিস্রা : বৃষ্টির যন্ত্রণা বোধহয় কিছুটা কমলো, রোদ উঠেছে। আলো : আপাততঃ। এবার দেখা যাক পুজোয় ভাসাবে কিনা! মনে তো হচ্ছে এই রোদ ক্ষণস্থায়ী, আমাদের ক্ষণিক উৎসাহের মতো। তমিস্রা : সেদিন তুমি কী বলছিলে? স্বাভাবিকতা ও ভারসাম্যহীনতা নিয়ে? আলো : প্রশ্ন করছিলাম তোমাকে, যে স্বাভাবিক বলতে ঠিক কী বোঝায়? তমিস্রা : সংখ্যাগরিষ্ঠের সঙ্গে সাযুজ্য। অর্থাৎ যা দেখে আমরা অভ্যস্ত, তার মতোই। এবার জীবনে আমার উচ্চাশার সঙ্গে যদি আবেগের সংঘাত বাঁধে, তবে আচরণে কিছু অসংগতি প্রকাশ পেতে ... ...
( ৬ ) পরদিন সকাল প্রায় দশটায় অ্যাডভোকেট বিক্রমজিৎ নিয়োগীর ফোন এল কলতানের মোবাইলে। --- ' হ্যাঁ বলুন ... মিস্টার নিয়োগী ... ' --- ' না ... এমনি খবর নিচ্ছিলাম ... ' --- ' ইলিনা স্নাইডার সেনের কেসটার কথা বলছেন তো ? একদিনে আর কি খবর হবে ... থানার সঙ্গে আপনার আর কমিউনিকেশন হয়েছে নাকি ? ' --- ' না, ওখানে আর কি কমিউনিকেট করব ? কেস তো এখন কোর্টের আন্ডারে। একমাস পরে আবার হিয়ারিং-এর ডেট পড়েছে। ওখানে পুলিশও একটা পার্টি। তারা চাইবে বেলটা রিজেক্ট করিয়ে ইলিনাকে কাস্টডিতে নিতে। পুলিশ এ ব্যাপারটায় এত ইন্টারেস্ট নিচ্ছে কেন বুঝতে পারছি না। পুলিশের ট্রান্সপ্যারেন্সি যে কোন লেভেলের তা তো আপনি জানেন। আপনাকে বলেই কথাটা বললাম .... ' --- ' কথাটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। সিচুয়েশানটা খুব খারাপ ... ...
[ আমি সাধারণতঃ এখানে কবিতা খুব একটা লিখেছি বলে মনে পড়ে না। কারণ ছন্দময় কবিতায় যে প্রচন্ড পরিশ্রম ছন্দ,মাত্রা ও structure -এর উপর করতে হয়, তা আমার নেই। যাইহোক, এই কবিতাটিও মনের রূপকেরই বহিঃপ্রকাশ। এই রচনাটি বিগত ২৭.০৯.২০২৪ -এর রচনা।] হাতে তুলে নিলাম শ্বেত পুন্ডরীক। বললাম, 'এখন তো নিস্তব্ধ চারিদিক নেওয়া যায় না আমার অঞ্জলি?'তুমি তীক্ষ্ম - কঠিন পরিহাসচ্ছলে,ফিরিয়ে দিলে আমায় আমারই দেওয়া ফুল।বললে, 'আমি নির্ভুল শ্বেতপদ্ম নীরব শান্তির প্রকাশ।আজ কঠোর সময়ের অগ্নিভ আকাশ তাই অস্বীকার করছে তোমার অর্ঘ্য...' আবার অধরা থেকে গেল আমারস্পর্শমিলনের স্বর্গ। সেদিন ইন্দ্রের কানন থেকে তুলে আনি লাল কোকনদ।হৃদয়ে সুরভিত তারই পদচিহ্নময় কুসুমিত পথ, বললাম, 'গ্রহণ করো আমার একান্ত ভালোবাসা...' বললে সে, 'অনেকের এখনো বুকভরা ... ...
“ঘরটা একটু গুছিয়ে রাখবে তো! ঘরই যদি গোছাতে না পারলে, যদি না ছাড়াতে পারলে এক এক ক’রে ভাবনার গিঁট— তবে আর কী করলে?”— রোশনাইয়ের দিকে সে কেমন এক অলসচোখে তাকিয়ে কথাগুলো ব’লে গেল সংকেত। রোশনাইয়ের গোটা জীবন দাঁড়িয়ে আছে, যুক্তি এবং আবেগের ওপরে। সে বোঝে, আবেগের মাত্রা একটু বেশি হ’য়ে গেলেই জীবনকে আর মুখে তোলা যাবে না। তাই বুঝেশুনে সে আবেগ খরচ করতে চায়। পেরে ওঠে না। রোশনাইয়ের বয়েস, উনিশ বছর তিন মাস।“না গুছোলেও সমস্যা নেই। যাকে গোছানো দেখছ, দেখতে পাও— সে তো আরও বেশি ক’রেই অগোছালো। ‘গোছানো’ একটা বিশ্বাস। আমি কোনও বিশ্বাসে বিশ্বাসী হতে চাই না।” রোশনাই এমন এক চোখে সংকেতের দিকে তাকিয়ে ... ...
একই মাটির গর্ভ থেকে তারা একসাথে জন্মায়— দুর্গা এবং তার সন্তানরা, এবং মহিষাসুর।আমি ভাস্কর।কাউকে বিশেষভাবে বেছে নিই নি।কাউকেই আলাদা করি নি।আমি তাদের সবাইকে ভালোবাসা দিয়ে আকৃতি দিয়েছি।আমার হাতে কোন ঘৃণা ছিলো না।শুধু রূপের প্রতি ভালোবাসা। ঢোল বাজবে, শঙ্খ ধ্বনিতে ভেসে যাবে আকাশ,আর গল্প ভাগ করে দেবে তাদের—আলোয় দীপ্ত দুর্গা ও তাঁর সন্তানরা,আর একলা মহিষাসুর—তবু সে-ও তো জন্মেছিলএই একই মাটির কোলেই।আমার হাতেই। আমার ভালোবাসার স্পর্শে। ... ...
( ৫ ) কুলচা একটা মাল্টিন্যাশানাল কোম্পানিতে চাকরিতে ঢুকেছে। মুম্বইয়ে পোস্টিং। আট দিন পরে জয়েনিং। গোছগাছ শুরু করে দিয়েছে এখন থেকে। বেশ উত্তেজিত অবস্থায় আছে। সকালের দিকে কলতানকে ফোন করে বলল, --- ' তানমামা ... খবরটা শুনেছ তো ? ' --- ' চাকরির খবরটা তো ? ' --- ' হ্যাঁ .... ' --- ' হ্যাঁ ... দিদি বলেছে কাল। সত্যিই সুখবর। কনগ্র্যাচুলেশান কুলচা ... ' --- ' মোস্ট ওয়েলকাম তানমামা... ' --- ' তবে কারও পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ। কথাটা অন্যভাবে নিস না ... ' --- ' মানে ? ' --- ' আমার আর কোন ওয়াটসন থাকল না ... ' --- ' ও এই কথা ? তোমার আবার কোন ওয়াটসন লাগে নাকি ? তুমি আমাকে স্নেহ ... ...
ভয়েজ অফ স্টুডেন্টস: নম্বরহীন এক জগৎ (ব্যঙ্গাত্মক গল্প) কলমে : শংকর হালদার শৈলবালা গল্পের শ্রেণী : ব্যঙ্গাত্মক বা স্যাটায়ার (Satire), সামাজিক সমস্যাভিত্তিক গল্প (Social Commentary) ও উপদেশমূলক বা নীতিগল্প (Moral Tale) আমাদের ক্লাস এইটের বন্ধু অরুণ হঠাৎ করে পড়া ছেড়ে দিল। আগে যে ছেলেটা অঙ্কের ভয়ে রাতে ঘুমাত না, ভূগোলের ম্যাপ মুখস্থ করতে করতে ঘেমে উঠত, এখন সে দিব্যি হাসিখুশি। কারণ, সরকার ঘোষণা করেছে, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আর ‘পাশ-ফেল’ থাকবে না। শিক্ষামন্ত্রী মশাই এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছিলেন, “শিক্ষার্থীদের মাথার ওপর থেকে নম্বর নামক ভয়ঙ্কর রাক্ষসটাকে সরিয়ে ফেলতে হবে। এখন থেকে আমাদের ছাত্ররা আনন্দের সঙ্গে শিখবে, আর রেজাল্ট কার্ডে থাকবে শুধু ভালোবাসার প্রতীক!” সাংবাদিকরা ... ...
ব্যঙ্গাত্মক গল্প গোগোল: শিক্ষামন্ত্রীর বিদ্যার গোডাউনকলমে : শংকর হালদার শৈলবালা গল্পের শ্রেণী : রূপক বা অ্যালেগরি (Allegory), ব্যঙ্গাত্মক বা স্যাটায়ার (Satire) ও উপদেশ মূলক বা নৈতিক গল্প (Moral Tale) একবিংশ শতাব্দীর এই ডিজিটাল যুগে, নতুন শিক্ষামন্ত্রী এলেন। তিনি প্রযুক্তি এবং ডেটার ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল। তিনি ঘোষণা করলেন, “আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এখন থেকে ডেটা-চালিত হবে। জ্ঞান একটি পণ্য, আর তা পরিমাপ করা হবে গোডাউনের হিসাবে। যে স্কুলের গোডাউনে যত বেশি নম্বর জমা হবে, সেই স্কুল তত বেশি উন্নত।” মুখ্যমন্ত্রী এই কথা শুনে চিন্তিত হলেন। তিনি তাঁর সবচেয়ে বুদ্ধিমান পরামর্শদাতা গোগোলকে ডেকে পাঠালেন। গোগোল একজন তরুণ, টেক-স্যাভি এবং প্রথাগত চিন্তাধারার বাইরে গিয়ে ভাবতে ভালোবাসেন। শিক্ষামন্ত্রী গোগোলকে বললেন, ... ...
[ মানুষ লেখে কেন? খুব সহজে এর উত্তর হলো, যা বলতে পারা যায় না তার জন্যই লেখা। অর্থাৎ যা প্রকাশ করার প্রয়োজন, অথচ মাথার মধ্যে ক্রমাগত আবর্তিত হতে থাকা সেই সংলাপগুলি অন্য মাধ্যমে প্রকাশ করা যাচ্ছে না, তার জন্যই লেখা। কয়েকটি পর্বে তেমনই কিছু শব্দের জলছবির আয়োজন। চরিত্রদুটি নেহাতই মানবমনের দুটি দ্বিধাবিভক্ত অংশ। কল্পনার স্বার্থে যারা পুরুষ ও নারী। আলো ও তমিস্রা। আসলে কেউই তারা কোনো বাস্তবচরিত্র নয়। কিছু কথা ও প্রশ্নমালার নিরাবয়ব রূপকমাত্র।] তমিস্রা : আজ সকাল থেকে বৃষ্টি পড়ছে, দেখেছো আলো? যেন অবিরত ধারাপতনের সঙ্গে জলতরঙ্গের খেলায় মেতেছে প্রকৃতি! আলো : হ্যাঁ। তমিস্রা : এমন সজলঘন মেঘময় দিনেই ভানুসিংহের পদাবলী যেন ... ...
( ৪ )উকিলবাবু বিক্রমজিৎ নিয়োগীর চেহারা ফর্সা, বেশ গোলগাল নাদুস নুদুস ধরণের। উচ্চতা মাঝারি। মাথায় টাক পড়ে গেছে। গোঁফ দাড়ি কামানো মাখনের মতো মসৃন মুখমন্ডল। চোখ দুটো উজ্জ্বল বুদ্ধিতে চিকচিক করছে। মিটি মিটি হাসি ভরা মুখ। আইনের নানা বইয়ে ঠাসা ঘরের তিনদিক ঘিরে কাঁচের আলমারি।বিক্রমজিৎবাবু চেয়ারের হাতলে ডান কনুই রেখে গালে হাত দিয়ে মিটিমিটি হাসি ভরা মুখে কলতানের মুখের দিকে তাকিয়ে বসেছিলেন চিকচিকে চোখে।কলতান বলল, ' বডির ভিসেরা টেস্ট হয়েছিল ? জানেন কিছু ? '--- ' স্টম্যাকে পয়জন ডিটেক্টেড হয়েছে যখন ভিসেরা টেস্ট নিশ্চয়ই হয়েছে ... '--- ' মানে, আপনি পি এম রিপোর্ট দেখেননি ? '--- ' হাতে পাইনি ... ... ...
একটা হাত কাটা একটা হাত ছোটোজম্পেস ঘুড়ি উড়েনাটাই ছাড়ে সুতো। নানা রঙের ঘুড়ি হাত পা মিলে সাঁটেপেটকাটা,বগ্গা শানায়হাওয়ায় প্যাঁচ কাটে। নীল আকাশে প্রকাশ পাড়ি, মন উড়ি উড়ি ভাসায়,একটা তার, পঁচিশ বেচেমায়ের, অন্ন সেবায়।
( ৩ ) সল্টলেকের দেবপ্রভ রাহা। কলতানের ফোন ধরে বললেন, ' হ্যালো ... প্লিজ হোল্ড অন ... ' বলে কার সঙ্গে যেন কথা বলতে লাগল। বেলা সাড়ে বারোটা বাজে। নিশ্চয়ই দেবপ্রভ এখন অফিসে আছে। যেটুকু আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, মনে হচ্ছে কাউকে কোন কাজের ব্যাপারে কিছু নির্দেশ দিচ্ছে। যাকে বলছে তারও গলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। সে মনে হচ্ছে, দেবপ্রভর সঙ্গে কোন একটা ব্যাপার নিয়ে তর্কাতর্কি করছে। কলতান ফোন ছাড়ল না। ফোন ধরে রইল। প্রায় চার মিনিট পরে ওদিক থেকে আওয়াজ এল ... ...
কিছুদিন আগেই আমাদের প্রতিবেশী দেশ নেপালে অভ্যুত্থান হয়ে গেল। অনেকটাই বাংলাদেশের জুলাই অভ্যুত্থানের আদলে। যদিও ভয়াবহতা এবং ক্ষয়ক্ষতির দিক থেকে নেপালের থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে! 'ভ্যান্ডালিজমে' বাঙালি সব সময় সর্বশ্রেষ্ঠ কিনা! তবে উভয় দেশের অভ্যুত্থানের প্যাটার্ন কিন্তু এক ও অভিন্ন। নেপালের অভ্যুত্থানের নেপথ্য কারণ নেপালে মূলত 'নেপোকিড' টার্মে স্টারকিডদের(Starkids) প্রতি স্বজনপ্রীতির অভিযোগ, রাজনৈতিক নেতাদের দূর্নীতি এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণের অভিযোগে নেপালের জেন-জি প্রজন্ম রাস্তায় নামে। এই আন্দোলনকে সুসংহত করে ১জন নেপালী ডিজে এবং এক্টিভিস্ট। সুদান গুরুং 'হামি নেপাল' নামের ভলান্টারি সংগঠনে সংগঠক। ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্পের পর এই সুদান গুরুং নিজের বাচ্চা ছেলেকে হারিয়ে এই সংগঠনের পরিকল্পনা করে এবং কার্যক্রম শুরু করে।রাস্তায় নামার ... ...
( ২ )শুদ্ধসত্ত্ববাবু ফোন তুলেই বললেন, ' ইয়েস কলতান, তোমার ফোনের অপেক্ষাতেই ছিলাম। তারপর বল, ম্যাডামের সঙ্গে কথা হল ? '--- ' হ্যাঁ উনি এসেছিলেন। একটু আগে বেরিয়ে গেলেন ... '--- ' কথাবার্তা হয়েছে নিশ্চয়ই ... '--- ' হ্যাঁ, কথা বলেছি। কাল কাজ শুরু করব ... '--- ' ওয়েল ওয়েল ... কোন হেল্প লাগলে ব'ল।--- ' শিওর শিওর। আপনার হেল্প ছাড়া তো এগোতে পারব না। আচ্ছা স্যার, আপনি ইলিনা স্নাইডারকে কতদিন চেনেন, কিভাবেই বা চিনলেন ? মানে, ইলিনা সম্পর্কে আপনার ইম্প্রেশানটা জানতে চাইছি ... '--- ' সত্যি কথা বলতে কি ইলিনার হোয়্যারঅ্যাবাউটস সম্পর্কে আমার তেমন আইডিয়াই নেই। আমরা একই হাউজিং ... ...
- "কী দেখিস ওগুলো ইউটিউবে? কোনো মাথামুন্ডু নেই। তাছাড়া ক্যারেক্টারগুলোর ছিরি দ্যাখো ! ড্যাবা ড্যাবা চোখ, ছোট্ট মুখ, প্যাংলা চেহারা, অদ্ভুত সব নানারঙের চুলের কাটিং, ঝলমলে ড্রেস আর ইচিং পিচিং লাফালাফি! অসহ্যকর!" হ্যাঁ, কোনো অ্যানিমের এপিসোড চালিয়ে দেখতে বসলে বাড়ির বড়োদের থেকে এরকম মুখ ঝামটা প্রায় সবাই খেয়ে থাকে। ওয়ান পিস ; নারুটো, লাইট ইয়োগামি বা চেইনশ' ম্যানের সঙ্গে পরিচিত নয় এমন Gen-z সদস্য পাওয়া কঠিন। আর শুধু জাপানি চিত্ররীতির অ্যানিমেটেড রূপ যার পোশাকি নাম 'অ্যানিমে' তার কথাই বা বলি কেন? চিত্ররূপ 'মাংগা' বিক্রির জন্য আজকাল কলকাতা বইমেলায় রীতিমতো 'মাংগা প্যাভিলিয়ন' তৈরী হচ্ছে। কয়েকবছর আগে পর্যন্ত মাংগা এককপি পেতে হাড়ে দুব্বোঘাস গজিয়ে ... ...
কলমের এক খোঁচায় দস্তখত করলেন মার্কিন মুলুকের রাষ্ট্রপ্রধান। আর রাতের ঘুম উধাও হলো এন আর আই জামাই প্রত্যাশী কন্যাদায়গ্রস্ত বাবা মায়েদে’র! না, বিষয়টি মোটেও কাকতালীয় নয়। নতুন নিয়মে মার্কিন মুলুকের এইচ আই বি ভিসা পেতে কড়ায় গণ্ডায় মাশুল দিতে হবে ভারতীয় মুদ্রায় নব্বই লক্ষ টাকা। স্বভাবতই এই পরিমাণ টাকা তুলে নেওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়, সেই কন্যাদায়গ্রস্ত পিতামাতাই। যাঁদের স্বপ্নে এন আর আই জামাইরা ঘোরাফেরা করে নিত্যদিন। এতদিন একজন এন আর আই জামাই পাওয়ার জন্য যে পরিমাণ অর্থ লগ্নী করতে হতো, এখন সেই টাকার অংকটা অনেকটা পরিমাণেই বৃদ্ধি পেয়ে গেল। ফলে এবারে অনেকের পক্ষেই আর এন আর জামাই বাগিয়ে নেওয়ার উপায় ... ...
একটি রম্য-ভৌতিক গপ্প অমর বাবু মারা গেলেন। সেই কবেই কবি বলে গিয়েছেন অমর কে কোথা কবে। তা, অমর বাবু কে; সে বিষয়ে সেরকম কিছু বলারই নেই। এক্কেবারে ছাপোষা অম্বলে পেটের সমস্যায় জর্জরিত মধ্যবিত্ত বাঙালি। অবিশ্যি, আদিকাল থেকেই তাঁরা যে মধ্যবিত্ত ছিলেন তেমনটা নয়। অমরবাবুর প্রপিতামহ নাকি ছিলেন দোর্দণ্ডপ্রতাপ....নাহ্, জমিদার নয়, ডাকাত। তিনি কব্জির কারিকুরিতে যা সম্পত্তি করেছিলেন তাতে অমর বাবুর অবস্থার যে বিশেষ কিছু পরিবর্তন হয়েছিল তা বলছিনে। বরং নিজ চেষ্টায় পাওয়া নামকরা প্রাইভেট ফার্মের কেরানীর চাকরিটা নিয়ে ওনার মনে প্রচ্ছন্ন একটা অহংবোধ ছিল।বউ গত হয়েছেন প্রায় এক যুগ হয়ে গেল। ছেলে-পিলে নেই। এ হেন অমর বাবুর জীবনে বলার মতো কিছুই ... ...