“অভয়া” কান্ডের এক বছর হয়ে গেল। বিচার ও তদন্ত বিখ্যাত হিন্দি সিনেমার সংলাপের মতো “তারিখ পে তারিখ”ই হয়ে যাচ্ছে। অভয়া তাঁর কর্মস্থলে নির্যাতিতা ও খুন হয়ে ছিলেন। একটি জঘন্য ও ঘৃণ্য ব্যাপার। বর্তমান সময়ে বাঙালি মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা এবং চাকুরীররতা মেয়েদের অবস্থা কি অভয়ার থেকে আলাদা কিছু? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমি “বিন্দু তে সিন্ধু দর্শন” বলে যে প্রাচীন বাংলা প্রবাদ আছে, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। যদি কোনও একজন এই রকমের মেয়ের জীবন হুবহু উন্মোচিত করা যায়, তবে সমস্ত এই ধরনের মেয়েদের প্রকৃত অবস্থা আমাদের সামনে ফুটে উঠবে। তাহলেই আমরা বুঝতে পারবো আদতে বাঙালি মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা চাকুরীররতা মেয়েদের অবস্থা সত্যি সত্যি ... ...
"পাঁচে নয় সাতে আছি।" এক সময়ে শহর জুড়ে বড় বড় হোর্ডিংয়ে এইরকম লেখা আমরা অনেকেই দেখেছি। বাংলার এক বিখ্যাত সংবাদপত্রের পাঠক সংখ্যা কত, তার হিসেব জানানোর বিজ্ঞাপন ছিল ঐ ভাষায়(৭ লক্ষ পাঠক)। প্রায় দশ বছর হতে চলল ঐ জাতীয় বিজ্ঞাপন শহরে আর চোখে পড়েনা। কারণ সংবাদপত্রের পাঠক আর বাড়ছে না, ক্রমশ কমছে। আগে জনসংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে অন্যসব পণ্যের মতোই সংবাদপত্রের সার্কুলেশন বাড়তো। কিন্তু স্মার্ট ফোনের দৌরাত্মের যুগে সংবাদপত্রের সার্কুলেশন ক্রমহ্রাসমান। একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বোধহয় শেষ পর্যায়ের দিন গুনছে। পরিচিত অনেক মাধ্যম আজ বিলুপ্তির পথে অথবা বিলুপ্ত হয়েই গেছে। যেমন ট্র্যাডিশনাল রেডিও। এখন কজন মানুষ কলকাতা ক কিংবা বিবিধ ভারতীর অনুষ্ঠান ... ...
চোখে চোখে ছেলেবেলা থেকেই আমার হেব্বি পাওয়ার। না, সেটা কব্জির নয়, চশমার। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষার খাতার নম্বর বাড়ুক না বাড়ুক, চশমার পাওয়ার তাল মিলিয়ে বেড়েছে। এই জায়গায় আমি কোনভাবেই বেতাল হইনি। চশমার সঙ্গে যে প্রথম থেকেই আমার প্রেম-প্রীতি-ভালবাসার সম্পর্ক ছিল তা নয় বরং শুরুর দিকে সেটা ছিল আদায় কাঁচকলায়। আস্তে আস্তে আমাদের বোঝাপড়া বাড়লো; মান-অভিমান পেরিয়ে আমরা হয়ে উঠলাম একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এখন চশমা ছাড়া আমার এক দন্ডও চলে না, মানে, আমি চলতেই পারি না। আক্ষরিক অর্থেই অন্ধ বলা চলে।তবে, চশমা যে অতি ভীষম বস্তু, সেটা এই বুড়ো বয়সে আবার নতুন করে বুঝলাম। চশমার পাওয়ার যে কত বড় ... ...
হেনরি নামটাই যেন অন্য কিছু বোঝাতে চায় ---করতে চায়! এই যেমন জন হেনরি, কিংবা হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও! আরেক হেনরির সাথে চেনা করিয়ে দিয়েছিলো শুকতারা। বাঁটুল দি গ্রেট, হাঁদা ভোঁদার পাশাপাশি অনুবাদ গল্পগুলি দিত অন্যরকম স্বাদ! আর তার সুতো ধরেই জেনেছিলাম ও হেনরি নামের একজন গল্প বলা লোকের কথা! 'শেষ পাতা ' গল্পটা পড়ে, মনে আছে বালিশে মুখ গুঁজে কেঁদেছিলাম।পরে জানলাম লোকটার আসল নাম উইলিয়াম সিডনি পোর্টার! বিচিত্র ও বহুমুখী উৎসাহের মধ্যে গপ্প লেখাটা সবার আগে এসে দাঁড়ালেও একটা সময়ে তার পরিচয় ---ব্যাঙ্কের কেরানি, তায় আবার তহবিল তছররুপের দায়ে গারদে! তখন গপ্পো লিখতে হচ্ছে মা হারা কন্যাটির খাবার জোটাতে! ছদ্মনাম ... ...
বিশাল ছাতির চৌকিদার, বলছে হেঁকে খবরদার। অর্থ মেরে পালিয়ে যাবার রাস্তা কারো নেইতো আর। আম জনতার কথা ভেবেই ব্যবস্থা মোর চমৎকার, হিস্যা দিলে তবেই পারবে এদেশ হতে পগারপার।অর্থনীতি স্বচ্ছ করতে, করে দিলাম নোট-বন্দি, আম জনতা কেউ বোঝেনি, এর পেছনে কোন ফন্দি।বদলালে নোট, হবে বিপদ যার ঘরে নোট আছে বেশি।ধনীলোকের মহাবিপদ, বাহ! চৌকিদার! গরিবেরা মহাখুশি।কষ্ট হবে জানি একটু, করতে সাফাই কালাধন। করবো তবু, এটাই হচ্ছে চৌকিদারের জীবনপন।স্বচ্ছ ভারত গড়তে হলে, নোটগুলিতো স্বচ্ছ চাই; সঙ্গে থেকো, আচ্ছে-দিনের সুখসুবিধা পাবে ... ...
দেখুন, শিক্ষক দিবস চলে গেছে, কিন্তু আমাকে কিছু কথা বলতে দিতেই হবে। আপনারা যারা মাস্টারমশাই-দিদিমণিদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, তাঁরা বিলকুল ভুল করেছেন। কারণ, আগে শিক্ষা বলতে ইশকুল-কলেজ এইসব ছিল, এখন কিন্তু কলেজের জায়গায় এসেছে গোদি মিডিয়া আর উচ্চশিক্ষা মানেই হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটি। এখন ইশকুল মাস্টারদের ধড়াদ্ধড় চাকরি যায়, কিন্তু তাতে কোনো ক্ষতি হয়নি, কারণ গোদি মিডিয়া আর হোআ অজর অমর অক্ষয়। শিক্ষায় বিপ্লব এনে দিয়েছে প্রায়। গোদি-মিডিয়া আমাদের শিখিয়েছে, কীকরে বিনা যুদ্ধে করাচি-লাহোর সব দখল করে ফেলতে হয়, কীকরে হাসপাতালে মড়ার সঙ্গে সঙ্গম করে পর্নো বেচতে হয়, কীকরে মৃতার শরীরে বীর্য ইনজেক্ট করে দেওয়া যায়, কীকরে তিলকে তিলোত্তমা বানাতে হয়। এবং এর কোনোটাকে বলে দেশপ্রেম, কোনোটাকে সংবেদনশীলতা, কোনোটাকে প্রতিবাদ, কোনোটাকে মনশীলতা।এই ... ...
১) ইম্প্রেশনিশটিক- ভিজুয়াল কন্টিনিউটি বজায় না রেখেও শুধু কিছু মুহূর্ত দেখিয়ে পুরো ঘটনার আভাস দেওয়া যায়। এক ব্যক্তির ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়া, পরের শটে অগোছালো ঘর, তার পরের শটে একটা চেয়ার যার হাতলে রক্ত, এই তিনটি শটেই ঘটনা হয়ে উঠতে পারে বাঙ্ময়।২) এক্সপ্রেশনিশটিক- হিচককের থার্টি নাইন স্টেপস বা রমেশ সিপ্পির শোলে, ট্রেনের আওয়াজ হয়ে উঠতে পারে অব্যক্ত ভয়ের চিৎকৃত অভিব্যক্তি।৩) ভাষায় যেমন "আমি আজ ও কাল, দুদিন কামাই করেছি" লেখা যায়, সিনেমায় সবই ঘটমান বর্তমান।৪) একটা ঘটনা ঘটতে বাস্তবে যতটা সময় লাগে, সিনেমায় তার সময় কমানো বাড়ানো যায়। গ্রিফিথ তার ছবির ক্লাইম্যাক্সে ইমেজের ভিতরের গতি এবং ইমেজ পরিবর্তনের গতি এই ... ...
রাজনীতির মাঠে স্লোগান খুবই মারাত্মক ১টি অস্ত্র। এই অস্ত্রে কারো রক্তক্ষরণের সম্ভাবনা নেই। মানে স্লোগান দিয়ে তো আর কাউকে রক্তাক্ত করা যায় না। তবে হ্যা, স্লোগানের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধ করা যায়। এবং ক্ষেত্রবিশেষে সেই উদ্বুদ্ধ জনতার অতি উৎসাহ'কে পূঁজি করে রক্তক্ষরণের অবস্থা সৃষ্টি করা সম্ভব। পাঠক নিশ্চয়ই এতক্ষণে ওয়াকিবহাল হয়ে গেছেন, আজকে আমাদের বাহাস হবে এই স্লোগান বিষয়ে! চলুন শুরু করা যাক! স্লোগানের ধারণা মানব ইতিহাসে মানুষ ঠিক কবে থেকে স্লোগান ব্যবহার করছে, তা সঠিক দিনতারিখ মেপে বলা কঠিন। স্লোগান তো আদতে এক রকমের নীতিবাক্য কিংবা আপ্তবাক্য। যে বাক্যে মূলত ৪টি বৈশিষ্ট্য থাকে। স্মরণীয় কথা, প্রভাবশালী অভিব্যক্তি, পুনরাবৃত্তিমুলক ছান্দসিক বাক্য এবং সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য। স্লোগান ... ...
গুডবুকইজম১ম গায়ক- ভাই!২য় গায়ক- হ্যাঁ ভাই!১ম গায়ক -দেখলি না’কি সেদিনঅনির্বাণরা যেদিন-২য় গায়ক - ঐ নাচনকোঁদন করলো?১ম গায়ক -হ্যাঁরে ভাই, কেমন তেড়ে বলল!অডিটোরিয়াম জুড়ে অনির্বাণদের সুরেরাজ্যবাসী দুহাত তুলে নাচল ঘুরে ঘুরে২য় গায়ক -ভাই!ওসব কথা ছাড়১ম গায়ক -ভাই!,ওদের কথার বড্ড ধারঘোষের পো’ দের করে দিলবাউণ্ডারি পার!২য় গায়ক -হ্যাঁরে ভাই, দেখলাম তো তাইসবারই ব্যাণ্ড বাজিয়ে দিলতবু, পিসি ভাইপো নাই!১ম গায়ক -ভাই কি আর করা বলরাজ্যজুড়ে পাল্টে গেছেবুদ্ধিজীবীর দল২য় গায়ক -ভাই, আসল কথা কি মানিস?১ম গায়ক -বল বল বল, তুই যেটুকু জানিস২য় গায়ক -ভাই, তুই খেয়াল করিস নি?১ম গায়ক -না ভাই, কোন কথাটা শুনি২য় গায়ক -অনির্বাণ তো আভিনেতামস্ত বড়ো গুণী১ম গায়ক -হ্যাঁ ভাই, তেমনটাই ... ...
বর্তমানে ট্রাম্পের ট্যারিফ যুদ্ধ নিয়ে চারদিকে হাহাকার রব পড়ে গেছে। আজ থেকে কয়েকমাস আগেই যখন প্রথম ট্রাম্পের নির্বাচন হয় তখন এদেশের অনেকেই ট্রাম্পকে "ডোল্যান্ড ভাউ" ইত্যাদি বলে গর্ববোধ করতেন এবং তাদের পছন্দের শ্রেষ্ঠ শক্তিশালী পুরুষের ছায়া ট্রাম্পের মধ্যে খুঁজে পেতেন। হায় ইতিহাসের পরিহাসে এসবই এখন বিস্মৃতির গর্ভে তলিয়ে যাবে একটু একটু করে ! যাইহোক আজকের এই হাহাকারের পরিবেশে আমাদের চেষ্টা করতে হবে খুঁজে বের করবার সেসব কারণগুলো যার জন্যে আজকে এই ট্রাম্পের ট্যারিফ যুদ্ধ। প্রথমেই বলে রাখি আমি কোন অর্থনীতিবিদ বা জিয়োপলিটিকাল এনালিস্ট ... ...
খোলা বইয়ের পরীক্ষা এবং কিছু প্রশ্ন… পথ চলিয়েদের কথালাপ দুপুরের আয়েসি সময়টুকু কাটিয়ে খিড়কির দরজা খুলে বাইরে বেরোতেই একদল স্কুল ফেরতা পড়ুয়ার মুখোমুখি হয়ে যাই। ছুটির পর দলবেঁধে বাড়ি ফিরছে। না, ওদের হাতে ফোন নেই! হয়তো সেই কারণেই মুখে কথার ফুলঝুড়ি ফুটছে মনের আলোর দ্যুতি ছড়িয়ে! বিধিসম্মত নয় জেনেও আঁড়ি পাতি আলোচনার বিষয়বস্তু জানতে। – জানিস! এখন থেকে বই খুলে পরীক্ষা দেওয়া যাবে ! – ধ্যুস্, এমনটা আবার হয় নাকি? – আরে বাবা হয়। সেদিন খবরের কাগজে দেখলাম। এবার থেকে সেন্ট্রাল বোর্ডের ক্লাস নাইনের পড়ুয়ারা বই খুলে পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর লিখবে। – বাহ্ ! এতো খাসা বন্দোবস্ত। আমাদেরও কি এভাবে পরীক্ষা দিতে হবে? হলে মন্দ ... ...
“অভয়া” কান্ডের এক বছর হয়ে গেল। বিচার ও তদন্ত বিখ্যাত হিন্দি সিনেমার সংলাপের মতো “তারিখ পে তারিখ”ই হয়ে যাচ্ছে। অভয়া তাঁর কর্মস্থলে নির্যাতিতা ও খুন হয়ে ছিলেন। একটি জঘন্য ও ঘৃণ্য ব্যাপার। বর্তমান সময়ে বাঙালি মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা এবং চাকুরীররতা মেয়েদের অবস্থা কি অভয়ার থেকে আলাদা কিছু? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমি “বিন্দু তে সিন্ধু দর্শন” বলে যে প্রাচীন বাংলা প্রবাদ আছে, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। যদি কোনও একজন এই রকমের মেয়ের জীবন হুবহু উন্মোচিত করা যায়, তবে সমস্ত এই ধরনের মেয়েদের প্রকৃত অবস্থা আমাদের সামনে ফুটে উঠবে। তাহলেই আমরা বুঝতে পারবো আদতে বাঙালি মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা চাকুরীররতা মেয়েদের অবস্থা সত্যি সত্যি ... ...
প্রোফেসর ভাজ্জি সকালে দেখা হতেই বললেন,“চাও, চাও। হাউ আর ইউ ইন্দ্রাণী? হাউ ইজ ইয়োর ওয়ার্ক গোয়িং?” জানালাম কাজ ভাল চলছে, “প্রেটি গুড”। এসেছি ইতালির পাভিয়া ইউনিভার্সিটিতে পোস্টডক্টরাল ফেলো হিসেবে চারমাসের জন্য। পাভিয়া বহু পুরনো ইউনিভার্সিটি। ১৩৬১ সালে এখানে পড়ানো শুরু হয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অন্তত একটি নাম সম্ভবত সকলের জানা– বিজ্ঞানী আলেসানড্রো ভোল্টা, যাঁর নাম থেকে ‘ভোল্ট’ কথাটি এসেছে। তিনি এখানে চল্লিশ বছর অধ্যাপনা ও গবেষণা করেছেন। খুব মন দিয়ে কাজ করি সারাদিন। পড়াশোনা আর পেপারের কাজ নিয়ে সারাদিন কেটে যায়। বাইরে গির্জার ঘড়িতে ঢং ঢং করে রাত আটটা বাজার ঘণ্টা পড়ল।কাগজপত্র গুছিয়ে উঠে পড়লাম বাসায় ফেরার জন্য। এখন জানুয়ারী মাস। ... ...
“অভয়া” কান্ডের এক বছর হয়ে গেল। বিচার ও তদন্ত বিখ্যাত হিন্দি সিনেমার সংলাপের মতো “তারিখ পে তারিখ”ই হয়ে যাচ্ছে। অভয়া তাঁর কর্মস্থলে নির্যাতিতা ও খুন হয়ে ছিলেন। একটি জঘন্য ও ঘৃণ্য ব্যাপার। বর্তমান সময়ে বাঙালি মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা এবং চাকুরীররতা মেয়েদের অবস্থা কি অভয়ার থেকে আলাদা কিছু? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে আমি “বিন্দু তে সিন্ধু দর্শন” বলে যে প্রাচীন বাংলা প্রবাদ আছে, সেই পদ্ধতি অনুসরণ করেছি। যদি কোনও একজন এই রকমের মেয়ের জীবন হুবহু উন্মোচিত করা যায়, তবে সমস্ত এই ধরনের মেয়েদের প্রকৃত অবস্থা আমাদের সামনে ফুটে উঠবে। তাহলেই আমরা বুঝতে পারবো আদতে বাঙালি মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা চাকুরীররতা মেয়েদের অবস্থা সত্যি সত্যি ... ...
আপাতত ১৮০৬ জন! দাগী চোর ডাকাত রাজনীতিবিদ নয়! দাগী শিক্ষক শিক্ষিকা। তাহলে ব্রাত্যের কথাই মিলে গেল! যেমন কথা তেমন কাজ। শিক্ষা কেলেঙ্কারির অনেক আগেই ব্রাত্যই প্রথম বলেছিলেন। তৃণমূলের ছেলেমেয়েরাই চাকরি পাবে। তবে এও বলেছিলেন, কবে পাবে কিভাবে পাবে কোথায় পাবে সে কথা তিনি বলবেন না। এখন যদিও দিনের আলোর মতো সুস্পষ্ট। কবে পেয়েছিল। কিভাবে পেয়েছিল। কোথায় পেয়েছিল। যদিও মোট কতজন পেয়েছিল, সে কথা আজও জানায়নি ব্রাত্যের মন্ত্রীত্বের নিয়ন্ত্রণাধীন শিক্ষাদপ্তর। কিন্তু যে কয়জনের নাম জানিয়েছে। তাতেই অনেকের আক্কেলগুড়ুম। এখনো যাঁরা মা মাটি মানুষের সততায় বিশ্বাসী। সম্পূর্ণ সাদা পাতা জমা দিয়ে টগবগিয়ে সরকারি চাকরিটা কেমন বাগিয়ে নিয়েছিল! বাগিয়ে নিয়ে মাসের পর মাস ... ...
নিজের দেওয়ালে উৎপটাং কিছু লেখালিখি করাটাই আমার নেশা। অন্য কোনোরকম নেশার দাস আমি নই। অনেক আগে লিখতুম দেওয়াল পত্রিকায়। যেগুলো কলেজে কিংবা লাইব্রেরির দেওয়ালে টাঙানো থাকত। তার পরের দিকে গ্রামগঞ্জের কয়েকটি লিটিল ম্যাগাজিনে। সেই তখনই বকুপিসির কানে গিয়েছিল, আমি নাকি চাদ্দিকের রাজনৈতিক খবরাখবর নিয়ে লেখালিখি করছি। যা করা নাকি অত্যন্ত বিপজ্জনক। শুরু হয়েছিল বকুপিসির নিত্য ধমকাধমকি। তার জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে লিটিল ম্যাগাজিনে লেখালিখি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলুম। তারও বেশ কিছু পরে দু একটি ছোটখাটো সংবাদপত্রে সম্পাদকীয় লিখতে শুরু করি। সেও অবিশ্যি রাজনীতি নিয়েই। কে যেন সেই কাগজগুলো বকুপিসিকে দেখিয়ে দিয়েছিল। সেইসব লেখা দেখে বকুপিসি বলল, হ্যাঁ রে তোর এত সাহস কিসের? ... ...
কানাডায় "সেক্স ফর রেন্ট" (sex-for-rent) প্রথাটি একটি ক্রমবর্ধমান সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এর অর্থ হলো, বাড়িওয়ালা বিনামূল্যে বা কম মূল্যে ভাড়া দেওয়ার বিনিময়ে যৌন সুবিধা দাবি করে। এটি কোনো ঐতিহ্য বা প্রথা নয়, বরং কানাডার আবাসন সংকটের সুযোগে এক ধরনের শোষণ।এই ধরনের প্রস্তাব প্রায়শই দুর্বল শ্রেণির মানুষকে লক্ষ্য করে করা হয়। বিশেষ করে নারী, তরুণী এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মতো যারা সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন খুঁজতে গিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে, তারা এই ধরনের শোষণমূলক প্রস্তাবের শিকার হন। কানাডায় যদি আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ এমন কোনো পরিস্থিতির শিকার হন, তবে অবিলম্বে স্থানীয় পুলিশ বা আইনি সহায়তাকারীদের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছ কানাডিয়ান সরকার। ... ...
এক দশক পর একটা পরীক্ষা ছিল, তাতেও চুড়ান্ত গফিলতি। দিনে ডাকাতি। যোগ্যতা আর সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তো উঠবেই। লাল, নীল, সবুজ যাই হোক না কেন পেটের ক্ষিদে কি আর রং বা তারিখে আটকান যায়। ঘটা করে 'চোর' দের নাম বেরিয়েছে দেখলাম, ক্ল্যারিফিকেশন চলছে কে আসল চোর আর কে চোরের সাথ দিতে গিয়ে চোর, কে আবার চুরি না বুঝে চোর। প্ল্যান এ, বি, সি, ডি সব দেখলাম একসাথে। বুঝলাম বাঁশ খেয়েছে, আচোলা... তবুও বাঙালি রক্ত, আশা কি ছাড়া যায়। গ্যাস অম্বল আর সিগারেট ... ...