বাচ্চা মেয়ের আরও বাচ্চা একটি মা। দু'জনেই পাশাপাশি ব'সে আছে চায়ের দোকানের বেঞ্চে। বাচ্চা মেয়ের মুখের ধুলোময়লা,আরও বাচ্চা একটি মা তাঁর আঁচল দিয়েমুছিয়ে দিচ্ছে। ঠিক মুছিয়ে দিচ্ছে না, ভালবাসা লাগিয়ে দিচ্ছে বাচ্চা মেয়ের মুখে। মায়েদের আঁচলে ভালবাসা জমানো থাকে। যখন যেমন দরকার হয় হাতখুলে খরচ ক'রে দেয়। বাচ্চা একটি মেয়ে—তার চোখে বিস্ময়তারমনে কৌতূহলতার হাসিতে আলোর ঝলকানি। বাচ্চা একটি মেয়ে আর তার আরও বাচ্চা একটি মা,– ভালবাসা নিয়ে খেলেই চলেছেমুহূর্তের পর মুহূর্ত।— আর এদিকে দর্শক হ'য়ে, আমি ভাবছি— খেলা খুব জরুরি। ভালবাসা নিয়ে যে খেলতে জানে, সে বড় অদ্ভুতসুখী! ... ...
প্রেমে-অপ্রেমেমুহাম্মদ ফজলুল হকমেঘনার পশ্চিম অংশে রেলসেতুর নিচে কিছুটা দক্ষিণ দিকে স্রোতবিনী নদীর কাছাকাছি পাথরের উপর বসে আছে সুরভি ও লিটন। তাদের চোখের সামনে অনিন্দ সুন্দর, মনোরম ও নান্দনিক দৃশ্যাবলী। বর্ষার পানিতে নদীর বুক ভরাট হয়ে পানি যেন উপচে পড়ছে। মাছ ধরার নৌকা, যাত্রীবাহী নৌকা, লঞ্চ, স্টিমার চলাচল করছে। নানাবিধ জলজ উদ্ভিদ ও ভাসমান প্লাঙ্কটন ভেসে যাচ্ছে স্রোতের টানে।সুরভি, নদী কী অদ্ভুত সুন্দর! প্রতিদিন দেখি। তবু আজ অন্যরকম সুন্দর লাগছে।লিটন, নদীর এখন ভরা যৌবন। যৌবনে সবাইকে অনিন্দ সুন্দর লাগে।কাছেই নরনারী গোসল করছে। বড়শি দিয়ে ছোট ছোট মাছ ধরছে কিছু লোক। উত্তর দিকে তাকালে চর সোনারামপুর ছাপিয়ে আশুগঞ্জের পাওয়ার হাউজ পিছনে ফেলে ... ...
বছরদুয়েক হল শ্রীমন্ত সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে ফ্ল্যাট কিনেছে৷ কার্পেট এরিয়া হাজার স্কোয়্যার ফিট, সুপার বিল্ট ধরলে আরও এক-দেড়শো স্কোয়্যার ফিট বেশি। অ্যাকাউন্টসের রূপাদির জামাইয়ের প্রোমোটিং। এমনিতে স্কোয়্যারফিটপিছু বারোশো ছিল, রূপাদির বদৌলতে খানিক কমসম হয়েছে৷ অবিশ্যি না হলেও শ্রীমন্ত নিতই। কারণ স্ত্রীর স্কুলের কাছাকাছি, মেয়েরও৷ শ্রীমন্তর আপিস ডালহৌসি, সে-ও খুব দূর নয়। সবচেয়ে বড় কথা, পুরনো পাড়ার পাশেই। ফলে শ্রীমন্তের যেটা নেশা, রাজনীতি— তাতে অসুবিধে হয় না৷ একই লোকাল কমিটিতে, শুধু ব্রাঞ্চ আলাদা৷ অসুবিধের কিছু নেই, কারণ শ্রীমন্ত এখনও আগের ব্রাঞ্চেই আছে৷ লিটারেচর-ইনচার্জ৷ এদের জন্যই মনে হয় জয়দেব বসু লিখেছিলেন, ‘পার্টি করার চেয়ে বড় আর কিছু বিশল্যকরণী নেই, এ আমি হলফ ... ...
সূর্য-চন্দ্র-দারিদ্র পাঁচু। ভালো নাম- পঞ্চানন পাল। জন্ম ১৯৮২ সালে। বাপ প্রফুল্ল পালও ছিলো তারই মতন চাষা। অত্যন্ত সুভদ্র, সদা হাস্যময় ব্যক্তি ছিলো সে। শুধু তাদের গ্রাম নয়, আশপাশের বহু গ্রামে তার পরিচিতি ছিলো।গোড়াতে অভাবেই দিন গুজরান করতো প্রফুল্ল পাল। পাঁচুর ঠাকুরদা, বংশী পাল ছিলো ভবঘুরে, ক্ষ্যাপাটে, মাতাল। বেসুরো-বেতালা একটা ডুগি বাজিয়ে গান গেয়ে ভিক্ষে করতো মন্দিরে মন্দিরে। স্ত্রী মণিবালা ঠিকে ঝিয়ের কাজ করে দুই ছেলেকে মানুষ করে। বড়ো ছেলে নির্মাল্য বাপের মতোই অকম্মা। অল্প বয়সেই গাঁজায় আসক্ত হয়ে পড়ে থাকতো যেখানে সেখানে, কাজেই ছোট ছেলে প্রফুল্লকেই সংসারের হাল ধরতে হয়। বংশী এমনিতেও বাঁচেনি বেশি দিন। প্রফুল্ল জমিতে জমিতে চাষাবাদ করে যা ... ...
"অভয়া” কান্ডের এক বছর হয়ে গেল। বিচার ব্যবস্থা জনপ্রিয় হিন্দি ছবির সংলাপের “তারিখ পে তারিখ” ই হয়ে যাচ্ছে। অভয়া তাঁর কর্মস্থলে নির্যাতিতা ও খুন হয়ে ছিলেন। অত্যন্ত জঘন্য ও ঘৃণ্য ব্যাপার। যদিও বর্তমানের বাঙালি মেয়েদের অবস্থা এর থেকে কি খুব আলাদা কিছু? আমি মূলত: শহুরে মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা চাকরি – বাকরি করা মেয়েদের নিয়েই আলোচনা করব। “বিন্দু তে সিন্ধু দর্শন” বলে একটি বাংলা প্রবাদ আছে, সেই জন্য কোনও একজনের জীবন উন্মোচিত করলে সব মেয়েদেরই প্রকৃত আর্থ সামাজিক পরিস্থিতির আভাস পাওয়া যাবে। অনিচ্ছাকৃত মিলের জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন। বেশ কয়েকটি পর্ব লাগবে। ফুলকির শরীর ও মন কোনটাই ভালো নেই। যেন নিজেকে বয়ে নিয়ে ... ...
"চীনের বন শহর" উপাধিটি লিউঝো ফরেস্ট সিটিকে বোঝায়, যা চীনের গুয়াংজিতে অবস্থিত একটি পরিকল্পিত শহর। আর্কিটেক্ট স্টেফানো বোয়েরি এর ডিজাইন করেছেন। এই শহরটিকে একটি সম্পূর্ণ সবুজ নগর এলাকা হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেখানে থাকবে মূলত গাছপালা। এবং ভবনগুলো গাছপালা দিয়ে ঢাকা থাকবে, যার লক্ষ্য দূষণ মোকাবেলা করা এবং জীবনযাত্রার পরিবেশ উন্নত করা। ধারণা: লিউঝো ফরেস্ট সিটি প্রকৃতিকে নগর ভূদৃশ্যের সাথে একীভূত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যেখানে ভবনগুলি গাছপালা দিয়ে ঢাকা। বৈশিষ্ট্য: এই শহরে ৪০,০০০ গাছ এবং ১০০ টিরও বেশি প্রজাতির প্রায় দশ লক্ষ গাছপালা থাকবে। পরিবেশগত সুবিধা: আশা করা হচ্ছে যে গাছপালা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং দূষণকারী ... ...
অভ্যেসের মধ্যেও কতরকমের বাজে অভ্যেস থাকে। ভাবনার মধ্যেও চুপচাপ শুয়ে থাকে কতরকমের রঙিন রঙিন মেঘেরা। এমনকী কথার মধ্যেও লুকিয়ে থাকে কতরকমের নিরীহ সম্ভাবনা! এক লাইন... দু'লাইন... তিন লাইন... এভাবেই কত কত লাইন লিখে রাখা যায়, লেখার ইচ্ছে হলেই। আমার বেড়ে ওঠার দিনগুলোকে ভুলতে পারি না। এখনও দেখতে পাই,— স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছি। মা ব'সে আছে, আমি না খেলে মা-ও খাবে না। সন্ধে হ'য়ে এল, আমি চুপচাপ ভাবছি– কেন আমার মনখারাপ হয়? কেন আমি পিছিয়ে আছি আরও অন্য সকলের চেয়ে? জবাব নেই। আকাশে তারা উঠছে, পাখিরা ঘরে ফিরছে, অথচ আমি ঘরে থেকেও ফিরতে পারছি না নিজের ঘরে... ... ...
-------------------------------- ঠোঙায় ভরে চপ, ফুলুরি, পেঁয়াজি কিংবা বেগুনি কে না খেয়েছেন ? তেল মাখা মসলা মুড়ি, ভেল পুরি, মুখরোচক ঠোঙা ভরতি ঝাল মুড়ি বিশেষ করে ট্রেনে সকলে খেয়ে থাকবেন।পুরোনো খবরের কাগজ পুনর্ব্যবহার করার অন্যতম জনপ্রিয় উপায় ছিল - ঠোঙা বানানো। স্বল্প পুঁজিতে কাগজের ঠোঙা তৈরীর ব্যবসা করা যেত কলকাতায়। ঘরোয়াভাবে কাজ করে কিছুটা স্বাবলম্বী হওয়ার মতো উদ্যোগ ছিল ঠোঙা ব্যবসা । বাড়ির পরিবারের কিছু সব বয়সের সদস্য মহিলা সমেত ঠোঙা বানাতে দেখা যেত। আজ ঠোঙার বিকল্প প্লাসটিক ব্যাগ যা পরিবেশ বান্ধব নয়।ঝালমুড়ি থেকে চিনে বাদাম, খবরের কাগজের ব্যবাহর সর্বত্র। এবার সেই ঠোঙা ব্যবহার বন্ধ ... ...
রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স এর রেজাল্ট এবছর এখনও বেরোয়নি। কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত NEET এর রেজাল্ট বেরিয়েছে, কিন্তু এই রাজ্যে সরকারি নোটিশ জারি করে কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। এই রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের যে অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে, তা অভূতপূর্ব। আমার ধারণা, একমাসের মধ্যে জট না খুললে, এই রাজ্যের বহু ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যত কেরিয়ার ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। রেজাল্ট বেরোচ্ছে না কেনো? রাজ্য সরকার দাবি করছে আইনি সমস্যা রয়েছে। হ্যাঁ, দাবি আপাতভাবে ঠিকই। কলকাতা হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ আছে রেজাল্ট বের করার ব্যাপারে (৭ অগাষ্ট ২০২৫)। এমনকি WBJEE বোর্ড ও রাজ্য উচ্চশিক্ষা দপ্তরের ওপর কনটেম্পট অফ কোর্ট এর মামলাও ঝুলছে পূর্ববর্তী ডিভিশন ... ...
ম্যাকেনা’স গোল্ড (McKenna's Gold) ১৯৬৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি আমেরিকান ওয়েস্টার্ন অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্র। এই ছবিটি উইল হেনরীর ম্যাকেনা'স গোল্ড নামক উপন্যাসের কাল্পনিক সোনার শহরের খোঁজা একটি দলের অভিযান নিয়ে তৈরি হয়েছে। ছবির পরিচালক জে. লি. থম্পসন এবং প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন গ্রেগরি পেক (শেরিফ স্যাম ম্যাকেনা), ওমর শরীফ (জন কলোরাডো), এবং টেলি স্যাভালাস। ছবির গল্প শুরু হয় একজন আ্যাপাচী বৃদ্ধ লোক (অ্যালিয়াতর) যিনি ম্যাকেনাকে মৃত্যুর পূর্বে একটি গোপন সোনার শহরের মানচিত্র দেন। পরে, ম্যাকেনা একটি ডাকাত দলের হাতে বন্দি হন যার নেতা জন কলোরাডো। কলোরাডো ম্যাকেনাকে সেই সোনার শহরের খোঁজে তার যেতে বাধ্য করে এবং তাদের সঙ্গে আরও কিছু মানুষ যোগ দেয়। ... ...
কালকে রাতে অনেকদিন পরে একটা দারুণ ঘুমকে পেলাম। শেষমেশ ঘুমোনোর লোভ সামলাতে না পেরে নিজেকে সঁপে দিলাম ঘুমের কাছে। ঘুমের নিজস্ব একটা গন্ধ আছে। যেমন ঘুমের মধ্যে পাওয়া স্বপ্নের আছে ঝুঁকি নেওয়ার সাহস। এমনিতে নিজের ঘুমের দিকে সেভাবে তাকানোর অভ্যেস হয়নি এখনও আমার। এর বদলে বেড়ালের ঘুমকে ব’সে থেকে উপভোগ করি। সে ঘুম যে দেখেছে, সেইই জানে। আরও অন্যসকল কাজের মতোই আমার প্রিয় একটা কাজ, বেড়ালের ঘুম দেখা। বিছানা ছাড়তে কিন্তু কিছুতেই ইচ্ছে করছিল না আজকে সকালবেলায়। ঘুম যখন ভাঙল তখনও দেখি আমার চোখে ঘুম কিছুটা লেগে আছে। কিন্তু উঠতেই হল। ঘুমখরচ না ক’রে ঘুমজমিয়ে রেখে দিলাম। রাত বাড়লে কাজে লেগেও ... ...
“আহা শ্রীমন্তদা, দিনের শেষে লেনিনও তো একজন মানুষ। সব মানুষের মতো লেনিনের কি পিছন থাকতে পারবে না? বৈগ্রহিক মানুষজনের কি বাহ্যি-পেচ্ছাপ পায় না?”“বিষয়টা মোটেই বাহ্যি-পেচ্ছাপের নয়৷ শকুরভ লেনিনের পিছন দেখাতেই পারেন। কিন্তু সমস্যা সিনেমার বক্তব্য নিয়ে। লেনিনের পিছন নিয়ে নয়। সিনেমাটার নাম টরাস কেন? কারণ লেনিনকে ষাঁড় হিসেবে দেখানো হয়েছে। গোঁয়ারগোবিন্দ, অকালষেঁড়ে। লেনিন কি তাই ছিলেন? আর শকুরভের এর আগের সিনেমাটাই কী? না, মোলক। হিটলারকে নিয়ে৷ যে হিটলার সাজছে, সে-ই আবার লেনিন সাজছে৷ বক্তব্যেই গণ্ডগোল। প্রতিবাদ সেটা নিয়েই ভায়া।”“এ আপনার আজব যুক্তি শ্রীমন্তদা। যে হিটলার সাজবে, সে লেনিন সাজতে পারবে না? সে যুক্তিতে তো উৎপল দত্তের অমানুষে অভিনয় করাই চলে ... ...
শ্রুতি নাটক ; যা আমাকে তথাকথিত নাটকের পাশাপাশি ভীষণ ভাবে আবেদন করে। ......শিল্পীর গলায় যখন অভিনয়। .....শুধুমাত্র কণ্ঠস্বর কে হাতিয়ার করে নাটকের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা ...... নাটকের ব্যক্তিত্ব গুলি কে জীবন্ত করে তোলা। ...এসব কিছুই আমাকে মুগ্ধ করে ..... মন্তব্যে আমাকে শ্রদ্ধেয় স্যার - ম্যাডামেরা অনেক অনেক শ্রুতি নাটক পাঠিয়েছেন। ।.তাঁদের প্রতি আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ। ....খুব ভালো লেগেছে এঁরা প্রত্যেকেই শ্রুতি নাটক শোনেন ভালোবেসে ..... শ্রুতি নাটকের বিভাগ গুলির মধ্যে যা আমার বেশ দুরূহ বলে মনে হয়, তা হলো এককভাবে পরিবেশিত শ্রুতি নাটক। । একজন মাত্র শিল্পীর কণ্ঠস্বরই রাজত্ব করবে এক্ষেত্রে। ....একটি পূর্ণাঙ্গ নাটকের পরিবেশনা, নাট্যশৈলী সবই তাঁর কণ্ঠস্বরের দক্ষতায় ... ...
“অভয়া” কান্ডের এক বছর হয়ে গেল। বিচার ব্যবস্থা জনপ্রিয় হিন্দি ছবির সংলাপের “তারিখ পে তারিখ” ই হয়ে যাচ্ছে। অভয়া তাঁর কর্মস্থলে নির্যাতিতা ও খুন হয়ে ছিলেন। অত্যন্ত জঘন্য ও ঘৃণ্য ব্যাপার। যদিও বর্তমানের বাঙালি মেয়েদের অবস্থা এর থেকে কি খুব আলাদা কিছু? আমি মূলত: শহুরে মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা চাকরি – বাকরি করা মেয়েদের নিয়েই আলোচনা করব। “বিন্দু তে সিন্ধু দর্শন” বলে একটি বাংলা প্রবাদ আছে, সেই জন্য কোনও একজনের জীবন উন্মোচিত করলে সব মেয়েদেরই প্রকৃত আর্থ সামাজিক পরিস্থিতির আভাস পাওয়া যাবে। অনিচ্ছাকৃত মিলের জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন। বেশ কয়েকটি পর্ব লাগবে। সকালে শুধু চা খেয়েই সে রওনা হয়ে গেল হাসপাতালের উদ্দেশ্যে। মনটা ... ...
রিফট ভ্যালি বা চ্যুতি উপত্যকা হলো পৃথিবীর ভূ-ত্বকে সৃষ্ট একটি দীর্ঘ এবং গভীর ফাটল। দুটি টেকটোনিক প্লেট যখন একে অপরের থেকে দূরে সরে যায়, তখন এই ফাটল তৈরি হয়। এই ধরনের উপত্যকাগুলো সাধারণত সরু, লম্বা এবং গভীর হয়ে থাকে, যার দুপাশে খাড়া ঢাল দেখা যায়।কীভাবে রিফট ভ্যালি তৈরি হয়?রিফট ভ্যালি তৈরির মূল কারণ হলো টেকটোনিক প্লেটের সঞ্চালন। পৃথিবীর উপরের অংশটি কয়েকটি বিশাল টেকটোনিক প্লেট দিয়ে গঠিত, যেগুলো সবসময় খুব ধীর গতিতে চলাচল করে। যখন দুটি প্লেট বিপরীত দিকে সরে যায়, তখন এদের মাঝখানে একটি টান পড়ে, যার ফলে ভূমি ফেটে যায় এবং নিচে বসে যেতে থাকে। এভাবে ধীরে ধীরে একটি উপত্যকার ... ...
আজ যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম হাতিয়ার হল মোবাইল ফোন। আজকের দিনে কোনো আত্মীয় পরিজন, বন্ধু-বান্ধব বা অন্য কাউকে চিঠি লিখে তার উত্তরের প্রতীক্ষায় ডাক-পিয়নের পথ চেয়ে বসে থাকতে হয় না। এক সময় ডাকবিভাগের স্লোগান ছিল হাতে লেখা চিঠির জন্য, "চিঠি লিখুন কারণ ইহা স্থায়ী"। হাতে লেখা চিঠি আজ আর নেই,সময়ও নাই। সেই সময়ের চালচিত্র পেয়েছি আমরা কবি সুকান্তের কবিতায়, "কত চিঠি লেখে লোকে, কত সুখে, প্রেমে আবেগে স্মৃতিতে কত দুঃখ ও শোকে।" কিংবা গানের কলিতে "বলেছিলে তাই চিঠি লিখে যাই, কথা আর সুরে, মনবলে তুমি রয়েছো যে কাছে আঁখি বলে কত দূরে।" পৃথিবীর বহু ভাষায় “চিঠি” সাহিত্যের একটা বিশেষ স্থান দখল ... ...
"অভয়া" কান্ডের এক বছর হয়ে গেল। বিচার ব্যবস্থা জনপ্রিয় হিন্দি ছবির সংলাপের "তারিখ পে তারিখ" ই হয়ে যাচ্ছে। অভয়া তাঁর কর্মস্থলে নির্যাতিতা ও খুন হয়ে ছিলেন। অত্যন্ত জঘন্য ও ঘৃণ্য ব্যাপার। যদিও বর্তমানের বাঙালি মেয়েদের অবস্থা এর থেকে কি খুব আলাদা কিছু? আমি মূলত: শহুরে মধ্যবিত্ত শিক্ষিতা চাকরি - বাকরি করা মেয়েদের নিয়েই আলোচনা করব। "বিন্দু তে সিন্ধু দর্শন" বলে একটি বাংলা প্রবাদ আছে, সেই জন্য কোনও একজনের জীবন উন্মোচিত করলে সব মেয়েদেরই প্রকৃত আর্থ সামাজিক পরিস্থিতির আভাস পাওয়া যাবে। অনিচ্ছাকৃত মিলের জন্য আমাকে ক্ষমা করবেন। বেশ কয়েকটি পর্ব লাগবে।ফুলকি নিজেকেই সব কিছুর জন্য দোষারোপ করছিল। শুধু ই প্রার্থনা করে ... ...