প্রথম অভিযান (১২৭৪ খ্রিস্টাব্দে) :কোরিয়ার গোরিও রাজ্যকে নিজেদের বশ্যতা স্বীকার করাতে সফল হওয়ার পর কুবলাই খান ১২৬৮ সাল থেকে জাপানে দূত পাঠিয়ে বশ্যতা স্বীকারের দাবি জানান। জাপান সরকার এই দাবি প্রত্যাখ্যান করলে, ১২৭৪ খ্রিস্টাব্দে এক বিশাল নৌবহর নিয়ে মোঙ্গলরা জাপানে প্রথম অভিযান শুরু করে। এই বহরে প্রায় ৩০,০০০ সৈন্য ছিল, যাদের মধ্যে মোঙ্গল, কোরীয় এবং চীনা সৈন্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। মোঙ্গল বাহিনী প্রথমে সুশিমা ও ইকি দ্বীপপুঞ্জ দখল করে গণহত্যা চালায়। এরপর তারা হাকাতা উপসাগরে পৌঁছায় এবং জাপানি সামুরাইদের মুখোমুখি হয়। যদিও প্রাথমিক যুদ্ধে সামুরাইরা মোঙ্গলদের নতুন রণকৌশল, বিশেষ করে সম্মিলিত আক্রমণ এবং বিস্ফোরক অস্ত্রের কাছে কিছুটা পিছিয়ে ছিল, তবুও জাপানিরা প্রতিরোধ ... ...
( ১৯ ) অশ্বিনীর কথার নড়চড় হয়নি। কলতান সোয়া পাঁচটা নাগাদ দক্ষিণ দিকের গেট দিয়ে ঢুকে হাটখোলা সুইমিং ক্লাবের ওদিক থেকে একটু এগিয়ে দেখতে পেল দেশবন্ধুর মূর্তির সামনে অশ্বিনী তেওয়ারি দাঁড়িয়ে আছে। মনে হয় পাঁচটার মধ্যেই হাজির হয়ে গেছে। কাজের লোক কিনা, সময়ের দাম আছে। তাছাড়া ওর বাড়ি তো এখানে কাছাকাছি। বলেছিল তো সি ই এস সি অফিসের কাছে। অশ্বিনীকে দেখতে সত্যি আকর্ষণীয়। একটা কমলা রঙের ফুলশার্ট আর সাদা প্যান্ট পরেে আছে। পিঙ্গল আভাযুক্ত দুটো শান্ত চোখ। গাওয়া ঘিয়ের মতো গায়ের রঙ। গালে পাতলা রুখু শুখু দাড়ি। উচ্চতা অন্তত পাঁচ নয় ... ...
প্রিয় আত্মম্ভর আত্মময় আমি, তোমাকে সম্বোধনে এপর্যন্ত দুবার ত্রুটি হলো। জানি না, নিজেকে চিঠি লেখা যায় কিনা,আর গেলেও 'আমার আমি' কে 'তুমি' সম্বোধন করা আত্মমননশীল কথোপকথনে হতে পারে, পত্রালাপে তা সম্ভব কি? অজস্র ত্রুটির পর এও এক অনুযোগ।তবু তুলে নিয়েছি কলম এবং সরিয়ে রেখেছি ইত্যবসরে কাজললতা ও কুঙ্কুমের পূর্ণপাত্র। জানালার শার্সিতে এলিয়ে পড়েছে সুতির শাড়ির আঁচলের মতো রোদের ফালি, আর আমার নীলাম্বরীর আঁচলে হাজার বুটির সোনালী ... ...
আমার নিজেকে ইনটেলেকচুয়াল প্রতিপন্ন করার শখ প্রবল, আপনারই মত। এইটেই মিল বাকি সবই অমিল। গঙ্গা যমুনার মত। সন্দীপন যেমন এক ইনটেলেকচুয়ালকে চিনতেন, তিনি সাহিত্যের অধ্যাপক, চর্যাপদের সাহিত্য নিয়ে থান ইট গবেষনা-বই লিখতেন অর রবিবাবুর কবিতাগুলো কেন কবিতা হয়ে উঠতে পারল না, এই নিয়ে আলোচনা করতেন। এখানেও আমরা বেশীরভাগই উন্নাসিক, মুগ্ধ না হয়েও গঠনমূলক সমালোচনা করার মত পাঠক নেই। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই এলি উইজলির ডায়লগটা, ইনডিফারেন্স নিয়ে। গুরুচন্ডালীর সিংহভাগ সদস্য এলিট এবং .. যাইহোক আমিও ক্রমশ এদের মতই হয়ে উঠছি ভয় হয়। বিস্তর দেরীতে ঘুম থেকে উঠে পেটে একটা বিশ্রী অস্বস্তি নিয়ে ... ...
এই জীবনডারে লইয়া কি যে করিকিছুই বুঝিনাখালি ক্ষুধা আর ক্ষুধাদেহো কোনহানে, দুইডা ভাত জোটে কি না,খালি পেটে কেডা আর ভালবাসে রে ভাই!পেট ভরলেই ত মাথা ঠাণ্ডা,না হইলে ঘুমও আসে না, মনও থাহে খারাপসব ফালাইয়া দে, ঘুম দে একচোট,ভালবাসার খেতা পুড়িহেয় তো গ্যাছে অনেক রাত হইছেএহনওতো ফিরলো নামনে লয় খাওনের মত কিছু পায় নাই।এভাবেই গরীবের দিন যায়, মাস যায়, বছর যায়ওরা অপেক্ষায় থাকে একদিন খাবার মিলবে।আর এক দল অপেক্ষায় আছে নির্বাচনের…...নির্বাচনে জিতলে তারা নেতা হবেতাদের গাড়ি হবে, বাড়ি হবে, অঢেল টাকার মালিক হবেতাদের ছেলেমেয়েরা বিদেশে পড়তে যাবেগরীবরা আরো গরীব হবেতারা আবার অপেক্ষা করবে কবে নির্বাচন হবেদেশের নেতা পাল্টাবেতারা দুইমুঠো ভাত খেতে ... ...
মানে রোদ্দুর ভাল। আর ভাল বোকা বোকা থাকা। অল্প জানা, কখনও দিনের পরে দিন কিছু না জেনেই কাটিয়ে দেওয়া। গল্পের এক গল্পের দুই গল্পের তিন—এই নাও৪শিক্ষা দিতেই হবে। দিতেই হবে। যতই যা বলুক না কেন, এভাবে চলবে না কোনওমতেই। শিক্ষা দাও। বদলে যাক। নয়তো চোখ বুঁজুক... ৫তেমন কিছুই না। ট্রেন আসতে দেরী করছে বড্ড... আগে থাকতে জানা যায় না ভবিষ্যৎ, নইলে এই দিনে এখানে আসতামই না। ব্যাকরণ প্রিয়, যদিও অন্য উপায়েও আজকাল চালাক হওয়া যায়।৬যেদিন যেদিন জানবে বাজার যাব না, সেদিন সেদিন আমাকে ঘুম থেকেআরও পিছিয়ে ডাকবে। বিছানা ছাড়া আমি বাঁচতে পারতাম, যদি কেউ আমার স্বপ্নগুলো ভাল দাম দিয়ে কিনে নিয়ে যেত... ... ...
রেখার পরে রেখারঙ এর পরে রঙতুলির ছোঁয়ায় আঁকছে ছবিসেই কবে থেকেআজও এখন।বয়স তাহারতিন কুড়ি পারবিরাম নেই একটুকু যেআঁকতে হবে আরও কতছন্দ বিহীন বা ছন্দে রতঘর ভরিয়ে ছবি শতরাখছে তুলে নিজের মত।আমি শুধু দেখছি তাকেভাবছি বসে মন্দ নয়ঐ জনইতো আছে সহায়রঙ ধরিয়ে বেরঙ ঘোচায়। Copy right@ চন্দন ঘোষ ২৬/১২/২৪
(১৮) গোপেশ্বর হাজরা আর অশ্বিনী তেওয়ারি দুজনই বেশ মাই ডিয়ার গোছের লোক। ভর দুপুরে ওদের কথা মনে পড়ে গেল কলতানের। ভাবল, দুজনই বেশ আকর্ষণীয় এবং কৌতূহলপ্রদ, যাকে বলে ইন্টারেস্টিং অ্যান্ড ইনট্রিগিং। অফবিট ধাঁচের। দুজনের সঙ্গে একটু কথাবার্তা বলতে পারলে ভাল হত। কলতান জানে, কথাই কথা টেনে আনে। গোপেশ্বরের নম্বরে ফোন গেল। খুব তাড়াতাড়িই ফোন ধরল গোপেশ্বর। নীচু গলায় ছোট্ট করে ... ...
ইতিহাসকে দেখার জন্য প্রকৃতপক্ষে হাতের কাছে কয়েকটা চশমা রাখার প্রয়োজন। একেকটির স্বচ্ছতা একেকরকম, একেকটি দিয়ে একেকরকমভাবে ইতিহাসকে দেখা যায়। কোনো চশমা অনেকটাই ঝাপসা হয়ে এসেছে, কোনোটার বা ঔজ্জ্বল্য অমলিন রয়েছে। একই ইতিহাসকে দেখার জন্য নিত্যনতুন রকমের চশমাবদল করাটাই ঐতিহাসিকের কাজ। আসলে এবার তো আসার কথা উইলিয়াম মোরল্যান্ড ও উইলিয়াম আরভিনের কাজের আলোচনায়, তাহলে ধান ভানতে শিবের গাজন গাওয়া কেন? কারণ মুঘল যুগের প্রশাসনিক কাঠামো তথা সংস্কৃতিকে দেখার পদ্ধতির বিবর্তনটাও এখানে বোঝার জিনিস। যাক, যা বলছিলাম। উইলিয়াম মোরল্যান্ডের কাজের বিষয় হলো মুঘল ভূমিরাজস্ব ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক কাঠামো। বৃহত্তর সাম্রাজ্যকে ধরে রাখতে জমির ভাগ কীভাবে করা হতো, রাজস্ব সংগ্রহের পরিমাণ ও হিসাব কেমন ... ...
#দুয়ারে_ত্রাণ ২ দুয়েকটি কথাবিদ্যাসাগর বঙ্কিমচন্দ্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরবর্তী বাংলা সাহিত্যে গদ্যকার (প্রবন্ধ সাহিত্যে) বলতে প্রথমেই যাঁদের নাম আসবে, তাঁদের নাম ইদানীং রহস্যময় কারণে অনুল্লেখিত থাকে। কাজী নজরুল ইসলাম এবং সৈয়দ মুজতবা আলী। দুজন দুই ঘরানার গদ্যশিল্পী। এরপর রাশিয়ান ব্যালে শিল্পীর মতো যিনি গদ্যকে নিয়ে অনায়াসে খেলা করেছেন, সেই অশোক মিত্র, তাঁর একদা প্রায় তিন গুরু-- ধূর্জটিপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, জীবনানন্দ দাশ, বুদ্ধদেব বসু; সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বিষ্ণু দে, রবীন্দ্র ভাবাদর্শী প্রমথ চৌধুরী, কবি শঙ্খ ঘোষ, ঐতিহাসিক হীরেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়, নাট্যকার উৎপল দত্ত, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, বাংলাদেশের আহমেদ ছফা, আহমেদ শরীফ, সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী গদ্যকারদের শিক্ষক। বলা ভালো, তর্জনী তোলা বিদগ্ধ অধ্যাপক। অন্নদাশঙ্কর রায়, এস ... ...
পাথর ভেঙে ঝরনা কবে ঝরবে! আমার চাই তার ঠিকনা পাথুরিয়া পাথর আমার ভাঙবে। আমার যত বুকের ক্ষত, নদীর জলে ঢাকবে। মেঘের পরে মেঘের পরত, গুমরে আছে সাঁঝ সকাল, সেই চাতকি আসবে কখনবৃষ্টি কখন ঝরবে? গভীর গহন মনের বনেরাত্রি কালো আঁধার কবে ঘুচবে?
যে কোনো বিষয়ে অবিরত বিতর্ক এবং আলোচনা থেকেই চিন্তাভাবনা সমৃদ্ধ হয় বলে চিরকাল শুনে আসছি। বিষয়টি অমীমাংসিত থাকে বলেই নানারকম মতামত উঠে আসে। অমীমাংসিত এই অর্থে বলছি যে কোনো মতই সমাজের সমস্ত স্তরে গৃহীত হয় না।মতামতের হাজার ক্রিয়া এবং প্রতিক্রিয়ার ভেতর দিয়েই সময় এগোয়, সভ্যতা অগ্রসর হয় কিন্তু কোথাও পৌঁছয় না। বিতর্ক ও বিবাদ চলমান সভ্যতার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। সবাই একটি সিদ্ধান্ত মেনে নিল মানেই তো নতুন চিন্তাভাবনা বলে কিছু নেই। সেটাই তো সভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তির মরণ। সভ্যতার অগ্রগতি মানে তো ক্যালেন্ডারে নতুন বছর যোগ হওয়া নয়। সভ্যতার অগ্রগতি মানে চিন্তাভাবনায় এগিয়ে যাওয়া যা হাজারো স্তরে নানা রকম এবং কখনো না থামা বিতর্ক ... ...
আমেরিকান কবি Charles Bukowski'র 'লাভ ইজ আ ডগ ফ্রম হেল'(Love is a dog from Hell) কবিতার বই থেকে আমার প্রিয় ২টি কবিতার( this poet, me) অনুবাদ এখানে দিলাম। এগুলো অনুবাদ করার মাঝেও দারুণ আনন্দ কাজ করে। বুকোওস্কি এক অদ্ভুত মাতাল অবস্থা'র স্রষ্টা। কবিতা যে দৈনন্দিন জীবনের সকল ঠুনকো, স্থুল কিংবা মোটা দাগে যদি বলি অশ্লীল বিষয়ের মাঝেও ভীষণ ভাবে অন্তর্গত থাকে, তা বুকোওস্কির কবিতায় আমি জেনেছি। জেনেছি, বস্তির মজ্জাগত ভাষাতেও আছে ব্যঞ্জনা আছে কবিতার নান্দনিকতা। তাঁকে ভালো লাগে, তাঁর সহজ সরল ভাষার প্রয়োগের জন্য। খুব বেশি ভূমিকা করবো না। চলুন নরকের থেকে আগত ভালোবাসা নামক কুকুর'কে জানার চেষ্টা করি! ১/এই কবি***এই ... ...
“স্বভাব যদি সুড়ঙ্গ হতে চায় তবে তাকে তাইই হতে দেওয়াই ভাল। যখন শীত আসে, তখন বরফের কথা মনে পড়ে, আর যখন বসন্ত আসে...” সংকেত থেমে গেল। এও এক অভ্যেস সংকেতের মাঝেমধ্যেই কথার মাঝখানে চুপ হ’য়ে যাওয়া। কথার মূল সুর হারিয়ে ফেলা। চেষ্টা করে প্রতিবার যাতে এমনটি আর না হয় কখনও, কিন্তু পারে না। তাই আবার রোশনাইকেই মুখ খুলতেই হল, “হঠাৎ থেমে গেলে যে?”“থামিনি। ভাবছিলাম।” ব’লে সংকেত গুনগুন করতে লাগল, “ছায়া ঘনাইছে বনে বনে...”“কী ভাবছিলে?” রোশনাইও ছাড়বার পাত্রী নয়।“ভাবছিলাম যে, বসন্তের বয়েস আর বিচ্ছেদের বয়েস খুব কাছাকাছি।”“কেমন ক’রে?”“যেমন ক’রে কবিতা আর তার ছন্দ। যেমন ক’রে গদ্য আর তার লাবণ্য। যেমন ক’রে উপকার ... ...
A game is never won until it's won . বছর ছয়ের অমর্ত্য বসু . বাড়ি চাঁদপাড়ায় . Chess clock নিখুঁত ভাবে বজায় রেখে দুর্দান্ত এক - একটা rapid খেলে দেয় . বাচ্চাগুলো যখন খেলে ওদের থেকে শেখার চেষ্টা করি . ওর থেকে শিখলাম প্রথমেই বড্ডো বেশি গভীর চিন্তা করে ফেলি আমরা . অমর্ত্য কিন্তু প্রথমেই বোর্ডে দ্রুত চারপাশের থ্রেট ও সম্ভাবনাগুলো ভালোভাবে দেখে নেয় . ওর মস্তিষ্ক তখনই বিশ্লেষণ করতে শুরু করে দেয় - চেক ? নাকি ক্যাপচার ? নাকি থ্রেট তৈরির চেষ্টা ? তখনই খুব স্থিরভাবে ধাপে ধাপে ক্যালকুলেট করতে শুরু করে প্রতিপক্ষের বেস্ট মুভ কী হতে পারে . একসাথে ... ...
( ১৭ ) আবার একবার তমালের শরণাপন্ন হতে হবে, কলতান ঠিক করল। শ্যামলকান্তি চৌধুরীর থেকে সংগৃহীত স্যাম্পেলগুলো তাকে দিতে হবে। এগুলো নিয়ে এখনই সে নাড়াচাড়া করতে চাইল না। আগে তমালের রিপোর্ট আসুক, তারপর দেখা যাবে। তমালের ফোন নম্বর ডায়াল করল কলতান। কিন্তু চট করে যোগাযোগ করা গেল না। কিছুক্ষণ রিং হবার পর লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছিল। অনেকক্ষণ চেষ্টার পর শেষ পর্যন্ত অবশ্য তমালকে ধরা ... ...
দাবা খেলার জগতে পা রাখা ছেলের হাত ধরে। তার আগে ওই, পাশে মুড়ি সিঙাড়ার বাটি নিয়ে চা এ চুমুক দিতে দিতে বাবার সঙ্গে খেলার আসর বসানো ভর সন্ধ্যায়। দাবায় আমি বরাবরই হারি। হার আমার অনিবার্য। লক্ষ্য করে দেখেছি, খেলা যত এগোয়, স্নায়ুর চাপ ততো বাড়ে এবং আমি তা সামলাতে পারি না এবং অনিবার্যভাবে হারি। কিংবা ম্যাচের শুরু থেকে মাঝপথ পর্যন্ত খেলে এন্ডগেমে এসে হোঁচট খাই। কারণ ধৈর্যচ্যুতি ... ...
আমি এখনও ধরতে পারছি না, ঠিককীভাবে লিখব তোমাকে... ১বাড়ি থেকে বেরোনো যায় না, যদি পাড়ার রাস্তায় উচিতের চেয়ে বেশি জল জমে থাকে। ঘরে থাকতে চাইলে আগে ঘরের আবহাওয়া নিয়ে ভাবতে হয়। ডাক্তার দেখাতে শহরে আসা, নিজের শহরে ফিরে যাওয়ার আগে পছন্দের মিষ্টি, অপছন্দের ফল আর বড্ড আপত্তিকর ফুল নিয়ে তবেই বাসে ওঠা। বাস যতক্ষণ না তার চাকা এগোতে শুরু করছে, ততক্ষণে ভেবে নেওয়া বয়েসের গতি আর মনের হাঁটাচলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে। কোথায় কবে কী হয়েছে, কোথায় কবে কী হয়েছিল, কোথায় কবে কী হতে পারে, কোথায় কবে কী না হতে হতে হয়েই যাবে– সেও কি কম চিন্তার? চিন্তা নিজে চিন্তা করবেই, সেই কারণে ... ...
জুলিয়াস সিজার গর্বভরে বলেছিলেন, 'Veni, Vidi, Vici.' অর্থাৎ কিনা 'আসিলাম,দেখিলাম,জয় করিলাম।' ভারতের ক্ষেত্রে শোনা যায় ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে ইব্রাহিম লোদীর পরাজয়ের মাধ্যমেই একচ্ছত্র মুঘল শক্তি তাদের রাজত্ব কায়েম করে।অবশ্য বাবরের 'সন্ততি' মোটেও স্বপ্নে থাকেনি, শেরশাহ তাঁকে বেশ বিপাকে ফেলেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে মুঘলদের কেন্দ্রীয় শাসন ও সাম্রাজ্যবিস্তারের প্রক্রিয়া ছিলো ব্যাপক ও সুদূরপ্রসারী। অর্থাৎ মুঘলবাহিনীর আক্রমণের সামনে অন্যান্য শক্তিগুলি 'ঝড়ের পাখি'-র মতো উড়ে ... ...