(২৭) দেবপ্রভ, ঋতাভরী আর কলতান তিনজনই চুপচাপ বসে আছে। কেউ কোন কথা বলছে না। আসলে, এই মুহুর্তে কোন নতুন কথা উঠে আসছে না। কথা হয়ত তৈরি হচ্ছে ভিতরে ভিতরে। বেশ গুমোট পরিবেশ। কলতান তার মোবাইল খুলে কী একটা দেখতে লাগল মন দিয়ে। ঋতাভরী গালে হাত দিয়ে বসে কী ভাবছে। দেবপ্রভ একবার ভিতরে গেল। বোধহয় টয়লেটে। আবার ফিরেও এল। প্রায় মিনিট সাতেক কাটল। এবার যেটার জন্য কলতান অপেক্ষা করছিল সেটা ... ...
রিল হল এই সময়ের সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। দিনের শেষে ফেবু খুলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটো খবর সামনে এল। দুটোই রিল মারফত। এক, অপরাজিতা আঢ্য বলেছেন, তিনি নিজেই তাঁর ঠাকুমা। সমস্যা কিছু নেই, ব্যাপারটায় জন্মান্তরের কলকাঠি আছে। দুই, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, অর্পিতা তাঁর বান্ধবী। কী ভাগ্যিস বললেন। কোনো সন্দেহ নেই, এই দুটোই খুব গুরুত্বপূর্ণ খবর। পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরটা দেখলাম এবিপিতে। যিনি সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন, তিনি আবার ধরিয়ে দিলেন, আপনি তাহলে সদর্পে বলছেন? কোনো ঝুঁকি নেবেন না আরকি। বাইচান্স যদি পাঞ্চ কম হয়, তাহলে রিলের কাটতি কম হবে। জবাবে উনিও বললেন, হ্যাঁ, সদর্পে বলছি। বীরের প্রতি বীরের যেরকম ব্যবহার। সেটা তারপর রিল হয়ে গেল। শ্রীজাত বোধহয় লিখেছিলেন, জয়সূর্য যখন খেলতে নেমেছিলেন, প্রথম দিকে লোকে বলত, এটা আবার ক্রিকেট নাকি? তারপর একদিন ওইটাই ক্রিকেট ... ...
https://imgur.com/a/4m8ypOE লেখা হল সমুদ্রতটে আছড়ানো ঢেউ, সেটাই কখনো সুরে সুরে গান বা ভীষণ কাছ ঘেঁষা সুরে কবিতা হয়ে ওঠে l অনেকগুলি কবিতা প্রকাশ করবো এই কবিতা কোলাজে | কেমন লাগলো পড়ে জানাবেন আপনাদের মতামত লেখার উৎসাহ কে বাড়িয়ে দেবে
রাসের আলো নিভলেই যে গল্পের শুরু অয়ন মুখোপাধ্যায়রাত একটা পেরিয়ে গেছে। রাসের মেলার ভিড় তখনও কমেনি। আমি, রানা আর অরিন্দম — তিনজন বহুদিন পরে একসাথে মেলার ঢাকের আওয়াজের ভেতর দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছিলাম তারপর অনেক রাত্রে বাড়ি ফেরার পথে রাসের ভিড় দেখে মনে হল, গ্রামটা আর আগের মতো নেই। আমাদের শৈশবের শ্রীপুর বলাগড়কে মনে পড়লে আজকের এই ভিড়কে অচেনা লাগে — যেন গ্রামের শরীরে শহরের ছায়া ঢুকে পড়েছে এবং সেই ছায়াই এখন আসল রূপ নিচ্ছে। জনপদের অন্তর্গঠন বদলে যাচ্ছে — পোশাক আশাক হাঁটার ধরণ, কথার গতি, সম্পর্কের ভঙ্গি, উৎসবের ভাষা সবই আলাদা। গোপনে, অদৃশ্য সুড়ঙ্গ দিয়ে শহর প্রবেশ করেছে এই গ্রামে। তবু ... ...
আজ একটু বেলায় ধীরে সুস্থে বেরোলাম বারাসাত যাব। আমাদের একটি দল আছে, বছর তিন হল প্রত্যন্ত গ্রামে যাই একটু পাশে দাঁড়ানোর তাগিদ নিয়ে। সেই সংক্রান্ত মিটিংয়ে যোগ দিতে যাচ্ছি। বিশেষ তাড়া ছিল না। বাস ধরে দমদম ক্যান্টনমেন্টে নেমে রিটার্ন টিকিট কেটে ওভার ব্রিজ থেকে নামতে নামতে ট্রেন ঢুকে গেল। সামনে লেডিজ পেয়ে উঠে গেলাম, বনগা লোকাল। বসলাম গিয়ে যাদের মাঝে তাঁরা তখন ভোর সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে কলকাতার বিভিন্ন ফ্ল্যাটে ... ...
৩০ শে জানুয়ারী, ২০১০ ...সৃজন আয়োজন করলো ' Sixth Youth Poetry Festival ' ....কলকাতার সমস্ত কলেজ আর ইউনিভার্সিটি থেকে সৃজন বেছেছিলো ৬২ টা কবিতা (ইংরাজী ও বাংলা মিশিয়ে ) .. কি করে জানি আমার ছোট্টো চার পঙতির লেখা টা জায়গা করে নেয় .. বাছাই এর দায়িত্বে ছিলেন শ্রীজাত, উৎপল কুমার বসু প্রমুখ রা ......poetry festival এ ছিলো নিজের লেখা পড়ে শোনানোর পালা .......আজ এতো বছর বাদে হঠাৎ পুরোনো কবিতার খাতায় ... ...
লিখবো লিখবো করে আর লেখা হয় নানিরবে সময় বয়ে যায়তুমি একদিন আকাশ হতে চেয়েছিলেআমি বলেছিলাম তুমি আকাশ হলেআমি তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখবোমনের সমস্ত কথা লিখে পাঠিয়ে দেবো শুধু তোমার কাছেতুমি আকাশ হয়েছো, তবে আমার না অন্য কারোআমি আজও কবিতা লিখিতবে সেগুলি তোমাকে নিয়ে নাবস্তির শিশু, রাস্তার ফকির এরাই আমার কবিতার নায়কঘুমন্ত বাচ্চা রেখে রাতের অন্ধকারে যে মা দেহ বিক্রি করেযে বাবা সারাদিন রিকশা চালিয়ে ক্লান্ত দেহে ঘরে ফিরেওদের সুখ দূঃখ কষ্ট আমি ভাগাভাগি করে নেইওরাই আমার প্রিয়জনতুমি কি কখনও ছোট্ট শিশুর নিষ্পাপ হাসি দেখেছোপেটপুরে খাওয়ালে একজন ক্ষুধার্ত মানুষকেদেখতে কেমন লাগে জেনেছো কোনদিনতুমি এসব কেমন করে জানবেথাকো দশতলায়,এসি রুম,সব সময় গাড়িতে ... ...
এই আর্টিকল #: 33525ইথোলজি (Ethology) এবং সভ্যতার এই সময়ের নানাবিধ চিত্রাংশ —- ✍️ ০৯/১১/২৫ ন্যায় পাওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের, মুষ্টিমেয় কিছু ব্যক্তির নয়। একশো শতাংশ সত্য। কিন্তু অগণিত মানুষের বয়স হয়, জীবন চলে যায় তবুও ফয়সালা পান না বা মামলার নিষ্পত্তি হয় না।মানুষের ইথোলজি শুরু হয়েছিল প্রাণীজগতের আচরণবিজ্ঞানের ধারাবাহিকতায়, পরে তাতে সংস্কৃতি, সমাজ, ও মানসিক উপাদান যুক্ত হয়েছে। আধুনিক ইথোলজি তাই মানুষের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক দিকের প্রতিফলন বোঝার চেষ্টা করে। মানুষ শুধুমাত্র জৈবিক চাহিদা দিয়ে, হিংসা বিদ্বেষ নিয়ে তৈরি নয়। তবে এখনও মানুষকে পশুর মতো হিংস্র করে তৈরি করার উপকরণের অভাব নেই রাজনীতিতে! আধুনিকতার নামে ইথোলজির নানাবিধ চিত্রাংশ, গণতন্ত্র, রাজনীতি এবং স্বাধীনতার আপাতত বয়স ... ...
মামাবাড়ী নিয়ে একটু লিখি। বিহারের এক ছোট্ট মফস্বল: শহরে আমার মামাবাড়ী। সেখানেই আমার আর দাদার জন্ম। খুব ছোট তখন মনে আছে আবছা, ট্রেন থেকে নেমে বালি ভেঙ্গে অনেকখানি হেঁটে স্টীমার (সমস্ত স্টীমার আমের গন্ধে ম ম করত। আর তার সঙ্গে নীলচে সবুজ ঢন ঢনে মাছি। আজকাল আর আম কাঁঠালের সময় সে মাছি দেখিনা!) ধরে অন্য পাড়ে গিয়ে আবার ট্রেনে চাপতে হত। তখন ফারাক্কা ব্রিজ হয়নি। ছোট্ট আমি বাবার কোলে, বাবার মাথায় গামছা। কুলির মাথায় বাক্স প্যাটরা। প্রখর রোদ্দুর। কারণ গরম কালেই আমাদের মামাবাড়ী যাওয়া হত। ওটা যে আম লিচুর রাজ্য!একটু বড় হলে দার্জিলিং মেলে করে বর্ধমান থেকে সোজা মামাবাড়ী। ভোরবেলা ... ...
সেই ছেলেবেলা থেকে প্রকৃতির নানা রূপ আমাকে মুগ্ধ করত। শরতের বৃষ্টি ধোয়া ঝকঝকে নীল আকাশ। কষকষে সবুজের বৈচিত্র্য, নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা মনকে আনমনা করে তুলত। মনে হত কোন জন্মের কোন অচিন পুরের হাতছানি। আবার পূর্ণ চাঁদের আলোয় গভীর রাতে ছাদে উঠে আমাদের শতাব্দী পুরনো শহরটাকে কেমন যেন মনে হত যেন এক স্বপ্নপুরী। মনের মধ্যে কেমন আকুলি বিকুলি করত কিন্তু সেই ভাব প্রকাশের কোন পথ আমার জানা ছিলনা। আবার হঠাৎ করে চারিদিক অন্ধকার হয়ে, সূর্য্য কে ঢেকে দিয়ে ধেয়ে আসত কালো দিগন্ত ব্যাপী মেঘ সঙ্গে করে নিয়ে আসত ঝোড়ো বাতাস। কালবৈশাখী দেখতে সবাই ছুটতাম ছাদে। প্রথম বৃষ্টির ঝরে পড়া ... ...
এই আর্টিকল #: 33520সত্য ও জীবনের কঠিন সংঘাত—- শংকর ভট্টাচার্য্য ✍️ ০৮/১১/২৫ সত্য ও জীবনের কঠিন সংঘাত –জীবন চলতে চায় সত্য এড়িয়ে কিন্তু সত্য জড়িয়ে রাখে জীবনকে। ক্ষমতা লোভী অগ্রসর হয় জীবন ও সত্যকে মাড়িয়ে।নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়,সহিংসতার আশ্রয় নেয়। তাই দেখে সত্য থেকে বুদ্ধিজীবী সরে যায় তার জীবন বাঁচানোর চেষ্টায়মত পাল্টায়,সত্য ও জীবন – দুই তখন বেকায়দায়, বুদ্ধিজীবীর এই দুরাবস্থাই ক্ষমতা লোভী চায়। সহিংসতার হুমকিতে সাধারণ মানুষ সরে না সত্য থেকে।ক্ষমতা লোভীর হিংস্রতা ক্রমশ যখন বৃদ্ধি পায়সত্য-কে নিজের মধ্যে আত্মগোপনে সাহায্য করে থাকে সাধারণ মানুষেরা তাদের চেতনায় থাকে সত্যের জন্য সুরক্ষিত ঘরসত্যের জন্য দাম দর কষাকষি বুদ্ধিজীবীদের মতো করে না। পৃথিবীতে রাষ্ট্র জন্ম থেকেই অস্ত্রধারী,সমাজের কোনো স্তরে ... ...
এই আর্টিকল #: 33518মূল লেখাটি: জননী মাতরম্—- শংকর ভট্টাচার্য ✍️ ০৭/১১/২৫জাতপাতর মধ্যে ফেলে জাতিকে মন্ডলাকারং নয়,জাতপাতের নহে বন্দেমাতরম। জাতপাত হিংসা বিদ্বেষ ছড়িয়ে হয় না কভু দেশ সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাম্ শ্যস্যশ্যামলাং।জাতপাত হিংসা বিদ্বেষ জয়, জাতির পরিচয়— সেই পরিচয়ই শুভ্র-জ্যোত্স্না-পুলকিত-যামিনীম্ফুল্লকুসুমিত-দ্রুমদলশোভিনীম্সুহাসিনীং সুমধুরভাষিণীম্সুখদাং বরদাং মাতরম্ ॥ বন্দে মাতরম্ ॥ মা তোমার ধর্মের নামে —মানুষকে অশিক্ষিত রেখে,জাতপাত অস্পৃশ্যতা কুসংস্কারের কাছে জ্ঞান বিজ্ঞান পরাজিত হয়, তখন রাজনীতি ভন্ডদের দ্বারা পরিচালিত হয়,মিথ্যে বলে তোমাকে মা বলে প্রচার করলেও, তখনো মা তুমি "সপ্তকোটি (সাত কোটি) কণ্ঠের কলকল নিনাদে মুখরিত, এবং দ্বিসপ্তকোটি (চৌদ্দ কোটি) বাহুর দ্বারা তুমি খড়গ ধারণ করে থাকো, কার্যত তুমি কিছুই করতে পারো না। হে জননী, তুমি এত দুর্বল কেন?"। [এই উক্তিটি "বন্দে মাতরম্" গানের ... ...
অধ্যায় এক : নিষিদ্ধ ছন্দের রাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্র বলল —তুমি খুব বেশি উচ্চস্বরে ভাবো।আমরা ভয় পাই।তোমার কবিতার ভেতরে বোমা আছে,তোমার মাইক্রোফোনে বিপ্লব। আমি বললাম —ভয় কোরো না,আমি শুধু মানুষদের কান ফেরত দিচ্ছি। রাষ্ট্র ফাইল খুলল —পাবলিক সিকিউরিটি,আর্টিকল ১৩৭,"অতি সংবেদনশীল কণ্ঠ।" আমি তবু গাইলাম —একটা রুটির গান,একটা নদীর গান,একটা মৃত শ্রমিকের গান। রাষ্ট্র লিখল —এইসব শব্দে রাষ্ট্রবিরোধী গন্ধ আছে আমি হাসলাম —কারণ গন্ধও একধরনের বিপ্লব। অধ্যায় দুই : শব্দের নাগরিকত্ব রাষ্ট্র বলল —এই শব্দ আমাদের নয়।এই ভাষা বিদ্রোহী।তুমি কেন বাংলায় গান গাও? আমি বললাম —কারণ আমি বাংলায় জন্মেছি,আমার কান এখনো মাটির আওয়াজ চেনে। রাষ্ট্র কপাল কুঁচকাল —হিন্দি হিন্দু হিন্দুস্তান,তুমি ... ...
আত্মার আত্মীয়রা আস্তে আস্তে দূরে সরে যায়বন্ধু বান্ধবরা সবাই ব্যস্তদিনদিনই দূরত্ব বাড়তে থাকেরাজনীতি ফেইসবুক এসব নিয়েই পরে থাকিকে কার খবর রাখেমাঝেমধ্যে হঠাৎ খবর পাই অমুক আর নেইরেকিছুক্ষণ এর জন্য থমকে দাড়াইফিরে যাই অতীতেআবার আগের মতই চায়ের কাপে চুমুকসিগারেটের ধোয়া উড়াইসবকিছু ভুলে ঝাপিয়ে পড়ি জীবন যুদ্ধেসবার সাথে দূরত্ব বাড়তে থাকেএকসময় একদম একা হয়ে যাইওরা ভান করে খুব সুখে আছেঅথচ সারারাত বিছানায় গড়াগড়ি ঘুম নেই চোঁখেপ্রায়ই হাসপাতালে দৌড়াদৌড়িকারো সাথেই যোগাযোগ নেইবেঁচে আছে বেঁচে থাকার জন্য, কে কার খবর রাখেএকটাই অজুহাত, খুব ব্যস্তরে, কাজের চাপে একদম সময় পাই নাহ্যা, আমরাও বুঝি, একদিন এই ব্যস্ততার মাঝেইহুট করে আমাদের ছেড়ে চলে যাবিরেখে যাবি আমাদের জন্য ... ...
বাঙালির জীবনের আটটি বিভীষিকা। ১৭৪০-৫০ মারাঠা বর্গি হামলা। লুঠ ধর্ষণ হত্যা। ১৭৫৭ পলাশিতে বেইমানি করে সিরাজের পতন। কারিগর ও বাঙালি অর্থনীতির মহা ধ্বংস শুরু। ১৭৭০ মন্বন্তর নয় সুপরিকল্পিত গণহত্যা। তিন কোটির মধ্যে এক কোটি মানুষ না খেয়ে মারা গেলেন। ইংরেজদের কর আদায় কিন্তু কমেনি। বেড়ে গেল। ১৯৪৩ মহা দুর্ভিক্ষ। ৫০ লাখের বেশি মানুষকে না খাইয়ে মারল ইংরেজ ও ভারতীয় রাজস্থা... লবি। ফ্যান দাও আওয়াজ। ১৯৪৬ কলকাতা /নোয়াখালি দাঙ্গা। ১৯৪৭ বাংলাভাগ। দেড় কোটি মানুষকে ঘরবাড়ি ছাড়তে হল। পূর্ববঙ্গ থেকে এলেন ৭০ লাখ। চলে যেতে হল ৭২ লাখ মানুষকে। কলকাতার মুসলিম জনসংখ্যা ৪৪.১৪% থেকে কমে ১৯৫১-তে ১০% হয়ে গেল। পূর্ববঙ্গেও হিন্দু জনসংখ্যা কমল। ১৯৭১ গণহত্যা। লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করল পাকিস্তানের শাসক ... ...
এনিউমারেশন ফর্মে (বিশেষ নিবিড় সংশোধন – Special Intensive Revision) এই আর্টিকল #: 33511পাদটীকা:আমি এই বিষয়ে সচেতন যে, এই আবেদন সংক্রান্ত কোনো বিবৃতি বা ঘোষণা যদি মিথ্যা হয়, বা আমি মিথ্যা বলে জানি, বিশ্বাস করি, অথবা সত্য বলে বিশ্বাস না করি, তবে তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫০ (ধারা ৩১, আইন নং ৪৩/১৯৫০) অনুসারে ১ বছর পর্যন্ত কারাবাস, অথবা জরিমানা, অথবা উভয়ভাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।— ভোটে যারা এম এল এ বা এম পি প্রার্থী হয় তাদের সতর্ক করে নোমিনেশন ফর্মে উল্লেখ থাক নিম্নের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনটি পষ্ট ভাবে। প্রস্তাবনা:আমাদের দেশের সংবিধানকে মান্যতা দিয়ে যদি কোনো জনপ্রতিনিধি—সত্য জেনেও মিথ্যা ঘোষণা দেন,অথবা ধর্ম, জাতপাত, হিংসা ও বিদ্বেষের ... ...
ভাইকিং সভ্যতা ইউরোপীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রায় ৮ম থেকে ১১শ শতাব্দী পর্যন্ত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান নর্স জাতিগোষ্ঠী দ্বারা গঠিত হয়েছিল।
(২৬) কলতান দেবপ্রভর দিকে তাকিয়ে বলল, ' মিস্টার রাহা, আপনি নিশ্চয়ই ভাবছেন আমি এত কথা জানলাম কি করে... ' দেবপ্রভ সোফায় হেলান দিয়ে ধূমায়িত সিগারেট হাতে নিয়ে নিষ্পলকে দুর্বোধ্য দৃষ্টিতে কলতানের দিকে তাকিয়ে রইল। সিগারেটের ছাই ক্রমশ লম্বা হতে হতে টুপ করে খসে পড়ল তার কোলের পাশে। তার কোন খেয়াল আছে বলে মনে হচ্ছে না। কলতান ভাবল, হয় কোন অবসেসিভ ডিসঅর্ডার সেট ইন করেছে আর নয়ত এ ব্যাটা মহা ধুরন্ধর খেলোয়াড়। সে বলল, ' আপনাদের স্বচ্ছলতা কিছু কম নয়। রাজারহাটে আট কাঠা জমি ... ...
দেখে যাওয়াপ্রসূন০৫/১১/২৫ পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া মানে শুধুই শ্বাস নেওয়া নয়; মানে - জেগে ওঠা।জেগে ওঠা সেই অনন্ত দৃশ্যের ভিতরে,যেখানে আলো কেবল অন্ধকারের বিপরীতে নয়, বরং আত্মার ভেতরেও প্রতিদিন নতুন ভোর জন্ম দেয়। আমি দেখি ......নীল আকাশ, সাদা মেঘের ভেলা,আমি তাকাই পাহাড়ের দিকে, তাতে সবুঝের মেলা।দেখা মানে শুধু চোখে ধরা নয়,বরং অনুভব করা—কীভাবে নদী তার স্রোতে নিজের মৃত্যুকেই বহন করে বেঁচে থাকে,কীভাবে গাছ নিঃশব্দে শেখায় স্থিতি মানে অনন্ত গতিও হতে পারে। দেখা মানেমহাবিশ্বের ভাষা শেখা—যে ভাষা কোনো বইয়ে নেই,যে ভাষা কেবল নিঃশব্দ মন বুঝতে পারে।দেখা মানে জীবনের অর্থের সন্ধান, তাকে বোঝার তৃষ্ণা। আমি বিশ্বাস করি, জীবনের আসল লক্ষ্য কোনও পাহাড়চূড়ায় পতাকা গোঁজা নয়,বরং সেই পাহাড়ের ঢালে হাওয়ায় ... ...
ধানসিড়ি নদীটির তীরে আবার ফিরে আসতে চান জীবনানন্দ দাশ। রাষ্ট্রদ্রোহী? গঙ্গা আমার মা, পদ্মা আমার মা -- গেয়েছেন ভূপেন হাজারিকা। রাষ্ট্রদ্রোহী? মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু মুসলমান লিখেছেন নজরুল ইসলাম। রাষ্ট্রদ্রোহী? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তো অবশ্যই রাষ্ট্রদ্রোহী। আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি--কেন লিখেছেন?. তাও সহ্য করা যায়? পাকিস্তানে গেছে সিন্ধু নদী। তার নাম আছে। সব জলের বাঁধ ভেঙে দেওয়ার জন্য 'মুক্তধারা' নামে নাটক লিখেছেন। জাতপাত কুসংস্কার ব্রাহ্মণ্যবাদের বিরুদ্ধে লেখা লিখেছেন। মন্দিরে শুয়োরের ঢোকা সমর্থন করে গল্প লিখেছেন। বামুন বাবার মুসলমান সন্তানকে স্বীকৃতি দেওয়ার গল্প প্রসব করেছেন। বিধবার বিয়ে দিয়েছেন। বকরিদে গোরু কুরবানি করতে দিয়েছেন নিজের জমিদারিতে। মুসলমান ছেলে সৈয়দ মুজতবা আলীকে শান্তিনিকেতনে পড়াশোনা করার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন অন্যদের আপত্তি অগ্রাহ্য করে। শান্তি ... ...