( ২৩ ) দেখতে দেখতে শীতকাল চলে এল। পুজোর পরে প্রতিবিম্ব মাসখানেকের জন্য আমেরিকা থেকে ঘুরে এসেছে। আমেরিকা থেকে ফিরে ওরা দার্জিলিং গিয়েছিল। ওখানে অবশ্য তেমন ভাল কাটেনি। বাবাই জ্বরে পড়ে গেল। কোনরকমে ট্যুরটা সেরে কলকাতায় ফিরে এসেছে। জাঁকিয়ে শীত পড়েছে এবারে। ওয়েলিংটন স্কোয়্যারের মতো হেদুয়ার বাইরে রেলিংয়ের গায়ে ভুটানিরা শীতের জামাকাপড়ের দোকান দিয়েছে সারি দিয়ে। প্রতিবছর ওরা আসে এই সময়ে মাস দুয়েকের জন্য। জায়গাটা আলো করে রাখে ওরা। দেখতে বেশ লাগে পাহাড়ি মানুষগুলোর এই ক'দিনের রঙীন দোকানপাট। এখানেই একদিন কাবেরীর সঙ্গে দেখা হয়ে ... ...
[ গল্পটি প্রাপ্ত-মনস্কদের জন্য!!! ] ***** ব্যাপারটা এইরকম ঘটতে পারে, তা আমি আন্দাজ করি নাই। তবে আমরা যা আন্দাজ করি না, তা-ই আমাদের জীবনে চইলা আসে কালবৈশাখীর মতো। এইজন্যই হয়তো আল্লার দুনিয়াটা এতটা অসম্ভব আনপ্রেডিক্টেবল। ব্যাপারটা এইরকম, গত সপ্তাহে আমি আমার বেস্ট ফ্রেন্ডের বউরে উঠায়া নিয়ে আসছি। নাহ। উঠায়া নিয়ে আসছি কথাটা ঠিক হইলো না। বলা যায়, ভাবীর সম্মতিতেই আমি তারে বিবাহ করে আমার বাগানবাড়িতে নিয়ে আসছি। বাগানবাড়িতে উঠছি কারণ মূল বাড়িতে আমার প্রথম পক্ষের মেয়েরা তাদের সৎমাকে ডিজকোয়ালিফাই করছে। বাপ্পীর সাথে আমার বন্ধুত্ব ৪৫ বছরের। এখন আমার বয়স ৫০। গত বছরই আমি হজ্জব্রত পালন করে আসছি। বাপ্পীও ছিল আমার সাথে। গত দশ বছর ... ...
ড্রাকুলার গার্লফ্রেন্ডপর্ব ১: অন্ধকারের কন্যারারাত গভীর হতে না হতেই ট্রান্সিলভানিয়ার দুর্গের অন্ধকার আরো ঘনিয়ে আসে। চাঁদের আলো ধীরে ধীরে পাথরের দেয়ালে ছায়া ফেলে, আর বাতাসে ভেসে বেড়ায় শীতল এক গন্ধ।দুর্গের অভ্যন্তরে, ধূসর পাথরের মেঝেতে নরম পায়ে চলাফেরা করছে তিন নারী। ওরা যেন ছায়া, আবার যেন প্রাণবন্ত। দীর্ঘ পোশাকের ভাঁজে লুকিয়ে থাকা তাদের মুখে খেলা করে রহস্যের হাসি। তাদের চোখ দু’টি যেন অমাবস্যার রাতের মতো গভীর, ঠোঁট রক্তলাল, আর কণ্ঠস্বর মধুর বিষের মতো।লুসি ওয়েস্টেনরা দুরু দুরু বুকে দাঁড়িয়ে আছে। তার শরীরে ভয় আর আকর্ষণের এক অদ্ভুত মিশ্রণ খেলা করছে। তার সামনে দাঁড়িয়ে থাকা তিন নারীর চোখে এক অমোঘ টান, যা থেকে ... ...
গল্পের নাম: রাতের অতিথিদেবমাল্য মুখোপাধ্যায়রাতে ঝড় উঠেছে। গ্রামের শেষ প্রান্তের বিশু কাকার পুরোনো বাঁশবাগানটা তখন ভয়ানক শব্দ করছে। এমন রাতেই নাকি শাকচুন্নী বের হয়—এ কথা সবাই জানে।রনি আর তার বন্ধু তন্ময়, শহর থেকে গ্রামে এসেছে দাদুর কাছে বেড়াতে। ভয়কে পাত্তা না দিয়ে দু'জন মিলে সন্ধ্যায় বের হয়েছিল বটতলার দিকে। কিন্তু বাড়ি ফেরার পথেই বাঁশবাগানের পাশ দিয়ে আসতে গিয়ে শুনল, কে যেন খিলখিল করে হাসছে!রনি কাঁপা গলায় বলল, "কে ওখানে?"কোনো জবাব এল না। তবে বাগানের গভীর থেকে সাদা কাপড়ে মোড়া এক মেয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। তার চুল বুক ছুঁয়ে গেছে, চোখদুটো লালচে, আর ঠোঁটের কোণে অদ্ভুত এক হাসি!তন্ময় আর রনি ... ...
( ২২ ) প্রতিবিম্ব বলল, ' পুজোর সময় দার্জিলিং ট্যুরে গেলে হয় না ? ' সুমনা সঙ্গে সঙ্গে বলল, ' না না ... পুজোর সময় আমি কলকাতা ছেড়ে কোথাও যাব না ... যা হবার পুজোর পরে ... ' --- ' তখন কি আর ছুটি পাব ? ঠিক আছে দেখা যাক ... বাবাইয়ের অ্যানুয়াল পরীক্ষা হয়ে গেলে একটা গ্যাপ পাওয়া যাবে অবশ্য। এর মধ্যে মাসখানেকের জন্য আর একবার আমেরিকা যেতে হবে মনে হচ্ছে। অ্যাভয়েড করার চেষ্টা করেছিলাম নানাভাবে। কিন্তু আলটিমেটলি যেতেই হবে মনে হচ্ছে। কি আর করা যাবে ... ' --- ' সেটা কবে ? ' --- ' পুজোর ঠিক ... ...
তিস্তা পেরোবার পর জ্যাকেটটা গায়ে চাপিয়ে নেয় সাকিনা। এদিকে ইতিমধ্যেই শীতের আমেজ। ট্রেনের দুপাশে কুয়াশা এখনো লেপ্টে আছে। একটু নীচে ৩১ নং জাতীয় সড়ক সাপের মত এঁকেবেঁকে এই লাইনের সাথে জড়াজড়ি করতে করতে চলেছে। সাপেরা এভাবেই সঙ্গম করে। এইসব অতি পরিচিত দৃশ্য গত তিরিশ বছর তার জীবনে ছিল না। তিরিশ বছর আগের এই দৃশ্যকে যেন গতজন্মের মনে হয় সাকিনার। ডুয়ার্স ছেড়েছিল ষোল বছর বয়সে, আর ফিরে আসা এই ছেচল্লিশের প্রৌঢ়ার। যদিও তাকে দেখলে কেউ প্রৌঢ়া বলবে না, এখনো পঁচিশ তিরিশ বলেই দিব্যি চালিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু তবুও চলে যাওয়া কিশোরী আর এই ফিরে আসা প্রৌঢ়া যে আলাদা মানুষ সে নিয়ে ... ...
বিভিন্ন কাগজে বেরিয়েছে ভারতীয় পর্যটকরা দলবেঁধে তুরস্ক আর আজারবাইজান ভ্রমণ ক্যানসেল করছেন। মেক মাই ট্রিপ, ইজ মাই ট্রিপ এবং অন্যান্য ভ্রমণ সংস্থার রেকর্ডবুক তাই বলছে। সদ্য সমাপ্ত ভারত পাক সামরিক সংঘাতের সময় এই দুটি দেশ প্রকাশ্যে পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে। দেশপ্রেম জিনিসটা বেশ ভাল, যখন সেটা সৎ, দায়বদ্ধ, যুক্তিবাদী মানুষদের থাকে। আমাদের দেশে অবশ্য ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে, কর্মক্ষেত্রে কাজ ঠিকমত না করে, সারাদিন রাজা উজির মেরেও সপ্তাহান্তে বা মাসান্তে ধর্মস্থানে গিয়ে পুণ্য কুড়োনোর রেওয়াজ আছে। ঘুষ খাওয়া, দুর্নীতি প্রভৃতি সামাজিক অন্যায়ের সঙ্গে যে প্রকৃত ধার্মিকতাকে মেলানো যায় না সে বোধ এদের নেই। এই মাঝে মাঝে দেশপ্রেম উথলে ওঠা সম্পন্ন ঘরের ( যারা ... ...
আমার ঘরের নিয়ম বড় কড়া,দরজায় শয়ে শয়ে দারোয়ান,ঘরের ভেতর আনাচে-কানাচে, অলিতে-গলিতে প্রহরী।মাছিটিও ঢুকতে পারে না তাদের পেরিয়ে। তাহলে?তাহলে আমি কোন রোগে ভুগছি,আমি মরে যাচ্ছি কেন? আমার প্রহরীরা খুব কড়া,প্রতিদিন আমার শরীর থেকে রক্ত বের করে দেয় বিশুদ্ধতার নামে,আমার গায়ের চামড়া তুলে দেয়,পুরোনোটা নোংরা হয়ে গিয়েছিল বলে। আমি আস্তে আস্তে মরে যাচ্ছি;কিন্তু ওরা তাতে আরো চিন্তিত।এখন রক্ত বের করে নেওয়ার প্রক্রিয়া বারে বাড়ছে,চামড়ার সাথে মাংসের স্তরের পুরুত্ব বাড়ছে প্রতিবারে। আমি ওদের কাছে আমার মৃত্যু ভিক্ষা করি,কিন্তু ওরা বিরক্ত হয়—'কি শিশুসুলভ বায়না!''মরার জন্যই কি ওরা এত সদাসতর্ক, শশব্যস্ত?' কিন্তু আমার জীবনীশক্তি ক্রমশ কমে আসছে,আমি আর এই অত্যাচার সইতে পারছি না।ওরা এখন আমাকে হাঁটতে সাহায্য করে, খাইয়ে দেয়।সেদিকে ... ...
চাড্ডি ঘনিষ্ঠদের প্রোগ্রামে লিখিয়ে বাবু বিবিদের দলে দলে ভিড়তে দেখা যাচ্ছে! ভাব করছে কেউ কিচ্ছুটি জানে না!! সেই দেখে গান বেঁধেছি। কেত্তনের স্টাইলে গাইতে হবে। ওরা ন্যাকা সেজে সেজে চলে যায়বলে আমি তো আমার সকলি খামারফসল তুলিতে রোখে সাধ্যি কার।ওরা ন্যাকা সেজে সেজে চলে যায়।
এক সেনানী মায়ের গল্পসাগরময় মণ্ডলএম বি বি এস পাশ করার পর দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবে বলে ইন্দ্রাণী ভারতীয় সেনাবাহিনীর সর্ট সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় বসেছিল। প্রাথমিক ভাবে এটি দশ বছরের সার্ভিস। পরে পার্মানেন্ট হয়ে যাওয়া যায়। রেজাল্ট বেরোলে দেখা যায় ইন্দ্রাণী সেই পরীক্ষায় পাশ করেছে। ইন্দ্রাণী তো খুশিই কারণ সে তার পছন্দের কাজ করতে পারবে। তার বাবা, অবসর প্রাপ্ত সৈনিক এবং মাও যারপর নাই আনন্দিত। ইন্দ্রাণী তার বাবার কাছে শোনা নানা দুঃসাহসিক অভিযানের সাক্ষী হতে পারবে। বাবাই তো তার হিরো। শুনেছে চাকরিতে জয়েন করার পরে উনপঞ্চাশ সপ্তাহের ট্রেনিং হবে তারপর পোস্টিং। খবরটা জানার পরে সে এতই উত্তেজিত যে পারলে আজকেই ... ...
আনকোরা মন সুপ্রিয়া চৌধুরী আনকোরা মন করতে পারেনা ন্যায় অন্যায় ফারাক্ট্যাগ লেগে গেলে, - ব্যস্ -সমুখে দুর্বিপাক্ !শুভবুদ্ধিরা কুবুদ্ধির কাছে বারবার যায় হেরেচেতনা হারানো মন তাই বলে শেষ করো সব মেরে !অট্টহাসি হাসে ইতিহাস বলে ক্ষ্যাপা ! দেখ মোর আয়নায় !আনকোরা মনে আজ বড় ভয়- তবু -বিশ্বাস, সময়ের গতিতে হবে সত্যেরই শুধু জয় !
কয়েকটা রিপোর্টিং আসতে শুরু করেছে সীমান্তবর্তী রাজৌরি পুঞ্চ এলাকার। দেখা যাচ্ছে বহু মানুষ হতাহত। সীমান্তের তিন কিলোমিটারের দূরে শহর পুঞ্চে আশি ভাগ মানুষ পালিয়েছে। ঘরে ঘরে কান্নার রব। ভেঙেছে ঘরবাড়ি মন্দির, মসজিদ গুরদোয়ারা। বাজার দোকান পেট্রল পাম্প বন্ধ হাসপাতালে ওষুধ নেই। একটি মেয়ে, যার পরিজন মারা গেছে, বলল যে আহত হলে চিকিৎসার জন্য ২০০ কিলোমিটারের বেশি দূরে জম্মুতে নিয়ে যেতে হবে। সেখানে সামরিক নিরাপত্তা বলয় আছে। ভারত তার নিরাপত্তা বলয় নিয়ে বড়াই করার সময় ভুলে যাচ্ছে সব জায়গা আকাশ হানার নিরাপত্তা বলয়ের অধীনে থাকার মতো সামর্থ্য ... ...
জীবনের "মানে" বা পারপাস খোঁজা মানুষ ঠিক কবে থেকে শুরু করলো? সঠিক সময় বলতে না পারলেও এটুকু বলাই যায় সার্ত্র বা কামুর জন্মের ঢের আগে থেকেই। এই খোঁজ এক অস্থিরতা। শিল্পবিপ্লব পরবর্তী ধ্রুপদী যে ধনতন্ত্র - সে জিনিস মানুষের মনের খোঁজ সেভাবে না রাখলেও, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বিবর্তিত ধনতন্ত্র বিলক্ষণ জানে মানসিক অস্থিরতা বা মনে প্রশ্ন বয়ে নিয়ে চলা মানবসম্পদ উৎপাদনশীলতার অন্তরায়। বিশেষ করে পরিষেবাক্ষেত্রের কথা যদি আমরা বলি, সেখানে মানবসম্পদ-ই মূল পুঁজি। এখানেই একটি দুরন্ত চাল দিলো পুঁজিবাদ - কর্মীদের বলল তোমরা তোমাদের কাজের মাধ্যমে পৃথিবী বদলে দিচ্ছ। এই তোমার জীবনের উদ্দেশ্য। অবশ্যই এরকম কাঠখোট্টা ভাষায় নয়, অনেকটা ... ...
আমরা যারা যুদ্ধু নিয়ে হচ্ছি বিষম ব্যস্ত যুদ্ধু টা যে কেমন জিনিষ বুঝতে সময় নষ্ট। নষ্টামী টা করছে কারা? আসল কারা হিরো? বুঝতে গিয়ে গা ঘামিয়ে মুন্ডু নড়োচড়ো! মুন্ডু কোথায় খুঁজতে গেলে চোখ জোড়া তো চাই--চোখ তো আঠায় আটকে গেছে এবিপি পাতায়।তাই তো বলি গরমকালে আম পেকেছে কত্তটুকটুকে লাল আম কিনেছি খাচ্ছি করে গত্তআম খানা তো লালই ছিল কেটে দেখি কি বাবাইরেতে লাল সে আম খানি মদ্দিতে কমলা। ... ...
সোফিয়া ক্যুরেশীও আসলে মেয়ে - একজন ট্রোলকারী যুদ্ধবাজের কাছে। ঠিক যেমনটা ছিলেন - আসিফা, কৌসর, বিলকিস বানোরা। পোহলগাঁও কাণ্ডের স্বজন হারানো হিমাংশী নারোয়ালও আসলে মেয়ে। তাই এপার ওপার দুই পাড়ের সন্ত্রাসবাদীরা সুযোগ পেলেই তাদের ছিঁড়ে খাবে সেই নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। সন্দেহ নেই, কারণ খোদ বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রী ও তার মেয়েকেও ছাড়তে নারাজ যুদ্ধকামী দাঙ্গাকারি উন্মাদ মানসিকতা। এই উন্মাদদের কে বোঝাবে যুদ্ধ এবং যুদ্ধ সংক্রান্ত যাবতীয় যা কিছু তার পুরোটাই নিখুঁত ভাবে স্ক্রিপটেড - ঠিক যেমনটা আট্টারি-ওয়াঘ বর্ডারের beating retreat ceremony-র একে অপরকে লাথি দেখানোর দৈনিক যাত্রাপালা। যুদ্ধের খবর সরকারও নিখুঁত ভাবে সাজানোর চেষ্টা করেন হিংসার আবাদী বাড়ানোর জন্যে ... ...
কে মেরেছে কে ধরেছে? কে পালালো কবে?সিঁদুর শাঁখার দিব্যি! সে সব বলা কি ঠিক হবে?রাবণ আছে সীতা আছে…অশোক কানন নাই!অতলান্ত সাঁতরে তবে দাদার দেখা পাই!ভোটের বাদ্যি তাক ডুমা ডুম…চমকে দিতে চাই!মাছের তেলে মাছ ভাজতে বড়ই আমোদ পাই!উদো মারে ঢ্যাঁশ ঢ্যাঁশ ঢ্যাঁশ…বুধো বাড়ায় ঘাড়,তুমি ড্যাশ-ই-স্থান এবার হবেই কুপোকাৎ!এমন সময় ঘুড়ি বলে উড়বো না আর ছাই!অনেক মরল রাজা উজির এবার আমি যাই…যা গিয়েছে, যাদের গেল…আবার যাদের যাবে...হিসেব রাখা থাকছে যেন কালেরই কিংখাবে!তোমার শিল,তোমার নোড়া,তোমার দাঁতের সার…আম জনতা নিশানা তাই প্রতি হাজারবার!তবু যেন হিমশৈল যায় না গোটা ধরা!সব কিছুতে যায় না করা বীভৎস মশকরা!! ... ...
আর সেকু মাকু গুলোও হয়েছে তেমনি তেএঁটে। তুবড়িতে আগুন দিয়েছে কি দেয়নি অমনি রে রে করে নেমে পড়েছে রাস্তায় যুদ্ধ নয় শান্তি চাই স্লোগান নিয়ে। আরে তোদের তো লেনিন বোঝানোর ফাঁকা ফ্ল্যাট আছে, তোরা তো দিব্যি সেক্স পেয়ে যাচ্ছিস, তা বলে অন্যদের ব্যাপারটা একটু দেখবি না! এই তোরা সাম্যবাদী? আমরা যারা সেক্স স্টার্ভড হিন্দু বীর তারা কি করবে? এই যুদ্ধ টুদ্ধ লাগলে, কি ভোটের আগে হেব্বি মারপিট হলে, বোমাবাজি হলে, দাঙ্গা হলে, পোধানদা চারটে গরগরে ঝাল বক্তিমে দিলে সেসব দেখে একটা বেশ গা-টা গরম মতো হয়ে ওঠে, শিরায় শিরায় অ্যাড্রিনালিন রাশ, উফ সে যেন স্বর্গসুখ। এই কটা দিনের সুখটুকুও এরা বাগড়া দিতে ব্যস্ত। সাধে কি আর দেশদ্রোহী বলে এই গাড়োলগুলোকে। ... ...
মানুষটা আমি মোটেও তেমন সাধাসিধে নই বাওয়া /গুরুর লেখা পড়ছি বলেই শিষ্য হব এমন না।/কাটব ছিঁড়ব দাঁতও দেখাব এমন আমার পেশীর জোর/খুব সাবধান, দুরেই থাকো গুঁতিয়ে দিলে পারবে না।/আঁতেল কিবা খায় না মাখে জন্মে বাপু বুঝিনি/তাই রাশভারী আর ঝোলা ব্যাগের খপ্পরেতে আমি নেই।