জহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় বিজেপির দুচোখের বিষ হওয়ার কারণ ছিল সেখানে বাম মতাদর্শের দবদবা। এবারের ভোটে এই অবস্থাটা বদলানোর একটা সুযোগ তাদের তাদের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি পেয়েছিল কিন্তু সেটা হতে দিলো না আইসা-ডিএসএফ জোট। মজার ব্যাপার এবিভিপির বামদের সম্পর্কে অভিযোগ ছিল ক্ষমতার জন্য নিজেদের মধ্যে কামড়াকামড়ি। এই কামড়াকামড়ি হয়েছিল সিপিএম আর নকশালদের দুই জোটের মধ্যে। মুখে যাই বলা হোক যা জানা যায় প্রেসিডেন্ট পদ নিয়েই দুদলের মনোমালিন্য। আগের বার নকশাল ঘেঁষা আইসার ধনঞ্জয় ছিলেন সভাপতি। এবার এসএফআই হয়ত বড়দা হিসেবে সেন্ট্রাল প্যানেলের ওই প্রধানপদের দাবিদার হতে চেয়েছিল। মুখে অবশ্য তারা আম্বেদকারপন্থী বাপসার সঙ্গে ঐক্যের কথা বলে। ভোটের ফলাফল মোটামুটি পরিষ্কার কারণ ... ...
"Never producing pain by thought, word, and deed, in any living being, is what is called Ahimsa, non-injury. There is no virtue higher than non-injury. There is no happiness higher than what a man obtains by this attitude of non-offensiveness, to all creation." বিবেকানন্দ এইরকমই কিছু একটা বলেছিলেন। কিন্তু স্বঘোষিত গেরুয়াধারীরা অম্লান বদনে যা পাচ্ছে জনতা জনার্দনকে তাতানোর জন্যে গেলানোর চেষ্টা করে চলেছেন। রামায়ণের রাম রাবন ... ...
গতকাল রাইতে আজিজ ফোন কইরা বললো, গডফাদার, ঘুম তো আসতাছে না। হালায় আওলাজিরা টিভি তো ঘুম হারাম কইরা ফেলছে। অখন আমগো কী করণীয়?আমি কইলাম, অত উতলা হইছস কেন? কুর্মিটোলা ক্যান্টনম্যন্টে তোশক পাতার ব্যবস্থা কর। গ্যাংওয়ার আসন্ন হয়া গেছে। আমাগো কনসালটেন্সি রাতুল রাহা'রে সিলেট থেকে আসতে বলছি। সকালের ফ্লাইটেই ঢাকায় ল্যান্ড করবো। সমস্যা নাই। আমি তো আছিইই। মইরা তো যাই নাই।আজিজ বললো, আপনেই তো শেষ ভরসা, গডফাদার। আপনের জন্যই তো টিকা আছি।আমি কইলাম, ঠিকাছে ঠিকাছে। এহন ছাগলের গরম গরম দুধ খাইয়া ঘুমা। আর হ্যারিসরে আমার লগে কন্টাক্ট করতে কইস। বেটায় খুব বাইড়া গেছে। ওপেনলি বলা শুরু করছে, মন্ত্রীগোরে নাকি ও নাচায়। ... ...
( ১৯ ) এস এন ব্যানার্জী রোডের লাল বাড়ির গেট দিয়ে ঢুকে খানিকটা এগিয়ে বাঁদিকের বারান্দায় ঢুকে পড়লেন লালবিহারিবাবু। সামনের একটা ঘরের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একজনকে জিজ্ঞাসা করলেন, ' আচ্ছা ... বাড়ির একটা এক্সটেনশান স্যাংশানের ব্যাপার ছিল। কার সঙ্গে দেখা করতে হবে ? ' লোকটা দ্রুত উত্তর দিল, ' বিল্ডিং ডিপার্টমেন্ট ... তিনতলায় ... ...
অভিষেকেই স্বতন্ত্র উপন্যাসশিল্পীপুরুষোত্তম সিংহসময়ের নিরন্তর চলমানতা থেকে কিছু খড়কুটোকে আখ্যানে সাজিয়ে দিয়েছেন বনমালী মাল। সংস্কার, লোকায়ত জীবন, জনপদ, বাস্তব-অবাস্তব, বানানো বাস্তব, অর্ধ বাস্তব নিয়ে এক দ্বন্দ্বময় বাস্তবের জন্ম দেন বনমালী মাল ‘কালগর্ভ’ (২০২৪) আখ্যানে। সময়ের অসমান্তরাল বিন্যাসের মধ্যে অন্তর্বিশ্বের যাবতীয় সারাৎসার বিন্দুকে বিবিধ সমীক্ষণে নির্মাণের প্রয়াস আখ্যানকে বহুমাত্রিক সত্যে উত্তীর্ণ করেছে। বনমালী মাল ইচ্ছাকৃতই প্রবাহিত বাস্তবতাকে ভেঙে ফেলেন। বলা ভালো নির্মম বাস্তবতার পাঠকে স্বেচ্ছায় ধ্বসিয়ে দেন। অথচ লক্ষ্য কিন্তু জটিল বাস্তবতার নিপুণ পাঠ। বাস্তব-অবাস্তব, লোকায়ত বাস্তব-মিথের বাস্তব, বানানো বাস্তব, অর্ধ বাস্তব নিয়ে শান্তনু ভট্টাচার্য, শতদল মিত্র, বনমালী মালের পথচলা। হীরেনের দাম্পত্য জীবনের সমস্যা থেকে তারির সন্তানহীনতা, সুপুরুষা-কুপুরুষার দ্বন্দ্ব, আলো-অন্ধকারের পথচলা, ... ...
প্রচণ্ড গরমে অবিনাশ বাবুর নাজেহাল অবস্থা। সকাল আটটা বাজতে না বাজতেই অ্যায়সা রোদ পড়ে, ঘরের ভেতরটা তপ্ত তাওয়ার মত হয়ে যায়। তার ভেতর নুন হলুদ মাখানো মাছের পিসের মত ছটফট করেন রিটায়ার্ড কেরানি অবিনাশ বাবু। প্রাইভেট ফার্ম বলে পেনসন নেই কোন। গোটা জীবনের সঞ্চয় এফডি করে, তার ইন্টারেস্টে কোনমতে জীবনধারণ করেন। আজ ব্যাংকে গেছিলেন টাকা তুলতে। আগে এটিএম থেকে তুলতেন। একবার ফোনকলে ওটিপি দিয়ে দেওয়ায় তাঁর একাউন্ট থেকে হাজার দশেক উড়ে গিয়েছিল। তারপর থেকে এটিএম থেকে শুরু করে সমস্ত ডিজিটাল মাধ্যম তিনি ত্যাগ করে এখন ব্যাংকে লাইন দিয়ে টাকা তোলেন। সেই ব্যাংকে আজ সকাল থেকে লিংক ছিল না। সবার আগে ... ...
অন্যকোথাও এক সময় হারানোর ইচ্ছের ভ্রুন বিনষ্ট হয়।কিন্তু অবিশ্বাস? বা সন্দেহের বিষাক্ত বীজ তখনো শস্যের মতো অংকুরের লোভ জাগিয়ে তোলে অফুরান।হয়তো ভাবছো, দূরে কোথাও, অন্য কারো অনামিকা ছুঁয়ে নক্ষত্রের মতো অদৃশ্য হয়েছি কিংবা মেতেছি তৃপ্ত আলিংগনে?আমাকে আলবত বিক্ষত করছো সন্দেহের যাদুমন্ত্রে সারাক্ষণ।কষ্ট পাও? সন্দেহ করে?যেভাবে আমি ও।দূর আমরা অবিশ্বাসী পুরোদস্তুর।এই টানাপোড়েন উপ্যাখান। আমরা এটাকেই প্রেম বলে থাকি। ... ...
ইদানীং হারিয়ে ফেলা সুখের জন্য মাতম করছি।আহা যখন সেই সুখের সমূদ্রে ভাসছিলাম,সাতার কাটছিলাম।আলবত কখনো ভাবিনি, একদিন তৃষার্ত পাখিদের মতো, হাহাকার হবে হৃদয়ে।সুখের অভাবে শুকনো পাতার মতো মড়মড় করবে বুকের ভিতর।ইদানীং হারিয়ে ফেলা উচ্ছ্বাস এত লোভনীয়া হয়ে উঠছে,ভিখিরি মতো ঈশ্বরের দুয়ারে কড়া নাড়ছি।আমাকে ফিরিয়ে দাও, প্রিয় সুখ।প্রিয় হাসি।প্রিয় উচ্ছ্বাস।
লালদেদ কবে জন্মেছিলেন? সে বলা বড় মুশকিল, একদম ঠিকঠাক তারিখ বলা যাবে না কারণ তা কোথাও লেখা নেই। অনুমান করা হচ্ছে চতুর্দশ শতকের প্রথম দিকে তাঁর জন্ম। কিন্তু লালদেদ যে কাশ্মীরে জন্মেছিলেন, তিনি যে এক ভাবোন্মাদ শৈব যোগিনী ছিলেন, ল্যাংটো হয়ে ঘুরে ঘুরে গান গেয়ে মন্ত্রমুগ্ধ করতেন জাতি ধর্ম নির্বিশেষে হাজারো মানুষকে আর তারা যে তাঁর অলৌকিক ক্ষমতায় বিশ্বাস করত - এসব অনেক কিছু নিয়ে কারুর কোনো সন্দেহ নেই।লালদেদের সময় কেমন ছিল কাশ্মীর? সমসাময়িক ইতিহাসকার জনারাজা, প্রাজ্ঞভট্ট, হায়দার মালিক চাদুরা কিন্তু লালদেদের উল্লেখ করছেন না। মৌখিক সাহিত্যে গানে গানে লালদেদের মিথ নির্মিত হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে হিন্দুরা তাঁকে লালেশ্বরী বা লাল্লা ... ...
২০২০ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে নতুন মিডিয়া পলিসি চালু করে জম্মু ও কাশ্মীর এডমিনিস্ট্রেশন। এই পলিসি অনুযায়ী, যেকোনো মিডিয়া - প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক - যা-ই পাবলিশ করুক না কেন, সেটা সরকার অনুমোদিত হতে হবে। সরকারের যদি পছন্দ না হয়, জেলহাজত অবধি হতে পারে। ২০২২ সালে কাশ্মীরের প্রেস ক্লাব বন্ধ করে দেয় কেন্দ্র। অনেক কাশ্মীরীর ওপর ট্র্যাভেল ব্যান লাগু হয়, পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত হয়। ফলে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বক্তব্য রাখা, বা বাইরে গিয়ে কথা বলাও কঠিন হয়ে পড়ে অনেক কাশ্মীরীর পক্ষে। কাশ্মীরের খবর ... ...
আমাকে পবিত্র করে এই প্রিয় পংক্তিসমাহারএর ভালোবাসা আমি বলি দেব ঘাতকের পায়ে?বুকে ভর দিয়ে হেঁটে বেছে নেব পথ পালাবার-আরও দু-দিনের বাঁচা ঢেকে রেখে ভিখের থালায়!এ কোন পরীক্ষা বলো আল-আলিম রব- এই নামসাতটি আকাশ ঘুরে আলোর কম্পনে আসে কাছেআমি সাক্ষ্য দিয়ে যাই লা-শরিক প্রাণের আরাম-অজস্র তারার স্রোতের স্মৃতি যে মন্ত্রে গাঁথা আছেকত না তত্ত্বের শ্রেষ্ঠ মানুষের রূপ দরশনধ্বনিতে আখরে তাকে গেঁথেছে নবির যশোগীততা আমি প্রাণের মোহে বৃথা-অর্থ করি উচ্চারণ-জন্তুর নখরভয়ে পণ্ড করি প্রেমের তৌহিদ?অস্ত্র দেখে ত্রাস জাগে- সৃষ্টিতে বিলোপে ত্রাস দেখেআমি কি বান্তাশী হই? হিংসার সামনে নুয়ে যাই?তখনও কি ডাকছি না ওই নামে ওই মন্ত্র থেকে-সমস্ত ভয়ের ঊর্দ্ধে অজপা কলমা যেন ... ...
কাশ্মীরীদের প্রধানধারার রাজনৈতিক দলগুলো সেখানে ৩৭০ ধারা তোলার ব্যাপারে ক্ষুব্ধ। কিন্তু লক্ষ্যণীয় যেটা তা হলো কাশ্মীরে একটা সোচ্চার নাগরিক সমাজ তৈরি হয়েছে। যা ভারতীয় মূলধারার সঙ্গে শুধু ব্যবসা নয় নাগরিক সক্রিয়তা বিষয়েও সংহতি পোষণ করে। এই সব নাগরিক সমাবেশ রাষ্ট্রীয় সামরিক প্রস্তুতির থেকে কম তৎপর নয়, কম গুরুত্বেরও নয়। এতে মহিলাদের সুচিন্তিত অংশগ্রহণ আশাপ্রদ। সন্ত্রাসবাদী মতাদর্শগত প্রভাব এই নাগরিক তৎপরতার ফলে প্রান্তিক হয়ে পড়ছে ক্রমশ। এটাই সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী আক্রমণের হাজার দুঃখের আঁধারে আশার আলো। এই কাশ্মীর সত্যিই কাশ্মীর ই বেনজির। ... ...
( ১৮ ) অমল রবিবারের সকালে সাগরের দোকানে এসে হাজির হল। ---- ' আরে, অমল কি খবর ? ' ---- ' এই ... আজ ছুটির দিন ... ভাবলাম দেখি তুমি দোকানে আছ কিনা ... ' ---- ' দোকান এবেলা খোলা থাকে। ওবেলা বন্ধ ...চা খাবে নাকি ? ' ---- ' তা ... হলে হয় একটু ... ' অমল একটা খবরের কাগজ তুলে নিয়ে পড়তে লাগল। ---- ' পরশুদিন একটা ধর্মঘট আছে বামপন্থীদের। অফিসে যাওয়া যাবে বলে মনে হয় না ... ' ---- ' কি ব্যাপারে স্ট্রাইক ডেকেছে বোঝা যাচ্ছে ? ' সাগর জিজ্ঞাসা করল। ---- ' ওই... কিছু একটা হবে। অ্যাজেন্ডা একটা ... ...
মাঝে মাঝে নিজেকে খুব দামী মনে হয় বুঝলেন। ক্ষমতা হীন কিন্তু দামী।যাঁরা জানেন না, তাদের নিজের পরিচয় নিজের পরিচয় দিয়ে নিই আগে।আপাদমস্তক বাঙালি আমি। বিএম আই দশের নিচে। পাতি চাকুরী করি। ইএমআই আর অম্বলে দিন গুজরান। আপনাদের মতই বছরে একবার রিলায়েন্স ট্রেন্ড বা মিন্ত্রা থেকে জামাকাপড় কিনি। খিস্তি মারি বাংলায়। বিরিয়ানীর চেয়ে ধের ভালো লাগে পান্তাভাত আর শম্ভুর চপ দোকানের পেঁয়াজীর সাথে আলু মাখা। পুজোয় প্যান্ডেল হ্পিং করি চুটিয়ে। গাড়ি ভাড়া করে ফ্যমিলি নিয়েই। ঈদে নামাজ পড়তে যাই। বড় করে ফেসবুক পোস্ট দিই - হ্যাপী ঈদ বলে ... ...
**কাশ্মীরে পেহেলগাঁও তে ভয়ঙ্কর জ*ঙ্গি আক্রমণ, কিছু জরুরী কথা এবং উত্তর না থাকা কিছু প্রশ্ন**আমরা ভারতবাসী। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কাশ্মীরে এই সময় পর্যটনের সময় এবং ট্যুরিস্টে ভর্তি ছিল কাশ্মীর। বাংলা থেকে হাজারে হাজারে মানুষ কাশ্মীরে ঘুরতে গেছেন। এসবের মধ্যে সবাইকে চমকে দিয়ে কাশ্মীরের পেহেলগাঁওতে ভয়""ঙ্কর জ**ঙ্গি হামলা হল। প্রাণ গেল ৩০ এর কাছাকাছি ট্যুরিস্টের৷ পর্যটকদের উপর এত বড় হামলা গত কয়েক দশকে হয়ত কেউ শোনেনি। আমি কোনো সিকিউরিটি এক্সপার্ট নই। একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে কিছু জিনিস পড়ার ও বোঝার চেষ্টা করলাম। ১. কাশ্মীর ভারতের অভ্যন্তরীন রাজনীতির জন্য যেমন গুরুত্বপূর্ণ, পাকিস্তানের ক্ষেত্রে তার থেকে বেশি কিনা জানিনা তবে কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। পাকিস্তানের ... ...
যে কোনও ঘটনার একটা মোটিভ থাকে:মোটিভটা কী? পহেলগাও হত্যাকাণ্ডের ফলে কারা লাভবান হলো? হত্যাকারীরা মানবতার শত্রু। মুসলমানদের শত্রু। কাশ্মীরিদের শত্রু। কাশ্মীরিদের জীবন জীবিকা অনেকটাই পর্যটন শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। এপ্রিল মাস। পর্যটনের ভরা মরশুম। এখন এই হত্যাকাণ্ড পর্যটন শিল্পের বড় ক্ষতি করবে। এটা জেনে বুঝে কারা এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করতে পারে? তাঁরা কি কাশ্মীরিদের পক্ষে? মুসলমানদের পক্ষে? সারাদেশে ওয়াকফ নিয়ে তীব্র আন্দোলন চলছে। এই সময় অশান্তি হত্যাকাণ্ড ঘটালে মানুষের সহানুভূতি মুসলমানদের প্রতি বাড়বে না কমবে? মুম্বইয়ে জৈন মন্দির ধ্বংস করা হয়েছে। সেই নিয়ে সারা দেশে সব শহরে জৈনরা মিছিল করেছেন। তার পরদিনই এই হত্যাকাণ্ড। কাদের সুবিধা করবে? পুলওয়ামা হত্যাকাণ্ডে ৪২ জন জওয়ানের প্রাণ গিয়েছিল। কোনও তদন্ত হয়নি। অথচ সারা দেশে এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে তীব্র প্র চার ... ...
এই জঙ্গীহানার সম্পূর্ণ দায় কেন উনিজির নয়, এবং ওঁর জবাবদিহি চাওয়া হবেনা, বোঝা যাচ্ছেনা। পশ্চিমবঙ্গে তো একটা বোম ফাটলেই শুনি সরকারের দায়, ইভটিজিং এ মৃত্যুর গুজব রটলেও বড়-বড় করে প্রবন্ধ নেমে যায়, দিল্লিতে দুর্নীতি হল কি হলনা, আস্ত মন্ত্রীসভা জেলে চলে যায়, খালি উনিজি হলেন দুধের শিশু, কাশ্মীর গত দেড় দশক ধরে প্রায় ফ্রিহ্যান্ড নিয়ে চালাচ্ছেন, কিন্তু ওঁর কোনো দায় নেই।দায় আরও বেশি হবার কথা, কারণ এই নিয়ে ফাটিয়েছেন উনি অনেক বেশি। পরশুরাম ১৭ বার পৃথিবীকে নিষ্ক্ষত্রিয় করেছিলেন, উনিজিও প্রায় ততবারই কাশ্মীরকে জঙ্গিমুক্ত করেছেন। শুরু করেছিলেন ২০১৬ তে সার্জিকাল স্ট্রাইক দিয়ে। দুর্জনে বলে তাতে নাকি বেশ কিছু পাইনগাছ এবং একটি কাক মরেছিল, কিন্তু ঢাকঢোল বাজাতে উনি ... ...