( ১৩ ) সাগর একটু ভেবে নিয়ে বলল, ' বল, তোমার কি সাজেশন ... ' অমল বলে উঠল, ' সাজেশন দেবার কোন যোগ্যতা আমার নেই ... আমি শুধু হোল হার্টেডলি সঙ্গে থাকতে পারি ... ' --- ' কার সঙ্গে ? ' --- ' মেন্টরের সঙ্গে, লিডারের সঙ্গে, গাইডের সঙ্গে ... ' সাগর মাথা নীচু করে চিন্তিত মুখে বলল, ' সেটাই তো নেই। আর একটা নিখিল ব্যানার্জী স্যারের দেখা আমরা কি করে পাব ? ' অমল বেশ কিছুক্ষণ সাগরের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর ... ...
মামুহাম্মদ ফজলুল হক জম্মের ছয়মাস পর ছেলে আইভানকে তার প্রবাসী মামামামীর নিকট দিয়ে দেয় মা। নতুন পিতামাতার পরিচয়ে আইভান এখন ইউরোপের স্বার্থক নাগরিক। বড় হয়ে দেশে এসে মাকে চিনে না ছেলে। সবাই বলে তুমি আমার মা! এটা কোন কথা। আমি জানি আমার মা এখন ইউরোপে। তোমাকে মা ডাকব কিভাবে?কান্না চেপে হাসিমুখে মা বলেন, "ত্রিশবছর আগেই তোর সুখের কথা ভেবে মা ডাক শোনা কোরবানি দিয়েছি। তুই ভালো আছিস তাতেই আমি সুখি। ... ...
চন্দ্রযোগমুহাম্মদ ফজলুল হককমলাপুর রেলস্টেশনের প্লাটফর্মে শুয়ে আছে মুকবল হোসেন। তার ঘুম আসছে না। আশেপাশের মানুষ ঘুমে। বিকট শব্দে ট্রেন আপ-ডাউন করলেও কারো ঘুমের ব্যঘাত নেই। ঘুমানোর প্রশান্তি অন্যরকম। অশান্তির চাপ থাকলেও মুকবল হোসেনের ঘুম আসে। শান্তির ঘুম। মাঝ রাতে টহল পুলিশ এসে বিরক্ত করলে পকেট হাতরে কিছু টাকা দিলে চলে যায়। ঘুম আরো গাঢ় হয়। ঘুমের মধ্যে সে দেখে চাঁদ তার নিকটে চলে এসেছে। এত নিকটে ইচ্ছে করলে সে চাঁদ স্পর্শ করতে পারে।পুলিশের হাঁকডাক ও বাঁশির শব্দে ঘুম ভাঙ্গে। চিরকালীন ট্যাপে হাতমুখ ধুয়ে পানি পান করে স্টেশন থেকে বের হয়। এখন এখানে থাকা যাবে না। রাতে আবার আসবে। মুকবল হোসেন ... ...
কলেজ স্কোয়ারে গুরু
( ১২ ) চিন্টুর মায়ের চেহারায় খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। মোটামুটি একইরকম আছে। বাবা এখনও অফিস থেকে ফেরেননি। চিন্টুর মা অপর্ণাদেবী নিয়ন্ত্রিত উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন, ' কতদিন পরে আপনার সঙ্গে দেখা হল। এরা তো এখনও আপনার কথা প্রায়ই বলে ... ' স্বাতী বাড়ি ছিল না। বোধহয় কোথাও পড়তে গিয়েছিল। মিনিট দশেকের মধ্যে বাড়ি ফিরল। সাগরকে দেখে সে যেমন অবাক হয়ে গেল, সাগরও শাড়ি পরা স্বাতীকে দেখে অবাক হয়ে গেল। সজীব মালতিলতার মতো ক্রমশ বেড়ে উঠেছে। স্বাতী এখন আর স্কুলবালিকা নয়। বিদ্যাসাগর কলেজে ... ...
( ১১ ) বর্ষাকাল এসে গেল। আকাশ আজ ঘন কালো মেঘে আচ্ছন্ন। এদিকের পাড়াগুলো মৌসুমী আঁধারে ছেয়ে আছে। দোকানে আলো জ্বলছে। গুমোট আবহাওয়া। বিকেলের দিকে ঝড় বৃষ্টি নামবে বলে মনে হচ্ছে। এই ছাই রঙা বিষণ্ণ আকাশের নীচে একটা ঘুড়ি ভাসছে আনমনে কোন নিঃসঙ্গ চাতকের মতো। সাগর যখনই বটতলা থানার সামনে দিয়ে যায় তখনই কালীবাবুর কথা মনে পড়ে। সেই সব দিনগুলোর কথা শ্রাবণমাসের মালতীলতার মতো দোল খেতে থাকে। কত ঘটনা, কত মানুষ, কত কথা ... সাদা কালো পুরণো বাংলা ছবির মতো স্মতির হাওয়ায় ... ...
এত দিনে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর অক্সফোর্ড সফর নিয়ে প্রভূত কাটাছেঁড়া হয়ে গেছে। এলিট বাঙালি দিদির গুষ্টির তুষ্টি করে ছেড়েছেন যেমন করে থাকেন সবসময়েই। তাতে অবশ্য খুব একটা ফারাক কোনদিনই পড়েনি। আমি সেদিন উপস্থিত ছিলাম, তাই কিছু কথা না লিখলেই নয়। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি দিদিকে ডাকল কেন? সরকারী ব্যবস্থা যা আছে সেগুলো জানতে তো দিদিকে ডাকার প্রয়োজন পড়েনা। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর ইংরাজিতে গ্রামার শোনার জন্যেও নিশ্চয়ই ডাকা ... ...
( ১০ ) হেদোয় একটা বেঞ্চে বসল দুজনে। বেশ কিছু লোক হাওয়া খাচ্ছে অলস ভঙ্গীতে বসে। দু একজন শ্লথ পায়ে পাক মারছে চারদিক ঘিরে। তেমন হাওয়া নেই অবশ্য। গুমোট ভাব। পুকুরে এখন ভরাট জল। জল ছাড়া হয়েছে কিছুদিন আগে। অতীশ বলল, ' নে বল ... ' দুর্বার বলল, ' হ্যাঁ বলছি ... তুই কি একটা বলবি বলছিলি ... সেটা শুনি আগে ... ' --- ' আরে ... সে এক ঝঞ্ঝাট। কি বলব ... কাল তো আমি বাড়িতেই ... ...
১। অক্সফোর্ডে বাঙালি হিন্দুরা মমতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। আরজি করের খুন-ধর্ষণের বিরুদ্ধে, সন্দেশখালির মেয়েদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে, এবং হিন্দুদের গণহত্যার বিরুদ্ধে। আমি বলছিনা, অমিত মালব্য টুইট করেছেন। সঙ্গে একটা ভিডিওও দিয়েছেন, সেখানে কয়েকজন "বাঙালি হিন্দু"কে দেখলাম। এতদিন রিলের কল্যাণে ম্যাক্সির উপরে গামছা জড়ানো মহিলাদের দেখেছি, এই প্রথম সুটের সঙ্গে টিপ পরা পুরুষ দেখলাম। বাঙালি হলে বঙ্গজাতির লজ্জা বলা যায়। আরও অনেক লোকজন ছিলেন। তাঁরা সবাই মিলে অভয়া-অভয়া করে চিৎকার করেছেন। হিন্দু-হিন্দু করে গলা ফাটিয়েছেন। কতজন হিন্দু মারা গেল হিসেব চেয়েছেন। আমাদের পরিচিতরা চারদিকে সেই ভিডিও আবার শেয়ার করে ফাটিয়ে দিয়েছেন। দেখতেও লজ্জা লাগে।এসএফআই ও ফেসবুক পোস্ট দিয়েছে, তারা ওখানে ছিল। অক্সফোর্ডে ... ...
( ৯ ) মানিকলাল চ্যাটার্জিদের বাড়ির ঘড়িবাবু নরেন পাল হঠাৎ মারা গেলেন। বহুযুগের মরচে ধরা প্রায় অবলুপ্ত এক রেওয়াজ বহন করে চলা একজন মানুষ সময় মেলানো চাবি পকেটে নিয়ে এ পৃথিবী থেকে সরে গেলেন। সৌদামিনীদেবীর প্রায় পঁচাশি বছর বয়স হল। ভীষণ উথাল পাথাল উঠতে লাগল তার বুকে। পঞ্চান্ন ছাপ্পান্ন বছরের কত স্মৃতি তার মন জড়িয়ে ধরে রেখেছে তার ঠিক নেই। মাণিকলালও অত্যন্ত মর্মাহত হলেন। নরেন তাদের পারিবারিক ... ...
মামার কীর্তি সাগরময় মণ্ডল সুন্দরবন লাগোয়া প্রত্যন্ত গ্রামে বেড়ে ওঠা ভগীরথ রেলের চাকরি পেয়ে কোলকাতার হেডঅফিসে জয়েন করে। তারপর মাস তিনেকের একটা ট্রেনিং পর্ব চুকিয়ে পোস্টিং পেল বারানসীর রেল কারখানার অফিসে। অফিসটা শহর থেকে অনেকটা দূরে। রেল কলোনির মধ্যে। চারিদিক পাঁচিল ঘেরা, সুন্দর করে সাজানো গোছানো কলোনি। চওড়া রাস্তার ধারে ছোটবড়, একতলা-দুতলা নানান টাইপের কোয়ার্টার। বাংলোও আছে অনেক। বাংলো এবং কোয়ার্টারগুলো সুন্দর পাতাবাহারি গাছ অথবা ছোট ছোট ফুলগাছের পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। সামনে বাগান করার জন্য ফাঁকা জায়গা। বাংলোর ক্ষেত্রে বাগানের জায়গা অনেক বড়। প্রতিটি বাগানে নানারকম মরশুমি ফুলের বাহারি সম্ভার। সে এক নয়নাভিরাম দৃশ্য। কলোনির ভিতরে আছে হাসপাতাল, সিনেমা হল, সুইমিং পুল ... ...
পেদ্রো পারামো পড়ার অনুভূতিঋতব্রত ঘোষ (তৃতীয় পর্বের পর...) এই বই গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের ঠোঁটস্থ ছিল, তা বলেছেন তিনি নিজে। এই বইয়ের প্রভাবই মার্কেজের সাহিত্যজীবনে সর্বোচ্চ- একথাও মার্কেজনিজেই বলেছেন!এই বইয়ের গদ্য পড়ার মতো স্প্যানিশ জ্ঞান আমার নেই। তবে এখানে গল্প বলার, গল্পের জাল বিস্তার করার যে প্রবল নতুনত্ব, ও গল্পের পটভূমিতে ও বিষয়বস্তুতে তার ব্যাপক প্রভাব ও প্রয়োগ মাথা নুইয়ে প্রণামের দাবী রাখে। ফর্ম নিয়ে এইরকম সাহসী অথচ সাবলীল পরীক্ষা কতজন পারেন!জয়েসের Ulysses -এর নাম হয়তো কয়েকগুণ বেশি উচ্চারিত এই ক্ষেত্রে, তবে এই বইয়ের নাম অপেক্ষাকৃত কম কেন, তা বোঝা যায় না। হয়তো Anglo-Saxon sphere -এর বাইরের লোক বলেই!এই বই-ই মার্কেজকে “শতবর্ষের নি:সঙ্গতা” ... ...
(দ্বিতীয় পর্বের পর...) এই গল্পের বেশ কিছু দিক আমার চোখে পড়েছে, যেমন,এক, স্থানীয় মেক্সিকান মৃত্যু পরবর্তী জীবন-সংক্রান্ত বিশ্বাস, আর ক্যাথলিক বিশ্বাস এই উপন্যাসে মিলে মিশে গেছে। লেখকের হাতে এই মিশ্রণ কেমন রূপ নিয়েছে, তা দেখা বেশ উপভোগ্য।দুই, এখানকার কোনো চরিত্রই জীবন-মৃত্যুর মধ্যে কোনো একদিকে স্থির হয়ে বাস করে না। আমাদের কথক হুয়ান প্রেসিয়াদোর সঙ্গে বহু মৃত চরিত্রের সাক্ষাৎ তো হয়ই, তার সাথে আমরা দেখি, আরও অনেক চরিত্রই শহর বেঁচে থাকার সময়ও মৃত চরিত্রদের দেখা পায়, তাদের সাথে কথা বলে। শুধু তাই নয়, পেদ্রো পারামো বা সুসানা সান হুয়ান কাহিনীর অনেক জায়গাতেই এতটাই নিষ্ক্রিয়, এতটাই নিস্পৃহ, যে মনে হয় তারা একই সাথে ... ...
(প্রথম পর্বের পর...) এবার তার উপর জারি হয় সর্বগ্রাসী ভয়। এবং এই ভয়টা তার কাছে আকস্মিক ভাবে আসে না। ধীরে ধীরে তার অভিজ্ঞতা, নতুন লব্ধ জ্ঞানের উপর ভর করেই প্রাণীর প্রাণ বাঁচানোর primal instinct তার উপরে ভর করে।পালানোর পথে তার সাক্ষাৎ হয় এক দম্পতির সাথে যারা পোশাক পড়ে না। পুরুষটি বাইরে গেলে নারীটির বহু উপরোধে সাড়া দিয়ে বিছানায় শুতে যায় হুয়ান। কিন্তু নারী নারী নয়, তার ঘাম আসলে ক্রমে জল, মাটি, কাদা- ঠিক কী তার হিসেব থাকে না। সেই নারীর দেহের ঘামে বা দেহপাঁকেই ডুবে মারা যায় হুয়ান। নাকি তার মৃত্যু আরও আগেই হয়েছে?বোঝা যায় না।সে কবরে শুয়ে আরও এক পুরনো ... ...
পেদ্রো পারামো পড়ার অনুভূতিঋতব্রত ঘোষ বই: পেদ্রো পারামোলেখক: হুয়ান রুল্ফো (মেক্সিকো)প্রকাশকাল: ১৯৫৫পৃষ্ঠাসংখ্যা: ১৪০শ্রেষ্ঠতম উপন্যাসের পর্যায়ে পড়তে হলে যে সেই উপন্যাসকে বিশালবপু হতে হবে, এই ধারণা আমি তারাশঙ্করের 'কবি' পড়েই ত্যাগ করে দিয়েছি। এই উপন্যাস পড়ে আরেকটা উদাহরণ পেলাম খুব জোরদার ভাবে।উপন্যাস শুরু হয় একজন মানুষকে দিয়ে যার মা মারা যাওয়ার সময় তার বাবার খোঁজে যেতে বলে। সেই বাবা, যাকে সে কোনোদিন চোখে দেখেনি। তার কাছে ন্যায্য দাবী পেশ করতে সে পাড়ি জমায় তার বাবার শহরে, যার নাম কোমালা। মাকোন্দোর মত এ-ও এক কাল্পনিক শহর। দূর থেকে সবাই বলে যে শহর আর নেই নষ্ট হয়ে গেছে। কেউই আর নাকি সেখানে থাকে না।কিন্তু ... ...
আপনাকে আর ক'টা মাছ দিই? এরপরেই গৃহকর্তার হাঁক, এ্যাই রসগোল্লার বালতিটা এদিকে নিয়ে আয়... রসময়বাবুর পাত একেবারে ফাঁকা। রসময়বাবু সেই হাঁক শুনে বললেন, একদম নয়। আর পারব না। গৃহকর্তা এবার তাঁর পাতের দিকে এগিয়ে গিয়ে বললেন, দে দে পুরো বালতিটাই উপুড় করে দে। খুব পারবেন রসময়বাবু। ভুলে গেলেন? আপনার নাতির অন্নপ্রাশনের ভোজে আমায় উঠতে দেননি। গুনে গুনে চল্লিশখানা রাজভোগ খাইয়ে ছেড়ে ছিলেন। আমিও আজ আপনাকে ছাড়ছি না। সেই শোধ আজ তুলবই তুলব।এই ধরনের কথপোকথনের দিন আমাদের জীবন থেকে বহুকাল আগে হারিয়ে গেছে। ভোজসভার সেই আয়োজন আজ অতীত। সেই লম্বা টেবিলের ওপর পাতলা সাদা কাগজের ওপর কলাপাতা আর ভাঁড় পেতে খাওয়ানোর ... ...
( ৮ ) প্রতাপ ধর মাথা ঠান্ডা রাখল। তার বাস্তববুদ্ধি থেকে সে বুঝতে পারল সে ফাটা বাঁশে পড়েছে। আপাতত ব্যাপারটা সামলে নেওয়ার দরকার। তারপর মামলাটা তলিয়ে ভাবতে হবে। এই পাবলিকও তো কোন অর্ডিনারি পিস মনে হচ্ছে না। বোধহয় লাল পার্টির কেউ হবে, হয়ত অনেকদিন আন্ডারগ্রাউন্ডে ছিল। এর সঙ্গে তার তো এই প্রথম মোলাকাত। মোনাবাবু কি তার সঙ্গে বেইমানি করল ? সে যাই হোক, সে দ্রুত ভেবে নিল, পরিস্থিতিতে এক্ষুণি জল ঢালার দরকার। হিট খুব বেড়ে ... ...
( ৭ ) সকাল পৌনে দশটা নাগাদ মোনাবাবু আর সাগর এসে গুলু ওস্তাগর লেনে চায়ের দোকানে এসে বসল। রাস্তার ওপারে স্কটিশ চার্চ স্কুলের সামনে জমজমাট, কলরবমুখর। স্কুল বসতে চলেছে। উঁচু নীচু নানা ক্লাসের ছেলেপুলেরা হরিণের মতো নিষ্পাপ ভঙ্গীতে সামনের গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকছে। তারা হয়ত শুনেছে এখন জরুরী অবস্থা না কি একটা চলছে, যেটা নিয়ে তাদের মাথা ঘামাবার কথা নয়। যাদের মাথা ঘামাবার তারা মাথা ঘামাচ্ছে। মোনাবাবু বললেন, ' কই কোথায় ... ...
এতো রাগী জিনিকে কখনও দেখিনি। স্কুল থেকে ফিরে ছুঁড়ে ফেললো ব্যাগটাকে। ব্যাগটা ককিয়ে উঠে বললো "Jinny is upset". ইংরেজি পছন্দ করিনা তা নয় তবে...। "জিনির মন কেন খারাপ?""স্কুল থেকে প্রোজেক্ট দিয়েছে। কলকাতার রাস্তা নিয়ে গবেষণা করতে হবে। বন্ধুরা আগে ভাগে ভাগ করে নিয়েছে। কিছুই বাদ রাখেনি আমার জন্যে।"" পার্ক স্ট্রিট, বইপাড়া, কুমোরটুলি, বড়বাজার, ধর্মতলা... ""সব শেষ। কিছু বাকি নেই।""হুম্। তাহলে particular রাস্তা না নিয়ে থিম ভাব। যেমন কলেজ পাড়া, সাহেব পাড়া... "" সেও গেছে। "ঝুল বারান্দায় এসে দাঁড়ালাম। দৃষ্টিটা ঝাপসা হয়ে এলো। বুঝলাম সময় হয়েছে। কফি হাউস থেকে দুই যুবক প্রাণপণে দৌড়চ্ছে পাশের শ্যামাচরণের গলি ধরে। পেছনে মানুষরা দৌড়চ্ছে। খুন খুন ... ...
( ৬ ) সাগর সব শুনে বলল, ' থ্রেট দিচ্ছে বলছ। কি থ্রেট দিচ্ছে ? ' অভয় বলল, ' বলেছে, কথা না শুনলে গোটা ফ্যামিলির বারোটা বাজিয়ে ছাড়বে। আমার মেয়েকে নিয়ে এত টানাটানি করছে কেন বুঝতে পারছি না ... ' --- ' উদ্দেশ্য কিছু একটা আছে নিশ্চয়ই। হয়ত কিছু খারাপ কাজ করাতে, যে জন্য কোন মহিলা লাগবে। ওসব কারবার পরে জানলেও চলবে। যেটা জানার দরকার .... ' --- ' হ্যাঁ, কি বলুন না ... ' --- ' তোমাদের এলাকা থেকে কেউ ... ...