ডিসক্লেমার: নীচের লেখাটা সৎ হলেও, এতে ধর্ম আর ধর্মের অজুহাতে সন্ত্রাসকে গোলানো হয়েছে। ভুল আর তার সংশোধন — দুইই থাক। তবে লেখার নীচে সুতীর্থর দ্বিতীয় মন্তব্যটি পড়ে দেখবেন। ************--*********** নরপশু শব্দটা ভুল। এই শতকে এ তথ্য আর কিছু নৃতত্ত্ববিদের কুক্ষিগত নয়, যে, মানুষই সবচেয়ে হিংস্র, সর্বশ্রেষ্ঠ খুনে। জেনোসাইডের সময় সে অন্য প্রজাতি তো ছার, নিজের বেরাদরদেরই ছাড় দেয় না। নিজের অধম প্রবৃত্তিগুলিকে সে এই সুপারপাওয়ারে পরিণত করেছে শুধুই নাকি তার গালগল্পে বিশ্বাস করার অসীম ক্ষমতাবলে। তা, এ ব্যাখ্যা ভুল মনে হয় না।আজ থেকে বছর পনেরো আগের বাংলাদেশে একদল বিভিন্ন বয়সের মানুষ সোৎসাহে, নিজেদের ধর্মে অবিশ্বাস, আরেকটু এগিয়ে ঈশ্বরে অবিশ্বাস, যুক্তিতর্কে নিষ্ঠা, আর ... ...
কেন্দ্র-রাজ্যে দুই ডানপন্থী দলের উৎপাতে রাজ্যের লোকের নাভিশ্বাস। এসময়ে বামেরা কী করছেন?কলকাতা শহরে পর পর কয়েকটি বড় আন্দোলন হয়েছে - এস এস সি পরীক্ষার্থীদের আন্দোলন, এন আর এসে জুনিয়র ডাক্তারদের মার খাওয়ার পরে ডাক্তার ধর্মঘট, এন আর সি বিরোধী আন্দোলন, তিলোত্তমা ধর্ষণ ও হত্যার পর জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন, এবং বর্তমানে কর্মচ্যুত শিক্ষকদের আন্দোলনও দানা বাঁধছে। এর মধ্যের প্রতিটিতেই বিভিন্ন বাম সংগঠন যুক্ত ছিলেন। কিন্তু, এই আন্দোলনগুলির চরিত্র, এবং বাম দলগুলির এই আন্দোলনগুলিতে ভূমিকা নিয়ে কয়েকটা জিনিস লক্ষ্যণীয় - এক, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছোটবড় নীতিহীনতা, এবং দুই, আর্থসামাজিকভাবে দুর্বল অংশের দাবিদাওয়াকে আন্দোলনে একেবারেই তুলে না ধরা।পশ্চিমবঙ্গে এন আর সি বিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ... ...
Happy World Earth DayOur Power Our Planetসকালে হাঁটতে ভালো বাসি,মাঝে মাঝে জুতা খুলে শুধু পায়ে, ঘাসের পরশ, ঠান্ডা জলজ অনুভব দু পায়ে।রাতে দু ফোঁটা বৃষ্টি হয়েছিল, পাখির ডাক শোনা যাচ্ছিল কাছে এসে বলে গেল চোখ গেল, চোখ গেল, কখনো বা মনোরোম কুহু, কুহু গান শুনিয়ে গেল। সকালে শুদ্ধ অল্প শীতল বাতাসে মন প্রাণ ভরে গেল, মনে মনে গাইছিলাম রবি ঠাকুরের গান -ঘাসে ঘাসে পা ফেলেছি বনের পথে যেতে,. ফুলের গন্ধে চমক লেগে উঠেছে মন মেতে,. ছড়িয়ে আছে আনন্দেরই দান,- -যাই হোকআজ 22 এপ্রিল আজ পৃথিবী দিবসপ্রতিদিন একজন মানুষ ৩২৯৭ টাকার অক্সিজেন ব্যবহার করেন। বছরে তার পরিমান দাঁড়ায় ১২ লক্ষ ৩ হাজার ... ...
এটা আরজিকর আন্দোলন নয়, যেখানে একটা মর্মান্তিক ঘটনা এবং প্রশাসনের চূড়ান্ত অপদার্থতার পর, চর্চা হল স্রেফ অজস্র আষাঢ়ে গুজব নিয়ে। গুজব নিয়ে প্রশাসনের কোনো দায় থাকা সম্ভব না, ফলে তারা ফাঁকতালে পাশমার্ক পেয়ে বেরিয়ে গেল স্রেফ ধৈর্য দেখিয়ে। কিন্তু এখানে গুজব কিচ্ছু নেই। সবই আদালতে হয়েছে। দুর্নীতি নিয়ে কেউ কনটেস্টই করেননি, ফলে ওটা প্রমাণিতই বলা যায়। এবং সেটার মাপ কম না, আন্দাজ ২৫% নিয়োগে গরমিল আছে। এবং এর জন্য বিকাশরঞ্জন বা আদালত বা গ্রহান্তরের জীব, কাউকে দোষ দিয়েই লাভ নেই। রায়ে যে ন্যাচারাল জাস্টিসের নীতি মানা হয়নি, তার সঙ্গে আমি একমত না, আগেও লিখেছি। কিন্তু তারপরেও, দুর্নীতি না হলে এসব কিচ্ছু ঘটতনা। উকিলের কাজ উকিল করবেই, এজেন্সি রাজনৈতিক কাজ করবেই, আদালত রায় দেবেই, কিন্তু এতদূর জিনিসটা গড়াতই না, দুর্নীতি না হলে। দুর্নীতির দায়ে মন্ত্রী তো বিচারাধীন হয়ে জেলে আছেন, বলেও কোনো লাভ নেই, কারণ, তিনি দোষী হন বা না হন, এই দুর্নীতিটা চোখের সামনে হতে দেওয়া হয়েছে। এবং খুব কম করে ধরলে, সরকার নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়েছে। এবার, এই কেলেঙ্কারির দায় আর কেউ নেবেনা, রত্নাকরের মতো সরকারকে নিজেকেই নিতে হবে। এবং তাদেরই মেটাতে হবে। কীকরে মেটাবেন জানা নেই, কিন্তু মেটাতে হবে। কীকরে মেটাবেন জানা নেই বললাম, কারণ, জটিলতা আছেই। প্রথম সম্ভাব্য জটিলতা, ... ...
Mubi ওটিটিতে এখন আম্বেদকরের উপর দুটি ছবি দেখানো হচ্ছে। তারমধ্যে একটিতে জ্যোতি নিশা পরিচালিত ১১০ মিনিটের ডক্টর বি আর আম্বেদকরঃ নাউ অ্যাণ্ড দেন ছবিতে কিছু নতুন তথ্য আছে। ১৯৯৭ সালে ওয়াশিংটন পোস্টের দিল্লীস্থিত সাংবাদিক মিঃ কুপারের প্রয়োজন হয় একজন দলিত সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলা। পি আই বি র ইনডেক্স ঘেঁটে, প্রেস ক্লাবে খুঁজেও একজন দলিত সাংবাদিকও দিল্লীতে খুঁজে পাওয়া যায় নি। ২০০৬ সালে একটি সার্ভে করে দিল্লীর ৩৫ টি মিডিয়া হাউসের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ১০ জন ব্যক্তির জাতিপরিচয় খুঁজে আবার একই তথ্য--- একজনও দলিত খুঁজে পাওয়া যায় না ঐ সাড়ে তিনশ জনের মধ্যে, ওবিসি পাওয়া যায় মাত্র ৪ শতাংশ। অথচ সরকারী ... ...
আমি নকশাল নেতা একজনের কাছে শুনেছি, যিনি জরুরি অবস্থায় সোস্যালিস্ট ও নানা ধারার বামেদের সঙ্গে জেলে ছিলেন, একটা ঘটনার কথা। ওই নেতা বেঁচে আছেন তাই নাম নেব না ধরা যাক কবাবু। যিনি প্রশ্নকর্তা তাঁর নাম হচ্ছে প্রয়াত কিংবদন্তী সোস্যালিস্ট নেতা সুশীল ধাড়া।সুশীল ধাড়া - ও কবাবু কী ব্যাপার বলুন তো ?কবাবু - কেন ?সুশীল ধাড়া - সিপিএময়ের লোকেদের কী ব্যাপার বলুন তো ?কবাবু - কী হলো ?সুশীল ধাড়া - না ওদের মারতে মারতে জেলে পুরলো! মিসা দিল সবার মতোই। কিন্তু জেলে ঢুকে ওরা জেলারকে খুশি করতে জেলের খাতা লিখবে! কী ব্যাপার বলুন তো?কবাবু - দাদা আপনিই তো বলেছেন। সুশীল ধাড়া ... ...
Tom Bingham একটি বই লিখেছেন। বইটির নাম The Rule of Law. তিনি ব্রিটেনের একজন স্বনামধন্য আইনজ্ঞ। তিনি Master of Rolls, Lord Chief Justice এবং Senior Law Lord ছিলেন। হিউম্যান রাইট্স নিয়েও তাঁর লেখালেখি ও লেকচার রয়েছে।আমাদের এখানেও অনেকেই ‘হিউম্যান রাইট্স’ নিয়ে বিস্তর লেখালেখি করেছেন কিন্তু দেখা যাচ্ছে সেইসবের প্রতি আমল না দিয়ে আমরা ‘হিউম্যান ফাইট্স’ নিয়ে বেশি চিন্তা ভাবনা করছি। সিনেমাতেও আপাদমস্তক ঝাড়পিট না থাকলে আবার অনেক দর্শকের সিনেমাটিকেই জোলো বলে মনে হয়! যদিও এই ‘ঝাড়পিট’ প্রেমীদের জন্য আলাদা করে বেশ কিছু চ্যানেল বিভিন্ন অর্থবর্ষে বরাদ্দ করা রয়েছে।তবুও শুনেছিলাম সেই এক ঘেয়ে ঝাড়পিট দেখতে দেখতে কোনও কোনও দর্শক নাকি চ্যানেলের ... ...
তোমাকে পেতেভাবছি, তোমাকে পেতে এখন তন্ত্র-সাধনাতেই বসবো। কালা-যাদু, তন্ত্রমন্ত্র, পিশাচী'র আরাধনা। অমাবস্যা তিথিতে কাল-ভৈরবের সামনে ফেলে দেব তরতাজা পাঁঠা। গাঁজার কল্কি হাতে ঐ নক্ষত্রের মাঝে মিলিয়ে যাবে বিরহী প্রেম। আর চোখ থাকবে রক্তজবার মতো লাল। বিশ্বাস কর, আর কোনো পথ নেই। তোমাকে দেবদাসী হিসেবে পেতেই আমি পঞ্চমুন্ডী'র আসনে বসে ডাকিনী-যোগিনীদের আহ্বান জানাবো। এই অনন্ত আঁধারে কেবল ডাকিনীবিদ্যা আত্মস্থ করাই অবশিষ্ট আছে। তোমাকে পেতে নাহয় সেই পথেই যাবো ; যে পথে নক্ষত্রেরও পতন ঘটে ; যে পথে ঠগবাজ বিপদের ভয় ; যে পথে আমার অন্তরাত্মা'র নির্বিরোধী অধঃপতন, ঠিক সেই অলৌকিক উপায়েই তোমাকে চাই। তোমাকে পেতেই আমার এই অস্বাভাবিক প্রতিচ্ছবি। বিশ্ব-ব্রহ্মান্ডের এই ... ...
বাংলার অর্ধেক বিষয়ই নারী এবং সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে পরিণত হয়। সন্দেশখালি দেখুন, স্রেফ গুন্ডামি বা জমিদখল নয়, একটা রগরগে যৌনদাসীর ফ্যান্টাসিতে পৌঁছল, যে যৌনদাসী পুষত এক বিশেষ সম্প্রদায়। ঠিক যেন আরব্য রজনী। আরজিকরে দেখুন, একটা সরকারি হাসপাতালে খুন, ধর্ষণ, অধ্যক্ষের প্রাইজ-পোস্টিং, এইসব না, জিনিসটা পৌঁছল কুৎসিততম একটা পর্নোগ্রাফিতে। এক বিশেষ সম্প্রদায়ের ছেলেদের দ্বারা গণধর্ষণ, একটা মেয়ের অবধি হাত চেপে ধরে রাখা, এইসব মিলিয়ে আমি-সোমা-বলছি যে উচ্চতায় পৌঁছেছিল, তাকে টপকানো সম্ভব বলে মনে হচ্ছিলনা। কিন্তু তাকেও টপকে এল লাশের সঙ্গে সঙ্গমের গল্প। দৈনিক সংবাদপত্রের প্রথম পাতায়। বিকৃতির এই মাপ আগে কখনও দেখা গেছে বলে মনে হয়না। এবারও এই মুর্শিদাবাদ নিয়ে দেখুন, সংখ্যালঘু তো ছিলই, এখন মহিলা কমিশন এসে গেছে। ... ...
আমি বহুকাল আগে সাসেক্স থেকে গ্লাসগো গেছিলাম একটা সেমিনারে। তখন এক বেলার জন্য এডিনবরা গেছিলাম। সঙ্গে এলো এক কানাডিয়ান গবেষক আর আমাদের সঙ্গে যোগ দিলেন ওখানকার এক প্রফেসর। উনি লাঞ্চে invite করলেন। স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইনিং হলে। এদেশে invite করার মানে যে যার নিজের পয়সায় খাবে। হয়তো ভাষার কোন মারপ্যাঁচ আছে তার থেকে বুঝতে হয়। উনি বললেন আমি তোমাদের বিয়ার খাওয়াতে পারি। আমি তখন বিয়ার অপছন্দ করতাম। তাই নিলাম না। মেয়েটিও নিল না।খাবার পর শহরটায় হেঁটে চলে বেড়ালাম। কিছু ছবি তুললাম। সুন্দর শহর। পরে কোনদিন আবার আসব ভেবেছিলাম। কিন্তু আসা হয়ে ওঠেনি। অনেক বছর পর গত দুর্গা পূজার সময় (2022 অক্টোবর) ... ...
তৃণমূলের ক্রাউড খেউড়ের চরিত্র দেখলেই ধরা যায়। তপোব্রত ঘোষ মহাশয় এদের বাংলু বলে ডাকেন।যে যে ব্যাপারে কাউন্টার করতে বিদ্যা বুদ্ধি লাগে, সেই সমস্ত ব্যাপারেই যে তারা শীতঘুমে থাকেন, সেটা অভয়া-কান্ডের সময়ই ধরা গেছে।তবে বিবাহ পরকীয়া ইত্যাদি প্রভৃতি কমন পড়া বিষয় এলে উচ্ছাস আর চেপে থাকতে পারেন না।এসব নিয়ে বিশেষ কিছুই তাই লেখার নেই। যেমন গাছ, তার ফল তেমনই হয়। পরের ধাপে আসেন সুশীল কৌপিনধারীরা।এরা ফেসবুকে সেকুলার, আর হোয়াটসঅ্যাপে তীব্র জাতীয়তাবাদী। বেশির ভাগ স্বরলিপি মেনে রবিগান, আর মনের তাগিদ মেনে দেদার হিন্দি গানা বাজান।হারমোনি সামনে পেলে,গেয়েও দেন।রাজ্যজোড়া রোহিঙ্গা আর দুর্নীতি নিয়ে সাংঘাতিক টেনশন করেন। বাদবাকি রাজ্যগুলির কোথাও কোন দুর্নীতি নেই, সবকটা শিবঠাকুরের ... ...
অনেকদিন বৃষ্টি হয়নি ক্ষয়িষ্ণু অপেক্ষার ভস্মে ঘি ঢালতে ভিড় করেছে মেঘ। হতে পারে আজ বর্ষা নামবে। তামাটে রঙের গ্রিলের আড়ালে প্রাপ্তবয়স্ক একটা দেহ। আঙুলের যে কর একসময় যোগবিয়োগ করত আজ সেই কর কোডিংয়ের কারাগারে। মনে পড়ে, ছোটবেলায় কারাগার ছিল এই বৃষ্টির দিনই। বর্ষার জল গায়ে লেগে জ্বর-মাথাব্যথা-শরীর খারাপ, নোংরা কাদা গায়ে লাগলে শৌখিন ... ...
গীতায় আত্মা আছে বলে। মার্ক্সবাদে ভুত নেই আত্মা নেই। তাই আমি ভুতে বিশ্বাস করতে পারি না। কিন্তু ছোট বেলা থেকে ভুতের গল্প শুনে বড় হয়েছি। যেমন শাশুড়ী ভুতের গল্প। এক কালে গ্রাম কে গ্রাম কলেরায় উজাড় হয়ে যেত। সেই সময় কোন এক জামাই না জেনে রাত্রী বেলা শ্বশুর বাড়ি এসেছে। ভাত খেতে বসে জামাই লেবু চাইতেই শাশুড়ী দশ হাত দূরের লেবু গাছ থেকে হাত বাড়িয়ে লেবু আনতেই জামাই বাবাজীবন ভয়ে দৌড় লাগালেন। গ্রাম পেরিয়ে অনেক দূরে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেলেন। সেখানকার লোকজন চোখে মুখে জল ছিটিয়ে জ্ঞান ফিরিয়ে সব শুনে বলল ... ...
( ১৭ ) ঝুলন দেখতে কিন্তু যাওয়া হল না। সেদিন বিকেলবেলায় তুমুল বৃষ্টিতে ভাসিয়ে দিল অনেকের অনেক কিছু। ইন্দ্রাণীর ইচ্ছা এবং জেদটাও জলের তোড়ে ভেসে গেল। সাগর ভাবল, বাঁচা গেল। সাগর সেদিন আর বাড়ি থেকে বেরোয়নি। তার পরের দিন সকালে বাজারে বেরোচ্ছিল সাগর। মায়ের জ্বরটা ছেড়েছে মনে হচ্ছে। আর জ্বর না এলে কাল ভাত খাবে মনে হয়। বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাঁদিকে ঘুরতেই দেখতে পেল ইন্দ্রাণী একটা চাকতি লাটিম সূতোয় ওপর ... ...
ডেটা পুরাণ শেষ হল আর ভাতঘুম এর রেষ কাটবার পর ভাবছি কি করলাম সারাদিন। এদিকে ভাবলাম খাওয়াদাওয়া কি করব আজকে কারন সেই প্যানকেক এর পান্সে ও শুঁকনো স্বাদটি মেটাতে হবে। রোদ কিছুটা কমলে একটু পায়ে হেটে আমার আশেপাশে কি আছে একটু ঘুরে দেখি। আবার তৈরি হয়ে বেরিয়ে পরলাম। আমার কর্মক্ষেত্র ডেন্টনের সাথে তুলনায় গরমটি বেশী যার কথা আগেই উল্লেখ করেছি, কিন্তু বিকেলবেলা বলে গরমটা একটু কম। আশেপাশে বলতে বড় রাস্তা বাদে সেরাম কিছু একটা দেখতে পেলাম না। একটা জায়গায় গেলাম যেখানে দেখলাম অনেকগুলো পিলার ও সেখানে অঙ্কনকর্ম চলছে। আরও একটু ঘুরে এগিয়ে চললাম গুগল ম্যাপ দেখে একটি মেক্সিকান খাবার জায়গায় ... ...
একবাক্যের উত্তর: একটেরে রাজনীতির শ্লোগানশানিত শাঁখের করাতে মাথা কাটা যাওয়া থেকে বাঁচতে সাহায্য নিই গায়ত্রী স্পিভাকদের থেকে। প্রশ্ন সহজ, উত্তরও জানা হল। একটু খুলে বলার চেষ্টা করছি। খেয়াল করি, আজ নয়, বেশ কয়েক দশক হল ছাত্র থেকে গবেষক – পেশাদার বিদ্যাচর্চাজীবির গোপন বাসনা অ্যাক্টিভিস্টের সিংহচর্ম। তেমনি অ্যাক্টিভিস্টেরও গোপন সাধ গবেষকের গরিমা। আর আছেন ডিজিটাল সাংবাদিক। তাঁর মূল প্রত্যাশা হল এই দুই চরিত্র হররোজ নানান রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে গরমাগরম মন্তব্য করে যাবেন। কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স নিয়ে মুক্তিকামী মন্তব্য না পাওয়া গেলেই গবেষক বা অ্যাক্টিভিস্ট হয়ে যাবেন সুবিধেবাদী।এঁরা বাদে সত্যিসত্যিই গোটা দুই বন্দুক নিয়ে মুক্তি আনার চেষ্টা চালান যাঁরা, তাঁদের কুর্নিশ জানানো ছাড়া আর ... ...
জয় গোস্বামীর এই সাক্ষাৎকার বেরিয়েছে "এই সময়" কাগজে ১৫ এপ্রিল ২০২৫ ( ১ বৈশাখ ১৪৩২ ) এ
প্রতিভা সরকার কে, আমি চিনি না। তার কোনো বই আমি কখনো পড়িনি, পড়ব বলে ভাবিওনি। এবছর বইমেলাতে, ঠিক প্রতিবারের মতোই ক্রমশই পাক খাচ্ছি, তখন 'গুরু'-র স্টল আর সেখান থেকে অকারণেই তুলে নেওয়া একটা বই। দেখি লেখিকার নাম বিনবিনে আগুনের মতো রঙে লেখা, প্রতিভা সরকার। নিজের রাজ্যে বই কিনে, পড়ছি এসে ভিনরাজ্যে। মাঝে একটি মাসে বইয়েরা গাড়ি চেপে এসে উপস্থিত হয়েছিল, আমি এলাম পরে পরে। প্রথমে পড়ব বলে বাছলাম এই বইটাই। ব্যস,তার পর থেকে আর কিছুতে মন লাগে না। ঘরের কাজ করতে করতে খেঁকিয়ে উঠি, আকালুর জন্য মেজাজ খারাপ হয়ে থাকে। কেন মানুষ এমন কোনঠাসা করে মানুষকে? মৃত মায়ের গল্প পড়তে পড়তে আমি খুব ... ...
জানাজামুহাম্মদ ফজলুল হকজীবনের প্রথম জানাজা পড়ল মুবিন।জানাজার দোয়া-দরুদ, নিয়ম-কানুন না জানলেও তাকেই পড়াতে হলো জানাজা।লকডাউনের আগের দিন বাড়িতে পৌঁছেই শুনল, পাশের গ্রামে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। নয় ঘণ্টা ধরে উঠানে লাশ পড়ে আছে। আত্মীয়স্বজন গ্রামবাসী কেউ দাফনে এগিয়ে আসছে না।মুবিন তার সমমনা তিন বন্ধুকে নিয়ে এগিয়ে গেল। প্রাথমিক কাজকর্ম শেষে প্রতক্ষদর্শীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিজেরাই দাঁড়িয়ে গেল জানাজা পড়তে।তারা ঝুঁকি নিচ্ছে, তাদের জীবনও বিপদাপন্ন করে তুলছে জেনেও তারা এই বলে জানাজা করল...'হে মহিমান্বিত করুণাময় ও দয়াবান! তুমি তোমার এই বান্দাকে গ্রহণ করো। আমাদের আরও বেশি শক্তি, সাহস ও সামর্থ্য দাও, যেন আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি।আমিন।' ... ...
( ১৬ ) ইন্দ্রাণীর সঙ্গে সেই বহুবছর আগে সাগরের পরিচয় হওয়ার মধ্যে বিশেষ কোন নাটক নেই। সাগররা তখন সুকিয়া স্ট্রিটে একটা ভাড়া বাড়িতে থাকত। ওই বাড়িতেই সাগরের জন্ম। পরে তারা উল্টোডাঙায় চলে যায়। সুকিয়া স্ট্রিটে ডাক্তার সুবোধ ব্যানার্জীর বাড়ি ছিল তাদের বাড়ির পাশেই। ডাক্তার হিসেবে সুবোধবাবুর