নির্জন রাতে সমুদ্র ভয়াল নয় অতটাও যতটা ভয়াল মানুষ পশুর কাম, কেন ছেলেমেয়ে বিহারে যাও সমুদ্রসৈকতে, জানো না কি, রাষ্ট্র নেবে না দায়িত্ব সুরক্ষার। মেয়ে হলে পশু ছিঁড়ে খুঁড়ে খাবে দেহ, পুরুষ হলে পিটিয়ে করবে লাল, ভয়ে ভয়ে থাকো, মেনে নাও যত নিষেধ এবং শিকল, জানো নি কি এখনো, রাত্রি অথবা নির্জনতায় ধর্ষকদেহে পুরুষাঙ্গ কামরোগে বেসামাল। ... ...
হিম ঝরছে আখ,খেজুরে, জিভ চাখছে গুড়ের ঝোল,জরায়ুটি ফেলছে ছেঁটে, শাকিলা,হেম, ঝিল, চঞ্চল। ওই আসছে দলে দলে, হাসপাতালের খাতায় নাম,ঝরছে না আর মাসিক রজঃ, লাফিয়ে বাড়ছে গুড়ের দাম। ঘন ঘন আখের ক্ষেতে লুকিয়ে থাকে লাঁডগা (নেকড়ে)সব, "মালা লাঁডগা ডর না লাগে, নর পেক্সা অপায়কারক"। *(মারাঠি ভাষায় -নেকড়ে আমার* ডর লাগে না, পুরুষ তার চেয়ে ভয়ংকর) ... ...
সারা রামায়ণ কিংবা মহাভারত জুড়ে ভিলেন খোঁজা মানে হলো ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়। রামায়ণ মহাভারত কোনো রোমান্টিক প্রেমের কাহিনী তো নয়, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৎকালীন সমাজ দর্পন।নায়ক ভিলেন এসব সেন্টিমেন্ট নিয়ে মাথা ঘামায় নেকু পাব্লিক। (রামায়ণ) রাজনীতিতে অত উতলা হলে গদি ছিঁড়ে ভেতরের ছোবড়া পেছনে খোঁচা দেয়। ওখানে ফেলো কড়ি মাখো তেল, সীতা তুমি কি আমার পর? কে যেতে বলেছিল আমার সাথে বনবাসে, তিন তিনজন শাউড়ি সামলে ঘর করবে না তাই স্বামীর রিমোট পোষ্টিং এ বাক্স গুছিয়ে তড়িঘড়ি রেড়ি। ... ...
গেলেই পারতাম তবুও থমকে দাঁড়িয়ে আছি গলির মুখে, শারদীয় চাঁদ লন্ঠন হাতে করে এখনো খুঁজে খুঁজে ফেরে সুখ, ছড়িয়ে ছিটিয়ে গিয়েছে নক্ষত্র পথে পথে বিন্নি ধানের খই, পাশা দান পড়েনি সঠিক। গিয়েছে কোথায় বিসর্জন শরীর, আমি তো যাবো না বিসর্জনে, ওগো বিসর্জন দিও না এখনি, বিসর্জিত হয়ে আর কিসের বিজয়? ... ...
আচ্ছা "ভ" অক্ষরটাকে একটু নিবিষ্টভাবে লক্ষ্য করেছেন কী? highly suspicious কিন্তু ভাই। ওই দেখুন দুম করে কানার মতো "ভ" এর গাড্ডায় পা দিয়ে ফেল্লাম। আচ্ছা ভাই বলে পৃথিবীতে সত্যি কিছু আছে নাকি? ধুর মশাই ওসব সৌভ্রাত্যবাদ আপনার পকেটেই রাখুন। স্বার্থে আঘাত লাগলে সব ভাইয়ের ভেতরের ভাইরাস গলগল করে বেরিয়ে রোগের মহামারী বাঁধিয়ে ফেলে। আর ঘ্যাঁচাং করে সম্পক্ক খাল্লাস। কি ভুল বল্লাম?? ইস!! আবার "ভ"। মেপে মেপে পা ফেলছি তবু্ও। এতো গাড্ডা না রাস্তায়। ভ্যাবলার মতো হাঁটলেই ভবিষ্যৎ ভয়ানক।। আসলে এক কথা বলতে এসে অন্য কথায় ভটকে গেলাম। ... ...
পোস্ট ফিফটি বয়সের ওই এক দোষ। ঘুমের ঘাটতি। রাত্তিরে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়লে ঠিক ভোরে ঘুম ভেঙে যাবে। যেদিন এমনটা হয় সেদিন ভোরে উঠে আমি চা বানিয়ে লিখতে বসে পড়ি। যাহোক কিছু লেখা। যা মনের পর্দার উপর ভাসমান। এই আজ যেমন লিখছি সেইরকম। আমার মেয়ের বাড়িতে যেখানে থাকি সেখানে মসজিদ আছে বোধহয় ধারে পাশে কোথাও। এখন কানে দূর মসজিদ থেকে আজানের শব্দ আসছে। আজান শুনলে আমার ছোটবেলা জড়িয়ে ধরে। যে পাড়ায় শৈশব, কৈশোর কেটেছে সেখানে আজানের সময় মেপেই আমার দিন চলত। ভোরের আজানে ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসা। দুপুরের আজানে বাড়িতে থাকলে স্নান খাওয়া শেষ করার প্রস্তুতি। সন্ধ্যার আজানের আগে খেলা সেরে বাড়ি ... ...