ইহুদি থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হওয়া মোহাম্মদ আসাদ লিখিত "দ্য রোড টূ মেক্কা" একটি বিখ্যাত বই। ওই বইয়ে তিনি মরুঝড়ের সময় আরবের মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়ার একটি অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। ... ...
কার্টিস রজার্স নামে এক অবসরপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী ও জন ওলসন নামে এক ট্রান্সপোর্ট ইঞ্জিনিয়ার লেক ওয়ার্থ, ফ্লোরিডায় 2010 সালে জেডম্যাচ (ZedMatch) নামে একটা ডিএনএ প্রোফাইলিং কোম্পানি খোলেন। তাদের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল নতুন গবেষকদের জেনেটিক গবেষণায় সাহায্য করা এবং এতিম, দত্তক বা পরিত্যক্ত শিশুদের বাবা-মা অথবা আত্মীয়-স্বজনদের খুঁজে বের করতে সাহায্য করা। ... ...
এক সময় ঢাকার গৃহিণীরা একটি ম্যাচের কাঠি ও সামান্য পরিশ্রম বাঁচানোর জন্য সারারাত গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখত। এখন আমাদের প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করতে হচ্ছে। ... ...
১৯৪৫ সাল।.অস্ট্রেলিয়ান সৈন্যরা জাপানের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প থেকে মুক্তি পেয়ে চা খাচ্ছে। .এরা ভাগ্যবান জানে বেঁচে গিয়েছে। এদের সাথীদের অনেকেই বাঁচেনি।.কেন বাঁচেনি তা এদের পাঁজরের হাড় দেখেই অনুমান করা যায়। ... ...
১৮৩৫ সালে একটা খবর সারা বিশ্বে বেশ আলোড়ন তোলে। ব্রিটিশ নৌবাহিনীর এক জাহাজ হঠাৎ করে মুখোমুখি হয় পালতোলা এক জীর্ণ শীর্ণ জাহাজের। জাহাজটি যে এগিয়ে আসছে, কেউ দেখেনি। আচমকাই যেন উদয় হয়েছে। সংঘর্ষ হতে হতেও শেষ মুহূর্তে ইংরেজ নাবিকরা সামলে নিল যেন অলৌকিক ভাবে। তাদেরকে অবাক করে দিয়ে নেদারল্যান্ডের পতাকা ঝুলানো জাহাজটা যেন হাওয়াই মিলে গেল নিমিষে। ঘটনাটি পত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হয়। জার্মান নাট্যকার রিচার্ড ভাগ্নার ঘটনাটা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে লিখে ফেললেন গীতিনাট্য ‘দা ফ্লাইং ডাচম্যান’। যে কাহিনী এতদিন লোকমুখে শোনা যেত, ভাগ্নারের গীতিনাট্য সেটা দাবানলের মত ছড়িয়ে দিল সারা ইউরোপে। ... ...
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ ছিল তাদের গৃহযুদ্ধ। এই যুদ্ধে অন্তত সাড়ে ৬ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়। দুই বিশ্বযুদ্ধ, কোরিয়া যুদ্ধ ও ভিয়েতনাম যুদ্ধ মিলিয়েও এত মার্কিন প্রাণ হারান নি। দাসপ্রথার বিলুপ্তিকে কেন্দ্র করে ১৮৬১-১৮৬৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরদিকের ২১টি ও দক্ষিণদিকের ১১টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে সংঘটিত হয় এই গৃহযুদ্ধ। দক্ষিণদিকে অবস্থিত দাসনির্ভর অঙ্গরাজ্যগুলো যুক্তরাষ্ট্র থেকে পৃথক হয়ে আলাদা কনফেডারেট রাষ্ট্র তৈরি করলে এই যুদ্ধের সূচনা হয়। ... ...
ডেমী মুর (স্ত্রী), উডি হারেলসন (স্বামী) ও রবার্ট রেডফোর্ড (কোটিপতি) অভিনীত একটা বিখ্যাত হলিউডি মুভি "ইনডিসেন্ট প্রপোজাল" (১৯৯৩)। ডেমি ও উডি পরস্পরকে হাই স্কুল থেকে গভীর ভাবে ভালবাসে। পড়াশোনা শেষে তাদের গভীর ভালোবাসাকে সামাজিক বন্ধনে বেঁধে নেয়।.উডি পেশায় আর্কিটেক্ট। আর দশটা শহরের মতো নবদম্পতির জীবন শুরু হয় আর্থিক সংকটের ভেতর দিয়ে। স্বামীকে সাহায্য করার জন্য ডেমি রিয়েল এস্টেট ব্রোকারের কাজ শুরু করে। এই কাজ করতে গিয়ে ডেমি প্যাসিফিক কোষ্টের সান্তা মনিকা বিচে নিজেদের স্বপ্নের বাড়ি তৈরি করার একটা চমৎকার প্লট খুঁজে পায়। .তাদের যৌথ স্বপ্নকে প্রতিষ্ঠিত করতে দুজনেই উদয়াস্ত পরিশ্রম করতে থাকে। ... ...
১৯৫৪ সালের আগে পর্যন্ত আমেরিকার অনেক স্টেটে আইনই ছিলো এমন যে, ওখানে শ্বেতাঙ্গ আর কৃষ্ণাঙ্গরা এক স্কুলে পড়তে পারবে না। সেই আইন বদলে যাওয়ার পর কিছু কিছু শ্বেতাঙ্গদের স্কুল আফ্রিকান আমেরিকান কৃষ্ণাঙ্গদেরকে ভর্তি করানোর চেষ্টা করে। ... ...
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় জুডি ছিল প্রশান্ত মহাসাগরে দায়িত্বরত কয়েকটি জাহাজের মাসকট। ১৯৪২ সালে জাপানিদের হাতে ধরা পড়ায় তাকে যুদ্ধ বন্দীদের ক্যাম্পে যেতে হয়। সেখানে জুডির সাথে আরেক যুদ্ধ বন্দী ফ্রাঙ্ক উইলিয়ামসের দেখা হয়, যে তার স্বল্প রেশন জুডির সাথে ভাগাভাগি করে নিত। বিনিময়ে জুডি ক্যাম্পে বিষাক্ত সাপ কুমির বা বাঘের উপস্থিতি আশেপাশে টের পেলে সবাইকে সতর্ক করে দিত। ক্যাম্প ভেঙে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার সময় যুদ্ধবন্দীরা একটি খালি চালের বস্তায় ভরে জুটিকে চুপিচুপি তাদের সাথে নিয়ে যায়। চালাক জুডি বস্তার ভিতর একদম মুখ বন্ধ করে ছিল। পরের দিন জাহাজে একটা টর্পেডো আঘাত করে। ... ...
গত জুন মাসে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সামরিক বাহিনীর সদস্যদের আত্মহত্যার হার নিয়ে একটা চমকপ্রদ তথ্য প্রকাশ করে। ওই তথ্য অনুযায়ী নাইন ইলেভেনের পর বিভিন্ন মার্কিন সামরিক অভিযানে ৭০৫৭ জন সৈন্য যুদ্ধক্ষেত্রে মারা গেছে।.একই সময়ের মধ্যে কর্তব্যরত থাকা অবস্থায় বা অবসরপ্রাপ্ত হওয়ার পর আত্মহত্যা করেছে ৩০,১৭৭ জন। অর্থাৎ সরাসরি সামরিক দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় যা মারা গেছে তার থেকে চার গুণ বেশি মারা গেছে আত্মহত্যা করে।.মার্কিন সামরিক বাহিনীতে সৈন্যদের খুব উঁচু স্তরের সামরিক ও মানসিক ট্রেনিং দেওয়া হয়। ট্রেনারদের লক্ষ্য থাকে সৈন্যদের সমস্ত মানবিক গুণাবলী সরিয়ে ফেলে শুধু আদেশ পালন করার মেশিনে পরিণত করার। ... ...