দেশের জনগণের একটা বড অংশ অশিক্ষিত দেখে একসময় এদেরকে উন্নয়নের পথে একটা বড় বাধা মনে করতাম। কিন্তু শতকরা 95 ভাগ শিক্ষিতের দেশ শ্রীলঙ্কায় আজ এটা কি দেখছি?.প্রায় পুরোপুরি শিক্ষিত হয়েও এই দেশটা কিভাবে দেউলিয়া হয়ে গেল? আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে বলছে ... ...
২০১৪ থেকে এখন পর্যন্ত এই ৮ বছর ডনবাস রিপাবলিকের উপর ইউক্রেন ফুল-স্কেল যুদ্ধ করেছে। এই একপেশে যুদ্ধে প্রায় ১৬ হাজার ডনবাস নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। ডনবাসের অধিকাংশ শহরের প্রায় ৬০ শতাংশ ঘরবাড়ি মাটির সাথে মিশে গেছে। গত ৮ বছরে রাশিয়াতে প্রায় ৫ লাখ ডনবাস নাগরিক আশ্রয় নিয়েছে ... ...
১৯৪১ সাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কেঁপে উঠেছে ইউরোপ। ব্রিটেনের সামনে একটাই রাস্তা খোলা আছে। যদি নতুন মহাশক্তি আমেরিকা তাঁদের পাশে দাঁড়ায়। রুজভেল্ট সাহেব চার্চিলকে জানালেন আমেরিকা সব কিছু দিয়ে ব্রিটেনকে বাঁচাবে, কোন সমস্যা নেই।.শর্ত একটাই – যুদ্ধ শেষ হলে সারা পৃথিবীতে ব্রিটিশদের অধীনে যত ভূখণ্ড আছে, সেখানে স্বাধিকার (সেলফ ডিটারমিনেশান) দিতে হবে। এর মানে হল – ব্রিটিশ ... ...
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল মুসলিমদের শেষ সুপারপাওয়ার অটোমান সাম্রাজ্যকে ভেঙে দেওয়া ও প্যালেস্টাইনে একটি ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ইহুদিদের সমর্থন লাভ করে।.চতুর ব্রিটিশরা বুঝতে পেরেছিল মধ্যপ্রাচ্যে আরব জাতীয়তাবাদ উসকে দিয়ে অটোমান সাম্রাজ্যকে দুর্বল করে দেওয়া যাবে। এই কাজের জন্য তারা একজন দক্ষ লোক খুঁজছিল যার মধ্যপ্রাচ্য ও অটোমান সাম্রাজ্যের ভূগোল ও রাজনীতি সম্পর্কে ... ...
সোশ্যাল অ্যানথ্রোপলোজিস্ট জোসেফ ড্যানিয়েল আনউইন ৫,০০০ বছরের ইতিহাস ঘেঁটে ৮৬টি আদিম গোত্র এবং ৬টি সভ্যতার ওপর এক পর্যালোচনা করেন।.আনউইন এ গবেষণা শুরু করেন সভ্যতাকে অবদমিত কামনা-বাসনার ফসল হিসেবে দাবি করা ফ্রয়েডীয় থিওরি যাচাই করার জন্যে। কিন্তু ফলাফল দেখে হকচকিয়ে যান আনউইন নিজেই।.১৯৩৪ সালে প্রকাশিত Sex & Culture বইতে দীর্ঘ এ গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন তিনি। বিভিন্ন সভ্যতা ও সেগুলোর পতনে আনউইন দেখতে পান একটা স্পষ্ট প্যাটার্ন......কোনো সভ্যতার বিকাশ সেই সভ্যতার যৌনসংযমের সাথে সম্পর্কিত। যৌনতার ব্যাপারে কোনো সমাজ যত বেশি সংযমী হবে তত বৃদ্ধি পাবে বিকাশ ও অগ্রগতির হার।.সহজ ভাষায় বললে, সভ্যতার বিকাশের জন্য সুনির্দিষ্ট নিয়মে বাঁধা স্বাভাবিক যৌনাচার আবশ্যিক। ... ...
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানী নিষ্ঠুরতার ব্যপারে পশ্চিমা মিডিয়া সরব থাকলেও জাপানীদের বীরত্বের ব্যপারে চুপ থাকে। এশিয়ান দেশ হিসেবে জাপান যথেষ্ঠ শৌর্যবীর্যের প্রমাণ রাখে। জার্মানী আত্মসমর্পণ করলেও জাপান প্রতিরোধ চালিয়ে যায় এবং মিত্রবাহিনীর যথেষ্ঠ ক্ষতিসাধন করতে থাকে। .এই ক্ষতি এড়াতে ও আণবিক বোমার ফিল্ড ট্রায়াল এবং বিশ্বকে পেশী দেখাতে সর্বোচ্চ নিষ্ঠুরতার পরিচয় রেখে আমেরিকা যূদ্ধ শেষ করে। ... ...
ড. মার্ক ফ্যাবার, মার্কিন বিনিয়োগ গুরু, করোনাকালীন নিম্নলিখিত মন্তব্যে আমেরিকান অর্থনীতির উপর তার মাসিক বুলেটিন শেষ করেছিলেন .......ফেডারাল সরকার আমাদের প্রত্যেককে $600 ব্যাংক একাউন্টে দিচ্ছে।.আমরা যদি সেই টাকা ওয়ালমার্টে ব্যয় করি তবে সেই অর্থ চীনে যায়। যদি আমরা এটি পেট্রলে ব্যয় করি তবে এটি আরবদের কাছে যায়। আমরা যদি কোনও সফ্টওয়্যার কিনে থাকি তবে তা ভারতে যাবে। ... ...
আপনি ক'দিন না খেয়ে থাকতে পারবেন?দু'দিন, চার দিন? সর্বোচ্চ সাত দিন। এর পরে আপনি নতি স্বীকার করতে বাধ্য। তখন আপনাকে দিয়ে যা ইচ্ছা তাই করিয়ে নেয়া যাবে।.ইউক্রেন থেকে ইউরোপের দিকে পালিয়ে আসা শরণার্থীরা পুরো পরিবার নিয়ে যেতে পারছেনা। সীমান্তে পুরুষদের আটক করে যুদ্ধে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে। ওদিকে পুরুষবিহীন নারী ও শিশুরা পর্ন ইন্ডাস্ট্রির টার্গেটে পরিণত হচ্ছে। ... ...
স্টীভ ম্যাককুরে নামে একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফারকে ১৯৮৪ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয় পাকিস্তান-আফগানিস্তান বর্ডারে শরণার্থী শিবিরগুলো ঘুরে তাদের জীবনযাত্রার কিছু ছবি তুলে আনার জন্য।.নাসিরবাগ শরণার্থী শিবিরে পৌঁছে স্ট্রীভ একটি তাঁবুতে অস্থায়ী স্কুল দেখতে পান। টিচারের অনুমতি নিয়ে তিনি একটি ক্লাসে ঢুকে কিছু ছবি তুলতে চান। সেখানে প্রায় পনেরটির মত কিশোরী বসা ছিল কিন্তু একটু দূরে বসা সবুজ চোখের এক কিশোরী ... ...
মানব সভ্যতার উষালগ্ন থেকে একটি প্রশ্ন একশ্রেণীর মানুষকে বড় বিব্রত করে আসছে। পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভব কিভাবে হয়েছে? সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ সত্যিই আছেন কি?.অল্পকথায় এ প্রশ্ন দুটির মীমাংসা অসম্ভব। তবে মহাবিশ্বের গঠন ও জীব কোষের ডিএনএ এর গঠন সম্পর্কে কেউ যদি ভালোভাবে জেনে থাকে তবে সে অবশ্যই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব খুঁজে পাবে।.জীব কোষের ডিএনএ খালি চোখে দেখা যায় না। জীব কোষ থাকে নিউক্লিয়াস, নিউক্লিয়াসে থাকে ক্রোমোজোম, এর পরে জিন, তারপরেই শুধু ডিএনএ আধুনিক ইলেকট্রনিক মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখা সম্ভব।.এই ডিএনএর গায়ে লেখা আছে প্রাণ সৃষ্টি ও পরিচালনার যাবতীয় কোড। কোন প্রাণী কিরকম, তার চোখের রং কেমন হবে, তার গায়ের রং কেমন, তার ব্যক্তিত্ব ... ...