এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • গল্পের টই

    M
    অন্যান্য | ১৫ ডিসেম্বর ২০০৯ | ১২৯৭১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • M | ১৫ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৯:৩৭424327
  • এখানে ছোট্ট, পুঁচকি, বড়, আরো বড়, মজার, দু:খের, গোয়েন্দা ইত্যাদি সব বিষয়ে সবাই গল্প লেখ, তালে শুধু গল্প পড়ার ইচ্ছে হলে আর টই হাঁটকে মরতে হবে নাকো।
  • koli | ১৫ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৪:৩০424438
  • :) একটা পুঁচকি গল্প........

    সৃজা আর মম মামাত পিসতুতো বোন। সৃজা ছিলো মম'র চেয়ে গুনে গুনে ৩৯০ দিনের বড়।তবু তারা এক ই ক্লাসে,এক স্কুলেই পড়তো। মম কে সৃজার মামা খুব বকাবকি করতেন। কারণ হলো গিয়ে- মম সৃজা কে দিদি বলে ডাকেনা। সে যাক। গল্প অন্যখানে। মম খুব সুন্দরী, সর্ব গুনে গুনান্বিতা ছিলো বলে স্কুলের সিনিয়র ছেলেদের মধ্যে অনেকেই ওকে প্রেম নিবেদন আবেদন ইত্যাদি ইত্যাদি করতে চাইতো। সেরকম ই একজন ছিলো দিলদার( মম'র ক্লাসমেটদের দেওয়া নাম)। সেই দিলদার কিছুদিন হলো মম কে চোখে হারাচ্ছে। মম থাকে যেখানে দিলদার আছে সেখানে টাইপ আরকি।কোনোদিন অ্যাসেমব্লীর টাইমে টুক করে এসে মম'র ব্যাগে কবিতা লেখা ছোট্ট কাগজ কিংবা কোনোদিন মম'র বইয়ের ভেতর ১৪৩ লেখা এইসব চলছে। মম ও বেশ উপভোগ করছিলো। বয়েস কম ছিলো কিনা! এইসব ব্যাপারে খুব স্বাভাবিকভাবে সৃজার অবগত ছিলো। একদিন খুব বৃষ্টি পড়ছিলো। স্কুলের টিফিন টাইমে সৃজা আর মম কাচা রাস্তার কাদা পেরিয়ে, রোজ যেমন বাড়িতে খেতে আসে(মম সৃজাদের বাড়িতেই দুপুরে খেত)। গেট দিয়ে দুজন ভেতরে চলে এসেছে। তারপর একটা আওয়াজ শুনতে পেয়ে গেটের ফাঁক দিয়ে দেখে যে দিলদার দাঁড়িয়ে! সৃজার মস্তিষ্ক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ আবার কি। স্কুলে ঘুরঘুর করছিস কর তাই বলে আমাদের বাড়িতে এসে টপকাবি? তক্ষুনি সৃজা ওদের জবাফুল গাছের একটা ডাল ভেঙ্গে নিয়ে দিলদার কে খুব জোর তাড়া করলো।বেচারা এমন ভয় পেলো যে দৌড়ে পালাতে গিয়ে কাদায় পা পিছলে পড়ে গিয়ে মাখামাখি হয়ে গেল।আবার উঠে দৌড়ে পালালো। সৃজার এহেন রণমূর্তি ইতিপূর্বে আর কেউ দেখেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
    সেই থেকে মম র ভাগ্যে আর দিলদারের প্রেম জোটেনি........
  • M | ১৫ ডিসেম্বর ২০০৯ ১৬:৩৩424549
  • যাক কেউ লিখলো তবু,

    আচ্ছা এই কি সেই আমি কলি? সেই সেন্সিটিভ মিষ্টি মেয়েটা যে চ্যাটে পর্যন্ত্য যাকে চেনেনা তাকে দু:খিত দেখলেও কষ্ট পায়?
  • koli | ১৫ ডিসেম্বর ২০০৯ ২১:০৮424660
  • :) হুঁ M দিদি--- এই সেই বোকা বোকা আমি কলি :)
  • koli | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯ ২১:০৩424771
  • কিন্তু একি???? একটাও গল্প নেই!!!
  • M | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯ ২১:২২424824
  • মুখটা মানে মুখোগহবর(বানানটা কিরম দেখতে লাগছে)ইয়া হাঁ করে হাঁই উঠছে, চোখের উপরের আর নিচের পাতা মিলে মিশে একাকার হয়ে গেলো,নাক দিয়ে সেই আনন্দে ফড়র ফড়র আবাজ বেরোচ্ছে,ঠোঁটের সাথে মানে উপরের সাথে লোয়ারের আঁই উঁই টাইপ খুনসুটি।তাপ্পর কতো কতো মুভি, কিম্ভুত অদ্ভুত টাইপের।

    এটা হলো ঘুমের গপ্প।

    শেষ।

    ঘ্যাঁ অ্যা অ্যা ও

    ঘুম্পাচ্ছে।
  • koli | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯ ২১:৩২424835
  • :)
    :)
    :) মনোরম গপ্প হয়েছে এটা!
  • koli | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯ ২১:৩৩424846
  • বানানটা কি এরকম হবে? mukha:gahbar.. মুখ:গহ্বর?
  • M | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯ ২১:৩৫424857
  • থ্যাঙ্কু
  • M | ১৬ ডিসেম্বর ২০০৯ ২৩:০৯424328
  • এক ছোট্ট মেয়ে দুকুর বেলা, পুতুল নিয়ে কচ্চে খেলা,
    কি করছে? মেয়ের বিয়ে দেবো তাই সাজাচ্ছি।
    মা লুচি আর আলুরদম করেছে, বরযাত্রীকে খাওয়াতে হবে না?
    তোর মেয়ে বুঝি?
    হ্যাঁতো
    ঝুমার ছেলে, কি মজা বলতো, আমার পুতুলটা ওর হয়ে যাবে।

    কিছুদিন পর ঘোর চুলোচুলির পর :
    দে আমার মেয়ে দিয়ে দে, অমন বাজে যে ছেলের মা তার ছেলের সাথে আমি মেয়ের বিয়ে দেবো না।

    ই: বিয়ে তো হয়ে গেছে।

    না হয়নি।হবে না। দে বলছি।

    আরেকপ্রস্থ মারা মারি আর মেয়ে নিয়ে মেয়ের মার দুদ্দার পালানো।

    কেবল দু:খু শাড়ী, বিছানা গুলো আনা হলো না। তা যাকগে পুতুলটা পাওয়া গ্যাছে এই না ঢের।
  • kd | ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯ ০১:৩০424339
  • Mএর গপ্পোটা বনফুলের ছোট গল্প প্যাটার্নের।
  • Nina | ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৪:০৩424350
  • M, গপ্প দুটো খাসা নামিয়েছিস। লগে রহো M-ভাই।
  • M | ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৮:০৭424361
  • :P
  • M | ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯ ২১:২৫424372
  • লোকেরা গপ্পে ক্যামন আগ্রহ হারিয়েছে।যাক নিজের স্বার্থে টইকে ভাসিয়ে দি।

    এবার ভুতের গপ্প:

    এটা আমার ননদের শশুরমশাইয়ের কাছে শোনা,মেসোমশাইয়ের দাদার গপ্প। উনি বললেন সত্যি;
    রাতে খাওয়ার পর বুনা মানে আমার ননদের বাড়ীতে বসে গপ্প হচ্ছিলো, সেটা বেলঘরিয়া, আর তাপ্পর বাইকে চেপে আমরা দুগ্গানগর হয়ে আমাদের অ্যারপোর্টের বাড়ী আসবো।

    তো জেঠুমনি বীরভুমের কোন এক গ্রামের বেশ প্রতাপশালী মানুষ, উনি কোনো কাজে দুরের কোথাও গেছিলেন।ফিরছিলেন গরুর গাড়ী চেপে।ছইয়ের মধ্যে বসেছিলেন।

    রাস্তার একটা জায়গা আছে যার একদিকে বিশাল কবরখানা আরেকদিকে বিশাল মাঠ।(মেশোমশাই দারুন গপ্প বলতেন, বিশ্বাস না হলেও ঐ সময় এগুলো শুনতে দারুন এবং তখন আমাদের মুখগুলো বড় বড় হাঁ হয়ে আছে,মানে আমার, বুনার আর বছর তিনেকের রাজাবাবুর।)তো হঠাৎ সেখানে এসে গরু গুলো থমকে দাঁড়িয়ে গেলো।তাদের মেরে ও নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। জেঠুমনি মুখ বাড়িয়ে জিগাসা করলেন, কি হলো রে? তখন যে গাড়ী চালাচ্ছিলো সে নাকি বললো, বাবু চুপ! একটাও কথা কবেননা।তাপ্পর নাকি তিনি দেখেন এই কুট্টি কুট্টি কারা যেন সাদা পোষাক পরে মিছিল করে চলে যাচ্ছে, আর তাদের সামনে যে সে নাকি একটা ইয়া হ্যাচাক টাইপ কি নিয়ে যাচ্ছে।তাপ্পর সেই প্রসেসন চলে যাবার পর গরুরাও সুবোধ বালকে মতো চলতে শুরু করে।পরে গাড়োয়ান বলে ওগুলো নাকি জিন ছিলো, আর তারা খুব ভালো, ওদের না চটালে ওরা কিছু বলে না।

    মেশোমশাই বললেন আমরা দাদাকে নানা রকম ক্রস করেছি মিথ্যা প্রমান করার জন্য, কিন্তু সব সময় এই ঘটনাটাই বলেন।

    তো এরপরে আমরা ফিরছি, বাইকের পিছনে আমি, আর চাদ্দিকে ফাঁকা, খালি মনে হচ্ছে কে যেন পিঠে হাত বুলিয়ে ডাকছে।তো পরের ছেলেটাকে বললাম।শুনছে নাকো।খ্যাঁক করে পিঠে কামড়ে দিলাম।ওমা, কিচ্ছুনা, আমি যেই না সোজা হয়ে বসলুম, একধারে পা করেছিলাম, টুক করে বাইকটা হেলিয়ে দিলো আর আমিও টুপ করে খসে গেলাম।কিরম নিষ্ঠুর টাইপের।
  • M | ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯ ২২:৫১424383
  • সুন্দর একটা সন্ধ্যে, অলি অফিস থেকে বাড়ী ঢুকেছে সবে,মিষ্টিমনি বললেন অলি তাড়াতাড়ি একটু ফ্রেস হয়ে নে।তোকে দেখতে এসেছে।

    সে কি মনি? এখন! স্পষ্ট বিরক্তি চোখে মুখে।
    কি করা যাবে বল।রাগ করিসনা।

    অলির অত রাগ করলে চলে না।ও জানে।ছোট বেলায় বাবা মারা গেছেন।আজ তাকে মনে ও নেই।আর একটু বড় হতেই বাবার মতো দাদা ও চলে গেলেন। তখন থেকেই মা কেমন চুপচাপ হয়ে গেলেন আর মনি শক্ত হাতে সংসারের লাগাম ধরেছেন।মনির নিজের মানুষটার জন্য দুটো মিনিট দু:খ করার ও সময় নেই।নিজের ছেলে আর কন্যাসমা ননদটা ভেসে যাবে যে।
    লোকে বলে বৈদ্যরা খুব শিক্ষার কদর জানে।হ্যাঁ তা জানে বটে,এত কষ্টের মধ্যে ও অলিকে শিক্ষা দিতে মনি কোনো কৃপনতা রাখেনি।নিজের মার জায়গাটাই দিয়েছে অলি মনিকে।

    তাড়াতাড়ি বাথরুমে ঢুকে পরিস্কার হয়ে নিলো সে।একটা ফিরোজা রঙের শিফন পরলো, আর কানে দুটো মুক্তো।চুলটা এলো খোপা করে নিলো।অলি জানে সে সুন্দরী না হলেও যথেষ্ট সুশ্রী।বেশি সাজের প্রয়োজন নেই তার।

    মা একটা ট্রে তে চায়ের সব সরঞ্জাম সাজিয়ে দিলেন।আর মনি কিছু স্ন্যাক্স নিয়ে ওকে নিয়ে বসার ঘরে এলো।
  • M | ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯ ২৩:০৫424394
  • পথিকদের সম্পর্কে অলি কিছু জানতো আগে থেকেই।ওরা এক ভাই এক বোন।বোনের বিয়ে হয়ে গেছে।ছোট্ট ঝামেলাহীন সংসার।কাজেই ও আপত্তির কোনো কারন দেখেনি।পথিককে দেখেও ভালোই লেগেছে।দিব্যি ভদ্র,আর ওর মতোইগান শুনতে ভালোবাসে।

    মনের মধ্যে এক অদ্ভুত টানাপোড়েন,নতুন এক জীবন শুরু করতে যাবার আনন্দ আর পুরানোকে ছেড়ে যাবার কষ্ট।

    নতুন পরিবার, নতুন নিয়ম, বেশ নতুন এক ভালোলাগায় প্রথম মাসটা দেখতে দেখতে কেটে গেলো।প্রথম প্রথম ও খুব ভয় পেয়েছিলো,কি জানি,ওনারা কেমন হবেন।কিন্তু শ্বশুর মশাইকে পেয়ে তো ও নিজের বাবাকে যে কোনো দিন পায়নি সে দু:খ ও ভুলে গেলো, এত ভালো তিনি।মাও খুব স্নেহময়ী, অলিকে এখন ও সেভাবে ঘরের কোনো কাজের দায়িত্ব নিতে হয়নি।অফিস থেকে ওরা দুজনে প্রায় একই সময়ে বাড়ী ফেরে, ওদের দুজনের জন্যই কোনো না কোনো সরবত রেডি করা থাকে।কেবল পথিককে হাতে করে দিয়ে দেওয়া হয় আর ওকে বলে দেওয়া হয় তোমারটা টেবিলে ঢাকা আছে।এনিয়ে কোনো অভিযোগ অলির মনে আসেনা।ও দিব্যি ঘর গুছিয়ে,শ্বাশুড়ীমাকে অল্পস্বল্প সাহায্য করে আর অফিস করে সুখে দিন কাটাচ্ছিলো।
  • Nina | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৪:২৩424405
  • M তাপ্পর কি হল----
  • M | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৯:০০424416
  • বুঝতে পাচ্ছিনা এটা অসমাপ্ত গপ্প হবে না শেষ করবো।তাই!
  • Nina | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৯:৫৩424427
  • কেন কেন---অসমাপ্ত গল্প ---অন্তহীন দেখে এলি বুঝি??!!
  • ranjan roy | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ২৩:৩৫424439
  • একটি ভাঙা প্রেমের গপ্পো:
    ----------------------------
    সন্ধ্যেবেলা। ন্যাশনাল ল' ইউনিভার্সিটির হোস্টেলের বাইরে পাহাড়ের টিলার ওপর একখন্ড বড় প্রাগৈতিহাসিক যুগের থেকে পড়ে থাকা একটি বড় বোল্ডার তার পাশে ওরা দুজন ঘাসের ওপর পা' ছড়িয়ে বসেছে। ওরা প্রায় প্রতিদিনই এইসময়ে এখানেই এসে বসে, একজন বয়েজ হোস্টেল থেকে, আর একজন গার্লস্‌ হোস্টেল।
    অন্যেরা সবাই জানে, কেউ ডিস্টার্ব করে না। এই জায়গাটা যেন ওদের রিজার্ভ করা।
    অন্য জোড়া গুলো বোল্ডারের অন্যদিকে চলে যায়।
    খানিকক্ষণ কেউ কোন কথা বলছে না। সারাক্ষণ বকবক করা সবার পেছনে লাগা মেয়েটা আজ যেন বড় বেশি চুপ।
    ছেলেটা ছটফট্‌ করে, পকেট থেকে একটা সিগ্রেটের প্যাকেট বের করে। একটা ধরিয়ে আর একটা মেয়েটার দিকে এগিয়ে দেয়।
    মেয়েটা ওর বাড়ানো হাত ঠেলে সরিয়ে দেয়।
    --- কি হল রে?
    --- ভাল্লাগছে না।
    মেয়েটা চুপচাপ পশ্চিম আকাশে হালকা গোলাপী রঙের ছটা দেখছে।
    --- কি রে? কিছু বল?
    -- ক্যা বলুঁ?
    -- কুছ ভী।
    মেয়েটা আবার চুপ। ছেলেটার দিকে তাকায় না। অন্ধকার ঘনিয়ে আসে। ছেলেটা ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করে, ওর কাঁধে হাত রাখে। মেয়েটা আস্তে করে হাতটা নামিয়ে দেয়।

    ছেলেটা এবার ছটফট করে।
    -- শুন্‌, আভী লাইব্রেরি জানা হ্যায়, লৌটনা হ্যায়।
    -- চল্‌, উঠতে হ্যাঁয়।
    ছেলেটা এক ঝটকায় উঠে দাঁড়ায়, তারপর হাত ধরে মেয়েটাকে টেনে তোলে।
    তারপর ওর কাঁধ ধরে নিজের দিকে ঘোরায়।
    --- আমার দিকে দেখ। কিছুই বলবি না তো এলি কেন? আজ না হলে সেই কথাটা আমরা কখন বলবো?
    --- কোন কথাটা?
    ---কোন কথাটা?
    -- বেশি অ্যাটিচুড দেখাবি না তো? কোন কথাটা! ন্যাকা! যে কথাটা ফাইনাল করার জন্যে আমরা আগে থেকে আজকের দিনটা বেছে নিয়েছি। ইন ফ্যাক্ট, চার বছর আগে থেকে। তোর কি কিছুই মনে নেই?

    মনে নেই আবার? মেয়েটার সবই মনে আছে।
    এই অটোনোমাস ল' ইউনোভার্সিটিতে সেকন্ড ইয়ার থেকেই জুটি বাঁধা শুরু হয়।
    দিল্লিতে বড় হওয়া এই মালয়ালী শ্যামলা ছেলেটি অন্য মেয়েদের চোখে ছিল হট্‌ প্রপার্টি।
    কাজেই ব্যাকওয়াটার ৩৬গড় থেকে আসা একটু মোটা, ছেলেদের মত অবলীলায় গাটারের খিস্তি দেয়া, সিগ্রেট খাওয়া মেয়েটার সঙ্গে এই ছেলেটির জুটি হওয়ায়-- সবাই একটু অবাক হল।
    কেরালার গ্রাম থেকে আসা আই এ এস অফিসার পিতৃদেবের সারল্য ছেলেটার মধ্যেও খানিকটা বর্তেছে। সেটাই মেয়েটাকে টেনেছিল।
    আর ছেলেটা দেখেছিল-- একটা মেয়ে কি করে এত বেপরোয়া এত্‌টা বিন্দাস হয়?
    পরের দিন ভাইভা, এক্‌স্‌টার্নাল আসবেন। ডায়াসে উঠে প্রেজেন্টেসন দিতে হবে। ও দু'দিন ধরে ঘরের মধ্যে পায়চারি করে রিহার্সাল দিয়েছে।
    মেয়েটা অবলীলায় সকাল আটটায় উঠে চিরুনি চালিয়ে একটা হাতে কাচা টপ আর জিনস্‌ পরে ডায়াসে ওঠে। পরীক্ষার আগের দিন সারারাত জেগে" গড অফ স্মল থিংগস্‌ '' পড়ে চোখের জল ফেলে!
  • ranjan roy | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ২৩:৪০424450
  • সরি! সরি! বড়মা, ছড়িয়েছি। অন্যমনস্ক ভাবে তোমার গল্পবলার মাঝখানে ঢুকে পড়ে অন্য গল্প শুরু করেছি।
    আমার এইস্বভাবের জন্যে এইপাতায় কতবার যে সরি বলতে হবে!
    উইথড্র করলাম। তুমিচালিয়ে যাও।
  • a x | ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯ ২৩:৫৬424461
  • রঞ্জনদা, আপনি লিখুন না। প্যারালালি গল্প চলে তো অনেক টইতেই।

    বোল্ডারের পাশে পা ছড়িয়ে বসে আছে আর অন্য জুড়িগুলো বোল্ডারের ওপাশে চলে যায় এই অবধি পড়ে আমি ভেবেছিলাম এটা একজোড়া পাখির গপ্প :-)
  • M | ২০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০০:৪০424472
  • এই মরেছে, রঞ্জনদা, এটাতো গপ্পের ই টই, গালে হাত দে বসে আছি তো, আর আমি কত্ত করে সব্বইকে বললুম, কেউ লিখলোনা, আপনি লিখলেন বলে আমার যে কি খুশী লাগলো।
  • M | ২০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০০:৪৭424483
  • অপেক্ষায় রইলুম কিন্তু..........
  • ranjan roy | ২০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০০:৪৮424494
  • সেকন্ড ইয়ারের শেষে ছেলেটি জানতে চেয়েছিল-- আমরা ঘর বাঁধবো তো? কি বলিস?
    -- এক্ষুণি এই নিয়ে কসমেঁ-ওয়াদেঁ খুব জরুরি কি? পাঁচটা বছর আয় একসঙ্গে পড়াশুনো করি। তদ্দিন যদি আমাদের জুটি টিকে যায়, তখন কথা বলবো। দেখছিস তো, সিনিয়রদের কতগুলো জুটি ভেঙ্গে গেল।
    ছেলেটি তখন চুপ করে যায়।
    হ্যাঁ, অধিকাংশ জুটিরই আয়ু ছিল খুব বেশি হলে দু'বছর। সিনিয়রদের কত জুটিই তো গড়লো আর ভাঙ্গলো। কত আইকন ধূলোয় গড়াগড়ি খেল।
    আর সেক্স্‌?
    বাপ-মা আত্মীয়-পরিজন থেকে নিজেদের পরিচিত ছেলেবেলার শহর থেকে দূরে মূল জনপদের বাইরে পাহাড়িটিলার ওপর এই উনিভর্সিটি যেন এক আধুনিক আর্কিপেলাগো,এক গুলাগ--- যেখানে বাপ-মা পয়সা খরচ করে পাঠিয়েছে বাচ্চাগুলোকে ম্যাটাডোর বা অ্যাফিথিয়েটারের লড়াকু গ্ল্যাডিয়েটর বানাতে। এরা পাশ করে কর্মক্ষেত্রে যাবে শিকারী কুকুরের দর্শন নিয়ে।
    --- কিতনী ভী দোস্তি হো, ওসব কোর্টরুমকে বাহর। অন্দর তো এক দুসরে কো ফাড়কে ফেক দো। কাট খাও। বোটি বোটি কর ডালো। নো মার্সি, নো কোয়ার্টার!
    এইখানে সেক্স যেন হাওয়ায় ভেসে বেড়ায়। চারপাশে যেন ভিয়াগ্রার চাষ হচ্ছে। সারারাত জেগে মুখস্থ করে ভাইভাতে বলতে হবে দু'শ রেগুলেশন ও অর্ডার-- সিভিল প্রসিডিওর কোড থেকে, লিটর‌্যালি মুখস্থ।
    ক্রমে সেক্স হয়ে দাঁড়ায় সবচেয়ে ভাল পাসটাইম। অনায়াসে হোস্টেলে আসে কন্ডোম, আই-পিল। ভার্জিনিটি হয়ে যায় একটা চার-অক্ষরের শব্দ। গেঁয়োপনার সিম্বল।
    মেয়েটি তার মাকে পাঁচবছরের মধ্যে কখনও হোস্টেলে আসতে দেয় নি।
    জানে তার মা অন্যদের বাপ-মায়ের থেকে একটু আলাদা।এই পাথুরে জমির চারপাশে নেকিং-পেটিং-স্মুচিং এর মহোৎসবে মত্ত জোড়াদের দেখে চোখ সরিয়ে চলে যাবে না।
    সোজা গিয়ে হাত ধরে ওদের ছাড়িয়ে দিয়ে বলবে-- ভালো ঘরের বাছারা, পাব্লিক প্লেসে একটু ঠিক ভাবে বোসো।
    চারবছর হয়ে গেলো, ওদের জুটি ভাঙেনি।
    ছেলেটি নিজের মাকে জানিয়েছে--আয়াম সিইং এ বেঙ্গলি গার্ল নাও-এ-ডেজ্‌।
    মা হায়-হায় করেছে। ওর দিদিও যে এক বাঙালী সিনিয়র সেক্রেটারির ছেলেকে বিয়ে করেছে।
    ধীরে ধীরে ওদের জুটি সিনিয়র-জুনিয়র সবার শ্রদ্ধা কুড়িয়েছে। স্যারেদেরও চোখে পড়েছে।
    হিন্দু ল' এর ভাইভার সময় ইন্টার্নাল এই জোড়াকে বেনারস থেকে আসা এক্‌স্‌টার্নালের সমনে এগিয়ে দিয়ে ফিস্‌ফিস্‌ করে।
    উনি জিগ্যেস করেন-- চতুরাশ্রম?
    ছেলেটি জানেনা, মেয়েটি বলে দেয়। এবার উনি মেয়েটিকে জিগ্যেস করেন-- সপ্তপদী?
    উত্তর শুনে পরম স্নেহভরে বলেন-- বেটি, চলোগী ন সপ্তপদী?
    ছেলেটি মেয়ের বাবার সঙ্গে দেখা করে। ওর মামাবাড়িতে গিয়ে পরিচয় করে। দিদিমা-মামা-মামী-মাসি খুশি। মেয়েটার কপাল ভালো। ছেলেটা বিশেষ খাতির পায়।
    খালি বাবা জানায় যে এনিয়ে এখনই ভাবার সময় আসেনি।ছেলেটি ওর মেয়ের ঘনিষ্ট বন্ধু, ব্যস।
    মেয়েটি জিগ্যেস করে-- তোদের বাড়ির বৌ হতে আমাকে কতজনের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করতে হবে?
    --- উম্‌ম্‌, দশজন। তোদের বাড়িতে আমাকে কতজনের সঙ্গে?
    --- বিরাট জয়েন্ট ফ্যামিলি, কোলকাতায়। তারপর আছে মামাবাড়ি,অন্তত একশ'দশজন।
    হতাশ ছেলেটি মাথা নাড়ে।
    -- বেশ, তাই হবে। কিন্তু কবে নাগাদ ফাইনাল কথা বলবি?
    --- ফিফথ্‌ ইয়ারে, শেষ ট্রাইমাস্টারের শেষ দিনে।
    তাই আজ ওরা একসঙ্গে বসেছে, আজকেই যে পরীক্ষা শেষ হল।
    কিন্তু মেয়ে যে মুখ খুলছে না! হল কি?
  • ranjan roy | ২০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০১:০৩424505
  • হ্যাঁ, মেয়েটা একবার একটা অদ্ভূত কথা বলেছিলো।
    -- তোর আর আমার বাড়ির স্ট্যাটাস আলাদা।
    -- তাতে কি হয়? শিক্ষিত লোকেদের মধ্যে এগুলো কোন ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়ায় না।
    -- কে বল্লো? তোর বাড়িকেই দ্যাখ। তোর দিদি বাড়ির একমাত্র মেয়ে, তোর বাবা সাধ্যমত করেছে, যাতে ছেলের বাড়ির সামনে তোর দিদির মাথা উঁচু থাকে।
    --তা করেছে।
    --- তবু দ্বিরাগমনের রাত্তিরে তোর জামাইবাবু তোদের বাড়িতে না শুয়ে নিজের বাড়িতে শুতে গিয়েছিল। কেন? না, উনি এসি ছাড়া থাকতে পারেন না। আর তোদের তখন সব ঘরে এসি নেই, কুলার আছে।
    -- তোদের খারাপ লাগেনি?
    --লেগেছিল।
    -- তাহলেই দ্যাখ, আমার বাবা সামান্য ব্যাংকের স্টাফ। একপয়সা ঘুষ খায় না। এমন গান্ধীমার্কা বাবাকে নিয়ে আমাদের যা হাল বুঝতেই পারছিস। সেখানে তোদের আই এ এস পরিবার থেকে আয়োজন নিয়ে কোন ডেরোগেটরি কমেন্ট হলে আমি কিন্তু শ্বশুর-শ্বাশুড়ি মানবো না। একদম বাট লগা দুংগী।
    ----- এর কোন সল্যুশন নেই?
    ---আছে। তোর আর আমার ইনকাম যদি তুলনীয় হয় তাহলে বাবা-মার আর্থিক স্ট্যাটাস কোন ফ্যাকটর হবে না। আয়, তার চেষ্টা করি।
    করেছে, ছেলেটা চেষ্টা করেছে। প্লেসমেন্ট সেলের ইনচার্জ হয়ে সবসময় মেয়েটিকে ব্যাক করেছে। ভাল কনসার্ন আসার খবর আগে জানিয়ে দিয়েছে। হোমওয়ার্ক করিয়ে দিয়েছে।
    কিন্তু আজ কি হল?
    এবার মেয়েটা মুখ খুললো-- চল হোস্টেলের দিকে এগোই। চলতে চলতে কথা হবে।
  • ranjan roy | ২০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০১:২৮424516
  • --শোন, আমি ভেবে দেখলাম আমাদের এখনই কোন বাঁধাবাঁধির মধ্যে যাওয়া উচিৎ হবে না।
    ছেলেটা বিশহাজার ভোল্টের শক্‌ খায়।
    -- এসব কি বলছিস? তুই কি পাগল হয়ে গেলি?
    -- না,পাগল হইনি। তোকে বুঝিয়ে বলছি। তারপরে আমার কথাটা ঠান্ডামাথায় ভেবে দেখলে নিজেই বুঝতে পারবি।
    -- বেশ, শুনি আপনার জাজমেন্ট।
    --এখন কর্মসূত্রে আমরা হয়তো ছড়িয়ে পড়বো। তোর মুম্বাইয়ের খৈতান থেকে অফার এসেছে। আমার এখনো কোনো জায়গা থেকে আসেনি। আসবে, হয়তো অন্য শহরে। আস্তে আস্তে আমরা নিজেদের প্রোফেশনে ব্যস্ত হয়ে পড়ব। কাজের ক্ষেত্রে নতুন নতুন বন্ধুত্ব গড়ে উঠবে, আমাদের সম্পর্ক ফিকে হয়ে যাবে।
    আমরা তখন একজন আরেকজনের কাছে সত্যিটা লুকোবো। পরস্পরকে ঠকাবো।
    আমি এই মিথ্যাচারের হাত থেকে আমাদের ভালোবাসাকে বাঁচাতে চাই। তাই তোকে আমি সমস্ত কমিটমেন্ট থেকে মুক্তি দিলাম। তু আজাদ পন্‌ছি হ্যাঁয়।
    --- তুই এইকথা বলতে পারলি?
    --- হ্যাঁ, তোর আমার নিজের নিজের পায়ে দাঁড়াতে এখনও পাঁচবছর। তখনও যদি আমাদের নিজেদের মধ্যে টান থাকে তখন ভাবা যাবে, আজ নয়।

    বছর দুই গড়িয়ে গেল। ঘটনাচক্রে ওরা দু'জনেই দিল্লিতে চাকরি পেয়েছে। বিশাল রাজধানীর দুই কোণায়।
    মেয়েটির বেঙ্গালুরুতে চাকরিকরা পিঠোপিঠি বড় বোন একদিন ছোটবোনের থেকে একটি চিঠিপেল।
    "" বহেন, মেরি প্যারি বহেন,
    প্লীজ, মেরে লিয়ে বেঙ্গালুরু মেঁ এক নৌকরি দিলাদেঁ। ক্যায়সি ভী নৌকরি, কুছ ভি নৌকরি। ম্যাঁয় দিল্লি ছোড়না চাহতী হুঁ। উও জিস শহর মেঁ হ্যাঁয়, ওহাঁ মুঝে নহী রহনা।
    ----কী ব্যাপার?
    -- ও এখন আমার একব্যাচ জুনিয়র একটি মেয়ের সঙ্গে সিরিয়াসলি ইনভলভড। সে মেয়েটি আমাকে দয়া করে বলেছে যে তুমি ওর সাথে কথা বলতে পার, আমার কোন আপত্তি নেই।
    আমি দিল্লিতে থাতে পারবো না, বোন।
    --- সেকিরে? তাহলে সেবার ওকে আজাদ করে দিলি কেন?
    --- তখনই ও ভিতরে ভিতরে ছটফট করছিলো, আমি টের পাচ্ছিলাম। ওর কষ্ট সহ্য করতে পারিনি, তাই।
    -- তাহলে আজ দিল্লি ছাড়তে চাস্‌ কেন?
    --- ওকে যে ভুলতে পারছি না, আজও ওকে ভালবাসি।
    (শেষ)
  • Nina | ২০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৫:৩৩424527
  • রঞ্জন, মেয়েরা বেপরোয়া, বিন্দাস, মন শক্ত, অত সহজে দাগ কাটেনা মনে--কিন্তু পত্থর কে লকীর --দাগ কাটলে আর মেটে না---ছেলেরা নরম মন, মাখনের মতন, দাগ কাটতেও সময় লাগেনা আবার মেলাতেও না---এমনই একটা গল্প আমিও খুব কাছ থেকে দেখেছি ---মনটা কষ্টে ভরে গেল।
    এখানে শেষ কল্লে চলবে নাআঅ--ফির ক্যা হুয়া? উও লড়কী ব্যাঙ্গালুরু গই? দিল্লী মে হি রহি, কিসি ঔর সে মিলি----অব উসকি জিন্দগি আপকো সঁবারনা পরেগা ---
  • M | ২০ ডিসেম্বর ২০০৯ ০৮:২৬424538
  • নিনাদিদিয়া, দারুন বলেছোতো!

    রঞ্জনদা আরো গপ্প প্লিজ্‌জ্‌জ্‌জ্‌জ্‌জ্‌জ্‌জ্‌জ্‌জ্‌জ্‌জ।

    নিনাদিদিয়া তোমার মায়ের কিছু সত্যি গল্প বলোনা, সেই সময়টা একটু তোলো না!

    আমার মনে হয় গপ্প কিছুটা সময়কে এমন ভাবে আঁকা হয় লেখা দিয়ে, যে তুমি ও সেই সময়ে দিব্বি চলে যাবে, কিছুটা ক্ষন!

    সবাই এমন ভাবে কিছুটা সময়ে ভাসিয়ে দিলে বেশ হয়।
  • ranjan roy | ২০ ডিসেম্বর ২০০৯ ১০:১২424550
  • মরেছে! নিনার কথায় আমার রীতা গাঙ্গুলীর কথা মনে পড়লো। রোজ রাতে উনি বিছানায় শুয়ে বেগম আখতারকে একটি প্রেমের গল্প শোনাতেন। শেষে আখতার আকুল কেঁদে বলতেন--- বেটি, অ্যায়সে নহীঁ, উন দোনো কো মিলওয়া দেঁ।

    উপসংহার:
    ---------------------
    যাকগে, মেয়েটি এখনও দিল্লিতেই চাকরি করছে। বেঙ্গালুরুতে চাকরি পাওয়া কি এত সোজা? তাও ল' ফার্মে?
    ছেলেটি ও মেয়েটি ভাল বন্ধু। একজন আর একজনের সুখে-দু:খে দাঁড়ায়। নানা জায়গায় পুরোনো বন্ধুর দল, ফোর মাস্কেটিয়ার্স্‌ একসঙ্গে বেড়াতে যায়। আমার দুজনের সঙ্গেই ভাল সম্পর্ক।
    মেয়েটির আর কারো সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়নি।
    এমনিতে ওর সফট স্কিল খুব ভালো। ওর সঙ্গে খানিকক্ষণ কথা বল্লে সবাই ওর মোটা চেহারা ইত্যাদি ভুলে যায়, সহজেই বন্ধু হয়ে যায়।
    কুকুরের মত খাটে, তিনবছরে দুটো প্রমোশন বাগিয়েও ভাইস প্রেসিডেন্টকে কথা শুনিয়ে এসেছে।
    ওর টিম লীডার গত দু'বছর ধরেওকে প্রোপোজ করছে। মেয়েটি ফ্ল্যাট না করে দিয়েছে। বলেছে --- তুমি আমার ভালো বন্ধু, ব্যস্‌।
    কয়েকমাস আগে মেয়েটি বাক্স গোছানোর সময়ে পুরোনো কিছু চিঠিপত্র দেখতে পায়।
    ওই ছেলেটিকে দেখিয়ে হেসে বলে-- দ্যাখ্‌, আমরা একসময় নিজেদের মধ্যে এইরকম চিঠি লিখতাম।
    ছেলেটি বিরক্ত হয়ে বলে--- তুই এখনও ওইসব চিঠিপত্র ধরে রেখেছিস্‌?
    ( সমাপ্ত)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন