এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • স্বামী বিবেকানন্দ ই: নির্মোহ (তিন)

    Samik
    অন্যান্য | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ | ৬৪৯২৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sch | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১০:৫৪513375
  • গুরুর এই সব মিনিময়গুলো ভারী ভালো লাগে পড়তে - দুখেবাবু আর abc কে অনেকগুলো ক্ক ক্ক
  • ন্যাড়া | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১০:৫৭513376
  • শ্রদ্ধা-ভক্তির উদ্ধৃতিটা পরে খুঁজে দেব। ২৪৪ পাতারটা শুনুন -

    "তোরা যাদের মুক্তমনা বলিস আমি তো তাদেরই দেখি বেশি বদ্ধমনা। সে হিন্দু কালেজের ছোঁড়াই বল, ঠাকুরের কথা বোঝার মন নেই সমলোচনার মন আছে মণ মণ। যদি প্রথমেই ভেবে রাখিস গুপী ময়রার মন্ডা তেতো, গুপী তোর জন্যে যত ভাল মন্ডাই তৈয়ের করুক না কেন, তোর মন তেতোই খুঁজবে। সবাই যাকে মিষ্টি বলছে তার শুধু তেতো খোঁজাই যদি মুক্তমনা হয়, আমি বদ্ধমনাই থাকব।"
  • dukhe | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:১৭513377
  • এই বইটা কিনবই।
  • dd | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:৪২513378
  • দুখে স্যারের ৯।১৭'র পোস্টিং - ভারী ই ভালো লাগলো। পর পর অনেকগুলি হক কথা কইলেন। বাঃ।
  • Ekak | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১২:১৫513379
  • এই তই টা পড়তে গিয়ে একটা জিনিস অদ্ভূত লাগছে। উভয় পক্ষের ব্যক্তিগত আক্রমনের আঁশ-ভূতি বাদদিলেও যেটা পরে থাকে সেখানে রবিবাবু এবং নরেন দত্ত মানে ন্যাশনাল -ইন্টারন্যাশনাল ফিগার। জোড়া সাঁকো আর সিমলে পাড়ার দ্বন্দ তাই মিসিং !

    আরে আমাদের উত্তরে রবিবাবু এখনো জলচল অনেক বাড়িতে। সচিন্কত্তা দিয়ে দিন শুরু হয়। তাহলে সেই সেই আমলের কতা একবাত্তি ভাবুন।

    সেই সময়ে রবিবাবু মানে ওদের জোড়া সাঁকোর ইতিহাস। পয়সা ওড়ানোর ইতিহাস। দাসী-বান্দির ইতিহাস। প্রভূত কেচ্ছাকাহিনী পাতায় পাতায় পল্লবিত হয়ে ঘুরত কলকেতার বাতাসে। কেচ্ছা-কাহিনী বাঙালির আদি সাহিত্য মশাই। গুর্গুরে ভত্চাজের দেশ এটা :) রবিবাবুকে কোন হালায় ভালো চোখে দেক্ত যে সিমলে পাড়ার ছোকরা লরেন হটাত তাঁকে নিয়ে মহত ধারণা পোষণ করবে ? পরে উনি রবিবাবুর বেশ কিছু গানের ভক্ত হন কিন্তু আমি যদি দেখি যে একটা বেলেল্লা বাড়ির (হ্যা, দ্বারকানাথ কে আমরা যতই বড় ব্যবসায়ী ইত্যাদি বলি না কেন সেই সময়ে আম বাঙালি ওনাকে ইংরেজের পা চাটা পয়সাওয়ালা ছাড়া কিছু ভাব্তনা। এই বেল্গাছিয়ার বাগানবাড়ি তে কি কেত্তন হত তাকি বালক লরেন কোনদিন গপ্পে শোনেনি ? কিই ধারণা পোষণ করবে সে ?তারপরে তার গান গাইছে কে না মালকাজান ? ওই বেবুশ্যে ছুঁড়ি টা ! স্লাইদ এ ছবি চেপে চটি বই বেরুচ্ছে যেখানে ক্ষীন্বসনা সোনাগাছির গনিকা মডেল আর আর রবিবাবুর কবিতা কোটেশন। ) ছেলে হটাত কবতে-ফব্তে লিকচে তাহলে একটু বাঁকা চোখে তাকাবই।

    আর উদিকে রবিবাবু। লোকটার কিই ভয়ঙ্কর ডাকাতের ভয় :) জমিদারিতে প্রায় ই ডাকাত পরত তাই থেকে ডাকাত +ডাকাতে কালী +কালিপুজো এই ইকুএশোন বানিয়ে নিয়েছিলেন সেই যুবাবয়েসে তার্ত্থেকে কোনদিন বেরোতে পারেন নি। কালি অনার কাছে ভয়ের মূর্তি হয়ে থাকলো সারাজীবন। সেই সঙ্গে কালি উপাসকেরা হয়ে রইলো দূর থেকে পরিত্যাজ্য ।

    এইসব পুরনো-বাওয়াল -হিসেব-কিতেব ধত্তে হবে তো ! বিখ্যাত লরেন বিখ্যাত রবি আমাদের চোকে। ভেতরের দায়নামিক্স ভুলে গেলে হবে ?

    আর এই তই একটা কতা পাঁশ শো বার উটলো কেন "স্ববিরোধিতা " ?? আরে, গোটা বঙ্গীয় হ্রেনেইশা টাই স্ববিরোধী লোকে ভরা। ইচ এন্ড এভরিবডি। সেটাই স্বাভাবিক না ? একদল লোক ভয়ঙ্করভাবে একটিভ হয়ে চিন্তা করছে, বই পড়ছে, নতুন দর্শনের সংস্পর্শে আসছে কালকের ধারণা আজ ভেঙ্গে যাচ্ছে এরা স্ববিরোধী হবেনাতো কি আমরা হব ? আমরা তো কনফর্মিস্ট বাল। কোনো না কোনো পক্ষ ধরে ঝুলছি। কুনো স্ববিরোধিতা নাই আমাদের। মিনিমাম চল্লিশ বছর পিছিয়ে থাকি আমরা। যদি এই মুহুর্তে দাঁড়িয়ে প্রতিদিনের নিজের ভাবনাকে, আন্তরিকতা কে চ্যালেঞ্জ করতে পার্তুম তাহলে আমরাও স্ববিরোধী হতুম। কিন্তু হবে না। "ট্রিবিউট" বানিয়েই আমাদের ইহকাল যাবে। নিজেদের আর দেবার কিসসু নাই।।
  • Ekak | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১২:৩৪513380
  • আর দীপ বাবুকে খোলা আমন্ত্রণ রইলো রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষাবিস্তারে কী কাজ করছে দেখার জন্যে। বেশি ঘুর্তেহবেনা। আপনাকে একটাই সেন্টারে নিয়ে যাব যেখান থেকে এক ই সঙ্গে ভাবি আইআইতিআন থেকে বস্তির ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে পড়াশোনা করে বড় হচ্ছে। হলে বসে খাবার খাচ্ছে। গদাধর প্রকল্পের সম্পর্কে একটু জানা দরকার। যদি চান রেগুলার মেইল আপডেট দেখাতে পারি। কোথায় কী কাজ হলো। পাঠচক্র কিভাবে কাজ করে, অডিট রেসাল্ট কী সব ই আমরা জানতে পারি। শুধুই "চ্যারিটি" না। আবার সেই সঙ্গে পেটে দুটো ভাত না দিলে বস্তির বাচ্চাটাকে মহাকাশের ডিভিডি দেখিয়ে লাভ নেই। মাথায় কিছু ঢুকবেনা। এমনকি তাদের মায়েদের অপুষ্টির চিকিত্সাও করতে হয়। স্কুটি চালিয়ে বস্তিতে ঘুরছেন আমাদের ই ব্যাচের সন্নাস নেওয়া বা না নেওয়া ছেলেরা। এতগুলো মানুষের প্রত্যহ মাথাব্যথা বায়াস্ড ধ্যান-ধারণা দিয়ে অগ্রাহ্য করার আগে নিজে একবাত্তি দেখুন। পারলে একটু হাত বাড়িয়ে দিননা। এইত দার্জিলিং সেন্টারের কাজ শুরু হলো। একটা ভুতের্বারী ধরিয়েছে সরকার। ছেলেপিলে চাগ্রি মাথায় তুলে ওখানে গিয়ে জঙ্গল সাফ করচে। এসব না জেনেই জীবন যাবে ?
  • sch | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১৩:২২513381
  • একক সুপ্পার ক্ক।

    ক'দিন আগে শুনলাম নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশান একটা প্যাথোলজিক্যাল ল্যাব শুরু করেছে - যেখানে মার্কেট রেটের থেকে অনেক কম রেটে টেস্ট করানো যায়। আর বাড়ি থেকে এসে যারা নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান তারা সবাই মহিলা কর্মাচারী। এটা মূলত মেয়েদের কর্মসংস্থান করার জন্যে। এরকম ছোট ছোট আরও অনেক উদ্যোগ আছে যেগুলো আমরা জানতেও পারি না কিন্তু সেগুলো অনেক জীবঙ্কে বদলে দেয়।

    আমাদের দেশে অতি আঁতেলের সংখ্যা বড়ো বেশী - কিছু কমস্ট্রাক্ট করার থেকে ডি কন্সট্রাকসানে আগ্রহ বেশী - নেটে বসে ছড়ি ঘোরাতে তো পয়সা লাগে না।

    স্বামীজি যে ইন্সপিরেশান দিয়ে গেছেন রামকৃষ্ণ মিশানের ফর্মে, সেরকম আর দশটা সংস্থা থাকলে এইসব হেগো পেঁদো জোচ্চোর পলিটিশিয়ানের দল ইরেলিভ্যান্ট হয়ে যেত
  • Ekak | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১৩:৩১513382
  • না, সেটা হত বলে মনে হয়না। জোচ্চর পলিটিশিয়ান এর হাত ও মিশনকে ধরতে হয় সরকারী সাহায্যের জন্যে। কিছু করার নেই। তবে মিশন তো একজায়গায় থেমে নেই। এই আজকের দিনে যে নতুন সন্যাসীরা জয়েন করছে তারা তো আজকের শিক্ষা -মূল্যবোধ নিয়েই ঢুকছে। মীনস আর এন্ড এর মধ্যে একটা চরম প্রাগ্ম্যাতিক ইকুএশোন রক্ষা করে চলে মিশন। সেখানেও কিচর জোচ্চর নেই ? সুবিধেবাদী নেই ? আছে। কিন্তু সংখায় কম।
  • দীপ | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১৭:৫৬513383
  • "এই আমার ইচ্ছে সমগ্রের ওপর চাপাবেন না" - তাহলে 'ইহাই মুক্তির একমাত্র পথ' বলে ওই আধ্যাত্মিক ভাববাদটাও সমগ্রের ওপর চাপানোর ইচ্ছার নিন্দা করুন এবং ওতে নিরস্ত হন। বক্তব্যের আগে 'ব্যক্তিগত উপলব্ধি' বলা ছিল। একবার দেখে নেবেন।

    ১৯০৪ এ নিবেদিতা, জগদীশ বোস, অবলা বোস, রবিবাবু, র‍্যাডক্লিফ সায়েব, সঙ্গে আরও গোটা ১৫ জন বোধিগয়া গিয়েছিলেন। এর মাস কয়েক পরে নিবেদিতা আর ক্রিস্টিন পুনরায় জগদীশ আর অবলা বোসের সাথে শিলাইদহে রবিবাবুর বাড়ি যান। অ্যালায়েন্স বলতে এই ঘটনাটা বোঝাতে চেয়েছিলাম। এরসাথে বিবেকানন্দ-জগদীশ বোস-ম্যাসাচুসেট্স-৭৫৫৮৪০ এ সবের উল্লেখ অবান্তর।

    "ঈশ্বর নিরাকার চৈতন্যস্বরূপ" - এটাও মাথা মোড়াবার ছল। কিন্তু ঈশ্বর নিরাকার, সব মায়া অথচ মা কালীর পুজো করব - এই ঘাঁটা লজিকের থেকে বেশী র‍্যাশনাল।

    "আপনার মনে হয়েছে সেই শিক্ষা কেউ দেয় নি। আমার মনে হয়েছে দিয়েছে। তাতে কি প্রমান হলো?" - তাহলে শূদ্রজাগরণ নারীমুক্তি ওসব ইতিমধ্যে ঘটে গ্যাছে বলছেন? মাপ করবেন - টই লিখতে ব্যস্ত ছিলাম, টেরটি পাইনি।

    RKM কে এই বিতর্কে জড়াতে চাই না। সদিচ্ছুক ভাল মানুষ তো নিশ্চয় আছেন, যাঁরা নিজেদের মতো করে অনুপ্রেরণা খুঁজে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। নইলে এত বছর চলছে কি করে? তা বলে কি বেলুড় মঠে পুজোর ভড়ং হচ্ছেনা? মোদ্দা কথা হল, সমগ্র জাতির জেগে ওঠার জন্য যে স্কেলে হওয়া দরকার ছিল সেরকমটা হয় নি। যদি বলেন, ২০১৩-র পরিপ্রেক্ষিতে RKM মডেলটাই মডেল হওয়া উচিত এবং দিকে দিকে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত তো সে আলোচনা ভিন্ন।

    "একদল লোক ভয়ঙ্করভাবে একটিভ হয়ে চিন্তা করছে, বই পড়ছে, নতুন দর্শনের সংস্পর্শে আসছে কালকের ধারণা আজ ভেঙ্গে যাচ্ছে এরা স্ববিরোধী হবেনাতো কি আমরা" - হক কথা। কিন্তু সেটা বললেই যে একদল লোক ক্ষেপে যাচ্ছে, নির্মোহ ব বলে কটাক্ষ করছে। স্ববিরোধটা স্বীকার করে নিলে এবং তার ব্যাকগ্রাউন্ডটা বিশ্লেষণ করলে তবেই তো মানুষটাকে সঠিকভাবে চেনা যাবে। খারাপটাকেও ভাল প্রমাণ করার জন্য বিদ্যাসাগরের কি খারাপ, রবিবাবুর কি খারাপ, কমিউনিস্টদের কি খারাপ - এগুলো জাহির করার কি দরকার?

    ন্যাড়ার কোটগুলো আমার ফেভারিট হয়ে যাচ্ছে :) ঐ একই অ্যানালজিতে দৈয়ের মধ্যে কিছু লোকে মিষ্টি চাইছে, আবার কিছু লোকে টক। যিনি শুধু মিষ্টি খুঁজে চলেছেন তিনিও ততটাই বদ্ধমনা যতটা টক খোঁজা লোকটা। আবার 'সবাই যাকে মিষ্টি বলছে' বলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখিয়ে টক দৈ কে মিষ্টি করে দেওয়া যাবে না। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট দিয়ে যেসব বিষয়ের মীমাংসা হয়না, এটা তার মধ্যে একটা। সে যতই ফেবুতে লাইক আর গুরুতে ক্ক মারেন না কেন।
  • ranjan roy | ১৯ জুলাই ২০১৩ ২৩:৪১513385
  • বিদ্যেসাগর নিয়ে একটি কথাঃ

    উনি মেট্রোপলিটন কলেজের কোর্স নিয়ে প্রস্তাবে সাংখ্য ও বেদান্তকে শুধু ভুল দর্শন বলে হৈ-চৈ ফেলেই ক্ষান্ত হন নি। এই দুটো দর্শন হিন্দুর মনে গভীর প্র্রভাব ফেলেছে কাজেই একে কোর্স থেকে বাদ দেয়া যাবে না বল্লেন।
    তারপরই বলছেন --- এর ক্ষতিকর প্রভাব এড়াতে অ্যান্টিডোট হিসেবে সঙ্গে স্টুয়ার্ট মিলের লজিক পড়াতে হবে।
    এইখানে ধুতিপড়া গায়ে চাদর সংস্কৃতজ্ঞ পন্ডিতের পাশ্চাত্ত্য শিক্ষার প্রভাব লক্ষণীয়।
    বর্ণপরিচয়ের প্রথম সংস্করণে ঈশ্বর নিয়ে কোন পাঠ ছিল না। পরে চাপাচাপিতে ধরি-মাছ-না ছুঁই পানি করে এই নিরাকার ঈশ্বরকে রাখা হয়, সর্বশক্তিমান দয়ালু পরমপিতা ঈশ্বরকে নয়।
  • ranjan roy | ২০ জুলাই ২০১৩ ০১:০০513388
  • সম্ভবতঃ দিনতিনেক বাদে কম্প্যু খুলে আমার কিছু বক্তব্য নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝি দেখলাম। মনে হল বল-ক্লিয়ার করা দরকার।
    এক,
    আমার মিশন থেকে টিসি পাওয়া নিয়ে জনৈকের বক্তব্যে কোন খোঁচা নেই।একটু ভুল বোঝাবুঝি আছে। সেটা হল আমি পাঁচবছর শুধু স্কুলে নয়, মিশনের হোস্টেলে ছিলাম। তাতে মিশনের শিক্ষাব্যব্স্থা নিয়ে একটি সামগ্রিক আইডিয়া পাবার সম্ভাবনা থাকে। এখানে বেশকিছু গুরুভাই এবং আমার ব্যক্তিগত সখ্য আছে এমন অনেক মিশনের ছাত্র আছেন। তবে বেশির ভাগের অভিজ্ঞতা কলেজ স্তরের।
    কিন্তু আমার অনুভবই যে একমাত্র সত্যি বা আমি যা বুঝেছি তাই ঠিক এমন কোন ক্লেইম আমার নেই। একই সঙ্গে, আমি তো শুধু আমার উপলব্ধির কথাই বলতে পারি।
    তবে আমার বিরক্তি আদৌ ক্লাস টেনের টিসি পাওয়ার পরবর্তী ফসল নয়। ওটা তো উপলক্ষ মাত্র। আর আমার ছোট দুভাইও মিশনের স্কুলের হস্টেলেই পড়েছে। কিন্তু ওদের টিসি দেয়া হয় নি। রামকৃষ্ণ আদর্শে দীক্ষিত আমার বাবার নির্ণয়েই ওদের ছাড়িয়ে আনা হয়।
    দুই,
    এহ বাহ্য। যেমন একজন ভন্ড সন্ন্যাসীর উদাহরণ দিয়ে বা একজন ঘুষখোর মন্ত্রীর উদাহরণ দিয়ে গোটা সন্ন্যাসী সম্প্রদায়ের ব্যাপারে বা সমস্ত মন্ত্রী বা রাজনৈতিক পেশার ওপর সাধারণ কমেন্ট করা যুক্তিসম`গত নয়। তেমনি মিশনের কোন একটি শাখায় একটি ক্লাস টেনের ছেলের সঙ্গে কি ব্যবহার করা হয়েছে তা দিয়ে মিশনের শিক্ষার মডেল নিয়ে কোন নীতিগত মন্তব্য করা অর্থহীন।
    আমি তা করিনি। কী করেছি তা শেষে বলছি, একটু কলাপাতা বিছিয়ে নিই।
    তিন,
    না, আমি শান্তিনিকেতনে পড়িনি। কিন্তু আমার একবছরের ছোট ভাই সাংবাদিক রজত রায় ( শ্যামানন্দ দুবের Ancient India ও মহমূদ মামদানী'র Good Muslim, Bad Muslim বইয়ের অনুবাদক) যে ক্লাস ফাইভ থেকে টেন অবদি বরানগর মিশনের হস্টেলে ছিল( টিসি পায় নিঃ))), শান্তিনিকেতনের হস্টেলে থেকে দর্শনে অনার্স ও পিজি করেছে। ওর স্পেশাল পেপারে ছিল রবীন্দ্রনাথের এডুকেশনাল ফিলজফি আর উইট্গেনস্টাইনের দর্শন।
    তাই রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাদর্শন নিয়ে যা কিছু বুঝেছি তা হল ওঁর নিজের শিক্ষাচিন্তা নিয়ে লেখা প্রবন্ধগুলো পড়া, মুজতবা আলীর শান্তিনিকেতন নিয়ে লেখাগুলো থেকে ও অন্য কিছু লোকের স্মৃতিচারণ থেকে রবীন্দ্রনাথের মডেলের প্রায়োগিক সমস্যাগুলো বোঝার চেষ্টা করা।
    বাকিটা ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা থেকে প্রাপ্ত কিছু ধারণা,--- অবশ্যই পরস্মৈপদী।
    চার,
    abc ঠিক বলেছেন।
    আমার ভাই বছরে দুবার করে শান্তিনিকেতন যায়, থাকে। অর্থনীতি ও দর্শনের দুই অধ্যাপক ঘনিষ্ঠ বন্ধু।সেই সুবাদে আমার সঙ্গেও ওদের বন্ধুত্ব।
    কিন্তু সেই ভাই বছর দশ-বারো আগে সম্ভবতঃ দেশ পত্রিকায়, একটি প্রবন্ধ লিখেছিল যার শিরোনাম--" শান্তিনিকেতন বর্তমানে একটি এঁদো পুকুরে পরিণত"। অনেক বিরুদ্ধ চিঠি-চাপাটি সত্ত্বেও একটি শব্দও বদলায়নি। যদিও এখনো শান্তিনিকেতনে কোন সেমিনারে ডাকলে যায়।
    পাঁচ,
    অর্থাৎ, - - - ও abc মানবেন যে আমার মিশনের শিক্ষা মডেলের চেয়ে রবীন্দ্রনাথের মডেল উন্নত মনে হওয়ার কারণ আদৌ মিশনের হস্টেলে প্রাপ্ত টিসির জন্যে কোন ব্যক্তিগত "বিরাগ" জনিত নয়।বা শান্তিনিকেতনে আমার ভাইয়ের প্রাপ্ত সুখদ অনুভূতির জন্যে নয়। আমি দুটোর তুলনা একেবারে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার বাইরে দাঁড়িয়ে দুটো মডেল, in general, যা বুঝেছি তার থেকে বলেছি।
    স্বল্প পরিসরে এর বিশদ চর্চা সম্ভব নয়।
    তবু দু'একটি ফিচার বলি।ঃ
    i)উপনিষদ ও বেদান্তে আস্থাশীল রবীন্দ্রনাথ নিজের আশ্রমে অন্যধর্মের থেকে আসা ছাত্র ও শিক্ষকদের তাঁদের ব্যক্তিগত ইচ্ছের বিরুদ্ধে উপাসনায় যেতে বাধ্য করতেন না। ( মুজতবা ও অন্যান্য সূত্র)।
    ফলে আমরা পেলাম দর্শনের ছাত্র মুজতবাকে-- ভগবদগীতা যাঁর কন্ঠস্থ!
    কিন্তু যতমত ততপথ বলা গুরুর নামাঙ্কিত আশ্রমে ইসলাম বা ক্রিশ্চানিটি নিয়ে কোন আলোচনার বা উৎসবের অবকাশ নেই।
    ii) রবীন্দ্রনাথ বিশ্বের সৃষ্টিরহস্য নক্ষত্রপুঞ্জ নিয়ে বাংলায় সহজ পাঠ্যবই এর আকালে নিজে কলম ধরলেন, কিন্তু মিশনে সৃষ্টিরহস্য নিয়ে পৌরাণিক গল্পের চেয়ে আলাদা কিছু শেখানো হত না।
    iii) সরকারি শিক্ষা ব্যব্স্থার বাইরে claas room orineted শিক্ষার মডেলের বিপ্রতীপে রবীন্দ্রনাথ পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত, খোলা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ক্রিয়েটিভ কাজ, এক্সপেরিমেন্টেশন( রামকিংকরদের কথা ভাবুন)যুক্ত স্বতন্ত্র শিক্ষার মডেল শুরুও করেছিলেন।
    কিন্তু মিশন সরকারী শিক্ষাব্যবস্থা-কোর্স-মডেলেই আটকে রইল। এর চেয়ে আলাদা কোন মডেল তৈরি করল না। ফলে মিশনের মডেল= মেইন্স্ট্রিম সরকারি শিক্ষা + ধার্মিক অনুষঙ্গ তেই সীমাবদ্ধ রইল।
    দুঃখের বিষয়, আজ শান্তিনিকেতনেও রবীন্দ্রনাথের সেই মডেল অনুসৃত হয় না। সেই সরকারি শিক্ষা ব্যব্স্থার একটি এলিট স্কুল হয়ে গেছে।
    আমার বক্তব্য বিবেকানন্দের শিক্ষার মডেল ও রবীন্দ্রনাথের শিক্ষার মডেল নিয়ে, আদৌ দুটোর আজকের স্কুলের ছেলেমেয়েরা আজ কে কার চেয়ে এককাঠি সরেস সেটা নিয়ে নয়। ওতে আমার কোন উৎসাহ নেই।
    আমার পরের মডেলটি উপরোক্ত কারণে ভালো লাগে, সবার লাগতেই হবে এমন কোন কথা নেই।
  • দীপ | ২০ জুলাই ২০১৩ ০১:০০513387
  • ব্রহ্মচর্য্য ও সন্ন্যাস নিয়ে আদিখ্যেতা -
    ব্রহ্মচারী সন্ন্যাসী বানানোর পেছনে লজিক ছিল, সংসারের পিছুটান থাকবে না। এরা নির্দ্বিধায় কর্মকান্ডে জীবন উৎসর্গ করবেন। এর সবচেয়ে বড় এক্সেপশন বিবেকানন্দ নিজে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সংসার থেকে সরতে পারেন নি। টাকাপয়সা-মামলামোকদ্দমা নিয়ে জড়িয়েছেন। "নিউ ইয়র্কে আমার যে ১০০০ ডলার আছে, তা থেকে আমি মাসে মাসে ৯ টাকা করে পাব; তখন আমি একখন্ড জমি কিনব যা থেকে ৬ টাকা আয় হবে এবং পুরাতন বাড়িটি থেকেও ৬ টাকা পাওয়া যাবে। আমি, আমার মা, দিদিমা, ভাই, মাসিক ২০ টাকা আয়ের উপর নির্ভর করে আমাদের স্বচ্ছন্দে চলে যাবে।" ৬ মার্চ ১৯০০, মিসেস বুলকে চিঠি। মহারাজা অজিৎ সিংহের কাছ থেকে বারবার টাকা চেয়েছেন,কখনও মিশনের প্রয়োজনে, কখনও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে। সে সব চিঠিতে অনুরোধ করেছেন বাইরে প্রকাশ না করতে। দুখে বলবেন প্রাইভেসির রেকোয়েস্ট। তা বেম্মচারী সন্ন্যাসী গুরুভাইদের চিঠি লিখছেন, স্পন্সরকে চিঠি লিখছেন - ওতে প্রাইভেসির ঘটা কেন? পেরেমপত্র নাকি? ব্রহ্মচর্য্য নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। মানুষের স্বাভাবিক যৌনতাকে দমিয়ে রাখার পেছনে যুক্তি যাই থাক, এটা স্বাভাবিক নয়। নিজেও জানতেন। শিষ্যকে বলেছেন "কিন্তু এ সব কার্য তফাত হইতে। যুবতীর সাক্ষাতে অতি সাবধান। একবার পড়িলে আর গতি নাই এবং ও অপরাধের ক্ষমা নাই।" রাজযোগে ব্রহ্মচর্য্য নিয়ে আরও অনেক অবাস্তব কথাবার্তা আছে। বলেন তো হাজির করি। নইলে নিজেরাই পড়ে নেবেন।
  • দীপ | ২০ জুলাই ২০১৩ ০১:০০513386
  • ব্রহ্মচর্য্য ও সন্ন্যাস নিয়ে আদিখ্যেতা -
    ব্রহ্মচারী সন্ন্যাসী বানানোর পেছনে লজিক ছিল, সংসারের পিছুটান থাকবে না। এরা নির্দ্বিধায় কর্মকান্ডে জীবন উৎসর্গ করবেন। এর সবচেয়ে বড় এক্সেপশন বিবেকানন্দ নিজে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সংসার থেকে সরতে পারেন নি। টাকাপয়সা-মামলামোকদ্দমা নিয়ে জড়িয়েছেন। "নিউ ইয়র্কে আমার যে ১০০০ ডলার আছে, তা থেকে আমি মাসে মাসে ৯ টাকা করে পাব; তখন আমি একখন্ড জমি কিনব যা থেকে ৬ টাকা আয় হবে এবং পুরাতন বাড়িটি থেকেও ৬ টাকা পাওয়া যাবে। আমি, আমার মা, দিদিমা, ভাই, মাসিক ২০ টাকা আয়ের উপর নির্ভর করে আমাদের স্বচ্ছন্দে চলে যাবে।" ৬ মার্চ ১৯০০, মিসেস বুলকে চিঠি। মহারাজা অজিৎ সিংহের কাছ থেকে বারবার টাকা চেয়েছেন,কখনও মিশনের প্রয়োজনে, কখনও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে। সে সব চিঠিতে অনুরোধ করেছেন বাইরে প্রকাশ না করতে। দুখে বলবেন প্রাইভেসির রেকোয়েস্ট। তা বেম্মচারী সন্ন্যাসী গুরুভাইদের চিঠি লিখছেন, স্পন্সরকে চিঠি লিখছেন - ওতে প্রাইভেসির ঘটা কেন? পেরেমপত্র নাকি? ব্রহ্মচর্য্য নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। মানুষের স্বাভাবিক যৌনতাকে দমিয়ে রাখার পেছনে যুক্তি যাই থাক, এটা স্বাভাবিক নয়। নিজেও জানতেন। শিষ্যকে বলেছেন "কিন্তু এ সব কার্য তফাত হইতে। যুবতীর সাক্ষাতে অতি সাবধান। একবার পড়িলে আর গতি নাই এবং ও অপরাধের ক্ষমা নাই।" রাজযোগে ব্রহ্মচর্য্য নিয়ে আরও অনেক অবাস্তব কথাবার্তা আছে। বলেন তো হাজির করি। নইলে নিজেরাই পড়ে নেবেন।
  • bip | ২০ জুলাই ২০১৩ ০৬:৩৮513389
  • প্রথমে একক কে :

    আমার মূল প্রবন্ধের কন্চ্লুসিন যে ফিরলেন আপনি : বিবেকানন্দ র এই স্ববিরোধিতা ব্যাখ্যা করতে আমি ঠিক সেটাই বলেছিলাম - ইহা তার মানসিক উত্তরণের লক্ষণ

    "এই ধরনের পরস্পর বিরোধিতা বিবেকানন্দ চরিত্রের ছত্রে ছত্রে। তাতে অসুবিধা নেই। এর থেকে বোঝা যায় তিনি মুক্তমনের অধিকারি ছিলেন, তার মনে দ্বন্দ ছিল। এবং মনে দ্বন্দ থাকাই মনের উন্নতির প্রাথমিক শর্ত। নিজের অভিজ্ঞতার কাছে তিনি সৎ থেকেছেন। কিন্ত রাজনৈতিক বা সামাজিক দর্শনের চর্চা তিনি গভীরে গিয়ে করেন নি।"

    http://mukto-mona.com/bangla_blog/?p=21996

    রবীন্দ্রনাথ এর সাথে বিবেকানন্দ এর তুলনা ঠিক না -একদম আপেল বনাম অরেঞ্জ হয়ে যাবে। তবে শান্তিনিকেতন এর সাথে নরেন্দ্রপুর য়ের তুলনাটা হ্যা -একদম - অবশ্য আলোচনা হওয়া উচিত

    আমি নরেন্দ্রপুর এর পার্টি -কিন্ত তবু শান্তিনিকেতন কে এগিয়ে রাখব শুধু এই জন্যে যে ব্র্হ্মাচার্য শ্রম এর ব্যাপারটা বেশ গোলমেলে লেগেছে। নরেন্দ্রপুর যে ছেলেরা সপ্তাহে ৬ ১/২ দিন মেয়েদের মুখ পর্যন্ত দেখতে পায় না। ফলে যারা pnachil টপকিয়ে দুপুরে সোনারপুর এ পর্ণ সিনেমা দেখতে যেত তাদের কথা বাদ দিলে বাকিরা বেশ করুন অবস্থার মধ্যে থাকে। এদের অবস্থা এত বাজে থাকে রবিবার নামতেই অভিভাবিকাদের পেছনে লাইন মারা শুরু করে। নরেন্দ্রপুর এ সেক্স starvation একটা বিরাট ফ্যাক্টর -ভালোর দিক হচ্ছে পড়াশোনা করতে চাইলে অনেক কিছু করা যায় -শিক্ষক আছে, লাইব্রেরি আছে, ভাল ছাত্র আছে।

    এই সেক্স starvation ব্যাপারটা মানসিক গঠন নষ্ঠ করার জন্যে যথেষ্ঠ /
  • dukhe | ২০ জুলাই ২০১৩ ০৯:১১513390
  • বিপের এই প্রবলেমটা তো চেনা। বিবুদার বিরুদ্ধে ওনার মূল আপত্তি হ'ল বিবুদার মিশনের ইস্কুলগুলো কো-এড নয়। এর সঙ্গে কারো স্ববিরোধিতার কোনো সম্পর্ক নেই।
    আর সন্ন্যাসী ও ব্রহ্মচারী নিয়ে দীপের ব্যক্তিগত অ্যালার্জিকে ফ্রি থিংকিং-টিংকিং লেবেল না দিলেই হয়। যুবতীর সাক্ষাতে সাবধান হবেন কিনা নিজের ব্যাপার - বিবুদা কাউকেই গৃহী হ'তে বারণ ক'রে যাননি, কিন্তু সন্ন্যাসী হ'তে গেলে কিছু জিনিস তো বাই ডেফিনিশন ছাড়তে হবে - সবার দ্বারা সে হবেও না - এটা বিবুদা দিব্বি জানতেন। আর কেউ সমস্ত চিঠি জনে জনে দেখানোর পক্ষপাতী নন বলে তিনি স্ববিরোধী - এটাকে, ইয়ে, যুক্তির কোঠায় ফেলতে অপারগ হলাম। 'ব্যক্তিগত উপলব্ধি' হ'লে বলব - ধোঁয়াটা নিজের কাছেই রাখুন। এর চেয়ে আগে "প্রাইভেসিকে স্ববিরোধিতা বলা হয়নি" সাফাইটাই বেটার ছিল।

    ঈশ্বর নিরাকার - ভালো কথা, কিন্তু একই সঙ্গে বিবুদা ও তাঁর গুরু জানতেন - তিনি সাকারও। তাহ'লে আর কালীপুজোয় ঝামেলা কিসের? আর বিবুদা বলেই গেছেন - কালীপুজো আমি কোথাও প্রচার করিনি, আমি উপনিষদের কথাই বলেছি, যা আমাকে ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য করে কিন্তু সবার জন্য নয়, তা আমি প্রচার করিনি। এগুলো তো এট্টুস খেয়াল করতে হবে - নইলে সবই উটের পাকস্থলী হবে। আর পুরাণের গল্প ছোটদের জন্য যিনি ব্যাপকভাবে বাংলায় এনেছেন, সেই উপেন্দ্রকিশোর ছেলেপুলেদের বিজ্ঞানবিমুখ ক'রে তুলতে মরিয়া ছিলেন কিনা সেটাও ভাবার।

    আর কারো যদি আশা থাকে বিবুদা জাদুলাঠি ঘুরিয়ে শূদ্রজাগরণ নারীমুক্তি সব হু-উ-স ক'রে ঘটিয়ে ফেলবেন, তার দায় তো বিবুদার নয়। বিবুদা জানতেন পথ দীর্ঘ এবং বন্ধুর, ধীর কিন্তু দৃঢ়ভাবে কাজ ক'রে যাওয়াই কর্তব্য। ওনার সৈন্যরা সেই রাস্তাই ধরেছেন।

    "বিদ্যাসাগরের কী খারাপ, দাদুর কী খারাপ, কে দশে কত পাবেন, কে কার থেকে কত পিছিয়ে" - এসব বনাম-মার্কা আলোচনায় আমার উৎসাহ নেই - আগেই বলেছি। যাঁরা উৎসাহী, তাঁরা ক্ষান্ত দিলেই হয়।
  • pinaki | ২০ জুলাই ২০১৩ ১৪:০৫513391
  • বিবুদার কাছ থেকে আশা করা হয়েছে বলে তো মনে হল না। বিবুদার দেখানো মডেল কি করতে পেরেছে - সেটাকে প্রশ্ন করা হয়েছে। দুখে দা কি এইটা মনে করেন যে রাকৃমি মডেলে শূদ্র জাগরণ ও নারীমুক্তি ঘটেছে বা ঘটে চলেছে সমাজের কোণায় কোণায়? আর আমরা কেউ কিছু zআনতি পারছি না আমাদের দেখার চোখ নেই বলে?
  • pinaki | ২০ জুলাই ২০১৩ ১৪:০৯513392
  • আর পুরাণের গল্পকে গল্প হিসেবে জানা আর তাকে বিশ্বাস করে সেগুলো সত্যি বলে প্রীচ করা - এই দুয়ের মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ।
  • pinaki | ২০ জুলাই ২০১৩ ১৪:১১513393
  • আর যুক্তির জায়গা থেকে কালিপুজো কেন যেকোনো পুতুল পুজোয় আপত্তি থাকার কথা। থাকবেও।
  • dukhe | ২০ জুলাই ২০১৩ ১৮:০০513394
  • পুরাণের গল্প সত্যি ব'লে প্রিচ করার কোনো কথা তো ওঠেনি। গল্পের মাধ্যমে শেখানো মানে কি সত্যি সত্যি খরগোশ আর কচ্ছপের একটা রেস হয়েছিল ব'লে প্রিচ করা?

    শূদ্রজাগরণ আর নারীমুক্তির কথা উঠলে বলতে হয় বিবুদার সময়ের চেয়ে সেদিকে সমাজ অনেক এগিয়েছে বৈকি। এখনো অনেক বাকি অবশ্যই। কিন্তু সার্বিকভাবে আমরা কি সেদিকে এগোইনি?

    কালীপুজোয় যুক্তির আপত্তিটা ঠিক কীরকম?
  • Ekak | ২০ জুলাই ২০১৩ ১৯:৪৭513396
  • একটা পোস্ট ক্রুসেড প্ল্যানেটে মূর্তিহীন এর চেয়ে মূর্ত অনেক বেটার স্যাপিওরিলিজিয়াস স্ট্রাটেজি মানে ইশ্বর কে এলেও করে নিলে।
    মূর্তি মানে গল্প। একটা কার্জ্যবিবরণী। প্রিসায়স্লি দকুমেন্তেদ জিনিসের ইম্প্লিমেন্টেশন। অনেক কম রক্তপাতে ধর্ম বিস্তার করাযায়। মাচ বেটার মার্কেটিং টূল।
  • cm | ২০ জুলাই ২০১৩ ২০:২১513397
  • ঠিক যে কারণে ফিসিক্সের বেটার বাজার।
  • pinaki | ২০ জুলাই ২০১৩ ২১:০৪513398
  • খরগোশ কচ্ছপের গল্প তো ঈশপের গল্প। পুরাণের গল্প মানে ধর বিষ্ণুর দশাবতারের গল্প, সেগুলো কি ঈশ্বরবর্জিত কিছু? লোকায়ত গল্প, যেখানে ঈশ্বর নেই, ধর্ম নেই, সে নিয়ে সমস্যাও নেই। যেখানেই ঈশ্বর, ধর্ম - এইসব গল্পের মধ্যে ঢুকে পড়বে, তখনই সেখানে বিশ্বাস প্রিচ করার জায়গা চলে আসবে। এটা একটা অন্য আলোচনার বিষয় যদিও। আমি কথাটা বলেছিলাম উপেন্দ্রকিশোরের উদাহরণ প্রসঙ্গে। মিথোলজিকাল গল্প নিয়ে সমস্যাটা নয়। গল্পের রিপ্রেজেন্টেশনটা সমস্যা।

    আর নারীমুক্তি ধর্মের পথ ধরে কোথায় কিভাবে এসেছে সত্যি জানতে চাই। সারা পৃথিবীতে কোথাও কি ধর্মের পথে এসেছে? হিন্দুধর্মের বা দর্শনের হাত ধরেই বা কোথায় এল? তার পরে রাকৃমির কথা আসবে। আমি জানি মেয়েদের আর্থিক স্বাবলম্বনের জন্য রাকৃমির অনেক ধরণের প্রোগ্রাম আছে। কিন্তু সে তো অন্য অনেক এনজিওরও আছে। পার্টিকুলারলি ঐ আর্থিক স্বনির্ভরতার প্রোগ্রামগুলোর সাথে ধর্মের যোগ কোথায়?

    এককের বক্তব্য (যদি ঠিক বুঝে থাকি) ধর্মের মার্কেটিং এর জন্য মূর্তিপুজো ভালো হাতিয়ার। সে হতেই পারে। আমি তো ধর্মের মার্কেটিংএরই বিরোধী। আর কালী বা হোয়াটেভার, তার অস্তিত্বে বিশ্বাস করলে তবে তো তাকে পুজো করা না-করার ডিবেটটা প্রাসঙ্গিক হয়। যে বিশ্বাস করে সে পুজো করতেই পারে। কিন্তু তা কি কখনো একটা ইন্স্টিটিউশন করতে পারে? তাহলে প্রথমেই সেই ইন্স্টিটিউশনের 'আমি সকলের জন্য' - এই দাবীটা ছেড়ে দেওয়া উচিৎ নয় কি?
  • dukhe | ২০ জুলাই ২০১৩ ২৩:৩২513399
  • খুব একটা আলোচনার জায়গা আছে কিনা জানি না। আমি গল্পে ব্রহ্মা বিষ্ণু পরী ডাইনি কথা-বলা-খরগোশ কিছুতেই অ্যালার্জি বোধ করি না। সত্যি পরী এসে সিন্ডারেলার জামা জুগিয়ে দেয় কিনা, হাঁসেরা লাঠিতে ঝুলিয়ে কচ্ছপকে ওড়ায় কিনা, গরুড় নিজের মাকে দাসীবৃত্তি থেকে বাঁচিয়েছিল কিনা - গল্পের রস পেতে সেসব বিশ্বাস করা আবশ্যিক ব'লে আমি মনে করি না। বাচ্চাদের তো দেখি দিব্বি লাগে। আল থেকে উঠে এল ব'লে নাম হ'ল উদ্দালক - এই গল্প দিয়ে যদি নিজের দায়িত্বে নিষ্ঠার কথা শেখানো হয় তাতে আমি দোষও দেখি না। তবে পিনাকী দেখলে কিছু বলারও নেই। লেট'স এগ্রি টু ডিসএগ্রি ছাড়া।

    নারীমুক্তি আর ধর্ম একটা আলাদা লম্বা ডিবেট - ওটায় এখন ঢুকতে চাইছি না। কিন্তু মেয়েদের জন্য রাকৃমি ও সারদা মঠ কিছু করে কিনা সেটা জানা তো কঠিন নয়। সারদা মঠে তো বিবুদার নির্দেশেই পুরুষের শাসন নেই। মেয়েদের যখন লেখাপড়ার চল ছিল না, তখন নিবেদিতার ইস্কুলের প্রকল্প নেওয়া ও সেই ইস্কুলে মেয়েদের দেবার জন্য বিবুদাই তো লোকজনকে রাজি করাচ্ছিলেন। কর্নেলিয়া কোঙ্গারের ছোটবেলার স্মৃতিতে দেখবেন বিবুদা কীভাবে বাচ্চা মেয়েটির ইস্কুলের কথা জিজ্ঞেস করছেন, ভারতে মেয়েদের লেখাপড়ার অসুবিধের কথা ব'লে দুঃখ করছেন।

    আর "আমি সকলের জন্য" হওয়া মানে কি সবার গসাগু হয়ে যাওয়া? আমি কালীপুজো করি, কিন্তু সেখানে তুমি আসো বা না আসো, পুজোয় যোগ দাও বা না দাও, আমি তোমার পাশে থাকি - এটায় আপত্তি কী? আমি মাছ-মাংস খাই ব'লে আমি নিরামিষাশীদের ত্রিসীমানায় নেই প্রমাণ হয় কি?
    আর অস্তিত্বে বিশ্বাস ক'রে পুজো করে ক'জন? বিশ্বাস কি সোজা নাকি? বলুন দেখি মা কালীর ভরসায় সংসারের হাল ছেড়ে দিতে, কে কে রাজি হয় জানাবেন। বিবুদাকে জিজ্ঞেস করেছিল - বিশ্বাস হ'লে আর তো চিন্তা নেই? বিবুদা মুচকি হেসে বলেছিলেন - রাজা হ'লে আর চিন্তা নেই, কিন্তু রাজা হওয়া সোজা নয়।
  • pinaki | ২০ জুলাই ২০১৩ ২৩:৪৩513400
  • ফার্স্ট প্যারাটায় আমারো কোনো আপত্তি নেই। ঐ গল্পগুলো আমারো প্রভূত ভালো লাগে এবং আমিই খুঁজে খুঁজে মেয়েকেও পড়াই। রিপ্রেজেন্টেশন কথাটা দিয়ে আমি অন্য কিছু বোঝাতে চাইছি। পরে সময় পেলে লিখছি।
  • dukhe | ২১ জুলাই ২০১৩ ০৭:১৮513401
  • স্তব্ধতা ফাটে, পাকিয়ে উঠেছে ধুলো
    ধূলিস্তম্ভ মেঘযূথে মিশে যায়
    ভূগোল ঘুরছে, ধকধক করে চুলো
    সূর্য লুপ্তপ্রায়।

    জয়ের এই লেখা পোখরান বিস্ফোরণের পর। ধ্বংসের একটা ছবি দেখা যায় যেন। পড়তে পড়তে পুরোনো কিছু লাইন মনে পড়ছিল আমার -
    নিঃশেষে নিভেছে তারাদল, মেঘ আসি আবরিছে মেঘ
    স্তম্ভিত, ধ্বনিত অন্ধকার; গরজিছে ঘূর্ণ বায়ুবেগ।

    প্রলয়ের ছবি। সত্যেন দত্তের অনুবাদে বিবুদা।
    কালীকে নিয়ে কবিতা। বিবুদার নিজস্ব একটা প্যাশনের জায়গা। মৃত্যুর উপাসনা। ঈশ্বরকে শুধু শিশুর হাসি আর জ্যোৎস্নার মধ্যেই খুঁজব না, দুর্ভিক্ষ মহামারী বিভীষিকার মধ্যেও তাঁকে প্রত্যক্ষ করব - এরকম একটা মনোভাব। "আমি ভয়ঙ্করকে ভয়ঙ্কর বলেই ভালবাসি, নৈরাশ্যকে নৈরাশ্য বলেই ভালবাসি, দুঃখকে দুঃখ বলেই ভালবাসি।" বিদেশেও বলেছিলেন - "আমি তোমাকে মৃত্যুকে ভালবাসতে শেখাব।"

    কোট কবিতা সবই স্মৃতি থেকে। এট্টু ইদিক-উদিক হ'লে দোষ নেবেন না।
  • cm | ২১ জুলাই ২০১৩ ০৮:৩৪513402
  • Kali the mother এর বাংলা অনুবাদ মৃত্যুরূপা কালী না? গুগল করে পাওয়া গেল না।
  • দীপ | ২১ জুলাই ২০১৩ ১০:৫৬513404
  • "কোথায় চলছে? শাস্ত্রোক্ত দশবিধ সংস্কার কোথায় চলছে? আমি তো ভারতবর্ষটা সব ঘুরে দেখেছি, সর্বত্রই শ্রুতি-বিগর্হিত দেশাচারে সমাজ শাসিত হচ্ছে! লোকাচার, দেশাচার ও স্ত্রী-আচার- এই সব সর্বত্র স্মৃতিশাস্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে! কে কার কথা শুনছে? টাকা দিতে পারলেই ভটচাযের দল যা—তা বিধি-নিষেধ লিখে দিতে রাজী আছেন! কয়জন ভটচায বৈদিক কল্প-গৃহ্য-ও শ্রৌত-সূত্র পড়েছেন? তারপর্ দেখ্—বাঙলায় রঘুনন্দনের শাসন, আর একটু এগিয়ে দেখবি মিতাক্ষরার শাসন, আর একদিকে গিয়ে দেখ্ মনুস্মৃতির শাসন চলেছে! তোরা ভাবিস—সর্বত্র বুঝি একমত চলেছে! সেজন্যই আমি চাই-বেদের প্রতি লোকের সম্মান বাড়িয়া বেদের চর্চা করাতে এবং সর্বত্র বেদের শাসন চালাতে। "

    "ধার্মিক হইতে গেলে আপনাদিগকে প্রথমেই গ্রন্থাদি ফেলিয়া দিতে হইবে। বই যত কম পড়েন ততই ভাল। এক একবারে একটা করিয়া কাজ করুন। বর্তমান কালে পাশ্চাত্যে অনেকের একটা ঝোঁক দেখা যায়—তাহারা মাথার ভিতর নানাপ্রকার ভাব লইয়া খিচুড়ি পাকাইতেছে, সর্বপ্রকার ভাবের বদ্হজম মাথার ভিতর তাল পাকাইয়া একটা এলোমেলো অসম্বন্ধ গোলমাল সৃষ্টি করে; সেগুলি যে স্থির হইয়া একটা সুনির্দিষ্ট আকার ধারণ করিবে, তাহারও সুযোগ পায় না। অনেক ক্ষেত্রে এইরূপ নানবিধ ভাবগ্রহণ একপ্রকার রোগ হইয়া দাঁড়ায়—কিন্তু ইহাকে আদৌ ধর্ম বলিতে পারা যায় না।"

    "ভারতবর্ষে লোকে আমায় সাধারণের মধ্যে অদ্বৈত বেদান্ত শিক্ষা না দেওয়ার জন্য বলে, কিন্তু আমি বলি যে একটি শিশুকেও এই জিনিসটা বুঝিয়ে দিতে পারি। উচ্চ আধ্যাত্মিক সত্যগুলির শিক্ষা একেবারে প্রথম হইতেই দেওয়া উচিত।"

    "যত কম পড়বে,তত মঙ্গল। গীতা এবং বেদান্তের উপর যে-সব ভাল ভাল গ্রন্থ রয়েছে, সেগুলি পড়। কেবল এইগুলি হলেই চলবে। বর্তমান শিক্ষাপদ্ধতি সবটাই ভুলে ভরা। চিন্তা করতে শেখবার আগেই মনটা নানা বিষয়ের সংবাদে পূর্ণ হয়ে উঠে। মনকে কেমন ক'রে সংযত করতে হয়, সেই শিক্ষাই প্রথম দেওয়া উচিত।"
  • দীপ | ২১ জুলাই ২০১৩ ১১:০৩513405
  • "তোমরা বলিতে পারো, ঐ মন্দিরে কোন্ দেবতার পূজা হইবে—এই বিষয় লইয়া বিভিন্ন সম্প্রদায় বিবাদ করিতে পারে। এরূপ হইবার কিছুমাত্র আশঙ্কা নাই। আমরা যে মন্দির প্রতিষ্ঠা করিবার কথা বলিতেছি, উহা অসাম্প্রদায়িক হইবে, ইহাতে সকল সম্প্রদায়ের শ্রেষ্ঠ উপাস্য ওঙ্কারেরই কেবল উপাসনা হইবে। যদি কোন সম্প্রদায়ের ওঙ্কারোপাসনায় আপত্তি থাকে, তবে তাহার নিজেকে হিন্দু বলিবার কোন অধিকার নাই। যে কোন সম্প্রদায়ভুক্ত হউক না কেন, সকলেই নিজ নিজ সম্প্রদায়গত ভাব অনুসারে ঐ ওঙ্কারের ব্যাখ্যা করিতে পারে, তাহা কিন্তু সর্বসাধারণের উপযোগী একটি মন্দিরের প্রয়োজন।"

    "সকল সম্প্রদায়ের শ্রেষ্ঠ উপাস্য"? "অসাম্প্রদায়িক" অথচ "নিজেকে হিন্দু বলিবার অধিকার" - সবার গসাগুর উদাহরণ।
  • দীপ | ২১ জুলাই ২০১৩ ১২:১৯513407
  • "কিন্তু সার্বিকভাবে আমরা কি সেদিকে এগোইনি" - তার কৃতিত্ব পাবেন রামমোহন-বিদ্যাসাগর-ডেভিড হেয়ার-ডিরোজিও-ইয়ং বেঙ্গল এমনকি ঠাকুর পরিবারও। বিবেকানন্দ নন। 'বনাম'-ধর্মী আলোচনা সত্যিই কোনও কাজের নয়, কিন্তু যেহেতু বিদ্যাসাগর সেই সময় অন্যরকম একটা বিরুদ্ধধর্মী চিন্তা নিয়ে এগোচ্ছিলেন, এবং দুজনে দুজনের প্রত্যক্ষ বিরোধ করেছেন, তাই এই বনাম-টা এসেই যাবে। ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪ তে বরানগর রামকৃষ্ণ মিশনের বার্ষিক উৎসবে মহিলাদের নাটক করতে দেওয়া হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, বেলুড় মঠের ঐতিহ্য মেনেই এই ব্যবস্থা। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের কোনও অনুষ্ঠানে মহিলারা সক্রিয় ভাগ নিতে পারেন না। ১৮৯৭ সালে বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এই নিয়ম। ২০১৩ তে এই নিয়ম বলবৎ আছে কিনা কেউ জানলে বলবেন।

    "বিবুদা জানতেন পথ দীর্ঘ এবং বন্ধুর, ধীর কিন্তু দৃঢ়ভাবে কাজ ক'রে যাওয়াই কর্তব্য" - slow but steady? ঈশপের গল্পে কচ্ছপ জিতেছিল খরগোশ ঘুমিয়ে পড়েছিল বলে। বাস্তবজীবনে ওই অ্যাসাম্পশনটা ধরে নেবেন না। শুধু শিক্ষিত করেই যদি সমাজের কুপ্রথাগুলো বন্ধ করা যেত তাহলে তো আর এত আইন-আন্দোলন-বিক্ষোভ-বিপ্লব এসবের দরকার পড়ত না। কোনও আন্দোলন না করে শুধু 'প্রকৃত শিক্ষা' দিয়ে বন্ধ হয়ে গেছে এরকম একটা সামাজিক ব্যাধির উদাহরণ দেবেন পিলিজ?

    "অনেক কম রক্তপাতে ধর্ম বিস্তার করা যায়" - যেমন ৪০০ বছর ধরে চলা ক্রুসেড থেকে শুরু করে ২০০২-এর গোধরা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন