এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আফজল গুরুর মৃত্যুদন্ড..

    b
    অন্যান্য | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ | ৬৮০২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দ্রি | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০১:৩১584146
  • এইসবের ভিত্তিতে সুপ্রীম কোর্টের কনক্লুশানঃ

    The circumstances detailed above clearly establish that the appellant
    Afzal was associated with the deceased terrorists in almost every act done by
    them in order to achieve the objective of attacking the Parliament House. He
    established close contacts with the deceased terrorists, more especially,
    Mohammed. Short of participating in the actual attack, he did everything to set
    in motion the diabolic mission. As is the case with most of the conspiracies,
    there is and could be no direct evidence of the agreement amounting to
    criminal conspiracy. However, the circumstances cumulatively considered and
    weighed, would unerringly point to the collaboration of the accused Afzal with
    the slain 'Fidayeen' terrorists. The circumstances, if considered together, as it
    ought to be, establish beyond reasonable doubt that Afzal was a party to the
    conspiracy and had played an active part in various acts done in furtherance of
    the conspiracy.
  • দ্রি | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০১:৩৩584147
  • রঞ্জনদা, কল ডিটেল্‌স নিয়ে পুলিশের বদমাইসির ব্যাপারে নন্দিতাদের বক্তব্যটা একটু লিখুন তো।
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০২:১৯584148
  • দ্রি,
    আপনি এই জন্যেই নন্দিতা হাকসার ( ইন্দিরার প্রাক্তন সেক্রেটারি পি এন হাকসারের মেয়ে) এবং কামিনী জয়সওয়ালের দের সুপ্রীম কোর্টের রায়ের একেকটা পয়েন্ট ধরে ডকুমেন্টেড বক্তব্য গুলো পড়ুন। সুপ্রীম কোর্ট ভগবান নয়। রায়ে আছে অর্ধসত্য, এবং টেকনিক্যাল সফিস্ট্রি।।

    মূল জায়গাটা, অর্থাৎ আফজল মৃত ব্যক্তিদের চিনত, সনাক্ত করেছিল, এবং গোটা ষড়যন্ত্রের গল্পটা খুলে বলেছি--- এটাই তো বানানো গল্প।
    তার মানে?
    ওই যে পাঁচজন হামলাকারী মারা গেল, তারা কারা? কোত্থেকে এসেছিল? পাকিস্তানের কোন গাঁয়ের থেকে? কোথায় ট্রেনিং নিয়েছিল? তাদের পরিবার কারা? আত্মীয়স্বজন?
    এ'ব্যাপারে কেউ জানে না। অর্থাৎ কাসভের ব্যাপারে যেমন জানে।
    অর্থাৎ যে গল্পটা বানিয়ে আফজলকে দিয়ে সাইন করানো হয়েছে সেটাই একমাত্র কথিত পরিচয়। আর এটাই আফজল অস্বীকার করেছে।
    এই জন্যেই নির্মলাংশু প্রশ্নটা তুলেছেন--who were the attackers? বিবি শুনছেন কি? epw নিজেরা সব ডকুমেন্ট দেখে তবেই লেখা ছাপে। ওই ছোট আর্টিকল ছাপার আগে ওদের সম্পাদকমন্ডলী পুরো ডকুমেন্ট এবং অন্যান্য সুপ্রীম কোর্ট ল'ইয়ারদের বক্তব্য দেখে তবে ছেপেছেন। আদৌ প্রশ্নটা irrevalent নয়। ওতেই পুরো মামলাটার সার লুকিয়ে আছে।
    এইখানেই প্রশ্ন-- প্রচুর সময় সুযোগ থাকা সত্ত্বেও এবং সি আর পি সিতে বেসিক নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন পুলিশ আফজলের কথিত ডেড বডি আইডেন্টিফিকেশন নিয়ে স্টেটমেন্ট জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সাইন করালো না?

    সুপ্রীম কোর্ট পাতার পর পাতা লিখে এই আপত্তি মেনে নিয়ে আফজলের কথিত কনফেশন বাতিল করেছেন, এভিডেন্স হিসেবে মানেন নি। অথচ তার প্রথমাংশ, ডেডবডি আইডেন্টিফাই করা নিয়ে ওদের মর্গে যাওয়া যে পুলিশের নির্দেশে হয়েছিল এবং পুলিশের তৈরি বয়ান বলানো হয়েছিল সেটা না মেনে পুলিশের বক্তব্যকে সঠিক মেনেছেন।
    কারণ, টেকনিক্যাল। এই আপত্তি ট্রায়াল স্তরে ওদের অ্যাডভোকেট তোলেনি কেন?
    তোলেনি কারণ ওদের অ্যাডভোকেট আগে ওরা লাগায় নি। সরকার যাকে লাগিয়েছিল সে, নীরজ বাজাজ, একদিনও আফজলের সঙ্গে কনসাল্ট করেনি। উল্টে ওদের গাল দিয়েছে, এবং লোয়ার কোর্টের ট্রায়ালে এই নিয়ে কোন আপত্তি না তুলে পুলিশের ওই ডকুমেন্টগুলো অ্যাজ এভিডেন্স বাই ডিফল্ট অ্যাডমিট করতে দিয়েছে।
    তারপরে ওরা বুঝতে পেরে কোর্টে নালিশ করে উকিল বদলালে সে আপত্তি তুললো কিন্তু সুপ্রীম কোর্ট বলল আগে যখন আপত্তি করা হয় নি, অ্যাডমিট হয়ে গেছে এখন আর কিছু করা যাবে না।
    [ এই পয়েন্টটা আমি হাড়ে হাড়ে বুঝতে পেরেছি। কারণ এমনিভাবে উকিলকে বিশ্বাস করে আমি কনজিউমার কোর্টে স্টেট লেভেলে গত বছর হেরে গেছি। আমার সলিড কেস ছিল। একই সেট অফ ডকুমেন্টে আমি ক্রিমিনাল কেসে স্কোর করে চার্জ ফ্রেম করালাম। কিন্তু কনজিউমার কোর্টে উকিল প্রোমোটারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ওর দেয়া জাল ম্যাপ অ্যাডমিট করানোয় কোন আপত্তি করল না। রি-জয়েন্ডার আমি ড্রাফট করে দিয়ে এলাম।
    ও জমা না দিয়ে মিথ্যে কথা বলল। আমি নিশ্চিন্ত ছিলাম। রায় বেরুলে কোর্ট এটাই বলল যে পিটিশনারের উকিল অবজেক্ট করে নি, কোন কাউন্টার আর্গু করে নি।।
    একই গ্রাউন্ডে আমার আপীল দিল্লির ন্যাশনাল কোর্টে খারিজ হয়ে গেল, জালিয়াতির ডকুমেন্টেড প্রমাণ দেয়া সত্ত্বেও।]
    এটাই রায়ে উল্লিখিত PW 76 এর বয়ান ও Exhibit PW 76/1 মেমো unchallenged থাকার রহস্য।

    এটাই দ্রি যা কোট করেছেন, অর্থাৎ, চারজন অভিযুক্তের পক্ষ থেকে ওই ডকুমেন্ট নিয়ে কোন আপত্তি তোলা হয় নি।
    এইজন্যেই পাকিস্তান সংসদ হামলার দায় নিচ্ছে না। কারণ, ওই পাঁচজন নিহত হামলাকারীর নাম-পরিচয়-জাত-ধর্ম-পরিবার-নিবাস নিয়ে আফজলের সাইন করা গল্প বা পুলিশের সাথে গিয়ে মর্গে আইডেন্টিফাই করা ছাড়া ভারতীয় পুলিশের কাছে কোন কিছু নেই। এটা পুরোপুরি সারকামস্ট্যান্শিয়াল এভিডেন্স।
    আর আফজল লস্কর-ই-তৈবার সদস্য নয় এটা সুপ্রীম কোর্ট তার রায়ে বলেছে। এই আরোপ খারিজ করে দিয়েছে।
    তর্কের খাতিরে যদি মেনেও নেই যে আফজল ওদের চিনত তাহলেও ষড়যন্ত্র কোথায় প্রমাণ হয়েছে? হামলার ষড়যন্ত্র?
    কয়েক বছর আগে শহর কোলকাতায় একটি ঘটনা ঘটেছিল যেটা নিয়ে সম্ভবতঃ সুচিত্রা ভটাচার্য্য পূজো সংখ্যায় একটা উপন্যাস লিখেছিলেন। যাতে এক অধ্যাপকের সঙ্গে রাস্তায় এক পুরনো বন্ধুর দেখা হয়, মোবাইল নম্বরের বিনিময় হয়। কিন্তু ওই বন্ধুটি ছিলেন মাওবাদী নেতা। পুলিশ ওকে ধরলে বা মেরে ফেললে ওর কল লিস্ট দেখে অধ্যাপককে মাওবাদী সন্দেহে জেলে পোরে।

    এই জন্যেই নির্মলাংশুর প্রশ্ন রেলিভ্যান্ট।
    যদি ষড়যন্ত্রের গল্পটা সত্যি হয়, তাহলে রাশ্ট্রদোহের কারণে একজনেরও ছাড়া পাওয়া উচিত নয়।
    যদি বানানো হয়?
    এইবার নির্মলাংশুর তিনটে প্রশ্ন দেখুন।
    বিবি নিজেই মানছেন যে প্রথম দুটো প্রশ্ন আপাতঃ ইন্টাররিলেটেড। কারগিল দিয়ে এনডিএ পাকিস্তান কে কড়াবার্তা দিতে চেয়েছিল।
    আমরা বলব কান্দাহার এয়ারপোর্টে সন্ত্রাসবাদীদের ডিমান্ড মেনে নেয়ায় বিজেপি সরকারের প্রতি নিজেদের সমর্থকেরই আস্থায় ফাটল ধরেছিল। তারপর সংসদ হামলায় এনডিএ সরকারের রক্ষা ব্যব্স্থা নিয়ে পাবলিকের মনে তুমূল ক্ষোভ। কারগিল যুদ্ধে এনডিএ ব্যাপক স্কোর করল, সম্ম্মান ফিরে পেল।
    এইখানেই নির্মলাংশুর প্রথম দুটো প্রশ্ন। ভারত সরকার বলুন -- কারা ওই পাঁচজন হামলাকারী? ওদের নাম ধাম গোত্র পরিবার? যেমন কাসভের বেলায় আমরা জানি।
    আসলে ভারত সরকারের কাছে এর কোন উত্তর নেই। আফজলের খারিজ হওয়া বয়ান ছাড়া।
    তাহলে কারগিল যুদ্ধও জনগণের দেশপ্রেমের আবেগ নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে জুয়োখেলা ছাড়া কিছুই নয়।
    তৃতীয় প্রশ্ন যে আত্মসমর্পনকারী জঙ্গীদের ব্যাপারে সরকারের নীতি কী এই জন্যেই রেলিভ্যান্ট যে আফজল ও এক দশকের বেশি আগে থেকেই একজন আত্মসমর্পনকারী জঙ্গী। ও সারেন্ডারড ভূতপূর্ব বিদ্রোহী নাগাদের মত সরকারকে সহায়তা করছিল। পুলিশ প্রটেকশনে থাকত, কারন জঙ্গীরা ওকে মারতে পারত। এই ব্যাপারে পুলিশের একাংশ ওকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেল করত প্রটেকশন তুলে নেবার ভয় দেখিয়ে। আস্তে আস্তে সামান্য জমি, বৌয়ের গয়না ইত্যাদি সব বেচে ছিল খাঁই মেটাতে। এ ব্যাপারে নির্মলাংশুর সঙ্গে কথা বলে যা জানি তার খানিকটা আজকের আনন্দবাজারের ভেতরে সম্ভবতঃ চতুর্থ পাতায় ওপরের দিকে বেরিয়েছে।
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৪:০৬584149
  • দ্রি,
    একদিন সময় দিন। বইটা খুঁজে কাল রাতে লিখব। কললিস্ট, বাড়িভাড়া, মর্গে যাওয়া, সাক্ষী সবগুলো ব্যাপারেই আমার কথা না বলে আইনবিদদের কথা লিখে দেব।
    আপনি কাইন্ডলি আপনার ১-২৬ এর পোস্টে পিডব্লিউ ৭৩,৭৬ এবং কম্পিউটারের সিস্টেম ফাইল রি-রাইট ইত্যাদির ইস্যুটা খোলসা করবেন? আমি অদীক্ষিত, ভাল বুঝিনি।
    একটা কথা বলি। যে ধরণের সারকামস্ট্যান্সিয়াল এভিডেন্সের ভিত্তিতে আফজলের ফাঁসির আদেশ হয়েছে প্রায় সেই ধরণের এভিডেন্সের ভিত্তিতে ছত্তিশগড় হাইকোর্ট বিনায়ক সেনকে রাষ্ট্রদ্রোহের আসামী রায় দিয়ে আজীবন কারাবাসের সাজা দিয়েছে। রায়টা নেটে পাওয়া যাবে।

    এখানে ভাবুন তো, ছত্তিশগড় হাইকোর্টের ওইকেসে বায়াসড্‌ হওয়ার মোটিভ কী?
    যদি সেটা বুঝতে পারেন তাহলে সুপ্রীম কোর্টের মোটিভ, কম্পালসন সব বুঝতে পারবেন।
    বঙ্গবন্ধুরা,
    নীচের ঘটনাগুলোও তো সত্যি। ৩৬গড়ে মাওবাদীদের ফিদাঈনী হামলায় কয়েকশ পুলিশ, কয়েকশ নিরীহ আদিবাসী মরেছে।
    এটাও তো সত্যি যে নারায়ণ সান্যাল মাওবাদী পলিটব্যুরোর ঘোষিত নেতা।
    এটাও তো সত্যি যে বেশ কিছু ডেয়ারিং জেল ব্রেক ও পুলিশ অফিসার হত্যা মামলায় মূল অভিযুক্ত, মাস্টার ব্রেন হিসেবে নারায়ণবাবুকে পুলিশ চার্জশীট দিয়েছে।
    এটাও তো সত্যি যে বিনায়ক সেন জেলে চিকিৎসার বাহানায় ত্রিশবার নারায়ণবাবুর সঙ্গে দেখা করেছেন। অন্য বন্দীদের তো জেলের ডাক্তার দেখে, উনি নয়।
    এটাও তো সত্যি যে নারায়ণবাবুর ওনাকে লেখা চিঠি যাতে মাওবাদী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা আছে, পাওয়া গিয়েছে।
    এটাও সত্যি যে বিনায়কের কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে এবং সিডিতে মাওবাদীদের পক্ষে ছবি ও লেখা পাওয়া গিয়েছে।
    এটাও সত্যি যে পুলিশের কাছে পীযুষ গুহের স্বীকারোক্তি আছে যে বিনায়ক ওকে নারায়ণের চিঠি মাওবাদী শীর্ষ নেতাদের কাছে পৌঁছনোর জন্যে ব্যবহার করেছেন।
    এটাও সত্যি যে মাওবাদী দল লিখিত ভাবে ভারত সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধঘোষণা করেছে। তারা বর্তমান সংবিধানকে মানে না, রাষ্ট্রব্যবস্থা ধ্বংস করতে চায়।

    তাহলে হাইকোর্ট বিনায়ককে আর কি সাজা দিতে পারত?
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৪:১৫584150
  • দ্রি,
    আদালতের বায়াস নিয়ে একটা কথা বলছিঃ
    আপনার ১২-৫০ এর পোস্ট দেখুন, যেখানে পুলিশ ইন্স্পেক্টরের পি ডব্লু-৭৬ এর আইডেন্টিফিকেশন নিয়ে সাক্ষী দেয়া ও আইডেন্টিফিকেশন মেমো পি ডব্ল্যু-৭৬/১ নিয়ে কথা আছে।
    রায় বলছে যে আফজল ধারা ৩১৩র অধীন বক্তব্য রাখতে গিয়ে merely বলেছে যে ওকে জোর করে ওই আইডেন্টিফিকেশন করানো হয়েছে। ও তো মেমোর সত্যতা নিয়ে কিছু বলেনি!!
    এটা কি বায়াসড্‌ লিগ্যাল সফিস্ট্রি নয়। লিগ্যালি ট্রেইন্ড্‌ মাইন্ড ছাড়া যেকোন যদু-মধু এমনকি আমিও ধরে নেব পুরো আইডেন্টিফিকেশনটাই জোর করে করানো বলার পর আর আলাদা করে মেমো নিয়ে কিছু বলার দরকার নেই।
  • ranjan roy | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৪:২৪584151
  • বিবি,
    তোগড়িয়া ও দারা সিং আদৌ বলে নি যে ওরা ওই কাজ গুলোর বিরুদ্ধে। বরং ওগুলোকে জনতার ন্যায়সংগত ক্রোধের প্রকাশ বলেছে।
    আফজলের পক্ষে এই জন্যে বলা হচ্ছে না যে ও মুসলিম, এই জন্যেও নয় যে আমরা জঙ্গী হামলাকে ন্যায়োচিত মনে করি।
    বলা হচ্ছে এই জন্যে যে দেখা যাচ্ছে একজন নির্দোষকে বলির পাঁঠা করা হয়েছে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্যে।
    দারা সিংয়ের কী সাজা হয়েছে? প্রাণদন্ড নয় নিশ্চয়ই। একজন প্রৌঢ় পাদরি ও তার দুই বাচ্চাকে বন্ধ গাড়িতে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা কি rarest of the rare এর শ্রেণীতে পড়বে না?
    খাদিম অপহরন বা মার্কিন কনসুলেটে হামলার আসামীর জন্যে তো কিছু বলা হয় নি?
    কাসভের জন্যে তো বলা হয় নি?
  • bb | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৫:৪৭584154
  • এই তো ফাইনালি ঝুলি থেকে বেড়াল বেরল? সিপিএম কে না আনতে পারলে এদের উদ্দেশ্য সাধন হয় না।
  • quark | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৬:০৫584156
  • শুক্রবার চিঠি পাঠিয়ে শনিবার সকাল সকাল ঝুলিয়ে দিয়েছে। ইদিকে সেই চিঠি শনিবার সন্ধ্যেবেলা পোস্ট আপিসে পৌঁছেছে। তারপর রোববারের ছুটি কাটিয়ে সোমবার সকালে গিয়ে খবর দিয়েছে।

    Height of communication
  • দ্রি | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২০:৫১584158
  • সিস্টেম ফাইল রিরাইটের ব্যাপারটা এইরকম। উকিল বলছেন, কম্পিউটার পাওয়ার অন করলে, কিছু সিস্টেম ফাইল নিজে নিজেই তৈরী/আপডেটেড হয়। এই কারণে মোট তিনটি ফাইলের অ্যাকসেস টাইম/রাইট টাইম ল্যাপটপ সীজ করার পরে ছিল। পরের পয়েন্ট ছিল, একটা ফাইল অ্যাকসেস না করে কি রাইট করা যেতে পারে? মাননীয় উকিল জানিয়েছেন, যদিও এমনিতে এটা হয় না (অর্থাৎ আমি একটা ফাইল রাইট করার চেষ্টা করলে প্রথমে সেটা অ্যাকসেস হবে), কিন্তু ওমনিতে হবে (অর্থাৎ যেসব ফাইল সেল্‌ফ জেনারেটিং কিংবা সেল্‌ফ রিটেন সেগুলোতে এই রেস্ট্রিকশান নেই)। আদালত এই কথা মেনে নিয়েছে।
  • দ্রি | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:০২584159
  • ওপরে হিন্দুর আর্টিক্‌লে অরুন্ধতি রায়ের লেখায় আছেঃ

    "A witness for the prosecution, Kamal Kishore, identified Afzal and told the court he had sold him the crucial SIM card that connected all the accused in the case to each other on the 4th of December 2001. But the prosecution’s own call records showed that the SIM was actually operational from November 6th 2001. "

    এ ব্যাপারে সুপ্রীম কোর্টের রায়ে আমরা পাচ্ছিঃ

    PW49,
    while identifying Afzal and Shaukat in the Court deposed about the sale of the
    phone and one SIM Card to the said persons. The said phone which was sold
    by PW49 to the accused was recovered from the deceased terrorist Rana vide
    Ext.PW2/2. This statement of the witness was assailed on the ground that the
    SIM Card pertaining to the No. 9811489429 was stated to have been sold on
    4.12.2001. However, the call records pertaining to this number show that the
    phone was active since 6.11.2001. The High Court refuted this criticism by
    observing thus:
    "The conclusion to which the defence has jumped is, in our
    opinion, based on an assumption that when PW49 said that he sold
    a SIM card to Mohd. Afzal on 4.12.2001, this was the SIM card. In
    his testimony, PW49 did not say that he sold this SIM to Mohd.
    Afzal on 4.12.2001, he only said that he sold one SIM card
    (without identifying it) to Mohd. Afzal on 4.12.2001. It could be
    any card. The witness may have sold the particular card to Mohd.
    Afzal or any other person on 6.12.2001. The witness does not
    stand discredited.
    In the very next sentence, the High Court however observed that in the
    absence of independent corroboration of the testimony of PW49, his evidence
    ought not to be taken into account. Here also, just as in the case of PW44, the
    High Court fell into error in discarding the evidence on an untenable ground. It is to be noted that the handset (Ext.P84) which was used for operating
    9811489429 on the date of incident, was recovered from Afzal at Srinagar. The
    call recordsExt. PW36/3 would reveal that the said number was activated on
    6.11.2001 itself and that even prior to 4th December, the SIM card was held by
    the same person or persons who operated it after 4.12.2001. The SIM card
    should have been necessarily sold to Afzal prior to 4.12.2001.

    দেখা যাচ্ছে, হাই কোর্টের রায়ে এই এভিডেন্সটা কাউন্ট করা হয়নি। বরং সুপ্রীম কোর্টই বলছে সেটা করা উচিত হয়নি। ফাইনাল জাজমেন্টে অবশ্য কোন পরিবর্তন হয়নি।
  • h | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:০৭584160
  • এই রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের সময় থেকে না, অনেক আগে থেকে, ২০০৫ থেকে, মোটামুটি এই কেস ঘাঁটা। প্রসিকিউশন এর বেশির ভাগ 'ক্লিন্চিং' টাইপের যুক্তি ই দাঁড়ায় না। কোর্ট সে সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করছেন আবার মেনেও নিচ্ছেন কেন সেটা পরিষ্কার করছেন না। একটা লোক এর ক্রিমিনাল কনস্পিরেসীর মেন সংগীরা সবাই মরে গেল, আর কিছু দোকান দার, বহু মাস আগে দেখা একটা কাস্টমার কে ফস করে চিনে ফেললো, এ মানে পুরো জটায়ুর গল্প।

    আমার একটা কোচ্চেন ছিলঃ ব্যক্তিগত ভাবে হত্যা না করলে, ফাঁসি নর্মালি হয় না, যে যতই জড়িত থাকুক, তো এক্ষেত্রে হল কেন, উত্তর কি সেই রেয়ারেস্ট অফ রেয়ার কেসেস নাকি আরো লিগাল কিসু আছে?

    আমার আরেকটা কোশ্চেন ছিল, সেটা জাস্ট জানিনা এবং ২০০৫ এর কেস মনে নেই বলে, সেটা হল এই যে প্রসিকিউশনের এতো গ্যাপ, এটা তো হাকসর রা বহুদিন ধরে বলছেন, মানে মামলা র সময় থেকে বলছেন, তো ওঁরা আর কি কি করলে, ওঁদের রিজনিং কোর্ট শুনতো। এরকম তো হয়েই থাকে, ইন্টারেস্টেড পার্টি অ্যাপিল করলে, কোর্ট তার বক্তব্য শুনেই থাকে। বিশেষ করে সংগঠন থেকে করলে, নাকি এটা আমার ভুল ধারণা মাত্র। প্রসিডিওর টা ঠিক কি? রাইট্স গ্রুপ গুলোর ক্ষেত্রে ইনটারভেন করার তাইলে উপায় কি, কেবল ই অপিনিয়ন মেকিং, নাকি কমিশন হলে কিছু বলা, কিন্তু কোর্টে ক্রিমিনাল কেস চলার সময়ে ইন্টারভেন করার রাস্তা টা কি?
  • | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:১১584161
  • হনুর শেষ কোশ্চেনটা আমারও।
  • h | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:২১584162
  • আরেকটা বক্তব্য ছিল, সেটা কেস না, সেটা অরুনাংশু বাবুর ব্লগ এন্ট্রি টা নিয়ে, জানতে চাই বলে লিখছি, কেউ খেয়াল করেছে কিনা, সেটা হল, উনি লিখছেন যে হাকসর বলছেন স্পষ্ট করে, গিলানির বিরুদ্ধে কেস দাঁড়াচ্ছে না, কিন্তু একই রকম কনফিডেন্ট বক্তব্য গুরু র ক্ষেত্রে আসছে দেরী তে, এটা র মানে কি ধরে নেব, প্রসিকিউশন এর বক্তব্য অ্যানালিসিস করতে রাইট্স গ্রুপ গুলো র সময় লাগছে, না কি প্রসিকিউশন এর সময় কোর্টের কাগজ পাবলিক দেখতে পায় না, আরকাইভাল হলে তার পরে পায়, কেস টা কি?
  • a x | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:৩৫584163
  • বোধি, এক্স্যাক্টলি এই প্রশ্নটা আমরাও কয়েকজন আলোচনা করছিলাম। কলিন গন্জালভেস, প্রফুল বিদওয়াই, এদের সবাই প্রচুর প্রচুর চিটি চাপাটি, লেখালেখি, পিটিশন, ইত্যাদি করেছে। কিন্তু সামহাউ গিলানির ক্ষেত্রে যেভাবে মবিলাইজ করা গেছিল, সেইভাবে আফজলের ক্ষেত্রে হয়নি। এখানে গিলানির স্ট্যাটাস একটা রোল প্লে করতে পারে। তুই কি নির্মালাংশু মীন করলি, অরুনাংশু বলে? মানে এই জায়গাটা?

    "A small group, collated by Nandita Haksar, was formed under the chairmanship of Rajni Kothari. Soon there was an attempt to form another committee of Delhi University teachers directly in support of SAR Geelani. In the first informal meeting, just about a dozen people showed up, all known radical faces in the university mostly associated with PUDR. In her briefing, Haksar pointed out clearly that the police had no case against Geelani. Even then there was hushed silence initially when she proposed a signed poster to start off the campaign. The campaign did take off eventually and Geelani was acquitted. Most people did not want to extend the struggle anymore to fight for Afzal and Shaukat. So a very different and difficult campaign had to be organised largely afresh.
  • h | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:৫৩584164
  • হ্যাঁ আমি ভদ্রলোকের নাম টা ভুল বলেছি। তুই যা বলছিশ আমিও তাই বলছি।
  • aranya | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:৫৬584165
  • আমার একটা ডাম্ব কোস্চেন - সুপ্রীম কোর্টে রায় বেরোনোর পর রাষ্ট্রপতির ক্ষমা ছাড়া আর তো কিছু করার নেই মানে কোর্টে আবার আপিল নিশ্চই করা যায় না। নাকি কোনভাবে কেস রিওপেন করা যেতে পারে?
  • h | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:৫৯584167
  • আমার একটা পার্ট ই খটকা লেগেছে, এই ভদ্রলোকের কাফিলার পোস্ট এর, সেটা হল, এখন প্রতিবাদ করার অনেক লোক পাওয়া যাচ্ছে এই প্রাপ্তির খুশি প্রকাশ করার জন্য আজকের দিনটা হয়তো যথাযথ ছিল না, সিভিল অ্যাক্টিভিজম খুব একলা জিনিশ, এ মানে শুধু সিভিল ফোরাম না, এন জি ও না, এ জমায়েতের ভীড় দেখে বোঝা যায় না, যে কোনো পার্টির সিরিয়াস ওয়ার্কার এর জীবন সুখের না (খুনি/গুন্ডা/তোলাবাজ দের বাদ দিয়ে বলছি), কিন্তু আজকের দিন টায় বেশি সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে বলার পক্ষে উপযুক্ত ছিল না। বাকি বক্তব্যে আমি সিম্প্যাথেটিক।
  • a x | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:০১584168
  • রাইট। ওভার অপটিমিস্টিকও লেগেছে।
  • h | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:৩৫584169
  • যা সালা, খচে গিয়ে গার্ডিয়ান আর হিন্দু কে একই লেখা দিয়ে দিয়েছে, এটা কি সিপিএম এর 'সমর্থক' এন রাম এর উপরে হালকা রাগ প্রকাশ, নাকি এটাই সিন্ডিকেশন অ্যারেন্যমেন্ট, আশাকরি আউটলুকে আরেকটু অন্য কনটেন্ট থাকবে ;-)

    http://www.guardian.co.uk/commentisfree/2013/feb/10/hanging-afzal-guru-india-democracy
  • SC | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০০:৩৪584170
  • যে যে পয়সা দিয়েছে, তাদের তাদেরই লেখা বেচেছে।
  • ranjan roy | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০১:২৩584171
  • হনু-অক্ষদা ও অয়ন,
    আমি কালকেই এই কথাটা লিখেছিলাম-- যে mere circumstancial evidence ও কোর্টে ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোডে নন অ্যাকসেপ্টেবল এভিডেন্সের ভিত্তিতে কি করে কাউকে ফাঁসিতে ঝোলানো যেতে পারে? যেখানে আফজলের ওপর গুলি চালানো, অস্ত্র সরবরাহ করা বা হামলার ক্ষেত্রে উপস্থিত থাকার অ্যালিগেশন নেই?
    কাউকে মোবাইল কিনে দেয়া, রাত্রে ঘরে থাকতে দেয়া, ফোন করা প্রাপক ব্যক্তিকে টেররিস্ট বা ক্রিমিনাল না জেনেও হতে পারে।
    তাহলে কেন সুপ্রীম কোর্ট এই সিদ্ধান্ত নিল? এই প্রশ্ন অয়নের মত অনেকের।
    আমি কোন রিস্কি কমেন্ট করার বদলে এই নিয়ে আজকের 'এবেলা' থেকে সুপ্রীম কোর্টের জাজের বক্তব্য তুলে দিচ্ছিঃ
    পৃষ্ঠা ২৩ঃ
    হেডিং হলঃ
    " কী অপরাধে মৃত্যুদন্ড, ঠিক করে সমাজের মনোভাবও--- মত সুপ্রীম কোর্টের।
    "সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি কে এস রাধাকৃষ্ণানের ডিভিশন বেঞ্চ নিম্ন আদালতের দেয়া একটি মৃত্যুদন্ডের রায় পরিবর্তন করে মন্তব্য করেছে যে কোনও অপরাধীকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া যাবে কি না, তা শুধু বিচারপতির সিদ্ধান্তের ওপরেই নির্ভর করে না, 'সমাজের সম্মতি' বা' সমাজের মনোভাবের' ওপরও নির্ভরশীল।দেশের শীর্ষ আদালত এই মন্তব্য করে জানিয়েছে, বিরলতম(রেয়ার অফ দ্য রেয়ারেস্ট) অপরাধ নির্ধারণে সমাজের সম্মতির বড় ভূমিকা রয়েছে। শুধু অপরাধের গুরুত্ব যাচাই করেই মৃত্যুদন্ড দেওয়া যায় না।
    "তা হলে কখন একজন অপরাধীকে মৃত্যুদন্ড দেয় আদালত? সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, আদালত মৃত্যুদন্ড নির্ধারণ করে পরিস্থিতির চাহিদা অনুসারে, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মেনে এবং জনগণের ইচ্ছা উপলব্দ্ধি করে। ওই সিদ্ধান্ত শুধু বিচারক-কেন্দ্রিক নয়।''

    এবার নিজের কথা বলিঃ
    সুপ্রিম কোর্ট আফজলের আপিলের যেদিন রায় দেবে তার আগের দিন রাত্রে আমি গিলানীর কলিগ অধ্যাপক নির্মলাংশুর গোটা বই ও দস্তাবেজ খুঁটিয়ে পড়ে কনভিনসড যে গিলানির মত বাকিরাও মুক্তি পাবে। এ কেস তো দাঁড়ায় না!
    সকাল এগারটায় আমি আমার অফিস থেকে কাউকে কোলকাতায় ফোন করলাম। সে বলল, দূর! ওর ফাঁসির আদেশ বহাল থাকবে। কারণ বলল যে গিলানি বেকসুর রায় দেয়ায় ভারত সরকারের হোম ডিপার্টমেন্টের মুখ পুড়েছে। পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে অসুবিধা হচ্ছে। হামলাকারীদের অজ্ঞাতপরিচয় বললে পাকিস্তানকে চার্জ করবে কি করে? কারগিলকে জাস্টিফাই করবে কি করে? বিজেপি-শিবসেনা ভীষণ হল্লা মচিয়েছে। অধিকাংশ নাগরিকের আহত স্পিরিট এমন যে জাস্টিস নারবেকর ( সম্ভবতঃ ওই মাসেই রিটায়র হচ্ছিলেন) ও সাথী উত্তেজিত জনতার হাতে লিঞ্চ হয়ে যেতে পারেন। স্কেপগোট চাই। জাজেরাও মানুষ, সেফ খেলবেন।
    একঘন্টা পরে প্রত্যাশিত রায় বেরল।
  • ranjan roy | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০১:৪১584172
  • ধন্যবাদ দ্রি! কম্প্যুতে ফাইল রি-রাইট ও ডেট এর তাৎপর্য্য নিয়ে দুপক্ষের আর্গুমেন্টের টেনেট বুঝলাম। কিন্তু আমি তো কম্প্যু তে ইগনোর‌্যান্ট, তাই বলছি টেকনিক্যালি কার বক্তব্য করেক্ট বা অন্ততঃ বেশি প্রোব্যাবল্‌ ?
  • aranya | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:২৮584173
  • 'মন্ত্রকের এক সূত্র বলছে, “আগে চিঠি পৌঁছলে ফাঁসির খবর ফাঁস হয়ে যেত। তাই ইচ্ছাকৃত ভাবেই গোপনীয়তা বজায় রাখা হয়েছে। আফজলের পরিবার ফের সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানালে ফাঁসি আটকে যেতে পারত। তাই ইচ্ছাকৃত ভাবে এই কৌশল করা হয়েছে, যাতে দু’কুলই রক্ষা পায়।” ' - আজকের আবাপ থেকে।
    তার মানে আবার সুপ্রিম কোর্টে আপিল করার একটা প্রভিশন ছিল, সরকার কৌশলে সেটা করতে দেয় নি। রাষ্ট্রপতি যে প্রাণভিক্ষার আর্জি নাকচ করেছেন সেটাও আফজলের পরিবারকে জানানো ই হয় নি।
    জঘন্য :-((
  • দ্রি | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:৩৫584174
  • উকিল যা বলছে সেটা কারেক্ট হওয়ার প্রব্যাবিলিটি হাই। কম্পিউটারের ডেটা রিকাভারি নিয়ে যাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা আছে তারা সঠিক বলতে পারবেন।

    আপনি কিন্তু নন্দিতাদের আর্গুমেন্টগুলো লিখতে ভুলবেন না।
  • aranya | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৬:৪১584175
  • পার্লামেন্ট আক্রমণের সাথে আফজলের ঠিক কি কি কানেক্শন বিয়্ণ্ড ডাউট প্রুভড হয়েছে ? এইটা কেউ যদি একটু সংক্ষেপে লিখে দেন ..

    কারাট-কে লেখা কাফিলায় প্রকাশিত চিঠি-টায় দেখলাম '..murder of an innocent man..' -এই বাক্যবন্ধটা রয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে ওপরের প্রশ্ন - কিছু প্রমাণিত 'দোষ' কি ওনার ছিল নাকি একেবারেই নির্দোষ ?

    মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার মত কোন অপরাধ যে প্রমাণ করা যায় নি, সেটা তো পরিস্কার। কিন্তু আদৌ কোন অপরাধ কি প্রমাণিত হয়েছিল যার জন্য কারাদণ্ড হতে পারে নাকি গিলানির মত এঁরও বেকসুর খালাস পাওয়া উচিত ছিল?
  • aranya | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৭:৩২584176
  • 'It looked as if years of resistance to the machinations of the state—from the attack to the court judgments—were once again lost under the glare of propaganda. The right-wing was in total command.' - এটা ফাঁসীর পর, কাফিলায় নির্মলাংশুর লেখা থেকে।

    'machinations of the state—from the attack' - এর মানে কি - পার্লামেন্ট অ্যাটাকের পেছনেও ভারত সরকারের কোন ভূমিকা আছে?
  • ranjan roy | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ০৯:৩৩584178
  • অরণ্য,
    আমি অতি সাধারণ স্তরের আইনের ছাত্র।
    যদ্দূর জানি, ক্রিমিনাল জুরিসপ্রুডেন্সের স্বীকৃত ক্যাননগুলোর প্রথম ও প্রধান হল --- একশ' অপরাধী খালাস পায় তো পাক, কিন্তু একটিও নিরপরাধ যেন দন্ডিত না হয়।
    তেমনি ন্যাচারাল জাস্টিসের প্রাথমিক নীতি হল অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের পূর্ণ সুযোগ দিতে হবে। আর হল পারদর্শিতা---Justice must not only be done but also be seen to be done।
    এখন, জানাই-- হ্যাঁ, রাষ্ট্রপতি প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ করলেও ফের সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করা যায়, রাষ্ট্রপতির খারিজের সিদ্ধান্তের যুক্তি-পরম্পরার রিভিউ করতে। ধনঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে হয়েছিল। ওনার আত্মীয়-পরিজনেরা করেছিলেন।
    এই গোপনীয়তার উদ্দেশ্য স্পষ্টতঃ আফজলের আত্মীয়দের সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা। এই অর্থেই নির্মলাংশুর বক্তব্যের শেষ দুটো লাইন।
    আবার দেখুন,১৯৯৩ এ দিল্লি বিস্ফোরণ কান্ডে মৃত্যুদন্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত দেবেন্দর সিং ভুল্লারের আপিল ২৫মে, ২০১১ রাষ্ট্রপতি খারিজ করে দেয়ার পরও ওনার পরিজন সুপ্রীম কোর্টে তার বিরুদ্ধে আপিল করেছে, কোর্ট অ্যাকসেপ্ট করে হিয়ারিং করছে। লোকটা এখনো বেঁচে আছে।

    এবার বিবি ভাবুন, যদি আমি ওপরের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানকে গোঁড়া হার্ড ইসলামিক রাষ্ট্র ও ভারতকে সফ্ট হিন্দু রাষ্ট্র বলব তো কি খুব ভুল করব?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন