এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • riddhi | ১৪ মে ২০১৩ ১২:৫৩605219
  • তুলসী চক্কোত্তি কেঁদে ফেলেছিলেন ৫০০ টাকাতে নয়, মানিকবাবুর দেয়াতে। মানিকবাবু টাকা দিচ্ছেন, এও হয়? শুনেছি, অপুর সংসার ফংসার সব মিলিয়ে শর্মিলাকে বিয়েতে একটা ছাপা শাড়ী দিয়েছিলেন।
    তবে মানিকাববু বস। এগুলোর সত্যি মিথ্যে জানি না। কিপ্টে হলেও বস।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৪ মে ২০১৩ ১৩:৩৩605220
  • kaju - সত্যজিত রায় যতগুলো ছবি বানিয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছবি 'পরশ পাথর'। একথা শুধু আমি না, আমার পরিচিত, বন্ধুবান্ধব, পরিবারের লোকজন, যাঁরা ফেবু বা গুরুর সঙ্গে পরিচিত নন, তাঁদের মুখপাত্র হিসেবে বললাম। ওঁর একটাই ছবি আমি (এবং আমাদের) খুবই খারাপ লেগেছিল, সেটা 'চিড়িয়াখানা'। মৃণালবাবু গ্রেট ফিল্মমেকার, কিন্তু তাঁর মতামতও গ্রেট হবে এমন কথা কোথাও বলা নেই। আমার ওঁর সঙ্গে একবার এট্টু ইন্টারঅ্যাকশন হবার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। বিশদে লিখবনা, কোনও মানে হবেনা। তবে ফিল্মমেকার মৃণালবাবু আর মানুষ মৃণালবাবুতে বেশ কিছুটা তফাৎ।
  • কৃশানু | ১৪ মে ২০১৩ ১৩:৫১605221
  • 'কবিরে খুঁজ না তার ' ই: প্র:
  • কৃশানু | ১৪ মে ২০১৩ ১৩:৫৫605222
  • ওয়াহিদা রহমান বেশ কিছু টাকা নিয়েছিলেন বোধ হয়। হাজার চল্লিশ নিতেন, ত্রিশ হাজার মতন নিয়েছিলেন যদ্দুর মনে পড়ে। কিন্তু খুবই কো-অপারেট করেছিলেন। বম্বের হিরোইন-সুলভ মানসিকতা একদম দেখাননি।
    কিন্তু কোথায় পড়েছি মনে পড়ছে না।
  • Kaju | ১৪ মে ২০১৩ ১৩:৫৬605223
  • সেইজন্যেই তো ওনার কথাটা দেখে এত বিস্মিত হয়ে কেন আমি বারবার দেখি এখনো, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি নিজের কাছে আর দেখছি আমার দশা আর কার কার। আর যদি কেউ থেকে থাকেন যাঁর প-পা ভাল্লাগেনি, তাঁর যুক্তিই বা কী?

    প-পা আমাদের সফর করায় ৫৮ সালের ডালহৌসি স্কোয়ার, গলিঘুঁজির মধ্যে সন্ধ্যে নামা ঘরে ধুনো দেয়া কেরানী জীবন, বৃষ্টি বিকেলে কার্জন পার্কের এককোণায় বসে ট্রামের ভিড় এড়ানো নিরালা নিদ্রা...। 'আগে একটু হাওয়া খাব, আজকের দিনটা বড় ভালো' বলার মত নিশ্চিন্ত একটুকু মুহূর্ত ধরাছোঁয়ার মধ্যে থেকেও যেন বহুদূরের আজ আমাদের কাছে। পাশাপাশি সোনা সস্তা হয়ে যাওয়ায় মানুষের হাহাকার, মারামারি, আগে কে বা সোনা করিবেক বিক্রয়, তারি লাগি কাড়াকাড়ি...এই জায়গায় যে আশ্চর্য বাস্তবের চাবুক হয়ে ওঠে ক্যামেরা, রুখাশুখা গাল তোবড়ানো পদপিষ্ট শুকনো বুড়োদের পাঁজর ছেনে শেষ সম্বল সোনা বার করে আনা... স্বপ্নস্বর্ণলঙ্কা থেকে স্বস্তিময় ছাপোষা জীবনে ফিরে আবার সেই সহজ সরল 'আগে একটু হাওয়া খাব, আজকের দিনটা বড় ভালো'। এর তুলনা হয়?
  • kallol | ১৪ মে ২০১৩ ১৩:৫৭605224
  • মৃণালবাবু ভালো পরিচালক ছিলেন, যতদিন ওনাকে গোদার ভর করে নি। গোদার ভর করার পর (কোরাস থেকে জেনেসিস) দ্যাখা যায় না। পরে কিছু ভালো সিনেমা বানানোর চেষ্টা করেছিলেন।
    আমাদের কলেজবেলায় খুব ফ্যাসনের সিনেমাওয়ালা ছিলেন, মানে বাম ফ্যাসন আর কি। ওনাকে আমরা সিনেমার চে গোভারা বলে ভাবতাম। ১৯৭৪এ একটা মে দিবসের মিছিলে খুচরো ঝামেলা ও ঋত্বিকের নাগরিক দেখার পর, কেমন যেন টোল খেল বিশ্বাস। ঋত্বিক মারা যাবার পর ওনার রেট্রো হলো। তখন নাগরিক থেকে যু-ত-গ, সবকটা ড্কু, বিশেষ করে আমার লেনিন দেখে সেই যে ফ্রুস্ত হলাম, তা আজও যায় নি।
    সত্যজিতের চিড়িয়াখানা, শাখা-প্রশাখা ভালো লাগেনি।
    আবাপর ঐ ইন্টারভিউতে ঋত্বিক নিয়ে কিছু কথা আছে। সেটা ঋত্বিক ও ভারতীয় শিল্পের ভাষা না বোঝার চোঁয়া ঢেকুর।
  • Kaju | ১৪ মে ২০১৩ ১৪:০১605225
  • কোথা থেকে ঋদ্ধি শুনেছেন জানি না যে সত্যজিৎ টাকা দিতেন না শিল্পীদের, জানি না। পথের পাঁচালীর সময় অর্থের অভাব ছিল। তুলসিবাবু আর কানুবাবু ছাড়া করুণা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অপু দুর্গা কেউ-ই কোনো টাকা নেন নি। পরবর্তীকালে তো উনি টিমের সমস্ত কর্মীদের, এমনকি ইউনিটের যে কুলি, তাকেও ফার্স্ট ক্লাসে নিয়ে যেতেন ট্রেনে আউটডোর শুটিঙের সময়।
  • কৃশানু | ১৪ মে ২০১৩ ১৪:০৭605226
  • 'আবাপর ঐ ইন্টারভিউতে ঋত্বিক নিয়ে কিছু কথা আছে। সেটা ঋত্বিক ও ভারতীয় শিল্পের ভাষা না বোঝার চোঁয়া ঢেকুর।' - একমত।

    আর যুগন্ধর সিনেমা ভুবন সোম আমি দেখতে পারি নি, খুব বাজে লাগছিল। হয়ত আবার দেখার চেষ্টা করা উচিত। বাই দা ওয়ে, কেলাস ইলেভেন তখন। ঋত্বিক কিন্তু পুরো দেখা হয়ে গ্যাছে, ডকু বাদে। ভালো ও লেগেছে।
    ইন ফ্যাক্ট ঋত্বিক এর টই তে কল্লোল দার এনালিসিস (সুবর্ণরেখা, নাগরিক, মে ঢা তা, কমল গান্ধার সংক্রান্ত) এর সাথেও মোটের ওপর একমত।
    যু ত গ বা নাগরিক অত ভালো লাগে নি।
    কেউ কেউ অবশ্য বলেন পথের পাঁচালি-র আগে নাগরিক রিলিজ করলে ওটাই পাথ ব্রেকিং হত। যথেষ্ট বোদ্ধাদের মুখে শুনেছি। হতে পারে। জানি না।

    মৃনাল সেন এর কলিকাতা ট্রিলজি দিব্বি লাগে।
    সত্যজিত এর তিনটে সিনেমা আমার জীবনের তিনটে সময়ে সবচেয়ে প্রিয় ছিল। মোটামুটি এইট নাইন থেকে কলেজ জীবন অবধি চারুলতা। কলেজ এর শেষ থেকে বছর চারেক আগে অবধি মহানগর। এখন প্রতিদ্বন্দ্বী।

    আপনারা ঠিক করুন আমি আঁতেল কি আঁতেল না।
  • কৃশানু | ১৪ মে ২০১৩ ১৪:০৮605227
  • *কোমল
  • Kaju | ১৪ মে ২০১৩ ১৪:১৩605230
  • মৃণালবাবুর সিনেমায় সব সময় পলিটিকাল স্টেটমেন্ট এত সরাসরি, যেটা ভাল লাগে না। যেন বামপন্থাকে প্রোমোট করাই উদ্দেশ্য ছিল। ইন্টার্ভিউ-তেও কিছু জায়গায় অভিনয় এত কৃত্রিম লাগে, বসে দেখতে ইচ্ছে করে না। সত্যজিৎ সেই একই অশান্ত সময়কে তুলে ধরছেন, কিন্তু সেই স্টেটমেন্ট রয়ে যাচ্ছে সিনেমার মজ্জায়, শরীরে প্রকট হয়ে উঠছে রাজনৈতিকতার ঊর্ধ্বে মানবিক দৃষ্টি, শিল্পীসুলভ তুলির শেষ টান। যেরকম তফাৎ হয়ে যায় সমসাময়িক বিষয় বা তার যন্ত্রণাকে কবিতার মর্মে প্রোথিত করে কলমকে মানবিক মুখে তুলে ধরা আর ওভার্টলি সেই নিয়ে চোখা চোখা কথা বলে রিপোর্টাজ মার্কা, সমাজসচেতনতার পোষাক পরা অগভীর কবিতা।
  • kallol | ১৪ মে ২০১৩ ১৪:১৩605229
  • নাগরিক আগে রিলিজ করলে পাথ ব্রেকিং হতো ঠিকই, কারন তার আগে ওরকম সিনেমা বানানোর কথা বাংলায় কেউ ভাবেই নি। কিন্তু পথের পাঁচালী যদি পরেও রিলিজ করতো সেটা নাগরিকের চেয়ে ফিল্ম হিসাবে ১০০ মাইল এগিয়ে থাকতো।
  • Kaju | ১৪ মে ২০১৩ ১৪:১৮605231
  • একবার শুনেছিলাম ঋত্বিক শঙ্করের 'কত অজানারে' নিয়েও ছবি শুরু করেছিলেন, শেষ হয়নি। কিছু কিছু ক্লিপিংস দেখেছিলাম। হলে সে-ও কিন্তু বেশ ভালোই হত। আরো অনেক ছাবিই শুরু করে আর এগোননি।
  • কৃশানু | ১৪ মে ২০১৩ ১৪:২০605232
  • কাজু-র ২:১৩ পড়ে সুমন এর প্রথম জীবনের লিরিক আর শেষ জীবনের লিরিক মনে আসে।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৪ মে ২০১৩ ১৫:০৯605233
  • সত্যিই পথের পাঁচালি ১০০ মাইল এগিয়ে। তা ছাড়া যে সব আম পাড়া (পড়ুন প্রিমিটিভ) যন্তর নিয়ে সে ছবি তোলা, তা ওই গদার বাবুদের চিন্তারও বাইরে। আমরা, মানে ম্যাংগো পাবলিক না হয় উপস্থাপনা, বিভূতি-রস, অভিনয় দক্ষতা, এ সব দেখে তৃপ্ত। সিনেমাটোগ্রাফির ছাত্ররা আবার যে সিনে ল্যাংগোয়েজ পড়েছেন, তাও এক সেঞ্চুরি অ্যাডভান্সড।

    তবে মৃণালবাবুও ভাল ছবি বানিয়েছেন। বাইশে শ্রাবণ ( পোসেনজিতের নয়) ভাল ছবি। প্রেমেন্দ্র মিত্রের 'তেলেনাপোতা আমিষ্কার' গল্পের চিত্রায়ন 'খন্ডহর' তো আমার দারুণ লেগেছিল। দুর্ভাগ্য, যে প্রিন্টটা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৪ মে ২০১৩ ১৫:১১605234
  • * আবিষ্কার
  • Ekak | ১৪ মে ২০১৩ ১৫:৫৭605235
  • কেজানে বাপু আমার মৃনাল বাবুর সিনেমা ভাল্লাগেনা। উনি সিনেমা বোদ্ধা হিসেবে সেটা আলাদা কথা। ভীসন ক্লাতার্দ আর শরীর নেই কোনো।
    কিছু লোক আছে দুনিয়ার কবিতা পরে ফেলেছে। নন্দনতত্ব নিয়ে সবকটা স্কুল ধরে ধরে জ্ঞান দিয়ে দেবে কিন্তু নিজে লিখতে গেলেই ছড়িয়ে ছত্রিশ। শব্দের শরীর চেনে না। নুয়ান্সেস গুলো নিয়ে খেলতে পারে না। মৃনাল বাবুর সিনেমা দেখলে ঐরকম ফিলিং হয়। সব আছে। কিছু বাকি নেই। কিন্তু রান্না তা জমে নি :|

    রান্না জমাতে দুজন ওস্তাদ অবস্যই আমার চোখে বড়বাবু আর তপন সিনহা।
    ঋত্বিক এর কথা বল্লুমনা কেনটা ওটা বাঙাল কুইসিন :):) পুরো আলাদা পৃথিবী। রক্তে ইতিহাস আর যন্ত্রণা না থাকলে এটলিস্ট বাপ-কাকা দের মুখে শুনে নিজের কষ্ট হিসেবে ফীল করতে না পারলে ঋত্বিক কে মেলোদ্রামাতিক লাগবে।
  • kallol | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:০০605236
  • রূপঙ্করবাবু।
    উঁহু। পথের পাঁচালী আম পাড়া যন্তরে নয় বোধহয়। মানে, অন্য সব যন্তর আম পাড়াই ছিলো এক ক্যামেরা বাদে। সুব্রতবাবুর থেকে পথের পাঁচালী সম্পর্কে শুনে কোডাক কোং তখনকার জার্মানীতে ব্যবহার করা হতো এমন হাল্কা অ্যারিফ্লেক্স পাঠিয়েছিলো। নইলে তখন টালিগঞ্জে মিচেল ব্যবহার হতো। সে ক্যামেরা কোন পাল্টাতে নাকি আধবেলা লাগতো, অ্যায়সান ভারী ছিলো।

    কতো আজানারের গপ্পো হোক।
    অনেক পরে অসমাপ্ত রাশ দেখেছি নন্দনে। কিন্তু গপ্পোটা শোনা বিজন ভট্টাচার্য্যের মুখে।
    একটা বারান্দা শট ছিলো - হাইকোর্টের লম্বা টানা বারান্দা। রোববার হাইকোর্টে ছুটির দিন আউটডোর হচ্ছে। এক সায়েব অ্যাডভোকেটের ভুমিকায় হলেন ছবি বিশ্বাস (সম্ভবতঃ বারওয়েল সায়েব, যদিও উইকি বলছে ঐ ভুমিকায় কালী বাঁড়ুজ্জে। সম্ভবতঃ ভুল ইনফো)।
    তা, ক্যামেরা থাকবে লো অ্যাঙ্গেলে বারান্দার রেলিংএর উল্টো দিকে। ছবিবাবু হেঁটে আসবেন। ক্যামেরা জুম করছে ছবিবাবুর মুখে - বিগ ক্লোজ-আপ। ছবিবাবু হেঁটে ক্যামেরা পেরিয়ে চলে যাবেন, কিন্তু পর্দায় মুখের বিগ ক্লোজ-আপই থাকবে। খুব ঝাড়ের শট। অর্থাৎ ছবিবাবু যেমন যেমন ক্যামেরার কাছে আসবেন তেমন তেমন ওনার মাথা ঝুঁকিয়ে নিতে হবে - মুখটা ক্যমেরায় সোজা থাকার জন্য। ক্যামেরাও সেই মতো জুম-আউট করবে।
    ছবিবাবু তো শুনেই খচেছেন। মানে, সে সময় নাকি এসব খেলা চলতো। পরিচালক এমন সব শট পরিকল্পনা করতো যাতে অভিনেতার প্যান্টুল হলুদ। আবার অভিনেতারাও সুযোগ পেলেই এমন সব ইমপ্রোভাইজেশন করতেন, যে পরিচালক ব্যোমকে যেতো।
    ওদিকে ছবিবাবু সব শুনেটুনে বল্লেন, তা ঘটকমশয় একবার দেকিয়ে দিন, আমি ক্যামেরায় বসি। ঋত্বিক একবারে শটটা দেখিয়ে দিয়েছিলেন। ছবিবাবুও এক শটেও ওকে করেছিলেন।
    কিন্তু রাশে ওরকম কিছু দেখিনি। খুব আশা করে গেছিলাম।
  • Kaju | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:১১605237
  • 'অন্তরীণ' টিভিতে দেখে তো ঘুম পেয়ে গেছিল মনে আছে, আর বারবার করে, 'ক্ষুধিত পাষাণের সেই হাভেলিতে এরকম যদি...' টাইপের ডায়লগ ফোনে অঞ্জন দত্ত আর ডিম্পলের। সারা সিনেমা জুড়ে ফোনাফুনি, লাস্টে স্টেশনে দেখা হল, কেহ কাহারেও চিনিতে পারিল না। গপ্প শেষ। অন্তরীণ পরবর্তীকালে ল্যাপটপে টপাটপ চ্যাটে অন্তহীন।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:১৫605238
  • ছবিবাবু সম্পর্কে যেটুকু জানি, ওঁর খুব কম শটই এক চান্সে ও,কে হ'ত। আবার বেশিবার শট দিতে গেলে বেজায় খচে যেতেন। আমার এক আত্মীয়কে বলেছিলেন, আপনি মশাই পাঁচটাতেই এত কিন্তু কিন্তু করছেন কেন, ফিল্ম নষ্ট হচ্ছে? আমার তো কখনও কখনও পঞ্চাশটাতেও ও,কে হয়না। বংশী বাবুর মুখে শোনা, জলসাঘরের গ্লাসে পোকাটা নাকি সত্যি প্লান্ট করা, সিম্বল টিম্বল নয়। আসলে বিতৃষ্ণা আনতে পারছিলেননা। মানিকবাবু বলতে সেই এক কথা, - তাহলে করে দেখান। তখন পরিচালক মশাই পোকাটা গোপনে ধরে এনে চুমুক দেবার আগে গ্লাসে ফেলে দেন।
  • Kaju | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:১৭605240
  • হ্যাঁ আমিও টিভিতে একটুখানি ক্লিপিংসে ছবি বিশ্বাসকেই দেখেছিলাম, বারওয়েল সাহেব উনিই। আর অনিল চ্যাটার্জি ছিলেন।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:২২605241
  • এই আর এক অসাধারণ আন্ডার অ্যাক্টিং এর রাজার কথা তুললেন। অনিল চ্যাটার্জী অসাধারণ অভিনেতা। কিন্তু অপুকে ধরতে পারবেননা। হাতকাটা কাত্তিক করতে পারতেননা।
  • Ekak | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:২৫605242
  • আচ্ছা শুভাশীস (হার্বার্ট ) আর নতুন কিছু করছেনা ? বড় প্রিয় অভিনেতা আমার।
  • Kaju | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:২৭605244
  • শুভাশিসকে গোরস্থানে সাবধানে কেমন লেগেছিল?
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:২৭605243
  • প্রচন্ডরকম আন্ডার ইউটিলাইজড।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:৩১605245
  • 'বরযাত্রী' -র চারটেই জুয়েল ছিল। শঙ্কর, পীযুষ, উত্তীয় আর শুভাশীষ। পাঁচ নং ছিল রাজেশ (শর্ন্মা)। সে কিন্তু বেশ করা কম্মে খাচ্ছে। উত্তীয় বেচারা অকালে মারা গেল। হারা্ধনের তিনটি ছেলে কেউই ঠিক মত ব্যবহৃত হ'লনা।
  • Kaju | ১৪ মে ২০১৩ ১৬:৩৪605246
  • সেকি এরা ছিল নাকি বিবাহ অভিযানে? টিভি-র টা তো?

    তোতলা গনশা ছিল শঙ্কর। দীপন তপাদার, শুভাশিস, জয় বদলানী। উত্তীয় রাউত, রাজেশ শর্মা, পীযূষ ছিল বলে ইয়াদ নেহি।
  • ন্যাড়া | ১৪ মে ২০১৩ ১৯:৩৮605247
  • আবার, আবার সেই।

    কত গুরুত্বপূর্ণ ও অমূল্য মতামত দেবার ছিল তবু, হায়, কেউই তাহার তোয়াক্কা করিতে নারিল। এ ধরা বঞ্চিত হল কত সহস্র মুক্তারাজি হইতে।
  • রূপঙ্কর সরকার | ১৪ মে ২০১৩ ১৯:৪৬605248
  • আমরা 'বেলতলায়' অপেক্ষমান। মতামত বর্ষণ হউক।
  • kb | ১৪ মে ২০১৩ ২১:০৭605249
  • শ্বাশত আমার অন্যতম প্রীয় অভিনেতা। এই Toi তে শ্বাশতকে নিয়ে কথা হচ্ছে দেখে ফুট কেটে যাওয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না।

    রং মিলান্তি সিনেমাতে শ্বাশতর অভিনয় আমার খুব ভালো লেগেছিল।
  • Kaju | ১৪ মে ২০১৩ ২১:২৫605251
  • রংমিলান্তি-তে ফলস দাঁত লাগিয়ে শাশ্বত-র ওই মেকাপ, গলাটাও যেভাবে পাল্টে ফেলেছিল আমার প্রথম প্রথম প্রোমো দেখে অন্য কেউ বলে মনে হচ্ছিল, অনেকটা সিপিয়েমের এক নেতা, প্রতিপক্ষ-তে আসেন, ঝাঁকড়া চুল, চশমা, তার মত লাগছিল।

    'তিন এক্কে তিন'-এ কিপটে মানকে-র রোলেও জবরদস্ত কমেডি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন