এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বিবেকি কন্ঠ ও মার্কিন সরকারের বদমাইশি

    shyamal
    অন্যান্য | ২৯ জুন ২০০৮ | ৩৫৯৬৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ১৭:৪৭400491
  • আমি কাউকে কিছু শেখাতে পারার মতো অবস্থানে আছি কি না জানিনা।
    তবে এটা শিখতে পারলে শেখ। যদি মনে হয় বন্ধু যা করছে/বলছে তা মানতে পারছি না। বন্ধু যদি মনে করিস-কষে গালাগাল দে। সবার সামনেই দে। আড়ালে কাদাপী নয়।
  • h | ৩০ জুন ২০০৮ ১৭:৫৬400502
  • দেখি পারি কিনা, কঠিন একটু। মধ্যবিত্ত, উভয়ার্থে শিল্প সম্ভাবনাময় মধ্যবিত্ত, একটু আধটু নিন্দে মন্দ না কল্লে শরীরে কিরকম আনচান করে ;-)
  • Arijit | ৩০ জুন ২০০৮ ১৭:৫৯400513
  • না: নিন্দেমন্দ সবসময় সামনে কত্তে হয়। গালিটালিও। আড়ালে দিলে বড়জোর স্বগতোক্তি, বা বাথরুমে - চানঘরে গানের মতন;-)
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ১৮:২৩400524
  • না, সত্যি ইয়ার্কি নয়। আমি শুধু শ্যামলের রাষ্ট্র চালানোর মুল্যবোধগুলোকে পরিবার চালানোর জায়গায় ট্রান্সপোজ করেছি মাত্র।
    শ্যামল বলুক এটা সে অনুমোদন করে কি না।
  • h | ৩০ জুন ২০০৮ ১৮:৪০400535
  • কল্লোলদা, ইয়ার্কি যে নয় সেটা বোঝার মত বয়স হয়েছে। তবে একটা ডিবেটে খারাপ ব্যবহার করলেন একজনের সঙ্গে আর ক্ষমা চাইলেন আরেকজনের কাছে এই সুক্ষ্ম এবং উচ্চ মরাল পজিশনটা বুঝি নি। পার্সোনালি, আমি রাজনৈতিক দিক থেকে মনে করি শ্যামলদা কতগুলো কথা বলেছেন যেটা অতীব দক্ষিনপন্থী। আপনার স্মৃতিচারণ ও অন্যান্য রাজনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য দিয়ে বুঝি আপনি বামপন্থী। দুজনের মধ্যে ডিবেট হত তো ঠিক আছে। তো যাই হোক বিষয়টা নতুন না হলেও অন্তত ডিবেট হত।

    এবং আপনার নিজের রাজনৈতিক পজিশন নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে এবং নিজেকে পাবলিকলি প্রশ্ন করার অভ্যেস আপনার আছে। এসব ই শ্রদ্ধেয়। শিখেছি। শিল্পী হিসেবে এইটা না করলে হয়তো সৃজনশীলতার মধ্যে থাকতেই পারবেন না। কারোর অ্যাপ্রুভাল না পেলেও এটাই আপনার পন্থা। তাতে আপত্তি করার প্রশ্নই ওঠে না।

    তবে ডিবেট টার সঙ্গে রঞ্জনদার লেখার সম্পর্কটা শ্যামল দা মোটামুটি তুলেই দিয়েছেন আগেই। প্রস্তাবনাতেই।

    আপনি যেটা করলেন সেটা খেউর, আমি পাব্লিক তাতে খানিকটা আশ্চর্য্য হয়েছি। কারণ আপনার কাছে কটু বাজে কথা শুনতে অভ্যস্ত নই। আশাও করি না। এবার করবো :-)

    তবে এসবে এমনি কোন প্রবলেম নাই। মন দিয়ে খেউর করুন। আমরাও অন্যত্র সেটা শুনতেই অভ্যস্ত। আর নিজেকে কি ভাবে প্রকাশ করবেন আপনার ব্যাপার। আর আমার কি শুনতে অসুবিধে হছে আমি বলবো। বিনি পয়সার মতপ্রকাশ। অসুবিধে নাই।
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ১৮:৫৯400546
  • অনেকেই বলছেন, আমেরিকা যখন বদমায়েশি করে ভারত কি সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেবে না নিজের স্বার্থ দেখে যা করলে দেশের উন্নতি হয় তা করবে? আমার মত দ্বিতীয়টা। তাতে আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্বপুর্ণ সম্পর্ক রাখতে হবে।
    আপনারা বলছেন, তা নয়। ভারত হবে যাত্রার বিবেক। হারমোনিয়াম, বেহালা আরো সব বাজতে থাকবে করুণ সুরে আর ঝ্যাং করে আওয়াজ করে ভারত আমেরিকার নিন্দা করবে।
    কে যাত্রার বিবেক হয়েছে? ব্রিটেন, ফ্রান্স, ব্রেজিল, জার্মানী, ইটালী, অস্ট্রেলিয়া, চীন, রাশিয়া, কোরিয়া, সুইডেন, নাইজিরিয়া? প্রায় সব বড় দেশেরই তো নাম করলাম।
    কিউবা, ভেনিজুয়েলার নাম করলামনা। ওরা নগন্য আর সব ব্যাপারেই আমেরিকার বিরোধী, কাজেই কোন ক্রেডিবিলিটি নেই।
    বড় রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কেউ কেউ অপ্পো অপ্পো বকেছে আমেরিকাকে, যেমন রাশিয়া, চীন। কিন্তু সেগুলো সব লোক দেখানো। সবাই আমেরিকার সঙ্গে নানাবিধ চুক্তি করছে।

    এবারে আপনারা বলুন ভারত কি যাত্রার বিবেক হবে একা?
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ১৯:২২400557
  • ভারতকে এই মুহুর্তে কে কাঠি দিচ্ছে? চীন। বলছে সিকিম ভারতের কিনা সে বিষয়ে কথা বলতে হবে। অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে দাবী জানাচ্ছে। বর্ডারের লাইন নিয়ে সমস্যা তো আছেই।
    আমার মনে হয়, চীন ভালভাবে জানে সিকিম, অরুণাচল প্রদেশ কবজা করতে পারবেনা। তবু কেন করছে? বারগেইনিং চিপ। চীন, আমেরিকা দুজনেই ভারতকে নিজের দলে টানতে চাইছে। চীন বলছে, আমার সঙ্গে অ্যালাইনড হও। আমরা সিকিম, অরুণাচল নিয়ে একটা কথাও বলবনা। আমেরিকা বলছে আমার দলে এলে নিউক্লিয়ার পাওয়ার দেব। আরো অনেক কিছু দেব। সব দেশ তখন তোমাকে ইউরেনিয়াম বেচতে পারবে। বুঝলে না, আমরা যদি বারণ করি, কেউ তোমাকে বেচবেনা।

    কোল্ড ওয়ার শেষ হওয়ার পর শত্রু মিত্র সাদা কালো দিয়ে সহজে চার বছরের বাচ্চার মত দেখানো যায়না। চীন, আমেরিকা --- এই দুটো শক্তিকেন্দ্র দেখা দিচ্ছে। কিন্তু এরা শত্রু নয়। এদের দুজনের ট্রেড বিশাল। সবাই সবার ওপরে নির্ভরশীল।
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ১৯:৪৩400568
  • আমি বুঝতে পারি আমার প্রকাশভঙ্গী খুবই harsh হয়ে গেছে। আমি আবারও বলছি অমি মনে করি না শ্যামল ঐভাবে পরিবার চালায়। কিন্তু শ্যামল রাষ্টের মূল্যবোধ নিয়ে যা বলেছে তা আপত্তিকর। যেহেতু ব্যাপারটা রাষ্ট্র তাই নৈর্ব্যক্তিক, তাই গায়ে/চোখে/মনে লাগে না। ঐ মূল্যবোধকে পরিবারের চৌহদ্দিতে এনে ফেললে গায়ে/চোখে/মনে লাগে। খেউর মনে হয়। কাউকে ঐ মূল্যবোধ প্র্যাকটিস করতে বললে সেটা খারাপ লাগে। অথচ ঐ একই মূল্যবোধ একটা রাষ্ট্রকে প্র্যাকটিস করতে বললে শুধুই একটা দক্ষিণ পন্থী স্টেটমেন্ট হয়।
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ১৯:৪৮400579
  • স্ট্যান্ডার্ড ডিসক্লেইমার : কল্লোল বলেছে "শ্যামল ঐভাবে পরিবার চালায়'। এ ব্যাপারে আমার মতান্তর আছে। আমি পরিবার চালাইনা। আমার বৌ আর ছেলে চালায় আর আমি চলি। :):)
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ২০:১৬400591
  • হ্যাঁ শ্যামল, আমিও তো তাই বলছি। পশিম বঙ্গে এলে আপনি তবে সিপিএম-এর দালালি করবেন, কারন তাতে আপনার লাভের সম্ভাবনা আছে। পাড়ার লোকজন আপনাকে আসতে যেতে সেলাম ঠুকবে। যদি পৌরপিতার বা এলাকার নেতার এর নেকনজরে পড়তে পারেন (তার জন্য যা যা করতে হয় না হয় করলেন - আর সেই কাজের ফিরিস্তি দিলাম না, তাতে অনেকেই কষ্ট পাচ্ছেন)। তাতে পয়সাও পাবেন। যে কোন বাড়ি ঐ এলাকায় করতে গেলে স্কোয়ার ফিট হিসাবে একটা নজরানা দিতে হয়। আপনিও তার ভাগ পাবেন। টাকা কে টাকা, ক্ষমতা কে ক্ষমতা।
    শ্যামল, (বড়দের মত) এটা কি করতে রাজি ?
    আমি জানি এর কোন জবাব আপনি দেবেন না। তার বদলে আবারো ঐ চার বছরের বাচ্চাদের মত একই যুক্তি পেশ করবেন এবং আশা করবেন লোকে বিরক্ত হয়ে তর্ক করা ছেড়ে দেবে।
    আমিও তবে এই প্রশ্নগুলো করেই যাবো।
  • Suvajit | ৩০ জুন ২০০৮ ২০:২৬400602
  • সবই তো বুঝলাম, কিন্তু শ্যামলবাবু যে বলছেন যে ভারতকেও অন্যান্য দেশের মতো প্রথমত নিজের স্বার্থ দেখা উচিৎ, একথাতে ভুল কি আছে তা তো বুঝলাম না।
    ভারতে টেররিস্ট অ্যাকটিভিটি হলে কটা দেশ জুড়ে প্রবল প্রতিবাদ হয়? জনগন রাস্তায় নেমে মিছিল বিক্ষোভ দেখায়?
    চীন যখন ভারত আক্রমন করেছিলো, কিংবা এই হালফিলের কার্গিল যুদ্ধে, ইরান বা ইরাক কি একবারও ভারতের পক্ষে কথা বলেছিলো? বা চীন? বা রাশিয়া ?
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ২০:৩৩400613
  • তাইই তো। সব দেশ নিজের নিজের স্বার্থ দেখুক। সব প্রদেশ নিজের নিজের স্বার্থ দেখুক, সব জনগোষ্ঠী নিজের নিজের স্বার্থ দেখুক, সব পরিবার নিজের নিজের স্বার্থ দেখুক, সব মানুষ নিজের নিজের স্বার্থ দেখুক। পৃথিবীতে স্বর্গ নেমে আসবে তো?
    শুধু স্বার্থের ঠোকাঠুকি হলে, একে অন্যকে নিশ্চিহ্ন করে দিক।
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ২০:৩৯400624
  • শুভজিত খাঁটি কথা বলেছেন। ভারতেই কেন এত নাচানাচি কোন দেশে কি হল তাই নিয়ে? চীনা যুদ্ধের সময়ে কটা দেশ ভারতের পক্ষে চীনের বিরুদ্ধে এসেছিল? চীনা যুদ্ধ শেষ হল যখন আমেরিকা বঙ্গোপসাগরে aircraft carrier পাঠাল নেহরুর মিনতি শুনে। চীন ভয় পেয়ে সিজ-ফায়ার ঘোষণা করল। সলিল লিখলেন, হেমন্ত গাইলেন, মা গো ভাবনা কেন?
  • kallol | ৩০ জুন ২০০৮ ২০:৫৪400635
  • আমি জানি, আমার তোলা প্রশ্নগুলো সহজ, কিন্তু উত্তর নেই জানা।
    তাই চীন-ভারত, পাকিস্থান-ভারত চাই কি পাইকিরী হারে বাড়ি বানানও আসবে। কিন্তু আমার প্রশ্নগুলোর, জবাব পাবো না।
  • pi | ৩০ জুন ২০০৮ ২১:০৭400646
  • অন্ধাকার মহাদেশকে আলোকিত করা নিয়ে এখনো অন্ধকারেই রয়ে গেলাম কিন্তু শ্যামলবাবু।
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ২১:৫১400657
  • এক কালে ভারত আফ্রিকার দারিদ্র, বর্ণবৈষম্য ইত্যাদি নিয়ে লেকচার দিত। আফ্রিকার নেতারা খুশি ছিল। কিন্তু দেশগুলো কোন লাভ হয়নি।
    তারপরে ভারত জ্ঞান দেওয়া বন্ধ করে নিজের উন্নতিতে মনযোগ দিল। ফলে অনেক কোম্পানী বিরাটভাবে বাড়ার সুযোগ পেল, যা লাইসেন্স রাজের যুগে অপল্পনীয় ছিল। এসব কোম্পানী এখন নিজের স্বার্থে আফ্রিকার উন্নতি করছে।
    সিপলা পৃথিবীর বৃহত্তম AIDS ড্রাগ নির্মাতা। তারা পশ্চিমী কোম্পানীগুলোর ৩% দামে এই ওষুধ বেচে। তার ফলে আজ কোটি কোটি আফ্রিকান সিপলার ওষুধ খেয়ে বাঁচছে।
    সুনীল মিত্তলেরা দক্ষিণ আফ্রিকার সেল ফোন কোম্পানী কিনছে।
    http://tinyurl.com/5d9mhq

    লক্ষ্মী মিত্তল স্টীল প্ল্যান্ট বানাচ্ছে। ওএন জিসি আর আরো তেলের কোম্পানী ওখানে তেল খোঁজার জন্য লগ্নী করছে।
    এগুলো সবই স্বার্থের খাতিরে, লাভের জন্য। কিন্তু তাতে আফ্রিকার মানুষের জন্য প্রচুর কাজ তৈরী হচ্ছে। আর আফ্রিকার শিল্প ও পরিকাঠামো তৈরী হচ্ছে।
    ভারতের কোম্পানীরা স্থানীয় লোক লাগাচ্ছে কাজের জন্য। কিন্তু চীন চীনে লোক পাঠাচ্ছে আফ্রিকায় কাজ করার জন্য। তাতে আফ্রিকানরা রেগে গেছে।
  • rimi | ৩০ জুন ২০০৮ ২২:২০400668
  • শ্যামলবাবু যা বলেছেন, তা পুনরাবৃত্তি দোষে দুষ্ট। শ্যামলবাবুর বিপক্ষে এই থ্রেডে যা বলা হয়েছে তার মধ্যেও পুনরাবৃত্তি ছাড়া আর তো কিছুই দ্যাখলাম না। বামপন্থী কাগজগুলাতে নজর রাখলে এইসকল যুক্তি(???) চোখ এড়াবার বিশেষ কোনো কারণ নাই।

    কিন্তু ভারতের পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষর করা উচিত কি না, উচিত হলে কেন উচিত, না হলে কেন নয়, - সেই প্রশ্নের উত্তর, আশাপ্রদভাবেই, এই আলোচনা থেকে মিলল না।
  • rimi | ৩০ জুন ২০০৮ ২২:৩২400679
  • ওহো:: আমারই ভুল। এই থ্রেড আমেরিকার বিদেশনীতি নিয়া।
  • shyamal | ৩০ জুন ২০০৮ ২৩:৫১400702
  • কল্লোল, তুমি দার্শনিক প্রশ্ন তুলেছ। আমরা কি ছেলে মেয়েদের শুধু স্বার্থপর হতে শেখাই? যদি না হয় তবে দেশের ক্ষেত্রে কেন ?

    দেশ আর পরিবারের স্ট্রাকচার এক নয়। দেশে গণতন্ত্র কাম্য। পরিবারে কি তা হয়? ধরলাম বাচ্চারা পারিবারিক গণতন্ত্র থেকে বাদ। স্বামী, স্ত্রী বা যৌথ পরিবারে স্বামী, স্ত্রী, বাবা, মা, ভাই, বোন কি ভোট নিয়ে সব কিছু ঠিক করে? অনেক সময়ে করে অথরিটির জোরে বা কনসেন্সাস। কোনটাই ডেমোক্র্যাসি নয়।

    কাজেই দেশ আর পরিবার আলাদা। আজ যদি পাকিস্তান ভারত আক্রমণ করে, ভারত তখন লাহোর, করাচিতে বোমা ফেললে নিশ্চয় তোমার আপত্তি হবেনা।
    কিন্তু তোমার পড়শি যদি তোমার জানালার কাঁচ ভাঙে ইচ্ছা করে, তুমি পুলিশে খবর দেবে কিন্তু পড়শীর বাড়িতে আগুন ধরাবেনা। কারণ সমাজে পুলিশ আছে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নেই।

    তোমার ও আরো কারো কারো ধারণা আইডিয়ালিস্টিক। কিন্তু তোমরা জানোনা তোমরাও আমাদের মত স্বার্থপর। তোমরা অনেকে চাও ভারতের গরীবদের রাতারাতি উন্নতি করতে। সেজন্য যদি আম্বানীদের বিলিয়ন নিয়ে নিতে হয় তোমরা পেছপা হবেনা। তোমাদের রাগ, কেন মধ্যবিত্ত গাড়ি কিনবে যেখানে অনেক লোক ভাল করে খেতে পায়না। কিন্তু আজ যদি আমেরিকা বলে, আমি ভারত দখল করবনা। শুধু আমাদের পছন্দসই মন্ত্রী আর আমলারা সরকারে থাকবে -- আমাদের প্রতিটা কথা শুনে চলবে। বদলে আমরা ভারতকে ফ্রি টেকনোলজি দেব, বছরে ৫০০ বিলিয়ন ডলার (ভারতের বাজেটের তিন গুণ) দেব শুধু গরীবদের উন্নতি আর কাজ তৈরীর জন্য। তাতে দু বছরে সব গরীবের পাকা বাড়ি, বিদ্যুৎ, জল, বাথরুম, টিভি, ডিভিডি প্লেয়ার, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল সব হবে। শুধু মার্কিনি কোম্পানিরা এগুলো চালাবে ভারতীয় কর্মচারি রেখে।

    এতে তুমি ভীষন রেগে যাবে আর বলবে ভারতের সভারিনিটির সর্বনাশ হচ্ছে। কিন্তু গরীবরা যে এক বছরের মধ্যে তোমার লাইফ স্টাইল পাচ্ছে, দু বেলা, মাছ, চিকেন খাচ্ছে এটার তোমার কাছে কোন মুল্য নেই।
  • lcm | ০১ জুলাই ২০০৮ ০০:০১400713
  • এই থ্রেডের লেখা পড়ে দুটি জিনিস মনে হতে পারে।

    বিদেশনীতি সংক্রান্ত ব্যাপারে,
    ১) আমেরিকা নিজের স্বার্থ দেখে, ভারত দেখে না
    ২) আমেরিকার অ্যাপ্রোচে যে প্র্যাকটিক্যাল চিন্তাভাবনা আছে, সেগুলো ফলো করলে ভারতের আখেরে উপকারই হবে

    প্রথম পয়েন্টটি বোধহয় পুরোপুরি ঠিক নয়। ভারত-ও নিজের স্বার্থই দেখে। যেমন, ৭১-এ পুর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারত প্রভাব খাটিয়েছে, শ্রীলংকা-র আভ্যন্তরীন ব্যাপারেও নাক গলিয়েছে... আবার, প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তানের তালিবান রাজত্ব বা মায়ামার-এর অস্থিরতা নিয়ে সেরকম মাথা ঘামায় নি।
    আবার, ঠিক কি জাতীয় স্বার্থে আমেরিকা ভিয়েতনাম যুদ্ধ বা ইরাক যুদ্ধ করেছে তা নিয়ে অনেক দ্বন্দ্ব আছে (আমেরিকানদের মধ্যেই আছে)। যতটা না স্বার্থ, তার থেকে বেশী সুপ্রিম পাওয়ার এক্সপোস করবার একটা ছুতো। অবশ্য অনেকে এটাকেই জাতীয় স্বার্থ বলছেন।

    আর, আমেরিকার এই taking care of our best interest এই নীতিই বা কি? এটা তো খুব জেনারেল একটা ব্যাপার, সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। কিন্তু, taking care of our interest-এর মানে কি এই, যে, নিউইয়র্কে দুটো টাওয়ারের টেররিস্টরা ভাঙল, আর তার ফলে আনতাবরি একটি দেশকে আক্রমন করা হল। সেটা ফলো করলে তো, পার্লামেন্ট বম্বিং-এর জন্য ভারতকে কোনো একটা দেশ আক্রমন করতেই হয়! বা, জয়পুরে বম্বিং হল, আর ভারতকে সেনা পাঠিয়ে দিতে হয় মায়ামার-এ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবার জন্য।

    আসলে, দেশে দেশে বন্ধু/শত্রু ব্যাপারটাই ভেগ।
  • ranjan roy | ০১ জুলাই ২০০৮ ০০:৫১400722
  • শুভজিৎ এবং শ্যামল ঠিক বলেছেন। ভারতের নিশ্চয়ই নিজের স্বার্থ দেখা উচিৎ। শ্যামল আরো স্পষ্ট করে বলেছেন দীর্ঘকালীন স্বার্থ। এনিয়ে কোনো আপত্তি নাই শুভজিৎ।
    প্রশ্নটা হইল সেই দীর্ঘকালীন স্বার্থটা কি? বড় গুন্ডার লগে ভাব জমানো? হেইডা অল্পকালীন স্বার্থ হইতে পারে, দীর্ঘকালীন কোনমতেই নয়।
    লেখাটায় আমি একটাও নিজের কথা কই নাই যে বামপন্থী সংবাদপত্রের চর্বিতচর্বণ হইবো।
    যা কইছি তা ঐ দক্ষিণপন্থী বৃটিশ নাট্যকার, আবার পচাইত্তর বছরের বুইড়া, তার ২০০৫ সালের নোবেল পুরস্কার বক্তৃতা।
    শ্যামল কইতেই পারেন যে ব্লেয়ার ও নিজের দেশের স্বার্থ দেখছে, তাই বুশের লগে তাল দিছে। কুন দোষ নাই, সত্যিই নাই।
    এখন এই সহজ কথাটা ঐ ইংরাজ বুড়া মানে নাই। সে মনে করে যে বুশের পিছন পিছন মেড়ার মতম ব্যা-ব্যা করাটা বৃটেনের অল্প- দীর্ঘ কোন স্বার্থই রক্ষা করে না। কুন সন্দেহ নাই বুড়ার ভীমরতি ধরছে। আপনেরা হাচা কইছেন, নিজের ভালা পাগলেও বুঝে।
    তয় বুইড়া যে পাগলেরও অধম। হের কথা শুইন্যা কাজ নাই। বাড়িত যাইন গা।
    শ্যাষে আমিই আরেক আম্মক, যা বুঝছি কই।
    আপনাগোর যুক্তির আরেকটা দিক আছে। সাদ্দামেরও অধিকার ছিল নিজের মত কইর‌্যা ইরাকের স্বার্থ দেখা। হেই বুদ্ধিতে ইরাণের লগে কাইজ্যা করছে( তখন আমেরিকা ইরাণরে অস্ত্র দিছে), কুর্দরে পিটাইছে, কুয়েত আক্রমণ করছে।
    আপনাগো যুক্তিতে কন দেহি সাদ্দামের কি দোষ? তাইলে বুশ ক্যারে মারলো? তার মানে দাঁড়াইলো --জোর যার, মুলুক তার।
    এইতো কথা? শ্যামল আগে একটা পোস্টে এমনই কইছেন।
    জিগাই এইডা যদি আপনাদের রাষ্ট্রনীতি হয় তাইলে এইডা কোন মুল্লুক হইবো? মগের মুল্লুক?
    ভাইবা দেখেন ঐ দক্ষিণপন্থী বুইড়্যা কি কইত্যাছিলো?
    কইতাছিলো সমস্ত মানবজাতির স্বার্থের বিরুদ্ধে একতরফা কোন দেশের স্বার্থ হয়না, হইলে এইডা পাগলামি। যেমন হিটলার। তার অন্ত কি ভাবেন।
    আমরা অন্যের বাড়ির চালে আগুন লাগলে নিভাইতে যাই কেন?
    না স্যার, সমাজের বিবেকের ভূমিকায় অভিনয় করতে না। যাই নিজের স্বার্থে, না হইলে কাইল হেই আগুন আমার বাড়ির ছাতেও ছড়াইবো।
    তেমনি জোট নিরপেক্ষ নীতি খালি বিবেকের ভূমিকার জন্যে না। নিজের দেশের স্বার্থে। নেহরুর ইতিহাসবোধ খুব খারাপ ছিলো না। কিন্তু শ্যামল কন আমেরিকা সার্টিফিকেট দ্যায় নাই। তখন ভারতেরে সম্মান করে নাই। অ্যাখন করতে আছে।
    আমি কই --- আপনের কথাই ধরি। তখন যারা নিরপেক্ষ না থাইক্যা কোন না কোন পক্ষে ছিলো যেমন পাকিস্তান-তুরস্ক-স্পেন আদি সিয়াটো- সেন্টো বা ওয়ারশ গ্রুপের রুমানিয়া- হাঙ্গেরি-- চেকশ্লোভাকিয়া-- অগো কি ভারতের থেইক্যা বেশি সম্মান ছিল?
    শেষ কথা -- বুড়ার মূল কথা, পাড়ার গুন্ডারে খামোখা সম্মান দিলে আপনার সম্মান বাড়ে না। সুরক্ষাও বাড়ে না। বরং কমে। আইজ অন্যের মেয়ের হাত ধইর‌্যা টানছে, আমার মেয়েরে তো কিছু কয় নাই। কাজেই আমি চুপ কইর‌্যা রইলাম। রইব্বরে হেই গুন্ডারে বাড়িতে চা' খাইতে ডাকলাম। আমার মেয়েরে কইলাম-তর দাদা হয়। যা, চা' দিয়া আয়। ভাবলাম। শয়তানেও এক ঘর ছাড়ে। আমার মেয়েও নিরাপদ। আমি কি বুদ্ধিমান! চোরের ঘাটে নাও বাঁধছি, আমার নাও চুরি হইত না।
    হয়্‌না, হিসাব মিলে না। গুন্ডার লোভ আগেই ছিল, এখন সাহস বাড়ল। কাইল যখন আমার মেয়ের হাত ধইর‌্যা টানব তখন আমার পাশে কেউ থাকবো না।
    আমার দেশের স্বার্থেই উচিৎ আমেরিকার অন্যের বড়িতে ঢুইক্যা গুন্ডামি করলে প্রতিবাদ করা।
    এইজন্যেই কিছু রুলস অফ থ্য গেমস ঠিক করা হয়েছে। মানবাধিকারের চার্টার, অন্যের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা, রাষ্ট্রসংঘের মাধ্যমে ফয়সালা করা ইত্যাদি।
    বুড়ো এটাই বলছেন--- আমেরিকা নিজেকে মুক্ত দুনিয়ার নেতা বলে, আর নিজেই সবথেকে বেশি আন্তর্জাতিক নিয়ম ভাঙ্গে।
    সারা দুনিয়ার ঘরের কাজিয়ায় নাকগলানোয় আমেরিকার জুড়ি নেই।
  • Ishan | ০১ জুলাই ২০০৮ ০১:২০400723
  • জাতীয় ক্ষেত্রে গণতন্ত্র কাম্য, আর আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জোর-যার-মুলুক-তার? এটা পরস্পরবিরোধী নয় কি, শ্যামলবাবু?
  • cam | ০১ জুলাই ২০০৮ ০১:৪৮400725
  • শ্যামলের গল্পে আমি এক ত্রিস্তরীয় তত্ব দেখতে পেলাম-
    ১। পরিবারে গণতন্ত্র নেই,থাকে না,অনুচিত। এ অথরিটির জোরে চলে বা ঐরকম কিছু।
    ২। দেশে গণতন্ত্র দরকার-খুব দরকার।
    ৩। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জোর যার মুল্লুক তার। মানে একেবারে জঙ্গলের কান্ড!

    এই তিনের সমন্বয় করা হবে কি করে?
  • shyamal | ০১ জুলাই ২০০৮ ০১:৪৮400724
  • ঈশান,

    গণতন্ত্রে সভারিনিটি নেই। ভোট হলে সবাই ভারতীয় হিসাবে ভোট দেয়। কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশকে চালায়। দুর্গাপুর শহর বা বীরভূম জেলা বা কেরালা রাজ্য বলতে পারেনা আমরা আলাদা কারেন্সী, আলাদা মিলিটারি রাখব। আমাদের আইনে অ্যাবর্শন বেআইনী করা হবে।

    দেশগুলোর -- সে হাইতি, ভারত, আমেরিকা যেই হোক তার সভারিনিটি রয়েছে। পৃথিবীব্যাপী কোন ভোট হয়না। যে যার মত আইন তৈরী করে, দেশ চালায়। আমি তো বলিনি might is right ঠিক। বলেছি এটা বাস্তব। আমেরিকাকে রঞ্জনদা রেপিস্টের সঙ্গে তুলনা করেছেন। আমেরিকা কিন্তু ইচ্ছা করলে অনেক দেশ নিজের পকেটে আনতে পারত। আজ যদি আমেরিকা সে¾ট্রাল আমেরিকার ছোট দেশগুলো নিয়ে নেয়, দুচারজন খুব খারাপ বলবে, কিন্তু আর কিছু হবেনা।
    তবু আমেরিকা নেয়না কেন ? তার কারণ, আট হাজার বোমা থাকা সত্বেও সে মনে করে তার মরাল অথরিটি আছে। সেটাকে সে ভ্যালু দেয়। কাজেই রেপিস্ট বা গুন্ডার সঙ্গে আমেরিকার তুলনা শিশুসুলভ। তার মনে এই নয় যে আমেরিকা অন্যায় করে পার পেয়ে যায়না।
    আমেরিকা কিন্তু ষাটের দশকে সবুজ বিপ্লবের আগে PL480 তে গম পাঠিয়েছিল ভারতে। আমেরিকা কৃপণ হলেও বহু দেশকে এইড দেয়। আমেরিকা কেন সব বড় দেশ -- চীন, ভারত, রাশিয়া চায় পৃথিবীকে ক®¾ট্রাল করতে।
    আমেরিকা রেপিস্ট নয়। আবার রামকৃষ্ণদেবও নয়। মাঝামাঝি।
    কেউ যদি আশা করে আমেরিকাকে রামকৃষ্ণদেব হতেই হবে, সে মুর্খের স্বর্গে বাস করছে।
  • lcm | ০১ জুলাই ২০০৮ ০১:৫৩400726
  • শ্যামল,
    মিত্তল আফ্রিকা-তে স্টিল ফ্যাক্টরি করছে, তাই, আফ্রিকার উন্নতির পেছনে ভারত - তুমি কি এগুলো সিরিয়াসলি লেখো, নাকি জস্ট ভাট মারার জন্য :-)
  • shyamal | ০১ জুলাই ২০০৮ ০২:১৩400727
  • এল সি এম,

    তুমি কিন্তু আমার লেখায় আজাইরা খুঁত ধরছ। ঠিক আছে, লক্ষ্মী মিত্তল ভারতীয় নাগরিক হলেও লন্ডনে থাকে। কিন্তু সে ও এন জি সির সঙ্গে জয়েন্ট ভেঞ্চার করে নাইজিরিয়ায় পরিকাঠামো তৈরী করছে আর বদলে তেলের ব্লক পেয়েছে। টাটারা গাড়ী বেচছে, পাওয়ার প্ল্যান্ট, হোটেল তৈরী করছে। বাকী আগের পোস্টে বলেছি।
  • cam | ০১ জুলাই ২০০৮ ০২:২৬400728
  • কী ভয়ংকর! প্রায় শখানেক বছর ধরে প্রচুর রাজস্থান গুজরাটের অধিবাসী প্রধানত ব্যবসার কারণে কেনিয়া নাইজেরিয়া তাঞ্জানিয়াতে আছেন ও প্রধানত লাভের কারণে ব্যবসা করছেন! তাহলে তো এদের জন্য আফ্রিকার উন্নতি বহু বহু বছর ধরেই হচ্ছে!(মানে ভারত যখন বিবেক সেজে প্যাঁপো করতো নিজের চরকায় তেল না দিয়ে তখনো তারা ছিলো পরে ভারতের টনক নড়ে যখন চরকায় তেল দিলো তখনো তারা একইভাবে আছে-এমনকি এসবের বহু আগে থেকে গান্ধী যখন নেহাৎ মোহনচাঁদ তখন থেকেই তারা চুটিয়ে ব্যবসা করছে তো! )
    হঠাৎ এতদিন পরে ভারতীয়দের ব্যবসায় আফ্রিকার উন্নতি?
    এ কি কান্ড? এটা কি কোনো নতুন তত্ব?
  • lcm | ০১ জুলাই ২০০৮ ০২:৩০400729
  • শ্যামল,
    না, না, আসলে তোমার কিছু কথা একদম জলের মতন পরিষ্কার। আবার, কিছু স্টেটমেন্ট ঠিক ধরতে পারি না। আমার বোঝার ভুল নিশ্চয়ই।
  • Paramita | ০১ জুলাই ২০০৮ ০২:৩৪400731
  • (কিন্তু আজাইরা বা আজিরে শব্দটা কদ্দিন বাদে শুনলাম! এর উৎপত্তি কারুর জানা আছে?)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে প্রতিক্রিয়া দিন