এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এফ ডি আই বিল: ইনফর্মড্‌ ডিবেটের অপেক্ষায়

    ranjan roy
    অন্যান্য | ২৪ নভেম্বর ২০১১ | ৪২৪৬৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২৬ নভেম্বর ২০১১ ২১:২০500867
  • আগে করা একটা প্রশ্ন আবার করে গেলাম :

    কিন্তু আমার একটা অন্য প্রশ্ন আছে।অএই সব রিটেইল চেন চালু না করে কি প্রাথমিক উৎপাদকের এক্সপ্লয়েটেশনের সমস্যা কমানো যায় না ?
  • pi | ২৬ নভেম্বর ২০১১ ২১:২৩500868
  • এই পিটিশনটাও এখানেই দেখেছিলাম।


    Despite Walmart's efforts to fight it, Bangladesh recently increased the minimum wage for garment industry workers to $43 a month. However, this is still a poverty level wage. This petition has been revised to ask Walmart to support the Bangladesh Center for Workers' Solidarity

    Wonder how Walmart can sell you $8.00 jeans? It's because the women who made those jeans were paid pennies to make them.

    The 2500 workers at the Anowara Apparels factory in Bangladesh make jeans, primarily for the Faded Glory brand of clothes sold at Walmart. They are 90% young women, some with families to support and others trying to simply scrape a living. The women have made between 11 and 17 cents an hour sewing jeans, and they're expected to produce at least ten pairs an hour.

    Recognizing the gross underpayment of these workers, the Bangladeshi government successfully raised the minimum wage for garment workers to $43 a month, despite Walmart lobbying against Bangladesh's efforts.

    But still, the employees of Anowara Apparels can't afford even basic living expenses on their salary of pennies an hour. They live in make-shift shacks, suffer from malnutrition, and have no source of heat other than burning wood. Dozens of workers and their families use a communal water pump for all their sanitation needs, from washing clothes and their bodies to drinking. Yet Walmart refuses to pay a living wage, so they can keep selling you $8.00 jeans at a high profit margin.

    Tell Walmart its time to stop exploiting the people who make their clothing and support workers' rights in Bangladesh.
  • h | ২৬ নভেম্বর ২০১১ ২১:৩০500869
  • বিটিডাব্লিউ, আমি রেস্তোর ওঠানামা অনুজায়ী মোটামুটি নিয়মিত এফটি, ইকোনোমিক টাইম্‌স, ইকোনোমিস্ট, অন্তত গোটা তিন চারেক বিজনেস পেজ/বিজনেস হেডলাইন পড়ে থাকি। হ্যা আমি পাগলের মত নানা দেশের ইংরেজি কাগজ পড়ি। বা আর এস এস ফিড পাই। অনুদিত মাল ও পাই। বন্ধু বান্ধব কিসু আছে। কমে এসেছে যদিও।

    এর মধ্যে মেন্‌স্‌ট্‌রীম চেনা পত্রিকা গার্ডিয়ান/ইন্ডিপেন্ডেন্ট আর হারিত্‌জ ছাড়া সকলেই বেশ কমফর্টেঅবলি পোলিটিকালি এক ই দিকে। অর্থনৈতিক বিষয়ে। ইকোনোমিস্ট পত্রিকা ক্লান্তিকর ভাবে প্রেডিকটেবল আনালিসিস দেন, তবে খবর ও অনেক কিসু দেন।
    কপাল ভালো থাকলে, ইউরোপীয় অ-ইংরেজি ভাষার প্রবন্ধের অনুবাদ ও পেলে পড়ি।

    তো এই আপদের পড়ায় যা শিখি নিয়মিত, বিদ্যের বাইরে থেকে, তার সংগে নিয়মিত পাওয়া এইচ আর মেলার আর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট কম্যুনিকেশনের পার্থক্য, দেশী বিদেশী নানাবিধ সরকারের ইকোনোমিক ভাষ্য, মায় ছোটো পত্রিকার ইদানীং বিতর্ক সবের মধ্যেই আশচর্য্য ইউনিফর্মিটি পাওয়া সঙ্কেÄও কেন এখনো এত গাঁটের পয়হা খচ্চা করি চাট্টি ইকোনোমিক নিউজ পাওয়ার জন্য সেটা আমার নিজের কাছেই আর ক্লিয়ার না।

    চাকরির থেকে প্রবন্ধ ইন্টারেস্টিং এইটা একটা কারণ হতে পারে।
  • h | ২৬ নভেম্বর ২০১১ ২২:১৯500870
  • এন্টায়ার সাপ্লাই চেন এর উপরে মোনোপোলি আসা টা কে যদিও ডিফেন্ড করার দরকার নেই, সেটা এমনি ই এসে যাবে, তবে মাঝে মাঝে লজ্জার মাথা খেয়ে বলা হয়ে থাকে, যে ব্যাকওয়ার্ড দেশের বাজারে যে সব ইনফর্মাল ক¾ট্রাক্ট থাকে, সেগুলো বাই ডেফিনিশন ভীষন এক্সপ্লইটেটিভ, সেগুলো ফর্মালাইজ করলে অর্থাত বিদেশি পুঁজি এলে ক¾ট্রাকচুয়াল অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। তো এটা বেশ হাস্যকর, কারণ সাপ্লাই ক¾ট্রাক্ট ফর্মালাইজ করতে বাধ্য করতে এখন কিসের অসুবিধে সেটা পরিষ্কার নয়।
  • pi | ২৬ নভেম্বর ২০১১ ২২:২৪500871
  • আগের পোস্টের এই লাস্ট লাইনটাই আমারো প্রশ্ন। কাল থেকে করে যাচ্ছি, কেউ তার উত্তর দ্যায় না :(
  • h | ২৭ নভেম্বর ২০১১ ০৭:৪৬500872
  • ভ্যালু চেন এর তলার দিকে, কর্পোরেটাইজেশন বাড়ানোর জন্য, যেটা করা হবে সেটা হল পিডিএস কুপন চালু হবে যেটা লোকে রিটেল স্টোরে গিয়ে কিনবে। এই কথা মন্টেক সহ অন্যান্য রা বহুদিন ধরেই বলছেন। তাতে এক ধাক্কায় পিডিএস ও এফ সি আই বিদায় ও হয়ে যাবে। যুক্তিটা সাধারণত হয় পিলফারেশন এর বিরুদ্ধে গৃহীত ব্যবস্থা হিসেবে। এবং সেই উন্নততর লজিস্টিক্স। উন্নততর স্টোরেজ।

    ইন ফ্যাক্ট এইবার টি এম সি র নির্বাচনের আগের ম্যানিফেস্টোর মধ্যে এই সব কথা কিছুটা লুকিয়ে চুরিয়ে দেওয়া আছে। রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার এর নাম করে। ফার্ম প্রডিউস প্রোকিওরমেন্ট এ এই ইনফ্রা গুরুঙ্কÄপূর্ণ। রুরাল রোডস আর ইরিগেশন হবে পিপিপি মডেলে। ইত্যাদি। তো তার টোলিং কি হবে না হবে তার কোন গল্প দেওয়া নাই। কৃষি বিপণন কেন্দ্র করা হবে বলা আছে, পিপিপি কোল্ড স্টোরেজ হবে বলা আছে, কিন্তু সারের দামে আর সহায়ক মূল্য সম্পর্কে নীতির কথা বিশেষ বলা কিসু নাই।

    হ্যাঁ গাধা ছাড়া সকলেই জানে, এই ম্যানিফেস্টো র নীতিগত ইম্পেটাস কে পপুলিজম দিয়ে ঢাকার দায়িঙ্কÄ দিদির ই থাকবে, তখন বিলিতি পি এইচ ডি আর উচ্চমেধারা কনফারেন্সে ব্যস্তো থাকবেন বা সরু হয়ে ওমা দ্যাকো আমার সরু সরু মেনস্ট্রীম মতামত এই জালিম হুমদো বামপন্থী দুনিয়ায় আক্রান্ত বলে কান্নাকাটি ও করতে পারেন।

    এই জিনিসটা আমার বেশ মজা লাগে। ছোটো পত্রিকা বা নির্বাচনের সামনে এসে ছোটো রাজ্য সরকার ওভার আর্চিং করে জনতার বড় অংশের কাছে পৌঁছোনোর জন্য অর্থনীতি বা সাহিত্য বা রাজনীতি তে মেন স্ট্রীম ধ্যান ধারনাকে অ্যাকোমোডেট করেন। লিবেরেল ডিবেটের স্বার্থে না করে উপায় ও নাই। আর বড় পত্রিকায় আর বড় জার্নালে কতগুলি লব্জ বা যাকে বলে বিশেষ apolitical বৈশিষ্ট না থাকলে মাল ছাপাই হয় না।
  • a | ২৭ নভেম্বর ২০১১ ০৮:০৬500873
  • ওয়ালমার্টের মডেলটার বিশদ ও দিন না কেউ?
  • rupankar sarkar | ২৭ নভেম্বর ২০১১ ২২:৫৩500874
  • দুটো কথা বলি, প্রথমে রঞ্জনবাবুর কথায় আসি, আমি কিন্তু এসবিআই অফিসার্স অ্যাসোসিয়াশনে খুব অল্প সময়ের জন্য একটা আলঙ্কারিক পদে ছিলাম। বরঞ্চ ওদের সঙ্গে আমার বিরোধ ছিল সাংঘাতিক। তার ফলও ভুগেছি ভালরকম। যাক সে কথা, আমি আসলে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশনের কিছু দায়িত্ব পেয়েছিলাম, এবং প্রচূর জনসেবা করেছি সেই সুবাদে। আপনি বোধহয় আমার ডিফেন্স কাউন্সেলে থাকা নিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন। আসলে আমাদের ব্যাঙ্কে ডিফেন্স করতে পারে তিন রকম লোক, এক) অভিযুক্ত নিজে, দুই) ইউনিয়নের ঠিক করে দেয়া লোক( তারাই সংখ্যায় বেশী), তিন) অন্য কেউ, যার ওপর অভিযুক্তের আস্থা আছে। আমি তৃতীয় দলে। অবশ্য প্রোফেশনাল উকিলও লাগানো যায়, তবে কেউ লাগায়না। আমি সম্পূর্ণ উলটো দিকে, অর্থাৎ প্রসিকিউশনের দিকেও কেস করেছি। এর পরের অংশে আসল ডিবেটে আসছি।
  • rupankar sarkar | ২৭ নভেম্বর ২০১১ ২৩:৩৫500875
  • কথা হচ্ছিল মল নিয়ে। এখন প্রশ্ন হল, শপিং-এর ব্যাপার হলে মল আর দার্জিলিঙেরটা ম্যাল কেন? আসলে মল হল গিয়ে দুই প্রকার, বাংলা মল তো জানাই আছে, ছ্যা:। আর ইংরিজিতে মল হল, এক ধরণের মহিলা, যারা মাফিয়া ডন টনদের রক্ষিতা। প্রমিনেড গোছের ঘুরে বেড়াবার জায়গা হল, মওল বা ম্যাল, দুটৈ চলবে। তা সারা ভারতের বিভিন্ন শহরে ঘুরে দেখেছি ম্যাল খুবই কম, বেশির ভাগই সুপারমার্কেট। কলকাতায় ম্যাল বোধকরি গোটা দুয়েক আছে।

    এই সুপারমার্কেটের ( গোড়ায় আলোচনা অবশ্য ছিল এফ ডি আই নিয়ে ) প্রভাবে খুচরো দোকানদারদের ব্যাবসা কি লাটে উঠবে ? আমার তো তা মনে হয়না। এক এক শহরের এক এক চরিত্র। যেমন ধরা যাক দিল্লী। সুপারমার্কেটগুলো গজিয়ে ওঠায় লাজপ্‌ৎ নগর, পাহাড়গঞ্জ, ক্যারলবাগ, চাঁদনি চক বা কনট প্লেসের ওপর কি বিন্দু মাত্র প্রভাব পড়েছে ? বেঙালুরুতে আমার মেয়ের বাড়ি যখন যেতাম, রাস্তার দুধারে দোকান, গড়িয়াহাট হার মেনে যাবে। সুপারমার্কেটে উঠে দেখেছি, রাস্তায় বরং সস্তা। কলকাতায় আমার পাড়ার রাস্তায় তিরিশফুট দূরে দূরে একটা করে মনোহারি আর মুদীর দোকান, একটাও ওঠেনি, রম রম করে চলছে কিন্তু ঝাড়ুদারের গাড়িতে আবর্জনার প্যাকেট হিসাবে যা পড়ে বিভিন্ন নতুন গজিয়ে ওঠা ফ্ল্যাট থেকে, তা সবই কোনও না কোনও সুপারমার্কেটের ছাপ মারা ক্যারি ব্যাগ। আমিও মাসে এক বার করে সুপারমার্কেট যাই কিন্তু যা কিনি, তা হাজার মাথা খুঁড়লেও পাড়ার দোকানে কিংবা স্থানীয় বাজারে পাওয়া যাবেনা। অবশ্য আলোচনার এক জায়গায় পড়লাম, লোকে অফার টফারের লোভে প্রচূর অপ্রয়োজনীয় জিনিষ কেনে। একথা অক্ষরে অক্ষরে সত্যি।
    যাক আজ কাগজে এক মজার খবর আছে। এফ ডি আই দের প্রবেশাধিকারের শর্ত থাকবে ন্যূনতম ৩০% স্থানীয় এস এম ই থেকে সারভিস করতে হবে, এই কড়ারে নাকি সাংসদরা সম্মতি মূলক ভোট দিয়েছিলেন। মালটা পাস হয়ে যাবার পর দেখা যাচ্ছে, তেমন কোনও শর্ত টর্ত নেই। হাসব না কাঁদব আগে ঠিক করে নিই, পরে জানাচ্ছি।
  • dd | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১০:০২500877
  • আরে ধুর ! এই ওয়ালমার্ট এক নিছকই জুজু। এখন হাতে আর কোনো ইস্যু নেই তো এটা নিয়েই বাজার গরোম হছে। এ বলে বন্ধো করে দেবো তো সে বলে আগুন লাগিয়ে দেবো।

    আরে আমাদের দেশ কি আম্রিগা?
    এখানে প্রত্যেক পাড়ায় পাড়ায় কিরানা দোকান, সব্জী বাজার,ফল পাকুর ইত্যাদি হাতের মুঠোয়। গত আট দশ বছর ধরে ছোটো বড় কতই তো এমন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর হলো, আমাদের অভিজ্ঞতা কি? বাকী সব ছোটো দোকান উঠে গেলো? এরকম দেখেছেন না কি কেউ ?

    আমাদের গাড়ী নেই যে দমাদম দশ বিশ কিলো মিটার হাঁকিয়ে শহর থেকে দুরে শপিং মলে চলে যাবো হুটহাট। পেট্রোলো ও অসম্ভব মাগ্গি।

    বাড়ীতে বাড়ীতে নেই ডীপ ফ্রিজার যে ছয় সাত মাসের মাছ মাংস কিনে রাখবো।

    আমাদের অটো করে যেতে হয়, বাড়ীর ফ্রীজে সব সময়েই যায়গা অকুলান। বাইরে তরী তরকারী রাখলে পচে যায়।

    এই সব গুলো পয়েন্ট ধরুন না। তবেই বুঝবেন ওয়ালমার্ট এলেই এই সব কিছুই হু হা বদলে যাবে না।
  • siki | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১০:৩৯500878
  • আজ থেকে নয়। গত ছ বছর ধরে আমাদের বাড়ির চারপাশে গজিয়ে উঠেছে বিগ বাজার, ভিশাল মেগামার্ট, মোর, ইজি ডে, রিলায়েন্স ফ্রেশও খুলেছিল, মায়াবতীর হুড়কো খেয়ে বন্ধ হয়ে গেছে, আর আছে স্পেন্সার্স হাইপারমার্ট।

    তো কী? কোনওদিনও সবজি কিনতে ঐখানে যাই না, আমাদের সেক্টর চারের ঠেলাওলাদের কাছে ওচ্চেয়ে অনেক ফ্রেশ সবজি অনেক সহজে কিনতে পারা যায়। ট্রলি নিয়ে লাইন দিতে হয় না, মোটরসাইকেলে বসে বসে আলু বাছা যায়, পেঁয়াজ বাছা যায়, ক্রেডিট কার্ডে হয় তো পে করা যায় না, কিন্তু লাইনেও দাঁড়াতে হয় না। খামোকা মলে গিয়ে ফ্রোজেন সবজি কিনব কেন?
  • ppn | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১০:৫০500879
  • ডিডিকে বড় করে ক।

    লুরুতে নিজের চোখে দেখা ছোট ছোট সব্জিবিক্রেতারা বাল্কে সব্জি বিগবাজার বা রিলায়েন্স ফ্রেশ থেকে কিনে নিয়ে যেতে। কিনে নিজের প্রফিট রেখে বেচে। প্রচুর লোকে এখনো কেনে তাদের থেকে।

    আর শাকসব্জি ইত্যাদির দামই যা দেখেছি বাইরের থেকে শস্তা। চাল ডাল বাল্কে কিনলে শস্তা। কিন্তু ঘরে জায়গা কই অত জিনিস বাল্কে কিনব?

    অন্যান্য জিনিসের দাম মোটেও শস্তা নয়।
  • pharida | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১১:৫৮500880
  • শনিবার সকালে আমি সারা সপ্তাহের সব্জী কিনি - দুটো অপশন থাকে -নতুন খোলা ঝাঁ চকচকে "ইজি ডে" আর তার বদলে বাজারে বসে থাকা সবজীওয়ালা। এই দুটো জায়গার ভালো মন্দ বলি আগে, তারপর কিছু মন্তব্য করব -
    ১ কেনাকাটার সুবিধা - ইজি ডে অনেক এগিয়ে, আস্তে আস্তে গান বাজছে, সব্জীগুলো নিতে ঝুঁকতেও হচ্ছে না। গরমে ঘামতে হচ্ছে না - রাস্তায় বসা সব্জীলা ফেল।
    ২ দাম আর সব্জীর কোয়ালিটি - একই সবজী (এদিকের লোকে আনাজ বলতে চাল আটা গম বোঝেন, তাই এখন বাড়িতেও সবজী ই বলি আনাজদের) রাস্তায় দাম একটু বেশি - আগের হপ্তায় দাম করে গেছে বলে বড় বড় টাটকা ফুলকপি পেলাম ৫.৯০ টাকা প্রতি কেজি দরে - সেই একই কপি রাস্তায় তখোনো কুড়ি টাকায় বিকোচ্ছে।

    এইজন্য সুবিধা পেতে ইজি ডে তে সকাল সকাল যেতে হয় - পরে গেলে ঝড়তি পড়তি জিনিস পড়ে থাকে একই দামের জামা গায়ে।

    ৩ সব্জী আনার সময়ে যদি তার সঙ্গে আমায় বাসন মাজা পাউডার, বিস্কুট, দুধ আর টুথপিক কিনে নিয়ে যেতে হয় তবে চার জায়গায় ঘোরাঘুরির বদলে ইজি ডে তে থামলেই সুবিধা।

    ৪ কিন্তু সেই মলে সব ধরণের সজী পাওয়ার চান্স কম - পটল, ডাঁটা, কাঁচা পেঁপে, এই ধরণের টিপিক্যাল সব্জী থাকছে না সেখানে।

    এইসব গুলো দেখে "শুধু নিজেরটুকু বুঝি" - আমি ইজি ডে তে যাই, সময় বাঁচে, পয়সাও। কিন্তু ভাবতে গিয়ে দেখি দিনের পর দিন চলতে থাকলে রাস্তার সবজীওলা গুলো কমতে থাকবে চড়াইপাখির মতো - সে নয় আমি আর ডাঁটা কাঁচা পেঁপে খাওয়া ছেড়ে দেবো। তার পরে ভাবি - রাস্তার দোকান না থাকলে শুধু পড়ে থাকবে ইজি ডে আর আরো কিছু মল - তখন তারা ৫.৯০ টাকাকে ৫৯.০ টাকা করলেও আমি কিনতে বাধ্য থাকব।

    আরো একটা কথা থাকে - যার ছোটো ব্যবসা তাকে কিছু লাভ না রেখে চললে কম খেয়ে থাকতে হয় - বেশি পুঁজি যার আছে সে বেশ কিছুদিন মূলধনের যোগান দিয়ে যেতে পারে বাজার দখল করার জন্য সেটাই ভাবি। ব্যবসাকে জুয়া ধরলে পরিষ্কার হয়ে যায় জুয়াতে সেই লোকটার জেতার সুযোগ বেশি যে বশি টাকা নিয়ে খেলতে আসে।

    আমি এখন কী যে করি !!
  • ranjan roy | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৩:২৪500881
  • পাই ও হনুর লেখা পড়ে:
    না, পাই, ডকু ফিল্মটি পুরো খোলেনি। হয়তো ২০% দেখতে পেয়েছি।
    তাই মন দিয়ে পড়েছি EPW ও সেন্টার ফর অল্টারনেটিভ পলিসি রিসার্চের প্রবন্ধগুলো।
    এক,ইপিডব্লু'র এম্পিরিক্যাল স্টাডি মুম্বাইয়ের বড় মলগুলোর এক কিলোমিটার রেডিয়াসের মধ্যের থাকা র‌্যান্ডমলি সিলেক্টেড গোটা আশি রিটেল শপ নিয়ে।
    এর থেকে যে কনক্লুশন অর্থাৎ ছোট দোকানের আশি প্রতিশত কাছাকাছি থাকা বড় মলের প্রভাবে বন্ধ হবার নয়তো ষাট প্রতিশত বিজনেস হারনোর অবস্থায় পড়েছে এ নিয়ে তো কোন দ্বিমত নেই।
    আমি আমার পোস্টে বলেছি একমাত্র শহুরে দোকানদারের একাংশ, যারা ওই বড় শপগুলোর প্রত্যক্ষ প্রভাবে পড়বে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কিন্তু আমার যে মূল বক্তব্য, অর্থাৎ ভারতের বিশাল আন-অর্গানাইজড রিটেল সেক্টর, বিশেষ করে ছোট শহর বা গ্রামীণ এলাকার দোকানগুলোয় কোন সিগনিফিক্যান্ট প্রভাব পড়বে না, তা এই স্টাডিতে কোথায় খন্ডিত হচ্ছে?
    দ্বিতীয় প্রবন্ধটি বরং বিশেষ মনোযোগের দাবি রাখে। সে কথায় পরে আসছি।
    দুই,হনু বলছেন যে সুতোর টাইটেল দেখে যে --এ'ব্যাপারে ইনফর্মেশন যথেষ্ট নেই এমন মনে হচ্ছে, যেটা ভুল।
    আমি স্পষ্ট করি --টাইটেলটার দুটো উদ্দেশ্য। প্রথম, আমার কাছে ইনফর্মেশনের অ্যাক্‌সেস নেই,- কম্পূ স্যাভি নই, ৩৬গড়ে থাকি, ইত্যাদি।
    দ্বিতীয়, এটা যেন অন্য গোটা দুই টইয়ের মত নিজ নিজ স্পর্শকাতর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীর জন্যে খেউড়ে, ব্যক্তিগত আক্রমণে পর্যবসিত না হয়। রাজনীতিকে এড়িয়ে যাওয়ার প্রশ্ন নেই, উচিৎ ও নয়। কিন্তু যেন ইকনমিক ডেটা ও লজিক প্রাধান্য পায়, তারপর নিজ নিজ পক্ষাবলম্বন। কারণ, এর ফল সুদূরপ্রসারী।
  • ranjan roy | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৪:৩৭500882
  • তিন,
    হনু বলচেন প্রাইভেট বনাম পাব্লিক সেক্টর ডিবেটের কথা। না, অমন জেনারালাইজ ডিবেট( সেই আর্ট ফর আর্ট'স্‌ সেক এর মত) আজকে ক্লিশে।
    কোন সন্দেহ নেই যে একটি ফার্ম বা কোম্পানি, প্রাইভেট বা পাব্লিক, এফিশিয়েন্ট বা ইনএফিশিয়েন্ট দুটৈ হতে পারে, যথেষ্ট উদাহরণ আছে,
    চার, লোক সরকারি চাগ্রি করতে চায় না? তার জন্যে পুলিশের উদাহরণের কি দরকার?
    লোক প্রথমে একটি নিশ্চিত জীবন চায়, তাই নীচের দিকে সরকারি চাকরিই ফার্স্ট প্রায়োরিটি। কিন্তু সরকারি চাকরি পাওয়া যাচ্ছে কোথায়? কোথায় আমাদের সময়ের গন্ডায় গন্ডায় কর্মখালি? এখনো সাধারণ পরিবারের ছেলেমেয়েরা জীবনে সফল হবার চাবিকাঠি বলতে ভাবে গেজেটেড অফিসার হওয়া, রেলের চাকরি ইত্যাদি। তাই আজকাল ইঞ্জিনিয়ার/ডাক্তার হওয়ার এϾট্রপয়েন্‌ট্‌জন্যে কোচিং- কারখানার সঙ্গে আই এ এস/ পি এস সি/ রেল ইত্যাদির কোচিং ও রমরমিয়ে চলছে।
    কিন্তু ডাক্তার স্বপ্ন দেখেন অতি অল্পসময়ে নিজের চেম্বার থেকে পার্টনারশিপে নার্সিং হোম খুলতে। তাই জীবনসঙ্গিনী ও ডাক্তারদের মধ্যেই খোঁজা, ব্যতিক্রম নিয়মকেই পুষ্ট করবে।
    কিন্তু যাঁরা নামিদামী কলেজ বা ইনস্টিট্যুশন থেকে আই টি বা ম্যানেজমেন্ট একস্পার্ট হয়ে বেরোচ্ছেন তাঁরা নিশ্চিত যে তাদের জন্যে চাকরি অপেক্ষা করছে। তাদের ইনসিক্যুরিটি নেই। ফলে তাদের চিন্তায় কে বেশি ভাল প্যাকেজ দেবে? ফলে পাব্লিক সেক্টরের দিকে ফিরেও তাকান না। আই আই এম, আই আই টি, ন্যাশনাল ল' এগুলোর পাস আউটদের দেখলেই ব্যাপারটা স্পষ্ট হবে।
  • h | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৪:৫৫500883
  • ranjanda, iamsureyouareseriouslynotsaying, theeffectsofFDIinretailisgoingtobelimitedwithinacertainurbangroupofconsumersandretailers.thefallacyofyourarguementisyoucannotcontinuetowearthehatofurbanconsumersandclaimthatthemonopolyinpricing, contractfarming, seedtechnologychoices, tollinginruralinfrastructureandlogisticswillbelimited.youneedtowearafewotherhatstodothat.andbytheway, Imentionedpublicsectorvsprivatesectordebateonlyincontextofparticipationininfrastructureandinconstrastwithwhatcanclearlybeseenasconstructedpopularopinionagainststateparticipation.wecouldalsomentioncreditvswagedebateinthepassingaswellbutthatwouldbeadigression.thestrengthofpoliticaleconomyasinasetofargumentsisinitsgeneralitywhereasthisdebatecurrentlyiseitherlntermsofconsumerchoiceor 'limited' strengthofforeigncapital.arewehavingalaugh? itisacriminaloffenceyouknow, inabsenceofproperdrinkingoptions.
  • ranjan roy | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৪:৫৯500884
  • পাঁচ,
    আশকথা-পাশকথা ছেড়ে মূল গল্পে ফিরে আসি।
    বিপ্লব- হনু এবং পাই পর্য্যাপ্ত ইনফর্মেশন দিয়েছেন ওয়ালমার্ট জাতীয় দানবদের আমেরিকা ও ইউরোপের কার্যকলাপ নিয়ে।
    আমার একটাই বক্তব্য:

    অ), যেমন ইউরোপের বিপ্লবের মডেল আমাদের দেশে কার্বন কপি ঢঙে প্রযোজ্য হতে পারে না, তেমনি রিটেল দানবদের আগ্রাসন ভারতের মার্কেটে তেমনি এফেক্টিভ হতে পারবে না। এইজন্যে নয় যে ভারতে এসে ওরা বুদ্ধদেব হবে, এইজন্যে যে ভারতের ইন্‌ফ্‌রাস্ট্রাকচার, ক্লায়েন্টেল গ্রুপ টেস্ট, লজিস্টিক প্রবলেম ওদের থেকে আলাদা। ঠিক যে কারণে ইম্পোর্টেড রোলস্‌ রয়েস ভারতের গাঁয়ের রাস্তায় রাজদুত মোটরসাইকেলের সঙ্গে দৌড়ে হারবে।
    হাতে গরম উদাহরণ, আমেরিকায় লেম্যান ব্রাদার্স ও সমধর্মী ব্যাংকিং সংস্থার হাউসিং, রিয়েল এস্টেট ও অন্যান্য ডেরিভেটিভের ওপর ফাইন্যান্সিং ডুবতে শুরু করায় যে ধ্বস নামলো তার এফেক্ট ভারতের এই সেক্টরে তেমন ভাবে পড়েনি।
    কারণ, ভারতের রুলস্‌ অফ দ্য গেম্‌স, প্লেইং ফিল্ড কিঞ্চিৎ আলাদা।
    ব) আমি যদ্দূর জানি ভারতে ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল ইন্স্যুরেন্স ইদানীং বেশ শক্তপোক্ত ও ব্যাপক। লোকে ক্লেইমস্‌ ও পাচ্ছে।
    ক্যাশ ক্রপের মার্কেটিং আরো ভালো হওয়া দরকার। না হওয়ায় বিদর্ভ ইত্যাদি হচ্ছে।
    স) জায়ন্টের আগমনে কম্পিটিশনের ফলে দেশি প্রযুক্তির উন্নতির ব্যাপারে অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রির প্রসার এর উদাহরণটা খুব "ঘুরায় হাসবো' গোছের দিলাম কি?
    আর ব্যাংকিং এর টেকনিক্যাল উন্নতি? যেটা নিয়ে রূপংকরদাকে বলতে অনুরোধ করছি। বড় ব্যাংকের কথা ছেড়ে দিন, সাবসিস্টেন্স স্তরে বেঁচে থাকা আমাদের গ্রামীণ ব্যাংকগুলোও এখন কম্পিউটারাইজড, কোর ব্যাংকিং
    সুবিধাযুক্ত। এই কম্পিটিশন না হলে দুবছর আগেও এই পরিবর্তন স্বপ্নেও ভাবতে পারতেম না। আর চাকরি যায় নি।উল্টে নতুন প্রজন্মের ছেলেগুলোর বড় করে রিক্রুটমেন্ট হচ্ছে। ব্যাংক গুলো প্রফিটে চলছে, ব্যাড ডেট বিশেষভাবে কমেছে।
  • h | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৫:১১500885
  • ranjanda, Ireckonyouarestillthinkingintermsofnationaleconomiesandyetyouareexpectinginvestmentsfrombruisedinternationaleconomies.
    Iwillrecommendreading.sorryisoundasifIamanexpert.Iamnotandyouareandyouarearetailbankeraswell.myrequestisthatifyoucaretoreadaboutriskmanagementintermsoflimitationofoldriskmodelsyouwillseetheriskmodelsthatusedtoworkbeforearefallingapartnowpreciselybecauseofthisdenialofconnectedness.
    alsopleasereadthevariousversionsthebasleiiiandsolvencyiiandfrankanddodddrafts.iwouldrequestyoutolookforgradualdilutionswithclearintentonmakinglightofthoseimmenserecentdamagesthattheworldoffinanceisstillreelingfrom.
    IacceptIsoundlikeasifIhavepolicyprescriptionsinhandtoprotectoureconomy, theintentisdamagecontrol.protectingmultibrandandallowinghi-endsinglebrandissuchameasuremwhichiswhatthequestionis.thesocalledurbanlimitsworkmoreincaseofhighendsinglebrandsratherthanthemultibrandcase.politicaldebateisafunnything, iamsureiwillbetoldoffforhavingtowriteinenglishnow:-) allthisandnowhiskey, yourealisehowdifficultitisgetting.
  • h | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৫:১২500886
  • ranjanda, Ireckonyouarestillthinkingintermsofnationaleconomiesandyetyouareexpectinginvestmentsfrombruisedinternationaleconomies.
    Iwillrecommendreading.sorryisoundasifIamanexpert.Iamnotandyouareandyouarearetailbankeraswell.myrequestisthatifyoucaretoreadaboutriskmanagementintermsoflimitationofoldriskmodelsyouwillseetheriskmodelsthatusedtoworkbeforearefallingapartnowpreciselybecauseofthisdenialofconnectedness.
    alsopleasereadthevariousversionsthebasleiiiandsolvencyiiandfrankanddodddrafts.iwouldrequestyoutolookforgradualdilutionswithclearintentonmakinglightofthoseimmenserecentdamagesthattheworldoffinanceisstillreelingfrom.
    IacceptIsoundlikeasifIhavepolicyprescriptionsinhandtoprotectoureconomy, theintentisdamagecontrol.protectingmultibrandandallowinghi-endsinglebrandissuchameasuremwhichiswhatthequestionis.thesocalledurbanlimitsworkmoreincaseofhighendsinglebrandsratherthanthemultibrandcase.politicaldebateisafunnything, iamsureiwillbetoldoffforhavingtowriteinenglishnow:-) allthisandnowhiskey, yourealisehowdifficultitisgetting.
  • h | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৫:১৫500888
  • *disconnectednationaleconomies
  • ranjan roy | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৫:২২500889
  • ড) গুটিয়ে আনছি। ডিডির সঙ্গে গলা মিলিয়ে বলছি ভারতীয় কন্ডিশনের এম্পিরিক্যাল স্টাডি চাই। এটা EPW এর প্রবন্ধটিও বলছে। এবং উইথ সাম রাইডার, যেমন পাই বলেছেন আনতে বলছে।
    ই) সিকি/রূপংকরবাবু/ফরিদার অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে বলছি একটু দূরের লোক ওয়ালমার্টে না এসে পাড়ার দোকানেই আসবে। নইলে পড়তা পোষাবে না, না দামে, না যাতায়াত খরচা ও সময় নষ্ট ইত্যাদি।
    কাজেই টেস্ট ম্যাচও চলবে, আই পি এল ও চলবে-- ভারতীয় কন্ডিশনে।
    পাইকে বলছি বাংলাদেশের স্টাডি এটা বলছে না ওয়ালমার্টের আগে একই কাজ করতে সেলাইয়ের মজুরি কত ছিল? বা বাংলা দেশে এই স্কিল লেভেলের জন্যে মিনিমাম ওয়েজ কত ছিল? তাহলে আর্গুমেন্টটা দাঁড়াত।
    সেদিন ২৪ ঘন্টা চ্যানেল দেখাচ্ছিল যে বঙ্গে আলু ও ধান চাষের কি অবস্থা। ধানেতে উৎপাদন ব্যয় ও বিক্রয় মূল্য সমতুল্য। অর্থাৎ এই চাষেতে দু'মুঠো খাবার সংস্থান কোনরকমে হবে। আর আলুর দাম উৎপাদন মূল্যের চেয়ে সামান্য বেশি। ওদের ক্রমশ: আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। এইখানেই যদি নিয়মিত সাপ্লাই চেইন আসার ফলে ওরা এর চেয়ে বেশি দাম পায় তাহলে খেয়েপরে বাঁচবে কি না?
    পাইয়ের প্রশ্ন-- ""এই তবে শেষবেলা? হে ভূমিশায়িনী শিউলি, আর কোনই সান্ত্বনা নেই?''
    না, সমাধান আমার জানা নেই। খুঁজছি। শ্রী-পদ্ধতিতে উৎপাদন দ্বিগুণ করা আদ্দেক উত্তর। কিন্তু মার্কেটিং ও প্রাইস?
    সমবায়, সরকারি কোল্ড স্টোরেজ? হয়তো।
    কিন্তু এর জন্যে চাই রাজনৈতিক সদিচ্ছা। কোন সরকার করবে? কং? ঘাসফুল? বাম? তাহলে আর আমলাশোল-জঙ্গলমহল দেখতে হত না।
    কাজেই প্রশ্ন হচ্ছে এই বাজারি ব্যবস্থার মধ্যে কোথায় কোথায় একটু খেলার জায়গা আছে সেই স্পেসটাকে খোঁজা। সেটাই বোঝার চেষ্টা করছি।
    অল্টারনেটিভ পলিসি গ্রুপের মূল্যবান আর্টিকল্‌ কিছু চেষ্টা করছে। ওদের আরো লেখা পড়তে চাই, কিনতে চাই।
    ওনাদের দেয়া আর একটি মূল্যবান সাজেশন হল, নতুন নয় কিন্তু বর্তমান সন্দর্ভে অনেক বেশি তাৎপর্য্যপূর্ণ, সার্ভিস সেক্টরের ওপর বোঝা কম করে ইন্ডাস্ট্রির দিকে জোর দেয়া।
    ছয়,
    এত বকবক করেও হনু-পাই- ন্যাড়ার একটি কথা/তথ্য ও
    যুক্তি ভাবাচ্ছে। তা হল আস্তে আস্তে সাপ্লাই চেইনের ওপর মনোপলি বা অলিগোপলিস্টিক নিয়ন্ত্রণ করে ইকনমিকে হিন্দিতে যেমন বলে একেবারে টিতর-বিতর করে দেয়ার সম্ভাবনা।
    এটা ভারতে সম্ভব কি? এখানে এগ্রিকালচারাল সেক্টর ইউরোপ আমেরিকা থেকে অনেক বড়। অনেক বেশি
    বিকেন্দ্রীকৃত। ক্রেতা রা হোমোজিনিয়াস নয়। কি করে পারবে? কিন্তু যদি পারে?
  • lcm | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৫:২৮500890
  • h এর পোস্ট থেকে রিটেইল চেইন ঢুকলে মেইন প্রবলেমটা ঠিক কী তা ক্লিয়ার হল না।
    এখন ভারতে গড়ে প্রতি আধ ঘন্টায় একজন করে চাষী সুইসাইড করছেন - এর থেকে খারাপ কোনো অবস্থা হবে - আশংকা কি তাই?
    নাকি, মনোপলি নিয়ে আশংকা। বিগ রিটেইল কি ছোট বিক্রেতাদের কিছু বেচতে দেবে না - এরকম কোনো আইন পাশ হল নাকি? আর রিটেইল চেইনগুলোর মধ্যে প্রাইস কম্পিটিশন থাকবে না - মানে মনোপলির কতটা রুম থাকবে?

    ধরা যাক মনোপলির জায়গা থাকছে। কিন্তু এখন কী হচ্ছে। ধরো আলু। কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা এখন মনোপলি করছে - প্রাইস ম্যানিপুলেশন/ক®¾ট্রাল নিজেদের হাতে রাখে। চাষী আর খুচরো বিক্রেতার কোনো ক®¾ট্রালই নেই। সরকার কখনও হস্তক্ষেপ করে। কিন্তু, স্টোরেজ মালিকদের থেকে ক®¾ট্রাল নিতে পারে না। মনোপলি এখনও আছে।
  • ranjan roy | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৫:৩৩500891
  • এই জন্যেই তোমাকে ভালবাসি হনু, এই জন্যেই।
    আমি জানতে চাই, এবং খুব সামান্যই জানি। অনেক ধন্যবাদ!
    আমি কখনই শেষ কথা জানার ক্লেম করিনা।
    ( শালার প্রথম কথাই জানিনা তো শেষ কথা। বাসলে কনভেন্‌শনের II পড়েছি, ওই ক্যাপিটাল অ্যাডিকোয়েসি নর্মস ও একস্পোজার লিমিট নিয়ে। তিনেরটা পড়িনি।
    হ্যাঁ, আমি আজকে আমাদের দেশে ওয়ালমার্ট দোকান খুললে কতটা ক্ষতি হবে শুধু তাতেই ফোকাস রেখেছিলাম।তুমি ও বিপল্ব মূলত: রিটেলে মনোপলির ভয়াবহতা নিয়ে বলছিলে, সে নিয়ে বোধহয় কারুরই দ্বিমত নেই
    আর আমার বয়েস-টয়েস ভুলে গিয়ে যখন যেটা আমার পড়ার দরকার মনে হবে নিশ্চয়ই বলবে -- খুব খুশি হব।
    এইভাবেই রঙ্গনের পরামর্শে অমিত ভাদুড়ির বই এবং স্টিগলিজের একটা চমৎকার বই পড়া হল। তার সঙ্গে মিল্টন ফ্রিডম্যানের (ধ্বস নামার আগে লেখা) মার্কিন ইকনমিকে আরো ফ্রি এবং প্রায় জিরো ট্যাক্সেশন স্টেট করার পক্ষে যুক্তিবিস্তারের বইটি।
    অনেক ধন্যবাদ।
  • maximin | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৭:০২500892
  • লসাগুকে ক।
  • bb | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৮:৪১500893
  • @LCM ভারতে এই সব oligoploy কে control করার জন্য একটা করে নীতি নির্ধারক কমিটি থাকে, যাদের কাজ এটা দেখা যে কোনরকম cartel বা monopolistic ব্যবস্থা না করেম হয়, যেমন TRAI ইত্যাদি। কিন্তু কর্পোরেট লবি এগুলিকে কুক্ষিগত করে ফেলে, উদা 2G স্পেক্ট্রাম কেলেংকারী। সুতরাং এই প্রাইস কম্পিটিশন ব্যাপারাটা এখানে অনেকটাই manipulated। এর আরেকটি উদাহরণ হল sugar এর MSP বা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ কমিটি।
    একমাত্র ইস্পাত-শিল্পই অনেকটা de-controlled
  • aka | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ১৯:৫৯500894
  • প্রথম কথা, এ বিষয়ে কিছুই জানি বুঝি না, কিন্তু তাও নাক গলাতে দোষ কি?

    ডিডিদার কথা বেশ যুক্তিপূর্ণ মনে হল। ওয়ালমার্ট আম্রিগায় যত সফল রুরাল চায়নায় নয়। কারণগুলো ডিডিদা যা বললেন তা তো আছেই তার সাথে যে সাপ্লাই চেন আম্রিগায় এস্টাবলিশড করে শস্তায় মাল দেয় তা ভারতে এমনকি কলকাতায় করাও একটু কষ্টকর। ওয়ালমার্টের তাকে কলগেট পেস্ট আছে কিনা? বা কবে কতটা রিফিল করতে হবে এই সিদ্ধান্ত বা ম্যানেজমেন্ট ওয়ালমার্ট সাপ্লায়ারের হাতে ছেড়ে রেখেছে। ওয়ালমার্টের ক্যাশ রেজিস্ট্রারে একটা কলগেট কমলেই সাপ্লায়ার জানে জে একটা কমল। এই সাপ্লাই চেন এস্টাবলিশড করতে সময় লাগবে। একটা কি দুটো ওয়ালমার্ট হলে জুজু দেখার কিছু নেই। ভারতের ওয়ালমার্ট আর আম্রিগার ওয়ালমার্ট এক নয়।
  • h | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ২২:৪০500895
  • lcm @ 281120110328, একটা জিনিস লক্ষ্য করতে অনুরোধ করি। আমি কতগুলো সুইপিং স্টেটমেন্ট করেছি এই প্রসঙ্গে, তোমার মনে রাখা সম্ভব না, তবে বলে নেই যে, এটা আমি আনইম্পর্টান্ট/ইনসিগনিফিকান্ট লেখক হওয়া সঙ্কেÄও সাধারণত: করি না। এটা করেছি একটাই কারণে, এই রিটেল মাল্টি-ব্র্যান্ড এফ ডি আই বস্তুটা এমন একটা সময়ে ই®¾ট্রাডিউস করা হচ্ছে, যে আমার মতে, ভারতীয় খুচরো ব্যবসায়ীদের উপরে এবং চাষীদের উপরে আক্রমণ টা বেশ ব্যাপক।

    হ্যাঁ ছোটো বিক্রেতা দের বড় স্টোর রা কিছু বিক্রি করতে দেবে না এমন কোনো আইন পাশ হয় নি। তোমার কর্নার স্টোরে হয়তো একটু কম ভ্যারাইটি তে তোমার বড় স্টোর এর সব কিছুই পাওয়া যায়। কিন্তু তুমি কর্নার স্টোরে রাত বিরেতে বিয়ার/সিগারেট কেনা ছাড়া কখন যাও। এটা উদা মাত্র। আর এটা বোঝা দরকার সরাসরি আইন না থাকলেও এমনি্‌ক সরাসরি মোনোপোলি বিরোধি আইন থাকা সঙ্কেÄও, ভার্টিকাল কনসোলিডেশন কোনো বিজনেসে আটকায় না। উদা খুঁজতে খুব বেশি পরিশ্রম হওয়ার কথা না। প্রশ্নটা বাজারে কোন প্লেয়ার দের আমি সরকারে থেকে, যেখানে আমার লেজিটিমেসির মূল দাবী হল কিনা আমি হলাম, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বানিয়ে থাকি, সেখানে কোন প্লেয়ারদের আমার পলিসি ফেভার করবে।

    এই বার মনোপোলি। একটা রিফ্রেন উঠে আসছে, আর কত খারাপ হতে পারে, যার থেকে, ভারতীয় কৃষির ব্যবস্থা। মজার ব্যাপার হল, এটা প্রায় সেরকম একটা যুক্তি, ও কৃষি ধুঁকছে, তাইলে তার সাত তাড়াতাড়ি মৃত্যুর ব্যবস্থা করো। হ্যাঁ ক্যাশ ক্রপে বড় ল্যান্ড হোল্ডিং আছে, কোথাও কোথাও বেসিক গ্রেন এও আছে, কিন্তু অপেক্ষাকৃত কম জায়্‌গা আছে আখ/চিনি, কফি ইত্যাদি ছাড়া এবং যেখানে বড় ল্যান্ড হোলডার রাই এন্টায়ার প্রসেসিং চ্যানেল টার উপরে পুরো মালিকানা ব্যক্তিগত ভাবে রেখেছে। যেটা টু বি হনেস্ট, বিদেশী লগ্নীকারী দের মূল আকরষণ এর জায়্‌গা।

    এখন এই পরিস্থিতিতে আক্রমণ আলোচ্য র পরিধির থেকে ব্যাপক কেনো বলছি, সেটা উদা সহ বলি? ধর রিটেলে মাল্টি ব্র্যান্ড এফ ডি আই চালু হল, বিরোধীরা যুক্তি তে, ক্লাউট এ, এম পি হর্স ট্রেডিং এ হেরে গেলেন। আইনে বলা রইলো, আমি ছোটো রিটেলার দের ক্রেডিট দেবো। এর পরে আক্রমণ এলো চিপ ক্রেডিট, সেটা সাব প্রাইম ভ্যালুএশন এর আওতায় পড়লো, যে টা অবাক করা কিছু নিউজ না, মাইক্রো ফাইনান্স এ সুদের হার তোমার আমার কার লোনের থেকে বেশি। কনসিস্টেন্টলি বেশি। কোথাও কোথাও ডজি কো-অপারেটিভ লোনের থেকেও বেশি। এর পরে ধর সৌন্দর্যায়ান। এই যে বলা হচ্ছে, শহরের ছোটো বৃত্তে বড় স্টোর এর প্রভাব সীমিত থাকবে, সঙ্গে ধর সৌন্দর্যায়ন বা নতুন উড়াল পুল তৈরীর জন্য ছোটো ব্যবসায়ী সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। রিয়েল এস্টেট প্রাইসের উতার চঢ়াও এর জন্য শহরের সবচেয়ে পয়সা ওয়ালা কনজিউমার দের থেকে ছোটো ব্যবসায়ী সরে যেতে বাধ্য হলেন, বিশাল বড় লোক হাউজ-ওয়াইফদের বা জেনেরালি ফুসু ফুসু মার্কা নিশ বুটিক, ওয়াইন শপ, আর ফ্লোরিস্ট রা ছাড়া। আন্তর্যাতিক কাব্য চর্চার স্বার্থে এটুকু হয়তো ওয়ালমার্ট ও রাখবে। এর পরে ধর আলোচনার পরিধি আরো বেড়ে যাচ্ছে, কারণ সরাসরি এফ ডি আই কে বলা হচ্ছে আপনারা রুরাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারে পয়হা ঢালুন, আমরা ডেট ফাইনান্সিং তো কমাবো। বেশি ভালো কথা টোলিং হবে তাইলে ছোটো ইরিগেশনে আর গ্রামীন রাস্তায়। তো ফার্ম প্রডিউস এর দাম যেহেতু বড়রা ঠিক করছেন, তাই রুরাল কনজিউমার বেস ও কিন্তু কমছে, টোল টা দেবে কে, কত দেবে। দিলেও, সংগৃহীত টোল, খরচা ওঠার পরে, কার প্রফিট রিপাট্রিয়েশনে সাহায্য করবে? রিটেল চেন এর প্রতিটা ক¾ট্রাকচুয়াল সম্পর্ক কে যদি মজা করে তোমাদের ভাষায় একেকটা গেম ধরি, তাইলে তার ট্রাম্প কার্ড টা যখন বড় স্টোর প্লেয়ার নয় ও তখন ও তার হাতে থেকে যাচ্ছে।
    চাকুরি সৃষ্টি, একটা বড় লজিক। কত চাকুরি যাবে, তার আন্দাজ কি? একের পর এক ছোটো ব্রিটিশ শহরে, একটা টেসকো, একটা চার্চ, একটা ফিশ অ্যান্ড চিপস আর একটা ফুটবল গ্রাউন্ড ছাড়া যা আছে তা হল ফাঁকা ফাঁকা ওয়ার হাউস। গোটা নর্থ তাই। আমায় আমার বন্ধু নিয়ে যায় নি তার বাড়ি মিডল্‌সব্রো তে, বলেছে আমার এলাকার দারিদ্র আমি তোমায় দেখাতে পারবো না। হয়তো ছোটোবেলার চেনামুখদের রাস্তায় বদ বা অন্যান্য উদ্দেষ্যে ঘুরে বেড়াতে দেখার ভয় ছিল। অ্যালেক্স ফার্গুসন এর একটা বক্তৃতা আছে, যাঁর কিনা রেসের ঘোড়া আছে, ওয়াইন অর্চার্ড আছে, বলছেন, গ্লাসগো তে ফুটবল হুলিগানিজম ছিলো না, যখন জাহাজ কারখানা টিঁকে ছিলো। আমি একটা ফুটবলের বইয়ের রিভিউ করেছি বুঝলে, তাতে প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, গ্রান্টার সম্পাদক ian jack স্কটিশ ফুটবলে র রিলিজিয়াস সেকটারিয়ানিজম নিয়ে আলোচনায় এই দিকটি এড়িয়ে গেছেন, আমি লিখতে বাধ্য হয়েছিলাম। ফাইনাল ভারসনে গৃহীত হয়েছিলো সেটা। ইনসিগনিফিকেন্সের সুবিধে হল, পকেট মারের মত হাত গলানো যায় মাঝে মাঝে।
    একটা শিল্পক্ষেত্র যখন লিবেরেলাইজ করা হয়, তখন বলা হয়, স্টেট পার্টিসিপেট করবেনা, ইকোনোমিক অ্যাক্টিভিটি বাড়বে, আমরা বরঞ্চ সোশাল সেক্টরে ইনভেস্ট করবো। আর সোশাল সেকটরে বাজেট কমানোর সময় বলা হয়, আহা ডেট ফাইনান্সিং করবো না, এতো কাজ এতো পেন্সন করবো না, আসুন আমরা রোগা হই।

    বলচিলাম, ক্ষেত্র সঙ্কুচিত ঠিক না।এমন একটা সময়ে এই এফি্‌ডআই রিটেল আনছি, যখন কমোডিটি স্পেকুলেশনে এ ভালো ইনভেস্ট করার যায়গা চাইছেন বড় বিনিয়োগকারীরা। আপত্তি ধর নেই, কিন্তু আমার সামাজিক ডিসপ্লেসমেন্টের বিনিময়ে কেন রাজি হবে আমার রিপ্রেজেন্টেটিভ।

    যাঁরা আজ পার্লামেন্টে বিরোধিতা করছেন, তাঁদের অনেকেই হয়তো কম্প্রোমাইজ করবেন, শুধু কোরাপশনের জন্য নয়, নতুন রোজগারের রাস্তা খুজে পেলে, কিন্তু আমার সন্দেহ আছে তাতে একটা বড় অংশের মানুষের ক্ষতি কিছু কমবে না। ধর নানা জাগায় ইনডাস্ট্রিয়ালাইজেশন এর বিরোধিতা যা হচ্ছে, সেই বিরোধী দের একটা অংশ কিন্তু আর্বানাইজেশন এর বিরোধী নন, কারন আর কিছুই না, সহজে রিয়েল এস্টেটে এϾট্র পাওয়া যায়, এখনো আমেরিকা থেকে সমস্ত ইটভাটা ক®¾ট্রাল করা কঠিন।
    আজ যাঁরা এফি্‌ডআই এর বিরোধিতা করেছেন, তাঁরা অনেকেই পরে হয়ে্‌তা আর করবেন না। জেটলিরা যেমন ২০০৪ এ নিজেরাই এই বিলের আগের ভার্সন টা এনেছিলেন। অন্যান্য পোলিটিকাল ইকুএশন কাজ করবে।

    ইত্যাদি ইত্যাদি। বক্তব্য একটাই। বিতর্কের ক্ষেত্র সঙ্কুচিত নয়। তোমার যদি পরিভাষা সম্বলিত লেখা পছন্দ হয় আমি কিছুদূর চেষ্টা করতে পারি, তোমার যদি আমার আহাম্মকি সহ্য করার ধৈর্য্য থাকে।

    লাস্টলি কনট্রাকট ফার্মিং এর একটা দিক হল, বীজ এবং শস্য নিরুপণে বড় স্টোরের ক্রমশ ক্ষমতা বৃদ্ধি। অতএব আমার শস্য ওয়ালমার্ট না কিনলে আমি টেসকো কে বেচবো বিষয়টা ঠিক অত সোযা না, পার্টিকুলারলি এই প্রেক্ষিতে, যেহেতু গরীব দেশে ফার্ম প্রডিউস এর উপরে সাবসিডি, প্রতিবেশি দেশের মধ্যে ট্রেড এগ্রিমেন্ট ইত্যাদি আমাগো কিসুই নাই। কেন নেই? হ্যা করা দরকার। তার ওষুধ, whats the worst that could happen? রসবোধের প্রশংসা করতে পারি। কিন্তু কার?
  • h | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ২৩:২৫500896
  • আজ্‌কাল দেখবে অনভিজ্ঞ স্পেকুলেশন বিশারদ কংলোমারেট দের কুপ্রভাব বৃদ্ধি ঘটছে। ধর ইউনিটেক এসে গেল, টু জি তে। এয়ারটেল আসছে ওয়ালমার্টের সঙ্গে। তো এটাতে কালেকটিভ এক্ষপিরিয়েন্স বা ইন্ডিয়ান হ্যান্ড এর লজিক বিশেষ খাটে না।

    আর সবশেষে কেন রঞ্জনদার সংগে তর্ক করার সময়ে basle আর solvency পড়তে বলেছিলাম, (রঞ্জনদা, ধৃষ্টতা ক্ষমা করবেন) তার মূল কারণ আমি এটা পড়েছি। দুটোর ই উদ্দেশ্য ছিল প্রুডেনশিয়াল রেজিমের অ্যামবিট বাড়ানো। অ্যাকচুয়ালি এখন যা দাঁড়িয়েছে, রেগুলেটর বলছে, একটা বিশেষ টাইপের রিপোর্টিং ফর্মাট হলে আর 'ইনটার্নাল রিস্ক মডেল' ঠিক ঠাক থাকলে, বিভিন্ন ক্যাপিটাল অ্যাডিকুয়েসি রেশিপ হালকা করা যাবে। হ্যাঁ ঠিক ই শুনেছো হালকা করা যাবে। এর মানে কি তো বোঝো। যথেষ্ট বড় কোং বা এসোটেরিক হেজিং করতে সক্ষম ফান্ড হলে রিস্ক মডেল এর ম্যাথমেটিকাল সোফিস্টিকেশন বাড়িয়ে রিস্ক মডেল দেখানো কোন ব্যাপার? এই বাজারে দ্যাখো গে, গো স্যা রা গ্রীসে হয়তো এখনো খেলে চলেছে। নইলে এতো রেগুলেটোরি হুড়োহুড়ি? আর ইনশিওরেন্স, যেটা সলভেন্সি টুর জায়্‌গা তার মজা হল, ক্যাপিটাল যেহেতু কনসে®¾ট্রটেড, তাই ইনশিওরেন্স, রি ইনশিওরেন্স ও ওভার কানেকটেড। এবার বোঝো কে কাকে উদ্ধার করবে। এবং মনে রেখো অধিকাংশ ডেরিভেটিভ বা ক্রেডিত ডিফল্ট সোয়াপ হল, আউট অফ বুক্স। ইত্যাদি। এই ডাইলিউশন টা প্রতিটা ভারসনে বেড়েছে। এই জন্যেই এই প্রসংগ উত্থাপন করা।

    বড় বড় কথা এলাকার বাইরে বলেছি, ক্ষমা কোরো। আমি ডিবেটে হারতে রাজি আছি, বিল যদি পাশ না হয় :-)
  • h | ২৮ নভেম্বর ২০১১ ২৩:২৮500897
  • ইউনিভার্সিটি অফ ভিয়েনা তে এই রিস্ক মডেলের নেটওয়ার্ক কানেকটেড নেস নিয়ে বেশ কিছু কাজ হয়েছে। তার প্রুডেন্স নিয়ে basle শুরু হয়েছিল, শেষে কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, গল্পের মত পড়লেও বোঝা যায়। শিক্ষিত লোকেরা বেশি বুঝবেন।
  • h | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ০৭:০১500899
  • I forgot to mention two interesting political stories. Sharad Power and Prafull Patel's NCP you may have noticed are not among the internal dissenters in Congress. The constituency of sugar mill owners and now the new constituency of urban investors are obviously in favour. NCP by the way has created an official company, you will remember, to lobby for seed technology companies. the agricultural minister's party is actually a registerd/incorporated company in the US.
    TMC has actually opposed the bill, which is fantastic. But if you are TMC's manifesto, you will find a plan which actually wants to leverage these type of changes. For all the noise on agro based industries (kRishhi bhittik shilpa) during the singur crisis, to be honest, a large retail store can be sold as a agro based industry with a little condition, that it will have to sell cottage industry products. imagine going to wallmart for buying a pair of shaa`nkhaas or a baaTik shirt. I know I am sounding like real Jatra wrier, but this is what the TMC manifesto says. In spite of this TMC has actually opposed the bill. This is welcome, but everybody understands this is constituency pressure. Not only the real estate syndicates who clearly support large scale urbanisation, the traders in grains and small warehouses and farmers and small business owners are also with them. gariahat and hatibagan shopowners were furious because of displacement plans, now this can be a way of getting back their support.
    I really don't care about the dynamic, unless I get a creative offer from the local Jaatra and film producers ;-) as long as the bill gets defeated.
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন