এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রিয় কবিতা

    Riju
    অন্যান্য | ১৮ জুলাই ২০০৬ | ৫৯১১৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ০১:১২633695
  • না, মানুষের সঙ্গে আমার আর বিরোধ নেই কোনো-
    এখন পাওনাদার দুর্ঘটনায় পড়লে তাকে নিয়ে যেতে পারি হাসপাতালে
    প্রাক্তন প্রেমিকার স্বামীর কাছ থেকে অনায়াসে চাইতে পারি চার্মিনার
    দাড়ি গজানোর মত অনায়াস এ জীবনে আমি
    রামকৃষ্ণের কালীপ্রেমে দেখি সার্বভৌম যৌনশান্তি
    বাবলিদের স্বামীপ্রেমে দেখি সার্বজনীন যৌনসুখ
    একটা চটী হারিয়ে গেলে আমি কিনে ফেলি একজোড়া নতুন চপ্পল
    না, মানুষের সঙ্গে আমার আর বিরোধ নেই কোন

    বোনের বুকের থেকে সরে যায় আমার অস্বস্তিময় চোখ
    আমি ভাইফোঁটার দিন হেঁটে বেড়াই বেশ্যাপাড়ায়
    আমি মরে গেলে দেখতে পাবো জন্মান্তরের করিডোর
    আমি জন্মাবার আগের মূহুর্তে জানতে পারিনি আমি জন্মাচ্ছি
    আমি এক পরিত্রাণহীন নিয়তিলিপ্ত পুরুষ
    আমি এক নিয়তিহীন সন্ত্রাসলিপ্ত পুরুষ
    আমি দেখেছি আমার ভিতর এক কুকুর কেঁদে চলে অবিরাম
    তার কুকুরীর জন্য এক সন্ন্যাসী তার সন্ন্যাসিনীর স্বেচ্ছাকৌমার্য
    নষ্ট করতে হয়ে ওঠে তৎপর লম্পট আর সেই লাম্পট্যের কাছে
    গুঁড়ো হয়ে যায় এমনকি স্বর্গীয় প্রেম- শেষ পর্যন্ত আমি
    কবিতার ভেতর ছন্দের বদলে জীবনের আনন্দ খোঁজার পক্ষপাতী
    তাই জীবনের সঙ্গে আমার কোন বিরোধ নেই- মানুষের সঙ্গে
    আমার কোন বিরোধ নেই

    (মানুষের সঙ্গে কোন বিরোধ নেই, ফালগুনি রায়)
  • Arpan | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ০৯:১১633706
  • আপেল ঘুমিয়ে আছে ওকে তুমি দাঁত দিয়ে জাগাও
    নতুন ছালের নীচে রক্ত চেপে খেলা করে দাঁত
    সহজে, আপন মনে চরাচর শান্ত দেখে খুন হয়ে যায়
    আপেল ফুলের দিন শেষ হয়, বেড়ে ওঠে নির্বিকার দাঁত

    পৃথিবীতে আদ্যোপান্ত ভূত বলে কিছু নেই - সমস্ত মানুষ
    শুধুই উপোসী লতা নেই আজ হদ্দ অমানুষিক
    দুধের মুকুলগুলি ঝরে যায় - গাভী আর জল পড়ে থাকে
    আকাশে আপেলটা শুধু জেগে উঠে আবার ঘুমায়।

    ওকে তুমি খুন করো, টুকরো করো, লেই করে আনো
    চিহ্নহীন করে ভাঙো - কাজে লাগো ফলিক অ্যাসিড
    রেশম কীটের মতো আত্মপ্রতিকৃতি ভাঙো আর সুস্থ হও
    আপেল ঘুমিয়ে আছে ভোরবেলা - ওকে তুমি দাঁত দিয়ে জাগাও।

    (আপেল ঘুমিয়ে আছে, স্বদেশ সেন)
  • Arpan | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ০৯:২১633717
  • তারপর ঘাসের জঙ্গলে পড়ে আছে তোমার ব্যক্তিগত বসন্তদিনের চটি। এবং
    আকাশ আজ দেবতার ছেলেমেয়েদের নীল সার্টপাজামার মত বাস্তবিক।
    একা ময়ূর ঘুরছে খালি দোতলায়। ওই ঘরে সজল থাকত।
    সজলের বউ আর মেয়ে থাকত। ওরা ধানকল পার হয়ে চলে গেছে।
    এবার বসন্ত আসছে সম্ভাবনাহীন পাহাড়ে জঙ্গলে এবার বসন্ত আসছে
    প্রতিশ্রুতিহীন নদীর খাঁড়ির ভিতরে নেমে দুজন মানুষ তামা ও অভ্র খুঁজছে।
    তোমার ব্যক্তিগত বসন্তদিনের চটি হারিয়েছ বাদামপাহাড়ে।
    আমার ব্যক্তিগত লিখনভঙ্গিমা আমি হারিয়েছি বাদামপাহাড়ে।

    (এই সংগ্রহের শেষ কবিতা, উৎপলকুমার বসু)
  • sinfaut | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ০৯:৫৭633728
  • এই স্বদেশ সেনের কবিতাটা তেমন পদের লাগলো না। শক্তি আর জীবোর বিদঘুটে মিশ্রন লাগলো।

    ডি: কবতে তেমন বুঝিনা।
  • Arpan | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ১০:৫৫633739
  • :))

    এতে ডি দেবার কী আছে?
  • nyara | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ১১:০৬633750
  • দুটি জীবনানন্দ উদ্ধৃত হয়েছেন, একটি সুধীন দত্ত। যা বুঝলাম কেউ আর অরুণ সরকার, অমিয় চক্কত্তি পড়েন না। তারাপদ রায়ও নয়। বা পড়লেও সেগুলো প্রিয় নয়। নাহ্‌, এবার চশমাটা দেখাতেই হবে।
  • I | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ১৪:১১633751
  • জীবনানন্দ ক্রমেই আসিতেছেন।
  • I | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ১৪:১৮633752
  • তবে সমর সেন মোটেও প্রিয় নন। এবং, হ্যা, লাজলজ্জার মাথা খেয়ে, দু-একটা ব্যতিক্রম ছাড়া বিষ্ণু দে এবং বুদ্ধদেব বসুও নন।
  • Arpan | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ১৪:২৭633753
  • অমিয় চক্কোত্তির অনুরাগী যখন পাওয়া গেলই তখন এনাকে ধরে সেই দুর্বোধ্য "গাছ' কবিতাটার মর্মোদ্ধার করা হোক। অনাদায়ে পুরো জীবুদা টাইপে সফট কপি বানিয়ে দেবার শাস্তি।
  • Arijit | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ১৪:৩৩633755
  • আরেকটা পদ্যের ভাবার্থ লেখা হোক - ওই যে অরুণ মিত্র মনে হয় - "আমি এত বয়সে গাছকে বলছি, তোমার ভাঙা ডালে সূর্য বসাও, হা: হা:'
  • lcm | ০৮ জানুয়ারি ২০০৯ ১৪:৪৩633756
  • স্মাইল প্লিজ
    (তারাপদ রায়)
    ---------------
    স্মাইল প্লিজ, আপনারা প্রত্যেকেই একটু হাসুন,
    দয়া করে তাড়াতাড়ি, তা না হলে রোদ পড়ে গেলে
    আপনারা যে রকম চাইছেন তেমন হবে না,
    তেমন উঠবে না ছবি। আপনার ঘড়িটা ডানদিকে
    আর একটু, একটু সোজা করে প্লিজ, আপনি কি বলছেন
    ঘাড়-টাড় সোজা করে দাঁড়ানো হ্যাবিট নেই, তবে,
    কি বলছেন অনেকদিন, অনেকদিন হাসার অভ্যাস,
    হাসার-ও অভ্যাস নেই? এদিকে যে রোদ পড়ে এলো
    এ রকম ঘাড়গোঁজা বিমর্ষ মুখের একদল
    মানুষের গ্রুপফটো, ফটো অনেকদিন থেকে যায়,
    ব্রমাইড জ্বলে যেতে প্রায় বিশ-পঁচিশ বছর।
    বিশ-পঁচিশ বছর পরে যদি কোনো পুরোনো দেয়ালে
    কিংবা কোনো অ্যালবামে এরকম ফটো কেউ দেখে,
    কি বলবেন, বলবেন, ক্যামেরাম্যানের ত্রুটি ছিলো,
    ঘাড় ঠিকই সোজা ছিলো, সব শালা ক্যামেরাম্যানের
    সেই এক বোকার শাটারে এই রকম ঘটেছে।

    *********

    ঈশ্বর ও আমার কবিতা
    (তারাপদ রায়)
    ----------------------
    জয়দেবের কথা মনে রেখে
    তোমারই জন্য দারোয়ান রাখবো বাড়িতে।
    তুমি যাই করো, ঈশ্বর,
    আমার অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে,
    আমার ছদ্মবেশে
    আমার কবিতা সম্পূর্ণ করতে এসো না।

    *********
  • nyara | ০৯ জানুয়ারি ২০০৯ ০০:৪৫633757
  • তোমাকে চাই আমি, তোমাকে চাই,
    তোমাকে ছাড়া নেই, শান্তি নেই :
    রক্তকিংশুকে জ্বালিয়ে দাও
    আমার বৈশাখী রাত্রিদিন।

    রভসে দাউদাউ সমুদ্রের
    শরীরে পাকে-পাকে ফসফরাস;
    অন্ধকারে চুল এলিয়ে দাও
    নখরে নীল হোক শুভ্র বুক!

    তোমাকে চাই আমি, তোমাকে চাই :
    হেঁকেছে অস্থির অশ্বখুর;
    জ্বলেছে পদে-পদে বিদ্যুতের
    তীব্র শব্দের আর্তনাদ।

    তোমাকে ছাড়া নেই, শান্তি নেই,
    গোলাপফুল আমি ছুঁয়েছি ঢের;
    রক্তকিংশুকে জ্বালিয়ে দাও
    আমার বৈশাখী রাত্রিদিন।

    - বৈশাখী, অরুণকুমার সরকার

    তালিকা প্রস্তুত
    কী কী কেড়ে নিতে পারবে না-
    হই না নির্বাসিত-কেরানি।
    বাস্তুভিটে পৃথিবীটার সাধারণ অস্তিত্ব।
    যার এক খন্ড এই ক্ষুদ্র চাকরের আমিত্ব।
    যতদিন বাঁচি, ভোরের আকাশে চোখ জাগানো,
    হাওয়া উঠলে হাওয়া মুখে লাগানো।
    কুয়োর ঠান্ডা জল, গানের কান, বইয়ের দৃষ্টি
    গ্রীষ্মের দুপুরে বৃষ্টি।
    আপন জনকে ভালোবাসা,
    বাংলার স্মৃতিদীর্ণ বাড়ি-ফেরার আশা।

    তাড়াও সংসার, রাখলাম,
    বুকে ঢাকলাম
    জন্মজন্মান্তরের তৃপ্তি যার যোগ প্রাচীন গাছের ছায়ায়
    তুলসী-মন্ডপে, নদীর পোড়ো দেউলে, আপন ভাষার কন্ঠের মায়ায়।
    থার্ডক্লাসের ট্রেনে যেতে জানলায় চাওয়া,
    ধানের মাড়াই, কলা গাছ, কুকুর, খিড়কি-পথ ঘাসে ছাওয়া।
    মেঘ করেছে, দু-পাশে ডোবা, সবুজ পানার ডোবা,
    সুন্দরফুল কচুরিপানার শঙ্কিত শোভা,
    গঙ্গার ভরা জল;ছোটো নদী;গাঁয়ের নিমছায়াতীর-
    হায়, এও তো ফেরা-ট্রেনের কথা।
    শত শতাব্দীর
    তরু বনশ্রী
    নির্জন মনশ্রী :
    তোমায় শোনাই, উপস্থিত ফর্দে আরো আছে-
    দূর-সংসারে এলো কাছে
    বাঁচবার সার্থকতা।।

    - বড়োবাবুর কাছে নিবেদন, অমিয় চক্রবর্তী
  • tania | ০৯ জানুয়ারি ২০০৯ ১১:২৫633758
  • সব কথা তোমাকে জানাবো ভেবেছিলাম
    কিনে এনেছিলাম আকাশী রঙের বিলিতি হাওয়াই চিঠি
    সে চিঠির অক্ষরে অক্ষরে লেখা যেত
    কেন তোমাকে এখনো চিঠি লেখার কথা ভাবি
    লেখা যেত
    আমাদের উঠোনে কামিনী ফুলগাছে
    এবার বর্ষায় ফুলের ছড়াছড়ি
    তুমি আরেকটু কাছে থাকলেই
    বৃষ্টিভেজা বাতাসে সে সৌরভ তোমার কাছে পৌঁছতো
    আর তোমার উপহার দেওয়া সেই স্বচ্ছন্দ বেড়ালছানা
    এখন এক মাথামোটা অতিকায় হুলো
    সারা রাত তার হুঙ্কারে পাড়ার লোকেরা অস্থির।
    তোমাকে জানানো যেত,
    এবছর কলকাতায় গ্রীষ্ম বড় দীর্ঘ ছিল
    এখন পর্যন্ত বর্ষার হাবভাবও খুব সুবিধের নয়।
    এদিকে কয়েকমাস আগে
    নিউ মার্কেট আর্দ্ধেকের বেশী পুড়ে ছাই।
    আর দুনম্বর হাওড়া ব্রীজ শেষ হওয়ার আগেই
    যেকোনো দুনম্বরি জিনিসের মত ঝুরঝুর করে ভেঙে পড়ছে।
    এদিকে এর মধ্যে আবার নির্বাচন এসে গেল,
    অথচ কে যে কোন দলে, কার পক্ষে তা আজও জানা গেলনা।
    কিন্তু এসব তোমাকে কেন জানাবো?
    এসব খবরে তোমার এখন কোনো প্রয়োজন নেই।
    অথচ এর থেকেও কি যেন তোমাকে জানানোর ছিল,
    কিছু একটা আছে, কিন্তু সেটা যে ঠিক কি
    পরিষ্কার করে আমি নিজেও বুঝতে পারছিনা।
    টেবিলের একপাশে কাঁচের কাগজচাপার নীচে
    ধুলোয়, বাতাসে বিবর্ণ হয়ে আসছে হাওয়াই চিঠি।
    তার গায়ে ডাকের ছাপের চেয়ে একটু বড়,
    অসতর্ক চায়ের পেয়ালার গোল ছাপ,
    পাখার হাওয়ায় সারাদিন, সারারাত ফড় ফড় করে ডানা ঝাপটায়
    সেই ঠিকানাবিহীন রঙিন ফাঁকা চিঠি।
    অথচ তোমার কাছে
    তার উড়ে যাওয়ার কথা ছিল।

    (তারাপদ রায়)
  • ranjan roy | ০৯ জানুয়ারি ২০০৯ ২১:২৭633759
  • ন্যাড়াবাবু,
    আমার অনেকদিন চশমা লেগেছে, তাই স্মৃতি প্রতারণা করতেই পারে। অরুণ কুমার সরকারের ""বৈশাখী''র দ্বিতীয় প্যারাটি এইরকম মনে আছে:

    অন্ধকারে চুল এলিয়ে দাও,
    নখরে নীল হোক শুভ্র বুক,
    শরীরে পাকে পাকে ফসফরাস,
    রভস সমুদ্রে দাউ দাউ জ্বলুক।

    সে যাক্‌গে, এই কবিতাটি কোলকাতা থেকে স্বেচ্ছা - নির্বাসনে আসা এক উনিশ বছরের তরুণের দেহেমনে একবার ফস্‌ফরাস জ্বালিয়ে দিয়েছিলো মনে আছে।
    আর প্রতিভা বসুর জন্মদিনে লেখা এইকবিতাটি:

    সিন্দুক নেই, স্বর্ণ আনিনি,
    এনেছি ভিক্ষালব্ধ ধান্য,
    ও'দুটি চোখের তাৎক্ষণিকের
    পাব কি পরশ যৎসামান্য?

    কল্পনা করছি-""কবিতাভবন''এ এই পদ্যঋ পড়া হচ্ছে আর বুদ্ধদেব বসু মিটিমিটি হাসছেন। আচ্ছা, বুদ্ধদেবেরও শতবার্ষিকী চলে গেল।
    ওনার ""বন্দীর বন্দনা''-টনা একেবারে ভালো লাগেনি।
    কিন্তু ১৯৬৫তে দেশ পত্রিকায় বেরুলো "" একটি মরচে পড়া পেরেকের গান'', ক্লাস টেনে পড়ি, মুগ্‌ধ হয়ে গেলাম।
    আর ওর কাব্যনাটিকা গুলো? আজও অসাধারণ মনে হয়।

    অমিয় চক্রবর্তির একটি প্রিয় কবিতা:

    গেলো গুরুচরণ কামার,
    দোকানটা তার মামার,
    হাতুড়ি আর হাপর ধারের জানা ছিল আমার।

    বা একটি বিচ্ছিন্ন লাইন মাথায় ঘোরে:
    মাথা নাড়ে ""জানি-জানি'' ক্যাথলিক গির্জাচূড়া স্থির।
    বা,
    আহা পিঁপড়ে, ছোট পিঁপড়ে, ঘুরুক, দেখুক, চলুক।
    আর সেই প্রবাদপ্রতিম লাইনটি না বলে কি অমিয়বাবুর কথা শেষ করা যায়?
    """ মেলাবেন তিনি ঝোড়ো হাওয়া আর পোড়োবাড়িটার ভাঙা দরজাটা মেলাবেন।'''

    সমর সেন আর বিষ্ণু দে? কেমন যেন ইউরোপীয় কবিদের লেখা পড়ছি মনে হয়।
    মৌলানা আজাদ কলেজে ইংরেজি পাস ক্লাসে বিষ্ণু দে এলিয়ট পড়াচ্ছিলেন। আমি আর ভজা ( যোগসূত্র ম্যাগাজিনের বিনয় ঘোষ ) পেছন দিয়ে ক্লাস কাটলাম। আজ আফশোস হয়।
    সমর সেন ভক্ত বন্ধুটি পাড়ার একটি মেয়েকে (ওর বোনের বন্ধু) প্রেম নিবেদন করতে গিয়ে চিরকূটে সমর সেন লিখে দিলো:
    হে ম্লান মেয়ে!
    কি আনন্দ পাও প্রেমে, সন্তানধারণে?
    ( মেঘদূত: সমর সেন)।
    যা কেলো হোলো সে আর----।
  • nyara | ০৯ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:২৮633760
  • রঞ্জনদা, আমি বুদ্ধদেব বসুর 'আধুনিক বাংলা কবিতা থেকে' টুকেছি। সময় পেলে অরুণ সরকারের শ্রেষ্ঠ কবিতা দেখে কনফার্ম করে দেব।
  • Arpan | ১০ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:৩৯633761
  • এইসব সারেগামা পেরিয়ে তোমার কাছে দু-ঘন্টা বসতে ইচ্ছে করে।
    আমার তৃতীয় চোখ হারিয়ে গিয়েছে।
    সিঁড়ি দিয়ে যে উঠে আসছে আজ আমি তার মুখও দেখিনি।
    তোমাকে দু:খিত করা আমার জীবনধর্ম নয়
    চলে যেতে হয় বলে চলে যাচ্ছি, নাহলে তো, আরেকটু থাকতাম।

    (জিরাফের ভাষা ৪৮, ভাস্কর চক্রবর্তী)
  • Arpan | ১১ জানুয়ারি ২০০৯ ০০:৪৯633762
  • ভালোবাসা সবই খায় - এঁটো পাতা, হেমন্তের খড়
    রুগ্ন বাগানের কোণে পড়ে থাকা লতার শেকড়
    সবই খায়, খায় না আমাকে
    এবং হাঁ করে রোজ আমারই সন্মুখে বসে থাকে।

    আমি একটু একটু করে তাকে অবসন্ন হাওয়া দিতে পারি
    একটু এনে দিতে পারি আমরুলের পাতার প্রকৃতি
    স্মৃতির কাঁথায় তার স্পর্শ - যিনি উপস্থিত নেই
    এইসব - দিতে পারি, এতে কি শ্রীমুখ ফেরাবে?

    আমার ভিতরে কোনো গোলযোগ নেই, প্রেম নেই
    অন্যমনস্কতা লেগে আমার ভিতরে হয়ে হয়ে নেই
    কিছু বা পাথর, নেই ফুটোফাটা, ফেলে রাখা ধুলো
    আমার ভিতরে আছে সর্বাঙ্গে রঙীন পথগুলো

    এতে সবই হবে।

    ("সব হবে', শক্তি চট্টোপাধ্যায়)
  • Arpan | ১১ জানুয়ারি ২০০৯ ০১:২৮633763
  • রঙ-ওঠা মোষ দিনরাত্রি খাটালেই থাকে।
    অবৈধ খাটাল। মাছি, অন্ধকার এবং শিশুচাহিদা দিয়ে তৈরি।
    মোষ এসব বোঝে না। সে শান্তভাবে ইঞ্জেকশন নেয়।
    এক অপ্রকৃত স্নেহের ভারে তার বাঁট ভারী হয়ে ওঠে।
    একটি খড়ঠাসা মৃত বাছুরের মাথা তার সামনে এগিয়ে ধরা হয়।
    মোষ পাগলের মতো সেটিকে আদর করতে থাকে
    বারবার জিভ দিয়ে চাটে।

    আর, এই পদ্ধতিতে
    অনর্গল ফেনা-ভর্তি দুধে ভরে ওঠে শহরের বালতি।

    (খাটাল। রণজিৎ দাশ)
  • sucheta | ১১ জানুয়ারি ২০০৯ ০৬:৩২633764
  • ইস্কাবনের দেশে, সলিল চৌধুরী

    শোন ভাই ইস্কাবনের দেশে গিয়েছিলাম
    সেথায় গোলমেলে সব কান্ড দেখে এলাম।
    সেথায় মাস দিয়ে ভাই দিনকে গোণে বছর দিয়ে মাসে,
    আর বয়স যতই বাড়ে ততই বয়স কমে আসে।
    সেথায় সুড়সুড়িতে কাঁদে সবাই কান্না পেলে হাসে,
    দেখে পালিয়ে চলে এলাম বলে সেলাম বাবা সেলাম।

    সেথায় ইস্কুলেরা লুকিয়ে পালায় ছাত্র থাকে বসে,
    আর টিকির মাথায় পন্ডিত ঝোলেন পরম পরিতোষে।
    সেথায় শ্যামেরে চড়ায় শূলেরে ভাই গোবর্ধনের দোষে,
    দেখে পালিয়ে চলে এলাম বলে সেলাম বাবা সেলাম।

    সেথায় জ্যান্ত সবাই মরে থাকে মরলে পরে বাঁচে,
    আর দিন দুপূরে পথের ধারে জ্যান্ত ভুতে নাচে।
    সেথায় নেতারা সব মিটিং করে দুই পা তুলে হাঁচে,
    দেখে পালিয়ে চলে এলাম বলে সেলাম বাবা সেলাম।

    সেথায় ইস্কাবনের রাজামশাই হরতনেরি গোলাম,
    আর নওলা আঁটা দুরি তিরি দিতেন তারে সেলাম।
    সেথায় রাজায় খেলে ঢেকুর তুলে প্রজায় বলে খেলাম,
    দেখে পালিয়ে চলে এলাম বলে সেলাম বাবা সেলাম।
  • sucheta | ১১ জানুয়ারি ২০০৯ ০৬:৪১633766
  • ছেলেটি, শক্তি চট্টোপাধ্যায়

    ছেলেটির রূপ ছিল কুয়াশার মতন পলকা।
    হাসির মধ্যে ছিল হেমন্তের পাতা ঝরানোর গান,
    তাকে সবাই কেমন আপন করে ভালবাসতো,
    সে জানতো মনে মনে, কোনো ভালোবাসার বেড়ায়
    তাকে আটকাতে পারবেনা।
    কবে যাবে নিশ্চিত করে জানতোনা,
    তবে যাবে যে একথাটা ভারি নিশ্চিত করে জানতো।

    আমি ভালবাসার খড়কুটো তার ঘরে পৌঁছে দিতাম,
    সে মুখে কিছু বলতোনা, মনে মনে হাসতো,
    তখন তাকে দেখাতো কেমন সুস্থ, সাবলীল।
    মনে মনে তখনো সে হেসে বলতো,
    এদের আমায় খুবই দরকার আছে,
    আমাদের দুজনের, দুজনকে দরকার,
    একদিন জানো, আমি থাকবোনা,
    এরাই বেঁচে বর্তে থাকবে।

    ছেলেটির রূপ ছিল কুয়াশার মতন পলকা।
    কুয়াশা কাটার মতো করে একদিন সে চলে গেল অনায়াসে
    কাউকে কিছু বলেও গেল না।
  • sucheta | ১১ জানুয়ারি ২০০৯ ০৭:১৩633767
  • গোলাপ সুন্দরী পড়ে, পূর্ণেন্দু পত্রী

    তোমাদের মনে হতে পারে ছেলেখেলা, ইয়ার্কি-ফাজলেমির নশ্বরতাও হয়তো বা,
    কিন্তু এই বুদবুদগুলো প্রকৃতপক্ষে আমার নিজস্ব অহঙ্কার।
    বাতাস, যে কোন ওড়াউড়িময় সৃষ্টির সম্পর্কে বিরুদ্ধতার জন্যে যে বিখ্যাত,
    সরাসরি তার সঙ্গে এক গোপন পাঞ্জার লড়াইও বলতে পারো এটাকে।
    সেই কারণেই আমার হাতের এনামেল বাটিতে সাবান জল
    আর এখন আমি এই পাহাড়-সদৃশ হাসপাতালের খৃষ্টপূর্ব প্রাচীণতার সামনে
    যার খোপে খোপে মৃত্যুর শৈশবের দিকে
    শৈশবের মৃত্যুর দিকে যবনিকহীন যাতায়াত।
    এই বুদবুদগুলো শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে পৌঁছবে আমার জানা নেই
    কিন্তু এদের উদ্দেশ্য এবং উপকারিতা সম্বন্ধে আমি
    শতকরা নিরানব্বই ভাগ সজাগ।
    এই রঙীন অহংকারময় খেলাটি আমি আশ্চর্যভাবে শিখে যায় বাল্যকালে
    বাল্যকালের পক্ষে যেসব গল্প-প্রবন্ধ-উপন্যাস-ছবি এবং গান অপরাধমূলক
    তার প্রত্যেকটির মধ্যেই আমি দেখতে পাই এই সাবান জল
    আর সাবান জলের উপরে ঝুঁকে পড়া সেই সব মানুষদের
    যাদের ক্ষতবিক্ষত মুখের ভাস্কর্য-রেখার উপরে, সমকালীন নয়,
    ভবিষ্যৎ শতাব্দীর সূর্যরশ্মি অভ্যর্থনার আয়োজনে ব্যতিব্যস্ত।
    বস্তুত এই সাবানজল আমি পেয়ে গেছি একপ্রকার উত্তরাধিকার সূত্রেই
    এখনকার বুদবুদগুলো শুধু আমার।

    ভ্রাম্যমান অক্ষর!
    যাও, আকাশে একটা নতুন এলাচ-গন্ধের দ্বীপ গড়ে এসো।
    ভ্রাম্যমান অক্ষর!
    ঐ নিশ্বাসহীন যুবকটিকে বলে এসো আকাঙ্খারই অন্য নাম জীবন।
    ভ্রাম্যমান অক্ষর!
    অসহ্য রক্তপ্রবাহের পিছনে যে বিশ্বাসঘাতক অস্ত্র
    তাকে জানিয়ে দাও একদিন এর প্রতিশোধ নেবে
    যুদ্ধের চেয়েও ভয়ংকর সব গোলাপ
    সারাবেলা এই আমার অস্তিত্বে সবচেয়ে প্রিয় খেলা।
  • sucheta | ১১ জানুয়ারি ২০০৯ ০৭:৩৯633768
  • একটি উঙ্কÄল ষাঁড়, পূর্ণেন্দু পত্রী

    একটি উঙ্কÄল ষাঁড় লিফটে চেপে উর্দ্ধে উঠে যান,
    তখনই বন্দনা গান গেয়ে ওঠে একপাল কৃতার্থ ছাগল।
    জুলিয়াস সীজারের মতো তিনি, মিশরের ফারাও-এর মতো
    যেন এই শতাব্দীর তরুন বয়সী নবতর আলেকজান্ডার
    পাতলা ক্রিমের মতো বুদ্ধের মহান হাসি মুখে
    চেঙ্গিস খানের মত চোখে বহুদূর
    স্বপ্নের রক্তাক্ত সিঁড়ি, যেন জেনে গিয়েছেন তিনি ভূমধ্যসাগর এসে পায়ে পড়ে হবে পুষ্করিনী।

    প্রভু! কোন দৈববানী দেবেন কি আজ?
    কোনো ধন্য সার্কুলার? অথবা সুসমাচার টাইপরাইটারে?
    বিশ্বস্ত বাদুড়বৃন্দ এইভাবে নিজেদের চামরে
    নিভৃতে আরতি করে যায়।

    একটি উঙ্কÄল ষাঁড় মেহগনি কাঠের মস্ত সিংহাসনে
    একগুচ্ছ চাবি
    খুলে যান সারি সারি ড্রয়ার, ফাইল, খোপ-ঝোপ
    যুদ্ধের ম্যাপের মতো দেগে যান রণক্ষেত্রে আর আক্রমণ
    তুরী-ভেরি-জগঝম্প বাজে টেলিফোনে।

    আমি চাই না লালকালি দিয়ে কেউ কবিতা লিখুক।
    আমি চাই না কারো ঘাড়ে আলোকশিখার মতো
    দর্পিত কেশর।

    ধ্রুবতারা ভালোবেসে, ভালোবেসে বেহুলার ভেলা
    গাছের শিখর থেকে খোলা হাওয়া পেড়ে আনে যারা,
    যাদের হৃৎপিন্ড জুড়ে জেগে আছে সমুদ্রের শাঁখ,
    আমি চাই তারা সব ইঁদুরের গর্তে বসে খঞ্জনী বাজাক।

    একটি উঙ্কÄল ষাঁড় এইভাবে পেয়ে গেছে
    তুরুপের সবকটি তাস।

    শুনেছি এবার তিনি নক্ষত্রমন্ডলে
    সত্তর বিঘের মতো জমি কিনে করবেন
    আলু-কুমড়ো-পটলের চাষ।।
  • ranjan roy | ১১ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:২৪633769
  • রণজিৎ দাশ আমার মামাবাড়ি শিলচরের লোক।
    আমার বয়সী, কিন্তু ভাল কবিতা লেখেন, আমি লিখি হরিদাস পাল। উনিশ বছরে এই কবিতাটি লিখেছিলেন:

    নষ্ট হবার বয়েস এলে
    ----------------
    নষ্ট হবার বয়েস এলে
    সবাই নাকি শক্ত হাতে
    নাম-পদবী আঁকড়ে ধরে
    চতুর্দিকে সামাল, সামাল।
    ডেকে ওঠেন গাঁওবুড়ারা।
    নগ্ন-নখর মধ্যরাতে
    নাভির নীচে কেউ যেও না।।

    বড়ে গোলাম আলি খাঁর মৃত্যুতে পুর্ণেন্দু পত্রীর কবিতা:

    ফুলের গন্ধ নেবার জন্যে
    নারীর স্পর্শ পাবার জন্যে
    ঘুমের মধ্যে কাঁদতে কাঁদতে
    আমরা যখন যুবক হলাম,
    বাইরে তখন বক্ষে-বৃক্ষে
    জলেস্থলে অন্তরীক্ষে
    আমাদের সেই কান্না নিয়ে
    গান ধরেছে বড়ে গোলাম।

    ফুলের কাছে, নারীর কাছে,
    বুকের যত ব্যথার কাছে,
    যেসব কথা বলতে গিয়ে
    আমরা তখন ব্যর্থ হলাম,
    তারাই যখন ফিরে আসে
    কেউ ললিতে কেউ বিভাসে
    স্পন্দনে তার বুঝতে পারি
    বুকের মধ্যে বড়ে গোলাম।।
  • nyara | ১১ জানুয়ারি ২০০৯ ২৩:৩৬633770
  • রঞ্জনদা, বড়ে গোলামের কবিতাখানা পুরোটা পড়াবার জন্যে ধন্যবাদ। একটা পংক্তি পড়েছিলাম, কিন্তু পূর্ণেন্দু পত্রী বিশেষ পছন্দের কবি নন বলে পুরো কবিতা উদ্ধার করার উদযোগ আর নেওয়া হয়ে ওঠেনি।
  • ab | ১২ জানুয়ারি ২০০৯ ০০:২৯633771
  • ফুলের গন্ধে ফোটার জন্যে*

    আমরা যেদিন যুবক হ'লাম*

    বুকের বিপুল ব্যথার কাছে*
    বেদনাবহ যে সব কথা*
    বলতে গিয়ে ব্যর্থ হ'লাম*

    -এরকম ছিলো কি??
  • san | ১৩ জানুয়ারি ২০০৯ ০২:১২633772
  • তোমার কোনো ধর্ম নেই, শুধু
    শিকড় দিয়ে আঁকড়ে ধরা ছাড়া
    তোমার কোনো ধর্ম নেই, শুধু
    বুকে কুঠার সইতে পারা ছাড়া
    পাতালমুখ হঠাৎ খুলে গেলে
    দুধারে হাত ছড়িয়ে দেওয়া ছাড়া
    তোমার কোনো ধর্ম নেই, এই
    শূন্যতাকে ভরিয়ে দেওয়া ছাড়া।

    শ্মশান থেকে শ্মশানে দেয় ছুঁড়ে
    তোমারই ওই টুকরো-করা-শরীর
    দু:সময়ে তখন তুমি জানো
    হলকা নয়, জীবন বোনে জরি।
    তোমার কোনো ধর্ম নেই তখন
    প্রহরজোড়া ত্রিতাল শুধু গাঁথা-
    মদ খেয়ে তো মাতাল হত সবাই
    কবিই শুধু নিজের জোরে মাতাল !

    (ত্রিতাল, শঙ্খ ঘোষ)
  • ranjan roy | ১৪ জানুয়ারি ২০০৯ ০০:৪৬633773
  • ab,
    তুমি যা বল্লে তাও হতে পারে, আমার তো চল্লিশ বছর আগের স্মৃতিনির্ভর ব্যাপার। অনেকক্ষেত্রেই ডিটেলস্‌ এর ব্যাপারে ভুল হয়ে যায়।
  • ab | ১৪ জানুয়ারি ২০০৯ ০১:৩৯633774
  • রঞ্জন দা
    চল্লিশ বছর পরে কবিতাটা মনে রাখা টাই তো অনেকটা প্রাপ্তি! তবু, কেউ যদি তুলে রাখতে চান এই ভেবে এই যোগ টুকু করার সাহস করলাম।
    এবং এই সুযোগে, আপনার লেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করে থাকি, এটুকু বলার লোভ ও সামলানো গেলো না :-)
  • kanti | ১৪ জানুয়ারি ২০০৯ ০৮:১৩633775
  • কারো কাছে অমিয় চক্রবর্তীর চেতন স্যাঁকরা আছে? থাকলে তুলে দিন না।
  • ranjan roy | ১৪ জানুয়ারি ২০০৯ ২০:০১633777
  • বুদ্ধদেব বসুর "" আধুনিক বাংলা কবিতা'' সংকলনে "" চেতন স্যাঁকরা'' আছে।
    আমারটা হারিয়ে গেছে, ইন্দোর কপি আছে। ডাক্তারবাবু চাইলেই----
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন