এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • নির্বাচন ২০১৬ - ফলাফল

    a
    অন্যান্য | ১৯ মে ২০১৬ | ২৫৩৭০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • এলেবেলে | ২২ মে ২০১৬ ১৮:১৫706544
  • সরি পিটিদা উত্তর দিতে দেরি হল। আসলে নাগরিক কমিটির লপসি খেতে খেতে পেটে এমন চড়া পড়েছিল যে আজ রোব্বারের বাজারে পাড়ার ক্লাবের মাংসটার লোভ আর ছাড়তে পারলামনা। তবে মদ ছুঁয়েও দেখিনি, মাইরি। বিশুদ্ধ ভোলগার জলের টেস্টই আলাদা।

    ‘কোনটা জাস্টিফাই করছি’ ?
    আপনার ছাগল তত্ত্ব। আপনি যেমন কারো ল্যাজে ঝুলে নেই আমিও তেমন ল্যাজঝোলা পাখি নই। আসলে দুটো দলই গুয়ের এপিঠ আর ওপিঠ। মানুষের কাছে আর কোনও বিকল্প নেই তাই একদিকেরটাকে বেছে নিয়েছে। সিম্পল। তাতে ও ওঁচা গু আর আমি গসাগু এমনটা বলার মানে হয়না। সিস্টেমের মধ্যে থেকে কলাটা মুলোটা খাব আর তার ভাগ না পেলেই সিস্টেমকেই গাল পাড়ব এ আবার কী কাজের কথা ? এই ছাগলগুলোই ৩৪ বছর একটাই দলকে ভোটে জিতিয়েছে এতদিন। তখন তাঁদের ছাগল মনে হয়নি ? আপনি কি ভাবলেন তাতে আমারও কিস্যু আসে যায় না। কিন্তু আমি অবশ্যই মনে করি না যে এই ভোটে ‘The evil has won’।তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ ...

    ‘আর কতদিন চোরেদের সামাল দেওয়ার জন্য ৩৪ দেখাবেন ? এখন অন্ততঃ যোগের ঘরে চুরি না করে ওটাকে ৩৯ বলুন’।
    এ মা বলেছি তো ! আব্দুল মান্নানের ভাষায় বলেছি অবশ্য। দেখেননি ? তবে ২৯ + ৫ = ৩৪ ও হয় এবং যোগের ঘরে চুরি না করেই।

    ‘না মহায়, এর আগে কখনো মন্ত্রী কোটি কোটি টাকা লুঠের দায়ে জেলে থাকেনি। কোন সাংসদও জেলে থাকেনি’।
    প্রমাণিত হয়নি কিন্তু ! মানে ওই ‘কোটি কোটি টাকা লুঠের’ ব্যাপারটা। আর সুশান্ত ঘোষ জেলে গেছিলনা ? তাতে কী প্রমাণিত ?

    ‘এক্চুয়ালি চাল, সাইকেলের ব্যাপারটা তার চাইতেও নিম্নস্তরের’।
    শুনুন তাহলে। দেশ জুড়ে চাল দেওয়ার ঢের আগে থেকে জঙ্গলমহলের ৩১ টা ব্লকে, আয়লা বিধ্বস্ত ১৫ টা ব্লকে, ২২ টা রুগ্ন চা বাগানে, উত্তরবঙ্গের ৮২ টা আদিবাসী সম্প্রদায়কে এবং সিঙ্গুরের ৩৪০০ চাষীকে চাল দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু লোকসভা ভোটের সময় কিংবা তার পরে বিরোধীরা এ নিয়ে কিছু বলেছেন বলে মনে পড়ছেনা। খাদ্যসাথী পবতে চালু হয়েছে এ বছর। মানে ৫ মাস। তাতেই গেল গেল রব ? যদি ওই সময় বাম সরকার থাকত এই রাজ্যে তাহলে তারা এর বিরোধীতা করত ? যদি জোট সরকার আসত এবার ? তারা বলত চাল আর দেবনা ? উল্টে চাল আর সাইকেল যে বাম আমলেই শুরু হয় সেটা বোঝানোর ব্যস্ততা ছিল যথেষ্ট। আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠেই ‘এই সময়’ পোস্টালেন আর কালকেরটা দেখেননি ? বেশ দেখুন একবার http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=23263&boxid=153520631

    ‘কেননা ভিখীরিকে ভিক্ষা দিয়ে তার বদলে কেউ কিছু চায় না’।
    যাঁরা চাল পেলেন তাঁরা যদি ভিখিরি হন তাহলে এদেশের ৬৭ % লোক ভিখিরি এবং তাঁদের ৭৫% গ্রামে ও ৫০ % শহরে বাস করেন। এটা কং-বিজেপি মেনে নিয়েছে, মেনে নিয়েছে ভারতের বহু রাজ্য। বদলে বিস্কুটের কেস নেই বলছেন ? শুধুই ভিক্ষে ? কল্যাণ হক !!!

    "নোটা নিয়ে আমার পোস্টের পর আর উচ্চবাচ্য করছেন না। " ‘কোন পোস্ট মনে নেই’।
    আপনি লেখাপড়া জানা লোক। শুধুই লেখেন, অন্যেরটা পড়েননা ? নাকি কাঁটা বেছে খান ? নোটায় সর্বত্র ‘এখনকার ডাকাতরা’ জেতেননি, ‘আগের চোর’ও জিতেছে। আর নোটায় নাকি অতি-বাম ভোট দিয়েছে তাও ঠিক নয়। সবচেয়ে বেশি নোটা পড়েছে বাঁকুড়ার ছাতনায় ৭৭০০। তাঁরা সবাই অতি-বাম ? এইটাও থাক :
    http://bengalicms.pradesh18.com/people-give-vote-in-nota-in-twenty-three-constituency-more-than-vote-margin-of-the-winning-candidates/

    দেখুন সরকারি কর্মচারী ১০ লাখ আর পেনশন পান আরও ৪ লাখ। ডি এ না দিলে ভোট যায় কমবেশি ৫০ লাখ আর চাল দিলে ভোট আসে মিনিমাম ১ কোটি। এক কিস্তি ডি এ না দিলে বছরে বাঁচে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে সাইকেল, কন্যাশ্রী, সিভিক ভলান্টিয়ার সব করেও হাতে কাঁচা টাকা থাকে। পুরোটাই ভোটের স্ট্র্যাটেজি। আপনি ৪-২-৪ ছকে খেললে আমাকেও সেই ছকেই খেলতে হবে ? সিপিয়েমও তার স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিল। এক্সিট পোলের পরেও বিশ্বাস রেখেছিল মানুষের ওপর। ১৯ তারিখ বেলা ১০ টার কিছু পর থেকে ছাগল তত্ত্বে স্বাচ্ছন্দ্য খুঁজছে !
  • sm | ২২ মে ২০১৬ ১৮:১৭706545
  • যা বাব্বা, অম্বিকেশ কেও তো পুলিশ ধরে নিয়ে গেছিল। সুশান্ত ঘোষ, লক্ষণ শেঠ কেও তো জেলে রাখল বেশ কিছুদিন; কাকে অপরাধী বলব আর কাকে না সেটা তো এবার থেকে আপনাকে জিগাতে হবে দেখছি মহায়?
  • sm | ২২ মে ২০১৬ ১৮:২৮706546
  • আচ্ছা, গাছে তুলে মই নিয়ে কোথায় গেল সেই পপিচুর দল? আগে তো দাদা একটা পোস্ট লিখলে চারটে, কি লিখেছ দাদা; বলে পোস্ট পড়ত।
    দোস্ত দোস্ত না রাহা--
  • Chaposha | ২২ মে ২০১৬ ১৮:৪৩706547
  • কলকাতা ১ নং ward কাউন্সিলর কানাই গাঙ্গুলি যখন ২৯ হাজার ভোটে জিতত, নন্দরানী দল এর কেন্দ্রে ১২৪% পোলিং হত,আরামবাগে অনিল বসু ৫ লক্ষ ৭০ হজার মার্জিনে জিতত তখন save democracy কোথায় ছিল ? তখন সন্দেহ হয় নি ?এগুলো মাত্র গত দশকের ঘটনা
  • pi | ২২ মে ২০১৬ ১৮:৪৬706548
  • রূপা গাঙ্গুলি আরো কিছু জন সহ নাকি আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ?

    ডিঃ এটা সত্যি হয়ে থাকলে খুব খারাপ বলবো, আর ক'দিন আগে যাদবপুরের ঘটনায় বলার জন্য যেমন সিপিএম কিছু লোক ছুপা চাড্ডি বলেছিলেন, তাঁরা আবারো বলতে পারেন।
  • News | ২২ মে ২০১৬ ১৯:১৫706549
  • কাকদ্বীপে আহত দলীয় কর্মী কে দেখতে গিয়ে গাড়ি ভাংচুর,ইঁট বৃষ্টি, মারধর,শ্লীলতাহানির অভিযোগ - মাথায় আঘাত রূপার, হাসপাতালে চিকিত্সা হচ্ছে
  • PT | ২২ মে ২০১৬ ১৯:২০706550
  • কাক্দ্বীপের হাসপাতালে। এক্ষুণি জাস্টিফিকেশন আসবে গোধরার কথা তুলে।

    "এই ছাগলগুলোই ৩৪ বছর একটাই দলকে ভোটে জিতিয়েছে এতদিন। তখন তাঁদের ছাগল মনে হয়নি ?"
    আপনার যদি বাম ভোটারদের ছাগল মনে হয় তো সেটা আপনার সিদ্ধান্ত। তাতে আমার কিছু বলার নেই।

    "দেশ জুড়ে চাল দেওয়ার ঢের আগে থেকে...... "
    ইতিহাস না জানার এই সমস্যা। বাম সরকার বহু আগে বিপিএল কার্ডের মানুষদের (আড়াই কোটির মত) এইরকম ভাবেই চাল দিত। কিন্তু সেই কাজটি করা হত নিস্চুপে, মানুষের সম্ভ্রম বজায় রেখে আর এই সংখ্যা পাবলিক প্লেসে উচ্চারণ করে কেউ কখনো তাদের কাছে ভোট চায়নি। এমনকি বিজেপি বা কং-ও এই সব মানুষ-জনকে ভোটার হিসেবে দেখিয়ে তাদের অসম্মান করেনি।

    নোত নিয়ে বার দুয়েক একই কথা লিখেছি। বুঝতে না পারলে কিছু করার নেই। আরেকবার চেষ্তা করি। নোটার জন্যে যদি ডাকাতের সহযোগীদের একজনও জিতে আসে তাহলে নোটায় ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্য সম্পুর্ণ ব্যর্থ।

    শেষ প্যারাতে যা লিখেছেন সেটা অভিরূপের আবাপ-তে ছাপানো লেখা থেকে প্রায় টুকে দেওয়া। তার পর থেকে থেকে অন্ততঃ গোটা চারেক লেখা ছাপানো হয়েছে ঐ আবাপতেই যেগুলো সংখ্যাতত্ব নিয়ে তিনোমুলী অর্থনীতিবীদ অভিরূপের ভন্ডামির মুখোশ খুলে দিয়েছে।
  • বুশ | ২২ মে ২০১৬ ১৯:২৬706551
  • আমার বিরোধী পাট্টিকে ভোট যে ভোট দেয়, সে ছাগল। কেটে খেয়ে লিব।
  • Gaanola-r FB | ২২ মে ২০১৬ ১৯:৩৭706552
  • ফেসবুকে দেখছি সি পি আই এম/বামফ্রন্টি লোকজন সুমুদ্রিত প্রচারবুলি পোস্ট করেছে। প্রতিটি লাইন মনে নেই। মোটের ওপর যা মনে আছে (হুবহু হলো না কিন্তু) -

    বামপন্থী হারেনি

    শিক্ষা হেরেছে
    সভ্য সুশীল সমাজ হেরেছে
    প্রতারিত মানুষ হেরেছে
    সংবিধান হেরেছে
    মানবিকতা হেরেছে
    গণতন্ত্র হেরেছে...
    কামদুনি হেরেছে
    পার্কস্ট্রিট হেরেছে...

    ইত্যাদি।

    বামফ্রন্টি-সি পি আই এম সমর্থক-সদস্যরা, যাঁরা এটি বাজারে ছেড়েছেন, তাঁরা যদি সংসদীয় গণতন্ত্র মানেন, ভোটব্যবস্থা মানেন এবং মানেন যে সাম্প্রতিক ভোট ঠিকঠাকই হয়েছে (তাঁরাই তো ইতপূর্বে বলেছেন) তাহলে কী দাঁড়াচ্ছে? এই রাজ্যের ভোটদাতা জনগণ শিক্ষা সংস্কৃতি গণতন্ত্র মানবতা ইত্যাদিকে হারিয়ে দিয়েছেন এবং চেয়েছেন আরো পার্ক স্ট্রিট, কামদুনি এসব হোক? এই রাজ্যের জনগণ, যাঁদের অধিকাংশই গ্রামবাসী, খেটে খাওয়া মানুষ, সভ্যতাবিরোধী, অসভ্যতাকামী?

    "লাল ন্যাকড়া নাড়িয়ে নাড়িয়ে" (সি পি আই এম, বামফ্রন্টি ও তাদের তাঁবেদার নকুদের হাতের নিশানটিকে আমি কিছুতেই লাল নিশান বলব না, ওটা লাল ন্যাকড়া; লাল নিশানের মর্যাদা ওরা জানে না) তিন দশকে হাজার পঞ্চাশেক কারখানা বন্ধ করে, অসংখ্য শ্রমিককে পথের ভিখিরি আর তাঁদের ঘরণীদের রাস্তার দেহব্যবসায়ী বানিয়ে সি পি আই এম ও বামফ্রন্টিরা গণতন্ত্র ও সভ্যতার পাঠ দিচ্ছে? মরিচঝাঁপিতে কাদের গুলিতে কারা মারা গিয়েছিলেন? বানতলায় অনীতা দেওয়ানকে কারা গণধর্ষণ করেছিল, তারপর তাঁর যৌণাঙ্গে নানান জিনিস ঢুকিয়ে দিয়েছিল, তারপর তাঁকে খুন করেছিল, খুন করেছিল অনীতা দেওয়ান ও উমা ঘোষের গাড়ির চালককে, যিনি বীরের মতো বাঁচাতে চেষ্টা করেছিলেন জাতিসঙঘের ঐ দুই মহিলা কর্মচারীকে? কারা গণধর্ষণ করেছিল উমা ঘোষকে? কারা বিজন সেতুর ওপর পুড়িয়ে মেরেছিল আনন্দমার্গীদের? কারা গ্রামে গ্রামে মানুষের হাত কেটে নিয়েছিল শুধু সেই গ্রামবাসীরা সি পি আই এমের বিরোধিতা করেছিল বলে? আর কতো বলব? সি পি আই এমের নির্যাতন, খুন, অসভ্যতা, হারামিপনার তালিকা করা হলে সেই তালিকা দিয়ে এই রাজ্যটাকে দিব্যি ঘিরে ফেলা যাবে।

    আমার পরিবারেই দেখেছি সি পি আই এমের সুকীর্তির নজির। আমার নিজের দাদা ছিলেন শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে পাশ করা ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার। আমার চেয়ে চার বছরের বড়। তিনি কালক্রমে State Electricity Board -এ চাকরি পান। তিনি খুবই ভালমানুষ গোছের লোক ছিলেন - আমার মতো না। কে না জানে যে আমার জন্য ভারতে শকুন লোপ পেতে বসেছে। ৭ লাখ শকুন মরলে একটা কোবরে সুমন জন্মায়।আমাদের রাজ্যের অধিকাংশ ভদ্রলোক-মাকু-নকু-সেকু-হোঁক্কোহোঁকবিপ্লবী, বিশেষ করে যাঁরা অতীতে বিপ্লবের জয়গান গাইতে গাইতে আমায় দিয়ে একের পর এক চ্যারিটি শো করিয়ে কখনও করন্দা, কখনও কতো লোকের open heart surgery, কখনও বাপের বিয়ে, কখনও কোন আহত শ্রমিকের surgery ইত্যাদি নানান অজুহাতে আমায় দিয়ে চ্যারিটি শো করিয়ে নিয়েছিলেন - তিন ঘন্টা গানবাজনা শুনিয়ে একটি পয়সাও নিইনি কোথাও - এতোটাই বোকাচোদা আমি, এবং যে উদারপন্থী-বামপন্থী-নেড়েবিরোধী-কাটুয়াবিদ্বেষীরা এই কাটুয়া মোল্লা সুমনের ওপর মহাখাপ্পা, তাঁরা তো বিলক্ষণ জানেন। ৭ লাখ শকুন মরলে এক piece কোবরে সুমন পয়দা হয়, যে আবার কিনা তার বিরোধীদের কারুর কারুর ঘরে - ঐ যাঃ - ডিম পেড়ে এসেছে। বিরোধীদের কারুর কারুর পরিবার কিন্তু খাসা। স্বেচ্ছায় আমার কাছে এসে এটা ওটা চেয়ে নিয়েছেন। এমনকি ইয়ে --- মানে ---বোঝেনই তো। জনা তিনেক তো ডাগর হয়ে উঠল। আমার জান-বিরোধীরা জানেনই তো আমি কোন স্তরের হারামি নেড়ে। তবে তাঁদের কারুর কারুর পরিবার কিন্তু অতো নিষ্ঠুর আর বেযুক্তি নন। যাই হোক, আমার সহোদর ছিলেন নেহাতই ভালমানুষ। তাঁর অধীনস্থ রাজ্য সরকারী কর্মচারীরা তাঁর কাছে গাড়ির তেলের ভুয়ো বিলে সই করার আর্জি (মানে মাকু-হুকুম) পেশ করতে থাকেন। রাজ্য সরকারের গাড়ি সেই জনগণতান্ত্রিক-বিপ্লবী মাকু-কর্মচারীরা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে (অপ)ব্যবহার করবেন, আর আমার সহোদরকে সেইসব পেট্রল-ডিজেলের বিলে সই করে দিতে হবে। তিনি বলে দেন ওসব কাজ তাঁকে দিয়ে হবে না। সি পি আই এমের সদস্য কর্মীরা তাঁর বিরুদ্ধে এক ভয়ানক চক্রান্ত করেন এবং একটা মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেন। আমার সহোদরের প্রায় আত্মহত্যা করার উপক্রম হয়েছিল। আমি তখন পাশ্চাত্যে থাকতাম। এখানে থাকলে, দু'একটাকে আমি দেখে নিতাম। - অনেক কষ্টে আমার সহোদর নিস্তার পান সি পি আই এম-গুণ্ডা-ছোটলোকদের চক্রান্ত থেকে।

    এরকম ঘটনা এ-রাজ্যের অনেকের জীবনেই ঘটেছে বাম-শাসনের তিন দশকে। মানুষ লোপাটও হয়ে গেছে। মাকু-ধর্মাবতারগণ, মানসী মুখোপাধ্যায়ের ব্যাপারটা কী যেন হয়েছিল?

    কোন অপকর্মটা বাকি রেখেছিল সি পি আই এম?

    আমাদের দেশের এক অগ্রণী নদী বিশেষজ্ঞ ডক্টর কল্যাণ রুদ্রকে কী করেছিল এস এফ আই-সদস্যসভ্যরা? এস এফ আই আর সি পি আই এমের দারুণ-শিক্ষিত নেতারা কী বলবেন? সবাই সব ভুলে যাবে, তাই না? কী মাকু-নেতার দল? ডক্টর কল্যাণ রুদ্রর সঙ্গে কী করেছিলেন? ভুলে গেছেন, না?

    তৃণমূল হলো ছোটলোক, অশিক্ষিতদের দল, আর সি পি আই এম এবং বাম দলগুলো হলো শিক্ষিতদের দল। সবাই খুব সভ্য।

    'সর্বহারা দলের' নেতারা তো সব 'সর্বপাওয়া' পরিবারের (বেশিরভাগ) বর্ণহিঁদু। এতই হিঁদু যে আমার নামটা মুখে আনতে চান না। তবে বিজেপি আর এসে এসের কিছু শুদ্ধি-অনুশাসনের ফলে মুসলিমবিদ্বেষী বাম-মাকু-নকু-সেকুদের একটা উপকার হয়েছে। কাঠমোল্লা কবীর সুমনের নাম মুখে আনার পর তাঁদের ধর্মগ্রন্থ কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো হাতে নিয়ে এক কাপ গোমূত্র খেয়ে নিলেই সব শুদ্ধ হয়ে যায়। আহা, মুসলিমবিদ্বেষী, কোবরে সুমন বিদ্বেষী মাকু-নকু-সেকুর দল আপনাদের পারস্পরিক সামাজিক-বিনিময়ের স্বার্থে আমি আমারই গানের একটি লাইন পালটে দিলাম। আপনারা নিজেরা তো আমার নানান গানের প্যারোডি করেছেন, প্রগতিশীল-সেকুলার-বিপ্লবীর দল। এবারে এই প্যারোডিটা দেখুন আপনাদের কাজে লেগে যাবে - "এক কাপ পেচ্ছাপে তোমাকে চাই/ গোমাতার পেচ্ছাপে তোমাকে চাই..."। ভালো না?

    তা, বাবুরা, সর্বহারার দলে কজন এক্কেবারে গ্রাম থেকে আসা, ধরুন (বালাই ষাট) মুসলমান বা দলিত (ধরুন, বালাই ষাট - ডোম, চণ্ডাল, জনজাতি, মুর্দোফরাস) নেতা রয়েছেন, কর্তারা? প্রায় সক্কলেই তো দেখি বর্ণহিন্দু পদবিধারী।

    আপনারা শেষকালে ফেসবুকে এইসব পেশ করতে শুরু করলেন? এ-লেখার একদম শুরুতে যা উদ্ধৃত করেছি?

    বিধানসভার ভোটে এ-রাজ্যের ভোটদাতারা তাহলে সচেতনভাবে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, মানবতা, গণতন্ত্র, সভ্যতা ইত্যাদির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন? এই হলো সর্বাহারার চরম শিক্ষিত-দীক্ষিত-পরীক্ষিত-সভ্য-গণতন্ত্রী-মানবতাবাদী দলের অভিমত।

    চমৎকার।

    না লিখে পারলাম না। নয়তো, এই দেশে সব মিলিয়ে রাজনীতি যেখানে চলে গেছে - এবং সেই সঙ্গে আনন্দবাজারের অভিকনীতি (কুচোগুলোর নাম আর করলাম না), মিডিয়ানীতি তাতে মনে হয় এইসব বিষয়ে আলোচনা করার চেয়ে বাবলা গাছে পেছন ঘষাও ভাল।

    ধুৎ ---
  • Mmu | ২২ মে ২০১৬ ১৯:৪৬706554
  • আনন্দ বাজার দিশাহীন হয়ে পরেছে। কি লিখবে কি লিখবে না বুঝে উঠতে পারছে না। কে এই তসলিমা, এর কি যোগ্যতা ভারতীয রাজনিতী নিয়ে কথা বলে ?
    ইনি কি ভারতীয়। নিশ্চই নয়। তবে ? কেন সমস্ত প:ব: বাসীকে ছোট করতে সাহস পায় ? আর আ:বা:প: - কোন কিছু লেখার নেই তাই তসলিমার ফেস বুকের লেখা তুলে খবর ছাপছে। জানাসাধারানকে ছোট করার জন্য তসলিমাকে প:ব: তথা ভারতবর্ষে ব্যান করা উচিত।
    এদিকে অ:বা:প:ও না বুঝে বঙ্গবাসী তৎসহ নিজের প্যায়ারের দল বামফ্রন্ট কে ( ৩৪ বছর ক্ষমতায় থাকা ) ছোট করছে।

    ******
    ৩০-৩৫ বছর অন্তর ঘুম ভাঙে পশ্চিমবঙ্গের, ফেসবুকে খোঁচা তসলিমার
    নিজস্ব সংবাদদাতা

    ২২ মে, ২০১৬, ১৫:৩৫:১১
    e e print

    Taslima Nasreen
    ছবি: লেখিকার ফেসবুক পেজের সৌজন্যে।
    পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ৩০-৩৫ বছরের আগে ঘুম থেকে জাগেন না। মন্তব্য তসলিমা নাসরিনের। বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলকে কটাক্ষ করেই এমন মন্তব্য বাংলাদেশি লেখিকার। শনিবার নিজের ফেসবুক ওয়ালে একটি পোস্ট করে তসলিমা এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
    বাংলা থেকে কিন্তু এই মুহূর্তে অনেক দূরে রয়েছেন তসলিমা। আমেরিকায় রয়েছেন তিনি। কিন্তু, তসলিমা ভৌগোলিক ভাবে যেখানেই থাকুন, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বিভিন্ন পোস্ট বার বার বুঝিয়ে দেয়, মানসিক ভাবে তিনি দুই বাংলারই খুব কাছাকাছি। দুই বাংলার যে কোনও বড় সামাজিক বা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়েই ফেসবুকে মন্তব্য করতে দেখা যায় লেখিকাকে। ফলে বাংলার বহুচর্চিত বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোলে তলসিমা যে প্রতিক্রিয়া দেবেন, তা প্রত্যাশিতই ছিল।
    শনিবার তসলিমা নাসরিন ফেসবুকে যে দেড় লাইনের পোস্টটি করেছেন, তাতে কোথাও উল্লেখ করা হয়নি যে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রসঙ্গেই তিনি এই পোস্ট করছেন। তবে তাঁর ইঙ্গিত যথেষ্ট পরিষ্কার। তসলিমা লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের মানুষ স্ট্যাটাস কুয়ো (স্থিতাবস্থা) পছন্দ করে। তিরিশ-পঁয়ত্রিশ বছর না গেলে জাগে না, পরিবর্তনও চায় না। অভ্যেস নেই।’’
    আরও পড়ুন:
    সঙ্কটে অবিচল সেনাপতিরা
    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূলের সরকার যে ভোটের আগে নানা ঘটনায় পাহাড়প্রমাণ বিতর্কের মধ্যে ছিল, তা বলাই বাহুল্য। তার মধ্যেই বিরোধীদের ধরাশায়ী করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছেন। বাংলার মানুষের এই রায়কেই খোঁচা দিয়েছেন তসলিমা। এত বিতর্কিত সরকার এত গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফেরায় বাংলাদেশি লেখিকা যে বিস্মিত, তা বোঝা গিয়েছে পোস্টটিতে। এর আগে নানা বিতর্ক উপেক্ষা করে বামেদেরও টানা ৩৪ বছর ক্ষমতায় রেখেছিল বাংলা। তৃণমূলের ক্ষেত্রেও বাংলার ঘুম সহজে ভাঙবে না বলে তসলিমা মনে করছেন।
  • dc | ২২ মে ২০১৬ ২০:০২706555
  • যারা বাম দলকে ভোট দেয় তারা ছাগোল না। যারা অন্য দলকে ভোট দেয় তারা ছাগোল। এদ্দিনে ব্যাপারটা ক্লিয়ার হোয়েচে।
  • pi | ২২ মে ২০১৬ ২০:০৪706556
  • কেন ব্যান কেন ?

    আপনি, আমরা শাহবাগ, বাংলাদেশের নির্বাচন, ব্লগার হত্যা, এসব নিয়ে কথা বলিনা ? কোন যোগ্যতায় বলি ?
  • | ২২ মে ২০১৬ ২০:২২706557
  • আবাপ প্রায়ই তসলিমার ফেবু পেজ থেকে লেখা নিয়ে খবর ছাপে, তসলিমার নিজের আপত্তি না থাকলে আপনার কী সমস্যা? আপনার পছন্দ না হলে পড়বেন না, চুকে গেল।

    আর যে কোনও দেশের লোকই অন্য দেশের রাজ্যের জেলার উপজেলার রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে, মন্তব্য করতে পারে।দুমদাম ব্যান ফ্যান খুব একটা ভাল অ=ওব্যেস নয়। ?যারা অমন ব্যান করে, যেমন চীন, তাদের আমরা খুব নিন্দেমন্দ করি।
  • এলেবেল | ২২ মে ২০১৬ ২০:২৭706558
  • ৩৩ টা পাতার পরও আপনার যদি ভোটারদের ছাগল মনে হয় তো সেটা আপনার সিদ্ধান্ত। তাতে আমার আর কিছু বলার নেই।

    এলেবেলেরা এর থেকে ওর থেকেই টোকে। কিন্তু স্ট্র্যাটেজি পালটে নেয় মাঝেমাঝে। টোকার স্ট্র্যাটেজি।
  • ফেসবুক থেকে | ২২ মে ২০১৬ ২১:০৩706559
  • যেসব চমস্কিআলোকিত, সার্ত্রআমোদিত, মারিঘেল্লাপ্রাণিত বিশিষ্টরা ফেবুতে এই মর্মে বাণী বিতরন করছেন যে "আমাদের পচ্চিম্বঙ্গের লোকজন কি ইতর, কি অশিক্ষিত, কি গান্ডু, কি চুতিয়া, যে ফের তৃণমূলকেই ভোট দিলো গা, এরা তো দেখছি এক্কেবারে ছ্যাঃ ", তাদের প্রতি সবিনয় নিবেদনমিদং,
    মুখটা বন্ধ রাখুন।

    কয়েকটা সিটে তো আপনাদের পছন্দের দলের লোকজন জিতেছেন, সেখানকার ভোটদাতারা ভারি চমৎকার সব লোকজন, মার্ক্সঠাকুরের দোর ধরা ছেলে, আর বাকি ভোটদাতারা সবই বিটক্যাওড়া মার্কা অলম্বুষ পাবলিক, এই প্রকাশ্য ঢ্যামনামোটা ছাড়ুন। নিজের মতামতের সঙ্গে মেলেনি বলেই রাজ্যসুদ্ধু লোক গর্দভ, তাই না? আর আপনি কোন হরিদাস পাল মহাই? বলি আপনার পার্টিও তো এদের কাছেই ভোট চাইতে গেছিলো, যায় নি? নিজেরাই বলেছিলেন অবাধ ভোট হয়েছে, বড় আশা করেছিলেন যে পাশা উল্টোবে, ("পুলিশ তৃণমূলীদের হেবি প্যাঁদাচ্ছে, ওরাই সবার আগে সরকার বদলাবার কথা টের পায় কি না। দেখিস এবার আমরাই ঠিক...") এখন সে আশা না পুরিতেই সারা পশ্চিমবঙ্গের ইলেক্টোরেট অশিক্ষিত নির্বোধ আর গান্ডু হয়ে গেলো?

    আপনাদের এই বিরুদ্ধমতাবলম্বীদের প্রতি তুচ্ছতাচ্ছিল্য, নিজেকে দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ জ্ঞানী হিসেবে প্রতীয়মান করার চেষ্টাটাই কিন্তু আম আদমি কে এই ভদ্রমহিলার দিকে ঠেলে দিয়েছে। এই এলিটপনার নিগড়ে নিজেরাই কখন বাঁধা পড়ে গেছেন বোঝেননি। নিজেকে ভেবেছেন ভারি সুউচ্চ আর মহান। ভেবেছেন যে, ফেসবুকে চারটি লম্বাচওড়া বুকনি 'এই নে,তোদের ভালোর জন্যেই দিলুম, নইলে আমার আর কি বল' স্টাইলে ছড়িয়ে দেবেন, আর আপামর জনসাধারণ হাপুসনয়নে কেঁদে, চোখের জলে বুক ভাসিয়ে সেই সব বহুমূল্য মুক্তোরাজি তুলে নিয়েই পড়ি কি মরি করে দৌড় দেবে ভোটবাক্সে আপনাদের ঢেলে ভোট দেবার জন্যে,তাই না?
    আপনাদের এইসব "হেঁ হেঁ, শুনলি না তো, তোদের ভালোর জন্যেই বলেছিলুম কিন্তুক" মার্কা সুউচ্চ কেতাবি নলেজ একটু আপনাদের 'ইত্থে' রেখে বোঝার চেষ্টা করুন ঠিক কি জন্যে জনগণ এই আদ্যন্ত লুম্পেন অধ্যুষিত পার্টিটাকে ঢেলে ভোট দিচ্ছে। কোথায় জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছেন। কেন মানুষ আপনাদের কথা শুনছে না। নাকি আপনারা শোনাতে পারছেন না। এবিপির ঠান্ডা স্টুডিও ছেড়ে, ফেসবুকের সংকীর্ণ চৌহদ্দি ছেড়ে একটু বাইরে এসে দেখুন। নিজের মতে না মিললেই অন্যকে ব্যাঙ্গ করা, উপহাস করা ছাড়ুন, ওটাও একধরণের ফ্যাসিবাদ। ভোটের পর ভোটে হারছেন, আবার খিস্তি করছেন, আবার এই মানুষগুলোর ভোটেই লজ্জাঘেন্নার মাথা খেয়ে জেতার আশা করবেন তো?

    সেই কথাটাই আবার বলতে হচ্ছে কত্তা, আপনাদের মশাই কান্ডজ্ঞানটা সত্যিই....
  • Mmu | ২২ মে ২০১৬ ২১:১২706560
  • Name: pi

    IP Address : 24.139.209.3 (*) Date:22 May 2016 -- 08:04 PM

    কেন ব্যান কেন ?

    আপনি, আমরা শাহবাগ, বাংলাদেশের নির্বাচন, ব্লগার হত্যা, এসব নিয়ে কথা বলিনা ? কোন যোগ্যতায় বলি ?

    @@
    ব্যান তো একটা কথার কথা। কিন্ত বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আমি/ আমরা কোন কথা বললেও ওই ধরনের কথা অবশ্যই বলা উচিত নয় বা বলিনা যে তারা সবাই অবুঝ /মূর্খ /ছাগল অথবা ঘুমন্ত। এছাড়া আমরা স্বাধারণ মানুষ কিছু বলা আর (ইন্টার ন্যাশনাল সেলিব্রেটি ) 'তসলিমা নাসরিন ' বলার মধ্যে ফারাক আছে, তাই নয় কি। ঘুমন্ত কথাটা 'বারাক/ পুতিন/ হাসিনা ---' কেউই বলবে না। কথাটার মানে দাড়ায় মূর্খ /অবুঝ/ ছাগল ইত্যাদি।

    ---------------
    Name: দ

    IP Address : 24.96.174.167 (*) Date:22 May 2016 -- 08:22 PM

    আবাপ প্রায়ই তসলিমার ফেবু পেজ থেকে লেখা নিয়ে খবর ছাপে, তসলিমার নিজের আপত্তি না থাকলে আপনার কী সমস্যা? আপনার পছন্দ না হলে পড়বেন না, চুকে গেল।

    আর যে কোনও দেশের লোকই অন্য দেশের রাজ্যের জেলার উপজেলার রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে, মন্তব্য করতে পারে।দুমদাম ব্যান ফ্যান খুব একটা ভাল অ=ওব্যেস নয়। ?যারা অমন ব্যান করে, যেমন চীন, তাদের আমরা খুব নিন্দেমন্দ করি।
    @@
    নিন্দে মন্দ ? শুভ লক্ষন।
    আবার আপনারাই তো চীনের ফলোয়ার।

    খুব যদি আপত্তি থাকে তবে 'ব্যান' করলাম না, থাক। :)) :))
  • | ২২ মে ২০১৬ ২১:১৮706561
  • আমি চীনের ফলোয়ার এই খবরটা আপনার পার্টি থেকে দিল? এহেহেহে স্বপন দাস শ্রীধর দাসদের থেকে ঠিক খবর নিতে বলুন।
  • dc | ২২ মে ২০১৬ ২১:১৯706562
  • "ঘুমন্ত কথাটা 'বারাক/ পুতিন/ হাসিনা ---' কেউই বলবে না। কথাটার মানে দাড়ায় মূর্খ /অবুঝ/ ছাগল ইত্যাদি। "

    এবার একটা নতুন বাংলাভাষার ডিকশনারি লিখে ফেলুন।
  • S | ২২ মে ২০১৬ ২১:৩০706563
  • sm, বাম আমলে দুর্নীতি হয়নি সেকথা কেউ বলছেনা। আমি খুব সামনে থেকেই দেখেছি। কিন্তু সেই দুর্নীতির পরিমান খুবই সামান্য। অন্য রাজ্যে গিয়ে দেখেছি আপনি যেগুলো বলেছেন সেগুলো নিয়ে লোকের কোনো মন্তব্যই নেই - ধরেই নিয়েছে ওগুলো হওয়াটাই স্বাভাবিক। কোটি টাকার প্রজেক্ট থেকে একটা সাইজেবল অংশ সবাই খাবে এটাই স্বাভাবিক। স্টিং অপারেশনের টাকার পমিনান দেখে মনে হয়েছিলো এই পরিমান টাকায় তো অন্য রাজ্যে কোনো কর্পোরেটর দেখাও করবেনা।
  • S | ২২ মে ২০১৬ ২১:৩১706566
  • শুধু বাম আমলে না, দিদির আমলেও শুধুমাত্র সারদা ছাড়া তেমন কিসুই দুর্নীতি হয়নি।
  • কল্লোল | ২২ মে ২০১৬ ২১:৩১706565
  • রূপা গাঙ্গুলী আক্রান্ত কর্মীকে দেখতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন।
    আর সিপুয়েম ন্যাতারা - ফেবু থেকে -
    Farha Kazi
    18 hrs · Kolkata ·
    ঘরবাড়ি আক্রান্ত এবং খুনের হুমকির পর প্রথম যোগাযোগ করেছিলাম বর্ধমান পার্টি অফিসে! বড়ো বড়ো নেতা সব!!! কিন্তু কাজের সময় কাউকে পাওয়া যায়না! কর্মীরা মার খাচ্ছে আর ওনারা নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত, কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর ফুরসত নেই!!
    আইনুল হক, মদন ঘোষ, অমল হালদার, গণেশ চৌধুরি, অচিন্ত্য মল্লিক এবং অন্যান্য নেতাবৃন্দগণ। ।।। আমি জানি আমার ওয়ালের এই লেখা আপনাদের কাছে পৌঁছাবে, অন্তত আজকের পর বেশ কিছুদিন আপনারা আমার মুখ ভুলবেন না এটা জানি!!
    আপনারা হেল্প করতে পারবেন না বলেছিলেন এই মূহুর্তে!
    শুনে রাখুন, আমি ময়না কাজীর নাতনী।।।।আমার দাদার মতোই আমি কারোর ভয় করিনা, কারোর সাহায্যের অপেক্ষায় বসে থাকিনা! বিনয় চৌধুরি যখন বর্ধমানে হারতে বসেছিলেন আমার দাদার জন্য বৈকুন্ঠপুর এলাকার সব ভোট পেয়ে শেষঅবধি জিতেছিলেন!!! এই লোকের রক্ত আমার গায়ে! আপনারা ঠান্ডা ঘরে বসে কারণ অনুসন্ধান করুন। আমি বরং মাঠে নামি। হ্যাঁ,আমি একাই গেছিলাম, একাই লড়েছি এবং আমার লড়াই অনেকাংশে সফল হয়েছে তো বটেই। গ্রামের সেই প্রতিটা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি যারা আমাদের কথা শুনে সিপিএমকে ভোট দিয়েছিলো!
    আর একটা কথা, আপনারা বলেছিলেন না এখন সিচুয়েশন নেই প্রতিবাদ করার। মনে রাখবেন সিচুয়েশন তৈরী হয়না, সিচুয়েশনকে তৈরীও করতে হয় কখনো কখনো।
    /,https://www.facebook.com/farha.yasmin/posts/10201740903160586
  • সে | ২২ মে ২০১৬ ২১:৪১706567
  • জয় মা সিদ্ধেশ্বরী। মানত করেছিলাম। আর কোনোদিনো যেন সিপিয়েম না আসে। বেঁচে থাকতে যেন আর সিপিয়েম রাজত্ব দেখতে না হয়।
  • গ্যাস | ২২ মে ২০১৬ ২২:০০706568
  • সেলিম তো এবিপি তে ভোটের আগে বলেছিল "আমরা সমর্থক দের পাঁচ বছর পতাকা লুকিয়ে রাখতে বলেছিলাম, এবার খোলস ছেড়ে বেড়িয়েছে -এবার তোর মরা বানে বান এসেছে" ইত্যাদি।সূর্য ভোটের পর ও বললো ওরা তিন অনেকে পৌঁছবে না, আমরা ছক্কা মেরেছি ২০০ + পাবো। লোকে বার খেয়ে ক্ষুদিরাম হলো।শুধু তখন বলেনি ওরা জিতলে কিন্তু তোমরা নিজের জানমাল নিজদায়িত্বে রেখো, আমরা বাসের সামনের দরজা দিয়ে উঠে পিছন দরজা দিয়ে নেমে গিয়ে আন্দোলন খেলা খেলবো আর নবান্নে ফিশ ফ্রাই আর সন্দেশ খাবো। ৩৪ সাল মণ্ডামিঠাই খেয়ে খেয়ে না খেতে পাওয়া যে কি কষ্টের! আর কিছু উন্নাসিক হনু খাবে ঘুরবে, লেকচার দেবে আর টিভি তে মুখ দেখাবে।
  • sm | ২২ মে ২০১৬ ২২:৪৭706569
  • S, কমপ্লিট ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। আমার বোধ হয়েছিল আপনে, বাম আর তিনো আমলের দুর্নীতির তুলনা করছেন।
    একথা সত্যি, দুর্নীতিতে ভারতের অন্য রাজ্যগুলোর থেকে পব অনেক পিছিয়ে।
    বাম আমলেও যেমন অনেক সরকারী কাজ বিনি পয়সায় হতো;তিনো আমলেও তাই।
    আইন শৃঙ্খলার একটু উন্নতি হলে সিন্ডিকেট বাজি আর প্রমোটার বাজিও কমে যাবে।
  • কল্লোল | ২২ মে ২০১৬ ২৩:৩০706571
  • এবং সিপুয়েম নিষ্ক্রিয় থেকে বিজেপির হাতে সরকার বিরোধীতার ব্যাটন তুলে দিচ্ছে। এরপর লোকে বিজেপিকে ভোট দিলে এখানকার রেসিডেন্ট সিপুয়েমরা বলবে তিনো বিজেপিকে ডেকে এনেছে।
    কে যে কাকে ডেকে আনছে সে তো দেখাই যচ্ছে।
  • S | ২৩ মে ২০১৬ ০০:৫০706572
  • তবে ঐ মোবাইল ক্যামেরা ছিলোনা বলে বামেদের দুর্নীতি ধরা যায়নি যুক্তিটা হেব্বি। ৩৪ বছরেও কেউ ক্যামেরা খুঁজে পেলোনা? তহেলকার ক্রিকেট ম্যাচ ফিক্সিঙ্গের স্টিঙ্গ অপারেশন হয়ে্ছিলো ২০০১এ। ২০০৬-২০১১, বামেদের সবথেকে খারাপ সময় যখন কিনা দুর্নীতির বান ডেকেছিলো, তখনো ধরা যায়নি? তখন তো বাচ্চা ছেলের হাতেও ক্যামেরা ওয়ালা মোবাইল।

    আর তিনোরা হেব্বি ছড়ু পাবলিক। কয়েক লাখ টাকার লোভও ছাড়তে পারেনা। হাভাতের দল সব। লাফিয়ে পড়ে নিতে গেছে আর ধরা পরে গিয়ে কিসব যুক্তি। বিদেশের টাকা, চক্কান্ত। আর মহামাণ্য ডেরেক বাবু একটা ভুয়ো ছবি লাগিয়ে খুব চালাকি কারতে গেছিলেন। আবার বলে "দিস ইজ মাই ফেভারিট"। পরে ধরা পড়ে দাত কেলাচ্ছে। শুধু গাধামোর জন্য ওকে সাংসদ পদ থেকে তাড়ানো উচিত।
  • PT | ২৩ মে ২০১৬ ০০:৫২706573
  • আরে জানেন না পানিপথের যুদ্ধ হয়নি কেননা তখন ক্যামেরা ছিল না তাই প্রমাণ নেই।
  • pi | ২৩ মে ২০১৬ ০১:০৫706574
  • কদিন ধরেই কারুর কিছু পোস্ট পড়ে মনে হচ্ছিল, লিখেই দি,
    এই আপনার মত লোকগুলোর জন্য আর লোকগুলোকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ বা নীরব তোল্লাই দেবার জন্য (সবাই দিয়েছেন, এমন অবশ্য বলছিনা ) সিপিএম হেরেছে। প্লিএন এন্ড সিম্পুল।
    আপনার পোস্টগুলো পড়ে বিরক্তির চরমসীমায় পৌঁছে বলেই দিলুম।

    জিতলে যে এঁরা কী বলতেন ভেবে আতঙ্ক হয় !

    ঐ আইআই জি এম বিকে লিখেছেন না, ' এখানে, ওখানে, সর্বত্রই, যে মনোভাব দেখে আসছি, সেই, অন্য যে কোন বাম মনোভাবাপন্ন ব্যক্তি বা দলকে (তিনি বা তাঁর দল যদি সিপিআইএম-এর প্রতি নিবেদিতপ্রাণ বা অন্ধ না হন), তাহলেই তাঁকে বা তাঁর দলকে ও দলের রাজনৈতিক অনুসৃত পথকে উপেক্ষা, উপহাস, ব্যঙ্গ, অপমান এবং অবশ্যই চোরাগোপ্তা অন্তর্ঘাত ইত্যাদি গুণ থেকে উত্তীর্ণ না হতে পারলে, অসীম ঔদ্ধত্য, আত্মম্ভরিতা(হ্যাঁ, এখনও), ইত্যাদি ব্যাধি থেকে নিজেদের মুক্ত না করতে পারলে সিপিআইএমকে কোনদিনই কেউ বাঁচাতে পারবেন বলে মনে হয় না।'

    এটাতে ক দিতে চাই। বলবেন, ভার্চুআল দুনিয়া দিয়ে কী এসে যায়। কিন্তু ভার্চুআল দুনিয়াতেই এই হলে রিয়েলিটি তে কী হয়, গ্রামেগন্জে কী হয় বুঝ্তএ অসুবিধে হয়না।

    আর ঐ নিজেদের সুরে না মিললেই মাওব্যথী, তিনোব্যথী, ব্যাগড়াপন্থী বলে দাগিয়ে গাল দেওয়া, এতেও ক।
    তিনোদের কোন কাজ সমর্থন করছে মনে হলেই ( সমর্থন করছে না, বিরোধিতা করছে, এমন কেসেও, আর কোথাও কেউ সমর্থম করলেই না কী ?) একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়া, ঐ দেখ ক্ষমতার পা চাটছে, সুবিধে নিচ্ছে।
    প্রতি পদে খুঁজে বের করার চেষ্টা, এই যে, ছদ্ম নিরপেক্ষতা দেখাচ্ছে না তো ? আসল উদ্দেশ্য কিন্তু তিনো সাপোর্ট !
    আর ভাবি যে, কেউ যদি সত্যি সমর্থকও হয়, সেটাও কি অপরাধ নাকি ? নাকি কেউ কোন ইস্যুতে যদি কোন পার্টির কোন কাজকে সমর্থন করে বা সহমত হয়, সেটাও অপরাধ নাকি ? সেরকম কিছু বেরিয়ে গেলেই মোটামুটি শূলে চড়িয়ে দেবার জন্য প্রস্তুত।
    অদ্ভুত অ্যাটিচিউড।

    তবে ভেবে দেখলাম, এই জন্যেই, গুরুর এই টইগুলোতে এইধরণের লোকজনের পোস্ট দেখে দেখেই বোধ্হয় সিপিএম নিয়ে বিরক্তি রয়ে গেল, যা এগিলো না হলে হয়তো চলে যেত। তিনোদের ভাল মন্দ কিছু নিয়েই আর বলার সুযোগ হল কই, ঐ সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আর রাজ্যব্যাপী ছাগল নিয়েই চলে গেল পাঁচ বছর। আগামী পাঁচ বছরও যাবে।
  • sm | ২৩ মে ২০১৬ ০১:১১706576
  • আরে পিটি দাদা, কোর্টে প্রমান করুন না কেনে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন