এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • এফ ডি আই বিল: ইনফর্মড্‌ ডিবেটের অপেক্ষায়

    ranjan roy
    অন্যান্য | ২৪ নভেম্বর ২০১১ | ৪২৪৬৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • h | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ১২:২৫500327
  • thankyousomuch.
  • h | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ১৩:০৩500328
  • Oh, afterlookingattheIPaddresses, Ibelieve, insteadofsaying 'Thankyousomuch', Ishouldhavesaid, 'Sokindofyou.'...intheSatyajitRay-RabiGhoshtradition;-)
  • dukhe | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ১৩:৫৩500329
  • :)
  • aka | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ১৯:২৫500330
  • কেসি, একেবারে ঠিক। মানে পটল, আমি এবং বাজারের মধ্যে ১০০ টা লেয়ার না করে ১ টাই লেয়ার করা। বাকি যে ৯৯ জন তার জন্য হাজার ফ্যাকড়া।

    ১। পটলের দাম কিলো প্রতি ১০ টাকা বেড়ে যায় যার অন্তত ৫ টাকা বাঁচানো যায় (সংখ্যাগুলো এখানে কাল্পনিক মোদ্দা কথা দাম কমে, কতটা ডিপেন্স অন মেনি থিংস)

    ২। এই ইনফরম্যাল বিজনেস থেকে সরকার এক টাকাও সেলস ট্যাক্স পায় না। যা কিনা ওয়ালমার্ট এলে অবশ্যই পাবে। (আবার এখানে ওয়ালমার্ট একটি প্রতীকি নাম)।

    তো এই ৯৯ জন আসলে বাড়তি যাদের তাদেরই মতন আরো ৯৯০ জন বয়ে বেড়াচ্ছে। ট্যাক্স পেয়ার বললেই আইটি গাইজ মনে করার কারণ নেই। ট্যাক্স পেয়ারদের মধ্যে চাকুরী জীবি ৫০০০ টাকা মাইনের হরিপদ বাবুও আছেন। তাকে জিনিষের দাম বেশি দিতে হয় কারণ সরকার ঐ ৯৯ লোকের ঠিকঠাক চাকরী তৈরি করতে পারে না। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে তো আমাদের প্রতিবাদের শেষ নেই, কিন্তু দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির অন্যতম কারণ রিটেল সেক্টরে ঐ অতিরিক্ত ৯৯ জন আনর্গানাইজড সেক্টরের লেবার।

    ভারতে অর্গানাইজড/আনর্গানাইজড লেবার = ২/৯৮

    চায়না = ২০/৮০
    মালয়েশিয়া = ৫০/৫০

    ঐ ৯৯ শতাংশের বেঁচে থাকার অধিকার অবশ্যই আছে শুধু পটলের সাপ্লাই চেনে হরিপদ বাবুর ৫০০০ টাকায় অযথা থাবা বসিয়ে নয়।
  • kc | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ১৯:৩৯500331
  • তাইলে কী খাড়াইল? আনঅর্গানাইজড লেবারদের ব্যবস্থা আগে করতে হবে? না কি আনঅর্গানাইজড লেবারদের পেছনে আগে হুড়কো দিয়ে তাদেরকে ফুটিয়ে দিতে হবে? কোনটা প্রায়রিটি?
  • aka | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ১৯:৪১500332
  • জিনি কোএফিশিয়েন্ট ক্যান মেজার অনলি সো মাচ।

    ওয়েলথ ডিসপেয়ারিটি তে অসুবিধা কোথায়? একটা উদাহরণ দেই। আমার দেখা একজন যাঁর জীবিকা হল মধ্যবিত্তের বাড়িতে গাড়ি চালানো। তাঁর ঘরে আজ রঙীন টিভি, ফ্রিজ, একটা ডেস্কটপ। ১৯৮০ সনে তাঁর চাকুরীদাতা দেরই এসব করার ক্ষমতা ছিল না। এখন তাঁর চাকুরীদাতার ঘরে গোটা পাঁচেক টিভি, তিনখান ফ্রিজ, চারখান মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি। জিনি কোএফিশিয়েন্ট ১৯৮০ র থেকে এখানে বাড়ল কিন্তু তারসাথে একথা অন্তরালে চলে গেল যে গাড়ি চালানো ভদ্রলোকের কোয়ালিটি অফ লাইফ (মেটিরিয়ালিস্টিক) ১৯৮০ র থেকে অনেক বেড়ে গেল।
  • maximin | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ১৯:৪৮500333
  • পটলের দাম ১০ টাকা বাড়ে কাল্পনিক উদাহরণ। ৩ থেকে ৬ গুন বাড়ে। অর্থাত ৩০০ - ৬০০ শতাংশ (এফটি)।
  • kc | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ১৯:৫০500334
  • আজ্জোর খবরটার ডিটেলে গেলে জানা যাবে, রঙিন টিভিটা পোর্টেবল, ফ্রিজটা পুরোনো এবং ডেস্কটপটা P3 মডেলের। এবং এই সবগুলোই মনিবদের বাড়ি থেকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে বা নামমাত্র দামে ড্রাইভার ভদ্রলোক সংগ্রহ করেছেন। এইরকম অ্যানেকডোটাল গল্পের কেস আমিও দেখেছি। কোয়ালিটি অফ লাইফ সবসময়েই আপেক্ষিক। আজথেকে ৩৫ বছর আগে আমার ওজন ছিল ১৫ কেজি। আজ আমার ওজন ১০২কেজি। তার মানে আমি ব্যাপক উন্নতি করেছি।
  • Ishan | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:০৪500335
  • এইটায় কেসিকে ক দিলাম। কোয়ালিটি অফ লাইফ আপেক্ষিক। অ্যাবসলিউট না। পৃথিবীতে কারো কোনো গাড়ি না থাকলে আমার গাড়ি সংক্রান্ত অভাববোধ তৈরিই হবেনা। কিন্তু গড়ি আবিষ্কার হবার পরে, আমি যদি দেখি একটা লোকের ৩০০টা ফেরারি আর আমার একটা পুরোনো অল্টো, তাইলে মনে হবে, আমি খুব বঞ্চিত।
  • aka | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:২৩500337
  • হ্যাঁ তার থেকে বরং গাড়িই আবিষ্কার করবেন না। :)

    যদি দরকারই না থাকবে বা বুঝবে তাহলে সেই ড্রাইভার ভদ্রলোক টিভি, ফ্রিজ, কেবল টিভি ইত্যাদি কিনতই না।

    মুশকিল হল আমাদের জীবনে মানে আমি, কেসি, ঈশান নিজ নিজ জীবনে যা নিত্যপ্রয়োজনীয় বলে মনে করি। শ্রেণী পিরামিডে একটু নীচের দিকে থাকা লোকের ক্ষেত্রেই তা মেটিরিয়ালিস্টিক মোহ বলে অ্যাজিউম করি। ফ্রিজ বা টিভি আমার বাড়িতে কেন লাগে তা আর ভেবে দেখি না।

    কার কিসে হিংসা হবে বা বঞ্চিত মনে হবে এ মনস্তঙ্কেÄর কথা। সেই নিয়ে আলোচনা করে লাভ নেই।

    আমার বক্তব্যের প্রেমিস একখানাই, আমার বাড়িতে ফ্রিজ প্রয়োজনীয়, অতএব সকলের বাড়িতেই প্রয়োজনীয়, যে আগে কিনতে পারত না এখন কিনতে পারে তার অবস্থার উন্নতি হল।
  • h | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:২৬500338
  • প্রতীকী ৯৮ রা যে একাধারে প্রতীকী ২ ও বটেন, এটুকু মেনে নিলেই প্রতীকী হিসেব টা মিলে যায়, বা হিসেববাবু তদপিতৃবংশ সহ প্রতীকী পটল তোলেন। প্রতীকী ঝামেলা আর থাকে না। আরোহণ পথে প্রতীকী ফুল ছড়ানোটুকু বাকি। শুধু সামান্য প্রতীকী অসম্ভব, তবে প্রতীকী অমানবিক না :-)
  • kc | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:৩০500340
  • যাচ্চলে, হচ্ছিল আনঅরগানাইজড লেবার আর পটল নিয়ে, সেখান থেকে ফ্রিজ চলে এসেছে। এইবার টয়োটা ক্যামরি আসবে নাকি? আজ, আজ্জোর হলটা কী?
  • aka | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:৩০500339
  • সত্যই প্রতীকি মানবিক। :))
  • aka | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:৩২500341
  • ওটা রিদ্ধি এবং আর কে কে জানি জিনি কোএফিশিয়েন্ট বলছিলেন তাদের বলার জন্য। তোমরা খামোকা ঝাঁপিয়ে পড়লে তো আমি কি করব?
  • siki | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:৩৪500342
  • ফড়ে দু একটি আমিও দেখেছি। তাদের গালের দুপাশে ড্রাকুলার মত দাঁতও নেই, আবার তারা না খেতে পাওয়া হাভাতে জনতাও নয়। তাদের হাতে বেসিকালি প্রচুর কাঁচা পয়সা। কোল্ড স্টোরেজ। আকার উদাহরণ একেবারে সঠিক। সিঙ্গুরের চাষী একশো কিলো আলু বেচল দু টাকা কিলো দরে, সেটা পাঁচটা ফড়ের হাত ঘুরে যখন আমার হাতে পৌঁছল, আমি পেলাম বারো টাকা কিলো দরে। প্রতি ফড়ে পিছু পার কিলো আলুতে দু টাকা করে লাভ।

    এখন এই মাঝের পাঁচজন ফড়েকে যদি উড়িয়ে দিয়ে ওয়ালমার্ট না কে-যেন সরাসরি চাষীর আর আমার মাঝে এসে বসে, তা হলে সে চাষীর কাছ থেকে আরামসে পাঁচ টাকায় আলু কিনে আমাকে দশ টাকায় বেচতে পারে। চাষী পার কিলো আলুতে লাভ করল তিন টাকা, আমার সেভিং হল পার কিলো আলুতে দু টাকা, আর ওয়ালমার্ট পার কিলো আলুতে লাভ করল পাঁচ টাকা। উইন উইন সিটুয়েশন।

    ফড়ে প্রজাতি লুপ্ত হয়ে গেলে এই যে মায়াবতী জয়ললিতা মমতা প্রমুখ প্রজাতিদের এত কান্না, এত দরদ, তার কারণ হচ্ছে পার্টি ফান্ডে চাঁদার একটা বড় পার্সেন্টেজ এই ফড়েদের কাছ থেকে পাওয়া যায়। পার্টি ফান্ডে চাঁদা আমি ট্যাক্সপেয়ারও দিই না, চাষীও দেয় না। এখন ওয়ালমার্ট দেবে কি না দেবে, সে নিয়ে দরদস্তুর নিশ্চয়ই হয় নি।

    ওয়ালমার্ট প্রজাতির যে সাপ্লাই চেন ম্যানেজমেন্টের সিস্টেম চলে, সেটা ভারতীয় বিগ বাজার বা ইজি ডে-র আছে, কিন্তু লার্জ স্কেলে নেই। ওয়ালমার্টের ক্ষুদ্র সংস্করণ বলা যায় তাকে। তাই কিছুটা শস্তায় পাওয়া যায় সেখানে, কিন্তু কোয়ালিটি তেমন ভালো হয় না।

    অবশ্য পুরো ব্যাপারটাই এত সরলরৈখিকও নয়, অনেক ইফস অ্যান্ড বাটসও আছে, কিন্তু মোদ্দা ব্যাপার এইটা।
  • h | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:৪৩500343
  • যুক্তিটা একটু রিডিকিউলাস হয়ে গেল। মানুষ সরকারি চাগরি পাবে না, কারণ সরকারি চাগরি কেসটা আর নেই। মানুষ বেসরকারি চাগরি পাবে না, কারণ শিক্ষা ব্যবস্থা প্রায় ত্রি বা চতুর্স্তরীয়। আর তাছাড়া অত নেই ও। মানুষ ছোটো ব্যবসা যাতে মূল ধন কম লাগে সেই ব্যবসা করে সংসার চালাবেন, সেটা বেঁচে থাকার জন্য। পার্টি যদি ফালতু চাঁদা নেন সেটা এঁরা অল্প কিছু করে বেঁচে আছেন বলে। ব্যাংক যেমন ক্রেডিট অ্যাকাউন্ট থাকলে তবে হিডেন চার্জেস নিতে পারেন। কজালিটি খেয়াল রেখে কথা বললে উপকার হয়।
  • maximin | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:৪৬500345
  • pleaseignoremy7.48. (২৪ তারিখের খবরে পড়েছিলাম, হাত ফেরতা হতে হতে খাদ্যশস্যের দাম যেন কতগুণ বেড়ে যায়, এখন আর খুঁজে পাচ্ছিনা।)
  • siki | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:৪৬500344
  • পার্টি যদি ফালতু চাঁদাটাকে লিগাল করে নিত তাহলেই আর এত কিছু কথা বলতে হত না। ব্যাঙ্ক তো পার্টি স্টাইলে চাঁদা নেয় না।
  • aka | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:৫৮500348
  • মানে সরকারের যে টাকা ট্যাক্স হিসেবে পাওয়ার কথা সেই টাকা যাচ্ছে পার্টির ফাণ্ডে মানে মমতা বচ্চনের হেলিকপ্টার রাইডে বা জ্যোতিবাবুর এন্ড অফ লাইফ কেয়ারে। আর দিনশেষে সরকার গলা শোকাচ্চে ট্যাক্সের টাকা নেই, আয় নেই, ট্যাক্স নেই। সরকার তুলে কয়েকটা পার্টি থাকলেই হয়।
  • Ishan | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২০:৫৮500346
  • আসলে কেসটা খুবই জটিল।

    সোজা বাংলায় বোঝা যাক। খাবার-দাবারের দাম যদি কমাতে হয়, তাহলে, ১) হয় ভরতুকি দিতে হবে, নয়, ২) কারো ইনকামে হাত পড়বেই। হয় ফড়েদের ইনকামে বা চাষীদের। সে আপনি ওয়ালমার্টই নিয়ে আসুন, কি সরকারি বিপনন। (এখানে সার, জল ইত্যাদি ইনপুটগুলোর দাম কমবেনা ধরে নেওয়া হচ্ছে)। তা, সরকার মনে করছে, যে কোনো কারণেই হোক, বিগ বিজনেসগুলো এফিশিয়েন্ট। বিপননে সরকার নাক গলালে কেসটা মাথাভারি ইত্যাদি হবে।

    এবার সরকারি বিপনন বা বেসরকারি ওয়ালমার্ট, উভয় ক্ষেত্রেই, বেশ কিছু লোকের জীবিকা যাবে। সব্বাই জানে। তাইলে তারা কী করবে? সরকারের মোদ্দা অভিমুখ যেটা, সেটা হল, দেশকে "উন্নত' করতে হবে। আর উন্নত দেশে ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে মোটেও বেশি লোক কাজ করেনা, সার্ভিস সেক্টরে করে। কাজেই ছকটা হল, কিছু লোকের হাতে পয়সা এলে সার্ভিস সেক্টরও "উন্নত' হবে, সেখানে আরও কিছু লোক কাজ পাবে। পুঁজির অভাব নাই। দোর তো খোলাই আছে।

    তা, এই হল ছক। কিন্তু এই ছক আদৌ চলবে কিনা এ নিয়ে ঘোর ঘোর সন্দেহ আছে।
  • maximin | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:০২500349
  • ও হ্যাঁ খুঁজে পেয়েছি, টইতেই পেয়েছিলাম। এটা বলেছিলেন পি এম। 'চাষীর কাছ থেকে যখন নানা হাত ঘুরে যখন বাজারে পৌছয় তখন ৩-৬ গুন দাম বেড়ে যায়।' (২৫ তারিখ ২-৫৯ এম)
  • siki | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:০৪500350
  • মমতা বচ্চন নামটা আমি সুপাল্লাইক করলাম। :-))
  • h | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:০৫500351
  • প্রায়শ: ব্যাংকিং প্র্যাকটিসের 'নিয়ন্ত্রন' এর জন্য সারা পৃথিবীর রেগুলেটরি অথরিটি রা আইন কানুন বদলে থাকে জানো বোধ হয়। সব আইন যদি গ্রহণযোগ্য হত অ্যামেন্ডমেন্ট বস্তুটার দরকার হত না। এটিএম ব্যবহার নিয়ে কটা পরিবর্তন লক্ষ্য করেছো গত তিন বছরে? সিউডো ব্যাংকিং অর্গানাইজেশন কে ক®¾ট্রাল করাটা বাই দ্য ওয়ে রেগুলেশন বদলের অন্যতম দিক। তবে মজাটা হল, এগুলো হল প্রাইভেট হেজ ফান্ড গুলো কে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক এর আওতায় আনার একটা উপায়। এবং এনে তাদের প্রায় সমস্ত অ্যাক্টিভিটি কেই অ্যাকাউন্ট বুক্স এর আওতার বাইরে রাখা হয়।

    অর্গানাইজড সেক্টর মানেই ট্যাকসেশন বৃদ্ধি বা সঠিক হিসেব পত্র ব্যাপারটা এত সোজা নয়। তাইলে কর্পোরেট অ্যাকাউন্টিং স্ক্যান্ডাল বলে কিসু থাকতো না।

    আর ভারতের ক্ষেত্রে, জব ক্রিয়েশনের অজুহাতে কি পরিমাণ ট্যাক্স হলিডে সানরাইজ ইন্ডাস্ট্রি গুলো পায় তার কোনো হদিস আছে? রিটেল যে সেটা পাবেনা তার কি গ্যারান্টি? এই সপ্স এর আদ্ধেক পেলে অনেক ম্যানুফাকচারিং দাঁড়িয়ে যেত। অনেক খুচরো ব্যবসায়ীরাও ট্যাক্স দেওয়ার মত রোজগার করতে পারতেন।

    আপত্তি টা মেনলি ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইকোনোমিক অ্যাক্টিভিটিতে, একটা গোটা দেশের বড় সেকটর কে কয়েকটি বড় স্টোর এর সাবসার্ভিয়েন্ট ফ্র্যান্‌চাইজি হয়ে থাকতে হবে। প্রতীকী হলে চলবে না!
  • maximin | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:১৪500352
  • এই টপিকে প্রশ্নটা ছিল কার কতটুকু লাভ কার কতটুকু ক্ষতি। লাভ-ক্ষতির পরিমাণ সম্বন্ধে কোনও ধারণাই পেলাম না।
  • r2h | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:১৭500353
  • ওয়ালমার্ট চাষীদের কাছ থেকে এত ন্যায্য দামে পটল কিনবে তার কি গ্রান্টি আছে? দেখা গেল ওয়ালমার্ট পাঁচটাকার পটল কিনে পঞ্চাশ টাকায় বেচলো, চাষীভাই সেই তিমিরে, ফড়েভাই কর্মখালি, আমি ভাই পান্তা ফুরোয়, আর ওয়ালমার্টভাই বেশ মোটাসোটা হয়ে গেল।
    জানিনা এসব কথা কেউ অলরেডি বলে দিয়েছে কিনা। আসলে বিগত তিনচারদিন অঢেল এবং উৎকৃষ্ট মদ্য মাংস খেয়ে ছুটি কাটিয়ে এবার একটু সমাজসচেতন হওয়ার বেগ এসেছে, তাই বলে গেলাম আরকি।

    এমনিতে এসব জটিল ব্যাপারে আমার নাইভিটি দেখে মাঝে মাঝে নিজেই মুগ্‌ধ হয়ে যাই, কিন্তু সে কিছু নতুন ব্যাপার নয়।
  • dukhe | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:১৯500354
  • কম্পিউটার এলে কেরানির বিপদ, এ টি এম এলে ক্যাশে বসা লোকের, গাড়ি এলে পাল্কিবেহারারা মার খাবে, ট্রলি এলে কুলিরা - এই লাইনের যুক্তিবিন্যাস নতুন কিছু না। কোনটাই আটকায় না, কিছুদিন টালবাহানা হয় মাত্র।
  • aka | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:২০500355
  • @ঈশান, ভরতুকি এমনি এমনি আসে না। সরকার ভরতুকি দেয় ট্যাক্সের পয়সা থেকেই। অতএব সরকার ভরতুকি দিলেই ফ্রি নয় আসে ট্যাক্স পেয়ারদের পকেট থেকেই। যদ্দিন না ফুডের এই সাপ্লাই চেন থেকে অযথা শাখা প্রশাখা ছাঁটা হচ্ছে তা কোন না কোন ভাবে ট্যাক্স পেয়ারের পকেট কাটবেই। ওয়াল মার্ট আর নো ওয়াল মার্ট শুধুমাত্র অন্য চাকরি নেই বলে এই ফড়েদের রেখে দিতে হবে হল কম্পিউটার এলে অনেক লোকের চাকরি যাবে অতএব তাদের আসতে দিও না টাইপ যুক্তি।
  • maximin | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:২৩500356
  • গ্যারান্টি আছে বৈকি। ওয়লমার্ট চাইবে যথাসম্ভব কম দামে যথাসম্ভব বেশি পরিমানে বিক্রী করতে। তাদের সেটাতেই লাভ।
  • r2h | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:২৬500357
  • না, মানে আমার দ্বিধা দ্বন্দ্ব কেনার দাম বিষয়ে।
  • aka | ২৯ নভেম্বর ২০১১ ২১:২৯500360
  • হুতো ব্যাপারটা খুব হাইপোথেটিকাল জায়গায় চলে গেছে। ওয়ালমার্ট খুব বেশি হলে দেশের ৩৫ কি ৪০ টা শহরে দোকান খুলতে পারবে।

    অতএব গ্রামের চাষীর কাছে ওয়ালমার্টে বিক্রি না করেও অন্য জায়গায় বিক্রির অপশন থাকবে। কম্পিটিশন থাকবেই।

    আল্টিমেটলি যদি পুরোটাই ইউএসএর মতন হয় তখন ওয়ালমার্ট আর ক্রগার বা ওয়ালমার্ট এবং পাব্লিক্স নিজেদের মধ্যে মারামারি করবে। চাষী ছক কষবে কাকে দেবে ওয়ালমার্ট না ক্রগার।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন