এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রিয় কবিতা

    Riju
    অন্যান্য | ১৮ জুলাই ২০০৬ | ৫৯১০৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | ২২ মে ২০০৯ ১১:১৪633153
  • সুকান্ত চৌধুরী prufrock অনুবাদ করেছেন, সেটা কারুর কাছে আছে কি?
  • kc | ১৮ জুলাই ২০০৯ ১১:০৯633154
  • আমি নহি পুরূরবা। হে উর্বশী,
    ক্ষনিকের মরঅলকায়
    ইন্দ্রিয়ের হর্ষে, জান গড়ে তুলি আমার ভুবন?
    এসো তুমি সে ভুবনে, কদম্বের রোমাঞ্চ ছড়িয়ে।
    ক্ষণেক সেখানে থাকো,
    তোমার দেহের হায় অন্তহীন আমন্ত্রণবীথি
    ঘুরি যে সময় নেই- শুধু তুমি থাকো ক্ষণকাল,
    ক্ষণিকের আনন্দআলোয়
    অন্ধকার আকাশসভায়
    নগ্নতায় দীপ্ত তনু জ্বালিয়ে যাও
    নৃত্যময় দীপ্ত দেয়ালিতে।

    আর রাত্রি, রবে কি উর্বশী,
    আকাশের নক্ষত্রআভায়, রজনীর শব্দহীনতায়
    রাহুগ্রস্ত হয়ে রবে বহুবন্ধে পৃথিবীর নারী
    পরশ-কম্পিত দেহ সলজ্জ উৎসুক?
    আমি নহি পুরূরবা। হে উর্বশী,
    আমরণ আসঙ্গলোলুপ,
    আমি জানি আকাশ-পৃথিবী
    আমি জানি ইন্দ্রধনু প্রেম আমাদের।

    (উর্বশী - বিষ্ণু দে)

    আজ শতবর্ষ।
  • a | ১৮ জুলাই ২০০৯ ১৩:৫৩633155
  • "শীতকাল কবে আসবে সূপর্ণা" বড় সত্যি, বড় বাস্তব, বড় চমৎকার
  • ranjan roy | ১৮ জুলাই ২০০৯ ২২:২৮633156
  • বিষ্ণু দের শতবর্ষ।

    আমার মনে পড়ছে ""ক্রেসিডা''র কিছু বিচ্ছিন্ন লাইন।
    "" দিনগুলি তুমি তুলে নিলে অঞ্চলে,
    রাত্রিও চাও?
    রজনীগন্ধা দিয়েছিলে সেই রাতে
    আজও তো সে ফোটে দেখি!
    মদির অধীর তন্বী রাতের ফুল,
    রজনীগন্ধা বিরাগ জানেনা সেকি?

    দু:স্বপ্নেও প্রেম করেনি এ আশা,
    শত্রুশিবিরে নারীর শরীরে নগ্নভাষা?
    হেলেনের প্রেমে আকাশেবাতাসে ঝঞ্ঝার করতাল,
    দ্যুলোকে-ভূলোকে দিশাহারা দেবদেবী,
    কাল রাত্তিরে ঝড় হয়ে গেছে রজনীগন্ধাবনে।

    আফশোস হয়। মৌলানা আজাদ কলেজে পাসক্লাসে এলিয়ট পড়াচ্ছিলেন বিষ্ণু দে। এই সব ডেকাডেন্ট কবি পড়ে সময় নষ্ট করবো না-- ভেবে নিয়ে আমি আর বিনয়( ভজা, চর্চাপদের রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যালক, পরে ""যোগসূত্র"" বলে একটি ব্যতিক্রমী প্রবন্ধ পত্রিকার সম্পাদনা করত)
    ক্লাস কেটে ক্যান্টিনে গিয়ে গর্বিত হলাম। আজ আফশোস হয়।
  • dd | ১৮ জুলাই ২০০৯ ২২:৪৭633157
  • ক্রেসিডা তোমার থমকানো চোখে চমকিছে বরাভয়
    আশ্লেষে তবে অন্তবিহীন ক্রতুকৃতের শেষ

    বিষ্টু দে
  • b | ১৯ জুলাই ২০০৯ ০৯:৫৭633159
  • *(ডিলান টমাস)
  • b | ১৯ জুলাই ২০০৯ ০৯:৫৭633158
  • And death shall have no dominion.
    Dead mean naked they shall be one
    With the man in the wind and the west moon;
    When their bones are picked clean and the clean bones gone,
    They shall have stars at elbow and foot;
    Though they go mad they shall be sane,
    Though they sink through the sea they shall rise again;
    Though lovers be lost love shall not;
    And death shall have no dominion.

    And death shall have no dominion.
    Under the windings of the sea
    They lying long shall not die windily;
    Twisting on racks when sinews give way,
    Strapped to a wheel, yet they shall not break;
    Faith in their hands shall snap in two,
    And the unicorn evils run them through;
    Split all ends up they shan't crack;
    And death shall have no dominion.

    And death shall have no dominion.
    No more may gulls cry at their ears
    Or waves break loud on the seashores;
    Where blew a flower may a flower no more
    Lift its head to the blows of the rain;
    Though they be mad and dead as nails,
    Heads of the characters hammer through daisies;
    Break in the sun till the sun breaks down,
    And death shall have no dominion.

  • ranjan roy | ১৯ জুলাই ২০০৯ ২৩:৪৫633160
  • ডিডি,
    মনে পড়ছে, লাইনগুলো বোধহয় এরকম হবে:

    ক্রেসিডা, তোমার থমকানো চোখে চমকায় বরাভয়।
    তোমাতেই দেখি কৃতক্রতুমের শেষ,
    তোমারেই করি মত্তমরণে জয়।( বিষ্ণু দে)।
  • Souva | ২০ জুলাই ২০০৯ ১০:৪২633161
  • বেক্তিগত বিছানা
    ্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌্‌
    ফালগুনি রায়।

    ১। শুধুই রাধিকা নয় গণিকাও ঋতুমতী হয়
    তিন সন্তানের পিতা--পরিবার পরিকল্পনার আদর্শপুরুষ
    কৈশোরে করে থাকে আত্মমৈথুন--করে না কি?

    ২। অমি রবীন্দ্রনাথ হতে চাই না--হতে চাই না রঘু ডাকাত
    আমি ফাল্গুনি রায় হতে চাই--শুধুই ফাল্গুনি রায়

    ৩। আমি যে রাস্তায় থাকি তার একপ্রান্তে প্রসূতিসদন
    অন্যপ্রান্তে শ্মশানঘাট
    বিশ্বাস না হয় দেখে যেতে পারেন--বাস রুট ৪, ৩২, ৩৪, ৪৩

    ৪। ম্যাগাজিন শব্দটী অমি লক্ষ করেছি রাইফেল ও
    কবিতার সঙ্গে যুক্ত
  • Diptayan | ২০ জুলাই ২০০৯ ১৭:৩৮633163
  • দুয়ার এঁটে ঘুমিয়ে আছে পাড়া
    কেবম শুনি রাতের কড়ানাড়া
    অবনী, বাড়ি আছো?

    বৃষ্টি পড়ে একানে বারোমাস
    এখানে মেঘ গাভীর মত চরে
    পরান্মুখ সবুজ নালিঘাস -
    দুয়ার চেপে ধরে ......

    আধেকলীন হৃদয় দূরগামী
    ব্যথার মাঝে ঘুমিয়ে পড়ি আমি
    সহসা শুনি রাতের কড়ানাড়া ......
  • dd | ২০ জুলাই ২০০৯ ২০:২৭633164
  • রঞ্জন
    একদম অরিজিন্যল কবিতার ১৩৪২'র সংখ্যা থেকে টুকছি (ইয়েস, পৈত্‌র্‌ক সম্পত্তিতে এটাই পেলাম)

    ক্রেসিডা! তোমার থমকানো চোখে চমকিছে বরাভয়।
    আশ্লেষে তব অন্তবিহীন ক্রতোকৃতের শেষ।
    তোমাতেই করি মত্তমরণে জয়।
  • omnath | ২১ জুলাই ২০০৯ ০২:৩৩633165
  • বিষ্ণু দে কে নিয়ে এই সমস্ত ইয়ার্কি আমি পছন্দ করছি না।
  • Paramita | ২১ জুলাই ২০০৯ ০২:৫৫633166
  • ক্রতুকৃত, কৃতক্রতুম বা ক্রতোকৃত - যাই হোক্‌ না কেন, মানেটা বলে দিলে কৃতজ্ঞ থাকব।
  • d | ২১ জুলাই ২০০৯ ০৯:৫৩633167
  • সত্যি আমাকেও মানেটা বলে দেওয়া হোক।
    আমি ছোটবেলায় শুনে ভেবেছিলাম "কাতুকুতু' জাতীয় কিছু একটা হবে।
  • dd | ২১ জুলাই ২০০৯ ১০:৩২633168
  • ক্রতু কিনা ইন্দ্রিয়, ক্রতু কৃত হচ্ছে ইয়ে,সেক্সুয়াল এনগেজমেন্ট।
    অর্থাৎ- ভো ক্রেসিডা, তোমারে একটি আলিংগন করলেই ইন্‌ফাইনিট নাম্বার অব মেটিংএর প্লেজার পাওয়া যায়। ও কে?

    আর ক্রেসিডা আর ট্রলিয়াস পরেছেন? বিলিভ মী,ছোট্টোবেলায় আমি পড়েছিলাম। তখন পটল খেতে ভালোবাসতাম না কিন্তু শেক্সপীয়র খুব পড়তাম।

    আর আরেকটা বিষয় হচ্ছে বাংলা মতামতের নতুন কলে টিপলে স্ক্রীন শুদ্দু সাদা পাতা হ্যাং করে থাকে। এর কোনো প্রতিকার হয় না?
  • d | ২১ জুলাই ২০০৯ ১০:৩৫633169
  • ঐটা মনে হয় আপনার জাভার ভার্সনজনিত গোলযোগ।
  • Samik | ০২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২৩:৩৬633170
  • তেকেনা-র ফরমাসমতো :

    বড়-মা
    জয় গোস্বামী

    পালকের মতো হালকা ও নতুন তরুণীতরুণ
    বাঁকানো সাইকেল নিয়ে হাউসিংয়ে ঢোকর মুখটায়
    আজকের মতো গল্প শেষ করে নিচ্ছ, রাত সাড়ে নটা বাজে
    কাল বা পরশুই হবে কলকাতার মাঠে মুখোমুখি
    সামনেই কাদের ফ্ল্যাট, জানলার ভেতরে টিভি চলে
    জানো না টিভির নিচে কৃষ্ণরাধা গৌরাঙ্গ মূরতি
    টুলের তলায় রাখা ঠাকুরঘর, তার উল্টোদিকে
    জপের বটুয়া হাতে, মাটিতে, ফ্রিজের গায়ে পিঠ
    যিনি বসে রয়েছেন তাঁদের সময়ে এত রাতে
    বাইরে থাকবার কোনও প্রশ্নই ছিল না, তাই নিয়ে যত খুশি
    হাসিঠাট্টা করো ওই বাঁকানো সাইকেল ধরে হাতে
    ভাবতেও পারবে না তোমরা ঠিকঠিক কেমন লাগতে পারে
    যখন রাস্তায় ঘুরে, রাস্তায় রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে লোক
    "ফেন দাও', "ফেন দাও' ডাকত, মরে পড়ে থাকত ফুটপাথে!

    (দেশ, ২ মে, ১৯৯৮। "মা-বাংলা' কবিতার অংশ)
  • Samik | ০২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২৩:৫৪633171
  • আর সেই দ্বিধাথরোথরো পড়ে যা মনে পড়েছিল :

    প্রথম প্রেমিকা
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

    লাইব্রেরি থেকে ফিরছি তখন মুঠোয় জীবনানন্দ,
    বুঁদ হয়ে আছি পয়ারের ঝোঁকে নির্জন চারপাশ,
    বিকেল বেলায় গোধূলির ছোঁয়া লেগে চারদিক রক্তিম,
    ঠিক সে সময় চোখে পড়ে গেল উদাসীন সেই কিশোরী
    দাঁড়িয়ে রয়েছে, মুঠোভরা তার কাঁঠালিচাঁপার পাপড়ি,
    সে ছিল আমার প্রথম প্রেমিকা, সেদিনই প্রথম চোখাচোখি;

    মেয়েটিকে যেন কোথায় দেখেছি, অথবা কোথাও দেখিনি,
    ফর্সা কপালে ছড়িয়ে ছিল যে চূর্ণচুলের আঁকিবুঁকি
    চোখদুটি যেন ভরাট সায়র দু-ভুরু বাঁকানো ধনুকে
    বিস্ময় কিছু থম্‌ হয়ে আছে, চিবুকে লাল্‌চে রশ্মি,
    ফ্রকের বাইরে গমরঙা বাহু নিটোল লতিয়ে রয়েছে
    সে ছিল আমর প্রথম প্রেমিকা, সেদিনই প্রথম পরিচয়;

    পরিচয় ক্রমে রঙ ধরে ওঠে, সে রঙ ক্রমেই গাঢ় হয়,
    কলেজ ফেরার পথে দেখি রোজ দাঁড়িয়ে রয়েছে একলা
    কাঁঠালিচাঁপার পাপড়িও ঠিক রয়েছে দু-মুঠো ভর্তি
    চুপিচুপি দিত কখন পকেটে, সারারাত তার সুবাসে
    ঘুম ছুটে যেত, চোখ বুজলেই তার মুখখানা টলোমলো,
    সে ছিল আমার প্রথম প্রেমিকা, ভালবাসা সে-ই শেখাল;

    তার ও শরীরে অক্ষরমালা, অক্ষর গেঁথে শব্দ,
    শব্দে শব্দ গেঁথে গেঁথে তার শরীরে পংক্তি জেগেছে,
    শব্দব্রহ্মে হীরকদ্যুতিটি আমাকে কাঁপালো অবিরাম,
    কখনো পয়ারে হেসে কথা বলে, কখনো মাত্রাবৃত্তে
    চলনে-বলনে নিপুণ ছন্দ, কখনো গদ্যে উদাসীন,
    সে ছিল আমার প্রথম প্রেমিকা, প্রথম প্রেরণা সে-ই দেয়;

    তার কাছে বাঁধা ছিল যে আমার কিশোরবেলার দিনগুলি,
    ঠোঁটের দুকোণে মিষ্টি হাসিটি ঝড় তুলে যেত সহসা,
    কখনো দুচোখে শ্রাবণ ঘনাত, কখনো মধুর ফাল্গুন
    কাঁঠালিচাঁপায় মাখামাখি হয়ে এহেন কত না দিনক্ষণ
    কেটে গেছে সুখে, আবেগ-উল্লাসে সেই সিরসির দিনগুলো,
    সে ছিল আমার প্রথম প্রেমিকা, প্রথম স্পর্শ সে-ই দেয়;

    দুচোখে নিবিড় চাউনিটি ছিল, দুটি সুখী সাদা পায়রা,
    তার ও শরীর মন্থন কর এস্বর-ব্যঞ্জনবর্ণ,
    সাদা পায়রার ডানাটি আমাকে টেনে নিয়ে গেল কদ্দূর
    ক্রমশ যাচ্ছি লোকালয় ফেলে, পাহাড়, সাগর ডিঙিয়ে
    সে এক নতুন অনুভূতি এল, সে এক নতুন বিশ্ব,
    সে ছিল আমার প্রথম প্রেমিকা, অন্য জন্ম সে-ই দেয়;

    তার বাবা হল বদলি হঠাৎ, মালদা কিংবা হুগলি,
    সে-ও চলে গেল, কাঁঠালিচাঁপাকে করেছি দুহাতে টুকরো,
    দু'চোখে উথালপাথাল অশ্রু, বৈশাখী এল ঝড় হয়ে
    আলুথালু করে দিয়ে গেল সেই দ্বিধাথরোথরো কৈশোর
    সেই শেষ দেখা, তারপরে কত দীর্ঘশ্বাস ফেলেছি,
    সে ছিল আমার প্রথম প্রেমিকা, প্রথম দূ:খ সে-ই দেয়;

    চলে যাওয়া তার যাওয়া নয় যেন, সে এল আবার ফিরিয়া
    ঘুমে জাগরণে কুরে কুরে খায়, পোড়ায়, ডোবায় প্লাবনে,
    ধ্বংস করেছে পুরনো আমাকে, ধ্বংসের পর সৃষ্টি,
    ফিনিক্স পাখিটি জেগে ওঠে, দেখে সামনে পৃথিবী উর্বর,
    কেউ যেন তাকে উস্‌কে যাচ্ছে অন্তরীক্ষে ইশারায়,
    সে ছিল আমার প্রথম প্রেমিকা, প্রথম কবিতা সে-ই দেয়।

    (দেশ, ১৩ ডিসেম্বর ১৯৯৭)
  • Samik | ০২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২৩:৫৮633174
  • :-))))
  • tkn | ০২ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২৩:৫৮633172
  • :-)
    :-))
    :-)))
  • ranjan roy | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০০:০০633175
  • শমীক,
    অনেক ধন্যবাদ এমন একটি কবিতা পড়াবার জন্যে।
    আগামী রোব্বার দিল্লি পোঁছুচ্চি। বুধবারেই ফেরার ট্রেন। উইক ডেজ্‌। তোমার আমার ঠেকের দূরত্ব অনেক। নইলে এমন কটি কবিতা শোনার এবং আড্ডা দেয়ার লোভে তোমার সঙ্গে ঠিক দেখা করতাম।
    ঠিক হ্যায়, ভবিষ্যতের জন্যে তোলা থাকলো।
  • Sayantan | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০০:০১633176
  • :)))
    :))
    :)
    : |
    :(
    :((
    :(((
  • Samik | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০০:০৬633177
  • রঞ্জনদা,

    খুব ব্যস্ত থাকবেন জানি, আমিও থাকব। হয় তো সময় পাবো না দেখা করার। একটিবার ফোন করলে খুব আনন্দ পাবো। mukherjee.samik জিমেলে একটা মেল ভেজে দিন, ফোন্নং পাঠিয়ে দিচ্ছি।
  • M | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১০:২৩633178
  • পদধ্বনি শুনি নাইকো কখন তুমি এলে।
    কইলে কথা ক্লান্তকন্ঠে--করুন চক্ষু মেলে--
    "তৃষাকাতর পান্থ আমি।" শুনে চমকে উঠে
    জলের ধারা দিলেম ঢেলে তোমার করপুটে।
    মর্মরিয়া কাঁপে পাতা,কোকিল কোথা ডাকে--
    বাবলা ফুলের গন্ধ ওঠে পল্লীপথের বাঁকে।।

    যখন তুমি শুধালে নাম পেলেম বড়ো লাজ-
    তোমার মনে থাকার মতো করেছি কোন কাজ!
    তোমায় দিতে পেরেছিলেম একটু তৃষার জল,
    এই কথাটি আমার মনে রহিল সম্বল।
    কুয়ার ধারে দুপুরবেলা তেমনি ডাকে পাখি,
    তেমনি কাঁপে নিমের পাতা-- আমি বসেই থাকি।।

    (রবীন্দ্রনাথ)
  • arindam | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১০:৫০633179
  • মানুষের মুখের দিকে তাকিয়ে কি লাভ
    প্রতি মুহুর্তেই যার রঙ বদলায়?
    বরং মুখোশ অনেক ভালো।
    সে জদি পুতুলনাচের মুখোশ হয়
    তাহলে নাচই দেখাবে
    যদি হয় অসুরের মুখোশ
    তাহলে সে কখনই বৌদ্ধ সন্ন্যাসী হয়ে
    পরকালের কথা শোনাবে না
    যদি হয় রাজা বা মন্ত্রীর মুখোশ
    তারা শুধু খাজনাই চাইবে।
    দেবতার মুখোশ হলে
    তখন শুধু একটাই সমস্যা
    কি দিয়ে তার পূজো করব?
    শুধু ফুল বাতাসায় হবে কি-
    মানুষের মুখের দিকে তাকালে
    তখন একটা নয়, অনেকগুলো প্রশ্ন
    সকালে যিনি বৌদ্ধ ভিক্ষু, বিকেলে তিনিই আমাদের খাদ্যমন্ত্রী
    সকালে যিনি একমুঠো চালে খুশী
    বিকেলে তিনিই চোরাচালানকারীদের পৃষ্ঠপোষক।
    আবার মাঝরাত্তিরে নিজের ঘরে তার আর একরকম চেহারা
    হতে পারে তখন তিনি একজন অসুর
    অথবা গাধা
    অথবা অনেক কিছুই
    মানুষের মুখের দিকে তাকিও না
    যদি পারো ভিতরে ঢোকো
    মানুষটার ভিতরে।
    অথবা দুর থেকেই তাকে সেলাম জানাও
    তারপর যে পথে সে হাঁটছে, তার উল্টোপথ
    ধরে তুমি এগিয়ে যাও।
    তোমার দিক থেকে সেটাই সবচেয়ে নিরাপদ রাস্তা (যদি পারো ভিতরে ঢোকো অথবা-বীরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়)
    এই কবিতাটির খুব কাছাকাছি আর একটি কবিতা আছি, ভাবনার দিক থেকে অনেক খানি কাছে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের - কাছাকাছি মানুষের
  • vikram | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২১:৪০633180
  • এই যে অ্যাংসট সেটাকে কবি পুরন্দর ভাট চারটি মাত্র লাইনে লিখে গেছেন:

    নবনী ধর
    তক্তা মার
    পেরেক যার
    তাকিয়া তার
  • rabaahuta | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১৬:৫৭633181
  • থাকতো একজন কাশের জঙ্গলে
    চাইতো একজন মেঘের সরবত
    অন্য একজন শেফালিকার তলে
    বানাতো ফুল দিয়ে নরম পর্বত
    অনেকদিন হল এসব ঘটেছিল
    অনেকদিন হল পুজোর ছুটি চাই
    পাগল একজন বলতো আমাকে
    জানেন ছোটোবাবু আমার ছুটি নাই

    তারাপদ রায়
  • Arpan | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২২:৫২633182
  • প্রত্যক্ষ করেছ? সেই ভোর থেকে হাত পেতে আছি। ভরে গেছি
    দানে ও অবজ্ঞায়। পেয়েছি ক্ষুধার শস্য, প্রেমকণা, দাতার ধিক্কার,
    কিছু যেন স্বততই এসেছে - কিছু রাস্তায় কুড়িয়ে পেলাম। সহজ হয়নি।
    দৌড়ে গেছি রুষ্ট শ্বাপদের অত্যাচারে। বসে গেছি বিবাহের ভোজে।
    এ-মুহূর্তে সন্ধ্যার সানাইটুকু উদ্বৃত্ত। যাকে বলে না-চাইতে পাওয়া।

                                         (চেয়ে দ্যাখো/উৎপল কুমার বসু)
  • vikram | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০০:২০633183
  • এবং কবি পুরন্দর একটি শেষ কথা লিখে গেছেন:

    ছিলাম চোদু হলাম সাধু,
    হতেই দেখি - আজব, বাঁড়া!
    বুক পকেটে হিপ পকেটে
    ফাকিং ফরেন নোটের তাড়া।
  • kc | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০০:৪২633185

  • আমার খুব প্রিয় কবিতা। ছাপা অক্ষরে দেখিনি বলে লাইন, দাঁড়ি, কমা, কোথায় জানিনা। তাই লিঙ্কটাই পোষ্টালাম, শেষ লাইনটা যতবারই শুনি, কাঁপিয়ে যায়। শুনেছি এই কবিতাটায় অশ্লীলতার জন্য কবিকে বাঙলাদেশে ব্যান করা হয়েছিল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন