এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • বিবেকি কন্ঠ ও মার্কিন সরকারের বদমাইশি

    shyamal
    অন্যান্য | ২৯ জুন ২০০৮ | ৩৫৯৪৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • nyara | ০১ জুলাই ২০০৮ ২২:৫৯400282
  • রঞ্জনদা হাল্কা করে একটা নতুন অ্যাঙ্গল এনেছেন - যদি বর্ডার শেয়ার কর তাহলে পাশের দেশে গিয়ে ধুন্ধুমার লাগান মহত কাজ। নইলে অতি রদ্দি। তাই সোভিয়েতের আফগানিস্তান আক্রমণ মহত কাজ, অ্যামেরিকার আফগানিস্তান আক্রমণ রদ্দি কাজ।
  • shyamal | ০১ জুলাই ২০০৮ ২৩:০২400283
  • রঞ্জনদা,

    আমার প্রশ্নের উত্তর কিন্তু পাই নাই যে বড় সব দেশ আমেরিকার সঙ্গে কোঅপারেট করছে কেন? আর ভারত করবেনা কেন?

    আপনে কন বুশ কেন ইরাকে গেল? ওসামারে বুশ তৈরী করে নাই, আগের মার্কিন সরকার করসে। গাড়োলের মত কাম করসে, তার ফলও পাইসে। ওসামা আফ্রিকায় আমেরিকান মারসে, আমেরিকা কিসু কয় নাই। ওসামা মার্কিনি নেভির জাহাজে বোম মারসে, কিছু কয় নাই। সৌদিতে হোটেল উড়াইয়া দিসে, কিসু কয় নাই। যখন দেখল, WTC উড়াইসে তখন খেইপ্যা গেল। আফগানিস্তানের তালিবানগো আর ওসামারে উড়াইয়া দিব ঠিক করল। এইটারে আমি সাপোর্ট করুম কারণ তালিবান আর ওসামারে উড়াইলে পৃথিবীর লাভ ছাড়া ক্ষতি নাই। তালিবানরে আমেরিকা তৈরী করসিল। আমেরিকারই শ্যাষ করতে হবে। খুদা কে লিয়ে দেকসেন কি?

    আপনে কইলেন পিন্টার সাহেব কইসেন আমেরিকা গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিরে মদত দিসে। সে আইয়েন্দের আমলে। সাদ্দাম, তালিবান কোন গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী?

    আপনি কইসেন আমেরিকার স্বভাব। আমেরিকা স্বভাব বশে কিসু করেনা। মাইপ্যা ঝুইক্যা ঠিক করে করলে কতটা লাভ আসে। আপনে মনে করেন ইরাক, আফগানিস্তানে গেসে শুধু ওসামা আর সাদ্দামের লাইগ্যা? ঐটা হইল বাকি দ্যাশগুলারে ওয়ার্নিং। যদি আমার দ্যাশে বম ফেলার টেরোরিস্টরে শেল্টার দিস, তরও এই অবস্থা হইব। আমি মনে করি এই ভয়টা দেখান উচিৎ। ভারতের ভয় নাই। ভারত কোনদিনই ঐ কাম করব না। কিন্তু ইরান, পাকিস্তান, উগান্ডা, সিরিয়া, জর্ডান, উ:কোরিয়া করতে পারে।

    বটমলাইন হইল গিয়া ভারতের আর আমেরিকার যে ব্যাপারে মতের মিল হইব তাতেই ভারত এগ্রি করব। ভারত আর চীনের মইধ্যেও তাই। ভারত যদি দেখে আমেরিকার লগে চুক্তি করলে এনার্জি নয়, আরো গভীর লাভ আসে, তো করব।
  • nv | ০২ জুলাই ২০০৮ ০০:০৭400284
  • ১) তালিবান ও ওসামা বিন লাদেন-কে কখন সমর্থন করতে পারবো না। ওরা মৃত্যু-র পূজারী। 'তালিবানকে আমেরিকা তৈরী করেছিলো, তালিবান-কে আমেরিকা-কেই খতম করতে হবে' শ্যামলবাবুর সঙ্গে অমি সম্পুর্ণ একমত। এবং এই কারনেই সেপ্টেম্বর ১১-র পরে আমেরিকার আফগানিস্তান আক্রমণ সমর্থন করি।

    ২) কিন্তু ইরাক যুদ্ধে-র তীব্র প্রতিবাদ করি। ওটা হচ্ছে সাদাকথায় গাঁটামো।

    ৩) পরমাণু চুক্তি সমর্থন করি। ওটা খুব হওয়া দরকার। অলরেডি তারাপুরের জ্বালানি শেষ হয়ে এসেছে। অষ্ট্রেলিয়া ইউরেনিয়াম দেবে না বলে দিয়েছে। চুক্তি না করাটা হবে আরেক গাঁটামি।

    ৪) বিজেপি বলছে চুক্তি ওরা-ও সমর্থন করে যদি নিউক্লিয়ার টেষ্ট করা যায়। কিন্তু একটা ব্যাপার বেশ পরিস্কার। আবার টেষ্ট করলে ব্যাপক ব্যাথা আছে। সবাই রে রে বলে তেড়ে আসবে।
  • ranjan roy | ০২ জুলাই ২০০৮ ০০:২৫400285
  • "" দেখিয়া শুনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়াছি, তাই যাহা আসে কই মুখে''।

    কোন সন্দেহ নাই, পরশুরাম ল্যাখতে কাইর্তবীর্যার্জুন ল্যাখছি, আর ২১ল্যখতে ১৮।
    কিন্তু, মোদ্দা ব্যাপারটা গুলাইয়া যায় নাই।
    ন্যাড়াবাবু,
    আমি কইত্যাছিলাম শ্যামলের যুক্তি পরম্পরা। শ্যামলের মূল বক্তব্য হইল আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গণতন্ত্র নাই, আদর্শ নাই। স্বার্থযুক্ত রিয়েল পলিটিক আছে।
    তাইলে শ্যামলের হিসাবে সীমান্ত থাকায় রুশের অফগানিস্থান নিয়া খোঁচাখুঁচির একটা যুক্তি পাওয়া যায়। কিন্তু আমেরিকার? আমি বুঝি নাই।
    লাস্ট পোস্টে শ্যমল বুঝাইয়া দিছেন--- অমেরিকা ঝিরে মাইরা বৌরে শিক্ষা দিতাছে। আমেরিকার যোগ্যতা আছে--দুনিয়ার সংসারে শাউড়িগিরি করবার। কাজেই আমেরিকার জন্য কোন নিয়ম নাই। নিয়ম- টিয়ম, গণতন্ত্র -ফণতন্ত্র দুর্বলের আশ্রয়। পুলিশের কাছে নালিশ করতে জায় কেডা? দুর্বলে। আদালতের কাছেবিচার চাইবো কেডা? দুর্বলে। আমেরিকা নিজেই আইন। শক্তিশালী বিচারের লাইগ্যা কান্দে না, নিজেই ইন্‌স্‌টান্ট বিচার করে।
    আরেকটা কথা। শ্যামলবাবু হ্যারল্ড পিন্টারের ভুল দেখাইছেন---অমুকটা বুশে করে নাই, তার আগের রাষ্ট্রপতিরা করছে।
    আমার মনে হইলো তাইলে আমি পিন্টারের ভুল বাংলা করছি।
    পিন্টার যেন কইছিলেন যে ইরাক ব্যতিক্রম না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ থেইক্যা আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি কন্সিস্টেন্ট। খালি আগে এরা লো ইন্টেন্সিটি কনফ্লিক্ট করত, এখন আর সে চক্ষুলজ্জাটুকু নাই।
    কোনটা বুশে করলো, কোনটা ক্লিন্টনে--এই আলোচনা এই প্রসংগে অবান্তর।
    আমেরিকার অধিকার আছে আইজ লাদেন তৈরি করবো, তালিবানরে ওস্কাইবো। কাইল সময় বদলাইলে আবার তাদের মারার নামে সিভিল ক্ষেত্রতে বোমা ফালাইবো। পরেব কইবো ভুল হইছে। আর আমরা ঐ আমেরিকার এমব্যাসির ভদ্রলোকের মত কইয়াম--- যুদ্ধে বরাবর নিরীহ লোকেরাই মরে।
    আমেরিকার অধিকার আছে ঠিক করার --- কারে কয় আতংকবাদী। নেপালের মাওবাদীরাও তাগো আতংকবাদী লিস্টে আছে। যদিও ওরা আইজ নেপালের জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল, আমার পছন্দ হউক, বা না হউক।
    পিন্টার যে যুক্তিতে বুশ-ব্লেয়াররে মাস-মার্ডারার কইয়া কাঠগড়ায় দাঁড় করাইতে চাইলেন তা শ্যামলের ঠিক মনে হয় নাই। ওনার মতে সাদ্দাম-লাদেনের খতম হওয়া দুইন্যার পক্ষে ভালো।
    তা হিসাব ধরলে অগো থেইক্যা বেশি নিরপরাধ মানুষ বুশের পলিসিতে মরে নাই?
    তাইলে কে যে বড় আতংকবাদী আমার সব গুলাইয়া গ্যাসে।
  • Blank | ০২ জুলাই ২০০৮ ০০:২৬400286
  • ওপরের ৪ টে পয়েন্ট ই ভয়ানক গাঁটামি
  • Blank | ০২ জুলাই ২০০৮ ০০:২৭400287
  • মানে ওপরের ওপরে এখন
  • shyamal | ০২ জুলাই ২০০৮ ০০:৩২400288
  • ব্ল্যাঙ্ক,

    শুধু গাঁটামি বললেই হবে? কেন গাঁটামি ?
  • Blank | ০২ জুলাই ২০০৮ ০০:৩৪400289
  • বাড়ি ফিরে লিখবো, দেখি। এখন নেট ঘাঁটা ঘাঁটি একটু রেস্ট্রিকটেড
  • shyamal | ০২ জুলাই ২০০৮ ০০:৪২400290
  • রঞ্জনদা,
    সাদ্দাম-লাদেন বলিনি। তালিবান, লাদেন। সাদ্দাম আর তার ছেলেরা সন্ত ছিলনা, কিন্তু সাদ্দামের জন্য ইরাক একটা দেশ ছিল। আর সাদ্দামের আমলে ইরাক অনেক লিবারাল ছিল সামাজিক দিকে। এখনও সিরিয়া সামাজিক ভাবে সৌদির চেয়ে ঢের বেশি লিবারাল। কারণ বাথ পার্টি বামপন্থী হলেও ইসলামিক জন্তুদের চেয়ে অনেক সভ্য। আমি কিন্তু মুসলিম বলিনি -- ইসলামিক যারা কোরানের সব নৃশংস ডকট্রিনে বিশ্বাস করে।
    কিন্তু সৌদির তেল আছে আর সিরিয়া ইজরায়েলের পেছনে কাঠি দেয় তাই আমেরিকা সৌদিকে সিরিয়ার চেয়ে বেশি প্রেম করে।
  • ranjan roy | ০২ জুলাই ২০০৮ ০০:৪৬400292
  • nv,
    আফগানিস্তান নিয়ে বলছি। ৯/১১এর পর আফগানিস্তানে মার্কিন ফৌজের প্রবেশকে সমর্থন করার একটা বিপদ আছে।
    তাহলে যেকোন অজুহাতে অন্য কারো ঘরে( তোর ঘরে চোর ঢুকেছে, ডাকাত ঢুকেছে, তুই চোরাই মাল রাখিস,ইত্যাদি কোন অজুহাতে, বা আরোপ লাগিয়ে) অনুপ্রবেশ করা লেজিটিমাইজ হয়ে যায়।
    মনে রাখবেন শুধু লাদেন নয় আগে তালিবানের পেছনেও মার্কিনি মদত ছিলো।
    খেয়াল করুন, ইরাক আক্রমণের আগে বলা হত--- ভেতরে ঢুকতে দাও, তবেই হাতেনাতে প্রমাণ ধরে দেব।
    খেয়াল করুন, লাদেন কোথায় আছে এটাও অনুমাণ মাত্র। আফগানিস্তানে ধ্বংসলীলা চালিয়েদখল করেও লাদেনকে পাওয়া যায়নি। ওর আড্ডার হদিস পাওয়া যায়নি।
    এখন মাঝে মাঝে শোনা যাচ্ছে--- লাদেন পাকিস্তানে আছে। তা' আমেরিকা পাকিস্তানে ফৌজ ঢোকাচ্ছে না কেন?
    তারচেয়েও বড় কথা এই যুক্তিপরম্পরায় প্রত্যেকবার আমাদের দেশে ফিদায়িনি হামলা হলে আমাদেরও শিবসেনা ইত্যাদির কথা মেনে পাকিস্তানে ফৌজি হামলা করা উচিৎ।
    আবার লিট্টে নামক আতংকবাদী সংগঠনের ভালো সাপ্লাইবেস তামিলনাড়ুতে আছে এটা অজানা নয়।একজন এম পি তো ওদের সমর্থনে খোলাখুলি বক্তব্য রেখে কোন অ্যান্টি- টেররিস্ট কানুনে কয়েকমাস জেলে ছিলেন।।
    তাহলে শ্রীলংকার ও উচিৎ তামিলনাড়ু আক্রমণ করা।
  • Blank | ০২ জুলাই ২০০৮ ০০:৫২400293
  • দাউদ মনে হয় পাকিস্তানে। রাজীব গান্ধী কে মারলো শ্রীলংকার জঙ্গী। এখনো কত্ত যুদ্ধু করা বাকি আমাদের।
    আর ওসামাঅর নামে আমেরিকার বার করা হুলিয়া তে কি লেখা ছিল যেন? শ্যামল বাবু বলতে পারবেন মনে হয় !আমি জানতে চাইছি, ধরা পরলে ওর নামে কোর্টে কোন কোন কেস উঠবে?
  • ranjan roy | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:০৪400295
  • শ্যামল,
    খেয়াল হল, আপনি বারবার বলছেন একটা প্রশ্নের আমার উত্তর এখনও পান নি।
    তা হল,----আমেরিকা যদি এতই খারাপ তালে বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মানী, অস্ট্রেলিয়া ওর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে কেন?
    প্রথম কথা, এখানে আমরা ঐ দেশগুলির কথা বলতে ওদের সরকারগুলোর কথা বলছি--- নাগরিকদের নয়। খেয়াল করুন, ঐ পিন্টারও একজন বৃটিশ নাগরিক।
    হ্যাঁ, ঐ সরকারেরা করছে কারণ ওদের ""সমান স্বার্থ'' রয়েছে। ওরা সবাই বিশ্ববাজার দখল করার জন্যে দুনিয়ার যে কোন দেশে দরকার হলে সৈন্য নামাতে কোন নৈতিক বাধা অনুভব করে না। আগে তো ন্যাটো-সিয়াটো- সেন্টোর মাধ্যমে --।
    কুয়েত-ইরাক যুদ্ধে স্পেন-ইতালি- অস্ট্রেলিয়া-জাপান সবাই সৈন্য বা সামরিক সাহায্য পঠিয়েছিলো।
    একসময় ওরা বিশ্ববাজারে বড় গুন্ডা ছিল। এখন নখদন্তহীন। এখন আমেরিকার দিন। কাজেই পেছনে মদদ।
    এটাই তো বলছি---ওদের আর আমেরিকার কমন ইন্টারেস্ট আছে।, ভারতের ওদের বা আমেরিকার সংগে নেই, অন্য ছোট দেশগুলোর সংগে আছে।
    আর আমেরিকার শক্তিমত্তা শুধু নয়, বুদ্ধিমত্তার ওপর ও আপনার অগাধ বিশ্বাস। আমেরিকা স্বভাবে কিছু করেনা, লাভ-লোকসান ভেবে চিন্তে করে। তাই কি?
  • Ishan | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:০৪400294
  • এখন কোনো মামলা লাগেনা। প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট আছে।

    কিন্তু শ্যামলবাবু উত্তর দিলেন না। প্যালারামকে কে কেন চিরকাল প্যালারাম হয়ে হেবো মস্তানের কাছে নতজানু হয়ে থাকতে হবে। সে কেন দল পাকিয়ে হেবোকে টাইট দেবার চেষ্টা করবেনা। জঙ্গলের রাজত্বে এটা কি যথেষ্ট রিয়েলিস্ট স্ট্যান্ড নয়?
  • nyara | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:০৬400296
  • ব্ল্যাংক কি গাঁটামোর উদাহরণ দিচ্ছে এখন?

    পাকিস্তান বা শ্রীলংকার সঙ্গে আফগানিস্তানের তফাত হল স্টেট স্পন্সরশিপে। আফগানিস্তানে তখন তালিবান রুল। তারা আল কায়দাকে খোলাখুলি শেল্টার দিচ্ছে। কাজেই তার সঙ্গে দাউদ আর শ্রীলংকার টাইগারদের তুলনা করা ঘোর গাঁটামো।

    এতদসঙ্কেÄও আফগানিস্তান আক্রমণ আমার সমর্থন পায় না। সে অন্য কারণে। তবে এটাও মনে করি, প্রত্যেক দেশের নিজের কাছে পরিস্কার থেকে আত্মরক্ষার অধিকার আছে। এবং পারলে তারা করেও।

    ইরাক যুদ্ধ সম্পুর্ণ অন্য গল্প।
  • Blank | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:১২400297
  • আই এস আই টা কি বস্তু পাকিস্তানের?
  • shyamal | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:১৪400298
  • রঞ্জনদা,
    আপনি যা বললেন, ঐ দেশগুলোর আমেরিকার সঙ্গে কমন ইন্টারেস্ট আছে আর ভারতের নেই, ভারতের আছে বাংলাদেশ, নেপাল, উগান্ডা আর কেনিয়ার সঙ্গে -- এটা শুনে এই টইয়ের আদ্ধেক লোক আপনাকে প্রোটেস্ট করবে। ভারত এক ট্রিলিয়নের ইকনমি, ছোট দেশ নয়।
    দেখুন কন্ডি রাইস ফরেন অ্যাফেয়ার্স ম্যাগাজিনে কি বলেছে (Jul/Aug 2008) :

    With those, particularly India and Brazil, the United States has built deeper and broader ties. India stands on the front lines of globalization. This democratic nation promises to become a global power and an ally in shaping an international order rooted in freedom and the rule of law. Brazil's success at using democracy and markets to address centuries of pernicious social inequality has global resonance. Today, India and Brazil look outward as never before, secure in their ability to compete and succeed in the global economy. In both countries, national interests are being redefined as Indians and Brazilians realize their direct stake in a democratic, secure, and open international order -- and their commensurate responsibilities for strengthening it and defending it against the major transnational challenges of our era.
  • nv | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:২০400299
  • রঞ্জন-দা,

    অস্তো দুটো টাওয়ার ভেঙ্গে পড়লো, ৩০০০ নিরীহ লোকের প্রাণহানী, সব দেশ নিন্দে করলো, এক তালিবান বাদে। তালিবানদের জোব্বার পেছনে দাঁড়িয়ে বিন লাদেন মহম্মদ আটাকে ব্যাপক সাধুবাদ দিলেন। আমেরিকা যারপনাই খচে গিয়ে তদানিন্তন আফগান সরকারকে বল্লে বিন লাদেনকে ওদের হাতে তুলে দেবার জন্য। তলিবান রাজি হল না As they couldn't betray their honored guest. আপনার কি মনে হয় না এ এক অঘোষিত যুদ্ধ। ৯/১১-র আগে ও পরে লাদেন যে আফগানিস্থানে ছিলো এর মধ্যে সন্দেহের অবকাশ কোথায়?
  • Ishan | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:৩১400300
  • ইউরোপিয়ান দেশগুলো মোটেও আমেরিকার সঙ্গে সব ব্যাপারে নেই।

    উদাহরণ এক। ইরাক যুদ্ধ। বেশ কটি ইউরোপীয় দেশ বুশের সক্রিয় বিরোধিতা করেছিল। সে সময়ে নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধের সার্টিফিকেট নিতে চূড়ান্ত ব্যর্থ হয় বুশ প্রশাসন।

    দুই। GE-Honeywell মার্জার। আমেরিকান আইনে এই অধিগ্রহণটি পাশ করে। কিন্তু ইইউ এর অ্যান্টিট্রাস্ট এজেন্সি এটি বাতিল করে। তৎকালীন বিশ্বের বৃহত্তম মার্জার বলে কথা। স্বয়ং বুশ আসরে নামেন। ইউরোপে গিয়ে প্রকাশ্যে থ্রেটই দেন প্রায়। ফলস্বরূপ ইইউ ২০-০ ভোটে মার্জারটি বাতিল করে।

    তিন। চিনের বিরুদ্ধে তাইওয়ানকে নন-নিউক্লিয়ার সাবমেরিন দেওয়া। বুশ এক তরফা ঘোষণা করে দেন, তাইওয়ানকে সাবমেরিন দিয়ে সাহায্য করা হবে। চিন প্রবল আপত্তি জানায়। বুশ কান দেন না। পরে দেখা যায় ঐ সাবমেরিন কেবল তৈরি হয় ইউরোপে। ইইউ এর রপ্তানী পারমিট বাতিল করে দেয়। তাইওয়ানের আর সাবমেরিন পাওয়া হয়না।

    এছাড়াও কিউবা, প্যালেস্তাইন প্রসঙ্গে পার্থক্যের কথা তো সবাইই জানেন।
  • nyara | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:৩৯400301
  • ঈশান যা বলল, সে কথা ঠিক। কিন্তু সরকোজি ও মারকেল আসার পরে ফ্রান্স ও জার্মানির সঙ্গে অ্যামেরিকার দহরম-মহরম অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষত: ইরান সংক্রান্ত খুজলিতে। অন্যদিকে ব্রাউনকে ব্লেয়ারের থেকে যতটা আলাদা হবে মনে করা গেছিল, সে আশাতেও ঠান্ডা জল পড়েছে। সব মিলিয়ে অ্যামেরিকার সঙ্গে ইইউয়ের হর্তা-কর্তাদের আঁতাত ভালই এখন। তবে নেহাত ডলার ও ইকোনমি মুষড়ে আছে বলে অ্যামেরিকাও একটু ভদ্র আচরণ করছে।
  • Ishan | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:৪৪400303
  • ওহো আরো আছে।

    পরিবেশ। কিয়োটো প্রোটোকল। ভোটাভুটিতে ১৩০-১ এরকম ফলাফল হয়েছিল। একমাত্র বিরুদ্ধে যে দেশ ভোট দেয়, সে হল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র। এই ব্রাজিল থেকে ফ্রান্স সব্বাই আমেরিকার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল সেদিন। এবং ফলত: আমেরিকা ন্যাজে গোবরে।

    WTO। আমেরিকা সরকার এক্সপোর্ট করা কোম্পানিগুলোকে প্রভূত ট্যাক্স ছাড় দিত। বাকি দেশগুলো অনেকদিন ধরে কমপ্লেন করছিল, যে, এটা এক ধরণের সাবসিডি, আর WTO বিধি অনুযায়ী রপ্তানীতে ভরতুকি দেওয়া নিষিদ্ধ। কিন্তু আমেরিকা কান দেয়নি। ইইউ অবশেষে WTO তে ফরমালি কমপ্লেন করে। তারপর আমদানির উপর বিরাট শিল্ক বসাবে ঘোষণা করে। এবং আমেরিকা সুড়সুড় করে ট্যাক্স ছাড় প্রত্যাহার করে নেয়।
  • Ishan | ০২ জুলাই ২০০৮ ০১:৫২400304
  • দহরম মহরম ও আছে তো। ভরপুর। ন্যাটো এখনও বর্তমান। সোভিয়েত পতনের পর তার কাজ কিছু কমেনি বরং বেড়েছে। ইউরোপিয় ভূখন্ড জুড়ে মার্কিন সেনাঘাঁটি। আফগানিস্তান যুদ্ধে গোটা ইউরোপ বুশের পিছনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল। ইত্যাদি ইত্যাদি।

    কিন্তু এইসব ভাবভালোবাসা সবই উপর উপর। দরকারে আছি। নইলে নেই। কারণ এনারা "রিয়েলিস্ট'। আর "রিয়েলিস্ট' বলেই এনারা কেউই শ্যামলবাবুর মতো "আমেরিকা মহাশক্তিমান, অতএব তার পায়ে পড়ে যাওয়াই রিয়েলিজম' এই তত্বে বিশ্বাস করেন না।

    এই ধরণের রিয়েলিজম আমার পছন্দ না। সে অন্য কথা। কিন্তু রিয়েলিস্ট হতে গেলে "প্রয়োজনে বন্ধু হব, এবং শেষে ল্যাং মারব' চিন্তাভাবনাটা জরুরি। শুধু "ভগবানের পায়ে পড়ে যাব' টা ভক্তিগীতির প্রতিপাদ্য হতে পারে, রিয়েলিজমের না।
  • ranjan roy | ০২ জুলাই ২০০৮ ০২:০৩400305
  • মুশকিলটা ঐ খানে। এক ট্রিলিয়ন্ন ইকনমি। বটেই তো! ছোট দেশ নয় বলেই এদের সঙ্গে থাকলে নেতৃত্ব সহজে ভারতের হাতে আসবে। ছোট দেশ নয় বলেই আর বিশাল জনসংখ্যা বলেই শুধু ইকনমির সাইজ দিয়ে বিকাশের স্তর নির্ধারণ হবে না।
    আর আপনারা শুধু জিডিপির সাইজ, ভল্যুম অফ ট্রেড এগুলো দেখছেন। ইউ এন ওর মানব বিকাশ সূচকে ভারতের স্থান ঐ নেপাল, পাকিস্তান, যুদ্ধবিধ্বস্ত শ্রীলংকার সংগে তুলনা করে দেখুন, তাহলে আমি যে অর্থে এশিয়াটিক দেশগুলোর
    সংগে কমন কজ করার কথা বলছি--।
    আর ব্রেজিল-নেক্সিকোকে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ডেভেলপমেন্ট মডেলের ফ্যালাসির উপমা হিসেবে দেখানো হয়।
    ভালো হত যদি বিকাশের ব্যাপারে কন্ডোলিজা রাইসের প্রমাণপত্র না দিয়ে কোন ইকনমিস্টের সার্টিফিকেট দিতেন।
    দুই দশক আগে যখন প্রণব মুকুজ্জে অর্থমন্ত্রী ছিলেন তখন ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ওনাকে সফল বিত্তমন্ত্রী আর ভালো প্র্যাকটিক্যাল ইকনমিস্ট বলে দেদার সার্টিফিকেট দিলো। আমরা বাংগালীরা বেশ হ্লাদিত হলাম। তারপর যা হলো।
  • shyamal | ০২ জুলাই ২০০৮ ০২:৩০400306
  • ঈশান,

    আপনার প্যালারাম কি ভারত আর হেবো আমেরিকা? আপনি বলেছেন হেবো প্যালাকে চাঁটি মারল তাই প্যালা বদলা নেবে সুযোগ পেলে। তা আমেরিকা কি ভারতকে চাঁটি মেরেছে?
    কন্ডি রাইসের কথায় তো উল্টোটাই মনে হচ্ছে। আমেরিকা ভারতের প্রতি প্রেমে উথলে উঠছে।
  • cam | ০২ জুলাই ২০০৮ ০৩:০২400307
  • এইবারে একটু বুঝলাম-ভারী শক্ত শক্ত কিনা!
    ঈশান এর রিয়ালিজম হলো-কাজের ব্যালা কাজী/কাজ ফুরালে পাজী।
    মানে কার্যোদ্ধার হয়ে গেলে দে ল্যাং মেরে ফেলে! বড়দাই হোক আর যাই হোক,চিরকাল বড়দা কেউ থাকে না,সুযোগ পেলে বড়দাকে ল্যাং মেরে ছোড়দা করে দিয়ে নিজে বড়দা হয়ে বসো আর যদ্দুর পারো পরবরতী বড়দাপদ-আকাঙ্খীদের ঠেকাও,না পারলে ল্যাং খেয়ে ছোড়দা হয়ে যাও।

    আর শ্যামলের রিয়ালিজম হলো-শক্তের ভক্ত/নরমের যম। বড়দার পায়ে কন্টিনিউয়াস তেল আর সুযোগ পেলেই কেলোকানাইটানাইদের পিঠে ঠ্যাঙা মেরে যা পাওয়া যায় তুলে আনা।কেলোকানাইরা বিপক্ষে গেলে বড়দা তো আছেই, লুঠের ভাগ দিলেই কেলোদের থেকে বাঁচাবে।

    এই বোঝার মধ্যে অনেক ভুলও অবশ্য থাকতে পারে।

    কিন্তু বাকীদের কী স্ট্যান্ড এখনো বুঝিনি। হয়তো এই দুইয়ের মাঝামাঝি খেলে বেড়াচ্ছে নানামত।
  • h | ০২ জুলাই ২০০৮ ০৫:৩৮400308
  • ই ইউ এর ক্রাইসিস কি নেই অনেক আছে। কিন্তু জেনেরালি আমি ইশানের সঙ্গে একমত যে অ্যাট লিস্ট নানাদেশের ট্রেড ফেডারেশন গড়ে বিভিন্ন মনোপোলি কে ভাঙ্গা না গেলেও চ্যালেঞ্জ করা যায়। তবে সমস্যা হলো এই ধরণের ফেডারেশনের একটা রাজনৈতিক মিশন ও লাগে সেটা সব সময়ে সংগঠন করা যায় না। এবং রাজনৈতিক ইন্টারেস্ট গুলোর সঙ্গে বিজনেস ইন্টারেস্ট বা বিগ বিজনেস ইন্টারেস্ট এর সঙ্গে অন্য পপুলার ইন্টারেস্ট এর পার্থক্য থাকে। ই ইউ এবং শ্যাভেজ দের লাতিন আমেরিকান ইউনিয়ন এই দুটো কেসেই এইটাই হয়েছে।

    ইউ তে চার প্রকার সমস্যা। মেনল্যান্ড ইউরোপে রেসিজম বাড়ছে। সে ক্ষেত্রে ই ইউ এর স্ট্রাকচারাল গ্রোথ হওয়ার সমস্যা আছে। পশ্চিম ইউরোপের পেয়ারেরে দেশ পোল্যান্ড ও টার্কি, সব রকম কনফর্মিটির জন্য প্রস্তুত তাও তাদের ফোল্ডে আনতএ গিয়ে প্রচুর চাপ হয়েছে। মূলত: অ্যান্টি ইমিগ্রেশন লজিক থেকে। আজ বেলফাসট ট্রিটি রিজেকটেড যেরকম হয়েছে আয়ারল্যান্ডে, এর আগে অনেক ট্রিটি ই রিজেকটেড হয়েছে। একেক টা দেশে একেকটা ট্রিটি রিজেকটেড হয়েছে। সুপার কন্সটিটিউশন সর্বত্র রিজেকটেড হয়েছে। অতএব সুপার স্টেট ফান্ডা বদলাতে হবে। কিন্তু আবার কৃষি, আনিমাল ফার্মিং আর ফিশিং এর সাবসিডির ভাগাভাগির য ফান্ডা আছে সেটা কে রিলেটিভ হিট বলা যেতে পারে যদিও বিজনেস ইন্টারেস্টের ক্ল্যাশ থেকে নানা সমস্যা তৈরি হয়। ইউরো কারেন্সির কনসেপট টা মানি মার্কেটের ওঠা পড়া অনুযায়ী হিট ও মিস। টেক্সটাইল ইম্পোর্ট ল সম্পর্কেও ব্রড এগ্রিমেন্ট নেই। নানা সমস্যা সঙ্কেÄও একটা কথা বোঝা দরকার যে ইউরোপ মেন ল্যান্ডে আমেরিকান ব্যবসার বা চিনে ব্যবসার নানা চ্যালেঞ্জ আছে, সেটা শুধু টেকনোলোজির কারণে নেই, ই ইউ এর রাজনৈতিক সংগঠন আর ফেডেরাল স্ট্রাকচারেরে কারণেও আছে।

    এসব তো ডিটেল। আমার মোদ্দা বক্তব্য হল ইউরোপের দেশ গুলো নিজেদের মধ্যে শয়ে শয়ে বছর ধরে যুদ্ধ করেছে, তা সঙ্কেÄও নিজেরা ট্রেডের স্বার্থে অনেক রকম কো অপারেশন করছে। এইটা দক্ষিন এশিয়ায় করা যাবে না কেন। আমার মতে যায় না তার কারণ নতুন ভাবে ভাবনা চিন্তা করার লোক ও নেই, আর প্রাইভেট সেকটরে টেকনোলোজি রিসার্চের বিন্দুমাত্র আগ্রহ নাই আর সবচেয়ে বড় কথা রাশে্‌ট্‌রর শক্তিশালী হওয়া বলতে যে ঢপ গুলোর সমাহার বোঝায় তার মধেয় রিয়াকশনারি বোগাস ইন্টারেস্ট এর কারেন্সি এত বেশি যে তার নিজের ক¾ট্রাডিকশনের কোন শেষ নেই। আর এর সঙ্গে সোশাল ওয়েলফেয়ারের যোগসাজস তো একেবারেই নেই। সেতো চুলোয় গেছে মোটামুটি।

    কূটনৈতিক আর ব্যবসায়িক সম্পর্কের ন্যুনতম শর্ত হিসেবে যে মিলিটারি ও পোলিটিকাল কো অপারেশনের দাবী সেটার মধ্যে 'জাতীয় স্বার্থ' নামক ঢপ টিও মৃতপ্রায়।

    জনসাধারণের কাজে লাগে এরকম কোন ট্রেড মডেল এই মুহুর্তে প্লেটে নাই। পাওয়ার ক্লাস্টার তৈরীর মডেল অনেক আছে।
  • h | ০২ জুলাই ২০০৮ ০৫:৪৯400309
  • ব্লেয়ার আর ব্রাউনের মধ্যে জিন্দেগীতেও কোন পার্থক্য ছিল না। পলিটিক্সেও না ইকোনোমিক্সে তো নাই। ব্লেয়ার আর ব্রাউন সাকসেসফুলি যেটা করেছেন সেটা হল পলিটিকাল কানজার্ভেটিজম এর চর্চার সঙ্গে নিওলিবেরাল ইকোনোমির যে ৯০ এর দশকের সমসাময়িকতা সেটাকে একটা পরিপূরণ আর সহযোগিতার মডেলে ম্যাচিওর করতে রাষ্ট্রের দিক থেকে সাহায্য করা। ট্যাক্সের টাকা ইনে্‌ব্‌হস্ট করে করা। আর কিসু না। কোন ইনোভেশন কিছু ছিল না। উদা অসংখ্য। হায়ার এডুকেশন সাবসিডির বারোটা বাজানো, ফাউন্ডেশন হসপিটালের গপ্প, কর্পোরেট ট্যাক্স এর স্ট্রাকচারাল চেনজের গল্প,লন্ডন ফাইনান্সিয়াল সিটির উত্থান ইত্যাদি। এই মডেল টাই মেরকেল আর সারকোজির পছন্দ হয়েছে। টার্কির ও হয়েছে।
  • Blank | ০২ জুলাই ২০০৮ ০৭:৫৮400310
  • আফগান যুদ্ধ,
    http://en.wikipedia.org/wiki/Civilian_casualties_of_the_War_in_Afghanistan_%282001%E2%80%93present%29
    বুশ প্রেমিকরা একবার হিসেব করে দেখুন, ঠিক কত টা ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। নাকি এশিয়ান সিভিলিয়ানরা মানুষ নয়। আফগানিস্তানে আমেরিকা এক তরফা জেনোসাইড চালিয়েছে আর চালাচ্ছে। এর সমর্থকদের মানুষ বলা যায় কিনা, তা মাঝে মাঝে সন্দেহ হয়।

    http://www.hrw.org/campaigns/september11/ihlqna.htm

    নিজেরা হিসেব করুন। সব হিসেব মিলিয়ে।
  • shyamal | ০২ জুলাই ২০০৮ ০৮:১৫400311
  • আমার রিয়ালিজম হল পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরণের শক্তি থাকবেই। তাদের মধ্যে ইকুয়েশনটা নির্ভর করবে নিজের সাইজ, ক্ষমতা এসবের ওপর। সব সময়ে একটা মহাসত্য মনে রাখতে হবে। আমার দেশের দীর্ঘকালীন স্বার্থ সবচেয়ে দরকারী। ন্যায় অন্যায় নয়। যেখানে দুটো মিলছে, ভাল কথা। যদি না মেলে, নীতির ওপরে থাকবে জাতীয় স্বার্থ।

    এই রিয়ালিজম বলে যে কোন দেশই চিরদিন এক জায়গায় থাকেনা। যার যখন যেরকম ওজন, সেই মত ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ আমেরিকার পায়ে যে পড়তে হবে তা নয়। ভারত কোনদিন পড়েওনি। আমেরিকার চাপ সত্বেও বার্মার সাথে ভাল সম্পর্ক রাখছে।

    পায়ে পড়া আর মরাল জ্যাঠা হওয়ার মধ্যে তফাৎ আছে। আমরা গুচতে যতই বাতেলা করিনা কেন, সাধারনভাবে রিয়ালিস্টের জীবন যাপন করি। ধরুন, আপনি ইনকাম ট্যাক্স জমা করতে আয় কর ভবনে গেছেন। আপনার কাজ যে অফিসার করছে সে আপনার ফর্ম, চেক সব দেখে নিল। তার পরে আপনাকে যখন একটা রসিদ দেবে বলে লিখছে, আপনি দেখলেন পাশের টেবিলে একটা লোক বলছে, আরে আপনাকে দশ আজ দিলাম, আগামী সপ্তাহে আরো তিরিশ হাজার দেব, আপনি আমার ক্যাপিটাল গেনটা কমিয়ে দেখান।

    আপনি দুটো কাজ করতে পারেন।
    ১) বিনা বাক্য ব্যয়ে আপনার রসিদ নিয়ে বেরিয়ে আসতে পারেন
    ২) চেঁচাতে পারেন, এইখানে ঘুষ নিচ্ছে আপনারা কিছু করুন। এই আপিসের হেড কে ? আমি এক্ষুনি তার কাছে যাব।

    রিয়ালিজম বলে প্রথমটা। কজন প্রথমটা করবেন হাত তুলুন। এর মানে এই নয় আপনি কারো পায়ে পড়লেন।

    মনে রাখবেন, ভারত-মার্কিন সম্পর্কে, ভারত উঠছে, আমেরিকা পড়ছে। কাজেই সম্পর্ক একরকম থাকবেনা সব সময়ে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে একে অপরকে ক্যালাবে। নিগোশিয়েট করবে, করছে নিজের শক্তি মত।

    আর রঞ্জন দা, ঐ জোট নিরপেক্ষতা, সাউথ-সাউথ ডায়ালগ এসব ফালতু জিনিষের সময় চলে গেছে। ভারতের সবচেয়ে বড় ট্রেডিং পার্টনার হল চীন, আমেরিকা, ই ইউ। এদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা অন্য দেশের তুলনায় অনেক জরুরী।
  • h | ০২ জুলাই ২০০৮ ০৮:২৬400312
  • শ্যামলের 'জাতীয় স্বার্থ' টা খুব ই কড়া ব্যাপার। আদৌ বোঝা যাচ্ছে না সেটা খায় না মাথায় দেয়। বস্তুটা কি?
  • Ishan | ০২ জুলাই ২০০৮ ০৮:৩৩400314
  • শ্যামল,

    আমেরিকা ভারতকে চাঁটি মেরেছে তো বটেই। সেই ছোটো থেকে শুনে আসছি ভারতের "জাতীয় স্বার্থ'কে কলা দেখিয়ে পরম শত্তুর পাকিস্তানকে আমেরিকা শুধু F 16 দিয়ে চলেছে। এতো চাঁটিই হল। তার উপর বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় চিন আর আমেরিকা ভারতের ডেড এগেন্সটে চলে গিয়েছিল। নেহাৎ সোভিয়েত নৌবহর ছিল তাই, নইলে এশিয়ার মুক্তিসূর্য ইন্দিরা গান্ধী অস্তাচলে চলে যেতেন।

    এগুলো চাঁটি ছাড়া কি?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন