
সবাই বলছেন বাম ভোট রামে গেছে বলেই নাকি বিজেপির এত বাড়বাড়ন্ত। হবেও বা - আমি পলিটিক্স বুঝিনা একথাটা অন্ততঃ ২৩শে মের পরে বুঝেছি - যদিও এটা বুঝিনি যে যে বাম ভোট বামেদেরই ২ টোর বেশী আসন দিতে পারেনি, তারা "শিফট" করে রামেদের ১৮টা কিভাবে দিল। সে আর বুঝবও না হয়তো কোনদিনই - কারণ আমরা তো উদ্ধত। আমরা ভুল থেকে শিখি না।হ্যাঁ আমরা উদ্ধত - কিন্তু মোদির মত উদ্ধত হতে পারলে হয়তো আরেকটু বেশী ভোট পেয়ে প্রধানমন্ত্রী হয়ে যেতে পারতাম। মমতার মত উদ্ধত হতে পারলে মুখ্যমন্ত্রী। হ্যাঁ আমরা অত্যাচারী - কিন্তু এন আর ... ...

ভারতের নির্বাচনে কে জিতল তা নিয়ে আমরা বাংলাদেশিরা খুব একটা মাথা না ঘামালেও পারি। আমাদের তেমন কিসছু আসে যায় না আসলে। মোদি সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের সম্পর্ক বেশ উষ্ণ, অন্য দিকে কংগ্রেস বহু পুরানা বন্ধু আমাদের। কাজেই আমাদের অত চিন্তা না করলেও সমস্যা নেই খুব একটা। তবে যেহেতু প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নির্বাচন, তিন দিক দিয়ে পরিবেষ্টিত আমরা যে দেশ দিয়ে তার নির্বাচন নিয়ে কেউ যদি একটু মাথা ঘামায়ও খুব একটা দোষ দেওয়া যাবে না মনে হয়।এবার আমি একটু মাথা ঘামাই। বিজেপিকে সমর্থন দেওয়া কোন সুস্থ মানুষের ... ...

আম তেলবিয়ের পরে সবুজ রঙের একটা ট্রেনে করে ইন্দুবালা যখন শিয়ালদহ স্টেশনে নেমেছিলেন তখন তাঁর কাছে ইন্ডিয়া দেশটা নতুন। খুলনার কলাপোতা গ্রামের বাড়ির উঠোনে নিভু নিভু আঁচের সামনে ঠাম্মা, বাবার কাছে শোনা গল্পের সাথে তার ঢের অমিল। এতো বড় স্টেশন আগে কোনদিন দেখেননি ইন্দুবালা। দেখবেনটা কী করে? এই যে প্রথম ট্রেনে উঠলেন তিনি। নামলেনও। মাথার ওপর রাজপ্রাসাদের মতো ছাদ দেখলেন। এতোবড় বাড়ি দেখলেন। এতো লোক। সবাই যেন মাথা নীচু করে সামনের দিকে ছুটছে। কেউ কারো সাথে দু-দন্ড দাঁড়িয়ে একটুও কথা বলছে না। কুশল বিন ... ...

আমি যে গান গেয়েছিলেম, মনে রেখো…। '.... আমাদের সময়কার কথা আলাদা। তখন কে ছিলো? ঐ তো গুণে গুণে চারজন। জর্জ, কণিকা, হেমন্ত, আমি। কম্পিটিশনের কোনও প্রশ্নই নেই। ' (একটি সাক্ষাৎকারে সুচিত্রা মিত্র) ... ...

ডক্টর্স ডাইলেমা : হোসেন আলির গল্পবিষাণ বসুচলতি শতকের প্রথম দশকের মাঝামাঝি। তখন মেডিকেল কলেজে। ছাত্র, অর্থাৎ পিজিটি, মানে পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি। ক্যানসারের চিকিৎসা বিষয়ে কিছুটা জানাচেনার চেষ্টা করছি। কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, এইসব। সেই সময়ে যাঁদের চিকিৎসার সাথে যুক্ত থেকেছি, তাঁদের কয়েকজনের কথা খুব মনে আছে। ক্যানসার এমনই এক অসুখ, যেখানে জেতার পাশাপাশি হারের সংখ্যা অনেক। আবার, তিনবছরের ছাত্রজীবনে এমন সংখ্যাও কম নয়, যেখানে জয় নাকি পরাজয় ঠিক কোনটা ঘটেছে, সেই খবর পাওয় ... ...

টিভিটা অন করতেই দেখি অফিসের বসকে টিভিতে দেখাচ্ছে। সাংবাদিক তার মুখের সামনে মাইক ধরে বলছে, কতদূর হলো ঈদের শপিং? বস হাসিহাসি মুখ করে বলছেন,এইতো! মাত্র ছেলের পাঞ্জাবী আমার স্যুট আর স্ত্রীর শাড়ি কেনা হয়েছে। এখনো সবই বাকি।সাংবাদিক:কত টাকার শপিং হলো এ পর্যন্ত?বস: এইতো গতকাল আর আজ দিয়ে মাত্র আড়াই লাখের মতো হয়েছে। এখনো যদিও সবই বাকি!আমি বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে আছি। এদিকে আমরা কেউ ঈদ বোনাস পাইনি। বস সবাইকে ডেকে নিয়ে দুঃখী দুঃখী গলায় বলেছেন,এবারের ... ...

‘কেন? আমরা ভাষাটা, হেসে ছেড়ে দেবো?যে ভাষা চাপাবে, চাপে শিখে নেবো?আমি কি ময়না?যে ভাষা শেখাবে শিখে শোভা হবো পিঞ্জরের?’ — করুণারঞ্জন ভট্টাচার্যস্বাধীনতা-পূর্ব সরকারি লোকগণনা অনুযায়ী অসমের একক সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষাভাষী মানুষ ছিলেন বাঙালি। দেশভাগের পরেও অসমে বাঙালি ছিলেন মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ। স্বাভাবিক কারণেই সেই সময় অসমিয়া প্রধান সরকারি ভাষা ঘোষিত হলেও সমগ্র অসমে সরকারি স্তরে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে চালু ছিল বাংলা। কিন্তু তার পর শুরু হয় ঠান্ডা মাথায় ছক কষার কাজ। অসমের প্রথ ... ...

‘কেন? আমরা ভাষাটা, হেসে ছেড়ে দেবো?যে ভাষা চাপাবে, চাপে শিখে নেবো?আমি কি ময়না?যে ভাষা শেখাবে শিখে শোভা হবো পিঞ্জরের?’ — করুণারঞ্জন ভট্টাচার্য স্বাধীনতা-পূর্ব সরকারি লোকগণনা অনুযায়ী অসমের একক সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষাভাষী মানুষ ছিলেন বাঙালি। দেশভাগের পরেও অসমে বাঙালি ছিলেন মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ। স্বাভাবিক কারণেই সেই সময় অসমিয়া প্রধান সরকারি ভাষা ঘোষিত হলেও সমগ্র অসমে সরকারি স্তরে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে চালু ছিল বাংলা। কিন্তু তার পর শুরু হয় ঠান্ডা মাথায় ছক কষার কাজ। অসমের প্র ... ...

সে ছিল এক দিন আমাদের যৌবনে কলকাতা, যখন, শিক্ষিত ভদ্রজনের এক বড় অংশের মনের ভেতরে লুকোনো সাম্প্রদায়িকতা পোষা থাকত বটে, কিন্তু তাঁরা জানতেন যে সেটা খুব একটা গর্বের বস্তু নয়। সর্বসমক্ষে সে মনোভাব প্রকাশ করতে তাঁরা কিঞ্চিৎ অস্বস্তি বোধ করতেন। ভাল জামাকাপড় পরা শিক্ষিত লোক, তার হাতে জ্যোতিষের আংটি, জামার হাতার তলায় লুকোনো মাদুলি, কথাবার্তার অসতর্ক মুহূর্তে বেরিয়ে পড়া সাম্প্রদায়িকতার ইঙ্গিত, এইসব দেখলেই তাকে নিয়ে আমরা খুব হাসাহাসি করতাম। ওই যে তখন সুমন ‘এমনি আর ওমনির গান’-এর এক পংক্তিতে লিখেছিলেন --- ... ...

কয়েকদিন আগে বন্ধুদের মধ্যে প্রেম নিয়ে এক আলোচনায় জন্ম নেয় এ লেখার বীজ। সেই আলোচনায় একটি কথা আমাকে ভাবায়, প্রেম্ মানে সমর্পণ। মনে পড়ে যায় বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধের এক প্রেমপত্রের কথা – “...আমি বেশ কিছু ভালো জিনিস নিয়ে আসার চেষ্টা করব, যা কিছু সম্ভব আমার পক্ষে আর তারপর তুমি ডাকলেই আমি ছুটে যাব পরের ট্রেন ধরেই, যে অবস্থায় থাকব সেই অবস্থাতেই। কিন্তু এটাকে আমার দুর্বল নম্রতা ভেবো না, আমি নম্র খুব একটা নই। এ আমার গর্বিত সমর্পণ। এভাবে আমি সবার সঙ্গে মিশি না।““গর্বিত সমর্পণ”...কি বোঝাতে চেয়েছি ... ...

হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্তান আদতে একই প্রকল্পের অংশ। আজকের সরকারি হিন্দি একটি অর্বাচীন ভাষা, তথাকথিত নব্য হিন্দুত্বের হাত ধরেই তার জন্ম। দেশভাগের আগে একটি-পৃথক-ভাষা হিসেবে হিন্দির কোনো অস্তিত্ব ছিলনা। ১৯৩৮ সালে হরিপুরা কংগ্রেসের ভাষণে সুভাষচন্দ্র বসু অখণ্ড ভারতবর্ষের যোগাযোগরক্ষাকারী হিসেবে প্রস্তাব করেছিলেন 'হিন্দুস্তানি'কে, হিন্দি নয়। হিন্দি বা উর্দু নামের আলাদা কোনো ভাষা সে সময় ছিলনা। শব্দদুটো ছিল, তারা লিপির পার্থক্য বোঝাতে হিন্দুস্তানির প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হত মাত্র। আর এই হিন্দুস্তানি কোন ... ...

"লাবণ্য! লাবণ্য!! লাবণ্য!!! আমি মা হতে চলেছি!"নীরা আপুর কথায় আঁতকে উঠলাম। নীরা আপু আমার ফুপাতো বোন। এখনো বিয়ে হয়নি তার। সেই মেয়ে মা হতে চলেছে আর সেটা এত আনন্দের সাথে বলছে!আমি ভীতু গলায় বললাম, কি বলো এইসব তুমি! তোমার এখনো বিয়ে হয়নি আর তুমি এই আকাম করে এসেছো! ছিঃ আপু ছিঃ!নীরা আপু ঠাস করে আমার গালে একটা চড় কসিয়ে দিয়ে বললেন, বাচ্চা হতে বিয়ে হওয়া লাগে? বাচ্চা হতে যদি বিয়ে হওয়া লাগতো তাহলে বিয়ের আগে বাচ্চা হওয়ার সিস্টেমই থাকতো না। এইসব সমাজের অন্ধ কা ... ...

বেশ কিছুদিন আগে একটি খুব জরুরী মিটিং-এ আমার এক সহযোগী একটু দেরী করে আসায় বকেছিলাম। দিনটা ছিল রাম নবমী। সে আমাকে তার দেরী করার কারণে যে ঘটনার কথা বলেছিল আমি স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম শুনে। যাদবপুরের সুলেখার মোড়ে রাম নবমীর বিশাল মিছিল বের করেছিল গেরুয়া শিবির। যাঁরা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন গাড়ি করে বা বাসে করে, পায়ে হেঁটে তাদের সবাইকে জোর করে সেই মিছিলে হাঁটতে বাধ্য করা হচ্ছিল। সহযোগী বলছিলেন, তাদের চেহারা...হুঙ্কার দেখে বোঝার উপায় নেই এরা পশ্চিমবঙ্গের কোন প্রান্তের বাসিন্দা। সে কোন রকমে চিৎকার করে সেখা ... ...

বিজয় কাকুদের বাড়িতে প্রকান্ড একটা জামরুল গাছ ছিল। তার গুঁড়িটা এতো মোটা ছিল যে সেখানে ভর দিয়ে ওঠা দুঃসাধ্য। পাড়ার কেউ কেউ ছিল যারা অনায়াসেই সেই দুঃসাহসের কাজটা করে ফেলতে পারতো। গরমের ছুটি পড়লে আমাদের খেলার জায়গাটা ছিল ওই জামরুল গাছের তলায়। চক্কোত্তিদের পুকুরের পাশে। রাঙার আম গাছের ছায়ায়। কাজেই আমের বোল আসা থেকে শুরু করে জামরুলের প্রথম ফুল, ছোট ছোট সবজেটে কচুরিপানার নীচে তেলাপিয়াদের ঝাঁক এই দেখে গরমের ছুটি দিব্বি কেটে যেত। ভরা কোটাল আর মরা কোটাল উপেক্ষা করে গঙ্গায় ঝাঁপানো চলতে থাকতো নিয়ম মতো। যতক্ ... ...

ভার্সিটি পড়ুয়া কাজিন শেলু আপার হঠাৎ করে বিয়ে হয়ে গেছে এক বড়লোক ব্যবসায়ীর সাথে। শেলু আপা ব্যাপক পরিমাণে স্মার্ট একটা মেয়ে। স্টাইলিশ, সুন্দরী,চুল প্রায় কোমর ছুঁইছুঁই। ইন্টার পাশ করতেই না করতেই শখানেক লাভ লেটার ডাস্টবিনে ফেলা হয়ে গেছে। বাড়ির সামনে ছেলেদের লাইন। রোজই একটা না একটা বিয়ের প্রস্তাব আসে যেগুলো তিনি নিজেই রিজেক্ট করে দেন। তাহলে এতকিছু ছেড়ে পড়ালেখার মাঝখানেই এই ব্যবসায়ীকে বিয়ে করার মানে কি? কারণ জানতে ছুটে গেলাম। যা জানলাম তা এখনকার জামানায় খুব স্বাভাবিক। ধনকুব ... ...

রমজানের মাসের ইফতারিকে ঐতিহ্যে পরিণত করেছে পুরান ঢাকা। চারশো বছরের ঢাকা শহরে অনেকের দাবী অনুযায়ী ইফতার বিক্রির ঐতিহ্যও চারশো বছরের মতই। চকবাজার কে ঘিরেই মূলত এই আয়োজন। চকবাজার শাহি মসজিদের জন্ম ১৬৭৬ সালে। অনেকের মতে এর আগে থেকেই এখানে বাজার ছিল।কেউ বলে মসজিদ হওয়ার পর মসজিদের সামনে থেকে ইফতারের বাজার শুরু। তখন নাম ছিল বাদশাহি চকবাজার। পুরান ঢাকার বড় পুরাতন বাজারই হচ্ছে বাদশাহি চকবাজার, রায়সাহেব বাজার ও নাজিরাবাজার। তবে ইফতারির মূল বাজার এখনো চকবাজারই।আগে ইফতার নাম ছিল না বা মানুষ ইফতার ... ...

জেনারেশনগুলো নিয়ে কয়েকজনের সাথে আলোচনা হচ্ছিল। যাদের বয়স ৩০ বা তার চেয়েও বেশি তাদের জীবনে অতীত বর্তমান জীবনের বিশ্লেষণে এনালগ জীবন ও ডিজিটাল জীবনের কম্পারিজনটাই বেশি আসবে, আধুনিকতা কিভাবে জীবনকে পরিবর্তন করেছে সেসব আসবে। কিন্তু আমার মত যাদের জন্ম ৯০ দশকের মাঝামাঝি সময়ে বা তারও পরে। তাদের জীবনের এই বিশ্লেষণে এনালগ-ডিজিটাল জীবনের তুলনাটা সেভাবে আসে না, কিন্তু তারপরও আমাদের জীবনে অন্যরকম একটা দ্বন্দ্ব রয়েছে, যার ভেতর দিয়ে আমাদেরকে ছোটবেলা থেকেই যেতে হয়েছে। এই দ্বন্দ্বটাই আমাদের জেনারেশনের লোকেদের জ ... ...

- খামোখা ঝগড়া করলে। এত রাগ করতে আছে?- আমি তো ঝগড়া করিনি, বরং একটা ভালো কথা বোঝাতে চেয়েছিলাম।- ভারি তো বোঝানো হলো, মাঝখান থেকে রাগারাগি করে খাওয়া ছেড়ে উঠে গেলে- আমাকে এরকম করতে দেখেছো কখনো?- তুমি এখন আর সেই ছোটোটি নেই, বড় হচ্ছো, গত মাসে ৯ পুরো করে ১০ এ পা দিয়েছ- তাতে কি?- বড় হলে বুঝদার হতে হয়।- তা তুমি বুঝি খুব বুঝদার?- বুঝদার বটেই তো, তোমার মত কি খাওয়া ছেড়ে উঠে যাই আমি?- তা যাওনা, কিন্তু দুপুর বেলা একা একা জানলার ধারে বসে কাপড়ের খুঁটে চোখ মোছো।- ... ...

শুরুতেই বলেছি, আমি অর্থনীতি বুঝি না। তাই কত টাকা কোথায় গেল বুঝতে আমার ভরসা গুগুল। কোন ঋণখেলাপি আমার কত টাকা খেয়ে গেল সেটা গুগুল করতে গিয়ে আরেকটা মজার জিনিষ পেলাম। জানলাম, রাজ্যসভায় এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রকের ছোটমন্ত্রী শিবপ্রসাদ শুক্লা গত বছর জুলাই মাসে জানিয়েছেন, রিজার্ভ ব্যাংকের হিসেব অনুযায়ী ভারতবর্ষের ব্যাংকিং সেক্টরে মোট এনপিএ-র পরিমান যা মার্চ ২০১৪তে ছিল আড়াই লক্ষ কোটি, তা ৩১শে মার্চ ২০১৮-তে বেড়ে হয়ে দাঁড়িয়েছে নয় লক্ষ বাষট্টি হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ভারতের শিক্ষা বাজেটের দশগুন ও ... ...

আগেই লিখেছি আজ সারাদিন টিভি দেখেছি৷ ফণী নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম/আছি আমি। একতলায় থাকি। বাড়িতে প্রায় একবছরের নাতনি আছে। এখনো টিভি চলছে ঘরে৷ বেশ কয়েকটি অবজারভেশন শেয়ার করি আপনাদের সাথে৷ আজই করি কারণ আজ ফণী না আসা অবধি জেগে থাকবো৷ থাকতেই হবে। যদি কিছু নাও হয় তবুও হতাশ হবো না। ভাববো বেঁচে গেলাম এ যাত্রা।প্রথমেই বলি যারাই টি ভি সাংবাদিকতায় আসেন, আমি নিশ্চিত তাদের শেখানো হয় একটা সেন্টেন্সে যত বেশীবার পারবে "কিন্তু" বলবে৷ তাই চ্যানেলে চ্যানেলে "কিন্তু" র বন্যা। অসংখ্য কিন্তু ভেসে বেড়ায় আ ... ...