
ইঁদুরের উপদ্রব এতোই বেড়েছে যে, তাদের যন্ত্রণায় বেঁচে থাকাটা দায় হয়ে পড়েছে। আব্দুর রহমান সাহেব তার এই পঞ্চাশ বছরের জীবনে এমন ইঁদুরের বিস্তার দেখেন নি। সারা বাড়িতে ইঁদুর আর ইঁদুর। দিনে দুপুরে দেখা যায় ইঁদুরেরা দলবল নিয়ে ঘোরাঘোরি করছে। এতোসব ইঁদুরকে নিধন করা বিড়ালের কাজ নয়। বিড়ালেরা তাই অসহায়, তারা আত্মসমর্পন করে বসে আছে। আব্দুর রহমান সাহেবের বাড়িতে তিনটি বিড়াল। তারা ইঁদুর মারে না, ইঁদুরের পিছনে ধাওয়াও করে না। ভাত মাছ যা পায় খায়, ইঁদুরদের ঘাঁটাতে যায় না। ভাতের ... ...

ছোটবেলায় একবার আমার প্রায় ভারত ভ্রমণ হয়েই গিয়েছিল। আমার ছোটবেলা বলতে ১৯৯৭ সালের কথা। ক্লাস সিক্সে পড়ি। স্কুল থেকে পিকনিকের আয়োজন করা হল। আমাদের শেরপুরের গজনীতে যাওয়া হবে। গজনীর পাস দিয়ে দুই দেশের সীমান্তরেখা। একটু বেখেয়ালে একটু বেশি হাঁটলে নিজের অজান্তেই ভারত ভ্রমণ হয়ে যায় অনেকের। আমাদের বেখেয়াল হওয়ার কোন সুযোগ নেই। আমাদের প্রত্যেকের মনের ভিতরে সুপ্ত ইচ্ছা এবার ভারতের মাটি থেকে ঘুরে আসবই। আমাদের বন্ধুদের মনে মনে জানা যে ঘুরে ফিরে একটা সুযোগ নিব আমরা। মুখে উচ্চারণ না করলেও আমরা সবাই তা নিশ্চিত জা ... ...

>২১ জানুয়ারি ২০১৯১রান্নাঘর সাজগোজ করছে বলে বাড়িশুদ্ধু তোলপাড়প্রতিবেশী বাড়ির জলে তেষ্টা নিবারণ, রান্নার কাজআপাতত ডাইনিং হলে। সব মশলার কৌটোরা দল বেঁধেসারাবাড়ি গুটি গুটি হেঁটে ... ...

তখন চন্দ্র সূর্য উঠত, দু'শো ছয় সারা কলকাতা ঘুরে করুণাময়ী পৌঁছত। অনেকটা যেন, সারা দিন সারা রাত মিউজিকাল চেয়ার খেলার মতো — কে তোমাকে স্কুলে নিয়ে যেতে পারে, কে আবার ফেরাবে বিকেলে, যখন রোদ্দুরের তাত কিছুটা উতপ্ত হয় তোমার কপালে হাত রেখে। যে তোমাকে পেত, সেই বাসটি যেন অকারণে — টার্মিনাসের সামান্য বিশ্রামে রাতের আকাশ ব্ল্যাকবোর্ড মনে করে তারা জুড়ে জুড়ে ছবি টবি হিজিবিজি আঁকত, শব্দ জুড়ত মনে মনে। বাস কন্ডাক্টর এগরোল কিনে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতেন সেদিন আর তাসের আড্ডায় না গিয়ে। ড্রাইভারটি নিতেন পাড়ার কুকুরদের জ ... ...

"যায় অন্তরীক্ষেতে অঙ্গদ ডাকাবুকা।বায়ুভরে উড়ে যেন জ্বলন্ত উল্কা।।লঙ্কাপুরী গেল বীর ত্বরিত গমন।পাত্রমিত্র লয়ে যথা বসেছে রাবণ।।"গল্পটি শ্রদ্ধেয় অধ্যাপক সৌমেন্দ্রনাথ পালের কাছে শোনা। সৌমেনবাবু আমার বাবারই বয়েসী ছিলেন। স্যারের জন্মদিন বোধহয় 11ই মার্চ, বাবার 5ই মার্চ।স্যার যাদবপুরেই পড়েছেন, তবে কিছুদিন প্রেসিডেন্সিতে পড়েছিলেন, পরে ছেড়ে দেন। সেটা ষাটের দশক। প্রেসিডেন্সির কোনো এক স্বনামধন্য বাংলার অধ্যাপক ক্লাশ নিচ্ছেন। সৌমেনবাবুর সহপাঠী একটি পাগলা মতন ছেলে, ক্লাস ... ...

।। ০।। সেদিন সদর শহরের কাছের ক্যান্টনমেন্টে এক ছোকরা অফিসার ছুটতে ছুটতে এসে তার লাঞ্চরত সুপারভাইজারকে খবর দিল, স্যার আকাশে একটা ইউ এফ ও র মত কি দেখা যাচ্ছে। স্যর যখন ন্যাপকিনটি নামিয়ে, সেটি প্লেটের পাশে গুছিয়ে রেখে হাত মুখ ধুয়ে ধীরে সুস্থে এসে টেলিস্কোপে চোখ ঠেকালেন, তখন আকাশ মেঘমুক্ত – একেবারে নিদাগ। ছোকরাটি তুতলে মুতলে যা বিবরণ দিল, তাতে লাহোরিয়া সুপারভাইজার শুধু হিমশীতল কন্ঠে “আপকা কাম করো” বলে শিশ দিতে দিতে বেরিয়ে গেলেন। সুবে সুবে খোয়াব দেখ রহা হ্যায়। ইঊ এফ ও! ড্যাম, মাই ফুট! ইসিকো ... ...

জীবনের নানা ওঠাপড়া যেন সহজে গায়ে না লাগে বিষাণ বসুবইমেলা লোকারণ্য, মহা হইচই।মুখোমুখি রণংদেহি ফিশফ্রাই-বই।।লেখকের ভিড় ঠেলে বই পাও যদি।ফ্লেক্সবোর্ডে উজ্জ্বল সহাস্য সেই দিদি।। সেনচুরি ছুঁয়ে যেতে আর বাকি তেরো।হেনকালে সিবিআই বাধালেন গেড়ো।।ব্রিগেডের প্রেরণায় ডিম নাকি ভ্রম।মঞ্চে ঝলমলে দেবলীনা হেমব্রম।। (আহা) আজ শুধু বইমেলা সেই কথা হোক।বাকি মাস সিরিয়াল (কিন্তু) মেলাতে পাঠক।।অপ্রিয় কথাটি নাই বা আজ তু ... ...

টনটনে একটা ব্যথায় ঘুম ভেঙে গেলো নাটার। গত পরশু রেললাইনের পাশে ঝুপড়িতে পেটো বাঁধতে গিয়ে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল আর তর্জনী উড়ে গ্যাছে। বছর দশেক বয়স থেকে পেটের ধান্ধায় হাত সাফাই, পকেটমারি, পেটো বাঁধা চালাচ্ছে। এই তেরো বছর বয়েসে প্রথম বিপদ। শালা বেশি টাইট করে বাঁধতে গিয়ে এই লাফড়া, তাও ভালো, কমের উপর দিয়ে গেছে। সরকারী হাসপাতালের ডাক্তার গুলো শালা হেব্বি হারামী। কত প্রশ্ন, নাকি পুলিশ ডাকবে। আরে বাল পেটো না বাঁধলে খেতে দিবি তোরা? কোনো মতে পরিস্কার করে ওষুধ পাতি দিয়ে ব্যান্ডেজ মেরেই খালাস। বলেছে দিন তি ... ...

ভোরবেলা সমুদ্রের ধারে বেড়াতে বেরিয়ে প্রদীপ্ত একটা বিশাল কাঁকড়া দেখেছে। একথা শুভম, অঙ্কিতা, সহেলিরা কেউই বিশ্বাস করতে চাইছে না। বিশাল মানে বিশাল। সেই অতিকায়, রাক্ষুসে কাঁকড়ার এক দাঁড়া থেকে আরেক দাঁড়ার বিস্তার প্রায় মাইলখানেক। মানে সেই গোটা কাঁকড়াটা প্রায় কয়েক কিলোমিটার লম্বা ও চওড়া। এত বড় কাঁকড়া হয় নাকি? প্রদীপ্ত বলছে হয়। কারণ সে নিজের চোখে দেখেছে। ভোরবেলা সে সমুদ্রের ধারে সূর্য ওঠা দেখতে গেছিল। তখনই সেই মহাজাগতিক কাঁকড়া মাইলখানেক দূরে সমুদ্রের মাঝখানে ভুউউস করে ভেসে ওঠে। সেই বিরাআআআট কাঁকড়ার দাঁ ... ...

নিউ ইয়র্কের জেএফকে এয়ারপোর্টে যখন নেবেছি তখন বেলা প্রায় দেড়টা। নাবার কথা ছিল সকাল নটায়। স্যান ফ্র্যান্সিসকো থেকে সোজা নিউ ইয়র্ক। বাজে আবহাওয়ার জন্যে প্লেন ঘুরে এল ডেনভার দিয়ে। ব্যস সাড়ে চার ঘন্টা মায়া। আমরা যাব নায়াগ্রা ফলস। এয়ারপোর্ট থেকে সময় লাগবে সাত ঘন্টা। নটায় নাবলে পথে থেমে-টেমেও ছটার মধ্যে হোটেলে ঢুকে যাবার কথা। হতচ্ছাড়া শীতকাল।অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল শীতের মাঝে একবার নায়াগ্রা ফলস দেখতে যাব। চতুর্দিক সাদা, নায়াগ্রারও অনেক অংশ জমে গেছে, তারই মাঝে সে ঝিরঝিরি বয়ে আচমকা দেড়শো ফুট ঝাঁপ দ ... ...

যে লেখকের কলমের ভরকেন্দ্র হল মনস্হিতির বোধ ও উপলব্ধির, একাকীত্বের খুল্লমখুল্লা জবানবন্দি, তাঁর সামনে দাঁড়াতে অস্বস্তি হয়। প্রচলিত জনপ্রিয় সাহিত্যের ফিল-গুড ব্যাপারটা হারিয়ে যায় দুম করে, কারণ এতটা সততা তীব্র ও অসহনীয়। কিভাবে মলয় রায়চৌধুরী তাঁর লেখায় আত্মপ্রক্ষেপণ ঘটিয়েও নিরপেক্ষ হয়ে যান, সামাজিক ঘটনার দ্রষ্টা হন, নির্মম সমালোচনায় শাণিত ইস্পাত হয়ে ওঠেন, তাঁর নিজের এই বাছাই সঙ্কলনটি পড়লে টের পাওয়া যায়। কিভাবে মলয় রায়চৌধুরী তাঁর লেখায় আত্মপ্রক্ষেপণ ঘটিয়েও নিরপেক্ষ হয়ে যান, সামাজিক ঘটনার দ্রষ্টা হন, ... ...

উপন্যাস ছাড়া নাকি প্রোলোগ লেখার নিয়ম নেই - তাই বুজুরগলোগ মাপ করবেন - এই উপন্যাসোপম আখ্যানে এই আদিপর্বটা প্রতিবারেই ঘাপলা হয়ে যায়, তাই এবারে এটা দিতেই হল। কারণ না দিলে মিস। বইমেলার লটারি এক জব্বর বস্তু - সে অভিজ্ঞতা না কহিলেই নহে। অতএব গিল্ড লটারির কথা অমৃতসমান - পূণ্যবানেরা আসুন আসুন - পিঁড়ে পেতে বসে পড়ুন। গিল্ড ফ্রী তে চা খাওয়ায়, এমন কি টপ বিস্কুটও খাওয়ায়, হাতে হাতে নিয়ে নিন বাবাসকল, মা সকল। কৃতাঞ্জলিপুটে বসে পড়ুন।ঘোষিত সময় দুপুর বারোটা। জনতা সাড়ে এগারোটা ... ...

"কে কাকে রেখেছে মনে?হিজলের বনে দোল খায় পুবদেশী হাওয়াআজীবন যাকে চাওয়া সে হয়েছে ঈশানের মেঘ..."সেই পুবদেশী আশ্চর্য হাওয়া আজও বয় কলকাতায় তথা মফস্বলে। সে দেশ একটাই ছিল, তারপর কাদের প্ররোচনায়, কাদের বিট্রেয়ালে কবে ভাগ হয়ে গেল গঙ্গায় পদ্মায়? দেশভাগ উদ্বেল করেছিলো সাদাত মান্টো আর ঋত্বিক ঘটককে, যুগপৎ। সমরেশ বসুর আদাব আমরা আঠারো পার করার আগেই পড়েছি। এই নিয়ে বিস্তর চর্চা ঐতিহাসিকদের। সম্প্রতি পড়লাম দময়ন্তীর লেখা ' সিজনস অব বিট্রেয়াল'। তিনি 'দ' নামে লেখেন গুরুচন্ডা৯ তে। দ বলে একটি লোকশব্ ... ...

গত কয়েক দশকে বারবার বদলে যাচ্ছে অতিপ্রচলিত কিছু শব্দের সংজ্ঞা। মধ্যবিত্ত কে, মফস্বল কোথায়, গরীব আদমিই বা আসলে কি চিজ --- এসব নিয়ে শিক্ষিত সম্প্রদায়ের কনফিউশন আর অপরাধবোধের সীমা নেই। ফল হয়েছে এই -- যে উচ্চবিত্ত/উচ্চমধ্যবিত্ত বলে কেউ নেই। যাপনে প্রোমোশন না পেলে কি হবে, লেবেলে চমৎকার প্রোমোশন পেয়ে গেছে অনিশ্চিৎ ভবিষ্যতের বিভিন্ন স্পেকট্রামে পড়ে থাকা মানুষ। যাদের কাজে অকাজে কাজের অভাবে মল যেতে হয়, আর যাদের সেই মল সর্বার্থেই বহন করতে হয় তারা সবাই একই ছকের ভিন্ন পিঠে অবস্থান করেন - কেউ বাস্তবে তো কেউ ... ...

গল্পের বই হিসেবে "পাড়াতুতো চাঁদ" নাম একটু মিস্টিক। প্ল্যাটফর্মের কৌলিন্য না বিচার করে যেসব লেখক অকপটে গভীর ভাবনার ফসল প্রকাশ করে চলেন, ইন্দ্রাণী সেই গোত্রের লেখক। আন্তর্জালে বহু গল্প প্রকাশিত, যার অধিকাংশই উচ্চ প্রশংসিত হলে যা হয়, সেসব কিছুই না করে ইন্দ্রাণী আরো ভালো লেখার চেষ্টা, বলা ভালো আরো ভালো আঁকার চেষ্টা করে গেছেন। নিজের লেখা নিয়ে কঠোর সমালোচক হওয়ার একটা ভালো দিক হলো, তাতে সত্যিই লেখা ভালো হয়। কিন্তু খারাপ দিক হলো লেখক ও লেখাগুলো (যাদের মজা করে লেখক "টেখা" বলে থাকেন) ক্রমশ অজস্র বাজারি ছ ... ...

দময়ন্তী লেখালেখি করছেন অনেকদিন। গুরুচন্ডা৯ অনলাইন পত্রিকার একেবারে জন্মলগ্ন থেকেই সম্ভবত, হিসেব করলে বছর পনেরো পেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে আমরা আন্তর্জালেই পড়ে ফেলেছি বিভিন্ন সময়ে লেখা গল্প, আত্মজীবনীমূলক রচনা, ছোট প্রবন্ধ। এই বিভিন্ন ফর্ম ও কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করতে করতে দময়ন্তী একবারও বিচ্যুত হন নি তাঁর লেখালেখির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো থেকে। অবশ্যই এ আমার নিজের ইন্টারপ্রিটেশন, কী উদ্দেশ্যে দময়ন্তী লেখেন তা নিয়ে আমরা নিশ্চয়ই আগ্রহের সঙ্গে লেখকের নিজের কথাই শুনবো। একজন পাঠক হিসেবে এই লেখাগুলো আমার কাছে ধরা ... ...

কলেজ স্ট্রীটের দিগ্বিদিক ঘুরে বইপত্তর কিনে একটু সরবত খাব বলে হাঁটছি, এমন সময় বললে বিশ্বাস করবেন না, রাস্তা হারিয়ে গেল। কিচ্ছু চেনা যাচ্ছেনা, ঠা ঠা মে মাসের রোদ, একটা ঠেলাওয়ালা বসে বসে খৈনি টিপছে -- এছাড়া জনপ্রাণী নেই। রাস্তা বাতলাতে পারে ভেবে তার কাছে গিয়ে দেখি লোকটার মুখে কালো চাপদাড়ি বগলে একটা চামড়ার ব্যাগ। তারপরই আমার সব কেমন গুলিয়ে গেল (মা পরে শুনে বলেছিলো রোদ লেগে গেছে), আমি থমকে চেয়ে জিগ্যেস করে ফেললাম ঐ ব্যাগে কী আছে? শুনে লোকটা জুলজুল করে খানিকক্ষণ দেখে ব্যাগটা ভাঁজ করে চিকলেটের মত মুখে ... ...

আজ মুণ্ডু কাটার পালা গল্পকার ইন্দ্রাণী দত্তর, যাঁকে আমি দীর্ঘদিন ধরে টিটি দিদি বলে ডেকে থাকি। এই জন্য একেবারেই নয়, যে, তিনি একদা টোরান্টোর লোকাল ট্রেনে কালো কোট পরে টিটিগিরি করতেন। ওসব গল্পকথা। কালো কোট অবশ্যই তাঁর ছিল এবং আছে, কিন্তু তিনি হলেন অনুভূতির টিকিট-পরীক্ষক, ট্রেনের সঙ্গে যার কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁর টোরান্টোর কালও কবেই খতম হয়ে গেছে। অর্ধেক আকাশ উড়ে এখন তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ডেরা বেঁধেছেন, কিন্তু বিশ্বস্ত সূত্রের খবর কোটটি নিয়ে যেতে ভোলেননি। সে বস্তু আজও তাঁর চিরসঙ্গী। ভেন্ডার কম্পার্টমেন্ ... ...

"তুমিও হয়ত লিখবে একদিন। আসলে, একটা নদী আছে কোথাও, দেখা যায় না, তবে আছে। সেই নদীর ধারে, সন্ধ্যার পরে অদ্ভূত এক হাট বসে। সেখানে দুঃখের বেচাকেনা হয়। ঐ নদী যেদিন দেখতে পাবে, লেখা ছাড়া গতি থাকবে না।"বোধহয় ইন্দ্রাণী ওই নদীটি দেখে ফেলেছেন। আর দুঃখের বেচাকেনা করেন সেই হাটে যারা, তাঁদের কথা লেখেন ইন্দ্রাণী। আমরা যারা পাঠক, তারা শিউরে শিউরে উঠি এসমস্ত তীব্র আখ্যানে।কাদের কথা লেখেন দুখজাগানিয়া ইন্দ্রাণী? কারা এই গল্পের চরিত্র? পাঠক পড়ুন, নিজেদের চিনবেন একভাবে। পাঠিকারা হয়ত চিনবেন আরো অন ... ...

১৯৭৮ থেকে ২০১৮ ঃ আন্তর্জাতিক মঞ্চে স্বাস্থ্যনীতির রূপান্তর ও বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থাজয়ন্ত ভট্টাচার্যইমেইলঃ [email protected]২১ নভেম্বর, ২০১৮-তে NEJM-এ প্রকাশিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধের শিরোনাম – “Disease and Famine as Weapons of War in Yemen”। প্রবন্ধটি শুরু হচ্ছে এভাবে – How can the medical community take stock of the humanitarian disaster in Yemen? কিভাবে পৃথিবীর মেডিক্যাল সমাজ ইয়েমেনে যে মানবিক বিপর্যয় চলছে তার বিবেচনা করবে? কোথায় ইয়েমেন? মধ্য এশিয়ার একফালি দেশ – রেড সি ... ...