
আমার লেখার উপজীব্য যদি হয়, বিজ্ঞাপনের জগতে মেয়েরা,বেদম ধন্দে পড়ে যাই আমি!কোন জগত? কোন মেয়েরা? যেসব বিজ্ঞাপন সংস্থায় রাত নামে না কখনও, যেখানে হাততালি দিতে দিতে সমানে ছুটে যাচ্ছে মেয়েরা, তাদের কথা? যাদের থাকে শুধু অন্ধকারসম্বল প্লাস্টিক আলো আর মুখোমুখি বসিবার ক্রেতা ও ক্লায়েন্ট! অ্যাড এজেন্সিতে চাকরি নেয়ার মুখে পাড়া প্রতিবেশী গুছিয়ে আমার বাড়ির মানুষদের খবর দিয়ে গেছিল,এসব জায়গা ভদ্রঘরের মেয়েদের জন্য নয়। শুয়েবসে কাজ করতে হয়। বিজ্ঞাপন সংস্থার রন্ধনশালাটিতে মেধায় আগুন দিয়ে সুস্বাদু বিজ্ঞাপন বানানোর আগেই,লক্ষ করুন,একটি মেয়ে বিজ্ঞাপিত হয়ে যাচ্ছে লালসামাখা পণ্যরূপে।হ্যাঁ। কোনও বিজ্ঞাপন যাঁরা বিজ্ঞাপনটি দিচ্ছেন তাঁরা পছন্দ করবেন কি না তার ওপর অনেকক্ষেত্রেই নির্ভর করে সংস্থাটির উজ্জ্বল অথবা মলিন ভবিষ্যৎ। তাই এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে ক্লায়েন্ট মিটিঙে সঙ্গে খুশবু-ছড়ানো অ্যাকাউন্ট এক্সিকিউটিভ কিংবা ক্রিয়েটিভ হেড নারী থাকাটা অনেককিছুই সংযোজন করে। এ-ও বিজ্ঞাপন।লিঙ্গনির্ভর।সবযুগে।সবসময়। পাথরকুচির মতো অপমান ছড়ানো পথে চলতে চলতে নারী বিজ্ঞাপিত হয়। ... ...

বসন্তোৎসব এসে গেছে বলে একদিকে কলকাতার রাজপথে হিন্দুত্বের হুঙ্কার, অন্যদিকে রবীন্দ্রবোদ্ধাদের 'সংস্কিতি-গেল-গেল' ভাব। এই দুইপক্ষকেই এক হাত নিতে এসে গেল বসন্তোৎসবের সুপারহিট গান। জোরসে বলুনঃ বসন্ত আলোক গোলি মারো সালোকো ... ...

কোরোনা ভাইরাস চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে যেখানে চীনের লেভেল - ৪ (সর্বোচ্চ সুরক্ষা স্তর) ভাইরাস গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। যেহেতু নিশ্চিত করে উৎপত্তির কারণ চিহ্নিত করা যায় নি, বাদুড়, সাপ বা প্যাঙ্গোলিন থেকে মানুষের দেহে সংক্রমণ ছড়িয়েছে আশংকা করা হচ্ছে তাই এর উৎপত্তির পেছনে ষড়যন্ত্রের একাধিক জোরালো তত্ত্ব খাড়া করা হচ্ছে। ... ...

এই মুহুর্তে ডেমোক্র্যাটিক পার্টি দুই ভাগে বিভক্ত। এক, বামপন্থী ডেমোক্র্যাট (লেফট-লিবারল)। দুই, মধ্যপন্থী ডেমোক্র্যাট (মডারেট, সেন্ট্রিস্ট)। দ্বিতীয় দল প্রথম দলকে সোশালিস্ট বলে এবং ভয় পায় যে আমেরিকায় সোসালিজম নিয়ে যে ভয় রয়েছে, তার ফলে রিপাব্লিকানরা লাভবান হবে। অন্যদিকে প্রথম দল দ্বিতীয় দলকে কর্পোরেট ডেমোক্র্যাট নামে ডাকে, কারণ এই দলের প্রার্থীরা কর্পোরেটদের পয়সায় ক্যাম্পেইন চালায় এবং কিছু কর্পোরেট এদের হয়ে প্রচার করে। এবং প্রথম দল মনে করে যে এই কর্পোরেট সেন্ট্রিস্ট ডেমোক্র্যাটদের জন্যই রিপাব্লিকানদের বাড়বাড়ন্ত। যদিও রিপাব্লিকান পার্টিতেও এইরকম দুই ভাগ ছিল এই কয়েক বছর আগে অবধিও: মডারেট দক্ষীনপন্থী এবং চরম দক্ষীনপন্থী। কিন্তু হাউসের এক প্রাক্তন রিপাব্লিকান স্পীকারের মতে এইমুহুর্তে ওটি ট্রাম্পের পার্টি। ... ...

প্রায় উনিশ বছর আগে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে দূরভাষে জয় গোস্বামীর এই সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন চিরন্তন কুন্ডু। জয় তখন ছিলেন আইওয়া-তে একটি রাইটার্স ওয়ার্কশপে। চিরন্তন এবং জয়-এর অনুমতিক্রমে সাক্ষাৎকারটি এখানে প্রকাশ করা হল। ... ...

আপ-এর জয় বর্তমান ভারতের শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় খানিকটা রিলিফ। বিভিন্ন স্তরের সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়ায় সেটা বোঝা যাচ্ছে। মানুষের মাঝে এক তিরতিরে ভরসার স্রোত বইছে। আমি ভীতু, ভয়ার্ত, সন্দেহবাতিকগ্রস্ত মানুষ। ... ...

“Repeat a lie often enough and it becomes the truth” - নাৎসি জার্মানির যোসেফ গোয়েবেলস এর এই নীতিকে ভিত্তি করেই আজকের ভারতে যে ছায়াচ্ছন্ন সত্যের ব্যাবসা চলছে, তা আরেকবার বোঝা গেলো গত ৮ই ফেব্রুয়ারি কোলকাতা বইমেলার ঘটনায়। ধর্মকে কেন্দ্র করে রাজনীতির যে পরিবেশ তাকে বারংবার উত্তপ্ত করতে এই মিথ্যেগুলোকে বারে বারে প্রচার করা হয়। ধীরে ধীরে এরই কিছু ঘটনা সত্যি বলে মেনে নেয় কিছু মানুষ। ... ...

গত ১১ই ফেব্রুয়ারি রাতের বেলা আজিজুর রহমানকে তার কাকার মাধ্যমে খবর পাঠানো হয়, কোনো এক পরিচিত তাকে ডাকছে বলে। ঘরের বাইরে বের হতেই তাকে তুলে নিয়ে নর্থ বিধাননগর থানায় আটক করে পুলিশ। রাত বারোটার পরে খবর জোগাড় করে কোলকাতা শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বেশ কিছু মানুষ চলে যায় আজিজুরের খোঁজ নিতে। কোনোরকম অনৈতিক কাজের সাথে যুক্ত না থাকা আজিজুরের থানায় বন্দি হওয়ার কারণ খুঁজতে থানার ভেতরেই ঢোকে তার বন্ধুস্থানীয় চার-পাঁচজন। পুলিশ যথারীতি কোনো উত্তর দিতে অস্বীকার করে। ... ...

পুলিশকে কিছু কথা বলতে যাচ্ছেন কেউ। তর্কাতর্কি হচ্ছে। পুলিশের দিক থেকে যেহেতু বলার কিছু নেই, তাই তাঁরা কিছুক্ষণ বাদেই তেড়ে এসে তুমুল মারধোর করছেন দু-চারজনকে, এবং টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে ঘোষণা করছেন, গ্রেপ্তার করা হল। আমার দিকেও তেড়ে এসে ঘুষি চালিয়ে দেন এক পুলিশ মহাবীর। যদিও, আমি শান্ত করার চেষ্টা ছাড়া আর কিছু করিনি। স্লোগান-টোগান তো দূরস্থান। হিন্দুত্ববাদী কোনো হামলাকারীর গায়ে বলাবাহুল্য একটুও আঁচড় পড়েনি। পুলিশের তর্জন-্গর্জন, মার-্ধোর শুধু একপক্ষের উপরেই বর্ষিত। এবং পুরোটাই পরিচালিত হয় নীল কোট পরিহিত একজন পুরুষ ও সাদা পোশাকের একজন মহিলা অফিসারের নেতৃত্বে। তাঁরা বস্তুত জনতাকে প্ররোচিত করছিলেন। যে ভঙ্গীতে কান্ডটা করছিলেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই, যে, পুরোটাই ইচ্ছাকৃত। হয় তাঁরা মব কন্ট্রোলের কিছুই জানেন না, কিংবা জানেন, কিন্তু তাঁদের গেরুয়াকরণ সুসম্পন্ন হয়েছে। ... ...

রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন যে এনআরসি, সিএএ, এনপিআর বিরোধী কোনও আন্দোলনে পুলিশি নির্যাতন হবে না। আজকের ঘটনা ঠিক তার উল্টো প্রমাণ রেখে গেলো। সর্বোপরি; বিজেপির স্টল থেকে বেরিয়ে এসে হামলা করা কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। যতো গ্রেপ্তারি হয়েছে আমাদের দিকে। যারা এনআরসি, সিএএ, এনপিআর বিরোধী জনমত তৈরি করতে প্রাণপণ চেষ্টা করছে; তাদের ওপর এহেন পুলিশি অত্যাচার নামিযে এনে আপনার কোন লাভ হলো মাননীয়া? ... ...

যতবার,যতজন, শান্তভাবে কথা বলতে গেছেন, প্রতিবারই পুলিশ প্রায় বিনা প্ররোচনায় একই ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং একের পর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ যে আচরণ করে, যে ভাষায় কথা বলে, এবং যে পরিমান মারধোর করে, বইমেলার সুদীর্ঘ সাংস্কৃতিক ইতিহাসে তা অভূতপূর্ব। প্রায় অর্ধশতকের বইমেলার ইতিহাসে কলঙ্কলেপনের জন্য পুলিশকে ধন্যবাদ। ... ...

যে দেশে এক্কেবারে চলতি ভাষাতেই টুরিস্টকে বলা হয় ‘মুসাফির’ তার রোদ্দুর তো আলাদা হবেই। অন্ধকার আকাশের নীচে দাঁড়িয়ে সবার আগে সেই কথাটাই মনে হল। আমার ভাঙাচোরা ফারসিই আমাকে বুঝতে দিয়েছে, সৈয়দ তার স্ত্রী তহমিনেহকে মোবাইলে জানাচ্ছে, ‘হিন্দ-এর মুসাফির এসে গিয়েছে। আমরা শিগগির বাড়ি পৌছাচ্ছি’। ‘মুসাফির!’ সে কি সহজ কথা! চকিতে মাথায় খেলে যায়– দিল-এ-ম্যান, মুসাফির-এ-ম্যান! ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ-এর ফারসি শিরোনামের সেই কবিতার গোড়ার পঙক্তিগুলি—‘প্রাণ আমার, মুসাফির আমার/হয়েছে যে আদেশ আবার/দেশ ছাড়ি, তুমি-আমি, আরও একবার।... ইরান শেষে আমাকে মুসাফির করলে! ... ...

খণ্ডিত ভারতের স্বাধীনতার কথা শুনে তৎকালীন বাংলার মুসলিম নেতাদের একাংশের মধ্যে ভীতির সঞ্চার হয়েছিল, এই ভেবে যে, পূর্ব বাংলা পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হলে বাঙালি মুসলমানদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রশাসকগণ। সুতরাং বাঙালি মুসলমানের পরাধীনতা থেকেই যাবে। তাই তৎকালীন বাংলার প্রধানমন্ত্রী সইদ সোরহাবর্দি, বাংলা মুসলিম লিগের সম্পাদক জনাব আবুল হাসিম প্রমুখ নেতা প্রস্তাব করেন, ভারতকে দুই ভাগ নয়, তিন ভাগে ভাগ করা হোক, যথা পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশ। মোদ্দা কথা, বঙ্গভঙ্গ বন্ধ করে, বাংলাকে একটি স্বতন্ত্র স্বাধীন দেশে পরিণত করা হোক। এ প্রস্তাব নিয়ে তারা সর্বশ্রী শরৎচন্দ্র বসু, কিরণশংকর রায় ও সত্য বকসীর সাথে বহু বৈঠক করেন। এমনকি স্বাধীন বাংলার সংবিধান কী হবে, তার জন্য একটি সাব কমিটিও গড়া হয়। শরৎচন্দ্র বসু এ বিষয়ে গান্ধিজির সাথে সংযোগ স্থাপন করেন। গান্ধিজি বঙ্গভঙ্গ বন্ধ করার এ প্রচেষ্টাকে সমর্থন করেন বটে, কিন্তু কংগ্রেস সভাপতি আচার্য কৃপালনী ও ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির বিরোধিতায় শেষ পর্যন্ত এ প্রস্তাব ভেস্তে যায়। এ সব ঘটনাই ১৯৪৬ সনের মে মাসের। ... ...

কিংবদন্তীর ভেতরে একরকম আখ্যানমালা আড়মোড়া ভাঙে। পাশ ফেরে, শিথান বদল করে। বালি খাতের নিচে অন্তঃসলিলা হয়ে বইতে থাকে নদী। খাতের ওপরে কান পাতলে হয়তো অস্পষ্ট শব্দ শোনা যায়। জাদুসঙ্গীতের মত একপ্রকার লোকায়ত গান ও বাজনা বয়ে যায় গোপনে। শব্দ বাজে গানের মত। ... ...

অচিন্ত্য প্রান্তর আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন একজন মানুষ। তার মার্জিত ব্যবহার, পরিশীলিত বাচন, তার কন্ঠে রবীন্দ্রনাথের গান আমাকে মুগ্ধ করে। যদি সে সম্পূর্ণ অচেনা কেউ হতো, রূঢ় এবং শিক্ষাহীন, তাহলেও আজ বিমানবন্দরে সিআই এসএফ যে ভাবে তাকে পরীক্ষা করেছে তার আপত্তি সত্ত্বেও, তার তীব্র প্রতিবাদ করতাম। কারণ লিঙ্গ পরিচিতি যে কোন মানুষের একেবারে ভেতরের উপলব্ধির বিষয়, তার একান্ত মানসিক এবং অনুভূতির ব্যাপার। ... ...

উদ্দেশ্য আমার কাছে অন্তত খুবই স্পষ্ট ছিল। এন আর সি, সি এ এ এবং ছাত্র ছাত্রীদের উপরে পুলিশ তথা সরকার সমর্থক গুন্ডা দের হামলা ইত্যাদি নিয়ে সারা দেশে যে নানা প্রতিবাদ হচ্ছে, কলকাতায় থেকে তার যতটুকু আঁচ পাওয়া যায়, সেটা অনুভব করার, চাক্ষুষ করার চেষ্টা করা। এবং গুরুচন্ডালি তে লিখে ফেলা, যতটা পারা যায়।। ... ...

পার্ক সার্কাসে গিয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়ালেই আমার মনে পড়ে রক্তবীজের কাহিনী। আকাশ-চাটা আগুন-চিতায় সহমরণে মরতে যাওয়া মায়ের অসহ্য যন্ত্রণার চিৎকারের সঙ্গে সঙ্গে জরায়ু উন্মোচনে তার জন্ম। একফোঁটা রক্ত যেখানে পড়ে সেখানেই জন্ম হয় রক্তবীজের। এক থেকে একশ, হাজার, লক্ষ -- লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে তরুণাসুর রক্তবীজের সংখ্যা। ... ...

এ এক অদ্ভুত শিউড়ে ওঠা সময়ের কাহিনী। আমরা সেই সময় অতিবাহিত করছি যখন আমাদের মনে পড়ে যায় “পিচ্ছিল নেপথ্যে আজও রয়েছে মানুষ – একা – নরক দর্শন করে, তবু অন্ধ নয়, খোঁড়া নয়; ... ...

তেত্রিশ বছরের একটা জোয়ান কিন্তু রুগ্ন ছেলে শুয়ে আছে জেলখানার ঠান্ডা মেঝেতে, গায়ে হয়ত শুধু একটা কম্বল। গরাদের ফাঁকে তাকে কড়া নজরে রেখেছে এদেশের কুখ্যাত ট্রিগারহ্যাপি পুলিশ বাহিনী, যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমাতে নিজেরাই সরকারি বাস পোড়ায়, গুজরাত মডেলে সংখ্যালঘুর দোকান ভেঙে দামী মাল লুঠ করে। আর দমাদম গুলি ছুঁড়ে শুইয়ে দেয় শিশুদেরও। আটক নাবালকদের সোডোমাইজ করার অভিযোগও ওঠে এদের বিরুদ্ধে। ... ...

এই লেখা লিখতে লিখতেই শোনা যাচ্ছে বিশ্বভারতীতে সঙ্ঘের পেটোয়া লোকজন নিয়ে ব্যবস্থা করা হয়েছিল এক সেমিনার যাতে সিএএ ও এনআরসির সুফল ব্যখ্যা করার কথা ছিল। সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় রড লাঠি নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে আরেক গুন্ডাবাহিনী। বিশ্বভারতী থেকে আসা এই খবর কোনদিকে গড়াবে আমরা জানি না, কিন্তু গোটা দেশজুড়ে যে সমস্ত ক্যাম্পাসগুলিতে আরেসেস এবিভিপির যাতায়াত ছিল সীমিত সেগুলিতেই নানা ফিকিরে ঝামেলার পরিবেশ তৈরী করে এক একটা ফেনোমেনন বানাতে চাইছে তারা। কিন্তু তাদের এই বর্বরতা কোনোভাবেই শেষ কথা হয়ে যে উঠবে না তার প্রমান প্রায় প্রতি মুহুর্তে দিয়ে চলেছেন এই দেশের ছাত্রছাত্রীসমাজ ও তাদের পাশে দাঁড়ানো সাধারণ মানুষ। আরেসেস বিজেপি যত হিন্দুরাষ্ট্র বা অন্যকে টুকরে গ্যাঙের নাম করে আসলে নানাভাবে ভারতের বিভাজনে ব্রতী হবে ততোই তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হবে এবং অতীত থেকে ফ্যাসিবাদকে মোকাবিলা করার শিক্ষা তাদেরও দেওয়ার জন্য একত্রিত হবেন এদেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। যে আজাদীর স্লোগান উঠে এসেছিল বিক্ষুদ্ধ কাশ্মীর থেকে আজ তা শোনা যাচ্ছে কলকাতায় মুম্বইতে সব জায়গায় এবং তা দিচ্ছেন সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ গৃহবধু বাচ্চা বুড়ো সবাই। ফয়েজের কবিতার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি বসাতে বাধ্য হচ্ছে ভীতু কর্তৃপক্ষ। ... ...