
আজ অনেকদিন পরে এমনটা হল। এই মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যাওয়া। অন্ধকারে কিছুক্ষণ চুপচাপ শুয়ে থাকে চোখ বন্ধ করে। ঘুমের আমেজ যেন চোখের পাতা ছেড়ে পালিয়ে না যেতে পারে! চোখ খোলা যাবেনা কোনোমতেই, তাহলেই ঘুমের দফারফা। রাত এখন কটা কে জানে? ইস, কমপক্ষে ছ ঘন্টা না ঘুমোলে কাল সারাদিন টানতে পারা যাবে না। অফিসে সীটে বসলেই ঘন ঘন হাই উঠবে, কাজে বিরক্তি আসবে। ... ...

সন্ধ্যার অন্ধকার ক্রমে গাঢ় হইয়া আসিতেছে। তাঁহার ক্ষুদ্র কামরাটির এক কোণে একটি সেজবাতি জ্বালাইয়া জ্যাঠামশায় পড়িতেছিলেন। এমন সময় দরজার সম্মুখে একটি ছায়ার অনুভব হইল। মুখ তুলিয়া দেখেন শ্রীবিলাস দাঁড়াইয়া আছে। জ্যাঠামশায়ের মুখ স্মিতহাস্যে ভরিয়া উঠিল। হাসিয়া বলিলেন, 'দেখে যেন মনে হয় চিনি উহারে'। ... ...

কিন্তু কেন এই আত্মহত্যা? সাধারণভাবে বলা যেতে পারে, শোধ করার সম্ভাবনারও অতীত আকণ্ঠ ঋণে ডুবে যাওয়া। কেন এই ঋণ? কেবল খরা ইত্যাদি প্রাকৃতিক বিপর্যয় কে দায়ী করলে অতিসরলীকরণ হয়ে যায়। সেতো ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েসের মতন জুড়েই রয়েছে কৃষকজীবনে। আসলে মূল চিন্তা এই আত্ম্যহত্যার ক্রমবর্ধমান অভিমুখ নিয়ে। দেশে অর্থনৈতিক উদারীকরণের এক দশকের মধ্যে ঋণাক্রান্ত চাষী পরিবারের সংখ্যা যে দ্বিগুণ হয়ে গেল, তা কি নেহাত ই কাকতালীয়? ... ...

শিব্রাম চক্কোত্তি মশাইয়ের "কিশোর সংকলন''এ ছিল একটি অনন্য স্বাদের কবিতা। ছোট্ট মেয়ে শিবি কিছুতেই "পৃথিবী'' বানান লিখতে পারছে না। ওর খামখেয়ালে ওটা কখনো হচ্ছে পৃথীবী, কখনো পৃথিবি বা কখনো প্রিথীবি। অনেক চেষ্টার পর ও অনায়াসে বলে- " --- থ'য়ে হ্স্বই, বয়ে হ্স্বই বসিয়ে দেব 'থিবি' "। তখন হতাশ গুরুজন ওকে বোঝান যে "পৃথিবীর একটা নিজস্ব নিয়ম আছে। তুই সেটা না বুঝে পৃথিবীকে ইচ্ছেমত বানাতে পারিস নাকি? কেন নয়? শিবি পাল্টা প্রশ্ন করে -- "যেমন করে কার্ল মার্কস্, বুদ্ধ, লেনিন, গাঁধি। ---- আরও অনেকে, ইত্যাদি, আমিও যদি তেমনি করে বানাই?''- প্রশ্ন করে শিবি। ... ...

দিল্লিতে বাঙালি দুই প্রকার। প্রথম প্রজন্ম, এবং দিতীয় বা ততোধিক প্রজন্ম। এই দুই রকম বাঙালির আচারে বিচারে, কথা-বার্তায় এবং চাল্চলনে তফাৎ এতটাই প্রকট যে ব্যাপারটা বেশ একটা কালটিভেট করার মত বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ... ...

মাইকেল গেটস গিল ছিলেন বিজ্ঞাপণ জগতের একসময়ের ডাকসাইটে কর্তা। স্বভাবতই তাঁর আয় ছিল গড়পড়তা আর চার পাঁচজনের থেকেও বেশ বেশি। দামী স্যুট, দামী বাড়ি, দামী গাড়ি ইত্যাদিতে বিলাস বহুল জীবনযাপনে অভ্যস্ত ছিলেন গিল। হঠাৎই একদিন কর্পোরেট জগতের নিয়ম মেনে গিলের চাকরী গেল, বেশ বেশী বয়সে। আর কোনো চাকরীও তিনি খুঁজে নিতে পারলেন না। একে একে দামী গাড়ি, দামী স্যুট সব গেল। এমনকি ডিভোর্স অবধি হল, ধরা পড়ল ব্রেণ টিউমার। ... ...

গতবছরের ৮ই মার্চ। অর্জুন সিংহ ঘোষণা করলেন একাদশ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশ জুড়ে আরো আটখানি আইআইটি বানানো হবে, বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটির ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ( DVBHF )-কেও আইআইটি-র "মর্যাদা' দেওয়া হবে। মানে মোট আইআইটির সংখ্যা একলাফে সাত থেকে গিয়ে দাঁড়াবে পনেরোয়। পরিকল্পনায় বলা হয়েছিলো, প্রত্যেক বছর প্রতিটি নতুন আইআইটিতে নেওয়া হবে ৫০০ জন বি. টেক. ছাত্র, ২৫০ জন এম. টেক. ছাত্র, ১০০ জন পি. এইচ. ডি. এবং ১০ জন পোস্ট ডক্টরাল ফেলোশিপের ছাত্র। ... ...

মেয়েদের গল্পে, সে প্রথম পুরুষেই হোক, বা উত্তম পুরুষে, সবসময়-ই একটা কবোষ্ণ ভাব থাকে। অন্তত আমার তো তাই লাগে। সুমনার ছেলেবেলা আর কৈশোর আর প্রথম যৌবন উত্তর কলকাতায়। ওদের বাড়ীটা একটা চৌরাস্তার মোড়ে। মানে, বাস-ট্রাম-লরি-টেম্পো এরকম হাঁসফাঁস করা চৌরাস্তা নয়। পাড়ার-ই চৌরাস্তা, তবে চব্বিশ ঘন্টা উত্তেজিত-হৈহট্টগোলের বিরাম নেই সেখানে। সুমনাদের বাড়ীটা দুইতলা। রাস্তারদিকে নীচতলায় গ্রীলের গেট, গ্রীল লাগানো লালমেঝের বারান্দা। গ্রীলের গেটের উপর লোহার তারদিয়ে বাঁধা কাঁঠালকাঠের লেটারবাক্স, হলুদরঙের, রংটা অবশ্য বর্ষায় ধুয়ে যেত, তারপর বর্ষা চলে গেলে, সুমনার দাদা, আবার সেটায় রং লাগাত, আর তার উপরে নীলতুলিতে লিখত 'শান্তিরঞ্জন চট্যোপাধ্যায়', ওদের বাবার নাম। ... ...

সে কোন রুপকথার দেশ, যেখানে সোনার গাছে হীরের ফুল আর পান্নার পাতা দেখা যায়? রাস্তার পাশে সোনার ধুলো পরে থাকে? এমন এক রুপকথার দেশে পৌঁছে যাওয়া তো সেই ছোটবেলার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন যদি সত্যি পুরণ করতে চান, তো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বানিয়ে ফেলুন জাপানের ভিসা। ওখানে রাস্তার পাশে সোনার ধুলো না পেলেও, নর্দমায় সোনার আবর্জনা পেয়েই যাবেন। সম্প্রতি খবর মিলেছে যে টোকিওর কিছু নর্দমা হঠাৎ করে সোনার খনি হয়ে উঠেছে। ... ...

গতকাল দুপুরে আমার বৌয়ের সঙ্গে পাড়ায় একটি ব্যান্ডপার্টির খুব অশান্তি হয়, রাতে মানু সেটা আমায় বলল। বিয়ের ব্যান্ডপার্টি। আমাদের পাড়ায় খুব আসে। আমাদের এলাকায় ভূমিসংস্কারের প্রবল সাফল্যে পুকুর প্রায় লুপ্ত প্রজাতি, সবই এখন প্রোমো-তাড়িত বহুতল। আমাদের বাড়ির গায়েই একটা পুকুর এখনো অবশিষ্ট, বিয়ের মরশুমে প্রায়ই নানা বিয়েবাড়ি থেকে এখানে জল নিতে আসে। একসময় যেগুলো ছিল আচার, কিছু বৌ উপচার হাতে আসতেন, শঙ্খ নিয়ে, উলু দিয়ে, এখন তার সঙ্গে আসে ব্যান্ডপার্টি, এবং টুইস্ট নাচ। এই নাচের সঙ্গে এলভিসের কোনও সম্পর্ক নেই, হিন্দি সিনেমার নাচ দেখে, এবং নাইটক্লাবের নাচ টিভিতে দেখে নাচ-না-জানা লোক যখন পৃথুল দেহ কামোদ্দীপক রকমে আন্দোলিত করতে চায়, কিন্তু হয়ে দাঁড়ায় বিকটতা, তাকে বলে টুইস্ট, এতদিন মূলত বিসর্জনে নাচা হত, ধীরে বিয়েতে ও অন্নপ্রাশনে, এরপরে বোধহয় শবযাত্রাতেও হবে। ... ...

আপনার মোবাইল ফোন দিয়ে আপনি কি কি করতে পারেন? কথা বলতে পারেন, মেসেজ করতে পারেন, যদি দামী ফোন হয় তাহলে ছবি তুলতে পারেন বা এফ এম রেডিও শুনতে পারেন? কিন্তু আপনার ফোন কি একজন অন্ধকে পথ দেখাতে পারে? অবাক হবেন না, এমনই এক ফোন আমাদের জন্য আনতে চলেছেন প্রাক্তন আই আই টি ছাত্র টি ভি রমণ। অনেক হাল আমলের মোবাইলে ব্যবহৃত GPS এবং কম্প্যাস প্রযুক্তি-দুটির সমন্বয় ঘটিয়ে তিনি এমন একটি মোবাইল ফোন সৃষ্টি করতে অগ্রসর হয়েছেন, যা তাঁর দাবী অনুযায়ী একদিন আক্ষরিকভাবে অন্ধদের পথ দেখাবে। ... ...

বইয়ের তাক ঘাঁটতে ঘাঁটতে হাতে এলো এক চমৎকার সংকলন, যার মূল বিষয়বস্তু "জাদুবিদ্যা"। বইটির প্রকাশ "রঙ্গ ব্যঙ্গ রসিকেষু" থেকে, প্রাপ্তিস্থান : সুবর্ণরেখা। সংকলন ও সম্পাদনা : শৈলেশ্বর মুখোপাধ্যায় ও বিশ্বদেব গঙ্গোপাধ্যায়। ... ...

ওরা পাঁচজন যেদিন আমার সঙ্গে থাকে, সেদিন আমি শাহেনশা। পৃথিবীর সব রকম জটিল সমস্যার সমাধান আমি এক মিনিটে করে ফেলি। বর্ষপূরণ বা বর্ষবরণের রাত্রে এবার ওদের সঙ্গে দেখা হয়নি, দেখা হ'ল এই বছরের গোড়ায়। আমি তিন পাত্তর চড়িয়ে বাড়ির উল্টোদিকের কদমগাছটাতে বসে পা দোলাচ্ছি, এদিক ও দিক দেখছি, এমন সময় ওরা এল। ওরা পাঁচজন আর ওদের মধ্যে একমাত্র মহিলা পুঁটি। প্রথমে এসে ওরা একটু লাফালাফি, ঝাপাঝাপি করে, তারপর থিতু হয়ে বসে। বসল। বয়জ্যেষ্ঠ বাঁদরটি আমাকে দেখে বলল, ... ...

এককালে চুইং গামের আবিষ্কারক হিসেবে নাম কিনেছিল মেক্সিকো। প্রায় দেড়শো বছর আগে মেক্সিকো থেকেই এসেছিল Chicle, যা থেকে তৈরী হয় প্রথম চুইং গাম বা chicle gum। অথচ সেই চুইং গামই এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে সবচেয়ে বড় মাথাব্যথার বস্তু। যেখানে সেখানে চুইং গাম খেয়ে ফেলে দেওয়ার বদভ্যাসে জেরবার এই দেশ। মেক্সিকো সিটির যেকোনো রাস্তার পাশে, পথচারীদের হাঁটার জায়গাগুলো ভর্তি হয়ে থাকে ফেলে দেওয়া চুইং গামে। দেখা গেছে গড়ে প্রতি স্কোয়ার মিটারে ৭০ টারও বেশী চুইং গামের টুকরো পড়ে থাকে ওখানে। এই চুইং গাম পরিষ্কার করতে প্রতি বছর প্রচুর টাকা খরচ হয় পৌরসভার। জার্মানি থেকে ১০টা চুইং গাম পরিষ্কার করার মেশিন কিনেছে পৌরসভা। ... ...

সময়ের সাথে দূরত্ব সমানুপাতিক, উষ্ণতাও। এ সূত্র বিজ্ঞানীরা না মানলেও ভুক্তভোগী মানবেন। এই নিবন্ধ সেই উষ্ণতা মাপার চেষ্টা, দূরত্ব মাপার ভীত পদক্ষেপ। এক একটা বছরের সাথে ওঠানামা করে আমাদের সম্পর্কের তীব্রতা। সে আত্মীয়-অনাত্মীয় সবার্ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। নিয়ম মেনে বাড়ে-কমে শহরের সাথে একাত্মতাও। ছিটকে বেরোতে গেলে টের পাওয়া যায় কেন্দ্রাভিমুখী টান। ফিরে আসতে গেলে বোঝা যায় বিকর্ষণ। এই দোটানা সম্বল করেই অন্ধের শহরদর্শনের অভিলাষ। ... ...

গত বছরের শেষের দিকে খবরের শিরোনামে এসে গেছিল ভেনিস, তাও আবার বন্যার জন্য। সবাইকে চমকে দিয়ে সত্যিই ভেসে গেছিল ভেনিস। প্রায় ৬১ ইঞ্চি ওপরে উঠে গেছিল জলের লেভেল। হাঁটুজল জমেছিল St. Mark's Square এর মতন জায়গাগুলোতেও। গত ত্রিশ বছরে এমন ঘটনা কেউ দেখেনি ভেনিসে। জলের সাথে সখ্যতা করে বিখ্যাত ভেনিস সত্যি সমস্যায় পড়েছিল অতিরিক্ত জল চলে আসাতে। ট্যুরিস্ট আসা কমে গেছিল ভয়ানকভাবে। জলের জন্য আটকে পড়া ট্যুরিস্টদের অভিজ্ঞতাও ছড়িয়ে গেছিল ই-মেলে, ব্লগে। কিন্তু এবারে সেই বন্যারই ফায়দা তুলতে জলে নেমে পড়েছে হোটেলওলারা। ... ...

ধুস শালা, কি যে বাজে বকি - ঠাকুর দেখো যেন এবছর ১২ মাস-ই আমার আর সবার মত চাকরি বজায় থাকে, মাইনে যেন না কমে। আর এর সঙ্গে যদি প্রতি সপ্তাহে ২-৩ বেলা মাছের ঝোল জুটিয়ে দাও, বিশ্বাস করো ঠাকুর, কোন কিছু নেই নেই করে একদম মন খারাপ করব না। ... ...

১৬৮৫ সালে যুদ্ধজাহাজ এইচএমএস লন্ডন ভয়ানক এক বিস্ফোরণের পর টেমসের জলে প্রায় তিনশ' জন লোককে নিয়ে ডুবে যায়। নেভি ঐতিহাসিকরা এই বিস্ফোরণের কারণ নিয়ে প্রচুর তর্কাতর্কির পর এখনও কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি। রিচার্ড এন্ডার নামে একজন ইÏনিয়ার ও নেভি ঐতিহাসিক এই ধাঁধার একটা সম্ভাব্য সমাধান সূত্র খুঁজে পেয়েছেন। ১৭ শতকের অন্য একটি যুদ্ধজাহাজ লেনক্স এর একটি ঘটনা এঁর নজরে পড়ে। রেকর্ডবুকে লেখা আছে, ঐ জাহাজের ল্যুটেনান্ট অসাবধানে জাহাজের খোলের একেবারে নিচে পড়ে যান আর যখন ক্রু¤ মেম্বাররা ওনাকে উদ্ধার করতে নিচে পৌঁছান তখন সবাই একসাথে অজ্ঞান হয়ে যান, এমনকি মরার সম্ভাবনাও ছিল। ... ...

সাঁঝবাতি আর রূপকথার মধ্যে নাড়ির টান। সন্ধেবেলায় যখন ঘরের আঙিনায় ছায়ারা গাঢ় হয়ে আসে, জ্বলে ওঠে সাঁঝবাতি, একের পর এক, তখনই জন্ম নেয় রূপকথারা। জন্ম নেয় ঠাকুরমার কাঁপা-কাঁপা গলার ওঠাপড়ায়। আর খোকাখুকুরা শোনে,চোখের পাতায় নেমে আসা ঘুমের ঢেউকে তাড়িয়ে দিয়ে। চোখের মণি বড় বড়, বেড়ে গেছে বুকের ধুকপুকুনি। রূপকথা ভয় পাওয়ায়। ঠাকুমা দেখেন নাতিনাতনির চোখে ভয় ঠাঁই করে নিয়েছে। রাক্ষস - খোক্কসের দল ঘিরে ফেলেছে বাড়ি। এবার ঠাকুমা গলার স্বর পাল্টান - কে জাগে? লালকমল না নীলকমল? খোকা-খুকু জেগে আছে। এবার ওরা প্রাণপণে প্রার্থনা করে-- সময় নেই, সবাই জাগো। জেগে ওঠো লালকমল, ঘুমিও না নীলকমল। রূপকথা জাগতে শেখায়। এবার রাক্ষ্স-খোক্কসের দলের হারার পালা। নীলকমলের হাতে আছে এক আশ্চর্য তলোয়ার। ঠাকুমা বলে দেন--- কোন সরোবরের মাঝখানে কোন স্ফটিকস্তম্ভের মধ্যে লুকোনো রয়েছে রক্ষরাজের প্রাণভোমরা। এবার রূপকথা মারতে শেখায়। ... ...

হ্যাঁ, রাশিয়ানরা মনে করেন সান্টা নাকি ইললিগাল ইমিগ্র্যান্ট। তাহলে রাশিয়ান বাচ্চাদের বড়দিনের সময় উপহার দেন কে? কেন ডেড মরোজ। রাশিয়ার একদম উত্তরে নাকি তাঁর বাস। ডেড মরোজ এবং সান্টার মধ্যে অনেক পার্থক্য। ডেড মরোজ উপহার দিতে বেরোন ইংরিজী নববর্ষের আগের দিন, বড়দিনের আগের দিন নয়। ডেড মরোজও স্লে চড়েন কিন্তু স্লে'টি টানে ঘোড়ায়। ওঁর সাথে থাকে আকর্ষণীয়া নাতনি স্নেগুরোচ্কা। এহেন ডেড মরোজ আসলে পশ্চিমী দুনিয়ার বিরুদ্ধে রাশিয়ানদের জেহাদ - ঠান্ডা যুদ্ধ। ... ...