( ২৯ ) সন্ধের দিকে অতীশ আবার একদিন এসে হাজির হল সোমনাথের বাড়ি। সোমনাথ বেশির ভাগ সময় কোন না কোন দলিল দস্তাবেজ বা কাগজপত্রে চোখ বোলাতে ব্যস্ত থাকে। সে বসে থাকার লোক না। সর্বদাই ব্যস্ত। এগুলো যে কার দলিল কার দস্তাবেজ কে জানে। অতীশের ওসব জানার কোন আগ্রহ নেই। এমনিতেই অন্যের ব্যাপারে তার কৌতূহল খুব কম, তার নিজের সমস্যা নিয়েই সে সর্বদা বিব্রত থাকে। অতীশকে দেখে সোমনাথ বলল, ' আরে এস এস... তোমাকে ফোন করতাম একটু পরে। যাক, এসে গেছ ভাল হয়েছে... ' ----- ... ...
যাদবপুর ৮বি স্ট্যান্ডের কাছে কাউন্টার এরার দোকানে কিছু সংঘ পরিবার সংশ্লিষ্ট লোকজন আজ দুপুরে এসে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ। তাদের নাকি বক্তব্য ছিল ওখানে দেশদ্রোহী বই বিক্রি হচ্ছে। এটা দেশজুড়ে ঘটমান প্রবণতা।সংঘ পরিবারের নানা সংগঠন বা আইটি সেলের কাজই এসব করা। প্রগতিশীল, সমন্বয়বাদী বা অম্বেডকরবাদী অথবা বামপন্থী ন্যারেটিভ যা হিন্দুত্বকে চ্যালেঞ্জ করে সব কিছুই তাদের দুচক্ষের বিষ।এসবকে দেশদ্রোহী তকমা লাগানোই এদের কৌশল। কথা বলেই কথার অধিকার আর হিন্দুত্ববাদী ন্যারেটিভের বিপরীতে সমন্বয়ের ন্যারেটিভের চর্চা করেই এসবের মোকাবিলা হবে। তবে ভদ্দরলোকের সুখী সুখী বইমেলার যে কী পরিণতি হতে চলেছে তার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ... ...
ভবিষ্যতের মনুষ্যকে ভূতে মারে ঢিল;অদ্ভুত ভূতের সঙ্গে 'উলঙ্গ রাজা'র মিল। রাজার দুটো শিংমগজ টা মিসিং-ফিতে দিয়েও যায় না মাপা, ইয়াব্বড় দিল্।।
আজ সকালে সৈকতবাবুর কণ্ঠে ও আলোর পথযাত্রী গান টা শুনছিলাম, জানিনা কেনো এই গান টা শুনলেই কেঁদে ফেলি। .......তারপর আরো দুটো গান শুনলাম - কারার এই লৌহকপাট, আর যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে . ও আলোর পথযাত্রী আর একলা চলো রে আমার বরাবরের জ্বালানি . আমাকে আবার উঠে দাঁড় করায় এই গানগুলোই . Dekhun, কি অদ্ভুত, আজ আর ডেনভার, গিটার, বাঁশি কিছুই শুনতে ইচ্ছে করছিলো না, এক্কেবারেই না . আসলে প্রিয় গান, অপ্রিয় গান, ভালো গান, ভালো গান নয়, । .....এসব কিছুই হয় না জানেন . ... ...
পথে এবার নামো সাথী পথেই হবে পথচলা আজ সারাদিন ধরে কালক্যাটা ইয়ুথ কোয়ারের গান গুলো শুনেছি। ....আজ সারাদিন ধরে বৃষ্টি পড়েছে কম বেশি; অন্য দিন হলে সেতার, সুমন, Celine Dion এইসব বেজে চলতো কাজের সঙ্গে সঙ্গে। .....হ্যাঁ তবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যেতে যেতে একলা পথে, যেকোনো বৃষ্টির দিনে আমার বরাবরের প্রিয়। .....আজও শুনেছি। ...অনেকবার শুনেছি। .....শ্রীকান্ত আচার্য্যর কণ্ঠে। .....আর বারবার মনে হয়েছে বৃষ্টিস্নাতা হয়ে আমিও একবার ওদের ভিড়ে দাঁড়াই। ....ওই যারা বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে পুলিশের মার খেয়েছে। ...আর বলেছে : 'মারো স্যার অউর মারো '। .....এমন অদম্য সাহসের এক কণাও আমার নেই . আজ সারা দেশ " নুতন যৌবনেরই দূত "। ।....এই ... ...
পট্টি শ্রী রামালু, ইরম শর্মিলা চানু, সোনম ওয়াংচুক..... আমরা নিজেদের World's largest democracy বলে গর্ব করি। কিন্তু যখনই এই নাম গুলো আমাদের সামনে আসে, মনে হয় সেই গণতান্ত্রিক অহমিকার গালে যেন সপাটে চড় মেরে দিয়েছে। আমরা সেই Democracy-র বাসিন্দা যেখানে কেউ সিস্টেমের ভুল দেখাতে চাইলে তাকে দেশের শত্রু দাগিয়ে দেওয়া হয়। আমরা সেই দেশে আছি, যেখানে রাস্তায় কাউকে গালাগালি করলে তাকে Uneducated বলা হয়,অথচ Highly educated বিচারপতিরা বলতে পারেন,বুকে ওড়না সরালে সেটা ধর্ষণ নয়। না, সেইবেলা তাদের প্রশ্ন করার কেউ নেই। তারা সব আলোচনার ঊর্ধ্বে। নির্বাচনের সময় মুখ্যমন্ত্রী(বর্তমানে প্রাক্তন) প্রকাশ্য সভায় দাঙ্গায় উস্কানি দিলেও,তিনি বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়ান,অথচ মধ্যবিত্তের বাইকের টায়ার ... ...
সান্ধ্যভাষায় লিখবো চিঠি, প্রয়োজন নেই তাই না? দুপুরঘুমের এ চর্যাগীতি, প্রয়োজন নেই তাই না? সহজিয়া সুর পাড় ভাঙে আর দু-কুল ছাপায় কান্না কাহ্নপাদের সুর তুলবে, আয়োজন নেই তাই না? শবরী হাঁটে সানুতল ঘেঁষে, ঝর্ণাসখী হোক আয়না মোরঙ্গীপূচ্ছ একলা দোলে, প্রিয়জন নেই তাই না? তরুবর হে! পঞ্চশত্রু আজো কালের সত্য কয় না, চঞ্চল চিত্ত, সাধনায় তার স্বীয় মন নেই তাই না? কোন্ বিকেলে লিপিচিত্রিত অধরে মৃগনয়নাহরিণীসম চাইবে, বলো, মায়াঞ্জন নেই তাই না? সান্ধ্যভাষায় লিখবো চিঠি, প্রয়োজন নেই তাই না? দুপুরঘুমের এ চর্যাগীতি, প্রয়োজন নেই তাই না? ... ...
গণতন্ত্রের মোড়কে বৈষম্যের ভারত: কেকের ওপর ক্রিমের আড়ালে অগণতন্ত্রের ইতিহাস কলমে : শংকর হালদার শৈলবালা রচনাকাল : ২১ জুলাই ২০২৬ ভারতবর্ষ বড় বিচিত্র দেশ। এখানে গরিব মানুষ ভোট দিয়ে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করে, অথচ ধনী ও প্রভাবশালী শ্রেণি সরকার পরিচালনা করে। আর এই দুইয়ের মাঝে এমন কিছু সুযোগসন্ধানী মানুষ অবস্থান করে, যারা গণতন্ত্রের এমন অদ্ভুত ও সুবিধাবাদী ব্যাখ্যা প্রদান করেন যে, প্রাচীন গ্রিসের প্রখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিস যদি আজ বেঁচে থাকতেন, তবে বিষের পেয়ালা বা হেমলক পান করার পরিবর্তে সরাসরি গঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করতেন। আজ থেকে প্রায় ৭৫ বছর আগে, যখন স্বাধীন ভারতের সংবিধান রচিত হচ্ছিল, সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে দূরদর্শী নেতা ড. বি. ... ...
ছোটবেলায় নেহরুর লেখা এন্ড অফ ফিয়ার পড়েছিলাম। বাপুজির নেতৃত্বে ভয়ের মুক্তি না হলে স্বাধীনতা আন্দোলন হতো না। এই ভয়ের মুক্তির ব্যাপারটা হিন্দুস্থানের লোক বোঝে।১৯৭৭ এ লোকনায়ক জয়প্রকাশজির নেতৃত্বে আর এক ভয়ের মুক্তি হয়। জরুরি অবস্থার সেই ভয়ের মুক্তির ঊষালগ্নে বিজেপির বীজও বপন হয়। সে আন্দোলনে সিঁদ কেটেই বিজেপির উত্থান।তারা যেন ভুলে না যায় তাদের এক লোকনায়কের দরকার ছিল যাঁর স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে মান্যতা আছে।সোনাম ওয়াংচুক আর সিজেপি বা আইসার নেহা সহ ছাত্রদের নেতৃত্বে এরকমই এক ভয় মুক্তির দরকার হচ্ছে কারণ লোকে অধিকাচ্যুতির ভয় থেকে মুক্তি চায়, সব ধরণের অধিকারচ্যুতির ভয় থেকে, পেপার লিক থেকে চাকরিচ্যুতি, ভোটার লিস্টে নাম বাদ থেকে জল জমি জঙ্গলের অধিকারচ্যুতির ... ...
মানুষ ভালোবাসে দুঃখ পাবে বলে,দুঃখই সত্য,সুখ মিথ্যা।সুখ মরীচিকা।মানুষ সারা জীবন ছুটে বেড়ায় সুখ পাবে বলে।যখন সুখ পেয়ে যায়,তখন বুঝতে পারে,এ তো সুখ নয়,বরং দুঃখের মুখবন্ধ।পুরোনো দুঃখের শেষে নতুন দুঃখের হালখাতা।আমি দুঃখবিলাসী,সুখের পেছনে ছোটা বন্ধ করেছি বহুকাল।আমি শুধু মৃত্যুর মন্ত্র জপ করি,মৃত্যুর অপেক্ষায়।ও আসে না,ছল করে,আড়ালে আবডালে উঁকি দিয়ে লুকিয়ে পড়ে কোথায়!আমি খুঁজে মারি,ডেকে ফিরি -সাড়া দেয় না,আসে না কাছে।মৃত্যুর পর কী হয়?জানি না,জানতে চাই না।আমি শুধু মিশে যেতে চাই পঞ্চভূতে,আবার জন্ম নিতে চাই শত প্রাণের অংশ হিসেবে,ওদের স্নায়ু,পেশী,কোষ দিয়ে অনুভব করতে চাই দুঃখ,আমি প্রতিটা অনু-পরমাণুতে।কালচক্রে,জন্মমৃত্যুর চাকায় নিষ্পেষিত হতে চাই,যতদিন না ব্রহ্মান্ডের শীতল মৃত্যু হয়,এনট্রপি চরমে না পৌঁছায়।আমি মুক্তি চাই না,চাই ... ...
১বুলবুলি পালক ফেলল-কুড়িয়ে নিলাম আমি।সূর্য সেটা ফলো করলো, এমন হারামি! ২পাতা পাতা হাস্যকর হাওয়াযাওয়া যাওয়া এমনি চ’লে যাওয়াছাতা ছাতা বিরক্তিকর মেঘখাতা খাতা উল্টোপাল্টা লেখা৩প্রয়োজনে ফোন করলে–আমায় তুমি পাবে না।তোমায় যখন ফোন করব–তখন তোমায় পাব না। ৪বাড়ির গায়ে রোদ। বাড়ির ভেতর ঝগড়া। বাইরে থেকে তাকিয়ে দেখলে,কিছুই বোঝা যায় না।৫এই তো যেন সেদিনকেই!এই তো সবে-সবেঘ’টে যাওয়া সব ঘটনাই–নতুন হ’য়ে থাকে। ... ...
দিল্লির যন্তরমন্তরে অভিজিৎ দিপকে-এর নেতৃত্বে ককরোচ জনতা পার্টি নিট দুর্নীতির বিরুদ্ধে হ্যাঙ্গার স্ট্রাইক চলছে। সোনম ওয়াংচুর মতো ব্যক্তিত্ব ও সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আদালত সরকারকে তাঁর স্বাস্থ্যের দিকে যত্ন নিতে বলেন। সরকার পুলিশ দিয়ে সোনমকে হাসপাতালে তুলে নিয়ে যায়। অভিজিৎ দিকপে মুখে কালি ছিটিয়ে দেয় এক মহিলা। না অনশনকে ব্রতকে ভাঙতে পারেনি বিজেপি সরকার। উল্টে অসংখ্য যুবক-যুবতী অনশনে বসে পড়েন। অতঃপর ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে আন্দোলনকে বানচাল করার চেষ্টা করছে। বিজেপি কখনো আন্দোলন, ধর্না, বিক্ষোভ পছন্দ করে না। মানে গণতান্ত্রিক এই ব্যবস্থাটাই ওদের পছন্দ নয়। এটা মোদি বলে নয়। বাজপেয়ীজিও এমন ছিলেন। ওনার সময়ে সারা দেশজুড়ে ... ...
নৌকো ছিল স্বপ্নে ভাসমান।বন্ধু ছিল স্বপ্ন থেকে দূরে...ভালোবাসা এখন শুধুই তার–সাহসকে যে পোষ মানাতে পারে।কষ্টে ছিল মৃদুমন্দ আরাম। আনন্দে তাই গুচ্ছ প্রীতিমরণ...ভালোবাসলে তোমায় হয়তো পেতাম,কিন্তু যদি ফুরিয়ে যেতো মন? ভালোবাসা এখন শুধুই তার–সাহসকে যে পোষ মানাতে পারে।ভালোবাসা এমন উপহার—মুহূর্তে যে ফুরিয়ে যেতে পারে!
গান শোনার বিষয়ে আমরা প্রত্যেকেই খুব স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল। কোনো কোনো সময় এমন হয় খুব প্রিয় গানগুলোই যেনো শুনতে মন চায় না। কারণ চারপাশ টা সেই গানগুলোর একেবারেই প্রতিকূলে সেই মুহূর্তে। তখন খুব না প্রিয় কোনো গান অদ্ভুত ভাবে মানিয়ে যায় চারপাশের সঙ্গে। তার মানে কি গান মন ঠিক করে নাকি মন গান ঠিক করে ? এ এক অদ্ভুত হেঁয়ালী, এক অদ্ভুত ধাঁধা। আমার আজকের বিষয়বস্তু এই ; কোনো আঘাত বা অভিযোগ নয় ; একান্ত ব্যক্তিগত কিছু ভালো লাগা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া - বরং হয়ে যাক না এক নির্ভেজাল আড্ডা, আমার এই লেখার হাত ধরেই, আমার বড় ... ...
( ২৮ ) মেঘলা দিন। সকাল থেকেই নিবিড় ছায়ায় ঢাকা। অনুমিতের মনটা যেন গাছতলায় পড়ে থাকা শুকনো পাতার মতো এলোমেলো উড়ে বেড়াচ্ছে। পবন, সিরাজ, শৌর্যরা নিশ্চয়ই এমন ছায়া মাখা দিনে মস্তি নিতে বসে গেছে কোন একটা ঠেকে বোতল খুলে। অনুমিত ভাবল ওদের কাউকে একটা ফোন করে। কিন্তু তেমন চাড় বোধ করল না। মনটা কেমন মেঘলা মেঘলা লাগছে। বাবাও অনেকদিন কাজ টাজের ব্যাপারে কিছু বলছে না। বোধহয় নতুন গভর্নমেন্টকে বুঝে নিতে চাইছে একটু। পলিটিক্সের ছানবিন করতে ব্যস্ত। বাড়িতে থাকতে ভাল লাগছে না। কারও একজনের সঙ্গে কথা ... ...
মন যদি কাল শুকনো স্রোতে আরাম নামায়, কী করবে? হয়তো তখন ঘোরের মধ্যে নিজের ভেতর খুঁজবে প্রেম! প্রশংসাশোক বাসলে ভালো, ঠোঁটের কাছে অন্তরাল... বাতাস তোমার মাঙ্গলিক আর জয়ের ঊর্ধ্বে সাম্য লাল! আহত সাত ঘোড়ার প্রতি তোমার মায়ের বিতৃষ্ণায়—ঘাসের রঙে ঘটছে বদল, নতুনশাসক ব্যবস্থায়... ছন্দে তুমি মন রাখোনি, অগত্যা কাল কী করবে? তোমায় দিচ্ছি দ্বন্দ্ব সমাস। আমাকে দাও সান্ধ্যমেঘ... ... ...
শনিবারের বারবেলাতে প্রেমটা চটকে গেলোইসাবেলার ভুলডোজার-বাবা হাজির হলো; মাথায় টাকবেজায় রাগ-উত্তরে তে ছিলো!!
বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে সবকিছু বেশ শান্ত, স্বস্তিদায়ক। কিন্তু একটু চোখ-কান খোলা রাখলেই বুঝবেন, থিয়েটারের পর্দাটা আসলে অন্য কারোর ইশারায় উঠছে আর নামছে। বিশ্ব রাজনীতির একটা অলিখিত নিয়ম আছে—যে দেশ মাথা তুলে দাঁড়াতে চাইবে, তার পায়ে ল্যাং মারার জন্য গ্লোবাল মোড়লরা সবসময় তৈরি। আজকে যে 'ভারত ভাগ করার চেষ্টা' বা দেশকে ভিতর থেকে ভেঙে টুকরো করার একটা সুক্ষ্ম চক্রান্ত চলছে, সেটা কোনো সস্তার হোয়াটসঅ্যাপ ফরোয়ার্ড নয়, এটা পিওর ভূরাজনীতি বা জিওপলিটিক্স। বাঙালির চায়ের আড্ডার আঁতলামি মার্কা নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চক্করে আমরা আসল বিপদটা দেখতেই পাচ্ছি না। একদিকে ওয়াশিংটনের থিংক ট্যাংক, অন্যদিকে বেজিংয়ের নীরব আগ্রাসন—দুটি মহাশক্তিই একটা বিষয়ে একমত: ভারতকে ... ...