বলতে পারো ছিঁড়তে পারো মারতে পারো আমায়আকাশ লিখে নামিয়ে দেবো দুরন্তসহনায় জানতে পারো ডাকতে পারো ছাড়তে পারো আমায়ভুল হবে না কোনওমতেই তারার প্রতীক গোনায় ছাড়তে পারো ফিরতে পারো মারতে পারো আমায়তোমার সঙ্গে আমার যেমন দূরত্বকে মানায়
শোনো প্রেমিক হও, বান্ধবীদের আগলে রাখো। ভালোবাসো। ভুলেও তোমার নিজের সঙ্গে গোপন কথোপকথন, প্রকাশ কোরো না খুব বৃষ্টিদিনে।তার চাইতে এসো, বরং আমরা দেখা করি। বন্ধু হই, ভালবাসি–আর শোক করা ছেড়ে দিয়ে রাতের অপেক্ষায় থাকি। তারাদের কোনও অভিমান-অভিযোগ নেই।কেন তুমি জীবনকে ভালবাসছ না? উত্তর যদি থাকে, আমাকে A4 সাইজের পেজে লিখে কবিতার ঠিকানায় পাঠিয়ে দাও। দেখে নেবো। ... ...
ডি এন এ বারকোড ও ককরোচ আখ্যান। এই মুহূর্তে ভারতের রাজনৈতিক নাগরিক সমাজ এক পতঙ্গের ডাকাডাকিতে যারপরনাই আলোড়িত। হ্যাঁ,ঠিকই আন্দাজ করিয়াছেন। আমি ককরোচ ওরফে আরশোলা ওরফে তেলাপোকা বা তেলাচোরার কথা বলিতেছি। অবশ্য রাজনীতি লইয়া সামান্য বাক্য ব্যয়ের অভিপ্রায় আমার নাই। আমি যাহা বলিব তাহা একান্তই ককরোচ তথা আরশোলা নামক পতঙ্গ বিষয়ক কথাবার্তা হইবে।খুব সম্প্রতি ভারতীয় প্রাণী সর্বেক্ষণ বিভাগ এবং অধ্যাপক রামকৃষ্ণ মোর কলেজ যৌথ উদ্যোগে ভারতের উপদ্বীপের আবাসিক ককরোচ তথা আরশোলাদের ডি এন এ বারকোড পরিচিতি লাইব্রেরি উদ্ঘাটন করিয়াছেন। তাহাদের দাবি এই ধরনের প্রয়াস ভারতে কেবলমাত্র প্রথম নহে, সর্ববৃহৎও বটে। আমাদের ভারতবর্ষে ১৯১ প্রজাতির আরশোলার দেখা মেলে। ইহাদের মধ্যে ১১৯ প্রজাতির আরশোলা ... ...
আগের পর্বগুলো জানতে এখানে পড়ুন। পর্ব ১, পর্ব ২, পর্ব ৩, পর্ব ৪, পর্ব ৫, পর্ব ৬, পর্ব ৭, পর্ব ৮, পর্ব ৯, পর্ব ১০।
৭৯ BCE, ইয়ানাইয়ের জীবনে একদিনের দিনলিপি আমি আলেক্সান্ডার ইয়ানাই, হাসমোনিয়ান ম্যাকাবি বংশের দিগ্বিজয়ী সম্রাট আজকে লিখছি | আমার জীবনের আর কতদিন বাকি আছে জানিনা কিন্তু আজ কিছু কথা লিখে যেতে ইচ্ছে করছে | সালোমে আর আমাদের দুই ছেলের হাত ধরে আমরা তো ফিরে এলাম জেরুসালেমে | সালোমে আমাকে বললো যে আমাকে ফারিসীদের সঙ্গে সব বিবাদ ঝামেলা মিটিয়ে ফেলতে | ও তো এটাও বললো যে ভালো হয় ভুলে গেলে যে ফারিসিরাই জুডাতে ডেকে এনেছিলো ওই ... ...
চুমুরোগে ভাবনারা কিলবিলআয়নাও ঘড়িমোহে মশগুলআমি যদি ভাল থাকি তোর কী?জানি আমি সবকিছু তোর ভুল ভালোটালো বাসা নিয়ে ব্যথা নেইনা ভালো বাসাই আজ বন্ধুতোকে দিয়ে যাব আমি সব দোষজানি আমি সবকিছু তোর ভুল
মিথ ভেঙে দিতে এলাম ক্ষমতা নিয়েএখন আমরা রক্ত চুষব তোমারমারের বদলা শোধ হবে মার দিয়েহিন্দুধর্ম তোমার, আমার, সবার... আজকে হয়তো বেঁচে গেছো কোনওভাবে...কালকে তোমাকে মেরে দেবো ঘরে ঢুকে।ক্ষমতা পেয়েছি, দ্বিগুণ ফেরত পাবে–হিন্দুধর্ম, হিন্দুধর্ম আগে। মিথ ভেঙে দিতে এলাম ক্ষমতা নিয়ে, আমাদের মত আজ থেকে নির্ভুল। জানি না কিছুই, কী করেছ তুমি আগে–হিন্দুধর্মে মানায় না মকবুল। ... ...
পরিবর্তনের জোয়ার : শাসকের কালো হাতলেখক : শংকর হালদার শৈলবালারচনাকাল : ৩১ মে, ২০২৬ হুগলি জেলার অঞ্চলের এক শান্ত, নিভৃত গ্রাম কান্তপুর। গ্রামটির বুক চিরে পিচঢালা মস্ত বড় প্রধান সড়কটি সোজা চলে গিয়েছে মহকুমা শহরের দিকে। এই সড়কের ধারেই নিজের পৈতৃক ভিটের একফালি জমিতে গত দুই বছর ধরে একটু একটু করে ইট-বালি জমিয়ে নিজের স্বপ্নের বাড়িটি তুলছিল শৈলেন্দ্রনাথ হালদার। রাজ্য সরকারি দপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত এক সামান্য কেরানি সে। চাকুরিজীবনের শেষলগ্নে প্রভিডেন্ট ফান্ড আর গ্র্যাচুইটির যেটুকু সঞ্চয় অবশিষ্ট ছিল, তার শেষবিন্দুটি ঢেলে দিয়ে এই শেষ বয়সে মাথার ওপর একটু পাকা ছাদ গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিল। আজ মে মাসের তপ্ত দুপুরে রাজমিস্ত্রি ভুবন যখন ... ...
ত্রয়োদশ শতাব্দীতে (১২৩৬-১২৪২ খ্রিষ্টাব্দ) চেঙ্গিস খানের উত্তরসূরিদের নেতৃত্বে মঙ্গোলরা যখন ইউরোপে আক্রমণ চালায়, তখন তার পেছনে কোনো একক কারণ ছিল না। এটি ছিল তাদের বিশ্বজয়ের পরিকল্পনা, রাজনৈতিক প্রতিশোধ এবং অর্থনৈতিক কৌশলের একটি জটিল মিশ্রণ। মঙ্গোল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চেঙ্গিস খান বিশ্বাস করতেন যে, তেনগ্রি (আকাশের দেবতা) মঙ্গোলদের সমগ্র পৃথিবী শাসনের অধিকার দিয়েছেন। মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর সন্তানদের সাম্রাজ্য বিস্তারের যে নির্দেশ দিয়ে যান, তাতে "সূর্য যেখানে অস্ত যায়" (অর্থাৎ পশ্চিম দিক) সেই পর্যন্ত ভূখণ্ড জয় করার কথা বলা হয়েছিল। চেঙ্গিস খানের নাতি বাতু খান এবং সেনাপতি সুবুতাই মূলত এই আদেশ বাস্তবায়ন করতেই ইউরোপের দিকে অগ্রসর হন। মঙ্গোলরা যখন মধ্য এশিয়া এবং রাশিয়ার স্তেপ ... ...
এই করতে করতেই, দমদম স্টেশনে হকার উচ্ছেদ। গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে সমস্ত দোকানপাট ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সিপিএম বেশ কয়েকদিন ধরে এটা রুখেছে, কিন্তু আর পারা যায়নি। তবে খুব বড় গোলমাল হয়নি।
আনবি যদি ব্যাগ এনেছি,নামবি যদি খাতা। ভাঙবি যদি মেঘ রেখেছি,উপরি দেবো ছাতা। ঝরবি যদি ঠোঁট পেতেছি,উড়বি যদি পাতা। তোর কাছে চাই স্রোতস্বিনীর–বিরহবারতা।
( ২৪ ) অনিন্দ্যবাবু বললেন, ' হ্যাঁ এস... ' গৌরীবাবু ঘরে ঢুকলেন। শিশিরবিন্দুবাবুর দিকে তাকিয়ে হাতজোড় করে বললেন, ' নমস্কার স্যার ... আমাকে চিনতে পারছেন ? 'শিশিরবাবু বললেন, ' কেন চিনতে পারব না, এখানেই তো দেখা হয়েছে অন্তত দুবার। কেমন আছেন ? '----- ' ভালই আছি স্যার আপনাদের আশীর্বাদে। আপনারা আছেন বলেই আমরা আছি... 'গৌরীশঙ্করবাবু দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। শিশিরবিন্দুবাবু বললেন, ' বসুন না বসুন না... '----- ' হ্যাঁ এই ইয়ে.... ', বলে গৌরীবাবু একটা চেয়ারে বসে পড়লেন। ----- ' আসলে... আপনারা কথাবার্তা বলছেন তাই... ' গৌরীবাবু ... ...
১৯৪৫ সালে, একজন ডাচ চিত্রকরকে হিটলারের সেকেন্ড ইন কমান্ড হেরম্যান গোয়েরিং এর কাছে একটি শিল্পকর্ম বিক্রি করার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়। শাস্তি ছিল মৃত্যুদণ্ড। তবে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে গিয়ে তিনি বলেন যে, চিত্রকর্মটি নকল। চিত্রকরের নাম ছিল হান ভ্যান মিগেরেন। তিনি ছিলেন এমন একজন চিত্রকর যিনি বিখ্যাত হতে চেয়েছিলেন কিন্তু সুযোগ পাচ্ছিলেন না। ছবি সমালোচকরা তার কাজকে ঘৃণা করত। আর্ট গ্যালারিগুলো তাকে উপেক্ষা করত। এমনকি আর্ট সংগ্রাহকরাও তাকে এড়িয়ে যেত। তাই তিনি এমন কিছু আঁকার সিদ্ধান্ত নিলেন যা দেখে তারা মুগ্ধ হতে বাধ্য হবে। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, আরেক বিখ্যাত ডাচ মাস্টার ইয়োহানেস ভার্মিয়ার (Johannes Vermeer) এর জাল ... ...
আমাকে ভাবাতে বৃষ্টি এসেছে, কিন্তু আমি যে ভাবুক নই–মেঘেরা এখনও লুকোতে পারেনি। তবু দোষ দেয় নিন্দুকে...আমাকে ভাবাতে বৃষ্টি এসেছে,আমি খুঁজে যাই অন্ধকে। আহত মানুষ কতদূরে যায়, সেসব তুমি তো শেখাওনি–আমার শেখাও ফুরিয়ে এসেছে, এখন তবে কি আসব না?আহত মানুষ কতদূরে যায়–ভেঙে যাওয়া মন শেখায়নি। আমাকে ভাবাতে বৃষ্টি এসেছে, আমি খুঁজে যাই অন্ধকে...তুমি ভাল থাকো তোমার মতো, আমি বেঁচে আছি তর্কতে! ... ...
ডেভিড ই. হফম্যানের লেখা "দ্য বিলিয়ন ডলার স্পাই" (The Billion Dollar Spy) একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত অত্যন্ত রোমাঞ্চকর গোয়েন্দা কাহিনী। বইটির মূল কাহিনী গড়ে উঠেছে শীতল যুদ্ধ (Cold War) চলাকালীন সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং আমেরিকার সিআইএ-র মধ্যকার এক শ্বাসরুদ্ধকর গোয়েন্দা তৎপরতাকে কেন্দ্র করে। কাহিনীর মূল নায়ক অ্যাডলফ টলকাচেভ (Adolf Tolkachev) যিনি পেশায় ছিলেন একজন সোভিয়েত সামরিক প্রকৌশলী এবং রাডার বিশেষজ্ঞ। তিনি মস্কোর একটি গোপন সামরিক গবেষণা ইনস্টিটিউটে কাজ করতেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা এবং দমন পীড়নের প্রতি তীব্র ক্ষোভ থেকে তিনি আমেরিকার পক্ষে গোয়েন্দাগিরি করার সিদ্ধান্ত নেন। মস্কোতে সিআইএ-র জন্য কাজ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, কারণ সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা 'কেজিবি' (KGB) ... ...
এ পথে বহুদিন আসো না...আমাকে বুঝি ভালবাসো না?বিপদে খোঁজ নেই তোমারও...আমিও কাজে থাকি সারাদিন...কবিতা আসে যায়, কাটে দিন। তোমাকে মনে নেই আমারও...কীভাবে বিখ্যাত হতে হয়...কবিতা লেখা মানে অভিনয়!তবুও তোমাকেই লিখি রোজ...পাখিরা মন নিয়ে ভাবে না...আমার সবটুকু তুমি না। অথচ তুমি আছো পাশে রোজ...