ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। প্রথমে এটি ছিল একটি ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন উদ্যোগ, কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তা তরুণদের ক্ষোভ ও রাজনৈতিক অসন্তোষের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর ‘তেলাপোকা’ ও ‘পরজীবী’ মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়ার পরই এই আন্দোলনের উত্থান। খবরে প্রকাশ, মূলত যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য স্নাতক অভিজিৎ দীপকের একটি ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট থেকেই সিজেপির সূচনা। তবে খুব দ্রুত এটি অনলাইন মিমের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাজনৈতিক ভাষ্যে জায়গা করে নেয়। বিশেষ করে ভারতের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বেকারত্ব, মূল্যস্ফীতি, আয়বৈষম্য ও অনিশ্চয়তা নিয়ে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, সিজেপি সেই হতাশার প্রতীক হয়ে ... ...
প্রাচীন রোমান সাম্রাজ্য চীন ও ভারতীয় উপমহাদেশের সাথে নিয়মিত বাণিজ্য করতো। যে পথে এই বাণিজ্য হতো সেটাই সিল্ক রোড নামে পরিচিত ছিল। এই রূট ধরে চীনা ও ভারতীয় পণ্য মধ্যপ্রাচ্য হয়ে ইউরোপের বাজারে পৌঁছে যেত।.দ্বাদশ শতকের দিকে ওসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্থান হলে তারা ধীরে ধীরে রোমান ও মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল গুলি জয় করে নেয়। এর ফলে ইউরোপ সম্পূর্ণরূপে সিল্ক রোড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।.এত বড় বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ইউরোপিয়ানদের মাথা খারাপ হয়ে যায়। তারা বিকল্প রূটের সন্ধানে দলে দলে সমুদ্রে বেরিয়ে পড়ে। মূলত এই উদ্যোগের ফলেই ভাস্কো দা গামা ভারতে যাওয়ার ও কলম্বাস আমেরিকা যাওয়ার সমুদ্র পথ আবিষ্কার করেন।.যে উসমানীয় ... ...
আমি বসে আছি প্রাসাদের সবচেয়ে উঁচু কক্ষে, যেখানে রাজা বসতেন সিংহাসনে, এখন সিংহাসন খালি, তার গায়ে ধুলো, মাকড়সার জাল, আর আমি মেঝেতে বসে, পা ছড়িয়ে, হাতে একটি একটি শিরার টুকরো, যা আমি কেটে রেখেছিলাম আমার শেষ শিকারের গলা থেকে, এখন তা শুকিয়ে গেছে, কালো, শক্ত, আমি তা ঘোরাই আঙুলে, যেন এটি একটি আংটি, একটি অলংকার, একটি স্মৃতিচিহ্ন। আমি পৌঁছে যাই পাহাড়ের গোড়ায়। পাহাড় উঁচু, কালো, যেন আগ্নেয়গিরির ছাই জমে জমে তৈরি হয়েছে, যেন কোনো এক প্রাচীন যুদ্ধের দানবের দেহ, যে মরে গেছে, কিন্তু তার দেহ পচে না, শুধু দাঁড়িয়ে আছে, সাক্ষী হয়ে, ইতিহাসের সাক্ষী, যন্ত্রণার সাক্ষী, আমার সাক্ষী। আমি উঠতে শুরু ... ...
( ২৩ ) ভোটের খেলায় শুধু দুটো দলেই টক্কর চলছিল। বাকিরা আছে শুধু ভোট কাটাকুটির খেলায়। সেটাও বেলা এগারোটা পর্যন্ত। তারপর দেবাশিসের কথামতো হাওয়ায় টান লাগল সড়সড় করে। ঘূর্ণি পাকিয়ে উঠতে লাগল আচমকা। হাওয়া ঘুরে যেতে লাগল অস্থির দ্রুততায়। তারপর ভর দুপুরে, বেলা দুটো নাগাদ জনমতের প্রবল সাইক্লোন ধেয়ে এসে চুরমার করে ভাসিয়ে নিয়ে গেল রাজ্য শাসন করা দলের সাধের ইমারত আর সাজানো বাগান। টিভি চ্যানেলের ... ...
আবেগ বনাম বিচার।রামিসার রক্তমাখা ছিন্ন মস্তকের ছবি টা আমিও খুব বেশীক্ষণ দেখার শক্তি ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। বুকের ভিতর কাল থেকে একটা অস্পষ্ট ব্যাথা আমিও অনুভব করেছি। ফেচবুকে বারবার তার নিস্পাপ মুখের ছবি টা দেখে দেখে ক্লান্ত হয়েছি। সারা বাংলাদেশ কাল খিপ্প আর বেদনায় ভুগেছে। আসলেই তো এতো নির্মমতা মানুষের পক্ষে সহ্য করা যায় না। দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ, অভিমানে মানুষ খিপ্ত হয়ে উঠে যায় এভাবে প্রতিটি ঘটনায়। এই তো হাদীর ঘটনা। সময়ের পরিক্রমায় অনুভূতি ভোতা হয়ে আসছে। এখনো তার বিচার শুরু করা যায় নি। আবার আসল কথায় আসি। অন্তত আইনের ছাত্র হিসেবে আমাদের আবেগের চেয়ে বাস্তবতা আর আইনের সীমাবদ্ধতা ... ...
১৯৪৩ সালের জুলাই মাসে ইতালির একনায়ক এবং হিটলারের পরম মিত্র বেনিতো মুসোলিনি ক্ষমতাচ্যুত হন। এর পরপরই ইতালি অক্ষশক্তি ত্যাগ করে মিত্রপক্ষের সাথে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। এই ঘটনায় হিটলার প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন এবং জার্মান বাহিনীকে ইতালি ও রোম দখলের নির্দেশ দেন। একই সময়ে হিটলারের মনে সন্দেহ দানা বাঁধে যে, ভ্যাটিকান এবং পোপ দ্বাদশ পিউস গোপনে মিত্রবাহিনী এবং ইতালির রাজপরিবারকে সাহায্য করছেন। এছাড়া পোপের ইহুদিদের প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাবও নাৎসিদের পছন্দ ছিল না। হিটলার ইতালিতে নিযুক্ত তৎকালীন এসএস (SS) জেনারেল কার্ল উলফকে (Karl Wolff) একটি অতি গোপন মিশন পরিচালনার মৌখিক নির্দেশ দেন। হিটলারের পরিকল্পনাটি ছিল পোপ দ্বাদশ পিউস এবং ভ্যাটিকানের শীর্ষ কার্ডিনালদের বন্দি করে উত্তর ... ...
Whatever is against the establishment I instantly fall in love with it. I cannot help it. এটি আমার মুদ্রাদোষ বলতে পারেন। স্রোতের প্রতিকূলে যা তা আমার বড়ই সুস্বাদু লাগে। এই সময়ে রাষ্ট্র-কর্পোরেট-মিডিয়ার ত্রিবেণী সঙ্গমে গড়ে ওঠা রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে 'বসন্তের বজ্রনির্ঘোষ' নাটকটি বেশ জোরালো এক কণ্ঠস্বর বলে মনে হয়েছে। মূলতঃ কমরেড চারু মজুমদারের রাজনৈতিক জীবন, নক্সালবাড়ি আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলন, তাঁর আদর্শে নতুন করে ... ...
খবরে প্রকাশ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিং তাঁর মেয়াদের দশ বছরে মোট ১১৭ বার সরাসরি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিভিন্ন সাংবাদিক সম্মেলনে। যেখানে বেশির ভাগ সময়েই তিনি সাংবাদিকদের করা তাৎক্ষণিক প্রশ্নগুলির সরাসরি উত্তর দিয়েছিলেন। আগে থেকে স্ক্রিপটেড উত্তর নয়। এর বিপ্রতীপে গত বারো বছরে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একটিও সাংবাদিক সম্মেলনের মুখোমুখি হননি। দেশের হেভিওয়েট সাংবাদিকরা একাধিকবার তাঁকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়ার চ্যালেঞ্জ জানালেও তিনি সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেননি। বস্তুত টেলিপ্রম্পটার ছাড়া যিনি ভাষণই দিতে সক্ষম নন, তাঁর পক্ষে কি করে সরাসরি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হওয়া সম্ভব। হ্যাঁ, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তিনি একবার বিশিষ্ট সাংবাদিক করণ থাপারের মুখোমুখি বসেছিলেন। সাংবাদিকের প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে গিয়ে ভয়ে ... ...
হিন্দুত্ব - বিজেপি স্টাইল, বা বলা ভালো আরএসএস স্টাইল - বাস্তবে কী জিনিস তাই নিয়ে আগে লিখে ফেলেছি। তবে এই হিন্দুত্ব কখনওই সম্পূর্ণ হবে না যতক্ষণ না ইতিহাসকে নতুন করে লেখা হবে। একশো কোটি হিন্দুকে টুপি পরাতে গেলে তো সেইটা লাগবে, হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটিতে যে ইতিহাস পড়ানো হবে, প্রমোট করা হবে, তো সেইটা একটু বলা দরকার। এই সিরিজে এইটাই শেষ লেখা। আরএসএসের কাছে ইতিহাস প্রমাণ বা যুক্তিনির্ভর বিষয় নয়। কোনোদিনই ছিল না। ইতিহাস ওদের অস্ত্র, আর এটা শুধু আরএসএস বলে নয়, পৃথিবীর যে কোনও স্বৈরতান্ত্রিক শক্তির ক্ষেত্রেই সত্যি। অরওয়েলের ১৯৮৪ যদি পড়ে থাকেন (না পড়ে থাকলে অবশ্যই পড়বেন) সেখানে দেখবেন একটা কথা ... ...
বাসায় এবারো অলকানন্দা আর মুসান্ডা ফুটেছে। সময় এসেছে তাই ফুটেছে। অথচ তারা জানেনা কবে হৃদয়ে ফুল ভালো লাগে, কখন অসুন্দর। ফুল ফোটার রুটিন আছে,ভালো থাকার না আছে দিনক্ষণ।
মানুষমুহাম্মদ ফজলুল হক নরম কিছুর স্পর্শে আমার চেতনা ফিরতে শুরু করে। গায়ে পোকামাকড় হাঁটার সুড়সুড়ি অনুভূত হয়। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়ে আসে। মনে হলো মুখে কেউ মধু ঢেলে দিয়েছে। মধু পান করে শরীরে শক্তি ফিরে এসেছে। চারপাশে তাকিয়ে ভয়ে শরীর কাঁপতে শুরু করে। নানা প্রকারের জন্তু-জানোয়ার আমাকে ঘিরে রেখেছে। আমি ধীরে ধীরে উপলব্ধি করি, তাদের চোখে-মুখে কোনো হিংস্রতা নেই, বরং সহানুভূতি ভাসছে। আশ্চর্যের বিষয়, আমি তাদের ভাষা বুঝতে পারছি।আমাকে অবাক করে একটি মৌমাছি কানের কাছে এসে বলল, "ভয়ের কিছু নেই। তুমি সুস্থ হয়ে উঠেছ। তোমার মুখে মধু দেওয়া হয়েছে, ক্ষতস্থানে ব্যথানাশক লাগানো হয়েছে।"নিজের কানকে বিশ্বাস হচ্ছে না। আমি কি বেঁচে আছি? মৌমাছির ... ...
তারপরে একদিন আলো এলো। অন্ধকার ভেসে যাচ্ছিল মাঠের সবুজজন্মের আকাঙ্ক্ষায়। মেঘ আসছিল। বহুবার পঠিত এক ভালোবাসা, আমাদের বারান্দায় রোদ্দুর হ'য়ে ফুটছিল। মেঘ আসছিল। শ্রীমল্লার জানতো, ভাবনা নিজের অহংকার। আর বাতাস অপরের মৌনবিচ্ছেদ। এর বেশি কিচ্ছু নেই। গতি নেই। নেই। নেই। নেই।
আগের পর্বগুলো জানতে এখানে পড়ুন। পর্ব ১, পর্ব ২, পর্ব ৩, পর্ব ৪, পর্ব ৫, পর্ব ৬, পর্ব ৭, পর্ব ৮ , পর্ব ৯ । জেরুসালেম ৮০ BCE, অ্যান্টিপেটার এর দিনলিপি ভীষণ কঠিন দিন আসছে আমাদের সামনে | জানিনা কি হতে যাচ্ছে | ফারিসীদের বিদ্রোহ কয়েক বছর আগে কঠোর ভাবে দমন করা হয়েছিলো | আমি নিজেও সাহায্য করেছিলাম তখন সম্রাট ইয়ানাইকে | কিন্তু ফারিসীরা এখন একটা এমন চাল দিয়েছে যার জন্যে আমি একেবারেই প্রস্তুত ছিলামনা | আমরা ইদুমীয়রা যারা কয়েক বছর আগে ইহুদি হয়েছি সুন্নত করে তারা জুডার সাধারণ ইহুদীদের থেকে উপেক্ষা, অবিশ্বাস আর ঘৃণা পেয়ে অভ্যস্ত, এখন আমরা সবসময়েই চাই বা না চাই এই ... ...
একবিংশ শতাব্দীতে এসে জ্বালানি তেলের মতোই আরেকটি উপাদান বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি ও অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করছে, আর সেটি হলো ‘সেমিকন্ডাক্টর’ বা মাইক্রোচিপ। আমাদের হাতের স্মার্টফোন থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), আধুনিক যুদ্ধ বিমান, হাইস্পিড ট্রেন, স্মার্ট কার কিংবা চিকিৎসা সরঞ্জাম—সবকিছুর মগজ হিসেবে কাজ করে এই চিপ। আর এই চিপ উৎপাদনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পূর্ব এশিয়ার একটি ছোট্ট দ্বীপ রাষ্ট্র—তাইওয়ান। বর্তমান বিশ্বে তাইওয়ানের মাইক্রোচিপ ইন্ডাস্ট্রির গুরুত্ব কেবল অর্থনৈতিক নয়, বরং তা কৌশলগত ও ভূ-রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল। চিপ ডিজাইনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য দেশ এগিয়ে থাকলেও, সেই ডিজাইনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার অর্থাৎ চিপ তৈরির (Manufacturing) মূল কাজটি হয় তাইওয়ানে। তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় চিপ প্রস্তুতকারক কোম্পানি হলো 'তাইওয়ান ... ...
গণনা শুরু করি। আঙুলে নয়, দাঁতে, প্রতিটি কামড়ের সাথে একটি সংখ্যা জুড়ে দিই, যেন আমি জপমালা গুনছি, যেন আমি তপস্যা করছি, যেন আমি প্রার্থনা করছি, কিন্তু প্রার্থনা কার কাছে? দেবতা যারা দেখেছিল, শুনেছিল, হেসেছিল, চুপ ছিল, তাদের কাছে? না, তারা আমার চেয়েও শূন্য, তারা আমার চেয়েও মৃত, তারা আমার চেয়েও বেশি রক্তচোষা, কারণ তারা চুষেছে ভক্তের রক্ত, খেয়েছে বলির মাংস, পুড়িয়েছে যজ্ঞের আগুন, আর বলেছে, “এটা ধর্ম, এটা ন্যায়, এটা তোমার কর্তব্য।” আমি তাদের কর্তব্য খেয়ে ফেলেছি, তাদের ধর্ম গিলে ফেলেছি, তাদের ন্যায় চিবিয়ে থুতু দিয়েছি, এখন আমার দাঁতে লেগে আছে দেবতার মাংসের আঁশ, সেই আঁশ ছাড়াতে চাটছি জিভ দিয়ে, ... ...
প্রকাশ থেকে প্রকাশ শুধুই হিড়িকবাচালতায় ধ্বংস মনোরমাতোমার মধ্যে লুকিয়ে আছে যে বিষ–আজ থেকে সব নিজের মধ্যে নিলাম... ভাল লাগার অন্য মানে খুঁজে,অবাক হ’য়ে নীরব সেজে ফিরো...তোমার মধ্যে লুকিয়ে আছে যে বিষ—আমায় তুমি গ্রহণ করতে দিও!
যে কথাটা কালও বলেছিলাম — ফাইনাল লড়াইয়ের সময় এসে গেছে। সেখানে আপনাকে জানতে হবে আপনার শত্রু কে।আরএসএসের মতাদর্শ নিয়ে কথা বলব, অথচ মেয়েদের সম্পর্কে মনুবাদী সঙ্ঘ পরিবারের ধ্যানধারণার কথা বলব না তা তো হয় না। বিশেষ করে রেপিস্টদের ফুল মালা দিয়ে বরণ করাটা যাদের নিত্যনৈমিত্তিক কাজ তারা সেই বিজেপি তিলোত্তমার বিচার দেবে বলে দাবী করে, নারী সুরক্ষা নিয়ে বাণী দেয় তখন বাস্তবটা সামনে আনতেই হয়। তো তাই, হিন্দুত্ব আখ্যান তৈরী সিরিজে এবারে রইলো —সঙ্ঘ পরিবারের নারীপ্রতিমা নির্মাণের কিস্সাখুব বেশিদিন আগের ঘটনা নয়, কাজেই আপনাদের মনে আছে আশা করি, ভারতের সেরা মহিলা কুস্তিগীরদের কথা; কেউ অলিম্পিকে পদকজয়ী, কেউ বা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, তারা ... ...
বর্তমান জাহাজ নির্মাণ শিল্পে চীনের আধিপত্য এখন একচেটিয়া পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, দেশটি বিশ্বের বৃহত্তম জাহাজ নির্মাণকারী দেশ হিসেবে নিজের অবস্থানকে আরও সুসংহত করেছে। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের (Q1) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববাজারে চীনের আধিপত্য অবিশ্বাস্য। বিশ্বজুড়ে দেওয়া মোট নতুন জাহাজ অর্ডারের প্রায় ৮৪.৯% একাই দখল করেছে চীন। বিশ্বের মোট জাহাজ উৎপাদনের প্রায় ৫৭.৩% এখন চীনের ইয়ার্ডগুলো থেকে আসছে। বর্তমানে বিশ্বের মোট অর্ডারের প্রায় ৭০% চীনের কাছে জমা রয়েছে, যা অনেক শিপইয়ার্ডকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ব্যস্ত রাখবে। চীন এখন কেবল সাধারণ বাল্ক ক্যারিয়ার বা ছোট জাহাজ নয়, বরং জটিল ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ নির্মাণেও নেতৃত্ব দিচ্ছে। ২০২৬ সালে চীনের নেওয়া নতুন অর্ডারের একটি ... ...
.রিফ্লাক্স, রিয়ালিটি চেক ও মেটামরফসিস: ২০২৬-এর হাইপার-রিয়েল জেন-জি-র চোখে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় অয়ন মুখোপাধ্যায় আমরা যারা চব্বিশ ঘণ্টা স্ক্রিন-টাইম, রিলসের ডোপামিন আর ক্যাপিটালিজমের অ্যাংস্টের ভেতর বেঁচে আছি, আমাদের কাছে মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনো লাইব্রেরির আলমারিতে বন্দি ধুলোপড়া ক্ল্যাসিক নন। বরং তিনি হলেন সেই আলটিমেট 'সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার', যা আমাদের প্রতিদিনের সাজানো প্রিটেক্সট আর সাবটেক্সটের মাঝখানের দেওয়ালটা ভেঙে দেয়। আমরা যখন অস্তিত্ববাদ নিয়ে লড়ছি, ঠিক তখনই মানিক আমাদের পিঠের চামড়াটা ছাড়িয়ে হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলেন, "এই নাও তোমার আসল রিয়ালিটি।" আজকের হাইপার-ডিজিটাল আর তীব্র বিচ্ছিন্নতার সময়ে দাঁড়িয়ে মানিক কেন আমাদের ব্যক্তিগত যাপনের সবচেয়ে বড় ইনসাইট, সেটা বুঝতে গেলে তাঁর লেখার ভেতরে একটু অন্যভাবে ডুব দেওয়া দরকার। ১. দ্য ... ...
স্বপ্ন ভাঙ্গার যন্ত্রনা নিয়ে প্রজাপতি আজ 'ককরোচ'! লক্ষ লক্ষ প্রজাপতি লড়ে নতুন দিশার সন্ধানে !কবে যে কাটবে আপোষ আর সঙ্কোচ! -কবে যে উঠবে নতুন সূর্য এ গহন অরণ্যে!?