ডেভিড ই. হফম্যানের লেখা "দ্য বিলিয়ন ডলার স্পাই" (The Billion Dollar Spy) একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে রচিত অত্যন্ত রোমাঞ্চকর গোয়েন্দা কাহিনী। বইটির মূল কাহিনী গড়ে উঠেছে শীতল যুদ্ধ (Cold War) চলাকালীন সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং আমেরিকার সিআইএ-র মধ্যকার এক শ্বাসরুদ্ধকর গোয়েন্দা তৎপরতাকে কেন্দ্র করে। কাহিনীর মূল নায়ক অ্যাডলফ টলকাচেভ (Adolf Tolkachev) যিনি পেশায় ছিলেন একজন সোভিয়েত সামরিক প্রকৌশলী এবং রাডার বিশেষজ্ঞ। তিনি মস্কোর একটি গোপন সামরিক গবেষণা ইনস্টিটিউটে কাজ করতেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট শাসনব্যবস্থা এবং দমন পীড়নের প্রতি তীব্র ক্ষোভ থেকে তিনি আমেরিকার পক্ষে গোয়েন্দাগিরি করার সিদ্ধান্ত নেন। মস্কোতে সিআইএ-র জন্য কাজ করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ছিল, কারণ সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা 'কেজিবি' (KGB) ... ...
এ পথে বহুদিন আসো না...আমাকে বুঝি ভালবাসো না?বিপদে খোঁজ নেই তোমারও...আমিও কাজে থাকি সারাদিন...কবিতা আসে যায়, কাটে দিন। তোমাকে মনে নেই আমারও...কীভাবে বিখ্যাত হতে হয়...কবিতা লেখা মানে অভিনয়!তবুও তোমাকেই লিখি রোজ...পাখিরা মন নিয়ে ভাবে না...আমার সবটুকু তুমি না। অথচ তুমি আছো পাশে রোজ...
ভেবেছিলাম তোমার কাছে খুলে বললে অনেককিছুআমার আকাশ কমবে এবং ঝড়ের মতো ঝুঁকব নীচু ভেবেছিলাম তোমার কাছে খুলে বললে অনেককিছুবাঁচতে হবে সুবিধে আর মৃত্যু নিয়ে ভাবব কিছু ভেবেছিলাম তোমার কাছে খুলে বললে অনেককিছুবয়স্ক এই স্বভাব ছেড়ে তরুণ হ’তে পারব কিছু ভেবেছিলাম তোমার কাছে খুলে বললে অনেককিছুহাসতে হাসতে বদলে যাব জলের দিকে আকাশ নীচু ভেবেছিলাম তোমার কাছে খুলে বললে অনেককিছুলুকিয়ে রাখা জীবন দেখে নিজেই হবো অবাক কিছু ... ...
তোর পাশ দিয়ে হেঁটে যাব আমি কাব্যকে রেখে পাহারায়তুই একা হ’লে তোর পাশে আজ আমি ছাড়া বল কে দাঁড়ায়?কাব্যের পাশে হেঁটে যাব আমি তোকে রেখে দিয়ে পাহারায়তোর পাশ দিয়ে হেঁটে যাব আমি কাব্যকে রেখে পাহারায়মন যদি চায় এই শেষবার ফিরে এলে তুই ফিরে আয়কাব্যের পাশে ব্যাকআপ হিসেবে তোকে আমি আজ কাছে চাইতোর পাশ দিয়ে হেঁটে যাব আমি কাব্যকে রেখে পাহারায়সহজে যদি না কাব্যকে পাই, বন্ধু হিসেবে তোকে চাইতোর মতো আমি এখনও জানি না আসলে আমার কাকে চাই ... ...
যাই প্রথমে কাবুলের পতিতালয়ে, যেখানে কাঁধের ওপর বোরকা, নিচে খোলা পা, চোখে কাজল, ঠোঁটে হাসি, হাতে চুড়ি, পায়ে ঘুঙুর। আমি সেখানে প্রবেশ করি রাতের আঁধারে, আমার গায়ে কালো পোশাক, মুখে নকল দাগ, যেন আমিও এক পতিতা, যেন আমিও বিক্রি করি মাংস, কিন্তু আমি বিক্রি করি না, আমি কিনি, আমি কিনি রক্ত, আমি কিনি ব্যথা, আমি কিনি সেই ক্ষতের গন্ধ, যে গন্ধ হয়তো তাকে নিয়ে আসবে, যে গন্ধ হয়তো তাকে টেনে আনবে আমার দিকে, যেমন চুম্বক টানে লোহা, যেমন আগুন টানে পতঙ্গ, যেমন মৃত্যু টানে জীবিতকে।কাবুলের ঘরগুলো সরু, দেয়াল ইটের, মেঝে কাদামাটি, বাতাসে গোলাপের গন্ধ মেশানো ঘর্মের দুর্গন্ধ। আমি বসি এক ... ...
সারা ভারতেই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের তরফে বহু বছর ধরে অভিযোগ জানানো হচ্ছে। এসআইআর পরবর্তী পর্যায়ে এইসব অভিযোগের যথার্থতা আরও প্রকট। কিন্তু এ পর্যায়ে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাফল্য কতটা হিন্দু মেরুকরণ আর কতটা তৃণমূলের স্বৈরতান্ত্রিক অপশাসনের ফলাফল সেটাও আলোচনার বিষয় আর তার অনুমান এখনই করা যাবে না। তবে অনুমান নির্ভর অনেক কথার পর একটা কথা পরিস্কার যে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক ময়দানে তৃণমূল হাওয়া। আমি নিজে ডায়মন্ড মাফিয়া চক্র অভিষেকের যুব তৃণমূলের এলাকায় থাকি। দূর থেকে বসে বুঝতেই পারা যাবে না ... ...
১বাতাস সফল আজও, আবেগে গহন–কিছুটা সে খোলাখুলি, কিছুটা গোপন... ২তোমাকে বিশ্বাস নেই, কী করতে কী করো–পাতলা স্বভাব আর বুদ্ধিতে গাঢ়... ৩উপকারী প্রজাপতি, অবসাদে ঝোঁক—দ্বন্দ্ব কাটিয়ে উড়ে তার ভাল হোক... ৪বাতাসে ফুটেছে মধু, কী দারুণ স্বাদ–পাখির শহরে আজও জীবিকা প্রবাদ... ৫মেরে ফ্যালো একেবারে, বাঁচিয়ে কী লাভ?—মিছি মিছি ভাল লাগে হঠাৎ বিলাপ। ৬আলোচনা হতে হতে নীচে নেমে গেছি,যেভাবে বাঁচিয়ে রাখো, সেভাবেই বাঁচি। আনন্দ আজ আর কোনও নির্ভরতা নয়বন্ধু ছাড়া একা থাকাই ভালআবার যদি মনটা খারাপ হয়নিজের মতো খুঁজব তখন আলোআজ আমিও বেরিয়ে পড়েছিযেখান থেকে যায় না ফেরা আরঅনেক শেষে এবার বুঝেছিআমার হাতেও পাহাড় মোছার দাগতর্কহিংসাদ্বন্দ্ব এবং সব—সঙ্গে থাকলে লাগছে বেমানানআজ আমিও বেরিয়ে পড়েছিযেখান থেকে যায় না ফেরা আর... ... ...
১২৩৬ থেকে ১২৪২ সালের মধ্যে মঙ্গোলরা যখন রাশিয়া (তৎকালীন Kievan Rus) আক্রমণ ও জয় করে, তখন তারা এমন কিছু সামরিক কৌশল ও প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিল যা সেই সময়ের ইউরোপীয়দের ভাবনারও বাইরে ছিল। কিয়েভান রাস কোনো একক শক্তিশালী রাষ্ট্র ছিল না, বরং ছোট ছোট স্বাধীন রাজ্যে বিভক্ত ছিল।সাধারণত সামরিক ইতিহাসে দেখা যায় যে রাশিয়ার তীব্র শীতের কারণে নেপোলিয়ন বা হিটলারের মতো বড় বড় সম্রাটরা পরাস্ত হয়েছেন। কিন্তু মঙ্গোলরা ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। তারা ইচ্ছাকৃতভাবে শীতকালকে তাদের আক্রমণের প্রধান সময় হিসেবে বেছে নেয়। রাশিয়ার ঘন জঙ্গল এবং কাদাভর্তি রাস্তা দিয়ে গ্রীষ্মকালে চলাচল করা কঠিন ছিল। মঙ্গোলরা শীতকালে যখন নদীগুলো বরফে জমে শক্ত হয়ে যেত, তখন সেই ... ...
ক্ষত। ক্ষত চেনার গন্ধ। যার ঘা শুকায় না, তার ঘামে মেশে পুঁজের গন্ধ, কাঁচা মাংসের গন্ধ, যে গন্ধ আমি চিনি নাকের ছিদ্র ফুলিয়ে, চোখের তারা ফিরিয়ে, জিভের ডগায় তুলে, স্বাদ নিই – লবণাক্ত, তিক্ত, পচা আঙুরের রসের মত, যাতে মিশেছে মৃত্যুর চিনি, বিষের মধু, আর সেই মিষ্টি বিষ আমাকে টানে, আমাকে ডাকে, বলে, “এসো, এসো, এই পথে হাঁটো, এই দরজায় ঠেকো, এই বিছানায় শুয়ো, এই দেহের ভিতর খোঁজো সেই সূত্র, যার শেষে আছে সে, যে অভিশপ্ত, যে চিরন্তন ঘুরে বেড়ায়, যার কপালে ক্ষত, যার ঘা শুকায় না, যেমন শুকায়নি আমার ঘা, যেটা তাকে দেওয়া তীর ছুঁড়েছিল, যে তীর আমার বুকে ... ...
নো
রামিসার জন্য এখনো লজ্জিত বাংলাদেশ। গতকাল একটা বিষয় নিয়ে কিছুটা খটকা লাগলো আমার কাছে। আইনজীবী বিধায় স্বভাবগত ভাবে আইনের বিষয়গুলো মাথায় আসে। কারণ এর সাথে আইনী প্রশ্ন আর রাস্ট্রের অধিকর্তা অর্থাৎ রাজার আদেশ সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে। হেড অব দা স্টেট বলতে প্রধানমন্ত্রীকেই আমরা বর্তমান গনতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় বুঝতে পারি। সেক্ষেত্রে আইনের রক্ষক ও প্রজাদের রক্ষার সর্বোচ্চ দায়িত্ব, ও কল্যান তাহার উপর অর্পিত। আমরা যদি সংবিধানের দিকে খেয়াল করি ... ...
অনেক দিনের বসতবাড়ি রঙ চটেছে তাই মানুষের যেমন চুল পাকে এও ঠিক তেমনটাই। তা... দেখতে দেখতে কেটে গেল বেশ অনেক বছর সকাল গিয়ে, দুপুর গড়িয়ে শেষ বেলায় সূর্যের উঁকিঝঁকি মাঝে মধ্যে এখনও টের পাই। রাঙিয়ে মন দোলায় তখন স্মৃতির পাতার বৃষ্টি দাঁড়িয়ে এখনও সেই দুজনে ঠোঁটের স্পর্শে রোমাঞ্চ লেহনে জলছবিটা তেমনি ... ...
ঝড় আনে বিরক্তি আর কোনও অভিযোগ নেইতোমরা এখনও কেন বিচ্ছেদে বিশ্বাস রাখো?বলো আজ শুনি আজ কাজ নেই নেই মানে নেইবাতাসকে গুপ্তচর ভেবে আটক করেছি আমি মিছিলের ইশারায়, দ্যাখোএই পরাবাস্তব হাওয়াদের ছিঁড়ে আনো মুক্তপ্রেমসাজাও ধরণী আজ জটিলেসহজের উপাসনা ব্যর্থ তাওসময়ের চোর সেজে ধরা প’ড়ে যাওয়া মানে মৃত্যুকেই অবহেলা করাভুলে যাও কেউ নেইছিল নেই তাই নেই শোনো স্রোত, তোমার আশঙ্কায় ফোটে ফুলগাছ হই আমি অন্ধকার বাবা আমার মায়ের আরেকটু কাছে স’রে আসেভয় হয়ঘুমোতে যাওয়ার আগে মুখোশের আড়াল থেকে মৃত কোনও শহর আজ বেরিয়ে আমার কাছে আসে যদিতখন কী করববলার তো কেউ নেইআজ শুধু ভাবনা ফোটেদু’হাজার ছাব্বিশ সালে নতুন কোনও কবিতার জন্ম হ’তে পারেকবিকে খুঁজতে হবে ... ...
মনে মনে বৃষ্টি পড়েহাওয়া দেয় অল্পভাবনারা ফেরে ঘরেনিয়ে কোনও গল্প চোখে চোখে ছবি ভাসেবৃষ্টি পড়ে অল্পমনে হয় আশেপাশেনেই কোনও গল্প
চতুর্দশ শতাব্দীর মালি সাম্রাজ্যের বিখ্যাত সুলতান মানসা মুসার ধন সম্পদের কথা আমরা সবাই জানি। রাজকীয় বহর নিয়ে মিশর হয়ে হজ্বে যাওয়ার সময় তিনি মিশরে এত সোনা দান করেন যে বহুকাল যাবত মিশরে সোনার দাম কম ছিল। বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ এবং ঐতিহাসিকদের ধারণা অনুযায়ী, বর্তমান সময়ের হিসাবে তাঁর মোট সম্পদের মূল্য আনুমানিক ৪০০ বিলিয়ন (৪০,০০০ কোটি) মার্কিন ডলারের সমকক্ষ ছিল। এখন মনে প্রশ্ন জাগাই স্বাভাবিক, মধ্যযুগে তিনি কিভাবে এত বিপুল সম্পদের অধিকারী হয়েছিলেন? মানসা মুসার সম্পদের সবচেয়ে বড় উৎস ছিল তাঁর সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা অত্যন্ত সমৃদ্ধ স্বর্ণের খনিগুলো (বিশেষ করে বামবুক ও বুরে অঞ্চল)। তৎকালীন মধ্যযুগীয় বিশ্বে ব্যবহৃত স্বর্ণের একটি বিশাল অংশ (প্রায় ... ...
ঘুনপোকা অন্য সব পোকার মতো অতটা খ্যাত নাহ লেও। ঘুনপোকার ক্ষমতা বাংলা বিখ্যাত ভুল একটাই নীরবে কাজ করে চলার দরুন কোনো বিখ্যাত কবি বা লেখকের লেখনীতে ঠাঁই পাইনি। আজ বহুদিন পরে বাসুই বা মই টা খুব কাছ থেকে দেখে ধরতে পারছিলাম, তার ভেতরের কাঠামো র হাল খোকলা বা বেহাল হয়ে আছে। প্রতিকৃয়া বাবত আমি ঘুনপোকাটার নির্মম হত্যা করলাম এবং ভগবান -এর কাছে মার্জনা ... ...
তবে বলছ জন্ম নেই কোনও?হাওয়াও তবে অশ্লীল বেশি?তবে বলছ মৃত্যুটাই আসল?বিপদসীমার ঊর্ধ্বে মেঘের হাসি!তবে বলছ শ্রীমল্লারই ভাল?লিখে ফেলেই বাতিল ক'রে ফ্যালে?কবির কাছে লেখাটাই আসল,নতুন লেখায় ব্যর্থ হওয়ার পরে...
ভারতের গোরক্ষা রাজনীতিকে কেবল ধর্মীয় আবেগের প্রকাশ হিসেবে দেখলে এর রাজনৈতিক অর্থনীতি বোঝা যায় না। এটিকে এক ধরনের market restructuring বা supply-chain consolidation হিসেবেও দেখা যেতে পারে। গরু জবাইকে সামাজিকভাবে stigmatize এবং রাজনৈতিকভাবে criminalize করার ফলে traditional informal meat economy ধীরে ধীরে disincentivized হচ্ছে। ছোট কসাই, স্থানীয় slaughter point, hide trader ও decentralized cattle market regulatory pressure, vigilante violence এবং legal uncertainty-র কারণে market exit করতে বাধ্য হচ্ছে।এর ফলে cattle trade ক্রমশ informal sector থেকে licensed, capital-intensive, vertically integrated corporate network-এর দিকে সরে যাচ্ছে। ছোট খামারিরা গরু পালনের production cost ও maintenance burden বহন করছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত limited market ... ...