আমি ছিলেম তোমার খেলার সাথীতুমি ছিলে দহন অনুভাবকঘুড়ির মতোই এখন আকাশ কাটিসবাই বলে এসব আমার নাটকআমি ছিলেম তোমার খেলার সাথীতুমি ছিলে অন্ধ অনুভাবকআমায় তুমি করতে পারো বাতিলআমরা তবু এই সময়ের চাকর
ছোটবেলার কথা মনে পড়ে। যখন খুব দুষ্টুমি করতাম, ঠাম্মি তখন গুড়ের নাড়ু বের ক’রে আনতো প্রাচীনবয়স্ক সে কোন এক কৌটো থেকে।মা থাকতো দূরে। দূরে মানে কলেজে৷ মা’কে সেভাবে কাছে পাইনি। বাবা তখন আরও ভাল চাকরির নেশায়,আরও ভাল প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই বাবাকেও পাইনি, কাছে। মা কলেজ ছাড়াও নিজের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে সে কী এক ভীষণ ব্যস্ততায় রাখত নিজেকে...! যেমন রাখে, আজও। মায়ের যে নিজের একটা ছেলে আছে, সে কথামা ভুলেই যেত...! হয়তো, হয়তো কেন? আজও ভুলেই থাকে।এতসবের পরে, মা’বাবা যখন ঠোঁটে ঠোঁট রেখেচুমু খায়—আমি তখন আমার রাতের খাবার ফেলে রেখে,চোখ নামিয়ে নিজের ঘরে এসে দরজা বন্ধ ক’রে, আলো নিভিয়ে দিই। আমার ঘরের। মা’বাবা সেদিকে তাকিয়েও দ্যাখে না। ... ...
স্বাস্থ্য সাথী একটা ইন্সুরেন্স স্কিম যার পয়সা সরকার দিত। আয়ুষ্মান ভারতও তাই এসবের ব্যতিরেকেই আর্থিক ভাবে দুর্বল অংশ বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পেতে পারত কিন্তু কংগ্রেস বাম বা তৃণমূল কেউই এটা করেনি। নতুন সরকারের বিভাগীয় মন্ত্রী এক টাকায় জমি দানের প্রসঙ্গ তুলে বেসকারি হাসপাতালে শুধুমাত্র আধার কার্ড দেখিয়েই বিনামূল্যে চিকিৎসার প্রতিশ্রুতি দিলে অবশ্যই তাকে অভিনন্দন জানাবো। আপনারা যারা মূল বিষয়টা বোঝেননি তাঁরাই প্যাঁচাল পাড়ছেন। ... ...
দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্য ও বাংলাদেশ প্রেক্ষিত। দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্য টা কমপক্ষে দশ বার ঘুরে ঘুরে শুনেছি। একজন ঝানু রাজনীতিবিদ ও কুটনৈতিকের বক্তব্য আলাদা করে দেখার চেষ্টা করেছি। কুটনৈতিক একজন ব্যক্তির বক্তব্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভার সম্পন্ন। প্রায় দুই বছর ধরে ভারতের সাথে রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নানা কথা চলিত আছে। সম্প্রতি বিধান সভার নির্বাচন এবং বিজেপির উত্থান বাংলাদেশের জন্য অনেক নতুন হিসাব নিকাশ গড়ে দিচ্ছে। কয়েক দিন ধরে সীমান্তে পুশইনের খবর টাও ভারতীয় মিডিয়া ফলাও করে প্রচারণা চালাচ্ছে। বাংলাদেশের মিডিয়া ও কম যায়নি। হঠাৎ করে বিডিআর এর সাহসী আর দেশপ্রেমের মশাল জ্বেলে ওঠাও বাংলাদেশের মানুষের কাছে নতুন আশার প্রদীপ জ্বালিয়ে দিয়েছে। বেগম ... ...
উড়িছাদএরই মধ্যে ঢুকে গ্যাছে,গোপনগন্ধকিছু।গোপনই আমার ভাল। গোপনেই, উড়িছাদ।ঘনিষ্ঠজড়াবসেকথা আমি ভুলতে পারব না।ভুলতে চাইও না।যখন পড়বে মনে–তখন একটিবার, ঘনিষ্ঠজড়াব!এখন বড় হ’য়ে গেছিবাজারমুদিখানাসাইকেল—যেতে আসতে হাসিবিনিময়।এখন বড় হ’য়ে গেছি, পারব না ছোট হতে তাই।ধ্বংস, ধ্বংসইজলের ছাপ। কালরাতে ধ্বংস এসেছিল।ধ্বংস যখনই আসে,আমরাও ভাবি লড়ে জিতব।ধ্বংস একাই পারে–ক’রে দিতে আমাদের ধ্বংস!বিপদপ্রস্তুতিআকাশছাদ, আকাশলোক।বারান্দা, পুজোর ঘর।মাথায় ছাদ,আচমকা আচমকা আচমকা! ~ গুরুচণ্ডা৯ তে ১৭ জুন ২০২৫ তারিখে প্রকাশ করা আমার প্রথম কবিতাগুলো! কবিতাগুলো একসময়ে আমারই লেখা। অথচ কবিতাগুলোকে আজকে দেখলে, কত যে বেশি একাবোকা দেখায়! ... ...
আমাকে আমার মতো ভাবতে ব'লে তুমি- গিয়েছ ঝড়ের মতো। আসবে না তুমি। এখন পাখিরা শুধু ফুল নিয়ে ভাবে-আয়ু তো আহাম্মক। বলাকা ভাবাবে। জীবন অচেনা। দেখি সমারোহ পাতার, বৃষ্টি আসে ক্ষত নিয়ে। অনন্যবারতার। গিয়েছ ঝড়ের মতো। মাধুর্যে থাকি।বিকেল সবুজে নীল। ব্যথাও একাকী।
উডল্যান্ডের মতো কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া স্বাধীনতা র পর থেকেই কলকাতায় আদতে কোনো পুরো বেসরকারি হাসপাতাল নেই। সকল বেসরকারি হাসপাতাল এক টাকায় জমি পাওয়ায় সব্বার বোর্ডেই সরকারি প্রতিনিধি আছে। ওই জমি পাওয়ার অন্যতম শর্ত ছিল আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষের জন্য আসন সংরক্ষণ। নতুন সরকারের মাননীয় বিভাগীয় মন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় মহোদয় জানিয়েছেন বেসরকারি হাসপাতালে ১০শতাংশ আসন সরকারি রেফারেল সিস্টেমের অর্ন্তভুক্ত হবে অর্থাৎ সিট না থাকলে সরকারি হাসপাতাল থেকে বেসরকারি হাসপাতালে রেফার করে বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা হবে। এই ব্যবস্থা বহু প্রতিক্ষিত ও স্বাগত।স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন হয়নি কেন কে জানে!! ... ...
তোমাকে ভালবেসে,সহসা কাছে এসে–বিপদে জ্ব’লে আছে, তেপান্তর...আমারই ভুল ছিল,হেরেছে কাক চিলও–এখন মন মানে, সততাজ্বর। কেটেছে সুখবায়ু,নিজের মুছে আয়ু–না জানি দিন কেন, মিলনছেদ...তোমাকে ভালবেসে,সহসা কাছে এসে–যাব না দূরে আর। এটাই জেদ...
এটি ইতিহাসের অন্যতম একটি বড় বৈপরীত্য—যুদ্ধে জিতেও ব্রিটেন তার সাম্রাজ্য হারিয়েছিল। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রবাহিনী জয়লাভ করলেও, এই যুদ্ধ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছিল। যুদ্ধ জয়ের জন্য ব্রিটেনকে তার সমস্ত সম্পদ বাজি রাখতে হয়েছিল। ১৯৪৫ সাল নাগাদ ব্রিটেনের অর্থনীতি প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। যুদ্ধের খরচ চালাতে ব্রিটেন আমেরিকার কাছ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ঋণ (Lend-Lease act) নিয়েছিল, যা তাদের ঋণের সাগরে ডুবিয়ে দেয়। সাগরের ওপারে বিশাল সাম্রাজ্য এবং সেনাবাহিনী টিকিয়ে রাখার মতো অর্থনৈতিক সামর্থ্য ব্রিটেনের আর ছিল না। নিজেদের দেশ পুনর্গঠন করাই তখন তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। যুদ্ধের পর বৈশ্বিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু লন্ডন থেকে সরে যায়। ব্রিটেন ... ...
বাহু তুলে উন্মনে একা। বিরহে জটিল নবাগত... আজকে যে ভুলে গেছে তোমায়, চাইলে কিসে তোমার হ’তো?বাহু তুলে মৃত্যুআহত। পরিচিতি বাড়ানোই কাজ।আজকে যাকে ভাল লাগে, কালকে তাকেভুলে যাওয়া কাজ।অনর্থক এই বহির্সাজ। খাবারের খোঁজে এসে পিঁপড়ে জানে না, ফের ফিরবে কিনা ঘরে সে আজ। ভাতে নেই মাগন্ধ। সময় এক অপূর্ব জাহাজ। ... ...
অবুঝ পাখির অদ্ভুত আচরণঅর্জুন মজুমদারখড়দা গ্রামে কল্যাণ নগর পল্লীর ওল্ড ক্যালকাটা রোডের একপাশে খালের কাছে আমাদের ছোট্ট দেড়তলা বাড়ি। সেটা উনিশশো তিরানব্বই সাল। আমাদের বাড়িটা তখনও কংক্রিটের জঙ্গলে ছেয়ে যায়নি। গাছে একদম ঢাকা। ভালো করে ঠাহর করলে তবে ডালপালার আড়ালে কোঠার মত কিছু একটা চোখে পড়ে। আমাদের পাড়াটা ছিল বেশ ছিমছাম আর নিরিবিলি। আম জাম পেয়ারা সফেদা নোনা আতা কুল ফলসা গাছের ছায়ায় বাড়িটা সারাদিন ঝিমোয়। দুপুরের দিকটাতে ঘন্টা দুয়েক বাড়িটার গায়ে সরাসরি রোদ লাগে ― গাছগুলোর এটুকুই যা সম্বল। এছাড়া সারাটা দিন ঝিলমিলে আলো ছায়ার খুনসুটি।অলীক পাখির মরীচিকা: হুপো পাখির বিভ্রমপ্রকৃতির ডাকে সুখনিদ্রা ভেঙে বিছানা ছেড়ে উঠতে বড়োই আলসেমি ... ...
আমি খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত। ক্লান্তি আমার বোন, ক্লান্তি আমার মা, ক্লান্তি আমার একমাত্র সন্তান, যাকে আমি প্রতিদিন জন্ম দিই, প্রতিরাতে হত্যা করি, প্রতিভোরে আবার গর্ভে ধারণ করি। সোনাগাছির পর গিয়েছিলাম ঢাকার নিমতলি, সেখানকার অন্ধকার গলিতে, যেখানে ভ্যানগাড়ির চাপায় পিষ্ট শিশুদের রক্তের দাগ মিটমিট করে রোদের আলোয়। সেখানে কাজ করেছিলাম তিন রাত, পতিতার বেশে, তালুতে মেহেদি, চোখে কাজল, গলায় ফুলের মালা, পায়ে রূপোর বালা। এসেছিল অনেক পুরুষ, কিছু বাঙালি, কিছু বিহারি, কিছু পরবাসী, তাদের শরীরে আছে ব্যথা, তাদের চোখে আছে জল, তাদের হাতে আছে টাকা, টাকার বিনিময়ে তারা কিনে নেয় আমার শরীরের কিছু অংশ, কিছু সময়, কিছু মিথ্যে আদর। আমি তাদের ... ...
পাথর কাটার গান অয়ন মুখোপাধ্যায় হঠাৎ করেই ভাঙল আয়না, ভাঙল বুকের পাঁজর, যদ্দূরে যাই ধুলো উড়ছে, চারদিকে আজ একলা থাকার জ্বর। পা জড়ালো মাকড়সাতে, হাত জড়ালো শিকল-ছায়ায় ভাই, আমি কেবল বিষের বাটি উপুড় করে নিজেকে সামলাই। সংসার তো খুঁটিতে-বাঁধা, আলমারিতে যত্ন করে রাখা— কয়েক ফালি মরচে ধরা পরমায়ু, একলা পথে হাঁটা। কে যেন সেই কোন অতীতে বলেছিল— "বেঁচেই থাকো তবে", আজকে কেন অন্ধকারই জাপটে ধরে ... ...
বৃষ্টি থেমে যেতে যেতে রোজ---দেখেছি জলের কাছে এতবড় বাড়িও সহজ।বাবা মা’র মাঝখানে আমি একা পার্থিবশোক।তবু আমি মা-বাবার রোজ। এতবড় বাড়িটারও, জলে মন নেই---তবু জল তার নিয়ে যায় খোঁজ।মা জানে আমার প্রেম, হেরে গিয়ে উঠে আসে রোজ।বুকের মধ্যে ভয়। আর আমি যতই হই---বাবার প্রেমের কাছে মেনে নিই পরাজয় রোজ।আমি আর কোথায় সহজ? ... ...
পশ্চিমবঙ্গে এতো দ্রুত পরিস্থিতি পরিবর্তিত হচ্ছে যে আজ একটা কথা বললে পরের দিন সে কথা হজম করতে হতে পারে। যারা অবশ্য রোজকার ঘটনা লিখে রাখতে চায় তাদের কথা আলাদা। তারা সেসব নিয়ে বলেই চলেছে কতগুলো প্রবণতাকে লক্ষ্য করে, আর নতুন বিজেপি সরকার তাদের উদ্দেশ্য গোপন করতে চায় না, তাই প্রবণতাগুলোও খুব স্পষ্ট। তাই দৈনন্দিন ঘটনার ব্যাখ্যাকারদের খোরাক প্রচুর। এদের মধ্যে বেশিরভাগই ডিম ছোঁড়া আর বুলডোজারবাজিতে খুশি, কেউ কেউ ডিম ছোঁড়ার পক্ষে কিন্তু বুলডোজার রাজের বিরুদ্ধে, যেমন সিপিএমের লোকজন। সামান্য কিছু লোক ডিম ছোঁড়ার রাজনীতিকে ... ...
টি২০ ক্রিকেট জ্বরে কাবু এখন ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র বেলজিয়াম। গতকাল ইউটি২০ (EUT20) লিগের একটা ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরলাম। ম্যাচটা ছিল JB Bruges আর Antwerp Anchors এর মধ্যে। ভেনু ছিল হফস্টেড, টুয়েলভ স্টার্স ক্রিকেট ক্লাবের মাঠ, ব্রাসেলস থেকে ২৭.৫ কিমি গাড়ি পথে। এবার একটু টিম দুটোর লাইন আপ-এর বর্ণনা দেওয়া যাক। এন্টওয়ার্প আংকরস-এর টিমে যে কিংবদন্তি কিছু প্লেয়ার ছিলেন তাদের মধ্যে আছেন ইংলিশ ক্রিকেটের মইন আলি, নিউজিল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্টিন গাপ্তিল। জেবি ব্রুজেস টিমে নেপালি প্লেয়ারদের প্রাধান্য বেশি ছিল, যেমন ছিলেন দিপেন্দ্র সিং আইরি ... ...
তাকে তুমি আটকে রাখো ঘরে। ম’রে যাক অন্ধঅনাহারে...সবটুকু নিয়েই তো জীবন। ভালবাসা কিনতে এসে জানি, মৃতপ্রায় গোধূলিরমণী। বয়স্ক, আদিম এই শ্রাবণ... তারকা মহাত্মা। তবু সফল। তৈরি হ’য়ে ওঠে মৃতআদল। বিপরীতে স্নিগ্ধ নম্রযোনি। এ সময় তুলতে এসে হাতে, কবিরা ম’রেছে অপঘাতে। বিজ্ঞাপনের দিকে উড্ডীন, ভ্রাম্যমাণ জয়–মায়ের ঠোঁটের দিকে তাকাই না। অজানা এক ভয়... ... ...