এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ভুত

    deepten
    অন্যান্য | ১৩ মার্চ ২০০৬ | ৩৯৬৫৩ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • tan | ১৩ মার্চ ২০০৬ ০১:০০497812
  • চিন্তা করো একবার,মাইলস্টোন যদি উনিশ থেকে শুরু না হতো,তাহলে কি হতো?
  • dd | ১৩ মার্চ ২০০৬ ২১:৪৫497490
  • দেখেছেন ? কেউ দেখেছেন ?
    অম্নি বলে বসবেন না, সে কি মশাই, গত হপ্তাই তো আপনের লগে দ্যাখা কল্লাম ?
    সত্যি ভুত।
    আমি এখনো দেখিনি, খুব ভুত শুনিচি।
    এখন রাত হয়ে গ্যাছে - তাই কাল সগালে বোলবো।
  • Arijit | ১৩ মার্চ ২০০৬ ২১:৪৮497601
  • জটাধর বক্সী...
  • Tina | ১৪ মার্চ ২০০৬ ০০:৫৪497712
  • হুম্‌ম্‌ম......ভূত আবার শোনা যায় কিভাবে মশাই? দেখেন নি বলছেন অথচ শুনেছেন? কি রকম? ভূত এর খিলখিল হাসি শ্মশান এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় নাকি ভূত এর কংকাল হাত এর করতালি? একটু খোলসা করে লিখুন তো দেখি সকাল হলেই।
  • t | ১৪ মার্চ ২০০৬ ০১:০৪497823
  • হল্লা,হল্লা,ভুতের হল্লা।সেই যে,"হাঙ্গামা,হাঙ্গামা,হাঙ্গামা" বলে গান হোতো না?
    ধামাকায়?
  • rimi | ১৪ মার্চ ২০০৬ ০১:১০497934
  • বা: এই বিভাগটা সবচে ভালো। আমি ভূতের সঙ্গে কথা বলেছি। সময় করে বলব সেই গপ্পো থুড়ি সত্যি ঘটনা।
  • Riju | ১৪ মার্চ ২০০৬ ০৪:১৪498042
  • হ্যাঁগো। আম্মো দেকেচি ভূত - অক্কুটে ভুলুর প্রোফাইলে :-))
  • deepten | ১৪ মার্চ ২০০৬ ১০:৩৯498053
  • বল্লাম না ? ভুত দেকি নি, শুনিচি।
    বছর চল্লিশ আগে, আমি তখন বদ্ধোমানে, ক্লাস এইটে। ঠাকুমা আর আমি এক ঘরে শুই।
    শীতের শেষ রাতে, ঘুম ভেঙে গেলো। কে যেন আমাদের ঘর হাঁটছে। spring'এর খাটে ক্যাঁচ ক্যাঁচ শব্দ হয়। তেমন আওয়াজ।
    বাড়ী শুদ্দু সবাইকে তুলে দিলাম। কোথাও কিছু নেই। বিছানর নীচে আলো জ্বেলে দেখা হলো, না: ইঁদুর বাদুর কিছু নয়। সবাই ঘুমিয়ে পরলে আমার চোখে ঘুম নেই আবার সেই আওআজ। কে আমাদের ঘরে? ঘুর ঘুর করছে।
    আবার তুললাম সবাইকে। চোর নাতো ? বাবা এবার টর্চ হাতে চারিদিক ঘুরে এলেন।
    আর জাগাই নি কাউকে। ভোর বেলতেই ফোন এলো ঠাকুমার মা শেষ রাতে মারা গেছেন, তার প্রিয় spring'এর খাটে শুয়ে।
  • indo | ১৪ মার্চ ২০০৬ ১১:০৯498064
  • আমি দেকি নি, আমার মা দেকেছ্যালেন।
    মা-র তকন সদ্য বে হয়েচে, কাটের উনুনে আন্না জ্বাল দেচ্চেলেন। পস্ট দেকলেন চাট্টে নোক হরিধ্বনি না, কিচ্চু না, চুপচাপ মা-র এগ পিসতুতো বোনকে কাটের খাটিয়াতে বেঁদেবুঁদে আস্তা দে নে যাচ্চে, বোনের গায় দপদপ করে আগুন জ্বলচে।
    মা তো পড়িমড়ি করে অজ্ঞান হলেন। পদ্দিন খপর এলো বোন গায় আগুন দে পটোল প্লাক করেচেন।
  • dd | ১৪ মার্চ ২০০৬ ১২:১৫498075
  • মোটেই এয়ার্কি নয়।
    লালবাজারের সে¾ট্রাল লক আপের দোতলায় যে সেলে চারু মজুমদর থাকতেন সেটা পুলিশ বন্ধ করে দিলো। সেখানে রাত হতেই কেউ চুরুট ধরায়, কাশে, গলা খাঁকারি দ্যায়। হাঁটে।
    আজিজুল ৭৬'এ জেল ভেঙে পালাতে গিয়ে ধরা পরলে একতলার সেলে ছিলো। সেও শুনেছিলো। ঐ আওয়াজ।
    এখন সেই সেল খুলেছে কি না জানি না।
  • Babaji | ১৪ মার্চ ২০০৬ ১৩:২০497491
  • আমি দেকিচি। ভূত কিনা জানি না। প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তা দিয়ে একজন হেঁটে যাচ্ছে কলকেতার রাস্তায় শীতকালের দুকুরে গায়ে চাদর মুড়ি দিয়ে দেখে মনে হচ্ছে কোথায় যেন দেকিচি কিন্তু নাম মনে কত্তে পাচ্ছি না। তাই তিন হাত দূরে হলেও তাকে ডেকে কথা বলতে পারলুম না। এরম কিছুক্ষণ হাঁটার পরে ভাবলুম সামনে গিয়ে জিগ্যেস করেই বসি "খুব চেনা চেনা লাগছে কোথায় দেকিচি বলুন্তো?" যেমনি ভাবা সে ফস্‌ করে অটোতে উঠে পড়ল আর অটোও ছেড়ে দিলো তক্ষুনি। মনে খচখচানি নিয়ে বাড়ী ফিরলাম আর বলতে গেলে ভূত দেখলাম
    বাড়ী আসার পরেই। আয়নায়। সেই মূর্তি আসলে দেখতে ছিলো হুবহু আমার মতোই, এমনকি ঐ চাদরটাও আমার আলনায় ঝুলছে। তারপরে আরো অনেক খুঁজেছি ঐ রাস্তায় আর অটোস্ট্যান্ডে। আর দেকতে পাই নি।
  • vikram | ১৪ মার্চ ২০০৬ ১৪:১২497502
  • হ্যাঁ শীর্ষেন্দু একবার লিখেছিলো সেই ভূতের তাড়া খেয়ে একটা পালাচ্ছে আর খালি ভাবছি কি একটা কার নাম নিলেই ভূতটা পালাবে কিন্তু কিছুতেই মনে আসছে না। ভূতটা আরো জোরে দৌড়ে তর কাছে এসে মোলায়েম করে জিগালো আপনি কি রামনামের কথা ভাবছিলেন?

    বিক্রম
  • m | ১৫ মার্চ ২০০৬ ০৯:১৮497513
  • বিক্রম,
    একবার নাকি কয়েকজন সাহিত্যিক কি কারণে কলকাতার বাইরে কোনো একটা জায়গায় গিয়ে ছিলেন,শীর্ষেন্দুর পাশের ঘরে ছিলেন সুনীল।বহু রাত পর্যন্ত নাকি শীর্ষেন্দু র ঘর থেকে কথা বলার আওয়াজ আসছিলো, সুনীল শুনে ছেন, শীর্ষেন্দু নাকি কাকে বার বার মৃদু গলায় চলে যেতে বলছেন।সকালে সুনীল রাতের কথা জানতে চাইলে উনি বলেছেন,ঐ যে ওঁরা আসে।ভূত প্রেত এর সঙ্গে দেখা হয় বলেই ওর গপ্পের ভূত গুলো এত ভালো:-)))
  • tan | ১৬ মার্চ ২০০৬ ০৪:২৬497524
  • আমার তো কই দেখা হয় না? হ্যাঁ? শুনিও না ভুত!
    আমাদের খুব ছোটোবেলার পুরানো ইস্কুলে দোতলায় একটা বন্ধ ঘর ছিলো,তাতে নাকি ভুত থাকতো। কেউ বলতো ওঘরে কেউ নাকি ফাঁসী দিয়ে মরেছিলো বহুকাল আগে,কেউ বলতো ওঘরে দরজাটা ভাঙলেই দেখা যাবে ভেতরে একটা কংকাল ঝুলছে,তাতে বাতাসের খটখটি।
    কিছুই দেখা যায় নি,দরজাও খোলা যায় নি। পুরানো পল্কা দরজা,প্রচন্ড ঠেলায় একবার তলাটা অনেকটা ঢুকে গেলো,একটু দেখা গেলো ভিতরে শুধু অন্ধকার।
    তবু রহস্যঘন একটা আবরণ থেকেই যেতো।
    বহুকাল বাদে গিয়ে দেখি পুরানো কেউই নেই,চেনাদিদিমণিরা রিটায়ার করে গেছেন,শুধু এক অতিবৃদ্ধ চেনা দায়োয়ান...
    আর সেই ভুতের ঘর নতুন হয়ে গেছে, জানালা টানালা হয়েছে,সে ঘরে একটা কি ক্লাস হচ্ছিলো।
    হায় ভুত! হায় অতীত!
  • r | ১৬ মার্চ ২০০৬ ১০:৪০497535
  • হোস্টেলে হুড়োহুড়ি। প্ল্যাঞ্চেট হয়েছে। সব যুক্তিবাদী লড়াকু পাবলিক প্ল্যাঞ্চেট করার পর ভয়ে গুটিসুটি। একজনের সিংগিল খাটে পাঁচজন করে জড়াজড়ি। তার উপর তিন তলায় কোনো এক কালে এক বালিকা গলায় দড়ি দিয়েছিল। শুনলাম প্ল্যাঞ্চেটে গুলশন কুমারের ভূত এসেছিলেন। সে মাইরি নাছোড়বান্দা ভূত। যেতে বললেও যায় না। শেষে লোকজন যখন বোর হয়ে অন্তাক্ষরী খেলছে, তখনও উনি ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

    পরের দিন যুক্তিবাদীদের আবার এক্সপেরিমেন্ট। যদিও যুক্তি টুক্তি সব মায়ের ভোগে। প্ল্যাঞ্চেট শুরু হওয়ার আগে প্র্যাক্টিস হচ্ছে। আমি বাইরে খ্যাঁক খ্যাঁক করে হাসছিলুম বলে আমাকে ঘেঁটি ধরে বের করে দিল। প্রথমে ঠিক হল চারু মজুমদারের ভূত নামানো হবে। এক নকশাল বন্ধু এমন দাঁতভাঙা কোশ্চেনেয়ার বানালো যে প্রথমেই নাকচ। ক্যান্ডিডেট রইল ই এম এস নাম্বুদিরিপাদ আর রবি ঘোষ। ই এম এসে বহু চেষ্টাতেও এলেন না। বামপন্থী বিচ্যুতিতে ভয়ানক ব্যথিত। এরপর রবি ঘোষ। এর মধ্যে এক মক্কেল আবার রবি ঘোষকে কেম্ন দেখতে ছিল তাই ভুলে গেছে। তাই সত্যজিত রায় থেকে শুরু করেছে। তাতেও হয় না। শেষে মনে মনে বলছে "এই বাঘা, এই শালা বাঘা, আয় না।" এইরম পাবলিক ডাকলে আর কেউ আসে? সেইদিন কেউই এলেন না। নিন্দুকে বলল আমার মতো অবিশ্বাসী বাইরে দাঁড়িয়ে খ্যাঁকখ্যাঁকাচ্ছিল বলে ওনারা আসেন নি। তার পর থেকে অনেকদিন হোস্টেলে আর ভূত আসেন নি।

    আমরা বেরিয়ে আসার পর আবার অনেক বছর পরে এলেন। এসেছে ভূত, এসেছ আজ কি মহাসমারোহে। বাদ্যি বাজিয়ে, খবরের কাগজ তোলপাড় করে। সে আর এক গল্প।
  • dam | ১৬ মার্চ ২০০৬ ১০:৪৬497546
  • তবেই বোঝো! এমনকি ভুতও যাকে ভয় পায় --------------
  • dd | ১৭ মার্চ ২০০৬ ২২:৫২497557
  • ব্যাস।
    কয়েক লাইন বলেই সকলের ক্ষান্তি। ভুত নিয়ে কারো কোনো মাথা ব্যাথা নেই কো। বিশ্বায়ব ফিশ্বায়ন নিয়ে লড়ে যাচ্ছে।
    বল্লাম না - ভুতেদের কোনো ভবিষ্যত নেই।
  • tan | ১৭ মার্চ ২০০৬ ২৩:৪১497568
  • কোথায় ভাবলুম ভুতেদের উদ্দাম নেত্যর একটা লাইভ বিবরন পাবো!না,কোথায় কি?
    হায়,আশা কুহকিনী!
  • rimi | ১৮ মার্চ ২০০৬ ০০:০৫497579
  • যা: বাবা!!!! আমার গপ্পোটা অলরেডি বলে দিয়েছে। যাক, ভালো ই হল, আমাকে আর কষ্ট করে লিখতে হল না।
  • r | ১৮ মার্চ ২০০৬ ০১:০১497590
  • চন্নন্নগরে গঙ্গার ধারে ডুপ্লের বাড়ি। তার দোতলার একখান ঘরে আমি আর মা। সামনে ফুটবলের মাঠের মতো পেল্লই ছদ। একখান ঝুপসি আমগাছ ছাদের উপর ঝুঁকে পড়েছে। ঠিক তলায় ডুপ্লের ঘর। তাতে ইয়াব্বড়ো খাট। সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হয়। সিঁড়িগুলো ফাঁপা। ভিতরে রাখা থাকতো অস্তর। বারোটা বাজতে না বাজতেই নীচের তলায় প্রবল ঘোড়ার খুরের শব্দ। খটাখট খটাখট খটাখট.....
  • dd | ১৮ মার্চ ২০০৬ ১৪:২১497602
  • ভুতের বিবর্তন হয়। হয়েছে।
    আবার বন্ধুর বাবার অভিজ্ঞতায় জানা কি ভাবে জলার ধারে ভুতের দল গোরু আর আরোহী শুদ্দু গরুর গাড়ীকে টেনে হিঁচড়ে জলায় ডুবিয়ে মেরেছে। কি সব পালোয়ান শক্তিশালী ভুত ছিলো তারা। ঠাকুমার কাছে শুনেছি কি স্বছন্দ ভুতের উপদ্রব। দিনের বেলাতেও। সকলের সামনে। ঐ নিশুতি রাতে একা পেয়ে একটু বুঝি না বুঝি না করে উঁকি মেরে যাওয়া অমন ন্যাকা কাত্তিক আধুনিক ভুত নয়, অসমসাহসী বেপরোয়া ভুত। রঘু ডাকাত বিশে ডাকাতের মতন "গর্বো সে কহো ম্যায় ভুত হুঁ" বলা ভুত ছিলো তারা। চমৎকার।

    আর এখন ? ভুতের গন্ধও কেউ পায় না।
  • dam | ১৮ মার্চ ২০০৬ ১৯:৫৬497613
  • এই রে: এবারে সব গাঁজায় দম দিয়ে লিখতে শুরু করেছে গো----- আরে ভুত তো অশরীরি, মানে হল গিয়ে 'হাওয়া হাওয়া এ হাওয়া"। সে আবার টানবে কি করে? ঠেলতে পারে বরং। ভুত আবার আধুনিকই বা হবে কি করে? অবশ্যি অঅজকালে একটা সেলফোন চুরি করা ভুতের গপ্প পড়েছিলাম-----

    'জোড়াদীঘির চৌধুরী পরিবার' এ চলন-বিলে অনেক ভুতের কথা ছিল বোধহয়। আহা কি জমাটি যে ছিল বইটা।
  • S | ১৮ মার্চ ২০০৬ ২২:৪৩497624
  • এইডা ঠিক ভূতের গপ্পো নয়। রহস্য রোমাঞ্চ ঘটনা। শোনা মায়ের মুখ থেকে।

    এই টুকুই শুনে অবিশ্বাস কইরেন না। কারণ, ঘটনাডা আমাকে নিয়েই।

    আমরা তখন ঘাটালে। একতলায় বাবার অফিস, পিডব্লিউডি, দেড়তলায় রান্নাঘর আর বাথরুম, দোতলায় বেডরুম। এক রাতের ঘটনা, পরদিন সকালে মায়ের মুখ থেকে শুনলাম, রাতে খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়ার পরে আমার বাপ-মা যখন খেয়ে উঠছে, হিসেবমত সেই সময়ে আমার ঘুমিয়ে কাদা হয়ে থাকার কথা, আমি নাকি চোখ খোলা অবস্থায় সিঁড়ি বেয়ে তখন নিচে নামছি। রাত এগারোটা।

    বাবা অবাক হয়ে জিগাইছিল, এত রাতে কোথায় যাচ্ছিস? আমি নাকি খুব নর্মাল অবস্থায় বলেছিলাম, এই এখানে একটু আসছি।

    বাবা আরও অবাক, 'এখানে মানে কোথায়?' এখানে মানে কোথাও যাবারই নেই, নিচে অফিসঘর, বন্ধ, আর তার বাইরে বিশাল কম্পাউন্ড। আমি তখন ক্লাস ফাইভ।

    আমি নাকি এর উত্তরে 'দুত্তেরি' বলে ওপরে ফিরে গিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

    কথা হল, এই ঘটনাটার আমার কোনও স্মৃতি নেই। পরদিন সকালে ঘুম থেকে যেমন ওঠার, তেমনই উঠি, উঠে মায়ের কাছে ঘটনাটা শুনি। এমনকি আগের রাতে কী দিয়ে ভাত খেয়েছিলাম, তাও মনে আছে, কিন্তু আমি যে এমন কিছু করেছিলাম, এমন কোনও স্মৃতিই আমার নেই।
  • tan | ১৮ মার্চ ২০০৬ ২২:৫৭497635
  • বে থে,তাতেই কি প্রমাণ হয় যে ওটা তোমার ভুত? :-)))
    হতেই পারে ঘুমের মধ্যে হাঁটছিলে!যাকে বলে কিনা সমনামবুলিস্ট!স্লিপ ওয়াকারদের অনেক সময় ঘুমের মধ্যে কি করেছে সেই স্মৃতি জেগে উঠলে থাকে না।
  • dd | ১৮ মার্চ ২০০৬ ২৩:২১497646
  • কেলাস থিরীতে পড়ি তখন। আমার উপর ভুতের ভর হয়েছিলো। বোধ হয় বিদ্যেসাগর মশাই। একেবারে কান ঘেঁষে ফিফথ। হ্যা:।
  • dri | ১৮ মার্চ ২০০৬ ২৩:২৪497657
  • :-), সোমনাম্বুলিস্ট। আমার বোন ছিল ছোটবেলায়। গাঢ় ঘুমের মাঝে উঠে ডাইনিং টেবিলের চারপাশে কয়েকবার ঘুরে আবার ঘুমিয়ে পড়ত। মাঝে মাঝে ফেরার পথে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে আসত।
  • samik | ১৮ মার্চ ২০০৬ ২৩:৩৭497668
  • ঘটনা হচ্ছে: আমার এই ঊনতিরিশ বছরের জীবনে এর আগে বা পরে কোনওদিন আমি ঘুমের মধ্যে হাঁটার চেষ্টা করি নি! ঐ একবারই ...

    একে কি সম্নামবুলিস্ট বলা যায়?
  • dd | ১৮ মার্চ ২০০৬ ২৩:৩৮497679
  • মিটীং কত্তে কত্তে আমি ঘুমিয়ে পরি। তাও মাঝে মাঝেই "ইয়েস ইয়েস" "বটেই তো" "ইঁয়াক" "হুখ?" এম্নি আওয়াজ করেই। অনেকেই টের পায় না আমি আসলে ঘুমুচ্ছি। এটাও কি ঐ সোমনাম কি বলে গিয়ে ? না কি কোনো ভুত ?
  • Samik | ১৯ মার্চ ২০০৬ ০০:৩৯497690
  • আমি তাও করি না। মিটিনে ঘুম পেলে বাংলা ঘুমিয়ে পড়ি। আমার সোমনাম নেই।
  • kali | ১৯ মার্চ ২০০৬ ০০:৫২497701
  • ও হ্যাঁ,আমারো মনে পড়েছে...... আমিও দেখেছিলাম, ভুত নয়, ভুতের পায়ের ছাপ। ইয়ার্কি নয়,সত্যি সত্যিই দেখেছিলাম,বাড়ি শুদ্ধু সব্বাই দেখেছিলো।কাদা মাখা পায়ের ছাপ, ঘরের দেওয়ালে,প্রায় সিলিং এর কাছের হাইটে, হেথায় হোথায়,প্রায় তিন চার জায়গায়। অত উঁচুতে কারুরই পা পৌঁছোয়না।আরো আছে অনেক গল্প,কিন্তুক অবিশ্বাসীদের আমি বলি না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন