এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • তৃণমূলী পরিবর্তনকামী বুদ্ধিজীবিদের ভূমিকা ২

    Ishan
    অন্যান্য | ১৬ নভেম্বর ২০০৯ | ৩৬৮৮২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ০৩:৪৪430050
  • বাংলা কথা বলি লালগড় নিয়ে সুমনের চিন্তাকে এককথায় বলে বিরাট বড় বা* (শূন্যস্থান যা খুশি বসিয়ে নিন)। দলে পাত্তা পাচ্ছিল না বলে এইসব নৌটঙ্গী। লালগড় হচ্ছে পার্ট অফ দা প্যাকেজিং।
  • Binary | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ০৩:৪৯430051
  • গীটার হতে সুমন কেন ? উ : আমি ইচ্ছাটার কথা বলেছিলাম। গীটার বাদ দাও।

    আর আকা, হিয়ার হিয়ার, এখন আমিও সেটাই বলব তুমি যটা বললে। কিন্তু সুমন এই কথা গুলো লোকসভার আগে বললে কুর্নীস করতাম।
  • aka | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ০৩:৫১430052
  • বাইনারি দা আকা না অক্ষ বললে। সুমনকে নিয়ে আমার কোনই হ্যাং নেই, একটুও নেই।
  • aka | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ০৩:৫৩430053
  • হ্যাঁ আমার মনে হয় সুমনের লালগড় প্রীতি ফ্যান ক্লাবের দিকে তাকিয়ে। আর একটুও বেশি কিছু মনে হচ্ছে না।
  • Binary | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ০৩:৫৫430054
  • আকাকেই বললম, সুমনকে বাঁ* -ই বললাম। মানে এখনো বলছি, লোকশভার আগেও বলেছি। কেউ কেউ, লোকসভার আগে মমতর হয়ে ভোটে দাঁড়ানোতে কোনো দোষ দেখেননি, কিন্তু এখন বাঁ* বলছেন। আমার আপত্তিটা সেখানেই।
  • aka | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ০৪:০৩430055
  • লোকসভায় দাঁড়ানো নিয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই। রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী সময়ের সাথে সাথে বদলায়। কিন্তু লোকসভায় যাওয়ার আগে সিস্টেমের দূর্বলতা গুলো উনি জেনে এবং মেনেই লোকসভায় গেছেন এটা ধরে নেওয়া খুব বেশি কিছু না।

    কিন্তু এখন এমন হাবভাব যেন উনি কিছুই বোঝেন নি। সমস্ত ব্যপারেই যে দলের রীতি রেওয়াজ মেনে চলতে হবে এটা বোঝেন নি। উনি একেবারে নিষ্পাপ শিশু। সেটাই অসহ্য। খানিকটা খোরাকও বটে। আসল ব্যপার হল মমতার কাছে পাত্তা না পেয়ে এইসব করেছে আর লালগড় ইত্যাদি তুলে ফ্যান ক্লাবের কাছে ইমেজ ধরে রাখছে। সব মিলিয়ে ভসভসিয়ে হাসি পায়।
  • aranya | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ১০:৫৬430056
  • সুমন নিয়ে এত কথা, কতরকম, কতরকম। এতে আমার উড়ো খইয়ের মত একটা লাভ হল, প্রায় দশ বছর পর আজ সারা সন্ধে সুমনের সংগে - কত নতুন গান, কত কত মিউজিক ভিডিও, আজকের বাচ্চা ছেলেমেয়েরা ভালবেসে বানিয়েছে, তাদের সুমনদাকে নিয়ে।
    "কেন না তুমি তো ফেটে পড়ছ না রাগে
    এখনও তোমার ভন্ডামি ভালো লাগে ....' শুনতে শুনতে ভাবছি লোকটা নিজেই কি ভণ্ড ?
    "আসুক সেই নিশান,
    তোমার গর্ভে ভ্রুণ হয়ে যাক
    আমার একলা গান ...'

    "এখন বয়স হল, তুমি এলে, বৃথা দিন গেল
    তোমার নবীন চোখে আসে জল, চোখ মুছে ফেল '

    ১৯৯৭-এ গ্রীনিচ ভিলেজে সুমনের সাথে আড্ডা, আমার জীবনে সেই একদিনই। কল্লোল-দা সুমনের সাথে ২১ বছর, আমি সেই এক দিন। তার আগের দিন বন্ধু সুদীপ্ত চ্যাটার্জী-র ক্যাসেট বেরিয়েছে সুমনকে নিয়ে - 'Free To Sing', তখন VHS ক্যাসেটের যুগ, সুমনের, মারিয়ার interview, জটিলেশ্বর-এর কথা সুমনকে নিয়ে, নচিকেতা, অঞ্জন - এদেরও interview ছিল বোধহয়, আর সুদীপ্তর অপটু হাতে কলকাতার ছবি - নেহাতই অ্যামেচারিশ প্রয়াস, তবে সেটাই বোধহয় গানওলার ওপর প্রথম ডকুমেন্টারী। সেবার পূজোয় সুমনের ঐ ক্যাসেট-টা বেরোবে - কি যেন নাম-যেটায় ছিল - "আমি চাই সাঁওতাল তার ভাষায় বলবে রাষ্ট্রপুঞ্জে', "..জানি না মানব জমি আবাদে ফলত কিনা সোনা' - সুমন তখনো কারো না শোনা এই গান গুলো গেয়ে যাচ্ছিল একের পর এক, তার ফাঁকে ফাঁকে বলছিল ওর প্রিয় দেশ - বাংলা, ভারতবর্ষ, দেশের মানুষের কথা। কোন রিপোর্টার, ক্যামেরা ছিল না, শুধু অল্প কিছু শ্রোতা। অবশ্য তারা সুমনের ফ্যান, হয়ত ফ্যান বেস বাড়ানর জন্যই সুমন .... কে জানে।
  • nyara | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ১৩:০৩430057
  • [ সুদীপ্তর বন্ধু, রাটগার্জ, কবি - অরণ্য কি নবেন্দু নাকি? ]
  • aranya | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ১৩:৩৩430058
  • ন্যাড়া কি চিনে ফেলল আমায় ? ন্যাড়াই বা তবে কে, সে কি সলিল-অনুরাগী সম্বিত ?
    সুদীপ্তর সাথে অবশ্য কত্ত দিন যে যোগাযোগ নেই, সে পাগলাটা বোধহয় এখন লালন নিয়ে খেপেছে, কানাঘুষোয় শুনতে পাই।
  • SB | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ১৪:৩৮430060
  • এই তৃনমূল রাজ্য সরকারে আসলে strong opposition হবে ধরনের crooked logicটা ঠিক মানা যায় না। যেভাবে ৭০-৭৭ এ আধা ফ্যাসিবাদী আক্রমন নামানো হয়েছিল এবং তখনকার সুশীলরা তার বিরুদ্ধে চুপচাপ হাতে ছাপ দিয়েছিল তাতে বিশেষ কিছু ভরসা রাখা যায়না এই সুশীলদের ওপরে। শাঁওলী জয় বিভাসরা রা তো সেইসময়কার শম্ভু মিত্র গৌরকিশোর ঘোষদের ই উত্তরাধিকারী। একইরকম আনন্দসংস্করন।

    রাজ্য সরকারে ক্ষমতায় আসলে এদের প্রধান এজেন্ডা হবে সিপিআইএম কে physically exterminate করা, আরেকটা ৭২ দেখবে মানুষ। তাই সিপিআইএম ও প্রথমেই underground এ চলে যাবে, স্বাভাবিকভাবেই, আগের বারের থেকে শিক্ষা নিয়ে। অবশ্য মানুষ আগের বারের মতই শত্রু মিত্র চিনে নিজেদের পথ বেছে নেবে।

    সুশীলদের এই ঘুষ খাবার ব্যপারটা ঠিক এই জন্যেই তাৎপর্যপূর্ণ!
  • h | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ১৭:২৭430061
  • ২০১১ তে সরকারে তৃণমূল এলে দেখা যাবে, আরেকটা জিনিস হবে। হঠাৎ দেখা যাবে, অদ্ভুৎ কর্মসংস্কৃতি ফিরে এসেছে, চারিদিকে উৎসাহ। উন্নয়ন হুহু করে এগোচ্ছে। আর সিপিএমের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে অসংখ্য লোক মারা যাচ্ছে :-) সেই খবর গুলোর উপরে অপ-এড লেখা হবে, রেলের বিশেষ কমিটির বিশেষ কাজ। অবশ্য তখন, রাজ্য সরকারের বিশেষ কমিটি আর রেলের বিশেষ কমিটির মধ্যে মাঝে মাঝে ঝগড়াও হবে। কে বেশি বিশেষ সেই নিয়ে হয়তো তারানন্দে দীর্ঘ ডিবেট হবে।
  • aka | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ১৭:৪০430062
  • ধ্যাৎ এসবের জন্য তিনোমুলের কোন দরকার নেই, এতো এখনই দিব্যি হচ্ছে।
  • dukhe | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ১৮:৫৬430063
  • সব ঘেঁটে গেল। সুমন বিভাস জয় শঙ্খ - এনারা হাতে ছাপ দেন ? মানে সেই মানুদার পার্টি ? যিনি কমুনিস্টদের সমর্থনে জিতেছিলেন ? নাকি এরা ভাজপা ? মানে সেই আদবানি বাবু, য্যোতি বসু যাঁর হাত ধরে ব্রিগেডে ফোটো সেশন করেছিলেন? সুমন সিপিয়েমের ঘুষ খেয়ে এসব বলেছে?
  • SB | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২০:০৪430064
  • সেকি কথা, আমি তো সুমনের কন্সটিটুয়েন্সির বাসিন্দা, দেওয়ালে দেওয়ালে লেখা দেখি "কংগ্রেস সমর্থিত তৃনমূল প্রার্থী কবীর সুমন কে ভোট দিন," ওপরে সনিয়া গান্ধি আর মনমোহনের ছবি, নিচে সুমন হাসি হাসি পোজে নমস্কারের করছেন :-)

    তবে সুমন ঘুষ খান না, খেতেও পারেন না! শাঁওলী জয় বিভাস রাও মুখ বন্ধ রাখার জন্যে ঘুষ খাচ্ছেন তাও নয়। ঐ হ বাবু লিখেছেন না, ২০১১'র পরে 'গষ্ঠিদ্বন্দ্বে' সিপিআইএমের ক্যাডাররা খুন হবেন, আর সুশীলরা মাসে মাসে ৫০,০০০ টাকা করে পকেটে ভরে কালচার করবেন।

    শুধু বলছিলাম এটাই ট্র্যাডিশন, এনারা শম্ভু মিত্র গৌরকিশোর ঘোষের উত্তরাধিকারী কিনা, যাঁরা ইন্দিরার এমারজেন্সীকেও সমর্থন করেছিলেন।
  • kallol | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২০:৪৯430065
  • ভাই এসবি - আর কতো ভাটাবে। গৌরকিশোর ঘোষ জরুরী অবস্থার বিরোধীতা করে জেলে গেলেন। নিজের চোখে দেখা মাইরী বলছি।
    আর শম্ভু মিত্র কবে জরুরী অবস্থা সমর্থন করেছিলেন জানি না। উনি চিরকাল এসব থেকে দূরে থাকতেন। আমাদের তখন রাগ হতো। উনি বন্দীমুক্তির সমর্থনেও আসেন নি, জরুরী অবস্থার সমর্থন বা বিরোধীতা কোনটাই করেন নি।
  • saikat | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২০:৫৪430066
  • কল্লোলদা বলে দিয়েছেন। গৌরকিশোর ঘোষ এমার্জেন্সীকে সমর্থন করেছিলেন পড়ে বিষম খেলাম। যুক্তি-তর্ক-তথ্যের জলাঞ্জলি চলছে।
  • dukhe | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২১:০৪430067
  • বিরোধিতা করে জেলে যেতে পারেন - কিন্তু সমর্থন করেইছিলেন নির্ঘাত। এ নিয়ে প্রশ্ন তোলাটা সেরেফ মার্কিন চক্রান্ত।
  • PT | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২২:১৩430068
  • পকাবুরা নাকি দুভাগে ভাগ হয়ে গেছেন?

    In the competition between the two camps, some of Mamata’s decisions are seen as showering favours on a select few. Suvaprasanna is the chairman of the passenger amenities committee of the railways, Nachiketa is a regular feature in railways shows and Mitra heads the heritage committee of the railways.

    http://www.telegraphindia.com/1091121/jsp/frontpage/story_11768118.jsp
  • PT | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২২:১৭430069
  • @ Kallol

    শম্ভু মিত্রের জরুরী অবস্থাকে সমর্থনের কথা আজিজুল বাবুর লেখাতে বহুবার পড়েছি। সত্যি কিনা জানিনা।
  • kallol | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২২:৫৬430071
  • আজিজুলদার কোন লেখা যদি বলতে পারো তো পড়ে দেখি।
    অবশ্য আজিজুলদা এবং তাবৎ বাঙ্গালী কমিউনিষ্টকূল শম্ভুবাবুর উপর বেজায় ক্ষ্যাপা। উনি নাটকের ব্যাপারে সুধী প্রধানের ছড়ি ঘোরানো বরদাস্ত করেন নি। তাই গণনাট্য ছেড়ে চলে আসেন। তো, ব্যস - ওটা প্রতিক্রিয়াশীল সিআইয়ের দালাল। কাজেই আজিজুলদার শম্ভু মিত্র নিয়ে মন্তব্য, কিঞ্চিত ঘেঁটে যাওয়া সূত্র।
  • dd | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২৩:১৭430072
  • এমার্জেন্সী দিন গুলো পষ্টই মনে আছে। ৭৬ তো? তখন সদ চকরী কচ্ছি।

    পচ্চিম বংগের সুশীলেরা মোটামুটি এমার্জেন্সীকে এড়িয়ে গেছিলেন। ডিনায়াল। কিছু নামকরা দক্ষিনপন্থীরা তাও প্রতিবাদ করলেন। জ্যোতি দত্তের কলকাতা ম্যাগাজিন ছাপালো গৌর কিশোর ঘোষের ল্যাখা। ফলত: উনি গেলেন জেলে। জেলে ঢুকলো বরুন সেনগুপ্তও।

    কোনো নামকরা সুশীল ট্যাঁ ফোঁ করে নি। ইন্দিরা গান্ধী রাজভবনে এক সাক্ষতকারে ডাকলে প্রায় ১০০% উপস্থিতি ছিলো।

    তবে এখনো মনে পরে না, একজন, একজন বিদ্বজন ও চিৎকৃত সাপোর্ট করেছিলেন এমার্জেন্সীকে। কারুর কথা মনে পরছে না। একজন ও না।
    শম্ভু মিত্তির (শম্ভুদা) আনুষ্ঠানিক ভাবে এমার্জেন্সীর সাপোর্টার ছিলেন সেটা কোনো দিন ও শুনি নি। এখন শুনে তাজ্জব বনলাম।
  • Arpan | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২৩:২৬430073
  • গৌরকিশোর ঘোষের ওই সময় জেলে যাওয়া তো সুবিদিত। আরেক আনন্দবাজারী বরুণ সেনগুপ্তরও।

    আরেক বামদলের প্রচারপত্রে দেখলাম এই জিনিস লিখেছে :

    During the Emergency when Jai Prakash Narayan was trying to build up a united mass movement against the Indira Government CPI(M) kept itself aloof from the movement on the plea that the reactionary Jan Sangh Party (the progenitor of the present BJP) was a partner. Yet, when Emergency was lifted in 1977, CPI(M), which had practically gone into hibernation during the Emergency, tried to gain a foothold by forming an alliance with the Janata Party which was then led in West Bengal by the most hated leader of the old Congress Party.

    কে যে ছাই সত্যি বলে!
  • SB | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২৩:৩৬430074
  • গৌরকিশোর ঘোষের ব্যাপার টা ভুল লিখেছি, অন্য একটা ঘটানার সাথে গুলিয়ে ফেলে। একটু পরে এসে লিখছি এই সুশীলদের এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক মিডিয়া সম্পর্কে।
  • SB | ২১ নভেম্বর ২০০৯ ২৩:৩৮430075
  • ধরা যাক ১৯৬২ সালের ভারত চীন সঙ্ঘর্ষের কথা। যুদ্ধোন্মাদনা জাগিয়ে তোলার জন্য, এবং উগ্র দেশপ্রেমের জোয়ারে মানুষকে ভাসিয়ে কম্যুনিস্টদের কচুকাটা করবার জন্য আনন্দবাজার উঠে পড়ে লেগেছিল। ‘দেশ’ পত্রিকার পাতায় ‘শিল্পির স্বাধীনতা’ বলে একটি কলাম খুলে বিভিন্ন শিল্পি সাহিত্যিক কে দিয়ে লেখাত, যে লেখার মুল প্রতিপাদ্য ছিল কিভাবে তারা একসময় সমাজতন্ত্রের দিকে আকৃষ্ট হয়েছিলেন, কিন্তু সেখানে মানুষের স্বাধীন মতপ্রকাশের উপর গলা চেপে ধরা দেখে তারা সেই আদর্শ পরিত্যাগ করেন। এই কলামের নেতৃত্বে ছিলেন শ্রদ্ধেয় তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশপ্রেমের সেই ঢক্কানিণাদে বিভ্রান্ত হয়েছিলেন অনেক বামপন্থী সাহিত্যিক-ও, যেমন নারায়ন গঙ্গোপাধ্যায় বা দীনেশ দাস। মনোজ বসু তাঁর ‘চীন ঘুরে এলাম’ বই এর হাজার হাজার কপি তখন প্রকাশ্য রাস্তায় সহস্তে পোড়ান, অতীতে চীনার প্রতি ভাল ভাল কথা লেখার পাপের প্রায়শ্চিত্তস্বরুপ। তপন সিনহা বানালেন উগ্র দেশপ্রেমের ছবি ‘আমার দেশ’ যাকে আনন্দবাজার আখ্যা দিল ‘স্বাধীন গণতন্ত্রের দেশপ্রেমিক শিল্পির এক অনবদ্য সৃষ্টি’ হিসেবে। সত্যজিত রায় চীনার বিরুদ্ধে একটিও বিষোদ্‌গার না করায় ক্রুদ্ধ আনন্দবাজার তার সম্পাদকীয় তে প্রশ্ন তোলে জাতির এই সংকট কালে সত্যজিত নীরব কেন? স্থিতধী অন্নদাশঙ্কর রায় তাঁর মতপ্রকাশে ছিলেন অবিচল। একবার আনন্দবাজারের পাতায় অন্যরকম লেখার পরেই গৌরকিশোর ঘোষ ঝাপিয়ে পড়েন, ফতোয়া জারি করেন যে জাতির এই দুর্দিনে এখন ওসব কথা বলা চলবে না। সমরেশ বসু এবং প্রেমেন্দ্র মিত্র কে হিংস্র আক্রমণের মুখে পড়তে হয় চীনবিরোধী কথা না বলার জন্য।
  • pinaki | ২২ নভেম্বর ২০০৯ ০০:১০430076
  • এইটা শাক্যর একটা লেখার অংশ না? :-o
  • SB | ২২ নভেম্বর ২০০৯ ০০:১৫430077
  • হ্যাঁ, হুবহু
  • pinaki | ২২ নভেম্বর ২০০৯ ০০:৪১430078
  • তাহলে একটা কোটেশন মার্ক দাও অ্যাট লীস্ট। প্লেগিয়ারিজম এর কেস খাবে তো। ;-)
  • SB | ২২ নভেম্বর ২০০৯ ০০:৫৭430079
  • পিনাকি, চাপ নিও না :-) আসলে ঐ ব্যাপারে কিছু লেখার ছিল, লিখব ভেবেও লিখলাম না, কারন যাদের সম্পর্কে ব্যাপার তারা তো মৃত, আত্মপক্ষ্য সমর্থনের সুযোগ নেই। আর ঘটনাগুলো তো এখন আর proof করাও সম্ভব নয়। A'version যদি B'version এর সাথে conflict করে তাহলে কার versionটা আমি সত্যি বলে মানব সেটা একন্তই subjective ব্যাপার। তাই সেসব ভেবে সাক্যর লেখাটা তুলে দিলাম।

    যারা সেই সময়ের কথা যানেন, মনে আছে, যেমন কল্লোলদা, তখন কি বরুন সেনগুপ্ত anti-emergency, anti-Indira একটা কলাম লিখতে লিখতে মাঝপথে থেমে গেছিলেন?
  • kallol | ২২ নভেম্বর ২০০৯ ০২:২১430080
  • আনন্দবাজার ৬২তে কমিউনিষ্ট বিরোধী অবস্থান থেকে ৭৬এ ইন্দিরা বিরোধী অবস্থানে যায়।
    যদিও নীতিগতভাবে আনন্দবাজার চিরকালই কমিউনিষ্ট বিরোধী, বাজার ও গণতন্ত্রের পক্ষে। এই অবস্থানের একটা ঝামেলা হলো, বাঙ্গালী বাজার ও গণতন্ত্রকে সমার্থক বলে ভাবে। আর বাজার বিরোধীতাকে মার্কসীয় সমাজতন্ত্রের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে। অবশ্য এতে বাঙ্গলার কমিউনিষ্ট পার্টির অবদানও কম নয়।
    বরুণবাবু রাজ্য রাজনীতি নামে একটা কলাম লিখতেন। সেটাতে উনি জরুরী অবস্থা এবং সিদ্ধার্থ-ইন্দিরা বিরোধী লেখা লিখতে থাকেন। যদিও লেখাগুলো সেন্সরড হয়ে যেতো। পরে লেখাগুলো একসাথে ছাপা হয়।

    আর সিপিএমএর ৭২-৭৭? সে তো আগেই বলেছি। একেবারে স্পিকটি নট। একটা ভুখা মিছিল। আর হরেকৃষ্ণ কোঙারের শেষ যাত্রা। সেটা অবশ্য কোন আন্দোলন নয়। কিন্তু শক্তি প্রদর্শন তো বটেই।

    অরিজিত তো বলল - কি সব পড়শুনো করে জানাবে।

    বসে আছি পথ চেয়ে.........
  • nyara | ২২ নভেম্বর ২০০৯ ০৪:২২430083
  • শম্ভুবাবু গণনাট্য থেকে বেরিয়ে আর কখনই সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে সংস্রব রাখেননি। জরুরী অবস্থা সম্বন্ধে কিছু বলেছিলেন বলেও শুনিনি। তবে উনি একটা মন্তব্য করেছিলেন, যেটা নিয়ে খুব সোরগোল হয়। উনি বলেছিলেন, কোন এক সময়ে পুলিশ ও প্রশাসনকে বিশ্বাস করতে হয়। এ নিয়ে অনেকে গোলমাল পাকিয়েছিল। তবে সিপিএম তো জেনেরালি বুশ ডকট্রিনে বিশ্বাস করে এসেছে, either you are with me or against me. ফলত: শম্ভুবাবুর জাতীয় নাট্যমঞ্চ করার জন্য জ্যোতিবাবুর অঙ্গীকার করা জমি বুদ্ধবাবুদের জন্যে কোনদিনই আর সরকার থেকে পাওয়া গেল না। সাধারণ মানুষের থেকে তোলা পয়সা শম্ভুবাবুদের পাই-পাই করে ফেরত দিতে হল।

    এখন লালফেট্টি বাঁধা কলমচীরা যখন পকাবু বলে ব্যঙ্গ করেন, তখন জানতে ইচ্ছে করে রঙ না দেখে সিপিএমের রাজ্যে কবে কোন শিল্পী সাহিত্যিক কল্কে পেয়েছেন? আজকের বুদ্ধজীবীদের মধ্যে মহর্ষি সুনীল বা রাজর্ষি বুদ্ধদেব গুহ - এনাদের ঐ সময়কার অবস্থানগুলো জানতে পারলেও মন্দ হতনা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন