এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হিন্দমোটর - পরশু কাল আজ

    pi
    অন্যান্য | ২৭ জুলাই ২০১৫ | ২৬৭০৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৬:৪১683191
  • প্রাইভেটাইজেশনের মুল উদ্দেশ্য ছিলো ডিজিনভেস্টমেন্ট, ডেফিসিট কমানো। আপনি বোধয় তখন খবর রাখতেন না।

    "সেগুলো কিনবে কে?" দাদা অনেক লোকে বসে আছে এইসব ভালো সরকারি কোম্পানিগুলোর শেয়ার কেনার জন্যে। এতো ভালো রিটার্ণ কোথায় পাবে, অথচ এতো সেফ। দেশি, বিদেশি সবরকম ইনভেস্টর আছে। এখনো কোনো সরকারী কোম্পানির আইপিও ভাবে ফ্লপ হতে দেখেছেন? লাস্ট করেছিলো কোল ইন্ডিয়া, ১৪ টাইম্স ওভার সাবস্ক্রাইব্ড।

    "৪নং তো রীতিমত - এসবিআই প্রাইভেট হলে দেশে দুর্নীতি কমবে - হা হা"ঃ দেশে না, ব্যান্কে। আপনি কি মনে করেন এসবিআই এর আপিসাররা সব ফিরিতে লোন দেয়।

    দাদা একটু খোঁজ খবর নিয়ে, পড়াশুনা করে তবে তক্কে নামুন। নইলে শিরোপা তো আপনার মাথায় উঠবে উঠবে করছে।
  • S | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৬:৫০683192
  • "ওভারঅল, ভেরি ভেরি নাইভ কমেন্ট্‌স।"

    এইটা তো আপনি কোনো যুক্তি না দিয়ে, আমার প্রোফাইল না জেনেই লিখে দিলেন। নইলে হয়তো আপনার নিজের নাইভিটি নিয়েই শর্মিন্দা হতেন।

    আর ৪ নম্বর পয়েন্ট পড়ে যে দেশের দুর্নীতির কথা ভাবে, তার নাইভিটির পরিচয় পাওয়া হয়ে গেছে।
  • | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৬:৫৮683193
  • লেট আস গ্রি টু ডিসেগ্রি !!
  • lcm | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৭:১৪683194
  • আরে বাবা, কয়েকটা কমেন্ট একটু নাইভ মনে হয়েছে। আমার অনেক কমেন্টও অনেকের এমন মনে হয়। ও তেমন কিছু নয়।

    আর, প্রোফাইল জানি না - সেটা ঠিক। কারো প্রোফাইলই জানি না। রেজিউমে না জেনে তক্কো করা যাবে না বলছ। তাইলে তো আগে আমারই কমেন্ট বন্ধ করা উচিত। বেশ, তবে তাই হউক।
  • S | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৭:২১683195
  • লসাগুদা, আচ্ছা ওসব কথা ছেড়ে দিন। আমি ভেবেছিলাম আপনার সাথে একটা কাজের তক্ক হবে। কিন্তু আপনি যুক্তি ছাড়া যদি নাইভ কমেন্ট করেন তাইলে তো মুশকিল। নইলে রেজিউমে নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যথা নেই। কেউ যুক্তি দিয়ে দেখালে আমি কিছু জানবো, শিখবো, আরো ভাবনা চিন্তার মাল মশলা পাবো।

    একটা উদাহরণ দিঃ আপনি বলেছেন আমার ১ নম্বর পয়েন্টটা নাইভ। গত ইউনিয়ন বাজেটে গভের প্ল্যান্ড এক্সপেন্ডিচার ৫ লক্ষ কোটির কম। আর এসবিআইতে গভের ইনভেস্টমেন্ট ১।২ লক্ষ কোটি টাকা।
  • | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৭:২৩683196
  • "তর্ক করার নিয়ম কানুন" এই রকম একট বই লেখা না কেনে এল সি এম দা? ঃ)
  • S | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৭:২৪683197
  • আর লসাগুদা, আপনি তো ডেটা ছাড়া কোনো কথা বলতেন না। সেইজন্যেই আপনাকে আমার এতো ভালো লাগতো। এবং এই নিয়ে আপনি আমাকে একটা ভ্যালিড কারণও বলেছিলেন।
  • | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৭:২৬683198
  • হাজার হোক স্ট্যাটিসটিকস র লোক তো। স্বভাব যাবে কোথায়? ঃ))
  • S | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৭:২৮683199
  • অথচ আমি এতো কিছু লেখার মধ্যে আসল প্রবলেমটা কিন্তু লিখে দিয়েছি। কেউ সেদিকে একবারও কেউ নজর দিলোনা। "টু বিগ টু ফেইল"।
  • ranjan roy | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৮:১৪683201
  • কয়েকটা জিনিস বুঝতে চাইঃ
    ১) সরকারী ব্যাংকের অফিসারদের লোন দেওয়া নিয়ে দুর্নীতি ওপেন সিক্রেট। কিন্তু পেরাইভেট ব্যাংকে লোন দিতে দুর্নীতি নেই? ভালো জানি না। এ ব্যাপারে কোন এক্সপোজার নেই। তাই জানতে চাই।

    ২) গোল্ডম্যান স্যাক্স/লেম্যান ব্রাদার্সের সঙ্গে এসবিআইয়ের যে তফাত, তা গোটা ভারতীয় ব্যাংকিং ও উন্নত দেশগুলোর ব্যাংকিং ব্যবস্থার তফাত। মনে হয় এই জন্যেই আম্রিকায় পেরাইভেট ব্যাংকগুলোকে সরকার বাধ্য হয়ে ট্যাক্সপেয়ারের পয়সায় বেইল আউট করেছে। কিন্তু ভারতের ব্যাংকিং সিস্টেম একটু পুরনো পন্থী হয়ে টিঁকে গেছে।
    ৩) মাঝে মাঝে ক্যাপিটাল ইনফিউশন? তাতে সরকারের পয়সা ডোবে নি। বরং ডুবতে থাকা ব্যাংকগুলো ওভার দা পিরিয়ড বিজনেস স্ট্র্যাটেজি বদলে বাস্কেট বদলে প্রফিট করে সেসব ফেরত দিয়ে দিতে পেরেছে।
    ৪) এন পি এ বা নন-পারফর্মিং অ্যাসেটঃ
    কোন সন্দেহ নেই লোন-অ্যাসেটের এই ভাবে ভ্যালুয়েশন ও ইনকাম বুকিং এ রেস্ট্রিক্শন অনেক বেশি পারদর্শিতা এনে দিয়েছে। উইনডো-ড্রেসিং এর সম্ভাবনা অনেক কম করে দিয়েছে।
    হ্যাঁ, টার্ম লোন বা ইনস্টলমেন্ট লোনের ক্ষেত্রে এক কোয়ার্টারের পয়সা না আসলে বা ক্যাশ ক্রেডিট লিমিটের ক্ষেত্রে ইন্টারেস্ট সার্ভিস না হলে সেটা এন পিএ তে সাব স্ট্যান্ডার্ড অ্যাসেটে বুক হবে। এক নিশ্চিত সময়ে সেটা স্ট্যান্ডার্ড ন হলে সেটার প্রভিশন বেড়ে যাবে।
    সমস্ত এন পি এর জন্যে ক্ড়া হাতে প্রভিশন হয়। অর্থাত প্রফিট থেকে একটা অংশ আলাদা করে সরিয়ে ব্যাড ডেট রিজার্ভ ফান্ডে রাখা হয়। যেদিন এই লোন সত্যি সত্যিই রিকভারির অযোগ্য হবে এবং তার কোল্যাটারাল সিকিউরিটি ন্যূন হবে তখন এই রিজার্ভ ফান্ডের প্রভিশন থেকে অনেকটা অ্যাডজাস্ট হবে।
    এমনকি স্ট্যান্ডার্ড অ্যাসেটের জন্যেও সামান্য প্রভিশন করা হয়, কারণ কিছু অ্যাসেট আজ স্ট্যান্ডার্ড হলেও কাল ব্যাড হবার সম্ভাবনা থাকে।
    এই কড়া হাতে প্রভিশন ভারতীয় ব্যাংকের বড় সুরক্ষা।
    ৫) ইদানীং সব সরকারী ব্যাংক বীমা ইত্যাদি ব্যবসায়ে এজেন্টের কাজ করে কমিশন পাচ্ছে।
    ৬) ওপরে যে সব ব্যাংকের ব্যাড হেল্থ নিয়ে রিপোর্ট কোট করা হয়্ছে তা শর্ট টার্ম প্রবলেম বলেই মনে হয়। সিকিউরিটাইজেশন অ্যাক্ট ও একলাখের ওপর ব্যাংকের ব্যাড লোন নিয়ে অ্যাসেট নিলাম করার সরল প্রক্রিয়া ( কৃষি উৎপাদন ঋণ বাদে) ব্যাংকের রিকভারি প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সরল ও অল্প সময়ে এফেক্টিভ করে দিয়েছে।
  • S | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৮:৩২683202
  • ১) রন্জন বাবু, প্রাইভেট ব্যান্কের লোন আপিসাররা মোটামুটি অনেস্ট বলেই জানি, নইলে চাকরি যাবার ভয় আছে। জানা জানি হলে ইনভেস্টররা চাপ দিতে পারে ইত্যাদি। তবে অন্যদিকে সেলসের চাপ থাকে, ফলে কিছু ভুল ভাল লোন ইস্যু করা হয়। এইটা আমার একেবারেই নিজস্ব অভিগ্যতা। সরকারি ব্যান্কের কথা আমার বন্ধুর মুখ থেকে শুনেছি, সেসব বিচ্ছিরি ব্যাপার স্যাপার - বেচারা চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলো।

    ২) গোল্ডম্যান আর লিম্যান কিন্তু ব্যান্ক নয়, ইনভেস্টমেন্ট ব্যান্ক ছিলো। অনেক বেশি রিস্ক নিতে পারে, ডিপোজিট রাখতো না, ইত্যাদি। এখন গোল্ডম্যান মনে হয় ব্যান্ক হয়েছে।

    ৬) আপনি বোধয় সারফেসি অ্যাক্টের কথা বলছেন। হ্যাঁ এতে করে অবশ্যই রিপজেশন অনেক সহজ হয়েছে। এছাড়া আর্সিলের মতন কোম্পানিও খোলা হয়েছে।
  • lcm | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ১৯:৫০683203
  • এস,
    আরে না, তক্কো তো এমন হয়। আসলে তুমি বলছ এক কথা আর আমি বলছি আর এক কথা। আর তক্কে যা হয়, আমরা আমাদের কথা বলতেই থাকি। আর তক্কের সময় একটু ঐ - ধুর কি সব ফালতু বকছে, বা নাইভ, বাল্যখিল্য/ইনফ্যান্টাইল.... ইত্যাদি.... দুপক্ষই একটু আধউ বলে থাকে...

    তাছাড়া, এ আর এমন কি তক্কো। তক্কো হত শ্যামলের সঙ্গে - ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরী করে বেকারত্ব সমস্যা মেটানো বা জিডিপির সঙ্গে জীবনযাত্রার মানের সম্পর্ক নিয়ে.... আরো অনেকের সঙ্গে হয়েছে, সব মনে নেই...

    তবে বোতিন ভালো আইডিয়া দিয়েছে, গুরুতে তক্কের ইতিহাস নিয়ে লেখা ...
  • pi | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ২০:৪৬683204
  • শ্যামলবাবুর সাথে তক্কো প্রসঙ্গে মনে পড়ে গেল, তখন শ্যামলবাবু ছিলেন প্রায় একা, এখন ওঁর মতো মত, বা আরো এক্সট্রিমে, সেটা গুরুতে সংখ্যাগুরু ঃ)
    তক্কের ইতিহাসে বড়সড় 'পরিবর্তন' ঃ)
  • pinaki | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ২২:৪৬683205
  • স্টেটব্যাংক না আইসিআইসিআই কে বেশী করাপ্ট আর কে বেশী এফিশিয়েন্ট এই তর্কটা অবান্তর। যেমন অবান্তর অ্যাম্বাস্যাডার ভালো গাড়ি নাকি মারুতি। আসল প্রশ্নটা হল শ্রমিকদের কথা কে ভাববে? কেবল ইনভেস্টরদের স্বার্থ দেখলেই চলবে, তাহলে আপনা থেকেই শ্রমিকের অবস্থার উন্নতি হবে - এইটা একটা স্কুল অফ থট। আজকের দিনে অধিকাংশ শিক্ষিত, মেইনস্ট্রীম, চাকরি করা জনতা এভাবেই ভাবে। এটা এমন নয় যে শুধু অ্যানেকডোটের ওপর টিঁকে আছে। এটা একটা সুগঠিত স্কুল অফ থট, তাই তার পেছনে বইপত্র, জার্গন, সংখ্যাতত্ত্ব - কোনোকিছুই কম নেই। কিন্তু তার মানেই সেটা বিতর্কের ঊর্ধ্বে, এমন ভাবারও তো কোনো কারণ নেই। বাস্তবে সমস্যা গুলো তো সমস্যাই থাকছে। কারখানা বন্ধ হচ্ছে, শ্রমিকদের পেটে টান পড়ছে, ওদিকে ব্যাংকারদের আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে - এসব তো আমরা এই পৃথিবীতেই দেখতে পাচ্ছি। মঙ্গল গ্রহে তো নয়। কাজেই এই প্রশ্নগুলো তো উঠবেই, এসইজেডের নামে বিপুল কর ছাড় দেওয়া উচিত কিনা, নাকি সেই টাকা অন্যভাবে ব্যবহার করা উচিৎ, শিল্পপতিদের ওপর রেগুলেশন আরও বাড়ানো উচিৎ কিনা, তাদের ট্যাক্স ছাড় দেওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত - ইত্যাদি ইত্যাদি। জমি অধিগ্রহণ নিয়ে কথা উঠলে এখানে লোকজন ব্যাঙ্গ করে ফাটিয়ে দেবেন, অথচ সারা ভারতে জমি অধিগ্রহণ একটা সিরিয়াস ইস্যু, এমনকি বিদেশেও। ব্যাপার হল কেউ অন্ধ হলেও প্রলয় বন্ধ থাকে না। এখানে শিল্পপতিকে বেশী ট্যাক্স দিতে বললেই সকলে রে রে করে উঠবে - এবাবা তা আবার হয় নাকি! সবাই নাকি ব্যাবসা গুটিয়ে অন্যত্র চলে যাবে। যেতে দিন না, দেখুন না কত ধানে কত চাল। সুইডেনে কর্পোরেট ট্যাক্স ২২%। সেটা দিতে হচ্ছে বলে সব শিল্পপতি অন্য দেশে চলে যাচ্ছে? একদিকে 'ওরে বাবা, সরকারকে ট্যাক্স দিতেই লাভের গুড় পিঁপড়েয় খেয়ে গেল' বলে গালমন্দও করছে, আবার অন্যদিকে সেখানেই দিব্যি সুড়সুড় করে ব্যাবসাও করছে। কোত্থাও কেটে পড়ছে না। দুনিয়ায় এই উদাহরনগুলো ও আছে। আমার মনে হয় শিল্পপতির জুতো পায়ে গলিয়ে দুনিয়া দেখার কাজটা শিল্পপতিদেরই করতে দিন। তাঁদের দুঃখে বিচলিত হওয়ার জন্য অনেক তাবড় তাবড় মন্ত্রী আমলারা আছেন। আমরা সাধারণ মানুষেরা বরং অন্যান্য সাধারণ মানুষের দুঃখে বিচলিত হওয়ার চেষ্টা করলে হয়তো কাজে দেবে। সমাজে ব্যালান্স আসবে।
  • pi | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ২২:৫৯683206
  • এঃ, পিনাকীদাও লোকজনের বিবেকে করাঘাত করার মত অপকর্ম করে ফেললো !
  • PT | ০৭ আগস্ট ২০১৫ ২৩:১০683207
  • "আমরা সাধারণ মানুষেরা বরং অন্যান্য সাধারণ মানুষের দুঃখে বিচলিত হওয়ার চেষ্টা করলে হয়তো কাজে দেবে।"

    যেমন সিঙ্গুরের চাষীদের ব্যাপারে "দুঃখে বিচলিত" হয়ে তাদের হাতে ভিক্ষাপাত্র ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে?
  • S | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০০:১৬683208
  • ১) সুইডেনের সাথে ইন্ডিয়ার তুলনা? শ্রমিক দরদী চরম বামপন্থীর মুখে এ কি শুনি!!!
    ২) সুইডেনের কর্পোরেট ট্যাক্স রেট বেশি না ইন্ডিয়ার?
    ৩) ইন্ডিয়াতে শিল্পের দরকার বেশি না সুইডেনে? কোন দেশে কত বেকার? কোন দেশে কতো লোকে অনাহারে থাকে?
    ৪) ডেভেলাপ্ড দেশের কোম্পানিরা ট্যাক্সো বাঁচায় না বলছেন? তবে যে আমেরিকার বেশির ভাগ কোম্পানিরা ডেলাওয়ারে রেজিস্টার্ড হয়। অনেক কোম্পানি বিদেশের ইনকাম দেশে নিয়ে আসেনা। আপেল তার ইউরোপের ইনকামকে নেদারল্যান্ডসে আর ইংল্যান্ডে দুইবার ঘুরিয়ে ট্যাক্সো বাঁচায়।
    ৫) আর লোকে বলছে (এই কালকে রিপাবলিকান ডিবেটেও শুনলাম) সব ম্যানুফ্যাকচারিঙ্গ জব নাকি দেশ ছেড়ে চলে গেছে।

    "আসল প্রশ্নটা হল শ্রমিকদের কথা কে ভাববে?"
    সত্যি কথা কে ভাববে? কে ভেবেছে এখনো অবধি? যাঁরা ইন্ডিয়ার শ্রমিকের স্বার্থে সুইডেনের কথা মনে করেন।

    অসাধারণ। শ্রমিকদের নামে এই ভন্ডামো আর কাদিন দেখতে হবে। যারা সাম্যের এতো বড় গায়ক, তারা তাদের আয়ের থেকে দেশের অ্যাভারেজ ইনকাম বাদ দিয়ে বাকিটা নিস্চই গরীবদের জন্যে বিলিয়ে দেন। নাকি বাড়ি, গাড়ি, ক্রেডিট কার্ড, আমেরিকা-ইউরোপ ভ্রমন, ফ্ল্যাট স্ক্রিন টিভি, দামি স্যাম্পেন, ইত্যাদি মোচ্ছবে দান করে সাম্যবাদের আন্দোলনকে আরো এক হনুমান সমান লাফে এগিয়ে নিয়ে যান।
  • একক | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০০:৫৩683209
  • শ্রমিকদের কথা ভাবতে গেলে আগে এম্বাসাদর গাড়ি হিসেবে এত ফেইলীয়র প্রোডাক্ট কেন হলো ভাবতে হবেনা ? ?

    এরপর তো শুনব এইরকম যুক্তি : প্রশ্নপত্রের মান ফান ছাড়ুন ছাত্রদের পাশ করানো নিয়ে কে কবে ভেবেছে ? মানে পিনাকিবাবুর যুক্তির ধারায় এটা আসা কোনভাবেই বিচিত্র না ! এভাবে টুকলি থেকে ক্লাস বাংক সবকিছু ছাত্রদরদী হয়ে যায় ।

    আপনারা শ্রমিকের ভালো চান না । চাইলে বুঝতেন , শ্রমিক ভিকিরি নয় । এনি ফর্ম-এ প্রোডাক্ট বেচে খায় বলেই শ্রমিক। প্রোডাক্ট না দাঁড়ালে শ্রমিক এর ও দাঁড়াবেনা । ভোটের স্বার্থে আপনারা এটা শ্রমিককে বুঝতে দেন নি । নিজেরা যে প্রোডাক্ট কোনদিন কিনবেননা তার হয়ে ওকালতি করেছেন শুধুমাত্র্র শ্রমিকের ভোটের স্বার্থে । এটাকে কমরেডশিপ বলেনা । ভুবনের মাসিগিরি বলে । ভুবনের মাসি একচুয়ালি কী চেয়েছিল মনে আছে তো ? ভুবন যেন অপশনলেস হয়ে যায় । আপনারাও তাই করেছেন । রাজ্যে অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং এর উন্নতি নেই । নতুন গাড়ি কারখানা নেই প্রতিযোগিতা নেই । গাড়ির ডিসাইন তো শ্রমিক শেষ কথা বলেনা । কিন্তু তার সামনে কোম্পানি বদলের অপশন দেন নি আপনারা । যেটা আপনাদের নিজেদের আছে।

    আচ্ছা , পশ্চিমবঙ্গের লোক বাইরে চলে যাচ্ছে এই প্রেক্ষিতে তো অনেকে বলেন বাইরে যাওয়াই তো ভালো ওমা এই দেখো আমরা ভারত থেকে কত্তদুরে বসে আচি :))) তা এইক্ষেত্রেও কী বলবেন ? অপশন করে দেওয়ার আমরা কে ? শ্রমিক বাইরের রাজ্যে গাড়ি কারখানায় গেলেই পারত ! ?

    কদ্দিন চলবে এইভাবে স্যার "দরদী" রাজনীতি করে ? :P
  • S | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০০:৫৯683213
  • নিন এইটা সার্চ দিয়ে পড়ুন; ট্যাক্সো না দেওয়ার অভিনব উপায়ঃ

    "Double Irish With a Dutch Sandwich"
  • ranjan roy | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৯:২২683214
  • আলোচনাটা অন্যদিকে চলে গেল না তো!
    শিল্পপতিরা সবসময়েই ভাববে কি করে লাভ আর একটু বাড়ানো যায়। দাম বাড়িয়ে বা আন্ডারকাটিং করে মার্কেট শেয়ার বাড়িয়ে, ট্যাক্স বাঁচানোর ফাঁক ফোকর খুঁজে, দরকার হলে ঘুষ দিয়ে, দরকার মত স্ট্রাইক করিয়ে বা ভেঙে, পলিসি লেভেলে গলা চড়ানোর জন্যে এমপি/এম এল এ/ মিডিয়া কিনে। ইহাতে আশ্চর্য কি বা!
    -- তাই আয়ারল্যান্ডে বা অন্যত্র কর্পোরেট অফিস খুলে কম ট্যাক্স দেওয়াতে এটা কি খারিজ হল যে অ্যাপল বা অন্যেরা আম্রিকাতে বিজনেস করছে না? বা হাই ট্যাক্স দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না?
    ট্যাক্স বাঁচাতে অন্য দেশে শিফ্ট করার কস্ট ও মার্কেটিং এর প্রবলেম নিয়ে কম্পারেটিভ স্টাডি না করেই কম্পানি গুলো শুধু ট্যাক্সের ভয়ে পালাবে? কোম্পানির কস্ট বা অন্য ফ্যাক্টরগুলোর মধ্য শুধু ট্যাক্সই কি ডিটারমাইনিং ফ্যাক্টর?
  • ranjan roy | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ০৯:২৩683215
  • সরি! "খারিজ" এর জায়গায় "স্থাপিত" হবে।
  • a | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১০:০৩683216
  • তর্কে দুটো দল। একদল বলে শিল্পপতিদের আমাদের কথা মতো চলতে হবে। আমরা চাই বন্ধ কারখানার জমিতে নতুন কারখানা হোক তাই ওখানেই বানাতে হবে। আমরা চাই শিল্পের জন্য কৃষিজমি নেওয়া যাবেনা তাই নেওয়া যাবেনা। আমরা চাই ৬০০ একরের বেশী জমিতে কারখানা বানানো যাবেনা তাই বানানো যাবেনা। আমরা চাই পুরুলিয়াতে কারখানা খুলতে হবে তাই ওখানেই খুলতে হবে। আমরা চাই অ্যামবাসাডার বানাতে হবে কেউ কেনেনা তো কি অ্যামবাসাডারই বানাতে হবে।

    আরেকদল বলে শিল্পপতিরা আপনাদের কথায় চলবে না লাভ/লোকসান হিসেব করে চলবে। মার্কেটের ডিমান্ড/সাপ্লাই মেনে চলবে। প্রোজেক্ট ভায়াবিলিটি খতিয়ে দেখে চলবে। নাহলে ওদের স্টেকহোল্ডাররা ওদের কোম্পানি গুটিয়ে দেবে। সুতরাং রাজ্য আর শিল্পপতি দুজন দুজনের স্বার্থ কিছুটা দেখে বুঝে চলে তো দুদলের লাভ আর এমপ্লয়মেন্টও জেনারেট করা যায়। প্রথমদল যে এতো শ্রমিকদরদী বুলি ঝাড়েন সেই শ্রমিকরাও কাজের সুযোগ পায়।

    কোনদল ঠিক? সবাই কি অন্ধের হস্তীদর্শন করছে?
  • S | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১০:৩২683218
  • রন্জন বাবু খুব ভালো প্রোস্নো করেছেন। আমি আমার খুদ্র বুদ্ধি দিয়ে উত্তর দিচ্ছি।
    যে পয়েন্টটা ধরে আলোচোনা সেইটি হোলো সুইডেনে ২২% ট্যাক্সো, তাতেও কেউ সেই দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে না।

    আমার মুলত দুটো পয়েন্ট (রিপিট করছি)ঃ
    ১) ইন্ডিআয়র সাথে সুইডেনের অনেক ফারাক। বিশেষত যেখানে ইন্ডিয়ায় অনেক বেশি কাজের দরকার (লোকসংখ্যা, বেকারত্ব, গড় আয়, ইনভেস্টমেন্ট, ইত্যাদি)। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর দেখুন, আমিই কোনো একটি টইতে লিখেছিলাম যে ওখানে ব্যবসা করা কত সহজ। তাই সেখানে ইনভেস্টমেন্ট, আউটপুট ইত্যাদি দেশের সাইজ হিসেবে অনেক বেশি। এখন এই দেশগুলোর সাথে ইন্ডিঅ্যার তুলনা করলে, দেখা যাবে ইন্ডিয়ার কর্পোরেট ট্যাক্সো অনেক বেশি (আরবিআই এর স্যাম্পেলে এফেক্টিভ ট্যাক্স রেট - লসের কোম্পানি গুলোর হিসেব ধরেও ২২%)। ফলে কেউ কেউ দাবি করে বসবেন যে একেবারেই ট্যাক্সো তুলে দাও। এসেজি সেরকমই একটা স্কিম, অবশ্য এসেজির অন্য উদ্দেশ্যও আছে - এক্সপোর্ট বাড়ানো। অতএব ভুল কম্পারিজন।

    ২) ডেভেলাপ্ড দেশেও কিন্তু এই ট্যাক্স একটা বড় ফ্যাক্টর। সেখানেও ট্যাক্সো কমানোর কথা চলছে, হচ্ছে। নইলে কোম্পানিগুলো ফাঁক ফোকর ব্যবহার করছে। এছাড়া গুছিয়ে আউটসোর্সিঙ্গও হচ্ছে। ম্যানুফ্যাকচারিঙ্গ বেস সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আপেল অবশ্যই আমেরিকাতে বিজনেস করবে, কারণ এইটা তাদের সবথেকে বড় মার্কেট। তাছাড়া অন্য অনেক সুবিধে আছে - অলরেডি সেটাপ আছে, পেটেন্ট ল ভালো, ভালো ট্যালেন্ট - সেইজন্যে এখনো কিছুটা ম্যানুফ্যাকচারিঙ্গ করছে আমেরিকাতে। কিন্তু আইফোনের ম্যানুফ্যাকচারিঙ্গ মনে হয় এখন বাইরেই হচ্ছে।

    ইন্ডিয়ার এখন গুছিয়ে ম্যানুফ্যাকচারিঙ্গ জব দরকার। নইলে বেকারত্ব, গরিবী, অনাহার বাড়তেই থাকবে। তার জন্যে ট্যাক্সো কমানোর কথা বলছি না। কিন্তু ইনভেস্টমেন্টের অনুকুল পরিবেশ তইরী করা হোক। স্বচ্ছতা বাড়ুক, কোরাপশন কমুক। একইসাথে ক্রোনি ক্যাপিটালিজম আর অযথা সিনিসিজম বন্ধ হোক।
  • ranjan roy | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১১:৪৯683219
  • ধন্যবাদ S।
    কথাটা হল আমাদের প্রত্যেকেরই নিজস্ব বায়াস আছে, সেটাই স্বাভাবিক। সে নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই। কিন্তু বিতর্ক ইনফর্মড ডিবেট হওয়া উচিত। তাতে দু'পক্ষেরই লাভ।
    একটি বইয়ের সিরিজ হাতে এসেছিল, তাতে দু'জন বিপরীত দর্শনের প্রফেসার পাবলিক পলিসির কিছু পূর্ব নির্ধারিত ইস্যু নিয়ে বক্তব্য রাখবেন। আদ্দেকটা বইয়ে প্রথম জনের বক্তব্য, বাকিটায় দ্বিতীয়জনের। কিন্তু একটাই শর্ত, ফ্যাক্টগুলো অ্যাকসেপ্টেড হতে হবে, যাতে তর্ক হবে শুধু ইনটারপ্রিটেশন ও কনসিকোয়েন্ট পলিসি অ্যাডভাইস নিয়ে। একজন খোলা বাজারের পক্ষে,অন্যজন সরকারী নিয়ন্ত্রণের।বেড়ে লেগেছিল।
  • PT | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ১২:০৬683220
  • 'ইন্ডিয়ার এখন গুছিয়ে ম্যানুফ্যাকচারিঙ্গ জব দরকার। নইলে বেকারত্ব, গরিবী, অনাহার বাড়তেই থাকবে।"

    সে আপনে যাই বলুন না কেন। ঐ সব 'বেকারত্ব, গরিবী, অনাহার" বাড়লেও চাকরীর গাজর দেখিয়ে আমাদের জমি নিতে পারবেন না। ঝুলন্ত বাগান হয় আর কেউ একটা ঝুলন্ত কারাখানা বানাতে পারছে না?
  • pinaki | ০৮ আগস্ট ২০১৫ ২৩:৩৫683221
  • হুম্ম। শিল্পপতির রেট অফ প্রফিটে যাতে আঁচড়টি না পড়ে - সেটার লক্ষ্যে লড়ে যাওয়াটা হল আজকের জমানার পোকিতো শ্রমিক দরদ। বোঝা গেছে। শুধু দুঃখ বা আয়রনি একটাই। এই ভয়ংকর শ্রমিক দরদটা শ্রমিকরা বুঝল না। যেমন সারা দেশের কৃষকরা গুরুর জমি অধিগ্রহণপন্থী তাত্ত্বিকদের কাঁচকলা দেখিয়ে অধিগ্রহণ অর্ডিন্যান্সের বিরুদ্ধে লড়ে গেল। আর গুরুর পোকিতো কৃষক দরদীদের 'অধিগ্রহণের মাধ্যমে কৃষক দরদ' এর মহান থিওরিটা মাঠেই মারা গেল। (ব্যাকগ্রাউন্ডে 'বুঝলো না, কে এ এ এ এ উ বুঝলো না' করুণ সুরে)

    তত্ত্ব কী আর গাছে ফলে!
  • S | ০৯ আগস্ট ২০১৫ ০৫:৫৩683223
  • কৃষক শ্রমিকরা তো না হয় বুঝলাম প্রতিবাদ করছে। কিন্তু আমেরিকাতে বসে সাম্যবাদের গান গাওয়াটা এক ধরনের পার্ভার্শন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন