এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • আম্রিগা - একটি নির্মোহ ব

    pi
    অন্যান্য | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২ | ২৮১৯৬ বার পঠিত | রেটিং ৪ (২ জন)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Biplab Pal | ১৫ এপ্রিল ২০১২ ১২:০২529159
  • রিদ্ধি
    আমি পরিস্কার করে লিখছিলাম একজন আমেরিকানের কেন অত ভাল গণিতজ্ঞ হওয়ার দরকার নেই-কারন লাগলে ভারত, রাশিয়া থেকে ইম্পোরট করতে পারে। আলোচনা হচ্ছে কিন্ত আমেরিকান বর্ন লোকেদের নিয়ে।

    আমি এসেছিলেম শ্রমিক হিসাবে। পি এই চ ডি, পোষ্ট ডক্ট যাই কর না কেন -ক্যাপিটালিজমে তুমি শ্রমিক, সেটাই সব থেকে সঠিক পরিচয়। এদেশে আসতে গেলে শ্রমিক হিসাবেই আসতে হয়। তখন শ্রমিকের স্কিল সেট লাগে। কিন্ত এদেশে যারা পড়াশোনাতে ভাল-তারা ওকালতি ডাক্তারি ব্যবসা করে। যা স্বাধীন পেশা। এদেশে ইঞ্জিনিয়ারদয়ের স্টাটাস সেই শ্রমিক।

    আমি মাঝে মাঝে নিজের ছেলেকে দেখি আর ভাবি এদেশে জন্মালে কি হত। আমার বাড়ি ছিল অদ্যন্ত গ্রাম্য শহরে, সঙ্গী ছিল বই। টিভিও ছিল না। ফলে নানান বই পড়েই পৃথিবীটাকে জানতে হত-অঙ্ক, বিজ্ঞান ভাল না জানলে-কোন ভাবেই করে খেতে পারতাম না। ফলে ও ছাড়া উপায় বা কি ছিল?

    এদেশে জন্মালে আমি প্রায় নিশ্চিত- আইন নিয়েই পড়তাম। কারন এখানে ইঞ্জিনিয়ারিং পেশার চাকরী বেশ নিম্ন মানের বলেই ধরব। এতে না আছে ভাল ইনকাম, না আছে স্থিরতা। না স্যোশাল পজিশন। ইঞ্জিনিয়ারিং পেশাতে নিজে কোম্পানী খুলে ব্যবসা করতে পারলে- কিছুটা বেটার হয়। সেটাই করছি এখন। নইলে এই দেশে জন্মে কেও প্যাশন ছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বে না। ওর থেকে ফ্যাইন্যান্স, আইন, মেডিসিনের যেকোন পেশা এদেশে ভাল। কারনটা সেই ক্যাপিটালিজম।
  • tatin | ১৫ এপ্রিল ২০১২ ১২:০৬529160
  • তাহলেই ভেবে দ্যাখো, আমেরিকা আদতে অন্যদেশের ওপর কতটা ডিপেন্ডেন্ট
  • SC | ১৫ এপ্রিল ২০১২ ১২:১৫529161
  • ইচ্ছে করলে এখনো একটা জে ডি নামাতে পারো।
  • Bratin | ১৫ এপ্রিল ২০১২ ১৩:৩৪529162
  • নিম, খুব বাজে লাগলো। প্রতিষ্টা পাবার দিন গুলো তে আমদের সবাই কে কম বেশী স্ট্রাগল করতে হয়। কিন্তু ভালো কেরিয়ারের জন্যে আমদের দেশের বেস্ট ব্রেন গুলো বিদেশে যাচ্ছে তাদের ছাত্রাবস্থা আরেক টু বেটার আশা করেছিলাম। এখানে অনেকে আছেন যার USA তে পড়াশুনা করেছেন। তাঁদের exp ও কী একই রকম ভয়াবহ?
  • Lama | ১৫ এপ্রিল ২০১২ ১৬:৪২529163
  • আমার অভিজ্ঞতা অল্প। তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে, একজন আমার বয়েসী সাহেব অঙ্কে আমার পঁচ বছরের মেয়ের চেয়েও কাঁচা। আমরা "বারো দুগুনে চব্বিশ' বললে অবাক হয়ে তাকায়, তারপর ক্যালকুলেটর বার করে ভেরিফাই করে নেয়।
  • sda | ১৬ এপ্রিল ২০১২ ০০:০৫529164
  • তাতিনদা, প্রচুর ধন্যবাদ গানটা শেয়ার করার জন্যে। অনেকদিন ধরে গানটা খুঁজছিলাম, নামটা জানতাম না বলে খুঁজে পাইনি।
  • Generic letter | ১৬ এপ্রিল ২০১২ ০৯:৩৭529165
  • আমি আমেরিকাতে পিএইচডি করেছি। আমার অভিজ্ঞতা কিন্তু অনেক আলাদা। চাপ ছিলো, কিন্তু বেশ কাটিয়েছি বন্ধুবান্ধব মিলে আনন্দ করে, ইন ফ্যাক্ট একজনের স্টাইপেন্ডে দুজনে দিব্যি ম্যানেজ করেছি। খুব যে কষ্ট হয়েছে এমন না। বড় শহরেই ছিলাম, শহুরে আনন্দফুর্তি সেরকম কিছু বাদ দিতেও হয় নি। য়াডভাইসরকেও অত্যাচারী কংসরাজ বল্লে ডাহা মিথ্যে বলা হবে।

    বেসিক্যালি, তাইরে নাইরে না করে কাটিয়েছি।
    আমার মনে হয়, একেকজনের এক্ষপিরিয়েন্স একেকরকমের - জেনেরালাইজেশন করা খুব শক্ত।
  • Nim | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ১৫:০৮529166
  • সান্ত্বনা দেবার জন্য ঋদ্ধিদাকে ধন্যবাদ।

    @SC তখন কি আর জানতুম :(

    @Genericletter: তখন হয়তো অন্যরকম ছিলো, কিন্তু এখন হরে দরে একই, যদি Ivyleague এ যাও তাহলে মোটামুটি সুখ, কিন্তু আমাদের মত সরকারী বান্দাদের জন্য গপপো সর্বত্রই প্রায় একই

    @ব্রতীন: শখ করে কি আর এসেছিলাম :( দেশে অঙ্ক পড়ার জায়গা ঠিকঠাক এতই কম যে বাধ্য হলাম, IMSc, IISc, TIFR-Mumbai ছাড়া আর কোথাও খুব ভালো কাজ কি হয়? BScMSc অবশ্য আরো খারাপ, ISICMI ফসকালেই চিত্তির কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া গতি নেই, যার সিলেবাস internationally ছেড়েই দিলাম ভারতেই অচল! ১৮২৫ সালের পর বোধহয় আর আপডেট হয়নি, সেখানে topology থাকে ১০ নাম্বার, ComplexAnalysis থাকে ১০ নাম্বার, এদিকে Hydrostatics-Statics-RigidDynamics ১০০, আর ProbabilityandStatistics ১০০!!!
  • tatin | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ১৫:৫৫529167
  • Hydrostatics - Statics - Rigid Dynamics খুব ভালো জিনিস, বেশি জোর দেওয় উচিৎ এগুলোয়।

    এনিওয়ে, আমার যেটা মনে হয়েছে, ভারতে যারা আইআইঅএসসি, ভালো আইআইটি বা সমমানের কোথাও পিএইচডি করার চান্স পাচ্ছে- ইউএসএর মধ্যমানের ইউনিতে তাদের কখনো ই যাওয়া উচিত না।
  • tatin | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ১৫:৫৯529169
  • ভারত থেকে লাস্ট দশ বছরে অংকের বেস্ট কাজ বোধহয় আইআইটি কানপুর কম্পিউটর সায়েন্স ডিপার্টমেন্টে হয়েছে।
  • Bratin | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ১৬:০৫529170
  • লক্ষ্য করলুম তাতিন আই এস আই নাম নিল না :-))
  • tatin | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ১৬:০৯529171
  • সমমানের লিখেছি- আইএসাইএ কিছু ভালো কম্প সায়েন্সের পিএইচি্‌ড দেখেছি, এর বাইরে স্ট্যাটের সবাই দেখি বাইরে পিএইচডি করতে যায়
  • Bratin | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ১৬:১৭529172
  • কেন আই এস আই লিখে সমমানের লিখতে কী হয়েছিল? যাই হোক। কিডিং। নো অফেন্স। :-))

    আই এস আই তেও বেশ কিছু ভালো কাজ হয়। সব অবশ্য ই নয়। তবে এটা ঠিক বাইরে Ph d করতে যাবার রেট বেশ বেশী।
  • Nim | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ১৯:০৯529173
  • চান্স পাবার guarantee থাকলে Apply ই করতাম না, ঐ সুখ ছেড়ে কেউ আসে, পাতি TIFRBangalore দেখা যাক

    ১। মাইনে ১৮০০০ এর উপর
    ২। ঘরভাড়া ২০০
    ৩।অক্যাণ্টিন আছে নিজে রাঁধতে হয় না
    ৪।অচাইলে দু ঘণ্টার ভেতর বাড়ি
    ৫।২৪ ঘণ্টা লাইব্রেরী
    ৬।অঘর পরিষ্কার করার লোক
    ৭।অবিনামূল্যে খাতা পেন পাওয়া যায়!

    বলছি না সবজায়গাতেই সমান সুবিধা, কোথাও কম, কোথাও বেশী, কিন্তু সুখ সর্বত্রই আছে, আরে বাবা দেশে থাকাটাই সুখ বিশেষ!

    তবে বাইরে আসার আরেকটা কারণ হোলো প্রচুর লোকের সাথে আলাপ হয়, Exposure অনেক বেশী, India তে প্রতিটা জায়গাতেই homepolitics বড় বেশী, তবে ছাত্রদের পোচুর সুবিধে!
  • Nim | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ১৯:১০529174
  • আগের ৩,৪,৬,৭ এ অজান্তে সামনে একটা করে অ পড়ে গেছে :(
  • cb | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ১৯:২৯529175
  • অ: !!!
  • S | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ২০:০০529176
  • নিম,
    সিরিয়াসলি, আপনি আপনার স্টুডেন্ট দের সাথে কথা বলে দেখেছেন তারা কিভাবে সকালে ক্লাসে আসে ? যদি কেউ গাড়ি নিয়ে আসে তাহলে কারপুল করার কথা ভেবে দেখতে পারেন।
    অন আ লাইটার নোট, আমেরিকান আন্ডারগ্র্যাড, যাদের আপনি 'উদ্‌গান্ডু' বলেছেন, তারা পড়ার জন্যে অনেক বেশি স্ট্রাগল করে। আমি PHD করেছি মিডওয়েস্টের একটি সরকারি ইউনিভার্সিটিতে, কখনো মনে হয়নি কষ্টে আছি। অবশ্য আমাদের পরিবারে দুজনে স্টুডেন্ট ছিলাম। আমার ক্লাসের একটি ছেলে অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের থেকে এসেছিল, প্রথম দু বছর কমিউনিটি কলেজে পড়ে ভাল রেজাল্টের জোরে ইউনিভার্সিটি তে এসেছিল শেষ দু বছর পড়ার জন্যে। ক্লাসের পর UPS এর একটি মেল সর্টিং ফেসিলিটি তে কাজ করত আর রাতে ডাউনটাউনের একটি বিল্ডিঙ্গে সিকিউরিটির কাজ করত। রাতে কাজ করার সময় অ্যাসাইনমেণ্ট করত। এই রকম স্ট্রাগল করা ছেলে একজন নয়, আরো অনেকে ছিল। আপনি আপনার ক্লাসে খোঁজ করলে এইরকম অনেক স্টুডেন্ট পাবেন যাদের স্ট্রাগল দেখলে নিজেকে প্রিভিলেজড মনে হবে।
    আর ইন্ডিয়ান গ্র্যাড স্টুডেন্ট দের আরো অভিযোগ শুনবেন ? একজন ল্যাবের কম্পুটারে অনেক গান ডাউনলোড করত, সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটার তাকে একটু কড়া মেল করেছিল, তাই সে সবাইকে বলে বেড়ায় আমেরিকায় কলেজে ইচ্ছা মত গান ডাউনলোড করা যায় না। আর একজন কারোর কোনো অসুবিধা না করে মাঝরাতে ল্যাবের কম্পুটারে পর্ণ দেখতে বসেছিল কিন্তু হায়, কোনো সাইট ই খোলে না ! আর আমার দেখা সেরা হোয়াইনার হচ্ছে একজন যে একেবারে আর্লি সেটলারদের বাপান্ত করত। দোষের মধ্যে আমার শহর টি তে একটু বেশি ঠান্ডা পড়ে। স্প্রিং সেমেস্টারের শুরুতে তাকে সকালে আটটার মধ্যে ক্লাসে যেতে হবে এদিকে বাইরে তাপমাত্রা হয়ত -৩০। তার মতে আর্লি সেটলার রা এই শহরটির পত্তন করেই ভুল করেছিল, এই জায়গাটি মানুষের থাকার উপযুক্ত নয়।
    আমেরিকান আন্ডারগ্র্যাড দের স্ট্রাগল দেখার পর ইন্ডিয়ান গ্র্যাড স্টুডেন্ট দের এই সব অভিযোগ শুনলে আমার এখন বলতে ইচ্ছা করে স্টপ হোয়াইনিং অ্যান্ড গ্রো আপ।
  • aka | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ২০:২৮529177
  • নিম যা বলল চাকরি করতে এসে প্রথম প্রথম আমারও হয়েছে। এসেছিলাম বোস্টনে নভেম্বর মাসে। জেটল্যাগ কাটানোরও সুযোগ দেয় নি, পরের দিন ভোর আটটায় প্রথম ক্লায়েন্ট মিটিং ছিল। সাতদিনের মধ্যে প্রথম ডেলিভারি। বাড়ি থেকে দুই মাইল দুরে ছিল মেট্রো স্টেশন, এক মাইল ছিল গ্রসারি স্টোর। গাড়ি ছিল না। -৩৫ হলে ক্যাব চড়তে হবে বলে, -২০, -১৫ তে হাঁটতাম, আর কিছুই না কিছু টাকা যদি বাঁচানো যায়। ক্যাবে রোজ যাতায়াতে ১৫ ডলার যেত। আবারও ক্যাবের খরচ বাঁচানোর জন্য গ্রসারি করে হাতে প্রচূর ভারি ভারি জিনিষ নিয়ে, প্রবল ঠান্ডায় চড়াই উঠতাম। এসব করে রোজ সকালে আটটায় আপিস যেতে হত, শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, বরফ ঝড় সব সামলেই। ফেরার কোন ঠিক ছিল না। বাড়ি ফিরে আবার রান্না বান্না, অফশোর কল ইত্যাদি ইত্যাদি। সইতে না পেরে ধার করে প্রথম গাড়ি কিনে ফেললাম আসার চার মাসের মধ্যে। সেই যে দাদা ধারে ঢুকলাম, সে চলছে তো চলছেই। কি দূর্ভোগ বলুন দিকি। শুধু তাই নয় বোস্টনে এসে প্রথম প্রথম ঐ টিম টিমে আলো, রাস্তায় দু একটা লোক, একা একা স্ট্রাগল ইত্যাদিতে মনে হত এ কোন শ্মশানে থাকতে এসেছি। ও কিছু না কালচারাল শক, কদিনেই ঠিক হয়ে যবে।
  • rimi | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ২১:১৯529178
  • কালচারাল শক তো হবেই। মাএর দৌলতে যে দেশে ছেলেকে জলটি পর্যন্ত নিজে গড়িয়ে খেতে হয় না, সে দেশ থেকে আম্রিগায় এলে এইরকম কালচারাল শক ছ্যাঁক করে লাগবেই।

    বাংলাদেশে খুব কম ছেলেকেই দেখি যে বড় হয়েছে, বয়স যাই হোক না কেন। :-(

    সরি, একটু খোঁচা দেবার লোভ সামলাতে পার্লাম না :-)))
  • amit | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ২৩:০৯529180
  • আকা দার সাথে আমার অভিজ্ঞতার একদম মিল নেই। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারীতে প্রথম বস্টনে নামা। প্রথম ১ বছর থেকেছি বেলমন্টে, তার পর থেকে আর্লিংটনে। গাড়ি কেনার প্রয়োজন অনুভব করি নি এখনও অব্দি। ম্যাসাচুসেটস-এ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ভীষণ ই ভালো। আজ অব্দি মাত্র দুবার ক্যাব ভাড়া করতে হয়েছে (এয়ারপোর্ট থেকে), সেটাও একাধিক ব্যাগ একা সামলাতে না পারার জন্য মাত্র। গ্রসারী, রান্না, ঘর পরিষ্কার, ঘরের সামনে বরফ সাফ করা সব নিজেকেই করতে হয়েছে, যার কোন টাই দেশে থাকতে করি নি। খুব একটা স্ট্রাগল করতে হয়েছে বলে আমার মনে হয় নি।
  • aka | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ২৩:১৬529181
  • সে তো হবেই, আমি থাকতাম কুইন্সিতে সেখানে মূল সমস্যা ছিল মেট্রো থেকে আমাদের অ্যাপার্টমেন্টে বা গ্রসারি থেকে অ্যাপার্টমেন্টে যাবার কোন পাব্লিক ট্রান্সপোর্ট ছিল না।

    কেন ওখানে ঘর নিলাম? আমি নিই নাই, আমার কলিগেরা ওখানে থাকত, ভালোবেসে ঠিক করে দিয়েছিল। তবে ঐদিকপানে পাব্লিক ট্রান্সপোর্ট খুব ভালো না। কুইন্সি, ব্রেনট্রি ইত্যাদি জায়গায় বাস খুবই কম ছিল। তবে সেও তো অনেক দিন হল। এখনকার খবর জানি না।

    কথা হল, গাড়ি নাই তো ঘরের সামনের বরফ পোস্কার করার কি দরকার?
  • Tim | ১৭ এপ্রিল ২০১২ ২৩:৫৭529182
  • রিমিদিকে ক। ঘোর বাস্তব।
  • amit | ১৮ এপ্রিল ২০১২ ০০:০১529183
  • আকাদা, গাড়ি না থাকলেই বা কি, যে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতাম,(মালিক ঠান্ডার সময় ফ্লোরিডায় থাকত) আমাদের entrance এর দিকের বরফ সাফ আমাদের ই করতে হত দাদা!!
  • Tim | ১৮ এপ্রিল ২০১২ ০০:১৫529184
  • বরপ পরিষ্কার খুব ভালো জিনিস। ভালো জ্যাকেট আর জুতো থাকলে, হাতে দস্তানা থাকলে কুনো ব্যাপার না। বিজিতে থাকাকালীন একসময় রোজই করতে হতো। একেক্বারে প্রথমদিকে বছরখানেক মাইনাস ৩০ এ হামেশাই আধঘন্টা হেঁটে কেলাস করতে ও পড়াতে যেতুম, গাড়ি ছিলোনা যখন।
    নিজের কাজ নিজেই করার থেকে ভালো আর কিছু হয়না, ব্যক্তিগত মত। এদেশে এসে যা যা ডিগ্রি হয়েছে, তার চেয়ে ঢের বেশি প্রাপ্তি এই ইন্ডিপেন্ডেন্স। যারে কয় পোকিতো সিক্ষা। :-)
  • Binary | ১৮ এপ্রিল ২০১২ ০২:৫০529185
  • আমি আম্রিকায় কোনোদিন লংটার্ম থাকিনি। তবে কালে-অকালে গিয়ে থেকে আসি, অকাজে, মাঝেমাঝেই। আর আমি যেদেশে থাকি তার সাথে তুলনা চলে আম্রিকার কারণ এরা ভাই ভাই দেশ, একই সীমানা।
    ১) মেডি কেয়ার নিয়ে আম্রিকায় বেজায় সমস্যা, আমার দেশে সেটা ফিরি সরকারি, আম্রিকায় নয়।
    ২) আমার এখেনে ট্যাক্সো অনেক বেশী, আম্রিকার তুলনায়
    ৩) জিনিষ-পত্রের দাম-ও বেশী আম্রিকার তুলনায়। মানে অনেক-ই বেশী।

    এছাড়া, ঐসব, স্ট্রাগল, ঠান্ডায় হন্টন, ট্যাক্সি, ধার (গাড়ী কেনার জন্য) ইত্যাদি প্রভ্‌তি হক্কল পশ্চীমে একই। প্রথম প্রথম এসে ভ্যাবাচ্যাকা খেতে হয়, তারপর সেয়ানা হতে হয়। আম্রিকার এতে স্পেশাল 'ব' কিছুনেই।

    ইউনিভার্সিটি-তে গ্র্যাড বা পিএইচি্‌ড-র ক্ষেত্রে-ও একই, এতে-ও আম্রিকা বা অন্য পশ্চীমি দেশ সব এক। আমার নিজের জ্ঞান নেই, তবে অসংখ্য বন্ধু-বান্ধব থেকে জানা।

    মোদ্দা কথা নিজের দেশ ছেড়ে এসে প্রথমে সক্কলকেই আতান্তরে পড়তে হয়, তারপর সেয়ানা হতে হয়। আম্রিকা কোনো স্পেশাল 'ব' নয়।
  • Binary | ১৮ এপ্রিল ২০১২ ০২:৫৮529186
  • মূল যেটা, আমার মনে হয়, যে দেশে আমরা একটা শিক্ষিত উচ্চমধ্যবিত্ত প্রিভিলেজ পেয়ে থাকি, সকল স্তরে, যেটা আম্রিকা ইত্যাদি দেশে পাওয়া যায় না। এরা বাচ্চা বয়স থেকে 'নিজে খুঁটে খাও' শেখে। এটাই প্রথম আর এক মাত্র কালচারাল শক।

    আর বরপের ব্যাপারে আমাচ্চেয়ে বেশি কেদ্দানি, গুরুতে কারো নেই, সে আমি হলপ করে বলতে পারি :))
  • Binary | ১৮ এপ্রিল ২০১২ ০৩:০৮529187
  • আম্রিকা ইত্যাদি দেশের, 'উদগাণ্ডু' গ্র্যাড স্টুডেন্ট-রাও সুপারস্টোর বা বার্গার কিং এ কাজকরে-ই খরচ চালায়, বাপ-মা দই ভাত খাওয়া-য় না আমাদের দেশের মত। বড়জোর বাড়ীত্থেকে টিউশন -টা পেয়ে থাকে।

    আমাদের বাপ-মায়ে, ইঞ্জিয়ারিং পড়া হস্টেলের ছেলে কেও নাড়ু-বড়ি-পরটা খাওয়ায়, তার্পর চাগরি করা ছেলের বিয়ে-ফ্ল্যাট কেনা নিয়ে তদ্বির করে। এভ্রিথিং ক®¾ট্রাল্ড বাই পরিবার তন্ত্র।

    তারপর সেই ছেলে আম্রিকায় এসে হাবুডুবু খায়। এই আর কি।
  • Sibu | ১৮ এপ্রিল ২০১২ ০৩:১৭529188
  • ও বাইনারী, কানাডায় আম্রিগার চাইতে জিনিষ-পত্তরের দাম বেশী? ডেট্রয়েটে থাগতে তো নদী পেরিয়ে উইন্ডসর থেকে জিনিষ-পত্তর কিনে আনতাম। কিছু সস্তা পড়ত। সে অবিশ্যি অনেক দিনের কথা।
  • Binary | ১৮ এপ্রিল ২০১২ ০৩:২২529189
  • কতদিন আগে ? এখনে তো সব জিনিসের দাম প্রায়-ই ১৫% বেশী। যখন থেকে ডলারের দাম কানাডায় ভারী হল তখন থেকে, মনে হয়। বাড়ি-গাড়ি-র দামতো অনেক বেশী।
  • Sibu | ১৮ এপ্রিল ২০১২ ০৫:৫৬529191
  • সে অনেক দিন আগে। বছর পনেরো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন