এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বইপত্তর

  • চুনসুরকি অলিগলি

    Sayantan
    বইপত্তর | ২৮ ডিসেম্বর ২০০৫ | ১৯৫৮৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sayan | ০৬ মার্চ ২০০৬ ২০:৫০451344
  • তোমার গল্পে অনেক কিছুই আছে
    আছে নির্মাণ, বিদ্রোহ, আছে অশ্বমেধের ঘোড়া
    দামামা বাজিয়ে চলাফেরা করে অন্তরীক্ষে, জলে
    দারুণ চরিত্রেরা ...

    আছে উদ্যান, সমুদ্র ছুটে আসা
    দীর্ঘ তমালবীথিতে সি.ডি-র গান -
    ফ্যাশনশোয়ের বনজ্যোৎস্নাতে চরাচর ধুয়ে গেলে
    জ্বলে ওঠে বিজ্ঞান ...

    উন্মাদ আছে, শিশুশ্রম আছে, স্পষ্ট কুসুমদল
    খলখল করে অবৈধ কথা ছুঁড়ে দেয় রকমারি

    চারিদিকে এত মহাবিশ্ব? এত ঢেউ?
    ঝরে পড়লে দেখে নেব, কীভাবে পুড়ে যায় কালপুরুষ
  • vikram | ০৬ মার্চ ২০০৬ ২১:১৬451345
  • মিলিকে একটা প্রশ্ন,
    যখন তুমি কিছুর বর্ণনা দাও যেমন লংকাগন্ধএর গ্রীষ্মদুপুর, দিগন্তকুহেলী, শরতের দ্রুতচ্ছন্দ প্রহর,ওব ইনিসি লেনা, এগুলি অনুভব করে লেখো না শুনতে ভালো লাগছে বলে? আমি কিন্তু কোনোটাকেও খারাপ বা ভালো বলছিনা। জাস্ট জানতে চাইছি।

    আরেকটা ডিসকানেক্টেড কথা- এমনি মজার, ওব ইনিসি লেনা শুনলেই আমার প্রথম যে অনুভূতিটা হয় সেটা হল যে মাধ্যমিকের ভূগোল পরীক্ষা সামনে, এশিয়া চ্যাপ্টারের ওপর লেনা, ইনিসি ওব ইরতিশ (এই অর্ডারে ছিলো) আর তাইগা আলতাই কিসব দুর্ধর্ষ নাম। শুনলেই মনের মধ্যে কেমন কাম সেপ্টেম্বারের মিউজিক বেজে ওঠে। মনে হয় এবারে একটা কবিতা লিখে ফেললাম বলে।

    বিক্রম
  • Milli | ০৬ মার্চ ২০০৬ ২৩:৩০451346
  • বিক্রম,
    তিয়েন্‌শান কুয়েন্‌লুন আলতিন্‌তাগ- এরকম নিঁখুত সুষম ছন্দতাললয় মেলানো পাহাড়ের নাম কেমন লাগতো?
    আমার তো শুনলেই তেরেকেটে তাগ বেজে উঠতো।:-)
    তোমার প্রশ্নগুলো ভালো তবে উত্তর দেয়া যায় না এসবের।উত্তর তো শব্দে হয়,শুকনো শব্দে,তাই সেটায় ঐ অপরূপ ক্ষণগুলি,ঐ চোখে দেখা কানে শোনা নাকে গন্ধ নেয়া প্রহরগুলি যেগুলি কিনা পরতে পরতে জড়িয়ে গেছে স্মৃতির নকশায়-সেগুলো দেয়া যাবে না,তাই উত্তরটা হবে না।
    কিছু মনে কোরোনা যেন।
  • Milli | ০৭ মার্চ ২০০৬ ০০:২৯451347
  • সবচেয়ে মারাত্মক কেসটা হবে আগামীকাল।
    উ:।
  • Sayantan | ২৩ আগস্ট ২০০৬ ১৬:৩৫451348
  • সাদামাটা কপাল থেকে ঝরে পড়া সিঁদুরের মত
    শব্দেরা নেমে আসে
    উচ্ছিষ্ট কবিতা শুধু মাটি ভরে
    ভোরের ঘুম ভাঙা যেমন বিষন্ন আলো
    শব্দ রোদ ছিটকায় চেতনার খিলানে দেওয়ালে ঘুপচি ঘরের দরজায়

    গোপন ডাইরীর পাতা উড়তে থাকে
    আর একে একে আবরণ কেটে যায়

    তোমার চোখের খুব সামনে তিল তিল ক'রে ম'রে
    শ্রেষ্ঠ কবিতার রিপিটেশনের মত বেঁচে ওঠা যায়

    তোমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময়গুলো
    হয়ত এতদিনে অ্যালবাম হয়ে বেরিয়ে গেছে
    ভীমপলশ্রী শুদ্ধ কল্যাণ জয়জয়ন্তীর মত রিমিক্স

    স্বপ্নে মনে ছিল না সম্পর্কজীবন ভালোবাসা সখ্যসম্মেলন
    স্ক্রীনজোড়া নকল ওয়ালপেপারে আঁকা সান্ত অনিশ্চয়

    সব হারিয়ে যাক
    সব মিথ্যা হোক সত্য শ্রেষ্ঠ সুন্দরের গান
    ক্লান্তি আনুক শান্তি
    প্রথম শাড়িতে দেখা অনুভূতির মত চোখের পাতায়
    শব্দেরা ঝরে পড়ে
    ঘুম নেমে আসে দু'পা এক পা
    তুমি শেষবার ঘুমের গভীরে এসে দাঁড়াও
  • Sayantan | ২৫ আগস্ট ২০০৬ ১৪:৪৯451349
  • সব চুপ
    ঘুমিয়ে পড়েছে যেন
    এখন এসেছ ভীরু নর্মধাত্রী বসন্তের হাওয়া
    আমার গল্পের ধান
    কাটা হয়ে লাটে উঠে গেছে
    জমিতে আজ অন্ধকার
    আদিমতম রূপকথার ছিঁড়েছে শৃঙ্খল
    অসম্বদ্ধ তান্ত্রিকের শুধু তুউমিই প্রাসঙ্গিক ঘরের অর্গল
    খুলেছ - শুরু ঝড়ের আনাগোনা
  • Sayantan | ২৫ আগস্ট ২০০৬ ১৭:১৮451350
  • নিভৃতে আলোয় বসে ছবি আঁকে
    নানা রঙের বর্ণালীতে হারিয়ে যাওয়া
    কোন সে সময়
    মহুয়ার দেশে পর্ণমোচী একাকীত্ব নিয়ে
    পরিযায়ী পাখী ডানা ঝাপটায়
    শাল অর্জুনের বিস্তৃত উপরে
    পাতাদের ফাঁকে তখন ফুটে উঠেছে
    অনেক অনেক নক্ষত্র কুঁড়ি
    অকুন্ঠ তৃণভূমি মা ডাকে জেগে ওঠে
    শুধু রাত জাগে
    ক্লান্ত আলোআঁধারি
    হেসাডিহি বেলপাহাড়ী ফুলডুংরি
    শুকনো শিশিরভেজা পাতা ও খালি পা
    আর ছিল
    ধামসা মাদলের টান
    আদিবাসী গান মাতাল চলে সরলরেখায়
    মন যদি টলে যায় জুঁইছবি
    অথবা সুগন্ধী হাসনুহানায়
    থম হয়ে আসা বাতাসে নিভন্ত বাতি
    বাতি নিবে গেলে পার হওয়া সবকিছু সাদা হয়ে যায়
    টুসু মেয়ের হাতে দেখেছিলাম
    নামহীন
    অকরুণ ছবি
    নিষ্পাপ তুলির আঁচড় অথবা উল্কিতে
    পুরনো সে ছবি, আজ সাদা ফ্যাকাশে
    নতুন রঙে সাজবে বলে হয়ত সে গোপন প্রস্তুতি
  • J | ২৫ আগস্ট ২০০৬ ১৭:২৮451351
  • ছেলেটা আবার আগের ফর্মে ফিরে আসছে।
  • Div0 | ২৯ এপ্রিল ২০০৮ ১২:৫৩451352
  • চোখের জল মুছে ফেলেছি আজ দুহাতে
    ধূষর কোষে শুধু চাপা জ্বালা
    জ্বালা যখন স্বস্তি আনে না
    দুহাতে জড়িয়ে ধরি আগুন আগুন
    পলকা ঠুঁটো অভিমান ব্যতিরেকে সব চোখে কুকুরের লালার মত প্রভুভক্তি
    চোখ তবু চমকায়
    সারিবদ্ধ শ্ব-দাঁতের তলায় নখের নীচে
    আগুনের পাশে
    ধিকিধিকি জ্বলে তুষের স্তুপ
    শুকনো পাতা আর গলিত শবের পূণ্যভূমি
    তবে সব চুপ করে থাক
    অনেক নদী বয়ে সব জল চোখের কোলে এসে মিলেছে
    অনেক বসন্তের শেষে শুকনো হাওয়া এলোমেলো করেছে প্রলাপ ঠোঁট
    প্রেম আর বিষ পথ হাঁটে হাত ধরাধরি স্মৃতির খলামকুচী
    অনেক লোহা ঘষটেছি দু'পায়ে
    এখন শুধু একটু জল চাই
  • sayan | ২৭ জুন ২০০৯ ২৩:১২451354
  • একাকী মাঠে প্রহর পোড়ে রোদে
    প্রহর কাটে রোমশ রাত্রির ধারালো দাঁত
    শরীর নেভালো কে অকস্মাৎ
    চায়া তো অনুগামিনী, স্বৈরিনী
    কি অভিশাপে
    বসন ছিঁড়ে তবু দুরূহ কাঁপে
    আবার আসো, যদি আবার খুঁজো
    শরীর, ভালোবাসা, আহুতি, পূজো
  • sayan | ২৭ জুন ২০০৯ ২৩:১৮451355
  • তৃণের অস্তিত্ব জল থেকে কুড়োতে গিয়েছ
    রৌদ্রহীন ছায়ার ভ্রূকুটি, এই অবেলায় কেন
    আর দেরী, মধ্যাহ্ন বিকেল, নদী হয়ে বয়ে যায়
    তার সর্বাঙ্গে ফুটে আছে মেয়েদের ছবি
    রেখেছি ঠোঁটের কাছে, গূঢ় অপমান চুম্বনের কালে
    কামনায় থরথর নতজানু দেহ যেমন করে
    বিঁধেচে শরীর
    অপাপ কিশোরীর স্তনে ছিল অনুভূতি প্রগাঢ় যেমন
    ভালবাসা আকাশ জেনেছে স্বপ্ন সাধই মায়া
    মাধবীলতার গায়ে আলো পড়ে নক্ষত্রের
    আমার ফাল্গুন বুঝি এলো
    ত্রস্তে কাঁপে ঝরাপাতা
    খোলা খাতার পাতা
    লেখা ছিল সবুজ কালিতে - তোমাকে বুঝিনি
  • sayan | ২৭ জুন ২০০৯ ২৩:২৪451356
  • আজ্‌সকালে দরজার পাল্লা হাট করে খুলে দেখি
    একপশলা বৃষ্টিতে ভিজে সব উলোট পালোট
    মনখারাপের সৈনিকেরা ক্লান্ত, সবাই হতাশ -
    আর এসবেরই মাঝে
    লালমাটির পথে
    কে যেন ফেলে গেছে বাসী একটা ফুলের মালা
    সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপারে
    রূপকথার দেশের একশ মানিক জ্বলা
    ভালোলাগায় গাঁথা বাসী শুকনো ফুলের মালা
    রাঙাধূলো যে পথে তুমি গিয়েছ সেদিন
    আজও, এই মধ্য আষাঢ়েও ফিরল না তোমার সংবিত
    তাহলে সৈনিকেরা উঠে বসুক জেগে
    খুলে দিই পূবদিকের জানালাগুলো আর
    দু-টুকরো করি আমার সোনার জিয়নকাঠি
    নষ্ট এই ছবি থালায় ভরে
    তোমার সামনে সাজিয়ে দিলাম
    যদি পড়তে পারো তো পড়ে নিও
    এতগুলো বিগড়ে যাওয়া দিন
    - এবার তাহলে ছুটির সময় হোক
  • Samik | ২৭ জুন ২০০৯ ২৩:২৬451357
  • আয় পাগলা, বুকে আয়।
  • sayan | ২৭ জুন ২০০৯ ২৩:৪৭451358
  • সবই ঠিক আছে
    তাই নয় কি অপর্ণা
    সুদীর্ঘ দুপুর, অপর্ণা তুমি কার?
    তুমি কে? তুমি কে?
    এমন দুপুরে মায়া হরিণীরা বিচরণে আসে
    এমন দুপুরে রোদে ছায়াগুলি বিচিত্ররূপিনী
    এমন দুপুরে গাছপালা কথা বলে
    এমন দুপুরে আধখোলা উপন্যাস কিংবা
    দু-কাঁটার উলে ভুল বোনা সোয়েটার

    কিছুই মনে পড়ে না
    পাহাড়ী নদীতে ভেসে আসে কাঠকুটো ছিন্নমালা
    সিঁড়িতে কোত্থেকে এলো এত জল ... বৃষ্টি না
    বন্যার মত ঢল
    দরজা বন্ধ, তুমি একা, একাকীত্বের চেয়েও একা -
    এখন সময়ও যেন স্থির ... মনে নেই, কিছু মনে নেই
    শরীরের শূণ্যতায় এত বিষাদ ভরা
    বুকে ঝঞ্ঝা
    অশনি দু'চোখে
    অস্তিত্বের তমসায় বাতাসের মৃদু ফিসফিসানি
    ঝনঝন শব্দে ভেঙে পড়ে অপর্ণা
    তোমার দর্পিত অহঙ্কার
  • sayan | ২৮ জুন ২০০৯ ০০:০২451359
  • খুব দূরে কোথাও একটা জোছনা উঠেছে
    যেন অনেককালের পুরনো একটা তামার চাঁদ
    এই বারন্দাটায় বসলে
    টের পাই তার কলি কলি কাঁপা কাঁপা আঙুল
    ঠান্ডা সাদা রেলিংগুলো ঘন হয়ে কোল ঘেঁষে আসে
    ওদের মধ্যে সবচাইতে শান্তটিকে
    আরও কাছে টেনে নিয়ে বলি
    - আয়, তোদের রূপকথা শোনাই
  • sayan | ২৮ জুন ২০০৯ ০০:১২451360
  • কতবার তোমার সাথে রাতের রেলে তারা গুনেছি আকাশে
    ছুটন্ত দরজার পাশে
    নীরব
    সেই যখন তুমি ঘুম আনতে অচেনা
    পায়ের নীচে তীব্র গতি তার ধাতব ঝংকার
    রাতের চুলের মুঠি ধরে উড়ে যাওয়া নিয়ত অপূর্ণ জীবনে
    একাকার
    ধরে নাও আজ সামনে অভিনয়
    সরে আসবার মূল্য দিতে দিতে বেলা সরে যায়
    সন্ধ্যে হয়ে এলে দেখি সবই ঘুরপথ
    উদগ্র ঘুরপথ - তোমাকে ছোঁবার
    তাই ফিরে চলা
    ফেরার আগে তাকে ফেলে এসেছি তার দেশে
    মাত্র ক'টা দিন
    তবু এসব শব্দের কথা তোমাকে বলব না কখনও
    আমার পা কখন বসে গেছে বালির গভীরে
    আমার চোখের তারায় নির্নিমেষ চেয়ে থাকা
    তুমি জানো না
    তোমার অচেনা শহরে এখন গভীর রাত
    এখনই ধূলোর ঝড় উঠবে
    মুছে যাবে সবকিছু
    শান্ত চোখ
    অস্তিত্ব
    এখুনি
    পালাও ....
    পালাও ....
  • Arpan | ২৮ জুন ২০০৯ ০০:২৫451361
  • ফাটাফাটি হচ্ছে সান্দা।

    যদি এইটা লিখতাম "শূন্যতার শরীরে এত বিষাদ ভরা'? কেমন শোনাত? অন্য কিছু?
  • sayan | ২৮ জুন ২০০৯ ০০:৪৪451362
  • খুব অ্যাপ্ট লাইন অপ্পন্দা।
    দেয়ার একজিস্টস বিষাদ, কিন্তু সকলে তা মানে না। যেন নেই। ডাজ'ন্ট একজিস্ট! তোমার লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
  • iintellidiot | ২৮ জুন ২০০৯ ১৩:২০451363
  • সান্দা কি ভালো লেখেন। সিম্পলি অসাধারন :-)
  • d | ২৮ জুন ২০০৯ ১৪:৫৩451365
  • হুল্লাট হয়েছে সায়ন।
    ^:)^
  • sayan | ২৮ জুন ২০০৯ ১৫:৫৪451366
  • শমীক, রঞ্জনদা, তিমি, অপ্পন্দা, তীর্থংদা, ইন্টেলি, দমদি - সব্বাই কে থ্যাঙ্কু, আমার হাবিজাবি পড়ে ফীডব্যাক দেবার জন্য।

    গত চার বছর ধরে মামুর কলে লিখে চলেছি দেদার হিজিবিজি পাতার পর পাতা - এইফাঁকে মামুকে একটা থ্যাঙ্কু দিয়ে রাখলাম।
  • Du | ২৮ জুন ২০০৯ ১৮:৪১451367
  • ভাল হয়ে গেল মন
  • kallol | ২৯ জুন ২০০৯ ১৬:৫৭451368
  • সায়ন - তোমার সাথে কেন যেন কিছুতেই দেখা হয় না। ৫ জুলাই রবিবার বিকাল ৫টায় রেসিডেন্সি রোড ক্রশওয়ার্ড-এ আসবে ?
    সেদিন নাগরিকের গান আর আয়নার নাটক আছে। বই-চই এর অনুষ্ঠান। আমার খুব ইচ্ছে করছে তোমার কবিতা দিয়ে শুরু করার। তোমার মনমতো কবিতা বেছে এনো গোটা পাঁচেক। তবে চাপ নেই। ইচ্ছে না করলে পোড়ো না। কিন্তু এসো, অবশ্যই এসো।
  • sayan | ৩০ জুন ২০০৯ ০০:০১451369
  • কল্লোলদা, কোনওদিন কারও সামনে কবিতা পড়িনি, তাই এরকম একটা ইভেন্টে জমায়েতের সামনে কবিতা পড়তে ঠিক ভরসা পাচ্ছি না। তবে ঐদিন হাজির হয়ে যাবো ঠিক।

    কবিতা না হয় পড়া যাবে পরে কোনওদিন আমাদের চেনাপরিচিত ভাটিয়ালির চৌহদ্দিতে।
  • Diptayan | ০২ জুলাই ২০০৯ ২০:৪১451370
  • এই টইতে অনেকদিন পরে লেখা হল দেখে খুব ভালো লাগলো। ২০০৫ র শীতে একদিন সায়ন্তন এটা স্টার্ট করেছিল যখন, তখন ই আটকে গিয়েছিলুম। তখন আমার প্রলম্বিত প্রবাসের শেষপর্ব। নি:সঙ্গ দিনগুলোতে প্রবলভাবে ছু'য়ে গিয়েছিল লেখাগুলো।

    সায়ন্তন- তুই খুব ভালো লিখিস রে - এই টই টাতে রেগুলার পোস্ট চলুক।
  • Arpan | ২৫ জুলাই ২০০৯ ০৩:১১451371
  • অভিন্নহৃদয় ছিল তারা,
    আগুন চেয়েছিল যখন ফ্যাকাশে হাতে
    দৈব ও অদৈব প্রত্যাশায়

    চ্যুত হৃদয় কী করে জোড়া লাগে বলো
    ব্যাকুল ছাইয়ের সন্ধানে যদি যাও
    মাটির পাখিখানি
    নামিয়ে রেখো, ছেলে

    অভিন্নহৃদয় ছিল তারা, একদা
    গেরস্তবাড়ির দেয়ালে
    সিঁদুরছাপ আর প্রাচীন টিকটিকি।
  • Sayantan | ১৯ আগস্ট ২০০৯ ০০:২৩451372
  • যাকে তুমি হৃদয় ভেবেছ
    সুরক্ষিত রেখেছ
    সে আসলে একটুকরো কাঠ
    প্রতিদিন একটু একটু করে ক্ষয়ে যায়
    অন্ধকারের মত ক্ষয়
    যত ব্যর্থ হয়, তত ভেতরে ভেতরে প্রতিশোধ
    কাঠ পোড়ার ধোঁয়ায় বোঝা যায়
    সে কাঠের জীর্ণ বুকের মধ্যে
    সেসময় কেউ নেই
  • Sayantan | ১৯ আগস্ট ২০০৯ ০০:২৬451373
  • অন্ধকার চিরকাল বাইরের লোক
    মাতালের মত দরজায় হুমড়ি খেয়ে পড়ে
    ফাঁক পেলে ঢুকে যায়
    কালো বেড়ালের মত পায়ে পায়ে ঘোরে
    সমস্ত দিন
    রাত্রি হলে চোখ জ্বলে
    কেউ যদি মোমবাতি জ্বেলে রেখে
    ভাবতে বসে মৃত্যুদিন আজন্মের শোক
    চেপে ধরে বুক
    শ্বাসকষ্ট, রক্তচাপ পাথরের ভার
    খুনীর মত রেখে চলে যায় একা অন্ধকার
  • Sayantan | ১৯ আগস্ট ২০০৯ ০০:৩৩451374
  • সজারুর কাঁটা গায়ে ঐ বর্ষা পাহাড়ের পিঠে
    নেমে এল লালমাটি হৃদয়ের রক্তস্রোত নিয়ে এই
    সমতল দেশে - প্রাবৃটের মেঘধেনু বিদ্যুৎ ছুরির
    আঘাতে নিহত গাছপালা সব কন্টকিত, হ্রস্ব দিন
    দৃষ্টিহারা - কন্টকিত একটি কলম, কাদার পায়ের
    ছাপ রেখে আততায়ী যেন হারিয়েছে কোথায়
    অল্প অল্প হাওয়া বইছে, গায়ে রোমাঞ্চের ধার,
    এই বাতার ধূসর দিনটিকে নিয়ে যাবে রাত্রির ওপার
  • Sayantan | ১৯ আগস্ট ২০০৯ ০০:৩৮451376
  • ঝাঁকাও সজোরে যত বেঁচে না থাকাকে
    কবিতায়
    তোমাদের ঝুলবারান্দায়
    মনে পড়ানোর মেঘ যত
    ভীড় করে আসুক
    দমছুট চুম্বনের স্মৃতি
    আর তীব্র শরীরী তমসা

    তোমার আর একাদশী
    তোমার আদর সযত্নে রাখা আছে
    যে মেঘে তাকেও
    কেউ ছুঁয়ে দিক
    এ তোমার অনিচ্ছে কুসুম
    তার জন্য বানভাসি স্রোত রাখো
    লাভানদী

    কোনও এক দুরন্তের দিকে
    এরপরও যে তোমাকে বুঝতে মরিয়া
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন