এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • তৃ-প-বু-ভূ-১০

    pinaki
    নাটক | ১৭ জুন ২০১০ | ৩৯৪৯৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ২১ জুন ২০১০ ২২:৫০455861
  • আ: ভুল হয়ে গেছে, জিলিপিও দেয় মাঝে মাঝে, বোঁদের বদলে।
  • aka | ২১ জুন ২০১০ ২২:৫০455850
  • চিরকালই গেরাম মানেই অবহেলা। আমাদের ওদিকে দুই পক্ষেই লুচি আলুর দম/ঘুগনি, কখনো বোঁদে দেয়, কখনো নয়। একই লোক দুই দিকের মিটিংয়েই যায়। একেবারে শ্রেণীহীন মিটিং।
  • SC | ২২ জুন ২০১০ ০০:১৯455872
  • মফস্বলের লোকেদের কাছে ব্রিগেড মানেই ফ্রিতে কলকাতা ঘুরে আসা ট্রেনে। ভাড়া লাগে না, এমনকি এসিতেও ফ্রি। ঐ একদিন সমাজতন্ত্রের জয়, কলকেতার পার্টির বাবুদের দাক্ষিণ্যে।অমিটিংয়ে ঠায় রোদে দাঁড়াতে হয়, তাপ্পর পার্টি থেকে প্যাকেট, আর চিড়িয়াখানা দেখে আবার বাড়ি ফেরা।
  • Sags | ২২ জুন ২০১০ ১১:২৫455883
  • কোন কোন পার্টি বিরিয়ানি দেয়। আমি তাদের সকলকে সমর্থন করবো। লুচি, আলুর দম, ঘুগ্নি, জিলপি, বোঁদে সকাল সকাল পেলে তাতেও যেতে রাজি আছি। একেই বলে খাদ্যতন্ত্র। দেশের লোককে পিষে রাখলে, তবেই না তারা খাওয়ার আর টাকার জন্যে সমর্থন করবে।
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১২:২৯455894
  • এমনিতে মিছিল-মিটিং-এ গ্রাম থেকে মানুষ এলে, তাদের খাবার একটা বন্দোবস্তো করতেই হয়। সেই ৫০-৬০এর দশকে কমিউনিষ্ট পার্টির বাড়ি বাড়ি যোগাযোগের শুরু - কিংবদন্তি হয়ে যাওয়া - চারটে রুটি আর আলুরদম দিয়ে। অবশ্য তখন ব্রিগেডের বা মনুমেন্টের মিটিংএ দেখেছি, গ্রামের লোক মুড়ি-চিঁড়ে নিয়ে আসতেন। রুটি খুব পছন্দের খাবার ছিলো না তখন গ্রামের মানুষদের।
    ৭২-৭৭ নট কিচ্ছু। আবার ৭৭-এ ব্রিগেড চালু হলো। এইবার পাল্টাতে শুরু হলো। টোডি-জালান-প্রোমোটার লবি খাবার দিতে লাগলো - বিরিয়ানীর প্যাকেট। গ্রামের মানুষের খাবার অভ্যাসও পাল্টেছে এর মধ্যে। আর বাড়ি বাড়ি যোগাযোগের আর কোন অর্থ ছিলো না পার্টির কাছে। বারান্দায় গণশক্তি ফেলে দিলেই হলো। বাজারে ঝাঁকার ওপর কুপন ছুঁড়ে দিলেই হলো।
  • SB | ২২ জুন ২০১০ ১৪:৫৫455905
  • একটা ছোট্ট হিসেব। তিণোমূলের মিছিলে আসলে একেকজন কে ৪০০ টাকা একটা মিছিলের জন্যে, সাথে বিড়িয়ানী। সবমিলে ধরলাম ৪২০ টাকা (বাল্কে বিড়িয়ানী কেনা হলে দাম কম পরতেও পারে ;-))

    ১০০ জনের মিছিল।

    একটা মিছিলের খরচ কম করে, ৪২,০০০ টাকা।

    একেকটা ওয়ার্ডে সপ্তাহে চারটে মিছিল, চার সপ্তাহ ধরে। তাহলে ধরা যাক সারা পশ্চিমবঙ্গে সব মিলে ৫০০ ওয়ার্ডে ৮০০০ মিছিল।

    এই পুরোভোটে তিণোমূল শুধু মিছিলের পিছনে ৩৩৬,০০০,০০০ টাকা খরচ করেছে। তিনশো ছত্রিশ মিলিয়ন টাকা, মানে তেত্রিশ কোটি টাকার কিছু বেশি। এটা কনসার্ভেটিভ হিসেব :)
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৫:০০455916
  • তাতেই তৃণমূল জিতে গেলো। মাত্র ৩৩ কোটি টাকায় কোটি কোটি মানুষের চোখের মণি প্রবাদপ্রতিম সংগঠন ফুস হয়ে গেলো ৩৩ বছর পর। ক্যাবাৎ, ক্যাবাৎ।
  • SB | ২২ জুন ২০১০ ১৫:০৫455927
  • সেটা আবার আমি কখন বললাম????!!!!! :)
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৫:১৬455938
  • না না তুমি বলবে কেন? বিমান বসু বলছে।
    অ পিটি সোম্বার কবে হবে?
  • Samik | ২২ জুন ২০১০ ১৫:১৭455950
  • কাল আবার পবঙ্গ বামফ্রন্ট সরকারের ৩৩ বছর পূর্তির জন্মদিন ছিল।
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৫:২৭455961
  • তাতে বিমান বসু উবাচ - বামফ্রন্ট সরকারের কোনও ভলো কাজ যারা দেখতে পারে না তারা চাইছে সরকারকে দুর্বল করতে। অর্থবল ও পেশিশক্তির বলে বলীয়ান হয়ে, নানা ছলাকলায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে। দেশি-বিদেশিপ্রতিক্রিয়ার শক্তি এবং বিভিন্ন এজেন্সি থেকে মদত পাচ্ছে বিরোধীরা। গরিবের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরীর চেষ্টা হচ্ছে। এরা হিটলার, মুসোলিনির মতো।
    http://www.aajkaal.net/report.php?hidd_report_id=129277
    তাতেই যে ৩৩ কোটির বজনা বাজছে।
    পুণ:উটপাখীভব:
  • SB | ২২ জুন ২০১০ ১৫:৩৬455972
  • কল্লোলদা, দুটো ফিচার খুব ইম্পরট্যান্ট। এক হল অ্যালিয়েনেশন, আর দুই, মানে যার কারণে অ্যালিয়েনেশন, পলিটিকাল অ্যাপাথি, ডিপলিটিসাইজেশন ইত্যাদি।

    একটা বড় সময় ধরে আপাত শান্তিকল্যাণের ফলাফল হল মানুষ আস্তে আস্তে রাজনৈতিক ভাবে অসচেতন হয়ে যায়, এই ব্যাপারটা সমর সেনের লেখাতেও আছে, রাশিয়াতেও এরকম হয়েছিল। অশোক মিত্র ও একই কথা বলেছিলেন।

    যাউগ্গিয়া, এখানে এসব বলার মত পরিস্থিতি নেই :)
  • aka | ২২ জুন ২০১০ ১৬:১৯455983
  • সত্যি!! সমর সেন, অশোক মিত্র এইসব বলেছেন? গত কয়েকবছরের নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর হবার পরেও?
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৬:২৪455994
  • না। আমার তা মনে হয় না। একটা পর্যায়ে এসে শান্তি তো হতেই হবে। সকলে যদি সুখে শান্তিতে থাকে তাহলে তারা যেচে বাঁশ কেন ঝাড়ে বলবে ? এটা একটা উটপাখী তঙ্কÄ।
    সমাজতন্ত্র মানে দুধ-ঘি নয় বৈদ্যুতিকরন নয়। সমাজতন্ত্র মানে নতুন মানুষ গড়া। প:ব:তেও একই সমস্যা। যখন মানুষ পূর্ণ আস্থা রাখছে, বিরোধীরা মুছে গেছে, তখন নতুন মানুষ গড়ার কথা ভুলে / বিকল্প উন্নয়নের কথা ভুলে (তুমি জানো সমবায় নিয়ে সিপিএমএর মনোভাব) - এই ব্যবস্থায় থাকতে গেলে এমনই হতে হবে বলে গড্ডালিকায় গা ভাসালে এইই হয়। যত বেশী বছর ক্ষমতায় থাকা হবে পার্টি সদস্যপদ তত কঠিন হবে পাওয়া। হলো তার ঠিক উল্টোটা।
    এটা সোভিয়েৎ চীন ও প:ব: সব ক্ষেত্রেই সত্য।
    চীন-সোভিয়েৎ যদি সেই বাজারের কাছে হাঁটু মুড়ে বসলো - তবে ভাবো - কিসের মার্কসবাদ?? মার্কসবাদী সমাজতন্ত্র - আসলে রাষ্ট্রীয়/আমলাতান্ত্রিক পুঁজিবাদ ছাড়া আর কিছুই নয়।
    জনগনই শালা যত চু*য়া বলে কি লাভ।
  • SB | ২২ জুন ২০১০ ১৬:৩১456005
  • কনভিন্সড হলামনা। এই লজিকে হাজারটা প্রশ্ন আছে, এই লজিকের মূল হল ক্ষমতায় গেলেই লোকজন পাল্টে যায় ... যাউগ্গিয়া, আপনি যখন বলছেন, তখন তাই, মেনে নিলাম, তর্কের মুডে নেই।
  • SB | ২২ জুন ২০১০ ১৬:৪৬456016
  • আরেকটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার। পুরো ভোটেই যদি ৩৩ কোটি টাকার বেশি খরচ করে থাকে তিণোমূল। তাহলে গত লোকসভা ভোটে এর কম পক্ষ্যে চার - পাঁচ গুণ খরচ করেছে, চার গুন ধরলেও, ১০০ কোটি টাকার মত।

    তার আগের পঞ্চায়েত নির্বাচণে পুরোভোটের কম পক্ষে দু-তিন গুন, কম করে ৭০ কোটি।

    তাহলে গত পঞ্চায়েত থেকে এই পুরোভোট পর্যন্ত তিণোমূল শুধু মিছিলের পিছনে খরচ করেছে ২০০ কোটি টাকার কিছু বেশি। শুধুই মিছিলের পিছনে :)
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৬:৫০456027
  • পাল্টেছে তো। দেখতে পাও না? এক বিমান বসুকেই দ্যাখো। যিনি বোধহয় না পাল্টালেও পারতেন। তিনিও কতটা পাল্টেছেন। আমি ১৯৯৯তেই বিদেশী সিগারেট খেতে দেখেছি প্যকেট প্যাকেট। আর ১৯৭২-এ বিড়ি। এটা খুব ক্রুড উদাহরন হলো - কিন্তু দু:খিত, কিছু করার নেই। পার্টি অফিস গুলো দ্যাখো। নেতাদের গাড়ি চড়া দ্যাখো।
    বলবে বিদেশী সিগারেটে কি দোষ? গাড়ি চড়ায় কি দোষ? আমি পাল্টা প্রশ্ন করবো - বিড়ি খেলে কি দোষ। ট্রামে বাসে চড়লে কি দোষ? দুনিয়ার মানুষ যদি বিড়ি খেয়ে, ট্রমে বসে, মেট্রোয় চড়ে অপিস কাছারি দুনিয়াদারী করতে পারে তো ওরাও পার্টি চালাতে পারতেন। এতো দিন করে এসেছেন। পরে আর করেন নি।
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৭:০০456038
  • ঐ তোমাদের ঝামেলা। রাজা যাহা বলে, পারিষদজন বলে তার শতগুণ। এতোদিন জয়দেব বসু মার্কা ভয়ানক ধরনের আত্মসমালোচনা চলছিলো। এবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে তাই - টাকা পয়সা-পেশী শক্তি-মানুষ শান্তিতে অসচেতন এসব তঙ্কÄ আসছে।
    মানুষের আস্থা হারিয়েছে সিপিএম। এই সহজ সত্য যতক্ষণ না নিজের কাছে স্বীকার করবে ততক্ষণ সিপিএম থেকে যাবে ৩৫০-৩৫এর মোডে। বলছি বটে ভুল হয়েছে, আসলে মনি না। যা করেছি ঠিকই আছে - টাকাপয়সা ছড়িয়ে আর ভয় দেখিয়ে সব গন্ডোগোল করে দিচ্ছে ওরা। আর লোকেও তেমনি নিমকহারাম - এতো ভালো করলাম - চোখে দেখতে পায় না!!!
    এভাবে চললে - আবার ভরাডুবি কেউ ঠেকতে পারবে না।
  • SB | ২২ জুন ২০১০ ১৭:১৬456049
  • পাল্টেছে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলিনি, যদি ক্ষমতায় গেলেই পাল্টায়, তহলে ক্ষমতায় যাওয়াটাই উচিত নয় কি? তাহলে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের দিকে এগোনই তো উচিত নয়, লজিকের ফ্যালাসি এইখানেই।

    আর আমি কোথায় বললাম সিপিএম হারার পিছনে এইটা তঙ্কÄ? একবার ও বলেছি নাকি কল্লোলদা? :) মানুষ সিপিএমের ঔদ্ধত্য দেখে বিরক্ত হয়ে, খচে গিয়ে সিপিএমের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে, দিচ্ছে, দেবে। ব্যাস। এই নিয়ে তক্ক করছিনা, শুধু কয়েকটা মজার মজার তথ্য পরিবেশন করছি, রাগবেন না প্লীজ।

    এবারে আরো ইন্টারেস্টিং ব্যাপার দেখুন। মিডিয়াকে কেনা যায় ও কেনা হচ্ছে এটা সব্বাই জানেন। হিন্দুতে এই নিয়ে লেখাপত্তর বেরিয়েছে বিস্তর। তা ছাড়াও ধরুন এই পোস্টারিং, ওয়ালিং, ফ্লেক্স, আমরা পরিবত্তন চাই বলে সুশীল হোর্ডিং, ইত্যাদি ও প্রভৃতি তে ওই সব মিছিল ফিছিলের থেকে ঢের বেশি খরছ, কম করে দশ পনেরো গুন।

    তাহলে হিসেব হোল, ৩০০ কোটির দশগুন ও যদি ধরা যায়, ৩০০০ কোটি টাকা তিণোমূল খরচ করেছে এই দু-তিন বছরে :)

    ডি: পরিবত্তন হচ্ছে সিপিএমের ঔদ্ধত্যের বিরুদ্ধে। ব্যাস। সিরিয়াসলি। এইসব তথ্য জাস্ট অ্যাকাডেমিক ইন্টারেস্ট থেকে।
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৭:৩০456061
  • না। আমার তা মনে হচ্ছে না। এটা কোথাও আবার মুখ লুকানোর চেষ্টা।
    ব্যাপারটা বোঝো। তুমি বলছো ৩০০০ কোটি টাকা তৃণমূল খরচা করেছে এই কটা ভোটে। প্রায় বিশ্বাস করে ফেলেছো বলতে বলতে। নিজেই নিজের ওপর গোয়েবলসী করছো। অথচ সূত্র কি? না, Name: Sags Mail:Country:IP Address : 114.143.7.146 Date:21 Jun 2010 -- 04:02 PMএর একটা পোস্ট - শুনলাম এবারের কর্পো-মিনুসিপাল ভোটে তিণোমূল মিছিলে বেরোলে ডেইলি ৪০০ টাকা করে দিয়েছে, আর বিরিয়ানি খাইয়েছে।
    এটা তোমার সূত্র???
    তা, আমিও লিখে দিচ্ছি সিপিএম মিছিলে বের হলে জন পিছু ১০০০ টাকা আর পোলাও মাংস খাইয়েছে। লাও। এটাও একটা তাহলে একটা বৈধ সূত্র। এবার হিসেব করো সিপিএম কতো খচ্চা করেছে।
    কি করছো - কিসের ভিত্তিতে করছো, কিছু মাথায় আছে কি? অনামিকার কবিতাগুলো কি এতৈ দুর্বোধ্য!!!
  • aka | ২২ জুন ২০১০ ১৭:৪৯456072
  • অ্যালিয়েনেশন, পলিটিকাল অ্যাপাথিটা পোস্কার হল না। গত কয়েকবছরের প:ব:য়ের রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের ইনভলভমেন্টকে ''একটা বড় সময় ধরে আপাত শান্তিকল্যানের ফলে মানুষ আসতে আসতে রাজনৈতিক ভাবে অসচেতন হয়ে যায়"" যাঁরা বলেছেন তাঁদের লেখা পড়তে চাই। এই তঙ্কÄটা মাথার হাজার ফিট ওপর দিয়ে গেছে। এবং রাশিয়াতেও নাকি এই একই জিনিষ হয়েছিল? এসবি লেখাগুলোর লিং চাই।
  • saikat | ২২ জুন ২০১০ ১৮:০৪456083
  • না, এলিনিয়েশনের তত্বটা ঠিকই আছে, কিন্তু এর যৌক্তিকতা বোঝা যাবে যদি এই তত্বটিকে জনগণের ওপর প্রযুক্ত না করে পার্টির নেতাদের ওপর করা হয়। তখন বোঝা যাবে কারা কিসের থেকে এলিনিয়েটেড।
  • SB | ২২ জুন ২০১০ ১৮:১৬456094
  • কল্লোলদা, এটা তো অ্যাকাডেমিক এক্সারসাইজ। সিপিএম ওরকম করলে তার একটা এক্সট্রাপোলেশন নামিয়ে দিলেই হয়। সিপিএম পয়সা দেয়না বলেই জানি, তবে চাক্রি বাক্রি এটা সেটার প্রলভোন দেখায়, অথবা ভয়। তিণোমূল যেটা করছে সেটা তো কগ্রেসি কালচার, আপনিও তো নিশ্চই এসব দেখেছেন এককালে, এখন তিণোমূল এসব করছে শুনেই রেগে যাচ্ছেন কেন বুঝলাম না।

    আকা, সৈকত, অ্যালিয়েনেশন টা সিপিএম নামক পার্টি তার এককালের সমর্থকদের করেছে।

    আর ডিপলিটিসাইজ টা একটা সময়ের প্রেক্ষিতে, আপাত শান্তির সময়ে, তেমন কোন তীব্র আন্দোলন না থাকাতে সাধারন মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার উন্নতি তো হয়ইনি, বরং অবনতি হয়েছে।

    শুধুই বামফ্রন্ট সরকারকে যুগে যুগে দরকার ধরনের অরাজনৈতিক স্লোগান সাহায্য করেছে সেই প্রসেসে।

    যখন ল্যাখার সময় পাবো, তখন লিখে লিং দিয়ে দেব আকাবাবুকে :)
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৮:২০456105
  • আছে। এমন লেখা আছে। সমর সেনের তো আছেই। লিংক দিতে পারবো না। তবে বাড়ি গিয়ে খুঁজবো।
    যখন ক্রুশ্চভের আমলে বিস্তালিনিকরণ চলছিলো, শান্তিপূর্ণ সহবস্থানের তঙ্কÄ উড়ছিলো, শ্রেনী বৈষম্য ঘুচে গেছে বলা হচ্ছিলো, দাদুর দস্তানা লেখা হচ্ছিলো, যেখানে হাতি-ঘোড়া-বাঘ-মুরগী সবই একই দস্তানায় আশ্রয় পেলো - তখন যারা এটার বিরোধীতা করলেন চীনা পার্টি, আলবানীয়া পার্টি থেকে সিপিএম, বললেন বিচ্যুতি হচ্ছে। সংশোধনবাদী রাস্তায় হাঁটছে লেনিনের পার্টি।
    কিন্তু প্রশ্ন হলো - এমন হলো কেন? ১৯১৭ থেকে ১৯৫৭ - এই চল্লিশ বছর ধরে একটা সমাজতান্ত্রিক সমাজে একটা মানুষও এই অবক্ষয়ের প্রতিবাদ করলো না? তবে কিসের সচেতনতা? কিসের প্রোলেতরিয়েৎ শাসন? কিসের মার্কসবাদী দর্শন? কিসের শ্রেণী সচেতনতা??? দেশ শুদ্ধু প্রোলেতারিয়েৎ সংশোধনবাদী হয়ে গেলো!!!!
    লেনিন-স্তালিন দেবতা। অত্যাচার, অবিচার, আমলাতান্ত্রিক দম্ভ, এসব যাদুঘরে থাকে সে দেশে। তাহলে জনগন এমন ম্যাদামারা হয়ে গেলো কেন? যারা মাত্র ৪০ বছর আগেই ১০ দিনে দুনিয়া কাঁপিয়েছিলো - তাদের হোলো কি? কোথায় তারা সোভিয়েৎগুলো থেকে অস্ত্র হাতে বেরিয়ে ক্রেমলিন দখল করে লাল পতাকার প্রকৃত অধিকারীদের হাতে তা তুলে দেবে বা তুলে নেবে, তা না করে, দিব্য - মেরা জুতা হ্যায় জাপানী গাইতে লাগলো।
    তখনই এলো শান্তিতে থাকতে থাকতে জনগনের অসচেতন হয়ে যাবার গল্প।
    কারন লেনিন-স্তালিন দেবতা। অত্যাচার, অবিচার, আমলাতান্ত্রিক দম্ভ, এসব যাদুঘরে থাকতো সে দেশে।
    এতো বড়ো উটপাখী কম এসেছে এ ধরায়। তারই ছোট সংস্করন চলছে প:ব:র পূণ্যভূমে।
  • SB | ২২ জুন ২০১০ ১৮:৩১456116
  • আরে কল্লোলদা শুধু খ্রুশ্চেভ কে দোষ দিয়ে কি লাভ। বছর দুয়েক আগে ভিয়েতনাম থেকে মাদাম বিন (http://english.vietnamnet.vn/profiles/2004/12/353235/) এসেছিলেন এখানে। প্রগতির থেকে একটা ইন্টারভিউ নেওয়া হোল, উনি বলে দিলেন অত উগ্র অম্রিগা বিরোধিতা অ্যান্টি ইম্পেরিয়ালিস্ম ভাল নয়, ওদেশের সাথে তো আমরা বানিজ্য করি টরি .... সুতরাং ;-)
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৮:৪৪456127
  • তাহলে সেই প্রশ্নটা আসে - ক্ষমতায় যাবো কি যাবো না।
    না যাবো না। রাষ্ট্র চালাবো - কিন্তু ক্ষমতায় যাবো না। খুব ক্যালানে মতন কথা। কিন্তু করা যায়। ক্রমাগত ক্ষমতার বিরুদ্ধে লড়ে করা যায়। ক্রমাগত বিনয়ী হয়ে করা যয়। ক্ষমতার সমস্ত প্রলোভন কে অস্বীকার করে করা যায়। তার জন্য নতুন মানুষ হতে হয়। একটা নয়, অনেক গান্ধী, অনেক জয়প্রকাশ নারায়ন হতে হয়। যারা ক্ষমতার ভিতরের মানুষ হয়েও তার বাইরে থাকতে পারে। মাও একটা চেষ্টা করেছিলেন সাংষ্কৃতিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে। কিন্তু ওটাও পথ নয় - ছিনতাই হয়ে যায়।
    অনেক কিছু জড়িত এর সাথে - উন্নয়নের বিকল্প ভাবনা, শাসনের বিকল্প ভাবনা, ক্ষমতাকে ছোট করতে করতে টুকরো টুকরো করে ফেলা। প্রত্যেকের হাতে অস্ত্র, কিন্তু তার ব্যবহারে সংযম। একদিনে হয় না। চল্লিশ বছরে হয়। ৩৩ বছরে আংশিক ক্ষমতায় আংশিক হয়। কিন্তু হয়।
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৮:৪৮456138
  • তৃণমূলের মিছিলের পয়সা। ৫/৭ বছর আগে হলে মানতাম। এখন আর পয়সা দিতে লাগছে না।
    আমার রাগের কিছু নেই। তোমাদের মুখ বাঁচানোর ব্যর্থ চেষ্টা দেখে - বিরক্তি লাগছে।
  • kallol | ২২ জুন ২০১০ ১৮:৫১456160
  • দোষটা একা ক্রুশ্চভের নয়। দোষটা সকল কমিউনিষ্ট দেশের মাথাদের। ক্রুশ্চভের সময় ধরা পড়লো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন